Positive Bangladesh Initiative

Positive Bangladesh Initiative positive bangladesh is the volunteers' platform for sharing creativity and to work for humanity. please contact +8801912389878

ঈদ মানে খুশিঈদ মানে আনন্দভুলে যাই দুঃখ ব্যাথাভুলে যাই ক্ষোভ দ্বন্দআত্ম-শুদ্ধি সংযম চর্চাথাকুক শুধু জারিঅল্পে তুষ্ট আর আত...
20/03/2026

ঈদ মানে খুশি

ঈদ মানে আনন্দ

ভুলে যাই দুঃখ ব্যাথা

ভুলে যাই ক্ষোভ দ্বন্দ


আত্ম-শুদ্ধি সংযম চর্চা

থাকুক শুধু জারি

অল্পে তুষ্ট আর আত্ম-তৃপ্ত

যেন সর্বদা থাকতে পারি


সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা!

একুশ মানেএকুশ মানে জেগে উঠাএকুশ মানে চেতনাএকুশ মানে শোকএকুশ মানে বেদনাএকুশ মানে উদ্দীপনাএকুশ মানে শক্তিএকুশ মানে স্বাধীন...
20/02/2026

একুশ মানে
একুশ মানে জেগে উঠা
একুশ মানে চেতনা
একুশ মানে শোক
একুশ মানে বেদনা
একুশ মানে উদ্দীপনা
একুশ মানে শক্তি
একুশ মানে স্বাধীনতা
একুশ মানে মুক্তি
একুশ মানে দায়বদ্ধতা
একুশ মানে রক্ত ঋণ
একুশ মানে শপথ নেয়া
ছিনিয়ে আনবো আলোর দিন
একুশ মানে একটি জাতি
একুশ মানে ভালবাসা
একুশ মানে নতুন সূর্য
একুশ মানে নতুন আশা
একুশ মানে অনেক চাওয়া
মায়ের ভাষা ছিনিয়ে নেয়া
একুশ মানে মায়ের মুখে
মায়ের ভাষা ফিরিয়ে দেয়া
একুশ মানে দূর করা
জমাট ঘোর অমানিশা
একুশে মানে যে করে হোক
আনবো নতুন আলোর দিশা
একুশ মানে সালাম বরকত
একুশ মানে জব্বার রফিক
একুশ মানে রক্ত দান
একুশ মানে নতুন দিক
একুশ মানে অধিকার
একুশ মানে ফুল ফোটা
একুশ মানে বিদ্রোহ
একুশ মানে বুকের পাটা
একুশ মানে জেগে উঠা
একুশ মানে জেগে থাকা
একুশ মানে স্বপ্ন নির্মাণ
একুশ মানে স্বপ্ন আাঁকা

A life-changing event for the studentsBy participating in the workshop you will learn to discover how you deal with unce...
13/02/2026

A life-changing event for the students
By participating in the workshop you will learn to discover how you deal with uncertainities
Content Outline:
* Awareness about own wellbeing
* Value of mental health
* Identifying own strengths to face any challenges
* Developing strategies to deal with uncertainty more efficiently
The workshop will be online using Google Meet
Facilitator: Zohora Parveen
Date: 18th February (Wednesday)
Time: 3:00 PM to 5:00 PM
Platform: Google Meet
The workshop is FREE of cost. No Registration fee is required.
If you have any queries, please visit: [Positive Bangladesh Initiative page](https://www.facebook.com/positivebangladeshinitiatives)
To sign up please fill up the form below. We will send you a google meet link through email.
By filling up this form you are expressing your interest to participate in the workshop
https://forms.gle/PvC8QrFbUEYSbbsV7

নিমিষেই স্ট্রেস কমানোর ৬টি মজার উপায় (6 Fun Ways to Reduce Stress Instantly)পদ্ধতি (Method)কী করবেন (What to do)১. গা ঝা...
27/01/2026

নিমিষেই স্ট্রেস কমানোর ৬টি মজার উপায় (6 Fun Ways to Reduce Stress Instantly)পদ্ধতি (Method)কী করবেন (What to do)
১. গা ঝাড়া দিন (Wet Dog Shake)১০ সেকেন্ডের জন্য কুকুরের মতো পুরো শরীরটা জোরে ঝাড়া দিন।
২. ঠোঁট ফোলান (Blow a Raspberry)লম্বা শ্বাস নিয়ে ঠোঁট দিয়ে জোরে "পিব্ববববব" (PBBBBBT) শব্দ করুন।
৩. নিঃশব্দ চিৎকার (Silent Scream)মুখ হা করে সর্বশক্তি দিয়ে চিৎকার করুন, কিন্তু কোনো শব্দ করবেন না।
৪. ভিলেনের মতো হাঁটা (Villain Walk)কার্টুন ভিলেনের মতো পা দাপিয়ে বা চুপিচুপি হাঁটুন।
৫. আজগুবি কথা (Talk Gibberish)দেয়াল বা গাছের সাথে ৩০ সেকেন্ড হাবি-জাবি ভাষায় কথা বলুন।
৬. উল্টো ঝোলা (Hang Upside Down)বিছানা বা সোফায় শুয়ে মাথাটা সাবধানে নিচের দিকে ঝুলিয়ে দিন।

