Deep Ecology and Snake Conservation Foundation

Deep Ecology and Snake Conservation Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Deep Ecology and Snake Conservation Foundation, Nonprofit Organization, Deep Ecology and Snake Rescue Foundation, Dhaka.

Based on the philosophical stance of "Deep Ecology" theory, DESCF is a govt registered non profit organization
in Bangladesh dedicated to promoting snake and nature conservation.

19/08/2026

বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলে মহাবিপন্ন এশিয়ান হাতির অস্তিত্ব রক্ষা করতে হলে সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরী।

আজকের আয়োজনে পরিবেশ সাংবাদিকতার মাধ্যমেপ্রকৃতি সংরক্ষণে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পাচ্ছেন independent24.tv এ...
18/08/2026

আজকের আয়োজনে পরিবেশ সাংবাদিকতার মাধ্যমে
প্রকৃতি সংরক্ষণে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পাচ্ছেন independent24.tv এর বিশেষ প্রতিনিধি শাহরিয়ার অনির্বাণ এবং Prothom Alo এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মোস্তফা ইউসুফ।

দেশের প্রাণপ্রকৃতি বাঁচানোর লড়াইয়ের দুই সারথিকে সম্মাননা দিতে পেরে ডিপ ইকোলজি পরিবার সম্মানিত।

দেখা হচ্ছে আজ বিকাল ৪টায়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে , The Coexistence Dialogue: People, Elephant and Shared Landscapes শীর্ষক অনুষ্ঠানে।

আপনারা সকলে আমন্ত্রিত! fans

আজ বিশ্ব হাতি দিবস। তবে আর কতদিন এশিয়ান হাতিরা বাংলাদেশের বুকে টিকে থাকবে, সেই প্রশ্নের জবাব খুবই হতাশার। একদিকে ক্রমবর্...
12/08/2026

আজ বিশ্ব হাতি দিবস। তবে আর কতদিন এশিয়ান হাতিরা বাংলাদেশের বুকে টিকে থাকবে, সেই প্রশ্নের জবাব খুবই হতাশার। একদিকে ক্রমবর্ধমান মানবসৃষ্ট আগ্রাসনে হাতিদের বিচরণক্ষেত্র ও খাদ্যের উৎস হারিয়ে যাওয়া, আরেকদিকে পাচার এবং হত্যা ওদের জন্য ভয়াবহ অশনিসংকেত হয়ে উঠেছে। একদিকে বন থেকে হাতিরা যখন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে তখন তাদেরই একটা বড় অংশ অনিবন্ধিত দাসত্বের বলি হচ্ছে।
আবার বাংলাদেশে বনবিভাগের সক্ষমতা বড় অপ্রতুল, অসুস্থ হলে হাতিদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য Rewilding Facility ও নেই। তাই চাইলেও একটাও এশিয়ান হাতিকে চিকিৎসা করে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়নি নিকটবর্তী সময়ের মধ্যে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ট্রান্সবাউন্ডারি কোলাবরেশনের ব্যাপারেও এশিয়ান হাতিরা মাশুল দিয়ে চলেছে অদ্যাবধি। সীমান্তের সবপারেই এশিয়ান হাতির স্বাভাবিক জীবনাবসান একটা দুর্লভ ঘটনা হয়ে গেছে।

পৃথিবী জুড়ে সীমান্তে চলমান সংঘাতগুলো কিচ্ছু বোঝে না বন্যপ্রাণী-পথপ্রাণীরা। অথচ ওরাই আহত হয়, প্রাণ হারায়, বিলুপ্ত হয়ে যায়। হাতি দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য, "বিশ্বজুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি।"

আমরা আশা করি, মহাবিপন্ন হাতিদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে এ ঐক্য সত্যিই বাস্তবায়িত হবে।

আপনার জীবনে এমন কেউ আছে, যে আপনার জন্য অনেক কিছু করেছে,কিন্তু কখনো বিনিময়ে কিছু চায়নি?হয়তো আপনার জীবনের সেই মানুষটাই একজ...
08/08/2026

আপনার জীবনে এমন কেউ আছে, যে আপনার জন্য অনেক কিছু করেছে,কিন্তু কখনো বিনিময়ে কিছু চায়নি?

