Insight Bangladesh

Insight Bangladesh - দেশ বাঁচাও
মানুষ বাচাও।

13/03/2026

এমন সংকটের মুহুর্তে হরমুজ প্রণালীতে বাংলাদেশকে ইরানের সেইফ এক্সিট দেওয়ার বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?
একই সাথে ব্যারেল প্রতি ১০০/১১০$ দাম বেড়ে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশে জ্বালানির দাম আগের মতই আছে। এটাকে আমি বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে ধরবো।

বর্তমান সরকারের স্টার্টিং খুবই ভালো হয়েছে, এবং এটার প্রতিফলন চোখে পড়ার মতো। প্রশ্নবিদ্ধ করা(বিরোধীদলের উপহাস এবং ভ্রান্তি ভরা যুক্তি) ফ্যামিলিকার্ড বিতরণ, ঈদের আগেই দেশব্যাপী ইমাম মোয়াজ্জিনদের ভাতা দেওয়ার নিশ্চয়তা, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের মত জায়গায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সন্ত্রাসীদের ঘাটি উচ্ছেদ করা প্রশংসনীয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রী DGFI, NSI কে ইনভলভ করে তদন্ত সাপেক্ষে চাঁদাবাজির বিষয়ে তথ্য চেয়েছেন।

নির্বাচন হয়েছে এক মাস আগে, এরই মাঝে প্রধানমন্ত্রীর চমৎকার কিছু উদ্যোগ এবং অভ্যাস আমাকে অভিভূত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর দেখাদেখি মন্ত্রিপরিষদ সবাই নিয়মতান্ত্রিক হয়ে উঠেছে, যেটা পূর্বে কেও সেভাবে দেখেনি।

আমি এই সরকার নিয়ে খুবই আশাবাদী। আমার বিশ্বাস এই সরকার জনগণের প্রশংসা কুরাবে ইনশাল্লাহ।


সংঘাত নয় শান্তি চাই
14/02/2026

সংঘাত নয় শান্তি চাই

20/01/2026
20/01/2026

২৬ হাজার কোটি টাকা!!!!

জাশি ও এনসিপি ছড়াচ্ছে বিএনপির প্রার্থীরা নাকি ২৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ খেলাপি করে রাখসে। কিন্তু এই নাম্বারের পক্ষে প্রমাণ দিতে পারবে না। জাস্ট মানুষের মাথা হ্যাং করে দেয়ার জন্য একটা বিশাল এস্ট্রোনমিকাল নাম্বার বলে দিবে।

এরা একটা দাবী করবে এবং সেইটা মিথ্যা হবে না। তা হবে না।

যেখানে যেখানে এই নাম্বারটা দেখবেন, প্রমাণ চাবেন। দেখবেন গাইগুই শুরু করসে।

***
ম্যাক্সিমামগুলো ব্যবসাও বুঝে না। অর্থনীতিও বুঝে না।

দুনিয়ায় ঋণ ছাড়া ব্যবসা চলে না। ইনভেস্টমেন্ট হবে না। ঋণ আর খেলাপি ঋণ ভিন্ন জিনিস।

বিএনপির অনেক প্রার্থীদের ঋণকে আবার বলছি ঋণকে খেলাপি দাবী করে নির্বাচন কমিশনে হাসনাতরা আপিল করেছে - এমনই মিথ্যুক।

***

দুইটা এক্সাম্পল দেই।

***

আব্দুল আওয়াল মিন্টুর ব্যক্তিগত সম্পত্তির পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকার উপর। ব্যক্তি হিসেবে আয়কর দিয়েছেন ৪০ লাখ টাকার মত, গত বছর।

উনার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ঋণ ২৯৪ কোটি টাকা (খেলাপি না)। শুধু উনার লাল তীরের গত বছরের রেভিনিউ ৫০০ কোটি টাকার উপর।

ব্যাংক উনাকে ঋণ দিবে না তো কাকে দিবে? যেকোন প্যারামিটারেই ব্যাংক উনাকে ঋণ দিবে, কারণ উনাকে দেয়া ঋণ ঝুকিমুক্ত।

এখন হাসনাতরা উনার বিরুদ্ধে আপিল করছে ঋণ খেলাপি বলে। ঋণ আর ঋণ খেলাপির মধ্যে পার্থক্য বুঝ।

দুনিয়ার ব্যবসা বানিজ্য ইনভেস্টমেন্ট সব চলে ঋণের টাকায়। একটা দেশের অর্থনীতির সুস্থতা দেখা হয় ঋণ কেমন নিচ্ছে লোকজন তার উপর।

ওরা ব্যবসাও বুঝে না, অর্থনীতিও বুঝে না। বুঝে শুধু হাউকাউ আর ত্রাণের টাকা মেরে দেওয়া।

আব্দুল আওয়াল মিন্টু নাকি হাসনাতকে ব্লাডি বলেছে, যদিও হাসনাতরা প্রমাণ দিতে পারে নাই।

আমি হলে তো, মিথ্যা এলিগেশন আনার..................।।

***

দুই নাম্বার আসলাম চৌধুরীরা বনেদি ও পারিবারিক ব্যবসায়ী। সুদসহ উনার ঋণের পরিমাণ হয়েছে - ১৬০০ কোটি টাকা।

আসল টাকা ১৬০০ কোটি না। আসল টাকা অইটা মেবি ৪০০ কোটি টাকার মত ছিলো।

এই ঋণটাও নেয়ে হয়েছিলো ২০০৯ সালের আগে। এরপরে উনি জেলে ছিলেন। ব্যবসা সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ঋণের টাকা সুদে আসলে বেড়ে ১৬০০ কোটি টাকা হয়েছে।

