আমার শ্রম, আমার লড়াই Fight for Labor Justice

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আমার শ্রম, আমার লড়াই Fight for Labor Justice
Call Directions Website Contact the organization

আমার শ্রম, আমার  লড়াই Fight for Labor Justice শহরের সব বিলাসবহুল স্থাপনার ইট-পাথরের কণায় কণায় লেগে আছে
যাদের শ্রম-ঘাম আর দীর্ঘশ্বাস, আমরা তাঁদের কথা বলি

প্রীতির শ্রমিকদের কেন আগুনে পুড়তে হয়?এই ছবিতে যে বিজ্ঞাপনটি সেটি প্রীতি গ্রুপের একটি বায়ার এর, নাম সিএন্ডএ। বিজ্ঞাপনে তা...
24/09/2026

প্রীতির শ্রমিকদের কেন আগুনে পুড়তে হয়?
এই ছবিতে যে বিজ্ঞাপনটি সেটি প্রীতি গ্রুপের একটি বায়ার এর, নাম সিএন্ডএ। বিজ্ঞাপনে তারা বলছে ৩৫ ডলারের বেশি কাপড় কিনলে বাসায় ফ্রি ডেলিভারি দিয়ে যাবে। অর্থাৎ একজন কাস্টমার ঘরে বসেই কিনতে পারবে বিনা পরিবহন খরচে। আপনাকে এক টাকাও পরিবহনের জন্য খরচ করতে হবে না। একজন ক্রেতা হিসেবে এটি তার জন্য সস্তা, কারণ বাজারে যেয়ে কিনতে হলে। সময় খরচ করে যেতে হবে, আবার গাড়ির তেল খরচ, উবার কিংবা বাস ভাড়া দিয়ে যেতে হবে। ক্রেতার দিক থেকে দু'তিনটি পোশাক কিনলে লাভ।এখানে মেয়ে দুটি গায়ে যে জ্যাকেট এবং কোট আছে, ইউরোপ আর বাজারে এর দাম ২৯.৯৯ পাউন্ড, বাংলাদেশী টাকায় ৪২০৫ টাকা। চীন, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনামে, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ইন্ডিয়া, তুরস্ক। তাদের দুনিয়াব্যাপী মোট ফ্যাক্টরি ৪৮২ টির মতো, বাংলাদেশেই আছে অনুমানিক ১১৫ টি ফ্যাক্টরি, চীনের পরে বাংলাদেশেই তাদের ফ্যাক্টর সব থেকে বেশি, এর মধ্যে প্রীতি গ্রুপ একটি বড়ো সাপ্লাইয়ার। বিজ্ঞাপনে যে পোশাকটি বাংলাদেশের কোনো করাখানার কিনা জানিনা।কিন্তু কথা হলে তারা যে ৪২০৫ টাকায় কাস্টমারকে বিক্রি করছে, এই থেকে বাংলাদেশের মালিক কতটাকা পায়? ফেয়ার ওয়ার ফাউন্ডেশন একটি হিসেব করে দেখিয়েছে যে ৪০৬৬ টাকা (২৯ ইউরো) তে যদি কোনো পণ্য ইউরোপ এর বাজারে বিক্রি করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের মালিক পায় ২০০ টাকা, আর বৈশ্বিক ব্র্যান্ড পায় ২৮৮৯ টাকা।একজন মালিক পায় মাত্র ২০০ টাকা। এই দুশো টাকা পাওয়ার জন্য মালিক যত পারে কারখানায় খরচ কমাতে থাকে কিন্ত পোশাকের দাম বাড়ানোর বিষয়ে ব্রান্ডের সাথে কার্যকর কোনো দরকষাকষি করে না। উল্টো মালিকরা উৎপাদনের খরচ কমাতে গিয়ে উৎপাদন লক্ষমাত্রা বাড়াতে থাকে, মেয়াদউত্তীর্ণ স্যিলিন্ডার ব্যবহার করে, ভাঙ্গা বিলিডং এ কারখানা করে। আর এর ফলাফল ভোগ করতে হয় গরিব শ্রমিককে, ভবন ধসে, আগুনে পুড়ে মরতে হয় !!! ফলে শুধু মালিক নয়, ব্র্যান্ড প্ৰতিষ্ঠানগুলোকেও জবাবদিহিতার মধ্যে আনার বিষয়ে দাবি তোলা খুব জরুরি। নতুবা এই ব্রান্ডেগুলো এই যে পুকুর চুরি করে যাবে, তাদের দেশের কাষ্টমেরকে কম দামে পণ্য বিক্রি করবে আর তার জন্য বাংলাদেশের অসহায় গরিব শ্রমিকদের জীবন দিতে হবে।
ছবি: সিএন্ডএ ব্রান্ডের অনলাইন শপিং এর বিজ্ঞাপন থেকে নেয়া
২৪ সেপ্টম্বর ২০২৬। বৃহস্পতিবার

