বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র

বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র, Nonprofit Organization, 22/1 topkhana, Dhaka.

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!ইরান-ফিলিস্তিনসহ দেশে দেশে চলমানসাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধেপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানে-     ...
11/04/2026

শুভ নববর্ষ ১৪৩৩!

ইরান-ফিলিস্তিনসহ দেশে দেশে চলমান
সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে
প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানে-

'যুদ্ধবিরোধী
গান-কবিতায় বর্ষবরণ'

১লা বৈশাখ, ১৪৩৩। ১৪ এপ্রিল ২০২৬
সকাল ১০টা, হাকিম চত্বর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

উদ্যোগে:

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কোরাস • Chorus, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট।

 #সংবাদ_বিজ্ঞপ্তিনারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ, বক্তব্য প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত ...
02/04/2026

#সংবাদ_বিজ্ঞপ্তি
নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ, বক্তব্য প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সীমা দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী এক যৌথ বিবৃতিতে নারী সংসদ সদস্যদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া সদর ৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা ২ জন নারী সংসদ সদস্য সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, তা শুধু নারীদের প্রতি চরম অবমাননাই নয় বরং ধৃষ্টতার সামিল। তার এই বক্তব্য দেশের নারীসমাজকে নিকৃষ্ট ভোগবাদী দৃষ্টিতে দেখার চিন্তারই প্রকাশ ঘটিয়েছে। নারীকে মানুষ হিসাবে মর্যাদা দিতে ব্যর্থ এই রাষ্ট্র এবং তার সরকার। তাই সংসদের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সদস্য হয়ে নারী সাংসদদের নিয়ে এই ধরণের হীন ও নোংরা বক্তব্য দিতে পেরেছেন যা অত্যন্ত উগ্র নারী বিদ্বেষী। সমাজে নারীর অবদানকে অবমূল্যায়ন করে প্রকাশ্যে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া সংবিধানস্বীকৃত সমতা, মানবাধিকার, নারী মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের চরম পরিপন্থী।

আমরা দৃঢ়ভাবে মনে করি, এ ধরনের বক্তব্য নারীর প্রতি ঘৃণা, বৈষম্য ও সহিংসতার সংস্কৃতিকে ভীষণভাবে উসকে দিবে। নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কর্মপরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলবে। একজন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অবিলম্বে মুফতি আমির হামজাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নারী সমাজের প্রতি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।”

বার্তা প্রেরক—
সাদিয়া নোশিন তাসনিম
০১৭৩৭-৭২৬৮৫৪

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র-এর শ্রদ্ধা নিবেদন। ২৬ মার্চ, ২০২৬জাতীয় স্মৃতি...
26/03/2026

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র-এর শ্রদ্ধা নিবেদন।

২৬ মার্চ, ২০২৬
জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সাভার

৯ মার্চ ২০২৬চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ইকোপার্কে শিশু ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার শিকার ইরার পরিবার ও গ্রামবাসীর সাথে বাং...
09/03/2026

৯ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ইকোপার্কে শিশু ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার শিকার ইরার পরিবার ও গ্রামবাসীর সাথে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ এবং সীতাকুন্ড থানা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়।

আজ ৯ মার্চ, ২০২৬, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম এর সীতাকুণ্ড উপজেলার ছোট কুমিরার মাস্টার পাড়ায় ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার শিকার শিশু ইরার পরিবার ও গ্রামবাসীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম ফোরকান আবু এবং সাধারণ সম্পাদক কাইয়ুম চৌধুরীসহ উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি, চট্টগ্রাম জেলার আহ্বায়ক আসমা আক্তার, সদস্য রিপা মজুমদার, ছাত্র প্রতিনিধি তারমিন তিশা, নীতিশ নাথ । তারা ইরার পরিবার ও গ্রামবাসীর সাথে সাক্ষাৎ ও নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে ইরার বাবা-মায়ের পাশে থাকার অঙ্গিকার করেন।

মতবিনিময় কালে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শিশু ইরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত আসামীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সীতাকুন্ড ইকোপার্কে বেড়াতে এসে সাধারণ মানুষ ছিনতাই, নারীর যৌন হয়রানি, খুন হওয়ার ঘটনা ইতোপূর্বেও ঘটেছে। একটি বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানান তারা।

বার্তা প্রেরক
সাদিয়া নোশিন তাসনিম
দপ্তর সম্পাদক
+8801737726854

 #আন্তজাতিক_নারী_দিবস_পালননারীর মর্যাদা ও সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করা এবং  নারীর উপর সকল প্রকার বৈষম্য, ন...
09/03/2026

#আন্তজাতিক_নারী_দিবস_পালন

নারীর মর্যাদা ও সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করা এবং নারীর উপর সকল প্রকার বৈষম্য, নিপীড়ন, নির্যাতন, ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রে'র উদ্যোগে ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাইবান্ধা ও নোয়াখালীতে কর্মসূচী পালিত হয়েছে।