আমরা আপনাকেই খুঁজছি! আপনি কি অর্থবহভাবে বেঁচে আছেন? না কোন রকমে জীবন ধারণ করে আছেন?লেখাটি পড়তে ‍শুরু করার জন্য আমার আন্...
19/01/2026

আমরা আপনাকেই খুঁজছি! আপনি কি অর্থবহভাবে বেঁচে আছেন? না কোন রকমে জীবন ধারণ করে আছেন?
লেখাটি পড়তে ‍শুরু করার জন্য আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা গ্রহণ করুন।আপনার ইতিবাচক কৌতুহল প্রমান করে আপনি একজন ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী এবং গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গীসম্পন্নমানুষ। অনুগ্রহ করে এই লেখাটি শেষ পর্য্ ন্ত পড়ুন। আমার বিশ্বাস আপনি আপনার জীবন অর্থবহ ও কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ খুঁজে পাবেন।
চারপাশের মানুষদের দেখে একটা ধারণা হয়েছে যে,পৃথিবীতে ১০০০ জন মানুষের মধ্যে ৯৯৯ জন মানুষ বিশ্বাস করেন পৃথিবীতে আমাদের জন্ম ও অবস্থান শুধুমাত্র দৈনন্দিন কাজগুলো যেমন: খাওয়া দাওয়া, পেশাগত কাজ
(ছাত্র, বেকার,ব্যবসায়ী, চাকুরী যাই হোক না কেন?), বিনোদন, পরিবার গঠন ও সন্তান লালন পালন কেন্দ্রিক একটি অতি সাধারণ জৈবিক জীবন যাপনের জন্য।
অথচ, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে রয়েছে মেধা, সৃজনশীলতা,সাংগঠনিক, সাংস্কৃতিক দক্ষতাসহ সীমাহীন সম্ভাবনা। আমরা একটু আন্তরিকভাবে ইচ্ছে এবং যথাযথভাবে পরিকল্পনা করে চেষ্টা করলেই আমাদের দৈনন্দিন কাজের
মধ্য থেকে কিছু সময় বের করে মানুষের জন্য এবং আমাদের নিজেদের মনুষত্ব বিকাশে অসাধারণ কিছু করে একটি অর্থবহ ও কার্যকর জীবন গঠন ও চর্চা করতে পারি। একটু আন্তরিকভাবেচেষ্টা করলেই এটা সত্যি সত্যি সম্ভব।
আমরা এতোদিন আপনার মতো একজন চমৎকার মানুষের জন্য সাগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম। কারণ, একজন ইতিবাচক মনোভাব ও গঠনমূলক দৃষ্টিভঙ্গী সম্পন্ন মানুষ হিসেবে আপনি অসীম সম্পদ ও সম্ভাবনার অধিকারী। আপনি আপনার ভেতরকার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে আপনার নিজের, পরিবারের, এলাকার, দেশের এমনকি পৃথিবীর কল্যাণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেন।
আপনিও সামান্য আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আপনাকে আপনার নিজ ক্ষেত্রে ও অঙ্গনে সাফল্যের নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিতে পারেন। আপনি ব্যক্তিগতভাবে যে বয়সের বা পেশার বা পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, আমরা আপনার ভেতরকার সেরা মানুষটিকে প্রকাশিত করে আপনার প্রতিভা, আপনার সৃজনশীলতা, আপনার সৃষ্টিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীতে আপনার বেঁচে থাকাকে অর্থবহ, কার্যকর ও কল্যাণকর করে তুলতে একসাথে কাজ করবো।
আমাদের সাথে যোগদানের জন্য কোন নির্দিষ্ট বয়সসীমা নেই। কারণ,একজন মানুষ যতদিন বেঁচে থাকেন তিনি তত দিনই অসীম সম্ভাবনা ও সম্পদের অধিকারী থাকেন। আপনি যদি বোধসম্পন্ন একজন মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে আপনি যে বয়সের মানুষই হয়েথাকুন না কেন আপনি চেষ্টা করলে অসাধারণ কিছু করার মাধ্যমে পৃথিবীর বুকে আপনার অর্থবহভাবে বেঁচে থাকার চিহৃ রেখে যেতে পারেন।
আমাদের সাথে যোগদানের জন্য আপনাকে কোন নির্দিষ্ট পেশার হতেহবে না। কারণ, আমরা বিশ্বাস করি একজন ছাত্র-ছাত্রী যেমন তার অঙ্গনে থেকে তার সাধ্যমতো ইতিবাচক কাজ করতে পারে। একজন ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার বা অন্য কোন পেশায়নিয়োজিত মানুষও একই ভাবে তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসাধারণ কিছু করতে পারেন।

অনুগ্রহ করে নিচের ফর্মটি পূরণ করুন: https://forms.gle/LwT51kXUz4pF83yA8

স্বপ্নের প্রকারভেদ ও ধরণ.......প্রাথমিক আলোচনাশক্তির নিত্যতার সূত্রের সাথে স্বপ্নের কিছু মিল আছে। শক্তির শুরু নেই কিন্তু...
05/12/2025

স্বপ্নের প্রকারভেদ ও ধরণ.......প্রাথমিক আলোচনা

শক্তির নিত্যতার সূত্রের সাথে স্বপ্নের কিছু মিল আছে। শক্তির শুরু নেই কিন্তু স্বপ্নের শুরু আছে। সাধারণত, কেউ একজন, তারপর হয়তো কয়েকজনের একটি দল, কখনো একটি জাতি, খুব বিরল কিন্তু এটাও সম্ভব যে পুরো পৃথিবী একটি স্বপ্নে একাত্ম হতে পারে। পুরো পৃথিবী মানে পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষ এমনটা নয়। এটা রূপক অর্থে। রেডক্রশ/ রেড-ক্রিসেন্ট, ওলিম্পিক, ফুটবল বিশ্বকাপ, রক্তদান আন্দোলন, বর্ণবাদ এর বিরুদ্ধতা-এগুলো কি বিশাল-সারা পৃথিবীকে একাত্ম করা স্বপ্ন নয়?