বিচারহীন প্রতিটি মৃত্যু পরবর্তী মৃত্যুর অনুমতিপত্রআগুনে পুড়ে, বিল্ডিং ধসে, কেমিক্যালের আগুনে, কিংবা ব্রয়লার বিস্ফোরণে মৃ...
21/09/2026

বিচারহীন প্রতিটি মৃত্যু পরবর্তী মৃত্যুর অনুমতিপত্র
আগুনে পুড়ে, বিল্ডিং ধসে, কেমিক্যালের আগুনে, কিংবা ব্রয়লার বিস্ফোরণে মৃত্যুর মতো যন্ত্রণাকাতর বীভৎস মৃত্যু আর কিছু হতে পারে না। বাংলাদেশের শ্রমিকদের জীবনে এই ধরণের মৃত্যুর ভয়াবহতার অভিজ্ঞতা সব থেকে বেশি। তাজরীন, রানা প্লাজা এমন এক ঘটনা, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন কয়েক হাজারের শিল্প কারখানার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ংকর ঘটনা।এর পরেও বাংলাদেশে কত ট্যাবলেট, টেকনিক, হেকমত এসেছে কিন্ত তারপরও সেই মিছিল থামাতে পারেনি।তাজরীন-রানা প্লাজার পরে বাংলাদেশজুড়ে কর্মক্ষেত্র ও শিল্পকারখানায় সংঘটিত ১৭টি বড় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় মোট ৩৫৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যাঁদের মধ্যে ১৮৪ জন শ্রমিক বলে সুস্পষ্টভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে (সামগ্রিক হিসেব)। এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ ছিল অগ্নিকাণ্ড, বয়লার ও গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, রাসায়নিক বিস্ফোরণ, বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শ, ভবনধস, বিপজ্জনক পদার্থের অনিরাপদ সংরক্ষণ, অপর্যাপ্ত বহির্গমনব্যবস্থা এবং নিরাপত্তাবিধির দুর্বল প্রয়োগ। মাল্টিফ্যাবস (২০১৭) এখনো অনেকের স্মৃতিতে আছে, ১৪ আগস্ট বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ফেরদৌস স্টিলের জাহাজভাঙা ইয়ার্ডে এলএনজি পরিবহনকারী জাহাজ এমটি রাসির (IMO 9176008) ভেতরে বিষাক্ত গ্যাসের সংস্পর্শে এসে নয়জন শ্রমিক মারা যান, একমাস পরে আজকে প্রীতি গ্রুপএর ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, প্রত্যক্ষদর্শীরা মনে করেন সংখ্যা আরো বেশি। জীবন কোনো সংখ্যা নয়, একটি মৃত্যুও মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন।

যেকোনো জাতি তার অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শেখে যেন অতীত ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয়।বাংলাদেশ পোশাক খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট মালিক, সরকার, কিছু ট্রেড ইউনিয়ন কিংবা এনজিও শেখে কিনা সে বিষয়ে একজন শ্রমিক নেত্রী প্রশ্ন তুলেছেন আজ। একটি গণঅভ্যুত্থান হয়ে গেলো একটি শ্রম কমিশন হলো কিন্তু একজন শ্রমিক মারা গেলে তার ক্ষতিপূরণ ২ লক্ষ টাকা বাংলাদেশ শ্রম আইনে থেকেই গেলো।কোনোভাবে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক টেকনিক দিয়ে এটির পরিবর্তন করা গেলো না! শ্রমিক মারার এতো সস্তা লাইসেন্স পৃথিবীর অসভ্য দেশে ছাড়া কোথাও পাওয়া যাবে না নিশ্চিত। সভ্যতার মাপকাঠি হলো যে শ্রমিকের শ্রম দিয়ে দেশের অর্থনীতি চলে, সেই শ্রমিককে মেরে ফেললে বিলিয়ন ডলার রপ্তানিকারক মালিকরা মাত্র ২ লক্ষ টাকা দিয়ে আইনের দ্বারা বিশুদ্ধ হয়ে যাবেন। একজন শ্রমিকের জীবনকে মাপা হবে মাত্র ২৭ সেট ডেনিম বিক্রির এর মূল্যের দিয়ে!

