UITS Islamic Pioneer's

Directions Website Contact the organization

UITS Islamic Pioneer's “অবশ্যই রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ” [সূরা আল-আহযাব, ২১]

চলছে ইসলামি বইমেলা, বিস্তারিত পড়ুন (কমেন্টে দ্রষ্টব্য) :◧ আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা প্রতিযোগিতা ২০২৬ ◧পবিত্র রবিউল আউয়া...
19/09/2026

চলছে ইসলামি বইমেলা, বিস্তারিত পড়ুন (কমেন্টে দ্রষ্টব্য) :
◧ আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা প্রতিযোগিতা ২০২৬ ◧

পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা ২০২৬–এর পক্ষ থেকে প্রকাশকদের উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছে এবারের বইমেলার অন্যতম বৃহৎ আয়োজন “আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা প্রতিযোগিতা ২০২৬”।

বইমেলার এই মিলনমেলায় নিজে অংশগ্রহণ করুন; বন্ধু-বান্ধব ও অন্যদেরও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করুন।

◧ প্রতিযোগিতার সেগমেন্টসমূহ :

১. ফটোগ্রাফি সেগমেন্ট : বইমেলার স্টলসমূহের ফটোগ্রাফি
২. ভিডিওগ্রাফি সেগমেন্ট : বইমেলার স্টলসমূহের ভিডিওগ্রাফি
৩. বইছবি : নতুন প্রকাশিত বই বা মানসম্মত বইয়ের ফটোগ্রাফি
৪. শর্ট রিভিউ সেগমেন্ট : নতুন প্রকাশিত বই বা মানসম্মত বইয়ের শর্ট রিভিউ
৫. কোটেশন সেগমেন্ট : নতুন প্রকাশিত বা মানসম্মত বইয়ের সেরা উক্তিসমূহ
৬. বইমেলা সেগমেন্ট : বইমেলা ২০২৬ নিয়ে অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা প্রকাশ

🏆 পুরস্কার :

প্রতিটি সেগমেন্ট থেকে তিনজন করে বিজয়ী নির্বাচিত হবেন। প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর পুরস্কার হিসেবে থাকছে সর্বশেষ প্রকাশিত বই, ইসলামিক ম্যাগাজিন, প্রিমিয়াম বুকমার্ক ও বিশেষ উপহার।

বিজয়ীদের জন্য এই পুরস্কারগুলো আমাদের আয়োজনকে আরও আনন্দময় ও স্মরণীয় করে তুলবে ইনশাআল্লাহ।

📊 ফলাফল নির্ধারণ :

প্রতিটি প্রতিযোগিতামূলক পোস্ট মোট ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। পোস্টের রিঅ্যাক্ট ও কমেন্টের ভিত্তিতে থাকবে ৩০ নম্বর এবং বিচারকমণ্ডলীর সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে থাকবে ৭০ নম্বর।

একজন প্রতিযোগী একই সেগমেন্টে একাধিক পোস্ট করলে প্রতিটি পোস্ট আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে। বিজয়ী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত পোস্টটি বিবেচনা করা হবে।

প্রতিযোগিতার ফলাফল নির্ধারণে বিচারকমণ্ডলীর মূল্যায়ন ও সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। ফলাফল প্রকাশের পর বিচারকার্য, নম্বর প্রদান কিংবা বিজয়ী নির্বাচন নিয়ে বিচারকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি বা দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না।

⏳ প্রতিযোগিতার সময়সীমা :

প্রতিযোগিতা শুরু : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
প্রতিযোগিতা শেষ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, রাত ১২:০০টা।

📌 অংশগ্রহণের নিয়মসমূহ :

১. প্রথমেই এই অ্যানাউন্সমেন্ট পোস্টের কমেন্টবক্সে আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে ১০ জন বন্ধুকে মেনশন করতে হবে এবং পোস্টটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করতে হবে।

২. প্রতিযোগিতার ছবি, ভিডিও, রিভিউ, কোটেশন বা লেখা ইসলামী বইমেলার অফিসিয়াল ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করতে হবে। প্রতিটি পোস্টের ক্যাপশনের শেষে সংশ্লিষ্ট সেগমেন্টের জন্য নির্ধারিত হ্যাশট্যাগগুলো অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

গ্রুপ লিংক:
https://facebook.com/groups/nationalislamicbookfair/

৩. প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া প্রতিটি পোস্টের কমেন্টবক্সে নিজের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে অন্তত ৫ জন বন্ধুকে মেনশন করতে হবে। একই সঙ্গে গ্রুপে করা প্রতিটি প্রতিযোগিতামূলক পোস্ট নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করতে হবে।

উল্লেখ্য, যাদের ফেসবুক প্রোফাইল Public, তারা পোস্টটি Public করে শেয়ার করবেন। আর যাদের প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিংসের কারণে Public করে শেয়ার করা সম্ভব নয়, তারা নিজেদের আইডিতে স্বাভাবিকভাবেই পোস্টটি শেয়ার করবেন এবং শেয়ার করার প্রমাণ হিসেবে একটি স্ক্রিনশট সংশ্লিষ্ট প্রতিযোগিতামূলক পোস্টের কমেন্টবক্সে দিয়ে দেবেন।

অর্থাৎ, একজন প্রতিযোগী যদি ৫টি আলাদা পোস্টের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন, তাহলে ৫টি পোস্টের প্রতিটিতেই আলাদাভাবে অন্তত ৫ জনকে মেনশন করতে হবে এবং প্রতিটি পোস্টই নিজের টাইমলাইনে শেয়ার করতে হবে। প্রাইভেট প্রোফাইলের ক্ষেত্রে প্রতিটি শেয়ারের স্ক্রিনশট সংশ্লিষ্ট পোস্টের কমেন্টে দিতে হবে। একটি পোস্টে মেনশন বা শেয়ার সম্পন্ন করলে তা অন্য পোস্টের জন্য প্রযোজ্য হবে না।

