দাওয়াম - আমার সংগ্রাম

দাওয়াম - আমার সংগ্রাম || "প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান"-এর সংগ্রামকে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের সামনে তুলে ধরা ||

‘ইসলাম ও জ্ঞান’—এটি শুধুমাত্র একটি বই নয়; বরং তুর্কি ইসলামী জাগরণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইশতেহার।একসময় যে উসমানী রাষ্ট্র ...
17/08/2026

‘ইসলাম ও জ্ঞান’—এটি শুধুমাত্র একটি বই নয়; বরং তুর্কি ইসলামী জাগরণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইশতেহার।

একসময় যে উসমানী রাষ্ট্র তিন মহাদেশজুড়ে তার শাসন ও সভ্যতার বিস্তার ঘটিয়েছিল, সেই রাষ্ট্রের উত্তরসূরি মুসলিম সমাজ যখন পরাজয়, হীনমন্যতা ও আত্মবিস্মৃতির গভীরে নিমজ্জিত—তখন তাদের আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্বাস ও ঐতিহাসিক চেতনাকে পুনর্জাগ্রত করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছিলেন তরুণ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান।

তিনি শুধু বক্তৃতা দেননি; বরং তুরস্কের শহর থেকে প্রান্তর, শিক্ষাঙ্গন থেকে জনসমাবেশ—সর্বত্র মানুষের সামনে তুলে ধরেছিলেন ইসলামী সভ্যতার গৌরবময় ইতিহাস, মুসলিম মনীষীদের বৈজ্ঞানিক অবদান এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতা নির্মাণে ইসলামের ঐতিহাসিক ভূমিকা।

তাঁর আহ্বান ছিল আত্মবিস্মৃত একটি জাতিকে তার অতীতের সঙ্গে পুনরায় পরিচিত করা এবং সেই অতীতের শক্তি থেকেই ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা গ্রহণ করা।

‘ইসলাম ও জ্ঞান’ সেই জাগরণেরই একটি বুদ্ধিবৃত্তিক দলিল—যেখানে ইসলামকে কেবল একটি ধর্মীয় পরিচয় হিসেবে নয়, বরং জ্ঞান, বিজ্ঞান, সভ্যতা ও মানবকল্যাণের একটি পূর্ণাঙ্গ দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই চিন্তা ও আহ্বান তুর্কি সমাজে নতুন আত্মবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছিল। মানুষ তার ইতিহাসকে নতুন চোখে দেখতে শুরু করেছিল, নিজের সভ্যতাগত পরিচয়কে নতুনভাবে উপলব্ধি করেছিল এবং একটি নতুন ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল।

আর এভাবেই শুরু হয়েছিল ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়—একটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মবিশ্বাস ও সভ্যতাগত চেতনার পুনর্জাগরণের অধ্যায়।

হে আমার প্রাণপ্রিয় যুবক ভাইয়েরা!মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করো। প্রতিটি নিঃশ্বাসের হিসাব দিতে ...
11/08/2026

হে আমার প্রাণপ্রিয় যুবক ভাইয়েরা!

মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করো। প্রতিটি নিঃশ্বাসের হিসাব দিতে হবে—এই বিষয়টি মাথায় রেখে সত্য ও কল্যাণের পথে এগিয়ে চলো। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করে যাও। ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে আজ তোমাদের ওপর অনেক দায়িত্ব।

আমাদের এই জীবন সত্যের সঙ্গে মিথ্যার, সুন্দরের সঙ্গে অসুন্দরের, উপকারের সঙ্গে অপকারের এবং ন্যায়ের সঙ্গে জুলুমের দ্বন্দ্বের জীবন। ইসলাম শুধু মুসলমানদের জন্য নয়। সমগ্র দুনিয়ায় শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উপাদান ইসলামের মধ্যে রয়েছে। আর যুবকেরাই হলো এই শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মূল চালিকাশক্তি।

শান্তি, ভালোবাসা, ন্যায়পরায়ণতা ও সমৃদ্ধি সমগ্র মানবতার চাহিদা। মুসলিম যুবসমাজের কর্তব্য হলো এসব গুণাবলি বুকে ধারণ করে এগিয়ে চলা।

— প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান

আমরা ডাঙায় জাহাজ তৈরি করেই যাব, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই সাগরকে  আমাদের পদতলে এনে দিবেন। || প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এর...
06/08/2026