বাংলাদেশের আদালতে রানা প্লাজা বা তাজরীন এর শ্রমিকদের বিচার হলো না এক যুগেরও বেশি সময় ধরে। কিন্ত এসব নিয়ে কোনো সভা-সেমিনার এ খুব কমই আলোচনা হয়। আলোচনা হয় "জাস্ট ট্রানজিশন" নিয়ে, লাল-সবুজ রং দিয়ে জ্বলজ্বলে পোস্ট কার্ডে ক্যাম্পইন হয় "জলবায়ু পরিবর্তন" নিয়ে কিন্তু একটি মৃত লাশের দাম যে দুই লক্ষ টাকা হতে পারে না, একথার দাবি পোস্টকার্ড কথা বলে না। কারণ ডোনাররা বা বায়ার এসব বিষয়ে আগ্রহী নয়; ডোনারের আগ্রহ দিয়ে এদেশে শ্রমিক আন্দোলনের এজেন্ডা নির্ধারণ হয়ে। শ্রমিক আন্দোলনের এজেন্ডা নির্ণয় হয় ব্যাংকক, কলম্বো কিংবা কাঠমান্ডু অথবা জেনেভা, নিউ ইয়র্ক সানফ্রান্সিসকো, ফ্রাঙ্কফুর্ট কিংবা স্টকহোমের ট্রান্সন্যাশনাল সেমিনার রুমে, সেখানে মৃত শ্রমিককের আর্তনাদ চাপা পড়ে যায়। বায়ার আগ্রহী "রাইটস হোল্ডারস ফোরাম" নিয়ে, এসব আবার তারা নিজেরা করে না, করে ফাউন্ডেশন দিয়ে, এনজিওর মাধ্যমে, লেবার এনজিও দিয়ে। যেসব ব্রান্ডের টাকায় রাইটস হোল্ডারস ফোরাম হয়, ঠিক একই ব্রান্ডের কারখানায় ৭ জন শ্রমিক মারা যায়। এখন কি রাইট হোল্ডারস ফোরাম ক্ষতিপূরণ আদায় করবেন আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুসারে এক জীবনের ক্ষতিপূরণের সমান? কারণ শ্রমিকের জীবনকে ডিও ডিলিজেন্স এর বিবেচনার আওতায় আনবেন? মাননীয় এনজিও প্রধানরা কি বলবেন রানা প্লাজা আর তাজরীন এর বিচার সম্পন্ন করতে হবে অবিলম্বে। এধরণের রায়ের বিচার যেকোনো দেশে আইন পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। মাননীয় বিজ্ঞ আদালতের বিচারক কি একটু বিবেকটি জাগ্রত করবেন, বলবেন যে ন্যায় বিচারই হলো প্ৰতিষ্ঠানের প্রথম ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান ধর্ম? আপনার কলমখানি অন্তত একটি সত্য কথা বলুক।

কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর আপনাদের রিপোর্টে কি বলবে শ্রমিকের জীবনও মালিকের জীবনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ, নিশ্চিত করবেন যে শ্রমিক বাড়িতে সন্তান, বৌ, বৃদ্ধ-বাবা মা আত্মীয় পরিজন রেখে আসেন তাদের কাছে কাজ শেষে আবার নিরাপদে ফিরবেন? আপনার বেতনের টাকাটা তাঁদের শ্রম থেকেই কিন্তু আসে। শপথ নেবেন পৃথিবীর সবচেয়ে কম মজুরের কলঙ্ক এই দেশ আর বহন করবে না? সবশেষ একটি কথা বিড়ালের সামনে খাবার থাকলে বিড়াল ইঁদুর ধরে না, ফান্ডিং, কারিগরি সহায়তা ট্রেড ইউনিয়নকে ভোঁতা করে দিয়েছে। এখন দরকার নতুন জেনেরেশনের ইউনিয়ন যারা দাঁড়াবে শ্রমিকের নিজস্ব শক্তিতে শ্রমিকের নেতৃত্বে শ্রমিকের স্বার্থে। বাংলাদেশে মালিকদের আর অজন্তার্জাতিক ব্রান্ডসমূহের শ্রমিকের প্রতি যে মনোভাব তাতে এসব কোনো কিছুই হবে না, মৃত্যুর মিছিল থামবে না, অন্তত বাংলাদেশ পোশাক শিল্পের ইতিহাস তাই বলে। তাই শ্রমিককে আজ নিজস্ব সংগঠন নিয়ে এসব হত্যার বিচার করার শক্তি অর্জন করতে হবে। শ্রমিকের ন্যায় বিচার শ্রমিককেই প্ৰতিষ্ঠা করতে হবে, আল্লাহও বলেছে যদি কেউ তার নিজের ভাগ্য পরিবর্তন না করে আমি তার ভাগ্য পরিবর্তন করি না। এই সত্য শ্রমিকদের উপলব্ধি করতে হবে। প্রীতি গ্রুপের শ্রমিকদের হত্যার বিচার চাই।
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬। সোমবার
Content note: This post does not promote or incite violence. It documents workplace deaths in Bangladesh’s industrial sector and raises questions of safety, accountability, and justice.

