Bangladesh Institute of Labour Studies-BILS

Bangladesh Institute of Labour Studies-BILS Labour Rights organisation & only labour institute of the country. Dialogues: BILS organises workshops, seminars and dialogues etc.

BILS activities cover Training, Education, Publication, Research, Advocacy, Dialogue, Seminar, Workshop, Information Service, Exchange Programme and other services in the trade union and labour market sector. Training: BILS organises training and education programmes for capacity building of trade unions with a view to prepare them as effective actors in reaching out more and more general workers

and TU members with the information and knowledge on issues related to workers basic human rights. bringing people together from different sections of the society, including politicians, economists, civil society members, professionals and experts from related fields to integrate them in workers issues and to build opinion and raise voice on the issues. Research and Studies: To assist the trade unions with time worthy and precise arguments in favour of their campaign and advocacies BILS carries out studies and researches on various workers, trade union and labour market issues. Impact of Globalisation on Working People, Ogranisational Mapping in Selected Sectors, Occupational Safety and Health, Status of Minimum Wage are among the major researches of BILS. Information Sharing: BILS shares information related to workers and trade union issues with trade unions, researchers, journalists and academicians with a view to keep them updated with the present status of world of work. BILS library and Documentation Center and the Web-page (www.bilsbd.org) are the main sources of information for them. Moreover, BILS regular publications like journal named 'Labour' and magazine named 'Labour News', various campaign materials like posters, brochures, handbooks, leaflets are major sources of information.

বিলস  আয়োজিত মহান মে দিবস স্মারক বক্তৃতা ২০২৬-----------------------------------------------------------গণতান্ত্রিক অভিয...
10/05/2026

বিলস আয়োজিত মহান মে দিবস স্মারক বক্তৃতা ২০২৬
-----------------------------------------------------------
গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অংশগ্রহণ ও প্রত্যাশা পূরণে অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের আহ্বান
==================================
শ্রমজীবী মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, মর্যাদা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং ন্যায্য অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ- বিলস এর উদ্যোগে আয়োজিত মহান মে দিবস ২০২৬ স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে। “গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অংশগ্রহণ ও প্রত্যাশা” শীর্ষক এই স্মারক বক্তৃতা আজ ১০ মে ২০২৬ রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

বিলস চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান ভুঞাঁর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন বিশিষ্ট লেখক, প্রাবন্ধিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব জনাব আবুল মোমেন। উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও কৃষি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিলস মহাসচিব নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিলস নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ।

স্মারক বক্তৃতায় আবুল মোমেন উল্লেখ করেন, লুটপাটের মাধ্যমে বিত্তবানের জন্যে ঊর্ধমুখী শ্রেণি-উত্তরণের পথ কেবল সুগমই হয় নি, এর যাত্রীও উত্তরোত্তর বেড়ে চলেছে। এ ছাড়া ধর্মের নামে অন্ধ বিশ্বাসে, প্রথা-সর্বস্ব আচারের সংস্কৃতি শ্রমজীবীসহ সমাজের ওপর রীতিমত চেপে বসেছে। অর্থনীতির বিকাশ হলেও সমাজে মানবিক বিকাশ আশানুরূপ হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে মূল্যবোধে যে ধস নেমেছে সে বিষয়ে হুঁশিয়ার হওয়া জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরকম অবস্থায় সংগঠন ও সংগ্রাম ন্যায্য ইস্যুতে পরিচালনা ও তাতে সফল হওয়া কঠিন। যাঁরা শ্রমিকদের নিয়ে ভাবেন, কাজ করেন তাঁদের অভিনন্দন ও সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমজীবী মানুষকে যদি কেবলই পিছনে ফেলে রাখি, জ্ঞানে-বুদ্ধিতে বাড়তে না দেই, তাঁর জীবনে যদি আনন্দ-বিনোদনের কোনো সুযোগ না থাকে, তাহলে তাঁর জন্যে বাস্তবতা মারাত্মক প্রতিকূল হয়ে ওঠে। নিরন্তর প্রতিকুলতা মানুষের নীতি ও মূল্যবোধ ধরে টান দেয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, উত্তরণের জন্যে তার মনের সহজাত বিকাশ-শক্তির অর্গল খুলে দিতে হবে; তাকে আনন্দ পেতে, দিতে এবং সৃষ্টিতে তার সক্ষমতা বাড়াতে দিতে হবে। তাহলে তার সংগ্রামী শক্তি বিজয় অর্জন পর্যন্ত টেকসই হবে, মাঝপথের আপস কিংবা হাল ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা কমবে।

