Chattogram Development Council-CDC

Chattogram Development Council-CDC চট্টগ্রামের উন্নতিই বাংলাদেশের সমৃদ্ধি(The development of Chittagong is the prosperity of Bangladesh)

15/04/2026

❝ইসলাম আমার ধর্ম। বাঙ্গালী আমার জাতিত্ব। ভৌগলিক অবস্থান আমার বাংলাদেশ। বাংলা আমার সংস্কৃতি, বাংলা আমার মুখের ভাষা। বাংলা আমার মাতৃভাষা। বাঙ্গালী হিসাবে আমার আছে গৌরবোজ্জল ইতিহাস। বাঙ্গালী জাতির আছে এক বিরাট ঐতিহ্য।❞ -মওলানা ভাসানী।

14/04/2026

প্রিয় চট্টগ্রামের জনগণকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। শুভ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
আবুল কালাম আজাদ
রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও চেয়ারম্যান,
চট্টগ্রাম ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল- সিডিসি।

04/04/2026

।। বিতর্কের এই রাজনীতি।।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, গণবিপ্লব এসব জনগণের ত্যাগের ফসল,আবেদন ভিন্ন, প্রেক্ষাপটও ভিন্ন। ৭১,৯০, ২৪ কে নিয়ে চলমান বিতর্ক আমাদের সুমহান স্বাধীনতা ও গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের মর্যাদাকে অসম্মান করা হয়, যা জন আকাঙ্খার পরিপন্থী।সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদ সম্প্রসারণবাদ ও আধিপত্যবাদ কেউ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব গণ-অভ্যুত্থানের মিত্র শক্তি নহে। সাময়িক শুশ্রূষার নামে কন্ঠরোধ করে সার্বভৌমত্বকে বিপদগ্রস্হ করবে। নানান শর্ত জুড়ে দিয়ে আধিপত্য বিস্তার করে বসবে,অতীতের অভিজ্ঞতা সুখকর নহে,তাই বর্তমানের বাস্তবতা এ-ই যে কোন গোপন চুক্তি সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্তের নামান্তর। আগে দেশ বাঁচান, মানুষ বাঁচান, আস্থা ও অনাস্থার বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। এখন পুরো বিশ্ব পেট্রো ডলারের তান্ডবে কাপছে, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চক্রান্তে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে অবশিষ্ট বিশ্ব , এটা হলে তামাম দুনিয়ার সভ্যতা ধ্বংস স্তুপে পরিণত হবে। যা কারও জন্য মঙ্গলকনক হবেনা। নো রিটার্ণের পূর্বে সংযত হোন,নিজের মর্যাদা সমুন্নত রাখুন এবং অপরাপর পক্ষের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করুন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সকলকে হেদায়েত দান করুন,আমিন।

02/04/2026

আমার সহধর্মিণী বিএনএফ'র দুর্দিনের কান্ডারী সাবেক ব্যাংকার মিসেস মমতাজ জাহান চৌধুরী দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বিগত দশকে আরোগ্য লাভের লড়াই অব্যাহত রেখেছেন। সম্প্রতি নতুন করে তিনি আবারও অসুস্থতা বোধ করছেন এবং তিনি গুলশানের একটি হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ডের গভীর পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। আল্লাহর অশেষ রহমতে ইতিপূর্বে তিনটি অপারেশন সফল হয়েছে,নতুন করে কোন অপারেশন করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণ মত প্রকাশ করেছেন। এমতাবস্থায়, তাঁর রোগ নিরাময়ের জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে সুস্হতার দরখাস্ত করছি এবং আপনাদের সকলের কাছে দোয়া চাই।
এস,এম, আবুল কালাম আজাদ
সাবেক এমপি ও
প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট -বিএনএফ

কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে...
01/04/2026

কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে...

01/04/2026

১৯৪০ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগ সম্মেলনে কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নার সভাপতিত্বে এবং সর্ব-সম্মতিক্রমে "লাহোর প্রস্তাব" নামে যে ঐতিহাসিক প্রস্তাব গৃহীত হয় সেই লাহোর প্রস্তাবে ভারতের দশকোটি মুসলমানের জন্য দুইটি স্বতন্ত্র সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

সেই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ভারতের ১০ দশ কোটি মুসলমান পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠন করিতে চায় কিনা? তাহারই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪৬ সালে গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সর্বসম্মত রায় প্রদান করিয়াছিল। কিন্তু জনগণের উক্ত রায় অনুযায়ী দুইটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের সমন্বয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠিত হয় নাই।

মুসলিম লীগের স্বৈরাচারী শাসন ও পশ্চিমা শোষক শাসকদের দ্বারা পূর্ব পাকিস্তানের জনগন শোষিত নির্ধাতিত হইতে চায় কিনা, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার ঐতিহাসিক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাহারই সুস্পষ্ট জবাব প্রদান করিয়াছিল।

