The SciBridge Initiative

The SciBridge Initiative Promoting open science, and working to enhance science education for all
Our Goals-
1.

To bring science to the students of every corner of the country.
2. Encouraging students, having talent but don’t get opportunities, to pursue science-based research and practical application.
3. To increase the participation of students from marginal areas in science-based competition at National and International level.
4. Expansion of science clubs and science based organisations.
5.Appropria

te knowledge about Olympiads, projects, murals, technology through live classes on various science based subjects.

সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আর্ক ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ে একটি গবেষণাদল জিনোম গবেষণাকে সহজ করতে Evo নামক একটি নতুন...
22/11/2024

সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আর্ক ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ে একটি গবেষণাদল জিনোম গবেষণাকে সহজ করতে Evo নামক একটি নতুন এআই মডেল তৈরি করেন। মডেলটি ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের জিনোমের বিশাল ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে মিউটেশনের প্রভাব প্রেডিক্ট ও বিভিন্ন মলিকুলার মেশিন ডিজাইন করতে পারে।

ইভোকে ৮০,০০০ মাইক্রোবিয়াল জিনোমের ৩০০ বিলিয়ন নিউক্লিওটাইড দিয়ে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ব্যাকটেরিয়াল ভাইরাস ও প্লাজমিডও অন্তর্ভুক্ত। মানুষকে সংক্রমিত করে এমন ভাইরাসের সিকোয়েন্স বাদ দেয়া হয়েছে যাতে এটা ব্যবহার করে কেউ জৈবঅস্ত্র তৈরি করতে না পারে।

প্রোটিন প্রেডিকশন এআই মডেল Alphafold এর জন্য এ বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। Evo-র গুরুত্বও Alphafold এর থেকে কোনো অংশে কম নয়। Evo-র আগের ডিএনএ প্রেডিকশন মডেলগুলো সর্বোচ্চ ছোট ছোট ডিএনএ-র অংশ প্রেডিক্ট করতে পারত।

এর সৃষ্টিশীল ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য Evo ব্যবহার করে ৭০,০০০ ডিএনএ সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে নতুন ক্রিসপার-ক্যাস৯ (CRISPR-CAS9) ভ্যারিয়েন্ট ডিজাইন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি এনজাইম পরীক্ষাগারে বাণিজ্যিক সংস্করণের সমতুল্য প্রমাণিত হয়েছে। এমনকি Evo প্রয়োজনীয় সকল জিনসমৃদ্ধ ব্যাকটেরিয়াল জিনোম ডিজাইন করেছে, যদিও এখনও তা কার্যকরী ব্যবহারের জন্য অসম্পূর্ণ। এই পরীক্ষাটি ভবিষ্যতে কৃত্রিম জীব তৈরির ক্ষেত্রে বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করল।

সময়টা ২০২০ সাল। গবেষক বিটা হ্যালাসির আবারও স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে। এর আগের বার তার একটা স্তন কেটে বাদ দিতে হয়েছিল। তাই এ...
11/11/2024

সময়টা ২০২০ সাল। গবেষক বিটা হ্যালাসির আবারও স্তন ক্যান্সার ধরা পড়ে। এর আগের বার তার একটা স্তন কেটে বাদ দিতে হয়েছিল। তাই এবার আর তিনি সেই কেমোথেরাপির ঝামেলায় যেতে নারাজ।
ভাইরোলোজিস্ট হ্যালাসি ক্যান্সার নিরাময়ে ভাইরাল থেরাপি বিষয়ক তখনকার গবেষণা পড়ে ঠিক করলেন নিজের ক্যান্সার তিনি নিজেই সারিয়ে তুলবেন এবং এ ব্যাপারে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলো তার অঙ্কোলজিস্ট আর সহকর্মীরা।

তারা ‘অঙ্কোলাইটিক ভাইরোথেরাপি (OVT)’ নামক একটি পরীক্ষামূলক পদ্ধতি বেছে নেন (এই কৌশলটি এখনও অনুমোদিত নয়)। এর একটি ভ্যারিয়েন্ট মেটাস্ট্যাটিক মেলানোমা (এক ধরনের ব্লাড ক্যান্সার) নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। তবে স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল না। কিন্তু হ্যালাসি অভিজ্ঞ ভাইরোলোজিস্ট হওয়ায় আশাবাদী ছিলেন কৌশলটি কাজে দিবে।