অনুষ্ঠানে স্মারক বক্তৃতার ওপর আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন শ্রম অধিকার জাতীয় অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্সের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-আহ্বায়ক মেজবাহউদ্দীন আহমেদ, আই-সোস্যাল-এর চেয়ারপারসন, অর্থনীতিবিদ ড. অনন্য রায়হান, লেখক ও গবেষক গওহার নঈম ওয়ারা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আব্দুল হামিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল, আইএলও’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার নিরান রামজুথান, শ্রম অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্ম সচিব) শাহ্ আবদুল তারিক, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সমন্বয়কারী আব্দুল কাদের হাওলাদার, এ এ এম ফয়েজ হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, বিলস উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নাইমুল আহসান জুয়েল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী মহিলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক নাসরিন আক্তার ডিনা, বিলস এর আজীবন সদস্য খন্দকার আব্দুস সালাম, আওয়াজ ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ খাদিজা আক্তার প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিলসের পরিচালক কোহিনূর মাহমুদ। অনুষ্ঠানে জাতীয় ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন ও শ্রমিক সংগঠনসমূহের প্রতিনিধিগণ, নারী ও যুব শ্রমিক নেতৃত্ব, বিলস-এর উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও আজীবন সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা স্মারক বক্তৃতার ওপর আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের অবদান ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও তাদের ন্যায্য অধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কার্যকর অংশগ্রহণ এখনো নিশ্চিত হয়নি। মে দিবসের চেতনা বাস্তবায়নে শ্রমিকের মর্যাদা, ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং বৈষম্যহীন সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের কর্মীদের কাছে মে দিবস শুধু আনুষ্ঠানিক বিষয় নয়; বরং এটি তাদের সংগ্রাম, ঐক্য ও অধিকার আদায়ের অনুপ্রেরণার প্রতীক। তিনি বলেন, পহেলা মে ঘিরে যে শ্রমিক ধর্মঘটের সূচনা হয়েছিল, তা সে সময় শ্রমিকদের মধ্যে নতুন চেতনা ও ঐক্যের জন্ম দেয় এবং পুরো আমেরিকাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। মে দিবসের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন, ভিন্ন ভাষাভাষী, ভিন্ন পেশা ও ভিন্ন শ্রেণির মানুষ নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রামে নেমেছিলেন। কোনো আন্দোলন সফল করতে হলে এবং ন্যায্য অধিকার আদায় করতে হলে ঐক্যের বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহান মে দিবস আমাদের সাহস, সংহতি ও ন্যায্য দাবিতে দৃঢ় থাকার শিক্ষা দিক—এটাই হওয়া উচিত এই দিনের মূল প্রেরণা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা, অটোমেশন, বৈশ্বিক শ্রমবাজারের পরিবর্তন এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের সম্প্রসারণ শ্রমজীবী মানুষের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সময়োপযোগী শ্রমনীতি, শক্তিশালী সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, কার্যকর শ্রম আইন বাস্তবায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সংলাপ অপরিহার্য। শ্রমজীবী মানুষের অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র কখনো পূর্ণতা পায় না। রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও গণআন্দোলনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে শ্রমিক, কৃষক ও মেহনতি মানুষের অবদান থাকলেও পরবর্তীকালে তাদের প্রত্যাশা ও অধিকারের বিষয়গুলো প্রায়ই উপেক্ষিত থেকে যায়। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার, মালিকপক্ষ, শ্রমিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষের কণ্ঠস্বরকে জাতীয় নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানের শেষে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রীয় কাঠামো শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।

10/05/2026

welcome to May Day Commemoration Speech-BILS

আজ ৭ মে ২০২৬ সংগ্রামী ট্রেড ইউনিয়ন নেতা শহীদ আবদুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী। ১৯৮১  সালের এই দিনে তিনি আততায়ীর হাতে শাহাদ...
07/05/2026

আজ ৭ মে ২০২৬ সংগ্রামী ট্রেড ইউনিয়ন নেতা শহীদ আবদুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে তিনি আততায়ীর হাতে শাহাদাত বরণ করেন।

তিনি ষাটের দশকে শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে 'পাকিস্তান জুট মিলস লেবার ইউনিয়ন' প্রতিষ্ঠা করেন, যা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাটকল শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় বড় ভূমিকা পালন করে।

তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি এবং ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।

আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

আজ ৭ মে ২০২৬। বিলস এর সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক কার্যকরী সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর-২ আসন ...
07/05/2026

আজ ৭ মে ২০২৬। বিলস এর সাবেক চেয়ারম্যান, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক কার্যকরী সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য, সংগ্রামী ট্রেড ইউনিয়ন নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের শাহাদাত বার্ষিকী। ২০০৪ সালের এই দিনে তিনি আততায়ীর গুলিতে শাহাদাত বরণ করেন।
আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এবং তাঁর রূহের মাগফেরাত কামনা করি।আমিন।

আজ ৫ মে ২০২৬ বিলস এর সাবেক চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রবীণ শ্রমিক নেতা মোঃ হাবিবুর রহমান সিরাজের ১ম মৃত্যুবার্ষ...
04/05/2026

আজ ৫ মে ২০২৬ বিলস এর সাবেক চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রবীণ শ্রমিক নেতা মোঃ হাবিবুর রহমান সিরাজের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছর এই দিনে রাজধানীর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পুর্বে অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তিনি তার সততা, নিষ্ঠা এবং শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। মাদারীপুরের শিবচরের মাদবরচরের খাড়াকান্দি গ্রামের সন্তান হাবিবুর রহমান সিরাজ ছিলেন একজন সৎ, ত্যাগী ও নির্লোভ রাজনীতিবিদ। মানবদরদী ও পরোপকারী এই নেতা নিজের পরিবারকে উপেক্ষা করে রাজনীতি এবং মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন তার জীবন।

৬০ বছরের বেশি সময় তিনি সক্রিয় ছিলেন রাজনীতিতে। সরাসরি অংশ নিয়েছেন ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনে, ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে।

১৯৬৯ সালের ১২ অক্টোবর তিনি জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়ে ১৯৮৬ সালে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।

আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।

আমিন।

04/05/2026

দেশে প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যা মাত্র ১৫ শতাংশ। বাকি ৮৫ শতাংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন। কা.....

04/05/2026

Reviewing the history of labour law shows that during British and Pakistani rule, around 50 labour-related laws were enacted,

বাংলাদেশ প্রতিদিন | পর্ব-১৩১ | বিষয়: মহান মে দিবস: শ্রমের ন্যায্যতা কোথায়?
01/05/2026

বাংলাদেশ প্রতিদিন | পর্ব-১৩১ | বিষয়: মহান মে দিবস: শ্রমের ন্যায্যতা কোথায়?

5 likes. "বাংলাদেশ প্রতিদিন | পর্ব-১৩১ | বিষয়: মহান মে দিবস: শ্রমের ন্যায্যতা কোথায়? |Talk Show Live"

নানা আয়োজনে বিলস ও বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মহান মে দিবস উদযাপন=========================================বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অ...
01/05/2026

নানা আয়োজনে বিলস ও বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মহান মে দিবস উদযাপন
=========================================
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ-বিলস এর উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও মহান মে দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আজ ১ মে ২০১৬ (শুক্রবার), সকাল ৮.৩০ থেকে ১১.৩০ পর্যন্ত, জাতীয় প্রেস ক্লাবের বিপরীতে মেট্রো লাউঞ্জের সামনে শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম ও গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক এর মানববন্ধন, বিলস সাংস্কৃতিক গোষ্ঠির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গ্রাফিতি অঙ্কন ও প্রকাশনা বিতরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিলসের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ, বিলসের পরিচালক নাজমা ইয়াসমিন এবং কোহিনূর মাহমুদ, বিলসের নির্বাহী পরিষদ সদস্য পুলক রঞ্জন ধর ও নাসরিন আক্তার ডিনা, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফন্টের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শামীম আরা, কর্মজীবী নারীর নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের জাকির হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বিলস ও স্কপভুক্ত সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, গবেষক, শিক্ষাবিদ, মিডিয়াকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

30/04/2026

Address

House: 8/A/KHA (4th Floor), Razzak Villa, Road 13, Dhanmondi
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:30 - 17:30
Tuesday 09:30 - 17:30
Wednesday 09:30 - 17:30
Thursday 09:30 - 17:30
Sunday 09:30 - 17:30

Telephone

+880241020280

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Institute of Labour Studies-BILS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Institute of Labour Studies-BILS:

Share