ঠিক একই ভাবে ১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচনে আর একবার এই বিষয়টি সুস্পষ্ট ভাবে প্রমানিত হইয়া গেল যে, ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব অনুযায়ী পশ্চিম পাকিস্তানের পুঁজিবাদী স্বৈরাচারী শাসক, আমলাতন্ত্রের শাসন, শোষণ ও চক্রান্ত হইতে সম্পূর্ণ মুক্ত হইয়া স্বাধীন পূর্ব-পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোন কোরবানী দিতে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালী জনগণ প্রস্তুত রহিয়াছে।

বিগত ২৩ বৎসরের শোষণ শাসনের মর্মান্তিক ইতিহাস ও তীক্ত অভিজ্ঞতার আলাকে বারে বারে ইহাই প্রমানিত হইয়াছে যে, বৃটিশ ও ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠদের শোষণ শাসন হইতে মুক্ত হইয়া পূর্ব পাকিস্তানের বাঙ্গালী জনগণ সংখ্যালঘু পশ্চিম পাকিস্তানের মুষ্টিমেয় শাসক ও শোষক চক্রের শোষণ ও নির্যাতনের শিকারে পরিনত হইয়াছে।

এবারকার ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচন কোন 'ব্যক্তি ও দলের জয়-পরাজয়ের প্রশ্ন নহে, ৬ দফা ৯ দফার প্রশ্ন নহে-এই দেশের বাঙ্গালী জনগণ স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান চায় কিনা ভোটের মাধ্যমে সেই প্রশ্নেরই মিমাংসা করিয়া দিয়াছে।

আপোষ আলোচনার মাধ্যমে কেবলমাত্র গদী দখল করিয়া মন্ত্রী বানাইবার জন্য নয় বরং পূর্ব পাকিস্তানের ৭ কোটি বাঙ্গালী জনগণের পূর্ণ স্বাধীনতার একক দাবীই এবারকার নির্বাচনের ফলাফলের মধ্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হইয়াছে।

আজ ইহাও দিনের আলোর মত পরিস্কার হইয়া গিয়াছে যে, কেবলমাত্র রাজনৈতিক ভাবে স্বাধীন হইলেই জনগণের সমস্যার সমাধান হইবেনা। স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৯৫ জন কৃষক শ্রমিক সর্বহারা মেহনতী মানুষের মৌলিক সমস্যা, খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও বাসস্থানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা, সর্বাঙ্গীন কল্যাণ, সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে সর্ব প্রকার শোষন-মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা- "সমাজতন্ত্র" কায়েমের উপর। অন্যথায় স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যের মতই সম্পূর্ণ ব্যর্থ হইয়া যাইবে।

এখন জাতি-ধর্ম দল মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণীর নারী পূরুষের কর্তব্য হইল: ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে "স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান রাষ্ট্র” প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যোগদান করিয়া মাতৃভূমিকে পশ্চিমা শোষকদের কবল হইতে মুক্ত করা।

এই উপলক্ষে আগামী ৯ই জানুয়ারী ১৯৭১ইং, ২৩শে পৌষ, রোজ শনিবার, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ, সন্তোষে (টাঙ্গাইল) স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান সর্বদলীয় সম্মেলন আহ্বান করা হইয়াছে। উক্ত সম্মেলনে সংগ্রামী কর্মীগণ দলে দলে যোগদান করিবেন।

এই মহতী সম্মেলনে "স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান সংগ্রাম পরিষদ” গঠন করা হইবে। পরদিন ১০ই জানুয়ারী রবিবার সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ঢাকার পল্টন ময়দানে বিরাট জনসভায় সংগ্রাম পরিষদের কর্মসূচী ঘোষণা করা হইবে।

দেশপ্রেমিক সংগ্রামী কর্মীদের নিকট আমার অনুরোধ- গ্রামে গ্রামে, শহরে বন্দরে, হাট বাজারে- সভা, পথসভা, মিছিল, বৈঠক, পোষ্টার, ফেস্টুন, বিজ্ঞাপন ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার কার্য চালাইয়া এই সর্বদলীয় স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান সম্মেলনকে সাফল্যমণ্ডিত করিয়া তুলিবেন।

স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তানের আওয়াজ:

স্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান-জিন্দাবাদ।

ঘূনিঝড় দুর্গত এলাকায় পর্য্যাপ্ত পরিমান রিলিফের ব্যবস্থা কর।

দুর্গতদের অবিলম্বে পুনর্বাসনের জন্য গৃহ নির্মানের ব্যবস্থা কর।

রিলিফের মাল আত্মসাৎকারীদের কঠোর হস্তে দমন কর।

গোটা পূর্ব পাকিস্তানকে দূর্গত এলাকা ঘোষণা কর।

ইঙ্গ-মার্কিন বিদেশী সৈন্য-বাংলা ছাড়।

রাজবন্দীদের মুক্ত কর।

গণসংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়-পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন কর।

