Divorced And Widow Community Bangladesh Society

Divorced And Widow Community Bangladesh Society Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Divorced And Widow Community Bangladesh Society, Community Organization, Dhaka.

আসুন কিছু আদব-লেহাজ শিখি..... একত্রে বসে খাওয়ার কিছু আদব লেহাজ: ১. যে পাত্র থেকে সবাই খাবার নিচ্ছে ( খিচুড়ি বা মুড়ি মাখা...
11/04/2024

আসুন কিছু আদব-লেহাজ শিখি.....

একত্রে বসে খাওয়ার কিছু আদব লেহাজ:

১. যে পাত্র থেকে সবাই খাবার নিচ্ছে ( খিচুড়ি বা মুড়ি মাখা), তার উপর ঝুঁকে খাবার নেওয়া যাবে না, মুখ থাকবে মুখের জায়গায় - হাতে খাবার নিয়ে হাতটাকে মুখের কাছে নিতে হবে।

২. হাতে থেকে যাওয়া অতিরিক্ত খাবার যা একেবারে মুখে ঢুকানো যায়নি তা ঝাড়া মেরে প্লেটে ফেলে দেওয়া যাবে না, হাতে ধরে রাখতে হবে তারপর মুখের খাবার শেষ হলে বাকিটুকু মুখে দিতে হবে।

৩. হাতে নেওয়া সমস্ত খাবার মুখে দিয়েছেন, এখন হাত কোথায় রাখবেন? অনেকে মুখে খাবার খাচ্ছেন আর খালি হাতটা সম্মিলিত খাবারের পাত্রে রেখে দিচ্ছেন, এটা করা যাবে না। হাত নিজের কাছে রাখতে হবে।

৪. কিছুক্ষণ পরপর সকলের অনুমতি না নিয়ে নিজের ইচ্ছেতেই "ভালো করে মিশানো" র অজুহাতে খাবার উলট পালট করা যাবে না।

৫. সকলের অনুমতি না নিয়ে নিজের পছন্দমতো এডিশনাল ফুড ( মুড়ি মাখার ক্ষেত্রে বুন্দিয়া বা পুদিনা পাতা, খিচুড়ির ক্ষেত্রে লাউয়ের ঝোল) ফট করে পাত্রে ঢেলে দেওয়া যাবে না।

৬. আপনি যেদিক দিয়ে খাচ্ছেন সেদিকে যা আছে তাই খাবেন, আরেকজনের দিক থেকে বারবার পিয়াজুর পার্ট বা মাংসের টুকরো নিবেন না।

৭. সবাই যে আইটেম খাচ্ছে সেটাই খেতে হবে। সবাই যখন করলা ভাজি খাচ্ছে তখন আপনি "করলা ভাজি খাই না" বলে তড়িঘড়ি করে রোস্টের বড় পিচটা নিয়ে নিবেন - এটা ঠিক হবে না। অপেক্ষা করুন - করলা ভাজি দিয়ে সবার খাওয়া শেষ হোক।

৮. হোস্ট একজনকে খাবার সার্ভ করছে, তাকে সিরিয়ালি তা করতে দিন। মাঝখান থেকে সিরিয়াল ব্রেক করে আপনার দিকে ডাকবেন না তাকে।

৯. নিজের খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকুন, অন্যদের পাতের দিকে ঘনঘন তাকাবেন না।

১০. যে হাতে খাবার খাচ্ছেন - ঐ হাতে চামচ, প্লেট, গ্লাস ইত্যাদি ধরবেন না।

১১. খাওয়ার সময় ঢেঁকুর পারবেন না, কোঁৎ কোঁৎ শব্দ করবেন না।

১২. হুট করে নিজের পাতের খাবার আরেকজনের পাতে দিয়ে দিবেন না। আপনি সিদ্ধ ডিম না খেয়ে একটা মাংসের পিচ বেশি খাবেন বা জিলিপি না খেয়ে আলুর চপ খাবেন বাড়তি তাই বলে জিলিপি বা সেদ্ধ ডিম পাশেরজনের পাতে দিয়ে দিবেন না - আপনার মতো সেইম চিন্তা তারও থাকতে পারে।

১৩. যতটুকু খেতে পারবেন ততটুকুই পাতে নিবেন। খাবারের দখল নেওয়ার অপচেষ্টা চালাবেন না। মুখে অল্প করে খাবার নিবেন, খাবার মুখে ঢোকানোর পর দুই গাল যাতে দৃষ্টিকটু ভাবে ফুলে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