হয়তো আপনার জীবনের সেই মানুষটাই একজন Silent Hero. ❤️

The Silent Hero
Unsung Hero-এর বাংলা রূপান্তর।

দেখুন। অনুভব করুন। আর আপনার জীবনের সেই Silent Hero-কে মনে পড়লে তাকে মেনশন করুন। ❤️


Deep Ecology and Snake Conservation Foundation

07/08/2026

ডিপ ইকোলজি পরিবারের চারপেয়ে সদস্য মেডুসা, জিসান আর রাজকুমারীর এই গল্প প্রাণবিকতা শেখাবে, এই প্রত্যাশাতেই আমাদের এই উদ্যোগ।

আগামীকাল ৮ই আগস্ট মুক্তি পাচ্ছে The Silent Hero.

শুভকামনা জিসু এন্টারটেইনমেন্টের এই নতুন প্রডাকশনের জন্য।
সবাই দেখবেন, আর এই মায়া ছড়িয়ে দেবেন।

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংসের এই সচেতনতা ছড়িয়ে পড়ুক, জলজ বাস্তুতন্ত্র বাঁচুক। Read the full article in the comments s...
06/08/2026

নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংসের এই সচেতনতা ছড়িয়ে পড়ুক, জলজ বাস্তুতন্ত্র বাঁচুক।

Read the full article in the comments section.
Thanks to The Climate Watch 🤍

MD Shadid Mahmud Sishir এর নেতৃত্বে ডিপ ইকোলজির মাগুরা জোন আজ অসাধারণ একটা কাজ করেছে। প্রায় ৩ লক্ষ টাকা সমমূল্যের এক কিল...
04/08/2026

MD Shadid Mahmud Sishir এর নেতৃত্বে ডিপ ইকোলজির মাগুরা জোন আজ অসাধারণ একটা কাজ করেছে। প্রায় ৩ লক্ষ টাকা সমমূল্যের এক কিলোমিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস করিয়েছে তারা।

প্রথমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পরে জেলার এনডিসি এবং মৎস্য কর্মকর্তাকে জানানোর পর মোবাইল কোর্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সকাল ১১:৩০ থেকে দুপুর ৪টা পর্য়ন্ত জাল জব্দের অভিযানে নদীতে জাল এতো পরিমাণে ছিল যে মৎস্য কর্মকর্তাদের সাথে আসা লোকেরা শেষ পর্যায়ে এসে হাঁপিয়ে গিয়ে আজকের দিনের মতো তারা কাজ শেষ করে।

স্বেচ্ছাসেবীরা অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছিল এতো দাম কি করে সম্ভব তখন মৎস্য কর্মকর্তা জানান এগুলো দাম অনেক হওয়ার কারণ ওই শিল গুলো সব লোহার তৈরি। এবং জেলেরা বেশিরভাগ সময় টাকা ধার করে এই জাল কিনে থাকে।

সচেতন হোন, তথ্য দিন, নাগরিক দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসুন।

Deep Ecology And Snake Conservation Foundation
Deep Ecology and Snake Conservation Foundation

ওরা গেলো কোথায়?এমনকি পাঁচ-ছয় দশক আগেও দেশজুড়েই ছিলো রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিস্তৃতি। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঘাবাড়ি, বাঘা, বা...
31/07/2026

ওরা গেলো কোথায়?