৪. বইমেলা সম্পর্কিত ছবি ও ভিডিও অবশ্যই আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা ২০২৬ থেকে ধারণ করা হতে হবে। পূর্ববর্তী বছরের বইমেলার ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করা যাবে না। ছবি ও ভিডিও অবশ্যই প্রতিযোগীর নিজের ধারণ করা হতে হবে। অন্যের ছবি বা ভিডিও নিজের নামে জমা দিলে সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণ বাতিল বলে গণ্য হবে।

৫. যেকোনো পাঠক এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। একজন প্রতিযোগী চাইলে একাধিক সেগমেন্টে এবং একই সেগমেন্টে একাধিক আলাদা পোস্টের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে একই কনটেন্ট বা একই পোস্ট দ্বিতীয়বার জমা দেওয়া যাবে না।

◧ সেগমেন্টসমূহের বিস্তারিত নিয়ম :

🟨 ফটোগ্রাফি সেগমেন্ট : বইমেলার স্টলসমূহের ফটোগ্রাফি

আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা ২০২৬–এ রয়েছে প্রায় ১৪২টি দেশি-বিদেশি স্টল। কোনো কোনো প্রকাশনীর একাধিক স্টল রয়েছে। এসব স্টলের মধ্য থেকে আপনার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও মনোমুগ্ধকর স্টল বা স্টলসমূহ বেছে নিয়ে নিজের ফটোগ্রাফির মাধ্যমে সেগুলোর সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলুন।

ছবি অবশ্যই প্রতিযোগীর নিজের তোলা হতে হবে। একজন প্রতিযোগী এক পোস্টে সর্বোচ্চ ৪টি ছবি পোস্ট করতে পারবেন।

আপনি চাইলে আপনার ছবিতে নিজস্ব নাম বা ওয়াটারমার্ক ব্যবহার করতে পারেন, যেন পরবর্তীতে অন্য কেউ আপনার ছবি নিজের বলে ব্যবহার করতে না পারে। তবে ওয়াটারমার্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়।

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক :

#ইসলামি_বইমেলা_প্রতিযোগিতা_২০২৬
#ইসলামি_বইমেলা_স্টল_ফটোগ্রাফি_২০২৬

🟨 ভিডিওগ্রাফি সেগমেন্ট : বইমেলার স্টলসমূহের ভিডিওগ্রাফি

বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে বইমেলায় আপনার পছন্দের স্টল বা স্টলসমূহের ভিডিও ধারণ করে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করুন। ভিডিওতে চাইলে নিজের কণ্ঠে কথা বলতে পারবেন। পাশাপাশি মিউজিকমুক্ত উপযোগী ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড বা নাশীদ ব্যবহার করা যাবে।

ভিডিওর মূল ফুটেজ অবশ্যই প্রতিযোগীর নিজের ধারণ করা হতে হবে। অন্যের ধারণ করা ভিডিও নিজের নামে প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া যাবে না।

আপনি চাইলে ভিডিওতে নিজস্ব নাম বা ওয়াটারমার্ক ব্যবহার করতে পারেন, যেন পরবর্তীতে অন্য কেউ আপনার ভিডিও নিজের বলে ব্যবহার করতে না পারে। তবে ওয়াটারমার্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়।

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক :

#ইসলামি_বইমেলা_প্রতিযোগিতা_২০২৬
#ইসলামি_বইমেলা_স্টল_ভিডিওগ্রাফি_২০২৬

🟨 বইছবি সেগমেন্ট : নতুন প্রকাশিত বই বা মানসম্মত বইয়ের ফটোগ্রাফি

বইমেলায় এবারে প্রকাশিত নতুন বই অথবা যেকোনো মানসম্মত বইয়ের মনোরম ও সৃজনশীল ছবি তুলে পোস্ট করতে পারবেন।

ছবি অবশ্যই প্রতিযোগীর নিজের তোলা হতে হবে। ছবির সঙ্গে অন্তত ২–৩ বাক্যের একটি সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক ক্যাপশন দিতে হবে। সম্ভব হলে বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অন্তত একটি বাক্য এবং বইটি সম্পর্কে আপনার অনুভূতি, ভালো লাগা অথবা বইটি সংগ্রহের কারণ সংক্ষেপে উল্লেখ করবেন।

আপনি চাইলে আপনার ছবিতে নিজস্ব নাম বা ওয়াটারমার্ক ব্যবহার করতে পারেন, যেন পরবর্তীতে অন্য কেউ আপনার ছবি নিজের বলে ব্যবহার করতে না পারে। তবে ওয়াটারমার্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়।

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক :

#ইসলামি_বইমেলা_প্রতিযোগিতা_২০২৬
#ইসলামি_বইমেলা_বইয়ের_ফটোগ্রাফি_২০২৬

🟨 শর্ট রিভিউ সেগমেন্ট : নতুন প্রকাশিত বই বা মানসম্মত বইয়ের শর্ট রিভিউ

বইমেলায় নতুন প্রকাশিত অথবা পূর্বে প্রকাশিত মানসম্মত যেকোনো বই পড়ে নিজের পাঠ-অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধির ভিত্তিতে সংক্ষিপ্ত রিভিউ লিখে পোস্ট করতে পারবেন।

রিভিউতে সংক্ষেপে বইটির বিষয়বস্তু, বইটির উল্লেখযোগ্য বা মৌলিক দিক, আপনার কাছে ভালো লাগা বা গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়া বিষয়, আপনার দৃষ্টিতে বইটি পড়ার প্রয়োজনীয়তা এবং সবশেষে নিজের রেটিং উল্লেখ করবেন।

রিভিউ অবশ্যই প্রতিযোগীর নিজের পড়া, উপলব্ধি ও নিজস্ব ভাষায় মৌলিকভাবে লেখা হতে হবে। পূর্বে অন্য কোথাও প্রকাশিত অন্যের রিভিউ কপি করা, অন্যের লেখা নিজের নামে ব্যবহার করা অথবা এআই দিয়ে সম্পূর্ণ রিভিউ তৈরি করে প্রতিযোগিতায় জমা দেওয়া যাবে না।

প্রয়োজনে কোনো রিভিউয়ের মৌলিকতা অথবা প্রতিযোগীর বইটি পাঠের বিষয়টি যাচাই করার অধিকার আয়োজক কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করবে।