এই কৌশলে তিনি নিজ ল্যাবে প্রস্তুত দুটি ভাইরাসের স্ট্রেইন বেছে নেন। একটি হলো মিজলস ভ্যাক্সিন স্ট্রেইন (MeV), আরেকটি ভেসিকুলার স্টোমাটাইটিস ভাইরাস স্ট্রেইন (VSV)। দুটোই খুবই দুর্বল ভাইরাস – প্রথমটি মিজলসের ভ্যাক্সিনে ব্যবহৃত হয়, দ্বিতীয়টি সর্বোচ্চ সর্দি-কাশি ঘটাতে পারে। এই কৌশলে ভাইরাসগুলো ক্যান্সার কোষকে আক্রমণ করে আর দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে উদ্দীপ্ত করে। ২ মাস ধরে থেরাপি চলার পর দেখা যায় ক্যান্সার টিউমারটি ছোট ও নরম হয়ে গেছে। এরপর সার্জারির মাধ্যমে টিউমারটি অপসারণ করলে এর মধ্যে CD8+ T cell, CD20+ B cell সহ অনেক লিম্ফোসাইটের উপস্থিতি পাওয়া যায়, যা থেকে ক্যান্সার কোষে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয়তার প্রমাণ পাওয়া যায়।

লক্ষণীয় যে, এভাবে সেলফ এক্সপেরিমেন্ট করার পূর্বে অবশ্যই যথেষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত। কোনোভাবেই অনভিজ্ঞদের এ ধরনের পরীক্ষার চেষ্টা করা উচিত নয়।

“প্রাণিকোষে সালোকসংশ্লেষণ” এর কথা শুনলেই সাইফাই মুভির প্লট মনে হয় না? ঠিক এই কল্পনাটিকেই গবেষণার মাধ্যমে বাস্তবে রূপান্ত...
05/11/2024

“প্রাণিকোষে সালোকসংশ্লেষণ” এর কথা শুনলেই সাইফাই মুভির প্লট মনে হয় না? ঠিক এই কল্পনাটিকেই গবেষণার মাধ্যমে বাস্তবে রূপান্তর করেছেন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী।

আমরা জানি, উদ্ভিদ তার ক্লোরোপ্লাস্ট ব্যবহার করেই সূর্যের আলো থেকে খাদ্য তৈরি করে। প্রাণিকোষে এই ক্লোরোপ্লাস্ট না থাকার দরুন আমরা নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে পারি না। নতুন এক গবেষণায়, লাল শৈবালের ক্লোরোপ্লাস্ট হ্যামস্টারের দেহকোষে ঢুকিয়ে প্রাণিকোষে সালোকসংশ্লেষণ ঘটানো সম্ভব হয়েছে।
গবেষণাদলের অধ্যাপক সাচিহিরো মাতসুনাগা জানান, "আমরা ভেবেছিলাম ক্লোরোপ্লাস্ট কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। কিন্তু তারা দুই দিন ধরে সফলভাবে কাজ করেছে।"

কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট প্রবেশ করানোর পর বিভিন্ন ইমেজিং কৌশলের মধ্য দিয়ে তারা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পেরেছেন। মাতসুনাগা ধারণা করেন, এই প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতে কৃত্রিম টিস্যু ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জন্য কার্যকর হবে। কারণ টিস্যু অক্সিজেনের অভাবে বৃদ্ধি পেতে পারেনা। এক্ষেত্রে ক্লোরোপ্লাস্ট যুক্ত কোষ ফটোসিনথেসিসের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে, ফলে টিস্যুর বৃদ্ধির জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি হবে।

গবেষকরা বর্তমানে "প্ল্যানিমাল" সেল তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, যা প্রাণীদের জন্য উদ্ভিদের সুবিধা প্রদান করবে। তারা মনে করেন ভবিষ্যতে এই ধরনের কোষ আমাদের কার্বন নিরপেক্ষ পৃথিবী তৈরিতেও সহায়ক হবে।
Written By: Zobaida Alam