১৪. খাবারের শেষে দই বা ডাল আছে কিনা জিজ্ঞেস করবেন না ; সেটা নাই ধরে খাওয়া চালাতে থাকবেন।

১৫. হোস্ট আপনার সামনে টিস্যু রাখবে কিন্তু তাই বলে সেটা অযথা অপচয় করবেন না। পর্যাপ্ত পানি দিয়ে হাত ধুয়ে তারপর রুমাল বা টিস্যু দিয়ে ভেজা হাতটা মুছবেন।

১৬. নির্দিষ্ট কোন খাবার বেশি ভালো লেগেছে এটা বলবেন না, হোস্ট সবগুলো আইটেমই যথেষ্ট মমতা সহকারে রান্না করেছেন আপনাদের জন্য - এটা মাথায় রাখবেন।

১৭. খাবার মুখে নিয়ে চপ চপ করবেন না, খাইতে খাইতে নাকে সর্দি আসলে সেটা আস্তে করে মুছে নিবেন - উখ্খু উখ্খু শব্দ করে সেটাকে পেটে ঢুকানোর চেষ্টা করবেন না। মুখে কাকড় বা কাটা পড়লে মুখের খাবারটুকু বের করে সকলের সামনে ফেলে দিবেন না, সকলের আড়ালে কোথাও ফেলুন।

১৮. কোন একটা আইটেম নেওয়ার জন্য যদি আপনি প্রথমে উদ্যোগ নেন তাহলে চেষ্টা করবেন আশেপাশে দুএকজনকে আগে দিয়ে পরে নিজে নিতে। নিজে বড়ো পিসটা নিয়ে পাশেরজনের দিকে বাটি ঠেলে দিবেন না। নেওয়ার সময় চামচ দিয়ে সবগুলো পিস ঘাটাঘাটি করবেন না, চোখের আন্দাজে আগে সিলেক্ট করে তারপর সেটা চামচে তুলবেন।

১৯. দূরে থাকা কোন খাবার নেওয়ার জন্য বাটি নিজের দিকে দেওয়ার জন্য আরেকজনকে বলবেন না, সেটা উনার জন্য পরিশ্রমের। আপনার প্লেট বাটির কাছে এগিয়ে নিয়ে তারপর প্লেটে নিজে নেন বা কাউকে দিতে বলেন।

২০. নিজে ডিমের কুসুম না খেয়ে রেখে দিয়ে পাশেরজনকে কুসুমের পুষ্টিগুণ বুঝাতে যাবেন না।

২১. সালাদের বাটি থেকে বেছে বেছে শুধু টমেটো নিবেন না। টমেটো, শসা, মূলা আনুপাতিক হারে নিবেন।

২২. শুধুমাত্র আপনাকে একা কাঁচামরিচ বা লবন এনে দেওয়ার জন্য কাউকে অনুরোধ করবেন না।

২৩. হোস্ট পোলাওয়ের বাটি আনার সাথে সাথেই জিজ্ঞেস করে বসবেন না - সাদা ভাত আছে কিনা?

২৪. মজলিশে যিনি সবচেয়ে আস্তে খান তার সাথে তাল মিলিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন, এতে করে সবাই সমানভাবে খাওয়ার অংশ পাবে।

২৫. সকলের সাথে একসাথে খাওয়া শেষ করুন।

২৬. গলা পর্যন্ত খেয়ে হোস্টের মুখে " কিছুই তো খাইলেন না " শোনার জন্য " বেশি খায়ালছি " বলে ঢং করবেন না। আপনি যে বেশি খায়ালছেন এটা সবাই এতোক্ষণে ভালোই বুঝে গেছে!

আজ এ পর্যন্তই ।

এর বাইরে আরো পয়েন্ট থাকলে কমেন্টে যোগ করুন।

থিউরি বুঝতে সমস্যা হলে - বাসায় দাওয়াত দিন, হাতে কলমে শিখুন!

