21/04/2022
সম্প্রতি এক নারী দেশের কিশোর কিশোরীদের আইডলে পরিনত হয়ে গেছে। অনেকে তাকে নিয়ে পোস্ট করছে, তার কথার ফ্যান হয়ে গেছে। খেয়াল করে দেখলাম এদের অধিকাংশ এই প্রজন্মের মানে ২০০০ সালের পরে যাদের জন্ম। যারা আবেগ দিয়ে চলে, দূরদর্শিতা কিংবা জীবনাভুতি এদের খুব কম। যে কেউ যে কাউকে ফলো করতেই পারে কিন্তু সমস্যা হলো এই প্রজন্মই পরবর্তী বাংলাদেশ গড়বে। তারা কোন দিকে যাবে সেটা আমাদের ভাবনার কারন অবশ্যই।
এবার সেই মোটিভেশনাল স্পিকারের বিষয়ে বলি।
যা নতুন প্রজন্মের জানা দরকার।
শুন, এরা মুখে সুন্দর সুন্দর কথা আওরায় আসলে এদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন, একজন মানুষ নিজে যা বিশ্বাস করে সেই অনুযায়ী নিজের জীবন,পরিবার সাজায়। মানুষ নিজের বিশ্বাস,দর্শনকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় এটাই বাস্তবতা।
এখন দেখার বিষয় হল সে নিজে কি বিশ্বাস করে, তার নিজের জীবন, পরিবারের কি অবস্থা? তার দর্শন কতটা যৌক্তিক? আগে ভাল করে বুঝ তারপর আইডল মানো। একটা কথা মনে রাখা দরকার সুন্দর সুন্দর কথা বলা লোকগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মিচকা শয়তান, সত্য কথা অনেক ক্ষেত্রে কটু লাগে।
এরা এমন এক বাংলাদেশ কল্পনা করে যেটা ফ্রিসেক্স কান্ট্রি হবে, তুমিও কি তাই চাও? এরা এমন একটা জাতী প্রতিষ্ঠিত করতে চায় যাদের কাছে ধর্ম হবে গৌন একটি বিষয়, তুমি কি তাই চাও? এরা স্বর্ণ কিশোরীর সাথে সূর্য কিশোরদের এক করার লক্ষ্যে হাটছে, আবেগে তুমিও হাটতে পারো কিন্তু ভাবোতো তোমার বোন যদি তার বন্ধুদের নিয়ে যাচ্ছে তাই করে, নিজের ইচ্ছানুযায়ী ঘুরে ফিরে সেটা তুমি কি মেনে নিবে?
প্রিয় ভাই, প্রিয় বোন, আমাদের জীবনের একটা সমাপ্তি আছে। আমরা শীঘ্রই আমাদের রবের নিকট ফিরে যাবো। তখন কি এই আইডল আমাদের কাজে আসবে?
আমারাতো সৌভাগ্যবান আমাদের ধর্ম একটা পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। তুমি কোন বিষয়ে জানতে চাও যা আমাদের ধর্মে নেই? রাসুলের জীবন, সাহাবিদের জীবন কি তুমি আদর্শ হিসেবে নিতে পারোনা? ভেবে দেখ, তুমি কি করবে, কোন পথে হাটবে, তুমি যেমন কাউকে ফলো করো, তোমাকেও কেউনা কেউ ফলো করে।সুতরাং পরবর্তী পৃথিবী তুমিও পাল্টাতে পারো। সেটা হয় ভালর জন্য, নাহয় খারাপের