আপনি কি জানেন, আমাদের দেহে আমাদের নিজেদের কোষ থেকে জীবাণুদের কোষের সংখ্যা ১০ গুণের কাছাকাছি! এই অনুপাত থেকেই অনেকটা অনুম...
02/11/2024

আপনি কি জানেন, আমাদের দেহে আমাদের নিজেদের কোষ থেকে জীবাণুদের কোষের সংখ্যা ১০ গুণের কাছাকাছি! এই অনুপাত থেকেই অনেকটা অনুমান করা যায় দেহের অভ্যন্তরের জীবাণুদের ওপর আমাদের স্বাস্থ্য কতখানি নির্ভর করে। একদম প্রাথমিক পর্যায়ে যদি তাকাই, তাহলে দেখতে পাব, আমাদের অন্ত্রের অণুজীবের ইকোসিস্টেম বা বায়োম পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতার একটি বড় প্রভাবক। কিন্তু এখানে এদের প্রভাব মোটে শুরু। শরীরের ভারসাম্য রক্ষায় (Homeostasis) অন্ত্রের অণুবাস্তুতন্ত্রের (Microbiome) প্রভাব অন্যান্য তন্ত্রেও বিস্তৃত, যার মূলে রয়েছে এর সাথে স্নায়ুতন্ত্রের নিবিড় সম্পর্ক।

প্রজননতন্ত্রের ক্ষেত্রে এই মাইক্রোবায়োমের প্রভাব অনেকটাই গবেষণার বাহিরে ছিল। সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানী শিশুর সুস্বাস্থ্যের সাথে বাবার শরীরের মাইক্রোবায়োমের সুস্থতার মধ্যে সম্পর্ক বের করতে সক্ষম হয়েছেন। এই গবেষণাটি মে মাসে প্রকাশিত হয় নেচার সায়েন্স জার্নালে। নমুনা ইঁদুরের উপর পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা যায় জনন-সম্ভাব্য পিতাদের অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমে ব্যাঘাত ঘটলে তাদের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ওজন কম, বৃদ্ধিতে সমস্যা এবং শিশুমৃত্যুর উচ্চহার দেখা যায়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ হারও বেশি হয়।

এই মাইক্রোবায়োমের ব্যাঘাত তাহলে কীভাবে ঘটতে পারে? আমরা খুবই সাধারণভাবে যেই কাজগুলো করে থাকি – অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক সেবন, ল্যাক্সেটিভ সেবন (কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ব্যবহৃত সাপ্লিমেন্ট) – এর ফলে অন্ত্রের অণুজীব মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা জননতন্ত্রে প্রভাব ফেলে কীভাবে? এক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে অণুবাস্তুতন্ত্রের সমস্যার ফলে হরমোন সিগ্ন্যালিং-এ সমস্যা হয়, যার ফলে শুক্রাশয়ের বিপাকীয় উপাদান বদলে যায়। ফলে শুক্রাণুতে কিছু ছোট আরএনএ পরিবর্তিত সিকুয়েন্স নিয়ে প্রবেশ করে। ফলশ্রুতিতে পরবর্তী প্রজন্মে গুণগত সমস্যা দেখা যায়। তবে দেখা গেছে, মাইক্রোবায়োম আবার আগের অবস্থায় ফিরে এলে এই প্রভাবগুলো প্রশমিত হয়।

কেমন হয় যদি কার্বন-কার্বন সমযোজী বন্ধন তৈরিতে একটিমাত্র ইলেক্ট্রন শেয়ার হয়? আমরা জানি, সমযোজী বন্ধন তৈরি হয় দুইটি পরমা...
05/10/2024

কেমন হয় যদি কার্বন-কার্বন সমযোজী বন্ধন তৈরিতে একটিমাত্র ইলেক্ট্রন শেয়ার হয়? আমরা জানি, সমযোজী বন্ধন তৈরি হয় দুইটি পরমাণুর দুটি ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় এই ধারণাকে আরো প্রসারিত করেছে।