05/11/2023

সবচেয়ে সুন্দর রিভেঞ্জ হচ্ছে কারো প্রতি কোনোরকমের অভিযোগ, অপবাদ, ক্ষোভ, ঘৃণা না রেখে মানুষটাকে ভুলে যাওয়া।

জাস্ট মানুষটা আমার কেউ না ব্যস! তারপর দেখবেন আপনার ভেতর আর কোনো অস্থিরতা নাই। আক্ষেপ নাই। হতাশা নাই।

এমন প্রফুল্ল ভাবে বাঁচতে পারে ক'জন? নিজেকে ম্যান্টালি স্যাটিসফাই করতে পারলে জীবন আসলেই সুন্দর...

কোনো কিছু অর্জন করাই শুধু সাফল্য নয়,ব্যর্থতার পর সেই জিনিসের গুরুত্ব উপলব্ধি করাও এক ধরনের সাফল্য।
04/11/2023

কোনো কিছু অর্জন করাই শুধু সাফল্য নয়,ব্যর্থতার পর সেই জিনিসের গুরুত্ব উপলব্ধি করাও এক ধরনের সাফল্য।

সম্পর্কের সুখ দুখজানালার শিক ধরে আকাশ পানে চেয়ে আছে তামান্না। পড়ন্ত বিকেলে মেঘেরা বাহারী রঙ গায়ে মাখিয়ে ছোটাছুটি করছ...
04/11/2023

সম্পর্কের সুখ দুখ

জানালার শিক ধরে আকাশ পানে চেয়ে আছে তামান্না। পড়ন্ত বিকেলে মেঘেরা বাহারী রঙ গায়ে মাখিয়ে ছোটাছুটি করছে। অপরূপ সে দৃশ্য। কিন্তু সেদিকে তাকিয়ে থেকেও তা দেখছে না তামান্না। কিংবা বলা চলে দেখতে পারছে না।

পারবে কিভাবে?
তার মন তো তার নিজের মাঝে নেই। উদাস মন মহাশূন্য ভেদ করে ছুটে যাচ্ছে, খুঁজে বেড়াচ্ছে তার হারানো ঠিকানা। কিন্তু পাচ্ছে না। এ জন্য তামান্নার কষ্ট হচ্ছে। ভীষণ কষ্ট। বুকের মাঝে কষ্ট যেন কামড়ে ধরছে। বার বার ঘুরে ফিরে একটি মুখ ভেসে আসছে হৃদয়পটে।

আর সঙ্গে সঙ্গে ফাকা হয়ে যাচ্ছে বুক, ফিরে আসছে কষ্টগুলো। দীর্ঘ পাঁচ বছরের ভালবাসার মানুষের সঙ্গে ব্রেকআপ হয়ে গেছে। কিন্তু বার বার ফিরে আসছে কাটানো মধুময় সে সময়গুলো আর সেই সঙ্গে ভালবাসা হারানোর কষ্ট। কোন কিছুতেই মন দিতে পারছে না সে।

অথচ আর কিছুদিন পরেই তার পরীক্ষা। এখন কি করবে তামান্না? এরকম পরিস্থিতি তামান্নার মতো হাজারো তরুণ-তরুণীর। হৃদয় ভাঙ্গা কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিশ্বখ্যাত সংবেশনবিদ (হিপনটিসট) পল ম্যাককেনা এবং মনোচিকিৎসক ড. হগ উইলবর্ন কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

25/09/2023

কি একটা অসুস্থ্য জেনারেশন। কারো লিংক বের হওয়া যেনো আমাদের কাছে একটা উৎসবের মত। সবাই হুমড়ি খেয়ে এদিক ওদিকে লিংক খুঁজে বেড়াই।

কি অসুস্থ্য একটা জেনারেশন। কত সহজ একটা ছেলে আর একটা মেয়ের মেলামেশা করা। কত সহজ এটার বিরুদ্ধে কেউ লিখলে উলটো তার বিরুদ্ধে সবাই এক হয়ে লিখতে শুরু করা।

কি অসুস্থ্য একটা জেনারেশন, কি অসুস্থ্য একটা টাইমলাইন। পুরো টাইমলাইন জুড়ে এক মারাত্মক অসুস্থ্যতা,পুরো টাইমলাইন জুড়ে এক মা"রা"ত্মক ব্যাধি। এই ব্যাধি ছোঁয়াচে!

