18/02/2025
প্রিয় সুহৃদ,
শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।
আমাদের ভালবাসার হোম বিক্রি হতে পারেনা।
তাই সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, উদ্ভুত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বিগত ৭ মাস প্রচেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু সমঝোথার পথ বন্ধ করে বরং সংঘাতের উস্কানি দিয়ে প্রথমে খুলনা অতপর রণসাজে গোপালগঞ্জ জোটবদ্ধ প্রথম আক্রমন করা হয় আমাদের ছোট ভাই বিন্যামীন মজুমদারকে। মারতে মারতে অঙ্ঘান, মুঠোফোন ও পকেট থেকে নগদ আট হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তার ছোট চা নাস্তার দোকানটি লুটপাট করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তার বড় ভাই সুকলাল মজুমদার সহ স্থানীয় খ্রীষ্টান দের খবর দিলে ২য় সংঘর্ষটি শুরু হয়। এ পর্যায়ের আক্রমণকারী শ্যামল, দানিয়েল ও অপু প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়। আর নাটেরগুরু গুরু বালা মহাশয় ভোল পাল্টে সবার সাথে মিশে শ্যামলকে ধাওয়া দিলে একটি রুমে ভিতর থেকে আটকে দেয়। এইসময় আমি বেদগ্রাম চার্চে সেবক সমিতির সভায় ছিলাম। মোবাইল বন্ধ থাকায় বন্ধুরুপী মিটুল বালা সভায় এসে আমার কানে কানে বলে শ্যামলকে আটকে রেখেছে। আমি তার কথার কোন উত্তর না দিয়ে সভায় মনোযোগী হই। বেশ খানিককাল সময় পরে গোপালগঞ্জ ডগলাস মেমেোরিয়াল হোমের ভিতর ঢুকে দেখি একটি ঘরে শ্যামল ভিতর থেকে বদ্ধ অবস্থায় আছে আর দরজার বাইরে অধিকাংশ অপরিচিত বিভিন্ন বয়সী দশ বার জন উত্তেজিত হয়ে দাড়িয়ে আছে। আরো দশ বারজন অধিকাংশ পরিচিত দুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দাড়িয়ে ছিল। আমি জানলা দিয়ে উকি মারার সাথে সাথে কমবয়সী তিনচার জন ছেলে চিৎকার করে বলে আগুন জ্বালিয়ে দে। আগুন দিতে নিষেধ করা সত্বেও একজনকে দেখলাম আগুন স্পার্ক করল আর সঙ্গে সঙ্গে শ্যামলের গায়ে আগুন জ্বলতে থাকে। দেখলাম ভিরের মধ্যে সেই ছেলেটি হারিয়ে গেল। আমি বিপদ বুঝতে পেরে শ্যামলকে ছিটকানী খুলতে চিৎকার করি ও অতপর পুকুরে ঝাপ দিতে বলি।
কী সেলুকাস আসামীর তালিকায় ঐ অচেনা ছেলেটির নাম নেই!
যাদের নাম আছে তাদের অধিকাংশ ওখানে ছিল না। বাকীটুকু আইও সাহেবকে জানিয়েছি।
এমতাবস্থায় বিশ্ব মুক্তিবাণী সংস্থাকে গনমূখী, জন কল্যাণ মুলক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে
নিম্নলিখিত উপদেষ্টা পরিষদ ঘোষণা করা হলো ,
প্রধান উপদেষ্টা
মিসেস মার্গারেট লক্ষ্মী বাড়ৈ
উপদেষ্টা পরিষদ
১. রেভা: আশীষ অধিকারী
( পালক, এজি চার্চ, চট্রগ্রাম)
২. প্রফেসর ডাঃ আবুল হাসনাত ( মিল্টন)
৩. মোঃ বেলাল হোসেন, যুগ্ম সচিব,
রোডস এন্ড হাই ওয়ে।
৪. ইন্জিনিয়ার কাজী হাবিবুল হোসেন টিটু
৫. এডভোকেট গীতা ভদ্র, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, জজ কোর্ট, গোপালগঞ্জ।
৬. এলিযাবেথ বাড়ৈ
৭.ডা: প্রদীপ বিশ্বাস, প্রফেসর ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ।
অতি শীঘ্রই কার্যনির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ পরিষদ, উপদেষ্টা পরিষদ জানিয়ে দিবেন।
সবাইকে ধৈর্য ধরে শান্ত থাকেতে অনুরোধ সহ প্রার্থনা করতে আহবান করা হলো।
ধন্যবাদ।