একক ইলেকট্রন সমযোজী বন্ধন (single electron covalent bond) নিয়ে ১৯৩১ এর দিকে বিজ্ঞানী লিনাস পলিং প্রথম ধারণা দেন। তবে এর সত্যতা তিনি প্রমাণ করতে পারেননি। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ২টি ফসফরাস এর বন্ধনে একক ইলেকট্রনের সমযোজী বন্ধন লক্ষ্য করেন বিজ্ঞানীরা। এরপর থেকেই জৈবরসায়ন এর ভিত্তিমৌল কার্বন এর একক ইলেকট্রনের সমযোজী বন্ধন তৈরির গবেষণা শুরু হয়।

একক ইলেকট্রন সমযোজী বন্ধন খুবই অস্থায়ী প্রকৃতির। কার্বনে এই বন্ধন তৈরি করার জন্য এমন একটি যৌগ তৈরি করা হয় যেখানে একক বন্ধনের কার্বনদ্বয়কে সম্মিলিত কার্বন রিং এর তৈরি একটি স্থায়ী Shell এর কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়। এই যৌগের ভেতরে C-C বন্ধনকে বন্ধন দূরত্ব অপেক্ষা বেশি দূরত্বে প্রসারিত করে আয়োডিনের উপস্থিতিতে জারণ বিক্রিয়ায় একটি ইলেক্ট্রন অপসারণ এর মাধ্যমে single electron covalent bond তৈরি করা হয়। সবশেষে বন্ধনটিকে স্থায়ী রূপ দেয়ার জন্য একে ক্রিস্টালাইজ করতে হয়। এই কাজটি করেছেন জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।

যদিও এখনও পরিষ্কার নয় এই আবিষ্কারের ভবিষ্যতে ফলপ্রসূ প্রয়োগ থাকবে কিনা, তবু এটি জৈব রসায়নের জগতে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।








❝স্নায়বিক ব্যাধি❞  শব্দটি শোনা মাত্রই আমাদের যে ব্যাধিগুলোর কথা প্রথমেই মাথায় আসে তার একটি হলো Epilepsy বা বাংলা আভিধা...
24/09/2024

❝স্নায়বিক ব্যাধি❞ শব্দটি শোনা মাত্রই আমাদের যে ব্যাধিগুলোর কথা প্রথমেই মাথায় আসে তার একটি হলো Epilepsy বা বাংলা আভিধানিক ভাষায় যাকে বলে মৃগী। প্রায় ৬৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ এই স্নায়বিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। যার ২০-৩০% ইন্ট্রাক্টেবল মৃগীর অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বিভিন্ন মানসম্মত ঔষধে সাড়া দেয় না। মৃগী বা Epilepsy তে আক্রান্ত রোগীর সাধারণত মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক Hyperactivity এর কারণে খিচুনী হয়। ফলে রোগী অজ্ঞানও হতে পারে। Epilepsy সাড়ানোর প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে বেছে নেওয়া যেতে পারে সার্জিক্যাল রিসেকশনকে। তবে সার্জিক্যাল রিসেকশন এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট টিস্যুকে বাদ দেওয়া খুবই জটিল ও বিপদজনক পদ্ধতি। তাহলে Epilepsy এর চিকিৎসা কী? কোরিয়ান বায়োনিক্স রিসার্চ সেন্টার ও CNIR এর অভিজ্ঞ প্রফেসর ও তাদের গবেষণা দল অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এর বিকল্প চিকিৎসা হিসেবে একটি Soft cortical device তৈরি করেছে । এই ডিভাইসটি Epilepsy সহ অন্যান্য স্নায়বিক ব্যাধি নিরাময়েও নতুন সম্ভাবনা। এই গবেষণা দলটি epilepsy নিয়ে নমুনা ইঁদুরের উপর গবেষণা করে এবং ফলাফল হিসেবে একটি Shape Morphing Cortical Adhesive(SMCA) sensor তৈরি করেছে, যা ফ্লেক্সিবল ডিভাইস হিসেবে ব্রেইন সারফেসে অবস্থান এবং ব্রেইন মনিটরিং এ সক্ষম। ফলে ডিভাইসটি সফলভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্রম রেকর্ড করে এবং যথাসময়ে খিঁচুনী দমন করতে পারে। এই সেন্সর এর অন্যতম সুবিধা হলো এটিতে এক ধরনের বিশেষ হাইড্রোজেলের (Catechol-conjugated alginate) স্তর বিদ্যমান। যা মস্তিষ্কের টিস্যু এর সাথে বন্ধন গঠন করে যুক্ত থাকে ও টিস্যু হতে সরে পড়ার (Detachment ) এর ঝুঁকি থাকে না।