বিঃ দ্রঃ সম্মেলনে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করা হইবে। তবে বিছানাপত্র সহ সাধ্যমত চাউল তরী-তরকারী ইত্যাদি যে যাহা পারেন সঙ্গে আনিবেন।

মো: আবদুল হামিদ খান ভাসানী।

31/03/2026

আসসালামুআলায়কুম।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধঃ রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সমস্যা জতীয় অর্থনীতি তীব্র সংকটের মুখোমুখি।
সংকট উত্তরণের জন্য মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও কর্মসংস্থানের নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে। একইভাবে, পোশাক শিল্পের পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে। চলমান সংসদে অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য লড়াই চালিয়ে যেতে কর্মপন্থা ঠিক করতে হবে, নতুবা সমূহ বিপদ। এখনো সময় ফুরিয়ে যায়নি সুতরাং সাধু সাবধান।
প্রেসিডেন্ট, বিএনএফ।

31/03/2026

স্বাধীনতার আগে অবাঙালি ব্যবসায়ীদের ভিড়ে যে কজন বাঙালি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা তাঁদের অবস্থান শক্ত করতে পেরেছিলেন, তাঁদের মধ্যে সবার ওপরেই ছিলেন আবুল কাসেম খান, যিনি এ কে খান নামে বেশি পরিচিত। বাংলাদেশের পথিকৃৎ শিল্পপতি, নির্ভীক বিচারক, প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ, মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ও সমাজসেবক হিসেবে খ্যাত আবুল কাসেম খান এর মৃত্যুদিনে স্মরণ করি।