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক :

#ইসলামি_বইমেলা_প্রতিযোগিতা_২০২৬
#ইসলামি_বইমেলা_বইয়ের_রিভিউ_২০২৬

🟨 কোটেশন সেগমেন্ট : নতুন প্রকাশিত বা মানসম্মত বইয়ের সেরা উক্তিসমূহ

নতুন প্রকাশিত অথবা মানসম্মত যেকোনো বই থেকে আপনার পছন্দের সবচেয়ে সুন্দর, গুরুত্বপূর্ণ বা হৃদয়স্পর্শী উক্তি বা কথাগুলো নির্বাচন করে পোস্ট করুন।

উক্তি ন্যূনতম দুই বাক্য এবং সর্বোচ্চ ১০ বাক্যের মধ্যে হতে হবে। প্রতিটি উক্তি অবশ্যই উদ্ধৃতি চিহ্ন (“...”) ব্যবহার করে লিখতে হবে।

এক পোস্টে সর্বোচ্চ ৫টি উক্তি দেওয়া যাবে। একই বই থেকে ভিন্ন উক্তি নিয়ে একাধিক আলাদা পোস্ট করা যাবে।

প্রতিটি পোস্টে অবশ্যই বইয়ের নাম, লেখকের নাম ও প্রকাশনীর নাম উল্লেখ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট বইয়ের অন্তত একটি ছবি যুক্ত করতে হবে।

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক :

#ইসলামি_বইমেলা_প্রতিযোগিতা_২০২৬
#ইসলামি_বইমেলা_বইয়ের_উক্তি_সমূহ_২০২৬

🟨 বইমেলা সেগমেন্ট : বইমেলা ২০২৬ নিয়ে অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা ২০২৬ নিয়ে আপনার আবেগ, অনুভূতি, স্মৃতি, ছোটগল্প, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কিংবা মেলার আয়োজন ও উদ্যোগ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা লিখে প্রকাশ করুন। নিজের দেখা ও অনুভব করা বইমেলাকে নিজের ভাষায় সুন্দরভাবে তুলে ধরুন।

পোস্টে কমপক্ষে ১০টি বাক্য থাকতে হবে। লেখা বড় হলে অবশ্যই সুন্দরভাবে প্যারাগ্রাফে ভাগ করে লিখবেন এবং প্রতিটি প্যারাগ্রাফ সর্বোচ্চ ৮০–১০০ শব্দের মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন।

পোস্টের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা ২০২৬-এর অন্তত একটি ছবি অবশ্যই যুক্ত করতে হবে।

হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক :

#ইসলামি_বইমেলা_প্রতিযোগিতা_২০২৬
#ইসলামি_বইমেলা_ও_আমার_অনুভুতি_২০২৬

প্রতিযোগিতা সংশ্লিষ্ট যেকোনো প্রশ্ন, জিজ্ঞাসা বা সমস্যায় সরাসরি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এই পোস্টের কমেন্টে প্রশ্ন করতে পারেন অথবা সরাসরি ইসলামী বইমেলা পেইজে মেসেজ দিতে পারেন।

আল্লাহ আমাদের সকলের প্রচেষ্টা এবং ইসলামী বইমেলার এই আয়োজনকে কবুল করুন। আমীন।

We are delighted to announce that UITS Islamic Pioneers (UITSIP) has officially partnered as a Community Partner with EW...
18/09/2026

We are delighted to announce that UITS Islamic Pioneers (UITSIP) has officially partnered as a Community Partner with EWU Islamic Community (EWUIC) for the 𝐒𝐄𝐄𝐑𝐀𝐇 𝐈𝐍𝐒𝐈𝐆𝐇𝐓𝐒 𝐂𝐇𝐀𝐋𝐋𝐄𝐍𝐆𝐄 𝟐𝟎𝟐𝟔 — an engaging 𝐈𝐧𝐭𝐞𝐫-𝐔𝐧𝐢𝐯𝐞𝐫𝐬𝐢𝐭𝐲 𝐂𝐚𝐬𝐞-𝐒𝐨𝐥𝐯𝐢𝐧𝐠 𝐂𝐨𝐦𝐩𝐞𝐭𝐢𝐭𝐢𝐨𝐧 that invites students to explore the life, leadership, wisdom, and timeless lessons from the Seerah of Prophet Muhammad ﷺ through a practical and analytical lens.

As part of this collaboration, UITS students and UITSiP followers registering through the UITSiP promo code can enjoy an exclusive 𝟐𝟎% 𝐃𝐈𝐒𝐂𝐎𝐔𝐍𝐓 on the team registration fee.

🎟️ Promo Code: UITSIP20

💰 Discounted Fee: BDT 200 per team
Original Fee: BDT 250

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 𝐊𝐄𝐘 𝐃𝐄𝐓𝐀𝐈𝐋𝐒

👥 𝐄𝐋𝐈𝐆𝐈𝐁𝐈𝐋𝐈𝐓𝐘 & 𝐓𝐄𝐀𝐌 𝐂𝐑𝐈𝐓𝐄𝐑𝐈𝐀

• Open to undergraduate and graduate students from any university in Bangladesh.
• Each team must consist of 2–3 members.
• Cross-university teams are welcome.
• Gender Policy: Teams must be all-male or all-female. Mixed-gender teams are not permitted.

📚 𝐒𝐘𝐋𝐋𝐀𝐁𝐔𝐒: Open Book

No fixed textbook or rigid syllabus.