তবে শক্তির মতো স্বপ্ন কখনো শেষ হয়ে না। তবে রূপান্তর ঘটে। পরিবর্তন ঘটে। কখনও স্বপ্নের শুরুর রূপের সাথে অনেক পরের রূপ হয়তো এক হয় না। এবং না হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, পরবর্তী রূপ যা-ই হোক না কেন-শুরু কিন্তু একজনকে করতে হয়েছিল। মাইক্রোসফট? এ্যাপল? ব্র্যাক?

কখনো কখনো স্বপ্ন হাতছাড়া হয়ে যায়। কেউ ছিনিয়ে নেয় স্বপ্ন। ধ্বংস করে দেয়ার চেষ্টা করে। Bangladesh? আবার কখনো কখনো ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টার মধ্য দিয়ে অনাকাঙ্খিত রূপান্তর ঘটে বা মূল চেতনার সাথে আপোষ করতে হয় টিকে থাকার স্বার্থে । সিআরপি? কখনো একটি স্বপ্ন হাতছাড়া হয়ে জন্ম দেয় অনেকগুলো নতুন স্বপ্নের-পিক্সার, নেক্সট (স্টিভ জবস)?

তবে, সব স্বপ্ন যে, চিরকাল টিকে থাকে এমনটাও নয়। ধ্বংস হয় না ঠিক ই। কিন্তু, এমন একটা অবস্থা দাঁড়ায় যে, সেটা আর ঠিক গঠনমূলক থাকে না বা আদি রূপে প্রয়োগযোগ্য থাকে না। সাম্যবাদ, সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম-এগুলো কি সেই ধরণের স্বপ্নে উদাহরণ?

কখনো কখনো স্বপ্ন বাস্তবায়নে অনেক অনেক মূল্য দিতে হয়। জীবন দিতে হয় ৩০লক্ষ মানুষ কে (৩০ লক্ষ সংখ্যা নিয়ে তেনা পেচালে নিজেকে অতি অবশ্যই একটি নিকৃষ্ট প্রজাতির বেজন্মা হিসেবে প্রমাণিত করবেন)। বাংলাদেশ?

কখনো কখনো স্বার্থপর, ভ্রান্ত স্বপ্ন ঠেলে দেয় মানুষকে উগ্র মৌলবাদ এবং ধর্মান্ধতায় যা সমস্ত পৃথিবীকে এক অকল্পনীয় ভয়ঙ্কর পরিণামের দিকে। হিটলার? আই এস? আল-কায়েদা?

স্বপ্ন বাস্তবায়নে-অন্ততঃ দৃশ্যমান হওয়ার জন্য, কতটুকু সময় প্রয়োজন? কখনো কখনো হয়তো তুলনামূলক কম সময়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা সময়, কখনো কখনো অনেক অনেক দিন। ফিলিস্তিন?

তবে, স্বপ্নের জন্ম প্রক্রিয়াবা বা ষ্ট্রাগল পিরিয়ডটা খুব কষ্টকর। খুব যন্ত্রণার। খুব ভয়াবহ। অনেক মানুষ আছেন, যারা একটা সময় পর হাল ছেড়ে দেন-সত্যিকারের হতভাগা তারা। হয়তো খুব কাছাকাছি এসে। আমাদের চারপাশে অসংখ্য উদাহরণ।

তেলাপোকা আর কচ্ছব্ মানুষের বা স্বপ্নের সাথে তুলনীয় নয়। কিন্তু যদি স্বপ্নকে স্থায়ীত্ব দিতে চাই-আমরা তেলাপোকার টিকে থাকার কৌশল থেকে কিছু শিখতে পারি। বিশেষ করে বিপুল সংখ্যায় ছড়িয়ে দেয়া? বিরূপ পরিস্থিতিতে অনেক কষ্ট করে টিকে থাকা? নীতিবান ধর্মপ্রচারকারী (অবশ্যই ধর্ম ব্যবসায়ীরা না) এবং মানবতাবাদীরা?

যদি কোন কিছু আকঁড়ে ধরা শিখতে চাই-কচ্ছবের মতো স্বপ্ন কে আকঁড়ে ধরতে পারি-যাতে মৃত্যু ছাড়া আর কিছু স্বপ্ন থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন না করতে পারে। হুমায়ূন আহমেদ- ক্যান্সার হসপিটাল?