এমনকি পাঁচ-ছয় দশক আগেও দেশজুড়েই ছিলো রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বিস্তৃতি। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঘাবাড়ি, বাঘা, বাঘবেড়, বাঘাদিয়া, বাঘের টেক, বাঘঘোনা, বাঘপাড়া, টাইগার হিল, টাইগার পাস ইত্যাদি নানা নামের এলাকাই তার স্বাক্ষী৷ বহু উপকথা ও সাহিত্যকর্মে সারা বাংলা জুড়েই বাঘের আনাগোনা দেখা গেছে অনাদিকাল থেকে তাই বাগধারাতেও উঠে এসেছে যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই নাকি সন্ধ্যা হয়! এইতো সেদিন, ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত লোকালয় বা বনে বাঘেরা আবির্ভাব বিবেচিত হতো জনদূর্ভোগ হিসেবে। তাই বাঘ মারলে মিলতো সরকারী আর্থিক প্রণোদনা৷ বন বিভাগে চাকুরীই ছিলো শিকারী পদবিতে৷ বিখ্যাত শিকারী পচাব্দী গাজীর মত অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে বা বন বিভাগের হয়ে শখানেক বাঘ মেরেছেন মূলত শিকারের নেশা আর আর্থিক প্রনোদনার কারণেই। আর রাজা-বাদশা-নবাব থেকে অধুনালিপ্ত জমিদারদের জন্য বাঘ শিকার ছিলো ক্ষমতা আর আভিজাত্যের চূড়ান্ত প্রকাশ। সেজন্য মাত্র একশো বছর আগেও ভাওয়াল রাজাকেও দেখা যায় গাজীপুরের বনে বাঘ মেরে শিকারের উপর দাঁড়িয়ে পোজ দিতে৷

দেশজুড়ে জড়িয়ে থাকা সেইসব বাঘ মেরে, জঙ্গল কেটে কবেই শহর বানিয়ে ফেলেছি আমরা। এখন প্রচলিত মতানুসারে তারা শুধু সুন্দরবনেই টিকে আছে। ক্যামেরা ট্র‍্যাপ পদ্ধতিতে করা সাম্প্রতিক বাঘশুমারী বলছে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ১২৫ টি। কিন্তু সুন্দরবনের অতি পরিশ্রমী বাঘের বাইরেও সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা এত এত বাঘ কি একদমই বিলুপ্ত হয়ে গেলো? তা কিভাবে সম্ভব? আমাদের আছে বিস্তৃত পার্বত্যাঞ্চল, সিলেটের সীমান্ত সংলগ্ন পাহাড়ী জঙ্গল। কোন না কোন বনে এক-আধটা বাঘ তো থেকে যেতেই পারে! তাইনা? এগুলো বাস্তব না জানি। কারণ এখন আর এসব অঞ্চলে বাঘ সার্ভাইভ করার মত শিকার নেই। তবু এই কল্পনাবিলাসেও আছে বিশাল আনন্দ কারণ বাঘ থাকলে আমাদের পার্বত্য বনও মানুষের হাত থেকে থাকতো সুরক্ষিত!!

কয়েক বছর আগে দার্জিলিং পাড়ার কারবারীর কাছে বাঘ দেখার স্বাক্ষীর সন্ধান পেয়ে তার খোঁজে নিকটবর্তী ম্রো পাড়ায় গেলাম। তিনি অনুপস্থিত ছিলেন বাট গল্পটা দেখলাম সবাই জানে৷ কাছাকাছি ঘটনা শুনলাম লামাফেরত একজনের মুখে। রুমার গহীনে মদের নেশায় চূর এক দাদা শুনিয়েছিলেন ছোটবেলায় তার বাঘের বাচ্চা পোষ মানানোর গল্প। তবে এর সবই অনির্ভর‍যোগ্য সূত্র!

এই বিষয়ে তিন বছর আগে ইংল্যান্ডের দ্যা গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত পার্বত্য চট্টগ্রামে CCA'র খুঁজে পাওয়া বাঘের পায়ের ছাপের ছবিই এখন পর্যন্ত একমাত্র প্রামাণ্য এভিডেন্স। এই নিউজটি প্রথম আলোসহ দেশের অনেক মিডিয়া ফলোআপ করলেও সুন্দরবনের বাইরে বাঘের অস্তিত্ব নিয়ে দেশবাসী রয়ে গেছে সেই তিমিরেই!