স্মরণে...
আবুল কাশেম খান
(৫ এপ্রিল, ১৯০৫ - ৩১ মার্চ, ১৯৯১)
--------------------------------------
আবুল কাশেম খান ১৯০৫ সালের ৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম শহরের চান্দগাঁও থানার ৫ নং মোহরা ওয়ার্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আবদুল লতিফ খান চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদের সাবরেজিষ্টার ছিলেন। তিনি ছাত্রজীবনের প্রতি ধাপে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। ফতেয়াবাদ হাইস্কুল থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন ও চট্টগ্রাম কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে আইএ পাস করেন। চট্টগ্রাম বিভাগে তিনি প্রথম স্থান অধিকার করেন। ১৯২৭ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে বিএ (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণীতে এমএ পাস করেন। ১৯৩১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ব্যাচেলর অব ল (বিএল) ডিগ্রি পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণী অর্জন করেন।
১৯৩৪ সালে তিনি শিক্ষাজীবন শেষে প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টে ওকালতি এবং শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের জুনিয়র হিসেবে কাজ করেন। পরে বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় বাঙালি মুসলমান পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে ১৯৩৫ সালে বেঙ্গল জুডিশিয়াল সার্ভিসে মুন্সেফ পদে যোগদান করেন। একজন বিচারক হিসেবে স্বার্থসিদ্ধির জন্য কখনো তিনি ন্যায়বিচারে আপস করেননি। প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ তপন রায় চৌধুরীর বাবা কংগ্রেস নেতা অমিয় রায় চৌধুরীর বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকার ফৌজদারি মামলা দায়ের করলে বিচারক মামলাটি আইনসম্মত হয়নি বলে নাকচ করে দেন। তপন রায় চৌধুরী তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'বাঙ্গালনামায়' এ ঘটনার উপসংহারে বলেন 'যে দুঃসাহসী বিচারক সরকারের আনা অভিযোগ নাকচ করেন, তার নাম আবুল কাসেম খান'। অপর ঘটনায় এ কে খান কোট্টম নামে একজন ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার এক ভারতীয় রাজনীতিবিদকে প্রহার করার অভিযোগে শাস্তি প্রদান করেন। সেই আমলে শ্বেতাঙ্গ আসামির ন্যায্যবিচার করে শাস্তি বিধান করা দেশী বিচারকের কাছে সহজ কাজ ছিল না। এই দুরূহ কাজ সম্পন্ন করে এ কে খান নির্ভীক ন্যায়বিচারক হিসেবে নিজের উন্নত, বলিষ্ঠ চরিত্রের পরিচয় দান করেন। এসব ঘটনায় ব্রিটিশ সরকার তাকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ময়মনসিংহের নিম্ন আদালতে 'পানিশমেন্ট পোস্টে' বদলি করে। সেখানে তাকে প্রতিকূল অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। এ কে খান উপলব্ধি করেন যে, ব্রিটিশ সরকারের আমলে ন্যায়বিচার করা তার জন্য ক্রমশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তাই ১৯৪৪ সালে তিনি চাকরিতে ইস্তফা দেন।
১৯৪৫ সালে তিনি এ কে খান অ্যান্ড কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন এবং অতি দ্রুত সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেন। পাট, বস্ত্র, শিপিং ইত্যাদি বিভিন্ন খাতে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান করেন।
শুরুতে নির্মাণ ঠিকাদারির ব্যবসা করতেন। দেশ ভাগের পরে চট্টগ্রামে স্থায়ী হয়ে আবুল কাশেম খান ১৯৫২ সালে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকায় চট্টগ্রামের কালুরঘাট অঞ্চলে একটি দেশলাই কারখানা এবং আড়াই লাখ টাকায় একটি প্লাইউডের কারখানা নির্মাণ করেন। তবে তাঁর তৈরি সবচেয়ে বড় কারখানা ছিল পাঁচ কোটি টাকা মূলধনের চিটাগাং টেক্সটাইল মিলস।
এ কে খান এ দেশে প্রথম অগ্রণী বাঙালি শিল্পপতি। তার দৃষ্টান্ত তরুণ বাঙালি উদ্যোক্তাদের, যারা পাকিস্তানে অনেক বৈষম্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন, বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে এবং তাদের কাছে তিনি কিংবদন্তিতে পরিণত হন। বাংলাদেশের শিল্পায়নের ব্যাপারে তিনি গভীর চিন্তাভাবনা করতেন এবং বিভিন্ন সংবাদপত্রে সে বিষয়ে অনেক প্রবন্ধ লিখে গেছেন। শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের প্রসঙ্গে তিনি এক প্রবন্ধে লিখেছিলেন'আমাদের দেশের গরিব শ্রমিকদের প্রতি মালিকের সহানুভূতি ও একাত্মতা গড়ে তুলতে না পারলে আমরা দেশের শিল্পায়নে বড় রকমের সাফল্য অর্জন করতে পারব না। আমি মনে করি, প্রথম থেকে শিল্পের ক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা, সৌহার্দ্য ও দূরদর্শিতার মনোভাব নিয়ে আমাদের এগিয়ে যাওয়া উচিত।' শিল্পপতি হিসেবে তার কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি দেশের রাজনীতিতেও জড়িত ছিলেন। এ কে খান ১৯৪৬ সালে ভারতীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য হন। শুরু থেকে পূর্ব বাংলার প্রতি পাকিস্তান সরকারের বৈষম্যমূলক নীতির তিনি কঠোর সমালোচক ছিলেন। ১৯৪৮ সালেই গণপরিষদে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরকে উন্নত করার জন্য বক্তব্য রাখেন। তার মতে, চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নতি ছাড়া পূর্ব বাংলার অর্থনৈতিক উন্নতি হবে না। ১৯৫১ সালের বাজেট আলোচনায় বিস্তারিত পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি পূর্ব বাংলাকে কিভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে তা তুলে ধরে বলেন, 'আগামী ছয় বছরের পরিকল্পনায় পূর্ব বাংলায় যেখানে ৫৬ শতাংশ জনগণ বাস করে, সেখানে আমাদের ভাগ্যে জুটেছে শতকরা ২৩ ভাগ বরাদ্দ।'
তিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকারের শিল্প, পূর্ত, সেচ, বিদ্যুৎ ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি যখন পাকিস্তান সরকারের শিল্পমন্ত্রী ছিলেন তখন তৎকালীন পূবর্ পাকিস্তানে শিল্পায়নের জন্য বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করেন। এখানে চট্টগ্রাম ইস্পাত কারখানা ও কর্ণফুলী রেয়ন মিল স্থাপন করেন। বাঙালি উদ্যোক্তাদের সীমিত মূলধনের কারণে এ দেশে ছোট ও মাঝারি শিল্প স্থাপনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ঢাকায় পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপনের প্রস্তাবকরেন, যাতে সংসদের অধিবেশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম পূর্ব বাংলা থেকেও পরিচালনা করা যায়। এরই ফলে শেরেবাংলা নগরে দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপিত হয়। বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবন তার সাক্ষ্য বহন করছে।
এ কে খান ১৯৬১ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের সাথে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে তিনি প্রেসিডেন্টকে বলেন, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানকে একই অর্থনীতির অধীনে শাসন করা যাবে না। কারণ এই দুই অংশের অর্থনীতি ভিন্ন। তাই পররাষ্ট্র, দেশরক্ষা ও মুদ্রানীতি বাদে আর সব মন্ত্রণালয় প্রদেশের হাতে ন্যস্ত করা উচিত। তা ছাড়া সেনাবাহিনীতে সমতা আনতে হবে অথবা পূর্ব পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বাঙালিদের দিয়ে গঠন করতে হবে। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এসব বিষয়ে যথাযথ গুরুত্ব না দেয়ার কারণে তিনি ১৯৬২ সালে ক্যাবিনেট থেকে পদত্যাগ করেন। একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছিলেন 'I have joined the Cabinet to serve the country and not to serve Ayub Khan, and I would stay as long as I was able to serve the country.' তিনি ১৯৬৩ সালে পাকিস্তান পার্লামেন্টে একজন বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং ১৯৯১ সালের ৩১ মার্চ মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি পরিবার পরিজন ও বন্ধু মহলে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে এ কে খান স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রতি তার সমর্থন প্রদান করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার সংশোধিত ইংরেজি খসড়া তিনিই প্রণয়ন করেন, যা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান পুনঃপাঠ করেন। পাকিস্তান সরকারের সাথে কোনো আপসে রাজি না হওয়ায় তাকে ব্যক্তিগতভাবেও অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।
তিনি সমাজসেবার জন্য এ কে খান ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। মৃত্যুর একদিন আগে ৩০ মার্চ, ১৯৯১ সালে তার নিজের হাতে একটি উইল লিখে যান, যাতে এ কে খান গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রির শতকরা ৩০ ভাগ লভ্যাংশ মানবকল্যাণ তথা জনশিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দান করেন। বর্তমানে তার উত্তরসূরি সুযোগ্য সন্তানরা এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে উপরিউক্ত খাতে বিশাল অবদান রাখছেন।
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