সত্যি কথা বলতে কি, স্বপ্নের শুরু আছে; শেষ নেই! আরো নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে স্বপ্নের শেষ থাকতে নেই।

যখন কেউ কখনো কোন স্বপ্নের শেষ দেখে ফেলে, সে স্বাপ্নিক হিসেবে মৃত্যু বরণ করে।

স্বীকারোক্তি- এই লেখাটা যেভাবে লিখেছি ঠিক সেভাবে লিখতে চাইনি, কিন্তু এমনটা হয়ে গেছে। আমার ধারণা খুব খারাপ কিছু হয় নি। তাই পোস্ট করলাম। আপনাদের সুচিন্তিত মতামত প্রত্যাশা করছি।

পরবর্তীতে এই বিষয়ে আরেকটু গুছিয়ে, আরেকটু অনুপ্রেরণা দায়ক কিছু লেখার আশা রাখি। ইনশা-আল্লাহ।

05/07/2025

যাহার জন্য প্রযোজ্য

পজিটিভ বাংলাদেশের সকল প্রাক্তন, বর্তমান ও ভবিষ্যত (সম্ভাব্য) সম্মানীত সংগঠক ও সদস্যদের জন্য

পজিটিভ বাংলাদেশ শুরু হয়েছিল রক্তদান করার প্রচলিত অকার্যকর ও ব্যয়বহুল প্রক্রিয়াটা পাল্টে দিতে .....

স্বেচ্ছায় রক্তদান করা আন্দোলন বা সচেতনতা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার পর সেই প্রায় বিশ বছর আগে 1998. যখন আমরা রক্ত দান করা শুরু করি তখন একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতাম।

হয়তো আজ সকালেই রক্ত দান করে আসলাম, বিকেলেই ফোন আমার অমুক রোগী অমুক জায়গায় একটু রক্ত দান করতে পারবেন? না বলা ছাড়া আর কোন উপায় তো থাকতো না। আর এটা চলতো ৩মাস পর্যন্ত যতক্ষণ না আবার রক্তদান করার জন্য তৈরী হতাম। তারপর আবার একই চক্র। মানুষের জন্য কষ্ট লাগতো আবার খুব অসহায়ও লাগতো। ভাবতাম কীভাবে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটানো যায়?

আবার যাদের রক্ত প্রয়োজন তাদের জন্য ব্যাপারটা আরো বেদনাদায়ক ও ব্যয়বহুল ব্যাপার ছিলো। এক ব্ল্যাড ব্যাংক থেকে আরেক ব্ল্যাড ব্যাংক দৌড়াও, পরিচিত মানুষদের হাতে পায়ে ধরো, সেই ৪/৫ প্রতি মিনিটের যুগে ফোনে শত শত টাকা রিচার্জ কর আর যেখান থেকে যার নাম্বার পাওয়া যায় সব র‌্যান্ডম মানুষকে ফোন করে রক্তের জন্য অনুনয়, অনুরোধ।অবশ্য এখনও এই অবস্থাটা অনেকের ক্ষেত্রেই হয়। ভাবতাম কীভাবে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটানো যায়?

চিন্তা করলাম আচ্ছা ব্যাপারটা উল্টে দেয়া যায় না। যার রক্ত দরকার সে কেন ২/১ জন ডোনার পাওয়ার জন্য ২০০ জন সম্ভাব্য ডোনারকে ফোন করতে হবে। সে শুধু রক্ত প্রয়োজন- এটা একটা কমন জায়গায় জানাবে আর যিনি রক্ত দান করতে পারবেন শুধুমাত্র তিনিই যার রক্ত প্রয়োজন তার সাথে যোগাযোগ করবেন।

যেই ভাবা সেই কাজ। তৈরী করলাম ইয়াহু গ্রুপ এ স্বেচ্ছায় রক্ত দাতাদের ই-মেইল ডাটাবেজ। ৩-৪ বছর দিন রাত কাজ করে দাড়িয়ে গেল ১ লক্ষ স্বেচ্ছায় রক্তদাতার ই-মেইল ডাটাবেজ। কারো রক্ত দরকার হলেই শুধু আমাদের জানা বাকী আর আমরা সেই খবরটা ডোনারদের কাছে পৌঁছে দেয়ার অপেক্ষা। তারপরই ম্যাজিক। যদি লাগে এক ব্যাগ ১০ জন ডোনার রেডী দেয়ার জন্য।

বিশেষ করে যাদের নিয়মিতো রক্ত প্রয়োজন হয়, ডায়ালাইসিস বা থ্যালাসমিয়া রোগী, তারা রক্তদাতা খোঁজার সেই অসহায় ছোটাছুটির হাত থেকে রক্ষা পেলেন।

অবশ্যই খুব ছোট আকারে, দেশব্যাপি বিশাল চাহিদার তুলনায় খুবই নগন্য পরিমাণে। তবুও সেটা ছিল একটা বৈপ্লবিক চিন্তা, অসাধারণ উদ্যোগ। সেই কাজটা করার জন্য পজিটিভ বাংলাদেশ এর অনেক সম্মানীত স্বেচ্ছাসেবকের জীবনের স্বর্ণ সময়, পকেটের অনেক টাকা খরচ হয়েছে। আমি সমন্বয়কারী হিসেবে কয়েকজনের নাম উল্লেখ না করে পারছি না।

একজনের নাম না উল্লেখ করলেই নয়, আমার স্কুল বন্ধু মুস্তফা তাহের লিটন। যে সর্বপ্রথম ইয়াহু গ্রুপ তৈরী করে অনেক মানুষকে একসাথে পৌঁছানোর আয়ডিয়াটা আমাকে দেন। আরো কয়েকজন মানুষ M Zakir Hossain Khan, Afrin Khondoker Rita (Ava), Fatema Afroz (Swarna) and Nafis Zaman যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যখন যেভাবে প্রয়োজন হয়েছে আমাদের সাথে ছিলেন সব সময়।