অথচ ২০০৮ সালে সিলেটের পাথারিয়া পাহাড়ে বাঘ দেখার দাবীদার পাওয়া গেছে। লাঠিটিলার জঙ্গলে বাঘ দেখেছেন এমন দাবীদারও মিলেছে। যারা দেখেছেন তারা শিকারী মানুষ। হরিণ-শুকর মারতে বনে যায়। তারা চিতা আর বাঘের প্রভেদ করতে জানে। কিন্তু কোন বনেই বাঘের পর্যাপ্ত শিকার না থাকা এসবকে ভুল ভাবতেই যুক্তি দেখায়৷

সাজেক ভ্যালি নাম হলেও এটি কিন্তু আদতে ভ্যালি নয়, পাহাড়। সাজেকের পুবে মিজোরামের বিস্তৃত জঙ্গল। গুগল আর্থে খুঁজলে দেখা যায় ডামপা টাইগার রিজার্ভ নামের এক অভয়ারণ্য। সুখের সংবাদ কিছুদিন আগে বহুবছর পর ডামপায় বাঘের দেখা মিলেছে। এর উত্তর-পশ্চিমে আমাদের দেশের কাসালং রিজার্ভ ফরেষ্ট। গুগল আর্থে দেখলে দেখবেন কি ভয়াবহ ঘন বুনটের বন। সেই বনে অন্তত ৮টি বাঘ আছে বলে এক গবেষকের অনুমান। আর স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী তো আছেই। সর্বশেষ ২০১০ সালেও সুনির্দিষ্টভাবে বাঘ দেখার দাবী পাওয়া গেছে কাসালং রিজার্ভে।

আমার দুই প্যারা আগে বর্ণিত ঘটনার বাইরেও ২০০৪ ও ২০১১ সালে বান্দরবানের সাঙ্গু রিজার্ভে বাঘ দেখার প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া গেছে। কেউ কেউ বলছেন সেখানে অন্তত তিনটি বাঘের আনাগোনা থাকতে পারে। আর যেহেতু বাঘের বিচরণস্থল শত শত বর্গকিলো হতে পারে তাই বাঘগুলো সীমান্তের এপার ওপার করতেই পারে। অসম্ভব কিছুনা। কিন্তু আবারও এন্টি লজিকে চলে আসে শিকারের অভাব!

সর্বশেষ বাঘ দেখার খবর শুনলাম বান্দরবান-রাঙামাটির রাইক্ষ্যং ভ্যালিতে। বাঘ গবেষক ড. মনিরুল এইচ খানকে ছয় বছর আগে আজকের দিনে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি জানিয়েছেন, রাইক্ষ্যং ভ্যালিতে সীমান্তের এক আদিবাসী শিকারী বাঘ শিকার করতে সক্ষম হয়েছিলেন কয়েক বছর আগে। বাঘের চর্বি -চামড়া মিয়ানমারে বিক্রি হয়েছে বিশ হাজার টাকায়। সে টাকায় সেই আদিবাসী শিকারী তার পরিবারের জন্য সোলার কিনেছেন।

সবকিছু মিলিয়ে আমরা আশা করতেই পারি যে সুন্দরবনের ১২৫ টি ছাড়াও আরো অন্তত কিছু বাঘ টিকে আছে আমাদের সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বা সন্নিহিত প্রতিবেশী দেশের বনে। তবে আমরা গত ৩০-৪০ বছরে যেভাবে আমাদের পার্বত্যাঞ্চল ধ্বংস করেছি তাতে পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে উচ্চস্তরের খাদক এখানে খাদ্যসংকটে ভুগবে। তাই হয়তো বাঘের এখানে স্থায়ীভাবে আবাস গড়ার সুযোগ নেই। তবে অপরিকল্পিত জুমচাষ, বসতি, পাহাড় কাটা, লগিং, পাথর উত্তোলন বন্ধ করা হলে গড়ে উঠবে নিবিড় বনভূমি৷ সেইসাথে মায়া হরিণ, গাউর, সম্বরের সংখ্যাবৃদ্ধি হলে বাঘ হয়তো স্থায়ীভাবেই ফিরে আসবে পার্বত্যাঞ্চলে। (সুন্দরবনের বাইরের বাঘ নিয়ে যার যা কিছু জানাশোনা, ধারণা কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন।)

