23/05/2026
বরাবর, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী / মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী / মাননীয় আইন বিচার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী, মাননীয় মন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, মাননীয় মন্ত্রী স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মাননীয় সচিব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মহাপুলিশ পরিদর্শক, মহাপরিচালক র্যাব, মহাপরিচালক ডিজিএফআই, মহাপরিচালক মহাপরিচালক,এনএসআই, অতিরিক্ত মহা পুলিশ পরিদর্শক সিআইডি, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, পিবিআই, প্রশাসন অর্থ, ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট, অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রশাসন র্যাব হেডকোয়ার্টার , অতিরিক্ত মহাপরিচালক অপারেশন র্যাব হেডকোয়ার্টার, ডিআইজি এডমিন,ডিআইজি ক্রাইম ম্যানেজমেন্ট ডিআইজি ,হেডকোয়ার্টার, অতিরিক্ত ডিআইজি ক্রাইম রেঞ্জ পুলিশ, অতিরিক্ত ডিআইজি এস্টাবলিশ এন্ড পানিশমেন্ট, অতিরিক্ত ডিআইজি ক্রাইম জেলা পুলিশ, পুলিশ সদর দপ্তর ঢাকা, বিভাগীয় কমিশনার খুলনা, রেঞ্জ ডিআইজি খুলনা, সকল এডিশনাল ডিআইজি খুলনা রেঞ্জ, অধিনায় র্যাব ৬ খুলনা, পরিচালক কর্নেল জি এস ডিজিএফআই খুলনা বিভাগ খুলনা, অতিরিক্ত পরিচালক এন এস আই খুলনা বিভাগ খুলনা, পরিচালক দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা বিভাগ খুলনা, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাতক্ষীরা, পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা, পুলিশ সুপার পিবিআই সাতক্ষীরা, সুপার সিআইডি সাতক্ষীরা, সুপার পিবিআই সাতক্ষীরা, সকল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাতক্ষীরা, সকল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগন সাতক্ষীরা, অফিসার ইনচার্জ ডিবি সিআইডি ডিএসবি সাতক্ষীরা, আসসালামুয়ালাইকুম, আশা রাখছি মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানিতে সকলে ভালো আছেন পর সমাচার, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীন ও কলারোয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ১বছরের সাজা প্রাপ আসামী শরীফুজ্জামা তুহিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৬ দিন পূর্বে কলারোয়া থানায় এই এজাহারটি দেওয়া হয় কিন্তু ওসি সাহেব এই পযর্ন্ত এইটা এফআইআর করেনি শুধু আসামীর পক্ষ নিচ্ছে, গতকাল আমি এই বিষয়ে ডিআইজি সাহেব কে এবং অ্যাডিশনাল ডিআইজি তোফায়েল ভাইকে জানিয়েছি ভাই বলেছিল পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা কে বলবে এবং আজ থেকে ৪ দিন পূর্বে আমি ও পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা কে জানিয়েছি পুলিশ সুপার সাহেব বললো আসামীর বিরুদ্ধে সাজার কপি, ওয়ারেন্টের কপি সহ সকল ডকুমেন্ট আমার হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিন আমি সকল ডকুমেন্ট আমার হোয়াটসঅ্যাপ থেকে পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা কে দিয়েছি কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এখনো কোনো ব্যবস্থা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, এমনিতে আসামী একজন ১ বছরের সাজা প্রাপ্ত ওয়ারেন্টের আসামী এবং বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই আসামী বেপরোয়া ভাবে এলাকার মানুষের জমি দখল, বাজারে দোকান দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী এবং জোর পূর্বক ব্লাং স্টাম্প এবং ব্লাং চেকে লক্ষ লক্ষ টাকা বসিয়ে ব্লাকমেইল করে মামলা দিয়ে হয়রানি করে এবং দাবি চাঁদার টাকা না দিলে তার নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হামলা