তারপর অনেক দিন পর্যন্ত Mariam Pattan, Newton Rodrigues, Nasir Ahmed Saurav, Rashedul Alam, Khondokar Songita, Fauzia Ruma, Adv. Farida, Sabrina Karim and her super enthusiastic team of Positive VNC, later positive health, Foysal Ibn Nasir, Zubayer Al Mushnad, রবিন, পিংকু, পাপ্পু, কাওছার সহ অসংখ্য অসাধারণ মানুষ দিনের পর দিন অনেকে রাতের পর রাত কাজ করেছেন পজিটিভ বাংলাদেশ এর বিভিন্ন উদ্যোগে। এছাড়াও M.a. Halim and Tanveena Faiz Ema, Shapla Yasmin of positive Chittagong. Md Miraz, Shoimi and Progga Laboni of Positive Khulna.

তিনজন নবীন কিন্তু কার্যকর ও উতসাহী সংগঠকের কথা বলতেই হচ্ছে Monamy Islam ও Anusha Mehrin, ও Shezan Mahmud এর কথা আলাদা করে বলতেই হচ্ছে যারা পজিটিভ বাংলাদেশের নিয়মিতো ডোনার এবং সাংগঠনিক কাজে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন। আরো অনেক অনেক আলোকিত মানুষ আমাদের সাথে সময় সময় কাজ করেছেন, বিভিন্নভাবে সহযোগীতা করেছেন। যাদের নাম এই মুর্হূতে আমার মনে আসছে না। কিন্তু, তাদের সহৃদয়তার কথা এই লেখায় শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের সহযোগীতা ছাড়া এই বিপ্লবের সূচনা এবং এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না।

একজন অনুপ্রেরণাদায়ী মানুষের কথা আলাদা করে বলতে হচ্ছে, তিনি হলেন Shayema Shafiz Sumy। উনি আদরের পুত্র আয়মান কে ক্যান্সারের ছোবলে অকালে হারিয়েও যেভাবে শোককে শক্তিতে পরিণত করেছেন সেটা যেকোন মানুষ বা সংগঠনের জন্য একটি বিশাল অনুপ্রেরণার উতস হতে পারে। একটি মানুষ এবং আরো সঠিকভাবে বললে একটি পরিবার তার আদরের সন্তানকে হারিয়েও কীভাবে নিজেদের জীবন প্রাণ উজাড় করে মানবতার জন্য কাজ করতে পারে - সেই অবিশ্বাস্য কর্মকান্ড যদি কেউ স্বচক্ষে দেখতে চান তাহলে এই আলোকিত মানুষটাকে এবং তাঁর পরিবারকে দেখুন।

এর মধ্যেই অনেকেই বিভিন্ন বাস্তব কারণে, কেউ কেউ চূড়ান্ত ভুল বোঝাবুঝি করে, কেউ কেউ অভিমান করে, কেউ কেউ নিজ খ্যাতি-জস অর্জনের লোভে, কেউ কেউ বিশ্বাস ঘাতকতার মজ্জাগত স্বভাব ত্যাগ করতে ব্যর্থ হয়ে আমাদের সঙ্গ ত্যাগ করেছে।

যারা বাস্তব কারণে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন তারা এখনও দূরে থেকে এমনকি পৃথিবীর উল্টো প্রান্তে থেকে এখনও প্রতিদিন প্রতিনিয়ত উতসাহ যোগান। তাদের কাছে আমরা চিরকৃতজ্ঞ।

আর একদল আলোকিত মানুষ Shanko nadi, Mehbooba Rahman, Nahid Akter Neepa, যাদের একজন যোগ্য প্রতিনিধি Anisa Nasrin (সেঁজুতি), যারা কখনো আমাদের সাথে স্বশরীরে কাজ করার সুযোগ হয়নি। কিন্তু, অনলাইনে থেকে প্রতিনিয়ত উতসাহ যোগান সহযোগীতা করেন।

সব শেষে, যারা অভিমান করে বা চূড়ান্তভাবে ভুল বুঝে দূরে সরে গেছেন বা আছেন তাদের প্রতি একটি সবিনয় বার্তা। আপনারা যদি এটা মনে করে ভুল বুঝে থাকেন যে, আপনার সাথে কোন নৈতিক স্খলন জনিত বা ইচ্ছেকৃত অন্যায় আচরণ বা কাজ হয়েছে তাহলে সেটা অতি অবশ্যই নিছক চূড়ান্ত ভুল বোঝাবুঝি। এটা শুধুমাত্র এবং একমাত্র আমার ব্যক্তিগত ব্যর্থতা বা অক্ষমতা এবং চূড়ান্ত বোকামীর জন্য হয়েছে।আমি ব্যক্তিগতভাবে এবং পজিটিভ বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়কারী হিসেবে সেই সকল ভুল বোঝাবুঝির জন্য করজোড় নি:শর্ত ক্ষমা প্রার্থণা করছি।