মূল গবেষণাপত্রের লিংক কমেন্টে।

04/08/2024

দেশের এই ক্রান্তিকালে সবকিছু নিয়েই কথা হচ্ছে। তো চলেন দেখি আমাদের শিক্ষায় আসলে কি পরিবর্তন দরকার আর এই ১৫ বছরে কোন লেভেলের ক্ষতি হয়েছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায়।

প্রথমত, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বেশিরভাগ স্কুল-কলেজে ক্লাসই হয় না ঠিকমত। শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যায়ও না। আমার মনে হয় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এটাই সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। দেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষকদেরও আজ আমরা বিশ্বাস করতে পারি না। তাহলে ভাবুন সিস্টেমের প্রতি অবিশ্বাস কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে।
প্রাইভেট-কোচিং কেন আপাত দৃষ্টিতে ভালো পড়ায়? কারণ, ভালো পড়ালে ওরা সেটার ফল পায় আর তার জন্য এফোর্ট দেয়। কিন্তু সরকারি চাকরিতে আপনি যাই করেন না কেন, আপনার চাকরি যাবে না – এই মন্ত্রে সকলে বিশ্বাসী। এই অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন। শিক্ষকদের তাদের ভালো সার্ভিসের জন্য পুরস্কৃত করা এবং তাদের পর্যাপ্ত সম্মানী প্রদান করতে হবে। আর পর্যবেক্ষক নিয়োগ করে সঠিকভাবে স্কুল-কলেজের মাসিক রিপোর্ট রাখতে হবে, যাতে নিয়মিত পলিসি আপডেট করা যায়। নাহলে শুধু ফিনল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে দেশের বারোটা বাজানোই হবে, তা আর বাস্তবায়ন হবে না!

দ্বিতীয়ত, নতুন শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষার্থীদের ব্যবহার্য সকল সরঞ্জাম স্কুল থেকে সরবরাহ করা সম্ভব না হওয়া পর্যন্ত নতুন শিক্ষাব্যবস্থা মুলতবি রাখতে হবে। নাহলে আর্থিক সক্ষমতার ভিত্তিতে শিক্ষায় বিরাট ফারাক তৈরি হবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেকেরই বর্তমান ব্যবস্থার প্রোজেক্ট করার সরঞ্জাম কেনার টাকাও থাকে না। আগে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম - ল্যাব ইকুইপমেন্ট, দক্ষ ল্যাব এসিস্ট্যান্ট, লাইব্রেরি ও লাইব্রেরি এসিস্ট্যান্ট ইত্যাদি সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে দেশের সর্বস্তরে।
নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় আরেকটা জিনিস চেষ্টা করা হয়েছেঃ পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন। এটা জরুরি, বিশেষ করে ছোট শ্রেণির জন্য। তবে পরিমাপযোগ্য মানদণ্ড রাখতে হবে উচ্চ বিদ্যালয়ে (৬ষ্ঠ শ্রেণী ও তদুর্ধ্ব), যা শিক্ষক, ছাত্র, অভিভাবক সকলের জন্য সহজে বোধগম্য। মানদণ্ডভিত্তিক পরীক্ষা ব্যবস্থা (Standardized Testing System) রাখা নিশ্চিত করতে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে।

Last but not least, আমরা মনে করি এই শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টাটা প্রশংসনীয়, যদিও এর প্রয়োগ ভ্রান্তিকর ছিল। তাই আগে দেশের উপযোগী করে অব্জেক্টিভ-বেসড শিক্ষাক্রম ডিজাইন করতে হবে। এজন্য প্রত্যেক শিক্ষককে নতুন শিক্ষা ব্যবস্থায় সুষ্ঠুভাবে প্রশিক্ষিত করে তুলতে হবে। কেননা এধরনের অব্জেক্টিভ-বেসড শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ায় শিক্ষকের ভূমিকাই মুখ্য । অথচ বর্তমানে শিক্ষকরা নিজেরাই এই ব্যবস্থাকে বুঝতে পারেননি এবং শিক্ষাক্রমটিও যথেষ্ট বোধগম্য করে ডিজাইন করা হয়নি। তাই দেশের উপযোগী করে এই শিক্ষাক্রমকে ডিজাইন না করা অব্দি প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতি বহাল রাখাই শ্রেয়।

