21/03/2026
“গণতন্ত্র কি আজ সত্যিই দৌড়াচ্ছে একটি গাড়ির পেছনে?”
আজকের সেই দৃশ্য—একজন অসহায় নারী, আরও একজন জুলাই যোদ্ধা…
দু’জন মানুষ প্রাণপণ দৌড়ে চলেছেন প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির পেছনে।
মুখে একটাই শব্দ—“স্যার… স্যার…”
এই শব্দে কোনো রাজনীতি ছিল না,
ছিল না কোনো স্লোগান—
ছিল শুধু আকুতি,
ছিল শেষ ভরসার আর্তনাদ।
কিন্তু নির্মম বাস্তবতা—
রাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী দরজায় পৌঁছানোর আগেই
তাদের থামিয়ে দেওয়া হলো।
তখন প্রশ্নটা আরও তীব্র হয়ে ওঠে—
গণতন্ত্র কি আজ এতটাই দূরে সরে গেছে,
যে একজন নাগরিককে তার নেতার কাছে পৌঁছাতে দৌড়াতে হয়?
তারেক রহমান,
আপনি বলেছিলেন—মানুষের পাশে থাকবেন,
মানুষের কথা শুনবেন,
অধিকার ফিরিয়ে দেবেন।
কিন্তু আজ সেই মানুষই—
আপনার সামনে দাঁড়াতে পারে না,
বরং আপনার গাড়ির পেছনে দৌড়াতে বাধ্য হয়!
এটা কি শুধুই একটি দৃশ্য?
না কি এটি একটি রাষ্ট্রের বাস্তব প্রতিচ্ছবি?
একজন নারী—
যার চোখে ছিল অসহায়ত্ব,
কণ্ঠে ছিল ভাঙা আশার শব্দ—
তিনি কোনো দলের নন,
তিনি শুধু একজন মানুষ।
তার দৌড়টা কি শুধু তার নিজের?
নাকি এই দৌড়—আমাদের সবার?
আমাদের অধিকার, আমাদের কণ্ঠ, আমাদের গণতন্ত্রের?
আজ যদি একজন সাধারণ মানুষ তার নেতার সাথে কথা বলতে না পারে,
তাহলে সেই গণতন্ত্র কাগজে থাকে—বাস্তবে নয়।
আমরা বিদ্রোহ চাই না—
আমরা চাই একটি দরজা খোলা থাকুক।
আমরা সমালোচনা চাই না—
আমরা চাই একজন নেতা একজন মানুষের কথা শুনুক।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আপনার কাছে শুধু একটি অনুরোধ—
সেই নারীকে খুঁজে বের করুন।
তার সামনে বসুন।
তার কথা শুনুন।
কারণ ইতিহাস বড় বড় ভাষণে লেখা হয় না—
ইতিহাস লেখা হয় এমন ছোট ছোট মুহূর্তে,
যেখানে একজন নেতা একজন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।
হয়তো এই একটি সাক্ষাৎই বদলে দিতে পারে অনেক কিছু—
প্রমাণ করে দিতে পারে—
গণতন্ত্র এখনো বেঁচে আছে,
এবং তাকে আর কোনোদিন গাড়ির পেছনে দৌড়াতে হবে না।
#গণতন্ত্র #মানুষের_কণ্ঠ #একটি_সাক্ষাৎ #মানবিক_বাংলাদেশ