17/09/2023

হাসবেন না কি-

একবার এক নেতার ব্যাংকের চেক ভুল করায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে থাপ্পড় দিয়ে দিলেন, সে নেতা। ব্যাংকার চাকরি হারানোর ভয়ে উনার রাগ দেখাতে পারলেন না। গালে হাত দিয়ে মুচকি হেসে নেতাকে জবাব দিলেন, " কী সমস্যা স্যার?" নেতা এবার কষে আরেকগালেও সে ব্যাংক কর্মকর্তার গালে থাপ্পড় বসিয়ে দিলেন। কিন্তু তিনি অপারগ হয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে রইলেন। কারণ, ব্যাংকের প্রথম রুলসে আছেই, যতকিছু হয়ে যাক, কোনো রাগ দেখানো যাবে না।

উনি ব্যাংকের কাজ শেষে বাসায় গেলেন। এদিকে উনার রাগ কমলো না।তাই দরজা খুলতে দেরি হওয়ায়, বউয়ের গালে হাত বসিয়ে দিলেন তিনি। বউ,নিচের দিকে তাকিয়েই রইল। কারণ, হাজবেন্ডের উপর হাত তোলা হাদিসে নিষেধ আছে। যদিও আজকালকার যুগের মেয়েরা হাদিসকে সম্মান রেখে হাজবেন্ডের উপর বর্তমানে পা তুলে।

যাইহোক, বউও হাজবেন্ডের উপর তার রাগ দেখাতে পারছে না। বউ ভিতরে গিয়ে, পড়ার কথা বলে অযথা দিলেন বড় ছেলেকে মাইর। বড় ছেলে গায়ে মাইর নিয়ে চলে গেল পড়ার রুমে। সেও মায়ের উপর রাগ দেখাতে পারল না। সে দিলো তাই তার ছোট ভাইকে থাপ্পড়।

ছোট ভাইয়ের হয়ে গেল জ্বালা; তার নিচে রাগ দেখানোর মতো আর কেউ নেই। সে বাইরে গিয়ে দরজায় লুটিয়ে থাকা কুকুরকে কষে দিলো লাথি। কুকুর লাথি খেয়ে, লাথিটা নিয়ে চলে গেল ক্যা, ক্যা শব্দ করতে করতে।

কুকুর রাস্তায় গিয়ে এক পথচারীকে রাগে দিলো পায়ে কামড়। আর সে পথচারীই ছিল শুরুর সে থাপ্পড় দেয়ার সে মহান নেতা!

ঢিলটি ছুড়িলে পাটকেলটি খেতে হয়!

Every action has it's opposite reaction!

ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।

Divorced And Widow Community Bangladesh Society

নারীরা কিসে আটকায় ? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দাতার জন্য রয়েছে বিশেষ আকর্ষণীয় পুরস্কার ।
13/08/2023

নারীরা কিসে আটকায় ? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দাতার জন্য রয়েছে বিশেষ আকর্ষণীয় পুরস্কার ।

দীর্ঘ শ্বাসকখনো কারো দীর্ঘশ্বাসের কারণ হবেন না। মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ জিনিস। আপনি কাউকে ঠকিয়েছেন? কাঁদিয়ে,শ্বাসিয়...
13/08/2023

দীর্ঘ শ্বাস

কখনো কারো দীর্ঘশ্বাসের কারণ হবেন না। মানুষের দীর্ঘশ্বাস খুব খারাপ জিনিস। আপনি কাউকে ঠকিয়েছেন? কাঁদিয়ে,শ্বাসিয়ে হৃদপিণ্ডে আগুন লাগিয়ে চলে গেছেন?কষ্ট দিয়েছেন? অতিরিক্ত অবহেলা করেছেন.?মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছেন.?
যে মানুষটা আপনাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করত তার বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছেন!

মনে রাখবেন, মানুষটা আপনার উপর কোনো প্রতিশোধ না নিলেও সে যতবার আপনার কথা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলবে ততবারই তার আত্মা একটা নালিশ নিয়ে যাবে সৃষ্টিকর্তার কাছে। সৃষ্টিকর্তা সব দেখেন।
আপনি যত ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে থাকেন না কেন, অথবা কাউকে ঠকিয়ে যতই সুখের সাগরে ভাসেন না কেন, কারো অন্তরে আঘাত দিলে সেটার শাস্তি আপনাকে দুনিয়াতেই ভোগ করতে হবে।
যে মানুষটাকে আপনি ঠকিয়েছেন সে যদি একসময় এসে আপনাকে মাফ করে দেয়, কোন অভিশাপ না দেয়,তবুও শাস্তি আপনাকে ভোগ করতেই হবে।
"রুহের হায়" বলতে একটা কথা আছে। আমরা যেটাকে "Revange of Nature" বলি। প্রস্তুত থাকবেন সর্বদা, মানুষ ছেড়ে দিলেও প্রকৃতি কাউকে ছেড়ে দেয় না.

লিখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।

08/07/2023

গোলাপের সাথে যেমন কাঁটা থাকে। ঠিক তেমনি সুখের সাথে দুঃখ পাশাপাশি অবস্থান করে। কাঁটার কারণেই যেনো গোলাপ আরো বেশি সৌন্দর্যের অধিকারী।

সুখের সন্ধানে থাকা মানুষ ভুলে যায় সুখ-দুঃখ একই মুদ্রার দুটো পিঠ মাত্র। আপনি অবশ্যই একটা ব্যতিত অন্য টার গুরুত্ব বুঝবেন না।

আপনি সুখে আছেন বলেই আপনার দুঃখের অস্তিত্ব অনুভব করা আবশ্যক। আবার আপনি দুঃখের মর্ম বুঝতে শিখে গেছেন তাই আপনি সুখের সন্ধান করতে শিখেছেন। সুখ আপনি অবশ্যই প্রত্যাশা করবেন কারণ প্রতিটি মানুষ সুখী হওয়ার দাবিদার।

কিন্তু জীবনে প্রতিটি মানুষের রাস্তা আলাদা, ভাগ্যে কারো সুখ বেশি,কারো কষ্ট বেশি, আবার কারো ব্যলেন্স করে চলার সামর্থ্য আছে, আবার কারো একবারেই সামর্থ্য থাকে না।

মানুষ প্রকৃতির অদ্ভুত সৃষ্টি। তাই প্রতিটি মানুষ নিজেকে অন্যের তুলনায় দুঃখী ভাবতে ভীষণ ভালোবাসে। আবার কেউ কেউ অন্যের কাছে কৃত্রিমভাবে সুখী প্রমাণ করতে সদা ব্যস্ত।

সত্যিকার অর্থে সুখের সংজ্ঞা কারো কাছেই থাকে না। মানুষ ভিন্ন তাই তাদের কাছে সুখের সংজ্ঞা ভিন্ন, সুখের উৎস আলাদা।

আবার দুঃখ প্রকাশ আর দুঃখের কারণ গুলো অনেক টাই একই রকম সবার মাঝেই। সবার ক্ষেত্রেই দুঃখের সংজ্ঞা আর বৈশিষ্ট্যের সাদৃশ্য পাওয়া যায়।

মানুষ কিছু জিনিস নিয়ে সদা ব্যস্ত আবার কিছু বিষয় নিয়ে সদা উদাসীন। স্বপ্ন দেখতে সবাই পারে কিন্তু পূরণ করতে গেলে কেউ সফল হয়,কেউ হেরে যায়।

সুখের সন্ধানে মানুষ দুঃখ থেকে পালিয়ে বেড়াতে চায় প্রতিনিয়ত। কিন্তু দিন শেষে দুঃখ টাকেই আলিঙ্গন করে নেয়।

দুঃখের মাঝে প্রাপ্তি গুলো হারিয়ে ফেলে। সুখের মাঝে চিন্তা চেতনা বিসর্জন দেয়। অথচ আমাদের মাঝেই সুখ দুঃখ বিরাজমান।সব কিছুর ‌মাঝেই সুখ দুঃখের আবাস।

সুখের সন্ধানে থাকতে হবে কিন্তু দুঃখ পরিত্যাগ সম্ভব নয়। আবার দুঃখের সাগরে তলিয়ে গিয়ে সুখ হারিয়ে ফেলাও ঠিক নয়। দুটোই আবশ্যক এবং ধারাবাহিক ভাবেই আমাদের জীবনে আবর্তিত হয় সর্বদা।

২০০৯ সালে ঐ পাইলট যে হেলিকপ্টার চালাতো এবং ঐ ক্যামেরাম্যান যে ভিডিও ধারন করতো। মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে ২০১৯ সালে প্রযুক্...
03/07/2023

২০০৯ সালে ঐ পাইলট যে হেলিকপ্টার চালাতো এবং ঐ ক্যামেরাম্যান যে ভিডিও ধারন করতো। মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে ২০১৯ সালে প্রযুক্তির উন্নয়নের কারণে তারা চাকরি হারিয়েছে।