এখানে একজন শিক্ষার্থীর দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক জেনারেলাইজড একটা আলোচনা করা হলো। সামনে আরো কথা হবে।


12/07/2024

বিজ্ঞান, বিজ্ঞান শিক্ষা, ও এ সম্পর্কিত নানান বিষয় নিয়ে আবারো হাজির সাইব্রিজ ইনিশিয়েটিভ। আরো জানতে চোখ রাখুন আমাদের পেজে।

দেখতে দেখতে সাইব্রিজের এক বছর হয়ে গেল। গত বছর এই দিনেই সাইব্রিজ ইনিশিয়েটিভ তার যাত্রা শুরু করে নতুন মন্ত্রে উজ্জীবীত এক ...
05/07/2024

দেখতে দেখতে সাইব্রিজের এক বছর হয়ে গেল।
গত বছর এই দিনেই সাইব্রিজ ইনিশিয়েটিভ তার যাত্রা শুরু করে নতুন মন্ত্রে উজ্জীবীত এক দল তরুণ স্বপ্নচারীর হাত ধরে। আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই: বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের আরো কাছের বিষয়ে পরিণত করা। আর যেকোনো শিক্ষার্থীর বিজ্ঞানের পথের যাত্রাকে সহজ করে তোলা, বিজ্ঞান যাতে পরীক্ষার খাতায় লেখায় সীমাবদ্ধ না থাকে। গত বছর আমরা কয়েকশ’ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেই এই বার্তা। যদিও সংখ্যাটা নগণ্য, তবুও ছোট ছোট পদক্ষেপ থেকেই আমরা পৌঁছাতে পারব হাজারো মানুষের কাছে। সেই আশা ব্যক্ত করে কাজ করে যেতে চাই আরো বহুদিন।

We, from the SciBridge Community, wish you a warm Eid Mubarak. After 1 month of patient fasting, we welcome the day of J...
10/04/2024

We, from the SciBridge Community, wish you a warm Eid Mubarak. After 1 month of patient fasting, we welcome the day of Joy and Fulfillment. May you spend this day with your beloved ones with fervour and prosperity.

A rogue planet is a planet that does not orbit any star or brown dwarf and instead drifts freely through space. Rogue pl...
21/12/2023

A rogue planet is a planet that does not orbit any star or brown dwarf and instead drifts freely through space. Rogue planets are believed to have formed in a star system but were later ejected.

The detection and study of rogue planets pose unique challenges for astronomers, as these objects do not emit their own light and are not illuminated by a nearby star. One method used to identify rogue planets is gravitational microlensing. This phenomenon occurs when the gravitational field of a foreground object, such as a rogue planet, bends and focuses the light from a more distant background star. The gravitational lensing effect causes a temporary increase in brightness, allowing astronomers to detect the presence of the otherwise unseen rogue planet.

Studying rogue planets provides insights into planetary formation processes, as these planets might have formed in a star system and later been ejected into interstellar space. Advanced technologies, such as direct imaging with powerful telescopes, are continually being developed to enhance our ability to observe and characterize these nomadic planets.

A new study by researchers from Imperial College London has discovered a new way humans can feel light touches: directly...
11/11/2023

A new study by researchers from Imperial College London has discovered a new way humans can feel light touches: directly through their hair follicles. The researchers found that cells in the outer root sheath (ORS) of hair follicles had a higher percentage of touch-sensitive receptors than equivalent cells in the skin. When hair follicle cells were mechanically stimulated, sensory nerves next to them were also activated, indicating touch had been registered. The neurotransmitters serotonin and histamine were released by the ORS cells through tiny sacs called vesicles, signaling to the surrounding cells. The researchers have revealed a more detailed biological interaction between ORS cells and LTMRs, revealing a more unique mechanism for processing light touch. Further research into the way hair follicles detect touch could lead to improved treatments and preventative measures.

Abdul Aziz
Executive Member (Content Writing)

Address

Dhaka

Website

https://sites.google.com/view/the-scibridge-initiative/home

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The SciBridge Initiative posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share