নারীর মর্যাদা ও সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করা এবং  নারীর উপর সকল প্রকার বৈষম্য, নিপীড়ন, নির্যাতন, ধর্ষণ-গণধ...
09/03/2026

নারীর মর্যাদা ও সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করা এবং নারীর উপর সকল প্রকার বৈষম্য, নিপীড়ন, নির্যাতন, ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রে' এর উদ্যোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরবাটায় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আলোচনা করেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় সভাপতি সীমা দত্ত, বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা সমন্বয়ক বিটুল তালুকদার। সভা পরিচালনা করেন নারীমুক্তি কেন্দ্রের সুবর্ণচর উপজেলা সংগঠক বৈশাখী তালুকদার।
আলোচনা সভা শেষে নৃত্য, গান ও অভিনয় পরিবেশিত হয়।

৯ মার্চ, ২০২৬
চরবাটা, সুবর্ণচর, নোয়াখালী।

নারীর মর্যাদা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে বেগবান করা ও শক্তিশালী নারী আন্দোলন  গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে  বাংলাদেশ  নারীম...
08/03/2026

নারীর মর্যাদা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে বেগবান করা ও শক্তিশালী নারী আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের উদ্দ্যোগে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত।
আজ সকাল ১১.৩০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি সীমা দত্তের সভাপতিত্বে ও অর্থ সম্পাদক তৌফিকা দেওয়ান লিজার পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুস্মিতা রায় সুপ্তি,সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রগতি বর্মণ তমা প্রমুখ।

বক্তাগণ বলেন, "১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ নিউইয়র্কের সুতা কারখানায় নারী আন্দোলনের সূচনা হয়।নির্দিষ্ট শ্রমঘণ্টা,নিরাপদ কর্মপরিবেশ,সমমজুরীর দাবিতে সেদিন হাজার হাজার নারীর মিছিলে পুলিশ নৃশংস হামলা চালায়। ভোটাধিকারের দাবী সহ এই আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে দেশে দেশে। পরবর্তীতে ১৯১০ সালের ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সমাজতান্ত্রিক নারী নেত্রী ক্লারা জেৎকিন ৮ মার্চ নারী দিবস ঘোষণার প্রস্তাব করেন এবং তা গৃহীত হয়।"
বক্তাগণ আরও বলেন, " সমাজ -রাষ্ট্রে নারী - পুরুষের সমঅধিকার-সমমর্যাদা আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।নারী - শিশু নিপীড়ন, ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যার ঘটনা দেশে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আইনের শাসন নিশ্চিত না হওয়ায় কোন ঘটনায় ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পান না।এ পরিস্থিতি সমাজে অপরাধ প্রবণতা বাড়িয়েছে।পাশাপাশি সমাজ- রাষ্ট্রের দিক থেকে নারীর প্রতি সম্মানজনক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার, সমান সুযোগ নিয়ে গড়ে উঠার আয়োজন নেই। অনলাইনে নারীর প্রতি সাইবার বুলিং ও হয়রানি রোধে প্রশাসনের কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেই। এ পরিস্থিতি নারীর এগিয়ে যাওয়ার পথ রূদ্ধ করছে। অতি সম্প্রতি সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে এক ছাত্রীকে অচেতন করে ক্যাম্পাসের বড় ভাইদের দ্বারা নিপীড়ন, গণধর্ষণের ঘটনা আমাদের সামনে এসেছে। ভুক্তভোগী ন্যায়বিচারের আশায় ঘুরছেন কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সহ আইনী প্রক্রিয়া কোথাও সহযোগিতা পাচ্ছেন না।আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করছি।"
বক্তাগণ বলেন, "নারীমুক্তির লড়াই সমাজের বৈষম্য নিরসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ।ফলে নারী- পুরুষ নির্বিশেষে এ লড়াইয়ে অংশগ্রহণ ও আন্দোলন গড়ে তোলা অপরিহার্য। মনুষ্যত্ব- মর্যাদা রক্ষার্থে এ লড়াইয়ে সকলকে আমরা আহ্বান জানাই। "
আমাদের দাবীসমূহ :
১. ইতোপূর্বে ঘটে যাওয়া সকল নারী ও শিশু নিপীড়ন,ধর্ষণ,গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে ।
২. সংসদে নারী আসনের সংখ্যা ১০০-তে উন্নীত করা ও সরাসরি নির্বাচনের বিধান করা।
৩. ‘ইউনিফরম সিভিল কোড’ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ পারিবারিক আদালত চালু করা। সংরক্ষণ প্রত্যাহারসহ সিডও সনদ বাস্তবায়ন করা। কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমমজুরি ও সর্বক্ষেত্রে নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করা।
৪. ফতোয়াবাজীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নেয়া।
৫. নারী ও শিশু পাচারকারী এবং নারীদের পতিতাবৃত্তিতে নিয়োগকারী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান কর। আর্থিক কারণে পতিতাবৃত্তিতে যুক্ত নারীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা কর।
৬. নাটক- সিনেমা- সাহিত্য - বিজ্ঞাপন, ওয়াজ- নসিহতে নারীদের অশ্লীল উপস্থাপনা ও তাদের সম্পর্কে অসম্মানজনক উক্তি বন্ধ করতে হবে।
৭. প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই সঙ্গীত-নাটক-নৃত্য-চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলার আয়োজন কর। মনীষী জীবনচর্চাসহ সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ নিশ্চিত কর।
৮. মাদক ও জুয়া বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৯. প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত কর। প্রবাসে বাংলাদেশের দূতাবাসকে শ্রমিক বান্ধব কর, শ্রমিকদের সকল রকম সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ কর ।
১০. গৃহপরিচারিকাদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। তাদের ন্যূনতম মজুরি ও সাপ্তাহিক ছুটি নিশ্চিত করতে হবে।
১১. সকল শ্রেণির পেশাজীবী নারীদের গর্ভকালীন সময়ে ৬ মাস বেতনসহ ছুটি নিশ্চিত কর।
১২. নারীকে গৃহস্থালী শ্রম থেকে মুক্ত করা এবং কর্মক্ষেত্রে ডে কেয়ার সেন্টার চালু কর।
১৩. শহর এলাকায় নারীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ কর।
১৪. গণপরিবহণে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত কর।
বার্তাপ্রেরক
সাদিয়া নোশিন তাসনিম
দপ্তর সম্পাদক
০১৭৩৭৭২৬৮৫৪