চলতি বছর ২২ টি নতুন কারখানা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করুন। শ্রমিককেও এই সাফল্যের ভাগিদার করুন।  ২০ সেপ্ট...
20/09/2026

চলতি বছর ২২ টি নতুন কারখানা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি করুন। শ্রমিককেও এই সাফল্যের ভাগিদার করুন।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬। রবিবার

মজুরি বোর্ড গঠন কর ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
19/09/2026

মজুরি বোর্ড গঠন কর
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

19/09/2026

ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (IBC) এর দাবিঃ
শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানতারা।
শ্রমিক নেতারা বলেন, গার্মেন্টস কর্মীদের ন্যূনতম মজুরি বাড়ানো সময়ের দাবি।তাদের মূল দাবি, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মজুরি বোর্ড পুনঃগঠন করতে হবে। এছাড়া ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ সম্পন্ন করতে হবে এবং ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত নতুন নিম্নতম মজুরি কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় ৪ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করে মিছিল নিয়ে শ্রমমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি দেয়া হবে। আর ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রামে আইসিবির আঞ্চলিক কমিটিগুলোর উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করা হবে। ন্যূনতম মজুরি কত টাকা হওয়া উচিত তা পরে জানানো হবে বলেও জানান শ্রমিক নেতারা।

জ্বালানি সংকট এখনো শিল্পে কোনো প্রভাব ফেলেনি।অথচ বিকেএমইএ হাতেম আলী কিছু দিন আগে ঠিক উল্টো কথা বলেছেন। যাই হোক, এখন তাহল...
18/09/2026

জ্বালানি সংকট এখনো শিল্পে কোনো প্রভাব ফেলেনি।অথচ বিকেএমইএ হাতেম আলী কিছু দিন আগে ঠিক উল্টো কথা বলেছেন। যাই হোক, এখন তাহলে শ্রমিকের মজুরি বাড়ানো হোক।

18/09/2026

“চট্টগ্রামের যে সকল গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি বাংলা গার্মেন্টস নামে পরিচিত এসকল গার্মেন্টস এ নিয়মিত প্রোডাকশন চাপ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে যেখানে ৭০-৮০ পিছ ঘন্টায় ছিলো তা এখন ১০০-১২০ পিছ করেচে যা আমিও ভুক্তভোগী। অথচ ফিনিশং এ বা কোয়ালিটি তে ৭০/৮০ ও ওনেক কষ্টকর ছিলো।এটার জন্য ব্যবস্থা নেয়া দরকার” ভুক্তভোগী শ্রমিক, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Via: হোসাইন মোবারক
17/09/2026

Via: হোসাইন মোবারক

বিরোধী দলীয় নেতারা শ্রমিকদের সাথে কোনো বৈঠক করেছে? তাদের শ্রমিক সংগঠন মজুরি বৃদ্ধি বা মজুরি বোর্ড গঠন এর বিষয়ে কোনো কর...
17/09/2026

বিরোধী দলীয় নেতারা শ্রমিকদের সাথে কোনো বৈঠক করেছে? তাদের শ্রমিক সংগঠন মজুরি বৃদ্ধি বা মজুরি বোর্ড গঠন এর বিষয়ে কোনো কর্মসূচি দিয়েছ-কেউ জানেন? শ্রমিকদের আড়ালে রেখে মালিকের সাথে তাহলে বৈঠক কেন? এর নাম কি ইনসাফ?

মজুরি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেন
17/09/2026

মজুরি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেন

Address

Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমার শ্রম, আমার লড়াই Fight for Labor Justice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to আমার শ্রম, আমার লড়াই Fight for Labor Justice:

Shortcuts

Share