আমরা ডাঙায় জাহাজ তৈরি করেই যাব, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই সাগরকে আমাদের পদতলে এনে দিবেন।

|| প্রফেসর ডঃ নাজমুদ্দিন এরবাকান ||

জি/হাদ মানে হল; সত্য, সুন্দর, ভালো, উপকারী বিষয়ের প্রতিষ্ঠার জন্য সর্ব শক্তি দিয়ে প্রচেষ্টা চালানো। সকল মানুষের কল্যাণের...
03/08/2026

জি/হাদ মানে হল; সত্য, সুন্দর, ভালো, উপকারী বিষয়ের প্রতিষ্ঠার জন্য সর্ব শক্তি দিয়ে প্রচেষ্টা চালানো। সকল মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করা আর এটাই হল ইসলামের উদ্দেশ্য। এই পথে কাজ করা হল সবচেয়ে বড় ইবাদত।

প্রকাশিতব্য-"আমাদের সংগ্রামের মূলভিত্তি" গ্রন্থ থেকে....।

জায়নবাদকে তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মিল্লি গরুশ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান কখনো নিছক একটি ...
29/07/2026

জায়নবাদকে তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও মিল্লি গরুশ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকান কখনো নিছক একটি রাজনৈতিক মতবাদ হিসেবে দেখেননি। তাঁর দৃষ্টিতে এটি ছিল আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার শোষণ, দখলদারিত্ব ও বৈশ্বিক আধিপত্যের মূল চালিকাশক্তি। তাই তিনি বলেছিলেন, “জায়নবাদ একটি কুমির। এর ওপরের চোয়াল আমেরিকা, আর নিচের চোয়াল ইউরোপীয় ইউনিয়ন।” তিনি আরো বলেছিলেন, “আমরা সবাই জায়নবাদের নির্মিত কারাগারের এক অবাধ্য বন্দি।” জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তিনি রাজনৈতিক ময়দান থেকে শুরু করে বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গন পর্যন্ত এই আধিপত্যবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নিরলস সংগ্রাম করে গেছেন এবং মুসলিম উম্মাহকে এর প্রকৃত স্বরূপ অনুধাবনের আহ্বান জানিয়েছেন।

জায়নবাদকে সেই গভীরতা থেকেই বিশ্লেষণ করেছেন ফরাসি দার্শনিক রজার গারাউডি তাঁর গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ ‘ইসরায়েলনামা: রাজনৈতিক জায়নবাদের ময়নাতদন্ত’-এ। এখানে তিনি জায়নবাদকে কেবল একটি ধর্মীয় বা রাজনৈতিক আন্দোলন হিসেবে নয়, বরং ইউরোপীয় জাতীয়তাবাদ, ঔপনিবেশিক রাজনীতি, ঐতিহাসিক বয়ানের নির্মাণ এবং আধুনিক শক্তির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত একটি বহুমাত্রিক প্রকল্প হিসেবে বিশ্লেষণ করেছেন। বাইবেলীয় প্রতিশ্রুতি, ‘ঐতিহাসিক অধিকার’-এর দাবি এবং হলোকাস্ট-পরবর্তী নৈতিক বয়ানের রাজনৈতিক ব্যবহারের সমালোচনামূলক পর্যালোচনার মাধ্যমে গারাউডি জায়নবাদের ধারণাগত ভিত্তিকেই প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন।

প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকানের চিন্তা ও সংগ্রামকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে চাইলে এবং বর্তমান দুনিয়ায় বিদ্যমান সংকটের স্বরূপ বুঝতে হলে জায়নবাদকে আবেগ কিংবা ষড়যন্ত্রতত্ত্বের মাধ্যমে নয়, বরং জ্ঞানের আলোয় বুঝতে হবে। আর সে বোঝাপড়ার জন্য ‘ইসরায়েলনামা: রাজনৈতিক জায়নবাদের ময়নাতদন্ত’ একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ। এটি কেবল ইসরায়েল বা ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক ইতিহাস নয়; বরং সেই বিশ্বব্যবস্থার অন্তর্নিহিত যুক্তি ও ক্ষমতার কাঠামোকে বোঝার একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রচেষ্টা, যার বিরুদ্ধে এরবাকান আজীবন সংগ্রাম করেছেন। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় তাই বইটি কেবল প্রাসঙ্গিকই নয়, বরং মুক্তিকামী ও সচেতন পাঠকের জন্য এক অপরিহার্য পাঠ।

রাজনৈতিক জায়নবাদকে ঘিরে গড়ে ওঠা ইতিহাস, মিথ ও রাজনৈতিক বয়ানের একটি সমালোচনামূলক পাঠ এই গ্রন্থ। ফরাসি দার্শনিক রজার গারাউ...
28/07/2026