30/03/2026

।।আসাদের রক্তমাখা শার্ট মুক্তির অনুপ্রেরণা।।

চীন বিপ্লবের মহানায়ক কমরেড মাও-সে-তুঙ একজন লালফৌজের সৈনিকের স্মরণসভায় বলেছিলেন, "জনগণের জন্য যারা প্রাণ দেয় তাদের মৃত্যু থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী।"
বায়ান্ন বছর আগে এই দেশের একজন সূর্যসন্তান তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক স্বৈরশাসনের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে থাই পাহাড়ের চেয়েও ভারী নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি ৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের মহান শহীদ আসাদ।

১৯৬৮ সালের শেষের দিকে তৎকালীন সারা পাকিস্তানে স্বৈরাচারী আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সাধারণ পটভূমি গড়ে উঠেছিল। ১৯৬৮ সালের ১৩ অক্টোবর করাচির ছাত্র বিক্ষোভের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং ৩০ ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনার বিরুদ্ধে সংঘটিত ছাত্রদের প্রতিবাদের জের ধরে ১৬ অক্টোবর থেকে করাচির সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ১৩ নভেম্বর লাহোর বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। একইদিনে ন্যাপ সভাপতি ওয়ালী খান ও পিপলস পার্টির নেতা ভুট্টোকে গ্রেফতার করা হয়। আন্দোলন সারা পাকিস্তানে ছড়িয়ে পড়ে। পূর্বপাকিস্তানে ৬ ডিসেম্বর পল্টনে জনসভা শেষে মওলানা ভাসানী গভর্নর ভবন ঘেরাও করেন। বর্তমানে যেটা বঙ্গভবন। ঘেরাও শেষে পরদিন হরতালের ডাক দেন। হরতাল অভুতপূর্ব সফল হয়েছিল। জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ চলেছিল। তার পরদিন ৮ ডিসেম্বর আবারও হরতাল। মওলানা ভাসানী এবার হুমকি দিলেন, -"শেখ মুজিবকে মুক্তি না দিলে বাস্তিল দুর্গের মতো ক্যান্টনমেন্ট ভেঙে মুজিবকে মুক্ত করবো।" একই সঙ্গে তিনি গ্রামাঞ্চলে আন্দোলনকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সমগ্র পূর্বপাকিস্তানে হাট হরতালের ডাক দিয়েছিলেন। নড়াইলে এবং নরসিংদীর মনোহরদী থানার হাতিরদিয়া বাজারে পুলিশ গুলি করে মানুষ হত্যা করেছিল। ছাত্রনেতা আসাদ তখন একই সঙ্গে কৃষক আন্দোলনও করতেন। হাতিরদিয়া বাজারে হাট হরতাল করতে গিয়ে তিনি পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হয়েছিলেন। মাথা ফেটে গিয়েছিল-। আসাদ আহত অবস্থায় মাথায় ব্যান্ডেজ বেঁধেই কিছুটা সাইকেল করে, পরে ট্রেনে করে ঢাকায় পৌঁছান হাতিরদিয়ার গুলির খবর দিতে।