ও মারপিট করে মানুষের জমি / দোকান দখল করে নেয় এবং বতর্মান কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীন এর মাধ্যমে থানায় অভিযোগ দিয়ে পুলিশ পাঠিয়ে জনগণ কে ধরে নিয়ে এসে হয়রানি করে আর এই সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, ১ বছরের সাজা প্রাপ্ত ওয়ারেন্ট এর আসামী তুহিনের সকল অপকর্মে এই ওসি শাহীন টাকার বিনিময়ে সহযোগিতা করে, গত ১৮/ ০৫/ ২৬ তারিখে কলারোয়া বাজারের বল ফিল্ড এর দক্ষিণ পাশে সাদিকুন্নাহার নামীয় এক গৃহবধু এবং তার জা কে সহ ২ জন কে সকাল বেলা রাস্তায় ফেলিয়ে কাঠের চলা দিয়ে মারপিট করে এবং শরীর থেকে কাপড় খুলে বিবস্ত্র করে এর আগের দিন এই বাদীর স্বামীর নিকট আসামী তুহিন ৪৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে এবং তার দোকান ঘর অবৈধভাবে জোর পূর্বক দখল করে নেয় এই বিষয়ে বাদী কলারোয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে ও থানায় অভিযোগ দেয় কিন্তু সেসময় ও থানা থেকে কোনো আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনাই বরং অভিযোগটি ধামাচাপা দিয়ে রাখে এবং একই দিন বল ফিল্ডের দক্ষিণ পাশে শামীমা ব্যাগ কর্নার ও হাজী বিরিয়ানি বিল্ডিং এর মালিকের ছেলে অনিককে সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে বেধড়ক মারধোর করে যাহার ভিডিও ফুটেজ ওসি সাহেবের মোবাইলে দেওয়া হয়েছে এবং এই বিষয়ে বাদী সাদিকুন্নাহার কলারোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে তাকে থানা থেকে বের করে দেয় ওই সময়য়ের ডিউটি অফিসার, এই দিনের ১৮ / ৫ / ২০২৬ তারিখের ঘটনা পুলিশ সুপার অফিস সাতক্ষীরায় যেয়ে ভিকটিম অনিক সরাসরি পুলিশ সুপার সাতক্ষীরা আশরাফ সাহেব কে অবহিত করে অথচ সন্ত্রাসী তুহিনের শুধুমাত্র দলীয় পরিচয়ের কারণে ওসি সাহেব/ পুলিশ গ্রেফতার করছেনা, এই আসামীর নামে একাধিক মামলা আছে ৩/ ৪ দিন আগে ও কলারোয়া থানায় নজরুল ইসলাম নামের এক ভুক্তভোগী একটি মামলা করেছেন কিন্তু ওসি সাহেব আসামী কে সকল সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে এবং গ্রেফতার করছেনা, আইনের দৃষ্টিতে অপরাধীর কোনো পরিচয় থাকার কথা নয় তার পরিচয় শুধু সে অপরাধী, আমাদের দেশের একজন প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, পুলিশ প্রধান, ডিজিএফআই প্রধান যদি অপরাধের দায়ে মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে বিচারের অপেক্ষায় জেল হাজতে কারাভোগ করতে পারে সেখানে তুহিনের মতো একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং সাজা প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার হবেনা / পুলিশ গ্রেফতার করবেনা এই বৈষম্য বাংলাদেশে এখনো আছে? ১ সপ্তাহ ধরে একটি মামলা দায়ের করার জন্য কলারোয়া থানার ওসি শাহীন অসহায় নির্যাতিত মহিলা কে সকাল বিকেল থানায় ঘুরাচ্ছে অথচ মামলা রেকর্ড করছেনা অতএব বিষয়টি আপনার আন্তরিক সহযোগিতা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে কার্যকর অগ্রনী ভূমিকা কামনা করছি, পূর্বে এই বিষয়ে সকল ডকুমেন্ট সহ আপনাদের সকলের মোবাইল হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া আছে, আল্লাহ হাফেজ। ধন্যবাদান্তে : মোঃ আবুল বাশার চৌধুরী, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত সমাজ সেবক ও মানবাধিকার কর্মকর্তা, মহাপরিচালক, ন্যাশনাল ক্রাইম অবজারভেশন এন্ড লিগ্যাল এইড সোসাইটি, ( জাতীয় অপরাধ পর্যবেক্ষণ দুর্নীতি বিরোধী ও আইনী সহায়তা সংস্থা বাংলাদেশ) ব্যবস্হাপনা পরিচালক, জয় টেলিভিশন লিমিটেড, চেয়ারম্যান : চ্যানেল ক্রাইম নিউজ ২৪ লিমিটেড, চেয়ারম্যান : ক্রাইম এন্ড এন্টিক্রপশন রিপোর্টার্স সমবায় সমিতি লিমিটেড, প্রকাশক ও সম্পাদক : জাতীয় দৈনিক ডিজিটাল ক্রাইম নিউজ।