🗓️ 𝐑𝐄𝐆𝐈𝐒𝐓𝐑𝐀𝐓𝐈𝐎𝐍 𝐃𝐄𝐀𝐃𝐋𝐈𝐍𝐄: 25 September 2026

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

⏰ 𝐄𝐕𝐄𝐍𝐓 𝐓𝐈𝐌𝐄𝐋𝐈𝐍𝐄

1️⃣ Training Workshop
Last week of September 2026 | Online

2️⃣ Preliminary Round
1st week of October 2026 | Online

3️⃣ Final Round
2nd week of October 2026 | Offline

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🏆 𝐏𝐑𝐈𝐙𝐄𝐒 & 𝐑𝐄𝐖𝐀𝐑𝐃𝐒

🥇 Champions: Gifts worth BDT 16,000

🥈 1st Runner-Up: Gifts worth BDT 10,000

🥉 2nd Runner-Up: Gifts worth BDT 6,000

🏅 4th & 5th Teams: Gifts worth BDT 2,000 each

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

𝐇𝐎𝐖 𝐓𝐎 𝐑𝐄𝐆𝐈𝐒𝐓𝐄𝐑

1️⃣ Visit the registration page — link in the comment box.

2️⃣ Fill in your team information.

3️⃣ Enter the promo code UITSIP20 at checkout to receive your 20% discount.

Bring together your teammates, sharpen your analytical thinking, and explore how the timeless lessons of the Seerah of Rasulullah ﷺ can be understood and applied to real-world challenges.

Register now and take the challenge with UITSIP.

জীবনে প্রথমবার কবরে নামার অভিজ্ঞতা ছিল শিক্ষামূলক এবং ভীতিজাগানিয়া। এর আগেও কবর দেয়া দেখেছি, কবরের সামনে দাঁড়িয়েছি। কবরক...
27/07/2026

জীবনে প্রথমবার কবরে নামার অভিজ্ঞতা ছিল শিক্ষামূলক এবং ভীতিজাগানিয়া।
এর আগেও কবর দেয়া দেখেছি, কবরের সামনে দাঁড়িয়েছি। কবরকে কখনো এতটা গভীর মনে হয় নাই। আজকে কবরে নেমে মনে হল, যেন মাটির নীচের অন্য এক জগতে চলে এসেছি। অনেক নীরব, একাকী, ভিন্ন এক জগত।
কবরে মাইয়্যেত কে নামানোর পর তো খারাপ লাগেই, কিন্তু মাটি দেয়া শুরু করার পর খারাপ লাগাটা আরো অনেক তীব্র হয়।
ধীরে ধীরে মাটি দেয়া শুরু করলে মনে হয়, মাইয়্যেতের সাথে এখন আর কোনো কানেকশনের সুযোগ নেই। আর কখনো এই ব্যক্তির চেহারা দেখা হবে না, ধরে দেখা হবে না। লোকটা দুনিয়ার সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। এভাবে একসময় মাটিটা সমান হয়ে যায়। যেন কিছুই নেই ভেতরে। জমিন তাকে গিলে নিয়েছে। দুনিয়াটা যেন আগের মতো হয়ে গেল, সব ঠিকঠাক। শুধু একজনকে ছাড়া।
এরকম একটা অবস্থা আমাদেরও হবে। দুনিয়ার সবার থেকে কানেকশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। পরদিন আমাদের ছাড়াই দুনিয়াটা চলা শুরু করবে। আর আমরা চলে যাবো আখিরাতের অন্য এক জগতে। কর্মফলের জগত।
আমাদের কবরে যেতে হবে এটা আমাদের জানা থাকলেও মাথায় থাকে না। but...it's a real thing. a very serious thing.... Death will definitely come for you... বলেকয়ে আসবে না।
যেমনটা আমার মামার জন্য এসেছে। গতকাল রাতের খাবার খেল, কাজিনদের সাথে কথাবার্তা বলে বাসায় গেল। ১০ মিনিটের মধ্যে সব শেষ।
মামা এসএসসি ৯৩ ব্যাচ। বাংলাদেশের আপামর মানুষজনের প্রেক্ষাপটে এতটা বয়সও হয় নাই যে, কেউ মৃত্যু নিয়ে চিন্তা করবে, প্ল্যান করবে। কিন্তু মৃত্যু আসলে এমনভাবেই আসে, যখন কোন প্ল্যান করা হয় না। প্ল্যান করার সুযোগও থাকে না।

~ সাজ্জাদ হোসেন রাকিব

পোস্টটি লিখার এ মুহূর্তে চট্টগ্রামের একটি বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে। অসংখ্য ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে, সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ...
13/07/2026

পোস্টটি লিখার এ মুহূর্তে চট্টগ্রামের একটি বড় অংশ পানির নিচে তলিয়ে। অসংখ্য ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে, সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অনেক উপজেলায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। পাশাপাশি বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোও আক্রান্ত হয়েছে ভয়াবহ বন্যায়।

প্লাবিত এরুপ এলাকাসমূহে দেখা দিয়েছে খাদ্যসংকট, সৃষ্টি হয়েছে মানবিক বিপর্যয়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা নির্বাহ সম্পন্ন হয় কোনোমতে দিন এনে দিন খেয়ে। এহেন নাজুক পরিস্থিতিতে মানুষগুলোর পক্ষে ন্যূনতম খাদ্যের ব্যবস্থাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্যা ও পাহাড় ধ্বসে ইতোমধ্যে ৭ জেলায় অন্তত ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সকলের নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। বিগত বছরগুলোতে কিছু প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বিশেষ করে বিভিন্ন দ্বীনি প্রতিষ্ঠান বন্যার সময় যে অবদান রেখেছে, তা অনস্বীকার্য।

‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ১০০ কোটি টাকার ত্রাণ কর্মসূচি গ্রহণ করে এবং সফলভাবে তা বাস্তবায়ন করে। এবারও এ প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছে।

‘আল-কুরআনের দারস’-ও ইতোমধ্যে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। গত তিন দিন ধরে তাদের স্বেচ্ছাসেবকেরা নিরবচ্ছিন্নভাবে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন হাড়ভাঙা পরিশ্রমে।

এছাড়া 'আদ দাওয়াহ ইলাল্লহ' প্রাথমিক পর্যায়ে ৫,০০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপনার অনুদান পৌঁছে দেওয়ার জন্য এটিও একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হতে পারে।

উক্ত প্রতিষ্ঠানসমুহের ডোনেশন এর তথ্যসমূহ কমেন্টবক্সে দেয়া হলো। বন্যার্ত অসহায় মানুষদের সাহায্যে আমরা সকলে সাধ্যমতো শরীক হই, ইন শা আল্লাহ




26/05/2026

For those who may have fallen short in striving in worship during the past days:

The train has not passed you by. The opportunity is still open. The coming days are the greatest of all days — so come, let us strive together.