১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে দুই ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ ও এনএসএফ-এর একাংশ নিয়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন এবং ১৪ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সমাবেশ এবং ১৮, ১৯ ও ২০ তারিখে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে যে মিছিল বের হয়েছিল। ১৮ তারিখ পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। ১৯ তারিখ গুলি করেছিল পুলিশ। পরদিন ২০ জানুয়ারি ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে যে মিছিলটি বের হয়েছিল, তার প্রথম সারিতে ছিলেন আসাদুজ্জামান আসাদ। চানখাঁরপুল মোড় থেকে পুলিশের জিপ থেকে আসাদকে লক্ষ্য করে পুলিশ গুলি ছোড়ে। সঙ্গে সঙ্গে আসাদের রক্তমাখা প্রাণহীন দেহট রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। আসাদের মৃত্যুতে সারা দেশ ক্ষোভে ফেটে পড়ল। আওয়াজ উঠলো, -'আসাদের মন্ত্র-জনগণতন্ত্র'।

শহীদ আসাদ ছিলেন পূর্বপাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের নেতা এবং পূর্বপাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম.এল)'র প্রার্থী সদস্য। (পরে তাঁকে মরণোত্তর সদস্যপদ প্রদান করা হয়)। তিনি শহীদ হওয়ার পরে সমগ্র জনগণের সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সমগ্র পাকিস্তানের জনসাধারণ ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণ করেছিল। অন্যদিকে পূর্বপাকিস্তানের সাধারণ মানুষ আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিল। পাকিস্তানের উভয় অংশে শ্রমজীবী মানুষের শোষণ মুক্তির সংগ্রাম সমন্বিত হয়েছিল। পূর্বপাকিস্তানে বিপ্লবী গণঅভ্যুত্থানের দিকে মোড় নিয়েছিল।

২০ জানুয়ারি তার শহীদ হওয়ার সময় পরিহিত রক্তভেজা শার্ট হয়ে উঠে উঠেছিল সংগ্রামের অনন্য প্রতীক। যে জন্যই কবি শামসুর রাহমান তাঁর কবিতার মধ্য দিয়ে ব্যক্ত করেছিলেন,-"আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা"।
শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার তাঁর কবিতায় লিখেছিলেন,-'আসাদেরা হাজারো টর্নেডো'। প্রকৃতই মানবমুক্তির সংগ্রামে আসাদরা শোষণের বিরুদ্ধে হাজারো টর্নেডোর মতোই আঘাতের পর আঘাত হেনে যায়। তাই শহীদ আসাদ মুক্তির লড়াইয়ের প্রাণের পতাকা হিসেবে এখনো পতপত করেই উড়ে চলছে। শহীদ আসাদের শার্ট শোষণ, বঞ্চনা, এবং "অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ন্যায়সংগত" লড়াই-সংগ্রামের প্রতীক হয়ে নির্দেশনা জোগায় । জনগণের মুক্তির লড়াইয়ের আসাদের রক্ত মাখা শার্ট অনিপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে।

❝আজ দেখতে পাচ্ছি স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করছে লুটপাট সমিতি। একমাত্র কৃষক-শ্রমিক শ্রেণীই তা সমূলে ধ্বংস করতে পারেন। তাই আমি ...
29/03/2026

❝আজ দেখতে পাচ্ছি স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করছে লুটপাট সমিতি। একমাত্র কৃষক-শ্রমিক শ্রেণীই তা সমূলে ধ্বংস করতে পারেন। তাই আমি বলছি, আপনাদের জাতীয় শত্রু বিতাড়িত হলেও শ্রেণী শত্রু খতম হয়েছে বলে তা মনে করবেন না।❞ -মওলানা ভাসানী।
[সাপ্তাহিক হক কথা, ২৩ এপ্রিল, ১৯৭২]