এর পেছনে অনৈতিক কোন কিছুর নূন্যতম ভিত্তি বা সম্ভাবনা নেই-এই বিষয়ে আমি আমি ব্যক্তিগতভাবে সম্পূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে আশ্বস্ত করছি ও নিশ্চয়তা প্রদান করছি। আপনারা চাইলে এই প্রকাশ্য স্বীকারোক্তিকে গ্রহণ করে পজিটিভ বাংলাদেশের মহান উদ্যোগের সাথে আপনাদের পুন:সংযুক্তির বিষয়টি অনুগ্রহ করে পুন:বিবেচনা করে এই আলোকযাত্রায় পুনরায় সামিল হতে পারেন।

আমরা আপনাকে সেই আগের মতোই হাসিমুখে, সহৃদয়ভাবে গ্রহণ করবো এবং একসাথে এই আলোকযাত্রায় নব উদ্যোমে কাজ করবো।

তবে, যারা সব সময় বিভিন্ন রকম ধান্দা নিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছেন বা হয়েছিলেন তাদেরকে সতর্ক করা হচ্ছে- পৃথিবী আর আগের মতো নেই। সব কিছু পাল্টে গেছে। কোন রকম ধান্দা নিয়ে পজিটিভ বাংলাদেশে যুক্ত হতে আসলে চূড়ান্ত অপমানিত হয়ে ফিরে যেতে হবে। একই ভুল বারবার করবো না আমরা।

সবইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা সময় নিয়ে এই দীর্ঘ লেখাটি পড়ার জন্য। মহান সৃষ্টিকর্তা সকল আলোকিত হৃদয়ের মানুষদের জীবন চলার পথ সহজ করে দিন। এবং প্রত্যেককে তার সতকর্মের উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন

Mizanur Rahman
প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়কারী
Positive Bangladesh

When you grow up you tend to get told that the world is the way it is and your life is just to live your life inside the...
29/04/2025

When you grow up you tend to get told that the world is the way it is and your life is just to live your life inside the world. Try not to bash into the walls too much. Try to have a nice family, have fun, save a little money.
That's a very limited life. Life can be much broader once you discover one simple fact: Everything around you that you call life was made up by people that were no smarter than you and you can change it, you can influence it, you can build your own things that other people can use.
-Steve Jobs

মানুষ কি কারণে বাঁচে?একজন মানুষের বাঁচার অনেক কারণ থাকতে পারে। সব কারণগুলোকে বড় দুটো ভাগ হতে পারে। একটা হলো বাঁচার জন্য ...
19/02/2025

মানুষ কি কারণে বাঁচে?
একজন মানুষের বাঁচার অনেক কারণ থাকতে পারে। সব কারণগুলোকে বড় দুটো ভাগ হতে পারে। একটা হলো বাঁচার জন্য বাঁচা এবং আরেকটা হতে পারে বাঁচার জন্য একটা কারণ তৈরী করে সে কারণে বাঁচা।
প্রথম দলে যারা আছে তারা বাঁচে শুধু এই কারণে যে, যেহেতু সে পৃথিবীতে এসেছে, সে যতক্ষণ পৃথিবীতে আছে ততক্ষণ তাকে বাঁচতেই হবে। তাই সে বাঁচে। আর বাঁচার জন্য যত যা কিছু করা প্রয়োজন তাই সে করতে থাকে। কেউ কেউ আনন্দের সাথে কেউ কেউ বাধ্য হয়ে। কেউ কেউ অনেক ভাল ভাবে বাঁচে, কেউ কেউ যেন তেন ভাবে বাঁচে, কেউ কেউ মোটামুটি বাঁচে। শেষ পর্যন্ত সেটা বাঁচার জন্যই বাঁচা। বেশীর ভাগ মানুষের মতো। অতি সাধারণের মতো। এবং পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এভাবে বাঁচতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছে। সে যত চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী বা যাই হোক না কেন। এমনকি কিছু কিছু রাষ্ট্র প্রধান, তথাকথিত জনগণের নেতাও এই দলে পরেন। দিন শেষে তাদের ব্যক্তিগত পার্থিব অর্জন হয়তো অনেক কিছু থাকে। কিন্তু মৃত্যুর সময় তাদের মহা মূল্যবান মানব জীবন যেনতেন ভাবে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নিশ্চয়ই অনেক আক্ষেপ থাকে। কি করলাম সারাটা জীবন? কার জন্য করলাম? কেন করলাম?
আর অল্প সংখ্যক সেই মানুষগুলো, যারা বাঁচার জন্য বাঁচে না। একটা কারণ তৈরী করে বাঁচে তাদের সংখ্যা অনেক কম। কারণ বাঁচার জন্য একটা স্বপ্ন তৈরী করা খুব সহজ ব্যাপার না। এবং জীবনের অনেক কিছু ছাড় দিয়ে, অনেক বড় বড় ত্যাগ স্বীকার করে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে জন্য বেঁচে থাকা অনেক অনেক কঠিন।
তার চেয়ে কঠিন সেই স্বপ্ন মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া, মানুষকে সেই স্বপ্নের অংশীদার করে নেয়া। কারণ, শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্নটা তো মানুষের জন্য, একটা সুন্দর পৃথিবীর জন্য। সত্যিকারের ধার্মিকদের জন্য স্রষ্ট্রার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য।
আজকে এই পর্যন্তই। এই বিষয়ে কথা চলতেই থাকবে ইনশাআল্লাহ।
যে যেভাবে বেঁচে থাকুন না কেন, সবাই সব সময় চমতকার থাকুন। নিজের যত্ন নিন। আর নিজেকে প্রশ্ন করুন - ”আমার জীবনটাকে আরো স্বার্থক, সুন্দর ও পরিপূর্ণ করার জন্য আমি আর কি করতে পারি?”।
সর্ব শক্তিমান সবাইকে ভাল রাখুন, সুস্থ রাখুন, সুখী রাখুন-সবার জন্য এই শুভ কামনা।