Dear brothers and sisters, do you realize what we are approaching tomorrow?

We are approaching the Day of Day of Arafah, about which our Prophet ﷺ said:

“Fasting the Day of Arafah — I hope from Allah that it expiates the sins of the year before it and the year after it.”

A single day of fasting through which the Most Merciful forgives the sins of two years!

And regarding this day, our Prophet ﷺ also said:

“The best supplication is the supplication made on the Day of Arafah.”

Do you have hopes and needs that you long for Allah to fulfill? Worries you pray He will remove? Then now is the season.

Do you feel distant from Allah and hope that He will draw you close again and allow your heart to find comfort in Him? Now is the season.

Has your heart become hardened and filled with spiritual diseases, while you yearn for Allah to soften and purify it? Now is the season.

Do you wish for Allah’s pleasure to descend upon you so that He will never again be displeased with you? Do you wish for your body to be forbidden from the Fire? Now is the season.

The Prophet ﷺ said:

“There is no day on which Allah frees more servants from the Fire than the Day of Arafah.”

So it is no wonder that Allah made the day after Arafah a day of Eid — a celebration in which Muslims rejoice in the mercy, forgiveness, and generosity of Allah that they hope for.

In Ramadan, Laylat al-Qadr is hidden from us; we do not know exactly when it is. But the Day of Arafah is a day Allah has clearly informed you about.

If striving hard in worship during five nights — the odd nights of the last ten nights of Ramadan — feels difficult, then will striving during this one known day truly weigh heavily upon you?

So let your resolve rise.

Think well of Allah’s mercy and the vastness of His forgiveness. Beware of letting Satan enter through the door of excessive self-reproach, making you feel cut off from your Lord and unworthy of His mercy.

“Indeed, Allah forgives all sins.”

And do not forget your brothers and sisters in Gaza, throughout Palestine, in Sudan, and everywhere else — pray that Allah grants them relief and uses you in supporting them, a support through which He removes from you the sin of abandoning them.

O Allah, grant me and my brothers and sisters success in performing righteous deeds that are accepted by You.

📝𝐃𝐫. 𝐄𝐲𝐚𝐝 𝐐𝐮𝐧𝐚𝐢𝐛𝐢

ঈদের ছুটিতে আমরা কী করতে পারি? আসুন, এই ছুটিতে অন্তত একজনকে ইসলামের দাওয়াত দেই। আমি নিজে দাওয়াত দিবো এবং আমার বন্ধুকেও ব...
24/05/2026

ঈদের ছুটিতে আমরা কী করতে পারি? আসুন, এই ছুটিতে অন্তত একজনকে ইসলামের দাওয়াত দেই। আমি নিজে দাওয়াত দিবো এবং আমার বন্ধুকেও বলবো দাওয়াত দিতে।

প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিবো। তাওহীদ মেনে নিলে সালাতের দাওয়াত দিবো। তাওহীদ মেনে নেওয়ার আগে অন্য বিষয়ে (যেমন, ফ্রি মিক্সিং, পোশাক, সুদ) কথা বলবো না। তাওহীদের আগে অন্য বিষয়ে কথা বললে তর্ক প্রাধান্য পায়।

যে তাওহীদ গ্রহণ করবে, সে নিজেই তার রবের বড়ত্ব ঘোষণার জন্য উঠে দাঁড়াবে।

-খন্দকার মাহমুদুল হাসান স্যার
প্রফেসর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

13/04/2026

নববর্ষ একটি প্যাগান উৎসব
----------------------------------------
নববর্ষ উদযাপন কি ইসলাম থেকে এসেছে? আসেনি। নববর্ষ উদযাপন যাদের কাছে থেকে এসেছে এরা সবাই প্রকৃতি পূজা করতো, নববর্ষকে প্রকৃতির পুনর্জন্ম হিসেবে দেখতো। উপমহাদেশে নববর্ষ উদযাপনের ঐতিহাসিক ভিত্তি মুশরিকদের হাতে।

আবার, নববর্ষ উদযাপনের যে থিম সং 'এসো হে বৈশাখ', এটাও প্যাগানিজম/প্রকৃতি পূজার উপর লিখা: বৈশাখকে পবিত্র সত্তা ভেবে তার কাছে আহ্বান করা হচ্ছে, তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা হচ্ছে। সারা বছরের আবর্জনা দুর করার জন্য বৈশাখের কাছে আহ্বান করা হচ্ছে।-

এসো হে বৈশাখ, এসো, এসো
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক॥

তাওহীদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এই প্রকৃতি পূজার গান।

একদল ছেলেমেয়ে কতকগুলি পশুপাখির বিকৃত মূর্তি নিয়ে প্রকৃতি পূজার (paganism) উপর লিখা গান 'এসো হে বৈশাখ' গাইতে গাইতে, নাচতে নাচতে বৈশাখ মাসকে উপাস্য ঘোষণা করছে। যার নাম মঙ্গল শোভাযাত্রা। এই জাহিলি সংস্কৃতি মুসলিমদের হয় কিভাবে? এর ইসমাইজেশন হয় কিভাবে?