24/03/2026

বোয়ালখালীর দর্শনীয় স্থানসমূহ সম্পর্কে জানুন এবং জানান:
১. হযরত বু-আলী কলন্দর শাহর আস্তানা শরীফ (কড়লডেঙ্গা)
২. শ্রীপুর বুড়া মসজিদ (শ্রীপুর)
৩. শ্রী শ্রী মেধসমুনি আশ্রম (কড়লডেঙ্গা)
৪. আর্য কুঠির ভাবনা কেন্দ্র (আমুচিয়া)
৫. রাবার বাগান (আমুচিয়া)
৬. পটিয়া ভান্ডালজুড়ি সড়ক।
৭. গৌতম বুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত বৃক্ষ (আহলা বৈদ‌্যপাড়া)
৮. বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরীর বাড়ি (উত্তর ভূর্ষি)
৯. বৈদ‌্যপাড়া সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার (আহলা বৈদ‌্যপাড়া)
১০. জ্যৈষ্ঠপুরা ভান্ডালজুড়ি ওয়াসার পানির প্রজেক্ট
১১. ভান্ডালজুড়ি ও ভারাম্ভাঘাট
১২. নাজিরার চর
১৩. ভান্ডালজুড়ি-সরফভাটা (রাঙ্গুনীয়া) পাহাড়ি সড়ক
১৪. মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত সেন বাড়ি (জ‌্যৈষ্ঠপুরা)
১৫. অর্হৎ মহর্ষি সতিপটটান বৌদ্ধ মন্দির (জ‌্যৈষ্ঠপুরা)
১৬. শ্রী শ্রী কালাচান ঠাকুরবাড়ি
১৭. চিত্রনায়িকা কবরীর পৈত্রীক ভিটা
১৮. মুক্তিযোদ্ধা রিভারভিউ (পশ্চিম কধুরখীল)
১৯. কালুরঘাট সেতু
২০. বানু মেম্বারের টেকের কাঠের সেতু (পশ্চিম গোমদণ্ডী)
২১. একুশে পদক প্রাপ্ত বিনয় বাঁশী জলদাসের স্মৃতিস্তম্ভ(ছন্দারিয়া)
২২. একুশে পদক প্রাপ্ত কবিয়াল রমেশ শীলের সমাধি ও পৈত্রীক ভিটা
২৩. গোমদণ্ডী রেলস্টেশন
২৪. ১৩ নম্বর ব্রিজ
২৫. ঐতিহ্যবাহী ফকিন্নির দিঘি (উপজেলা সংলগ্ন)
২৬. কধুরখীল মিলন মন্দির
২৭. কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ‌্যালয়ের মাটির স্থাপনা
২৮. কৃষ্ণদিথির পাড়স্থ নতুন সেতু
২৯. ঐতিহ‌্যবাহী কৃষ্ণদিঘি
৩০. কধুরখীল বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ‌্যালয় সংলগ্ন বধ‌্যভূমি
৩১. অশ্বিনী-চন্দ্রের ঐতিহ‌্যবাহী শ্যুটিং বাড়ি (কধুরখীল)
৩২. বোয়ালখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন
৩৩. কড়লডেঙ্গা পাহাড় ও এক স্রোতি ছড়া।
৩৪. টেক্সঘর (চরখিজিরপুর)
৩৫. শাকপুরার রাস বিহারী ধাম।
৩৬. ননাইয়ারমার ঘাট।
৩৭. বোয়ালখালী পুরাতন থানা
৩৮. শাকপুরার বৌদ্ধ বিহার
৩৯. কেরাণী বাজার
৪০. আমুচিয়া বান্ধব পাঠাগার
৪১. কবিয়াল রায় গোপালের বাড়ি
৪৩. আঞ্চলিক গানের শিল্পী শেফালি ঘোষের বাড়ি
৪৪. কানুনগোপাড়া মুক্তকেশী বালিকা উচ্চ বিদ‌্যালয়
৪৫. রেবতী রমণ দত্তের বাড়ি
৪৬. বেঙ্গুরা রেলস্টেশন
৪৭. বোয়ালখালী-পটিয়া সীমান্ত
৪৮. বোয়ালখালী নতুন থানা
৪৯. ঐতিহ‌্যবাহী রইস‌্যার মায়ের ঘাট
৫০. সংগীত পরিচালক বাসুদেব ঘোষের মাটির বাড়ি
৫১. জ‌্যৈষ্ঠপুরা শাক‌্যমুনি বিহার
৫২. আহলা দরবার শরীফ
৫৩. মুকুন্দরাম দাসের হাট
৫৫. ভূবণ বিশ্বাসের পুল
৫৬. চরণদ্বীপ হারবাংগিরি দরবার শরীফ
৫৭. হাওলা দরবার শরীফ
৫৮. ঐতিহ‌্যবাহী মুরাদ মুন্সীর হাট
৫৯. গোলক কানুন বাজার
৬০. নূর আলী ‍মুন্সীর হাট
৬১. স‌্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ
৬২. বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ।
৬৩. বোয়ালখালী খাল
৬৫. মিলিটারি পুল
৬৬. বীরঙ্গনা রমা চৌধুরীর বাড়ি
৬৭. হাজীর হাটের দিঘি
৬৮. দক্ষিণ কড়লডেঙ্গা-পটিয়া রতনপুর সীমানা
৬৯. স‌্যার আশুতোষ কলেজের ছাত্রাবাস
৭০. মামা-ভাগিনার দরবার শরীফ
৭১. হযরত মজু ফকিরের দরবার শরীফ
৭২. হযরত ইউসুফ শাহর দরবার শরীফ
৭৩. হযরত শোকর আলী শাহর দরবার শরীফ
৭৪. হযরত পেতন আউলিয়ার দরবার শরীফ
৭৫. হযরত শাহসুফি মৌলবী আবুল খায়ের নকশবন্দীর দরবার শরীফ
৭৬. এম কে ইছা আহমেদ এর দরবার শরীফ
৭৭. খায়ের ভান্ডার দরবার শরীফ
৭৪. আমুচিয়া রাবার বাগান সংলগ্ন ৪শ বছরের পুরোনো গাব গাছ
৭৫. মেসার্স হক এগো ফার্ম
৭৬. উপজেলা স্মৃতিসৌধ ও শহীদ মিনার
৭৭. বুড়ি পুকুর
৭৮. চুরাখালী ব্রিজ
৭৯. পশ্চিম গোমদণ্ডী কাজী ছগীর জামে মসজিদ
৮০. মীরপাড়া হযরত আহমদ উল্লাহ শাহর মাজার
৮১. মীরপাড়া জলিল ভান্ডার দরবার শরীফ
৮২. চরখিদিরপুর কর্ণফুলী নদীর তীরের কাশবন
৮৩. খিতাপচর -হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন সংযোগকারী
নতুন ব্রিজ
৮৪. হাজীর হাট
৮৫. জমাদারহাট
৮৬. গোলক মুন্সীর হাট
৮৭. মাস্টার দা সূর্য সেনের সশস্ত্র বিপ্লবী দলের সদস্য লোকনাথ বলের বাড়ি (আমুচিয়া)
৮৮. বিশ্বজয়ী শ্রী চিন্ময়ের বসতভিটা (মধ্য শাকপুরা)
৮৯. মাস্টার দা সূর্য সেনের সহযোগী বিপ্লবী তারেকেশ্বর দস্তিদারের বাড়ি (সারোয়াতলী)
৯০. কধুরখীল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের স্মৃতি বিজড়িত কক্ষ এবং স্কুল পর্যায়ে প্রথম শহীদ মিনার।
৯১. দৃষ্টিনন্দন কৃষ্ণদিঘির সংলগ্ন ব্রিজ
৯২. স্যার আশুতোষ কলেজের প্রতিষ্ঠাতার পৈত্রিক বাড়ি
৯৩. হযরত শেখ সিরাজ উদ্দীন( রা আ)প্রকাশ সিরাজ ফকির,পোপাদিয়া।
৯৪.বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আনদোলনের অন্যতম পথিকৃত্ চট্টগ্রামের শ্রীপুর গ্রামের শ্রী কল্পনা দত্ত এর বাড়ি।
৯৫. চট্টগ্রামের কৃতিসন্তান পৃথিবী সৃষ্টির পর ঢাকার গুলশান থেকে প্রথম বিএনএফ'র নির্বাচিত সংসদ সদস্য রণাঙ্গনের মুক্তি যোদ্ধা রাজনীতিবিদ
এসএম, আবুল কালাম আজাদ এর বাড়ি পোপাদিয়া।