রাজনৈতিক জায়নবাদকে ঘিরে গড়ে ওঠা ইতিহাস, মিথ ও রাজনৈতিক বয়ানের একটি সমালোচনামূলক পাঠ এই গ্রন্থ। ফরাসি দার্শনিক রজার গারাউডি এখানে দেখিয়েছেন—ধর্মীয় দাবির আড়ালে কীভাবে দখলদার ও সম্প্রসারণবাদী ইসরায়েলের রাষ্ট্রকল্প নির্মিত হয়েছে। ঐতিহাসিক দলিল ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বইটি পাঠককে ইতিহাস ও রাজনীতির প্রচলিত বয়ানকে নতুনভাবে ভাবার আহ্বান জানায়।

বই : ইসরায়েলনামা; রাজনৈতিক জায়নবাদের ময়নাতদন্ত
লেখক : রজার গারাউডি
ধরন : হার্ডকাভার
বিক্রয়মূল্য : ২৫২৳

বইটি সংগ্রহ করতে মেসেজ করুন।

অনুবাদকের ভাষায় দাওয়াম
27/07/2026

অনুবাদকের ভাষায় দাওয়াম

চিন্তা ও বিশ্বাসকে কীভাবে সংগ্রামে রূপ দিতে হয়, ব্রিটিশ-জায়নবাদী শক...

মানব সভ্যতার প্রতি ইসলামী সভ্যতার অবদান
24/07/2026

মানব সভ্যতার প্রতি ইসলামী সভ্যতার অবদান

মানব সভ্যতার ইতিহাসকে যদি খুব ভালো ভাবে বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখতে পাই যে এক সভ্যতা আরেক সভ্যতা দ্বারা অনেক বেশী প্....

22/07/2026
আজ ২০শে জুলাই, সাইপ্রাস বিজয়ের ৫২তম বার্ষিকী।১৯৭৪ সালের আজকের এই দিনে তুরস্কের তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ড. নাজম...
20/07/2026

আজ ২০শে জুলাই, সাইপ্রাস বিজয়ের ৫২তম বার্ষিকী।

১৯৭৪ সালের আজকের এই দিনে তুরস্কের তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকানের নেতৃত্বে সাইপ্রাস বিজয় অভিযান পরিচালিত হয়েছিল এবং আল্লাহ তালার অশেষ রহমতে এর অর্ধেক পুনরায় উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

কৌশলগতভাবে সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ এই দ্বীপটি হযরত উসমান (রা)-এর সময় থেকে মুসলমানদের অধীনে ছিলো। কিন্তু ১৬০০ শতাব্দীর শেষের দিকে এই দ্বীপটি ব্রিটিশ বাহিনী উসমানীয়দের কাছ থেকে দখল করে নেয়। এরপর চলতে থাকে মুসলিম নিধন। বর্তমানে আরাকানের যে অবস্থা এটি ৩০০ বছর সেই অবস্থায় পরিণত হয়। সাইপ্রাস বিজয়কে বলা হয়ে থাকে, উসমানী খিলাফাতের পতনের পর এই প্রথম তুরস্কের সেনাবাহিনী যুদ্ধ করে কোন অঞ্চল পুনরুদ্ধার করার ঐতিহাসিক ঘটনা।

আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সকল হুমকি এবং তাদের রণতরীকে উপেক্ষা করে মুসলিম উম্মাহর অসীম সাহসী নেতা নাজমুদ্দিন এরবাকান সাইপ্রাসে অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দেন এবং সফল ভাবে বিজয় অর্জন করেন।

তিনি বলতেন,
“আমেরিকা! তো আমার কী? কিসের ইউরোপীয় ইউনিয়ন? আমরা হলাম ফাতিহ সুলতান মেহমেদের উত্তরসূরী। আমরা ১০০০ বছর সমগ্র দুনিয়াকে শাসন করেছি, ইউরোপকে আলো দেখিয়েছি, ওদের শিক্ষিত করেছি। আমরা আজও যদি কোরআনকে বুকে ধারন করে অগ্রসর হই, তাহলে কোনো শক্তিই আমাদের পরাভূত করতে পারবে না।”

এই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে পারেন, প্রফেসর ড. নাজমুদ্দিন এরবাকানের লেখা আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ 'দাওয়াম'-এর “সাইপ্রাস শান্তি মিশন” নামক অধ্যায় থেকে..।

Address

Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দাওয়াম - আমার সংগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share