আপনি ২০২৩ সালে যে চাকরি করছেন। হয়তো ২০৩০ সালে সে চাকরির জন্য কোন মানুষের প্রয়োজন পড়বে না।

তাই চাকরিজীবী নয় ব্যবসায়ী হয়ে উঠুন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগান।

🔹 পজিটিভ থাকুন, পজিটিভ চিন্তা করুন, পজিটিভ চিন্তা ভাবনা নিজেকে সফলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

02/07/2023

প্রিয় মানুষের কথা স্মরণ করে যদি
কোন ব্যক্তি ২১ বার সূরা তোহা এর
৩৯ নং আয়াত পাঠ করে।

৭ দিনের মধ্যে আপনার জন্য
পাগল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

অনেক স্বামী এমন আছেন যাদের স্ত্রী তাদেরকে দেখতে পারেনা, আবার এমন স্ত্রী এমন আছেন যাদের স্বামী তাদেরকে দেখতে পারে না।
উনারা এই আমলটি করতে পারেন ইনশাআল্লাহ সাত দিনের মধ্যে রেজাল্ট পাবেন।

যদি কেউ কোন মেয়ে কে পছন্দ করেন, বা কোন মেয় ছেলে কে পছন্দ করেন। কিন্তু কোন হারাম সম্পর্ক নেই।
উনারা ও এই আমলটি করতে পারেন।

শর্ত হলো কোন হারাম সম্পর্ক থাকতে পারবে না।

সেদিন এক বোনের ঘটনা শুনলাম। আন্ডার গ্রাজুয়েট করা অবস্থায় বাবা বিয়ে দেয়নিতার বাবা তকে বলেছিলেনআগে পড়াশুনা শেষ করো, তারপর ...
02/07/2023

সেদিন এক বোনের ঘটনা শুনলাম।

আন্ডার গ্রাজুয়েট করা অবস্থায় বাবা বিয়ে দেয়নি
তার বাবা তকে বলেছিলেন
আগে পড়াশুনা শেষ করো, তারপর অন্যকথা। বাবার কথামতো পোস্টগ্রাজুয়েট, পিএইচডি করলেন। ফাঁক দিয়ে একজন স্বাভাবিক তরুণীর মতোই বোনটির দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে লাগলো।

সমস্যা হচ্ছে, এত উচ্চশিক্ষিতার জন্য উচ্চশিক্ষিত ছেলে পাওয়া খুবই কঠিন। বোনটা ভার্সিটির প্রফেসর হয়ে গেলেন। কলিগরা বিয়ের প্রস্তাব দিলে সেখানেও বাবা না করে দেন।
'
কোন ছেলের চেহারা তার ভালো লাগে না তো কোনো ছেলের টাকাপয়সা তার কাছে কম মনে হয়।

হয়তো মেয়ের জন্য পার্ফেক্ট ছেলে খুঁজতে গিয়ে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন, পৃথিবীতে কেউই পার্ফেক্ট না। এমনকি তার মেয়েও না।

এর মধ্যে বহু নদীর জল বহু জায়গায় গড়াল। বোনের বয়সও ত্রিশ পেরিয়ে চল্লিশের দিকে এগোলো। প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে ভুগে একসময় হাসপাতালে ভর্তি হলেন তিনি।

সামান্য অসুখই তীব্র আকার ধারণ করায় একসময় বোনটা মারা গেলেন। মৃত্যুর সামান্য আগে বাবাকে কাছে ডেকে বললেন, বাবা, বলুন আমিন।
বাবা বললেন, আমিন।
- আবার বলুন আমিন।
- আমিন।
- আরেকবার বলুন আমিন।
- আমিন।

বোনটা তারপর বুকে একরাশ ব্যাথা নিয়ে বললেন, "ওয়াল্লাহি! আল্লাহর কসম! আল্লাহ যেন আপনাকে আখিরাতে জান্নাতের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেন যেভাবে আপনি আমার যৌবনে আমাকে বিয়ের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেছেন।

ঘটনা টা শুনে আমি কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। নিজের অজান্তেই দুচোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠলো

সাবধান! শ্রদ্ধেয় মা-বাবারা
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআ'লা মাজলুমের পক্ষে আছেন।

Address

Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Divorced And Widow Community Bangladesh Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Divorced And Widow Community Bangladesh Society:

Share