23/03/2026

১. ঢাকা - জাহাঙ্গীরনগর
১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খাঁ যখন ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন, তখন সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে এর নাম রাখা হয় জাহাঙ্গীরনগর । মুঘল আমলজুড়ে এই নামেই শহরের পরিচিতি ছিল।

২. চট্টগ্রাম - ইসলামাবাদ
১৬৬৬ সালে মুঘল সেনাপতি বুজুর্গ উমেদ খাঁ আরাকানীদের হারিয়ে চট্টগ্রাম দখল করেন । বিজয়ের পর মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের নির্দেশে এর নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।

৩. বরিশাল - চন্দ্রদ্বীপ
প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চলটি চন্দ্রদ্বীপ জনপদ বা রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামটিও ইতিহাসে বেশ প্রসিদ্ধ

৪. নোয়াখালী - সুধারামপুর
ভুলুয়া রাজ্যের অধীনে থাকা এই অঞ্চলের সদর দপ্তরের নাম ছিল সুধারামপুর। মূলত সুধারাম মজুমদার নামে এক বিশিষ্ট ব্যক্তির নামে এই নামকরণ করা হয়েছিল। পরে জেলাটি 'নোয়াখালী' নামে পরিচিতি পায়।

৫. কুমিল্লা - ত্রিপুরা
বর্তমান কুমিল্লা জেলা আগে ব্রিটিশ আমলের বড় ত্রিপুরা জেলার অংশ ছিল । ১৯৬০ সালে এই জেলার নাম পরিবর্তন করে 'কুমিল্লা' রাখা হয়।

৬. কুষ্টিয়া - নদীয়া
দেশভাগের আগে কুষ্টিয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার একটি মহকুমা ছিল । ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর এটি পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয় এবং পরে পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

৭. সিলেট - জালালাবাদ
১৩৩ সালে প্রখ্যাত সুফি সাধক হযরত শাহজালাল (র.) সিলেট জয় করেন। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছিল জালালাবাদ।

৮. বাগেরহাট - খলিফাতাবাদ
বিখ্যাত সুফি ও সেনাপতি উলুগ খান জাহান ১৫শ শতাব্দীতে সুন্দরবন সংলগ্ন এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন এবং এর নাম দেন খলিফাতাবাদ। এই নামেই এলাকাটি মুঘল নথিতেও পরিচিত ছিল।

আরও জানতে ফলো করুন এবং শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দিন ✅✅❤️❤️

Address

House-1144, Road-9/A, Avenue-10, Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Telephone

+8801777888275

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chattogram Development Council-CDC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share