Free Positive Life Orientation Workshop for undergraduate studentsA life-changing event for the undergraduate studentsBy...
15/01/2025

Free Positive Life Orientation Workshop for undergraduate students
A life-changing event for the undergraduate students
By participating in psychological games and interactions in the workshop, you will learn to discover your values and utilize them for your benefit.
Date: To be chosen
Time: To be chosen
The workshop will be online using Google Meet
The workshop will be moderated by the clinical Psychologist Ms. Zohora Parveen and ABM Mizanur Rahman, Founder, Positive Bangladesh Initiative
The workshop is FREE of cost. No Registration fee is required.
If you have any queries, please visit: Positive Bangladesh Initiative page
To sign up please fill up the form below. We will send you a google meet link through email.
By filling up this form you are expressing your interest in participating in the workshop
https://forms.gle/t6CNCXtqzTvT2A8f9

হেরে যাব কেন? হারকে নিয়তিই বা মনে করবো কেন?হারতে চায় না কেউ, তবুও সবাই হারে।হারের তিক্ত স্বাদ আমাদের জীবনটাকে দুর্বিসহ ক...
30/12/2024

হেরে যাব কেন? হারকে নিয়তিই বা মনে করবো কেন?

হারতে চায় না কেউ, তবুও সবাই হারে।

হারের তিক্ত স্বাদ আমাদের জীবনটাকে দুর্বিসহ করে তোলে বিভিন্ন সময়। অনেকেই আছেন, যাদেরকে হারটা খুব সহজেই কাবু করে ফেলে। মনটা ভীষণ খারাপ হয়। মনে হয়, আমার সব শেষ হয়ে গেল। আমি আর ঘুরে দাড়াতে পারবো না। জীবনে কখনোই এমনটা মনে হয় হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুবই কষ্টকর হবে।

বাস্তব কথা হচ্ছে, মানুষ এই অবস্থা থেকেও ঘুরে দাড়ায় এবং জীবন চলতে থাকে। অনেকের মনে হতে পারে, হয়তো আগের মতো নয়। কিন্তু, হিসেব করলে দেখা যাবে, কখনো কখনো আগের চেয়েও অনেক ভালো।

আমি আসলে এসব কথা বলার জন্য এই লেখাটি শুরু করিনি। আমি একটু ভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে চাই। আর সেটা হলো-হারকে আমরা কতটুকু হার হিসেবে নেবো? জীবনে হারকে কীভাবে মূল্যায়ন করবো?

যদি কেউ মনে করেন-জ্ঞান দিচ্ছি-মনে করতে পারেন-কিন্তু আমি আসলে আমার জীবন থেকে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। আপনার অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে। কিন্ত আপনি যদি চান তো, আমার অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃতও হতে পারেন।

জীবনে অনেক হেরেছি, অনেককে হারতে দেখেছি। এখন হার থেকে শিখতে এবং ঘুরে দাড়াতে এবং হারকে জীবন বদলে দিতে কাজে লাগাতে শিখছি।

আপনি জীবনে অনেক বড় বড় হাররে সম্মুখীন হতে পারেন। মনে করতে পারেন-আপনার জীবনটা অর্থহীন, নিষ্ফল হয়ে গেলে। কিন্তু আপনি চাইলে একটু ভিন্নভাবেও দেখতে পারেন।

দেখা যাক-হারকে আমরা সাধারণত যেভাবে নিই-সেভাবে নিলে কি হতে পারে। প্রথমত হতে পারে আপনার প্রচন্ড মন খারাপ হবে, আপনি হাল ছেড়ে দেবেন, আর চেষ্টা করতে চাইবেন না। আমি বলছি না এটা খুব খারাপ কিছু। কিন্তু আমরা এটা করি। প্রায়ই করি।

এবার দেখা যাক-এই কাজটা করা ছাড়াও আমরা আর কি করতে পারি।

প্রথমে যেটা করতে পারি সেটা হলো হারকে খেলার একটি অংশ হিসেবে নিতে পারি। (ইংরেজীতে বললে হয়তো আরেকটু ভাল হতো- স্পোর্টিংলি শব্দটা বিষয়টা আরো ভাল বোঝায়)। যাই হোক। খেলা হিসেবে নিলে কি সুবিধা? সুবিধা হলো এই যে, একটা হারই আমাদের জীবনের সব কিছুতে পরিণত হবে না। কারণ, কোন একটা খেলায় হেরে যাওয়া মানে জীবনের সব কিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। বরং, পরবর্তীতে আরো ভাল প্রস্তুতি নিয়ে আরো ভাল করার সুযোগ থাকে, এমনকি খেলা পরিবর্তনের সুযোগও থাকে। সুতরাং- হারকে খেলার অংশ হিসেবে নিলে ম্যানেজ করতে বা ডিল করতে সুবিধা।