জাহিলিয়াতের সমস্ত রীতি রসূলুল্লাহ (সা.) তার পায়ের নীচে পিষ্ট করে গিয়েছেন। আমরা কি আত্মমর্যাদা হারিয়েছি? যা কিছু রসূলুল্লাহ (সা.) পিষ্ট করেছেন, তা আমরা নিজেদের পরিচয় হিসেবে মাথায় তুলে নিচ্ছি! রসূলুল্লাহ (সা.) মুশরিকদের দেশে বসবাসকারী মুসলিমদের জন্যই নববর্ষ উদযাপন কত কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। তাহলে আমাদের জন্য নববর্ষ উদযাপন কতটা ভয়াবহ। -

“যে ব্যক্তি মুশরিকদের দেশে গৃহ নির্মাণ করে, তাদের ‘নওরোজ’ (নববর্ষ) ও ‘মেহেরজান’ (জাতীয় দিবস) এর উৎসব পালন করে এবং এ অবস্থায় মারা যায়, কিয়ামতের দিনে তাদের সাথে তার হাশর হবে”।[সুনানুল বায়হাকী, ৯/২৩৪]

-খন্দকার মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান স্যার

নববর্ষ, শোভাযাত্রা এবং হেজেমনি: প্রতিসংস্কৃতি বনাম পপুলিস্ট শর্টকাটিং ১. আমাদের একটা প্রবণতা আছে—যেকোনো বিষয়ে সবচেয়ে শক্...
13/04/2026

নববর্ষ, শোভাযাত্রা এবং হেজেমনি:
প্রতিসংস্কৃতি বনাম পপুলিস্ট শর্টকাটিং

১.
আমাদের একটা প্রবণতা আছে—যেকোনো বিষয়ে সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তির বদলে আমরা প্রায়শই সেই কথাটাই বলি, যেটা তুলনামূলকভাবে বেশি সহজবোধ্য, বেশি 'পপুলার' হবার সম্ভাবনা রাখে।
উদাহরণ দেই।
বয়কট আন্দোলনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—যায়ো-ব|দকে সক্রিয়ভাবে সমর্থন করা কোম্পানির পণ্য বর্জন। কিন্তু এটা একটু ব্যাখ্যা করে বুঝাতে হয়। তার চেয়ে “ইস্রা—লি পণ্য বর্জন করুন” বলা অনেক সহজ। তাই সেটাই আমরা হরহামেশা বলি।
কিন্তু এই সহজ পথ জটিল সমস্যা তৈরি করে।
যখন আপনি ঢালাওভাবে “ইস্রা—লি পণ্য” বললেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই কেউ বলবে—এই কোম্পানি তো আমেরিকার, ঐ কোম্পানি তো ব্রিটেনের—এসবও কি বর্জন করবেন? কেন করবেন?
অর্থাৎ, মানুষকে সহজে বোঝাতে গিয়ে আমরা যুক্তির মস্ত বড় ফাঁক রেখে দেই। আমরা কনটেন্ট এর চেয়ে কনভিনিয়েন্সে ফোকাস করি। আর শুরুর এই সুবিধার দিকে তাকাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাদের পুরো অবস্থানটাই দুর্বল হয়ে পড়ে।
আমি এই প্রবণতাকে বলি: পপুলিস্ট শর্টকাটিং।
২.
আমরা পহেলা বৈশাখ উদযাপনের বিরোধিতা কেন করি? এটা কি শুধুই মঙ্গল শোভাযাত্রার কারণে?
না। আমাদের আপত্তি নববর্ষ উদযাপন নিয়েই। পহেলা বৈশাখের বিরোধিতা আমরা করি, কারণ নববর্ষ উদযাপনের ব্যাপারটাই ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। এটাই প্রধান কারণ। আর কোন কারণ না থাকলে এই এক কারণই কাফি।
দ্বিতীয় কারণ হিসেবে বলা যায়, যুগে যুগে নববর্ষ পালন পৌত্তলিক সমাজ, জাহেলি কালচার এবং প্রকৃতিপূজারীদের ঐতিহ্যের সাথে জড়িত। নববর্ষ উদযাপন আদি ও অকৃত্রিমভাবে পৌত্তলিকদের উৎসব। এই ঐতিহাসিক বাস্তবতা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না, যদি তারা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে সৎ হয়।
তাহলে মুসলিমরা, তাওহীদের অনুসারীরা কেন এই উৎসবে অংশগ্রহণ করবো? কেন এই উৎসব আত্মীকরণ করবো? আমরা বিজাতী ও বিধর্মীদের অনুকরণ করবো কেন? যেখানে ইসলাম এসেছে এইসব রেওয়াজ মুছে দিয়ে তাওহীদের উপর একটা নতুন সভ্যতা দাঁড় করাতে?
তৃতীয় কারণ হিসেবে গত ষাট বছরে এ ভূখন্ডে পহেলা বৈশাখ পালনের ইতিহাসের দিকে তাকানো যায়। শুরু থেকেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাঙালি জাতীয়তাবাদী প্রজেক্টের অত্যন্ত শক্তিশালী সাংস্কৃতিক রূপ।
কলকাতারা বেঙ্গল রেনেসাঁর অনুকরণে 'হাজার বছরের বাঙ্গালি সংস্কৃতি', বাঙ্গালিয়ানা নির্মাণের অংশ হিসেবে সাংস্কৃতিকভাবে একটা শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে পহেলা বৈশাখকে সামনে আনা হয়েছে, ব্যবহার করা হয়েছে। কাজেই এই উৎসব উদযাপন করা মুসলিমদের জন্য সমীচিন না।
পহেলা বৈশাখ উদযাপন বর্জনের জন্য প্রথম দুটি কারণ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং যথেষ্ট। পরের আর্গুমেন্টটাও বৈধ এবং শক্তিশালী। তবে এখানে আরও অনেক কারণ যুক্ত করা সম্ভব।
৩.
সমস্যা হলো, আমরা নববর্ষ উদযাপনের যে বিরোধিতা করেছি, সেটা অনেকটাই এক্সক্লুসিভলি মঙ্গল শোভাযাত্রার দিকে চলে গেছে।
মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম, প্রতীক, চরিত্র—এসব নিয়ে আলোচনা এসেছে। এই শোভাযাত্রা পৌত্তলিক সংস্কৃতির অংশ, এতে যেসব চিত্র ও প্রতীক ব্যবহৃত হয়, সেগুলো মুসলিমদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়, এইসব আলাপ-ও এসেছে। এবং মোটের উপর সেসব ঠিকই ছিল।
কিন্তু একটা বড় সমস্যা থেকে গেছে। এই আলাপগুলো একটা মাস্টারফ্রেইমের মধ্যে থাকার দরকার ছিল। ইসলামের জায়গা থেকে আপত্তি কেবল নববর্ষ উদযাপনের তরীকা নিয়ে না, নববর্ষ উদযাপন নিয়েই—এ কথাটা স্পষ্ট করা আবশ্যক ছিল। আমরা সেখানে যথেষ্ট জোর দেইনি।
আমরা শেকড়ের দিকে তাকাইনি, শুধু ডালপালার দিকে তাকিয়েছি।
ফলে কী হয়েছে?
সেক্যুলার শক্তির সামনে আমরা একটা ক্রিটিকাল ওপেনিং দিয়ে দিয়েছি। সেক্যুলারদের মধ্যে যারা সেয়ানা বুঝে ফেলেছে, ‘মঙ্গল’ শব্দটা বাদ দিয়ে, কিছু 'ইনক্লুসিভ' টোকেন—দু-চারটা আরবি ক্যালিগ্রাফি, এক-দুজন মুসলিম মুখ—জুড়ে দিলে এই উৎসবটাকে 'ইনক্লুসিভ' ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা সম্ভব।
এভাবে অল্প কিছু পরিবর্তন এনে একই কাঠামো, একই উৎসব, একই হেজেমনি ঠিকঠাকভাবে চালিয়ে নেওয়া যাবে।
তারা ঠিক সেটাই করেছে। এবং এ সুযোগটা আমরাই তাদের করে দিয়েছি। কারণ আমরা পুরো কাঠামোটাকে প্রশ্ন না করে শুধু তার কিছু অংশ নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।
৪.
এখানেই শেষ না। আমরা আরও বড় এক ফাঁদে পা দিয়েছি।
আজকাল অনেকেই কাউন্টার-কালচার বা “প্রতিসংস্কৃতি” গড়ার কথা বলছে। ভালো উদ্যোগ। কিন্তু এই প্রচেষ্টাগুলোর বেশিরভাগই মূল ফ্রেমওয়ার্কটা ধরে রেখে কেবল কনটেন্ট পাল্টানোর চেষ্টা করছে।
ওরা 'শহীদ' মিনারে গিয়ে গান গায়, কেউ 'শহীদ' মিনারে গিয়ে ফাতিহা পড়া শুরু করেছে।