নারীর  মর্যাদা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বানে ৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশ ন...
08/03/2026

নারীর মর্যাদা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বানে ৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র, গাইবান্ধা জেলার সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র, গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আজ বেলা ১২ টায় ১নং রেলগেটে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের জেলা সভাপতি সুভাসিনী দেবীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী,স্কুল শিক্ষিকা নিশাত পারভীন বর্না, মাসুদা আক্তার,কলি রানী,আশরাফি আশা প্রমুখ। বক্তাগন বলেন ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ নিউইয়র্কের সুতা কারখানায় নারী আন্দোলনের সুচনা হয়।প্রেক্ষাপট ছিল মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা, অমানবিক- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং ভোটাধিকারের দাবী। সেদিন হাজার হাজার নারীর মিছিলে পুলিশ নৃশংস হামলা চালায় এতে আহত ও নিহত,গ্রেফতার হন অসংখ্য নারী শ্রমিক। এই আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে দেশে দেশে। পরবর্তী তে ১৯১০ সালের ডেনমার্কে কোপেনহেগেনে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সমাজতান্ত্রিক নারী নেত্রী ক্লারা জেৎকিন ৮ মার্চ নারী দিবস ঘোষণার প্রস্তাব করেন এবং তা গৃহীত হয়। বক্তাগন আরও বলেন নারী দিবস উদযাপন হচ্ছে কিন্তু নারী আজও তার মর্যাদা -সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। তাই নারী দিবসের চেতনাকে ধারন করে নারীর সমঅধিকার ও মর্যাদা এবং বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণে সমাজতান্ত্রিক তথা সাম্যবাদী চেতনায় এগিয়ে নিতে আহবান জানান।বক্তাগন সারা দেশে মব ভায়োলেন্স - সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সারাদেশে অব্যাহত নারী-শিশু নির্যাতন ধর্ষণ, হত্যা বন্ধ করা এবং দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নিশ্চিত করা। সামাজিক অবক্ষয় রোধে অপসংস্কৃতি - অশ্লীলতা,মাদক -জুয়া, নারী-শিশু নির্যাতন -ধর্ষণ, পর্নোগ্রাফি বন্ধ সহ কুসংস্কার -সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। সেই সাথে ক্ষেতে খামারে, হোটেলসহ বিভিন্ন জায়গায় নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য কমানোর দাবি জানান।নেতৃবৃন্দ ইরানে মার্কিন ও ইজরায়েলের যৌথ বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

08/03/2026

নারীর মর্যাদা ও সমানাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করা এবং নারীর উপর সকল প্রকার বৈষম্য, নিপীড়ন, নির্যাতন, ধর্ষণ-গণধর্ষণ, হত্যা বন্ধে আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র’-এর মিছিল ও সমাবেশ চলছে

৮ মার্চ, ২০২৬
জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা

আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করুন।
07/03/2026

আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করুন।

05/03/2026

নির্বাচন ও তার পরবর্তী সময়ে দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা ও নানা আক্রমণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বাসদ (মার্কসবাদী) দলের ১০ জন নারী সংসদ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবিসমূহ!

৫ মার্চ ২০২৬
সাগর-রুনী মিলনায়তন,
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি

Address

22/1 Topkhana
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share