বাঘ বা রয়েল বেঙ্গল টাইগার পৃথিবীর সুন্দরতম প্রাণী৷ আরো গর্বের ব্যাপার যে এই বাঘের নামকরণ আমাদের নিজস্ব জনপদ বাংলার নামেই। প্রাকৃতিক বনভূমিতে বাঘের অস্তিত্ব একটি দেশের মর্যাদা বাড়িয়ে তুলে বহুগুনে। পৃথিবীতে মাত্র ১০ টি দেশে বাঘ টিকে আছে। আমরা সেই গর্বিত ১০ টি দেশের অন্যতম। আমার আশাবাদ সুন্দরবনের বাইরেও বাঘ একেবারে হারিয়ে যায়নি। তারা আছে হয়তো এবং যদি সত্যিই তা হয় তবে ব্যাপারটা দারুন হবে। এখন অপেক্ষা শুধু প্রামাণ্য দলিলের।

বাঘকে আমরা নিজেদের সিম্বল বানিয়েছি তবে কেন বাঘের প্রতি এত অবহেলা? জানি সবাই আছে যার যার ধান্দায় তবু ফান্ডখোর এনজিও, গতিহীন আমলাতন্ত্র আর নীতিহীন রাজনীতিবিদদের অসুন্দর হৃদয়ের বিষাক্ত প্রঃশ্বাস এড়িয়ে এই সুন্দরতম প্রাণ অনন্তকাল সগৌরবে টিকে থাকুক এই ভূখন্ডে৷ আমাদের বাংলায়। বিশ্ব বাঘ দিবস সফল হোক।

ছবি: অর্ণব রায়
লেখা: অপু নজরুল

দেশে বন্যহাতির অপমৃত্যু সম্পর্কে যতটা আপনারা জানতে পারেন, বাস্তবে সংখ্যাটা কয়েকগুণ বেশি এবং ভয়াবহ। শেরপুরে গভীরগর্ত করে ...
04/07/2026

দেশে বন্যহাতির অপমৃত্যু সম্পর্কে যতটা আপনারা জানতে পারেন, বাস্তবে সংখ্যাটা কয়েকগুণ বেশি এবং ভয়াবহ।

শেরপুরে গভীরগর্ত করে হাতিকে ফেলে দিয়ে খুঁচিয়ে মেরে চাপা দেয়া হয়। অপরদিকে কক্সবাজারের গহীন বনে হাতিকে গুলি করে হত্যা করার প্রবণতা বাড়ছে। কারা করছে এ কাজ, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন Mostafa Yousuf.

পড়েন, জানেন, আওয়াজ তুলেন।



সাভারের ভাকুর্তা এলাকায় উন্মুক্ত স্থানে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে সিসা উৎপাদনের দায়ে তিনটি খোলা ভাট্টির ছয়টি চুল্ল...
02/07/2026

সাভারের ভাকুর্তা এলাকায় উন্মুক্ত স্থানে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে সিসা উৎপাদনের দায়ে তিনটি খোলা ভাট্টির ছয়টি চুল্লি উচ্ছেদ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। বুধবার (১ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখা ও ঢাকা জেলা কার্যালয়ের যৌথ মোবাইল কোর্ট এ অভিযান চালায়। দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র সাভারের নির্জন উন্মুক্ত স্থানে পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা উৎপাদন করে আসছিল। এর ফলে স্থানীয় পরিবেশ বিপর্যয়, মানুষ ও জীববৈচিত্র্য চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছিল।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান এবং উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হোসেন। সাভার থানা পুলিশ অভিযানে আইনগত সহযোগিতা প্রদান করে।

অভিযানকালে নামবিহীন ৩টি খোলা ভাট্টির ৬টি চুল্লি এস্কেভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে কাউকে গ্রেফতার বা জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। কে বা কারা এই অবৈধ কাজ করছে তা তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। তবে আমরা ভাট্টিগুলো সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করেছি। পরবর্তীতে এমন কাজ করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হলো, স্থানীয় কেউ ভয়ে তথ্য দিতে চায় না।

write up: Sohanur Rahman

Address

Deep Ecology And Snake Rescue Foundation
Dhaka
1342

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deep Ecology and Snake Conservation Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Deep Ecology and Snake Conservation Foundation:

Shortcuts

Share