ওরা পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খায়, কেউ বলছে জেয়াফতের কথা, কেউ বলছে ডাল আলুভর্তা দিয়ে ভাত খাওয়ার কথা।
অর্থাৎ, ওরা মূল কাঠামো ঠিক করে দিয়েছে:

- নববর্ষ উদযাপন করতে হবে,
- এই দিনে রাস্তায় এসে মিছিল হবে,
- নির্দিষ্ট পোশাক থাকবে,
- বিশেষ খাওয়াদাওয়াহ হবে,
- উৎসব হবে,
- সমবেত কন্ঠে উচ্চারণ হবে, ইত্যাদি।
এসব কিছুই প্রস্তাবিত ‘কাউন্টার-কালচারে’ থাকছে। মূল কাঠামো আগেরটাই রয়ে গেছে। শুধু এই কাঠামোর মধ্যে নতুন কিছু কনটেন্ট ঢোকানো হচ্ছে। তারা x, y, z করতো তার বদলে এখন e, f, g হচ্ছে।
আপনি কাউন্টার-কালচার করতে যাচ্ছেন পুরোপুরি তার ফ্রেইমওয়ার্ক মেনে। এভাবে ‘কাউন্টার’ কোন কিছুই বানানো যায় না। এটা কাউন্টার-কালচার হচ্ছে না, বিদ্যমানতার একধরণের সংস্কারের প্রয়াস হচ্ছে।
মূল ফ্রেইমওয়ার্ক ঠিক রেখে শুধু কনটেন্ট পাল্টে হেজেমনিকে চ্যালেঞ্জ করা যায় না। হয়তো কিছু ছোটখাটো পরিবর্তন আনা যায়, কিন্তু সেটা হয় অ-মৌলিক। ফর্মের পর্যায়ে, মর্মের পর্যায়ে না।
কাঠামো ঠিক রেখে শুধু শব্দ বদলানো, খাবারের মেনু বদলানো বা পোশাক বদলানো মানে মূল চিন্তা-ব্যবস্থাকে অক্ষত রেখে কিছু কসমেটিক পরিবর্তন আনা।
অন্যদিকে যারা এইভাবে "প্রতিসংস্কৃতি" গড়তে চায়, তাদেরকেও ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসতে হয়—মানে তারা নিজেদের চিন্তা, ভাষা, এমনকি মূল্যবোধের জায়গায়ও কিছুটা হলেও ছাড় দিতে বাধ্য হয়।
এই গেমে শেষ পর্যন্ত লাভবান হয় সেই পক্ষ, যে পুরো কাঠামো বানিয়ে দিয়েছে। আর ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেই পক্ষ, যে ওই কাঠামোর মধ্যে থেকে বিকল্প বানাতে চেয়েছিল, কিন্তু নিজের মাটি ধরে রাখতে পারেনি।
৫.
মুসলিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিচয় অবশ্যই নির্মাণ করতে হবে। তবে সেটা ওদের নিয়ন্ত্রন, ওদের ফ্রেইম, ওদের ঠিক করা রুলস অফ এনগেইজমেন্ট থেকে বের হয়ে।
এবং অবশ্যই ইসলামের স্পিরিট এবং সীমানাকে মাথায় রেখে। তা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক কোন কিছু দিয়ে প্রতিসংস্কৃতি নির্মাণ করলে তো হবে না। শরীয়াহর সীমাকে উপেক্ষা করে যা-ই করা হবে সেটা হবে জাহেলিয়াতের নতুন ধারা।
তাই আমরা বলছি: এই উৎসবের বিরোধিতা করতে হলে শিকড় থেকে করতে হবে, শুধু ডালপালা ছেঁটে লাভ নেই।
এভাবে করতে গেলে সময় বেশি লাগবে; সত্য। অপশান কমে আসবে; সত্য। কিন্তু পপুলিস্ট শর্টকাট নেয়া এটার সমাধান না। শর্টকাটের পথে গেলে সাময়িক কিছু হাইপ উঠলেও শেষ বিচারে আম ও ছালা, দুটোই যাবে।
লেখা:
মুহতারাম Asif Adnan হাফিজাহুল্লাহ
লেখক ও গবেষক

#সংস্কৃতি_বনাম_শরীয়াহ
#কোনটা_বেছে_নেবেন
#পহেলা_বৈশাখ_আমাদের_না
#দ্বীন_ঈমান_আত্মপরিচয়

EID MUBARAK! 🌙✨May Allah accept our fasting and prayers, forgive our shortcomings, and grant us all the strength to cont...
20/03/2026

EID MUBARAK! 🌙✨
May Allah accept our fasting and prayers, forgive our shortcomings, and grant us all the strength to continue being better every day. Eid Mubarak to you and your family!