আচ্ছা, এবার দেখা যাক, খেলায় ভাল করার জন্য আমরা কি করতে পারি? তিনটা জিনিস করতে পারি:
এক: আগে থেকে খুব ভাল একটা প্ল্যান করে খুব ভাল প্রস্তুতি নিতে পারি
দুই: প্ল্যানটা খুব ভাল ভাবে কাজে লাগিয়ে হার এড়াতে পারি অন্য কথায় জিততে পারি।
তিন: যদি হেরেও যাই, সেটাকে খেলার অংশ হিসেবে নিয়ে, পাকা খেলোয়ারের মতো পরবর্তী খেলার জন্য আরো ভাল করে প্রস্তুত হতে পারি।

প্রত্যেকটি বিষয়টি নিয়ে লিখতে গেলে বিশাল বিশাল উপন্যাস লেখা যাবে। আমি যেহেতু উপন্যাস লিখতে পারি না বা জানি না তাই ছোট করে একটু লিখে দেই।

প্রথমতঃ প্ল্যান ব্যাপারটা অনেক ব্যাপক। আপনাকে ভাবতে হবে এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনি আসলেই খেলাটি খেলতে চান কিনা? যদি খেলতে চান কেন-এই খেলাতে অংশগ্রহণ করা বা জেতা আপনার জন্য কতটুকু প্রয়োজন বা গুরুত্বপূর্ণ? আপনি কি খেলাটি খেলার উপযুক্ত(কোয়ালিফায়েড)? এই খেলায় জেতার জন্য আপনার যা যা উপাদান বা উপকরণ প্রয়োজন তা কি আপনার আছে বা আপনি যথাসময়ে সংগ্রহ করতে পারবেন? এর জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নেয়ার জন্য যথেষ্ঠ সময় আপনি দিতে পারবেন কি? কি কি সমস্যা বা বাধা আসতে পারে? সেগুলো কিভাবে মোকাবেলা করবেন? এই খেলায় জেতার জন্য আপনার বিশেষ ভাল দিক কি-সেগুলো কিভাবে কাজে লাগাবেন? আপনার দুর্বলতাগুলোই বা কি -সেগুলো কিভাবে কাটিয়ে উঠবেন? আপনাকে এই বিষয়ে কে কে সঠিকভাবে সাহায্য করতে পারবে, তাদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে কার্যকর প্রস্তুতিমূলক সহায়তা নেয়া বা খেলা চলাকলীন বা খেলা পরবর্তী সময়ে সহায়তা নেয়ার জন্য তাদের প্রস্তুত করা। এক্সিট প্ল্যান থাকা। জয়ী না হতে পারলে কি কি ঘটতে পারে। সেগুলো কিভাবে মোকাবেলা করা হবে।

দ্বিতীয়তঃ মাঠ পর্যায়ে অর্থাত খেলা চলাকালীন সময়ে, প্ল্যান সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা এবং যেকোন সমস্যা (ভাল শব্দ হলো চ্যালেঞ্জ) প্ল্যান মোতাবেক মোকাবেলা করা। এবং জয়ী হওয়া।

তৃতীয়ত: জয়ী হলে তো হলেন, না হলে এক্সিট প্ল্যান কাজে লাগিয়ে পরবর্তী খেলার জন্য প্রস্তুত হওয়া অথবা অন্য খেলার জন্য প্ল্যান তৈরী করা।

পুরো বিষয়টি অনেকটা হালকা ধরণে, দুষ্টুমির ধাচে লেখা। কিন্তু কেউ যদি কাজে লাগাতে চায়, সে চাইলে সারা জীবন এটা কাজে লাগাতে পারে, জীবনটাকে পরিবর্তন করে নিতে পারে।

এই লেখাটির বিষয়ে আপনার সুচিন্তিত মতামত সাদরে গৃহীত হবে। কোন কিছু বাদ পড়ে থাকলে সেটা যোগ করা হবে, কিছু ভুল থাকলে বাদ দেয়া হবে।

বি:দ্র:- বিশ্বাসীদের জন্য দু'টো কথা। যদি স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন তাহলে মনে রাখবেন, আল্লাহ তাকেই সাহায্য করেন-যে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনে চেষ্টা করেন। আমি ভাগ্যকে পরিবর্তন করতে চাইনি, ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা পদ্ধতি বলতে চেয়েছি। যদি আল্লাহ চান তো পদ্ধতিতে কাজ হবে, আল্লাহ না চাইলে আপনি যতো চেষ্টাই করেন না কেন কিছুই হবে না। তবে, চেষ্টা না করলে যে কিছু হবে না সেটাও কিন্তু সত্যি। সুতরাং চেষ্টার পাশাপাশি আল্লাহর সাহায্য প্রার্থণা করতে ভুলবেন না। আর যদি এতো কিছু করার পরেও হার না এড়াতে পারেন তাহলে মনে করবেন-এটা আল্লাহর পরীক্ষা স্বরূপ। ধৈর্য়্য ধারণ করলে এবং আল্লাহর উপর আস্থা অটুট থাকলে, আল্লাহ নিশ্চয়ই আপনাকে ইহকালে অথবা/এবং পরকালে এর চেয়ে উত্তম প্রতিদান দান করবেন।

https://www.youtube.com/watch?v=pLqCksXE47Q

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Telephone

+8801614271717

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Positive Bangladesh Initiative posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Positive Bangladesh Initiative:

Share