 #একচুমুকসীরাহহেরা পর্বতে যখন উঠেছিলাম, চুড়ায় উঠে কিছুটা ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলাম, এখানেই তো প্রথম নূর আসে, এজন্য নাম জাবাল...
20/03/2026

#একচুমুকসীরাহ
হেরা পর্বতে যখন উঠেছিলাম, চুড়ায় উঠে কিছুটা ইমোশনাল হয়ে গিয়েছিলাম, এখানেই তো প্রথম নূর আসে, এজন্য নাম জাবালে নুর। তবে গুহার ভেতরে গিয়ে ইমোশনাল হবার চেয়ে ধাক্কাধাক্কি অ্যাভয়েড করাটাই বেশি কনসার্নিং ছিল। গুহার ভেতরে খুব অল্প জায়গা, ঠিকমত মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোও দায়। কিন্তু একটা ব্যাপার, এই ধরেন ১০-২০ স্কয়ার ফিট জায়গার মধ্যে নিশ্চিতভাবেই রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং জিব্রীল আলাইহিস সালাম ছিলেন, এই অনুভূতিটাই বেশ এক্সাইটিং।

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তো স্মৃতি অনেক জায়গাতেই আছে, তবে জিব্রীল আলাইহিস সালাম এর কনফার্ম কোথাও এসেছিলেন যা পিনপয়েন্ট করা সম্ভব - আমাদের জন্য সেটা মনে হয় হেরা গুহাই। জিব্রীল আলাইহিস সালাম এর অ্যাপিয়ারেন্স এর বর্ণনা বেশ ফ্যাসিনেটিং লাগে। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনে মাত্র দুইবার তাঁকে দেখেছিলেন আসল রুপে, ৬০০ ডানা বিশিষ্ট যা থেকে অনবরত হীরা-মুক্তা ঝড়ছে, এবং সাইজে পুরা দিগন্ত ছেয়ে গেছে। এটাও যে আসল সাইজ, সেটাও আপেক্ষিক, কারণ মালাইকাদের মধ্যে সবচেয়ে বৃহদাকার হবার কথা জিব্রীল আলাইহিস সালাম। একটু কম্পেয়ার করা যাক। যে ফেরেশতারা আল্লাহর আরশ ধরে আছেন, তাদের একজনের কান থেকে কাঁধের দুরত্ব হচ্ছে ৭০০ বছরের দূরত্ব, অর্থাৎ একটা পাখি ৭০০ বছর ধরে উড়লে কান থেকে কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছাবে। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। এই দুরত্বের প্রায় ১.২ গুন হবে সেই কান থেকে কাঁধের দূরত্ব। তাহলে চিন্তা করুন আরশ ধারণকারী ফেরেশতার ফুল সাইজ কী, এবং জিবরীল যেহেতু তাঁর চেয়েও বড়, তাঁর সাইজ কী, অকল্পনীয়।

আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে জিব্রীল আলাইহিস সালাম হচ্ছেন প্রাণ আছে এরকম প্রথম মাখলুক, বলা যায় খাস লোক। আমাদের ঈমানের দ্বিতীয় স্তম্ভ হচ্ছে ফেরেশতাদের উপর বিশ্বাস আনা, সম্ভবতঃ ইমাম আন নববী (রহ) এর মতে এই ফেরেশতাদের উপর ঈমান আনা জিবরীল আলাইহিস সালামকে অনেকটা বুঝিয়েছেন, কারণ তিনিই ওয়াহীবাহক। তিনি-ই সব গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টে ছিলেন। নবীজীর প্রথম বক্ষ বিদীর্ণ করা, ইসরা ওয়াল মি'রাজে নিয়ে যাওয়া, হেরা গুহায় প্রথম ওয়াহী নিয়ে আসা, প্রসব বেদনার সময় মারিয়াম আলাইহিস সালাম এর কাছে আসা, ফিরআউন ডুবে মারা যাবার সময় মুখে মাটি এঁটে দেয়া, ইউসুফ আলাইহিস সালামকে যখন তার ভাইরা কুপে নিক্ষেপ করে তখন সেখানে তাকে ধরা, লুত আলাইহিস সালামের কওমকে গজব দেবার পূর্বে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সাথে দেখা করা এবং ইসহাক আলাইহিস সালামের আগমনের সুসংবাদ দেয়াসহ সব ইম্পর্ট্যান্ট ইভেন্টে তিনি আছেন। তিনি হচ্ছেন ফেরেশতাদের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, অভিজাত।

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের পর জিব্রীল আলাইহিস সালাম এর এ পৃথিবীতে আসা বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু লাইলাতুল ক্বদরে নাকি তিনি নিম্নাকাশে আসেন, আকাশ তাঁর জন্য আলোকিত হয়ে যায়। এজন্য প্রতিরাতেই আকাশে একবার তাকাতাম, আলোকিত কিনা, রুহুল কুদুস জিব্রীল আলাইহিস সালাম আসলেন কিনা, এটা ভাবতেই আলাদা এক্সাইটমেন্ট কাজ করে।

জান্নাতে গিয়ে পৃথিবীর এই ইভেন্টগুলা ফুল এইচডিতে দেখতে চাওয়ার খায়েশ, আগেও উল্লেখ করেছি, এর মধ্যে জিবরীল আলাইহিস সালামের ঘটনাগুলো দেখারও আলাদা ইচ্ছা।

-M. Mahbubur Rahman Hafi.

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UITS Islamic Pioneer's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to UITS Islamic Pioneer's:

Shortcuts

Share