উনি উনার ঋণ রিশিডিউল করেছেন। উনিও আইন অনুযায়ী এখন ঋণ খেলাপি নন।

***
ঋণ আর খেলাপি ঋণ এর পার্থক্য বুঝে না যারা এরা সব নেমে পরেছে চরিত্র হননে।

বিএনপির এই ঋণের চিত্র আর আওয়ামী লীগের এস আলম গ্রুপের ঋণের চিত্র আর জামাতের নাবিল গ্রুপের ঋণের চিত্র এক না।

বিএনপির কেউ কেউ ১৬ বছর ব্যবসা বানিজ্য না করতে পারার কারনে ঋণ খেলাপি হয়েছেন। এবং এখন তারা ব্যাংকের টাকা কিছু কিছু শোধও করেছেন।

আবার কেউ কেউ ঋণ খেলাপিও না।

ব্যাংক থেকে কিস্তি নিলেই কি ব্যাংক কাউকে জেলে নিবে? নাকি কিস্তি না দিলে জেলে নিবে?

এই যে দেশের হাজার হাজার লোক স্যালারির বিপরীতে ঋণ নেয়। এরা সবাইকে কী আপনি অপরাধী বানাতে পারেন?

স্টুপিড আর ধান্ধাবাজ না হলে পারেন না।

এস আলম আর নাবিল গ্রুপ চটপটির দোকানের বিপরীতেও কয়েক হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এসব টাকা আর কোন দিন ব্যাংকে ফিরবে না। এইগুলো হচ্ছে অপরাধ।

আপনি ঋণ নিচ্ছেন, ইনভেস্টমেন্ট করছেন, নতুন কর্ম সৃষ্টি করছেন, কিস্তি দিচ্ছেন - এসব হচ্ছে সুস্থ অর্থনীতির চালিকা শক্তি।

20/01/2026

কেমন হয়েছে জামাত বিএনপির পলিসি ?

১️⃣ স্বাস্থ্য খাত

* **জামাত (২৬ পলিসি)**:

* স্বাস্থ্য খাতে মোট বাজেট বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে গুরুত্ব।
* তবে মূলত প্রাইভেট সেক্টরকে উৎসাহ দিয়ে, কম সরকারি ব্যয় বৃদ্ধির ওপর জোর।
* বাস্তবতা: প্রাইভেট সেন্টার বেশি হলে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সহজলভ্যতা কমে যায়।

* **বিএনপি (৩১ দফা)**:

* স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫% বরাদ্দ।
* সরকারি হাসপাতাল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর শক্তি বাড়ানো।
* বাস্তবতা: সরকারি বাজেট বাড়লে জনগণ সাশ্রয়ী সেবা পায়; দীর্ঘমেয়াদে টেকসই।

**✅ বাস্তবিক দিক থেকে: বিএনপির স্বাস্থ্য নীতি বেশি কার্যকর ও জনগণমুখী।**

---

# # # ২️⃣ শিক্ষা খাত

* **জামাত**:

* শিক্ষা খাতে কিছু পলিসি, যেমন ধর্মীয় শিক্ষা ও কিছু টেকনিক্যাল শিক্ষায় জোর।
* সরকারি খাতে বরাদ্দ তুলনামূলক কম।
* বাস্তবতা: শিক্ষার সুযোগ সর্বজনীন হয় না, বেশি ভর্তুকি বা সরকারি স্কুল শক্তিশালী হয় না।

* **বিএনপি**:

* শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫% বরাদ্দ।
* সরকারি স্কুল-কলেজ ও উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগ।
* বাস্তবতা: অধিকাংশ মানুষের জন্য প্রাপ্য শিক্ষা, শিক্ষার মানও বৃদ্ধি পায়।

**✅ বাস্তবিক দিক থেকে: বিএনপির শিক্ষা নীতি দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর।**

---

# # # ৩️⃣ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান

* **জামাত**:

* প্রাইভেট সেক্টরের উন্নয়ন ও বিনিয়োগে জোর।
* শ্রমিক এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য স্পষ্ট নীতি কম।
* বাস্তবতা: বড় কোম্পানি উপকৃত হতে পারে, সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান সীমিত।

* **বিএনপি**:

* ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) ও স্থানীয় উদ্যোক্তা সহায়তা।
* ট্যাক্স, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার প্রস্তাব।
* বাস্তবতা: স্বল্পমেয়াদে ফলাফল কম, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতিতে প্রভাব বেশি।

**✅ দীর্ঘমেয়াদে বেশি কার্যকর: বিএনপি। ছোট-গড় উদ্যোগে ফোকাস।**

---

# # # ৪️⃣ সামাজিক কল্যাণ

* **জামাত**: সামাজিক কল্যাণ মূলত ধর্মীয় ও সীমিত প্রকল্পের মাধ্যমে।
* **বিএনপি**: সামাজিক সুরক্ষা, বয়স্ক ভাতা, খাদ্য ও বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা।
* বাস্তবতা: সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিএনপির নীতি বেশি কার্যকর।

উপসংহার:
বৈশ্বিক এবং স্থানীয় বাস্তবতার দিক থেকে, **স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অর্থনীতি এবং সামাজিক কল্যাণে বিএনপির ৩১ দফা বেশি বাস্তবমুখী ও কার্যকর**, আর জামাতের ২৬ পলিসি মূলত প্রাইভেট ও ধর্মনির্ভর, যা সাধারণ জনগণের জন্য সীমিত সুবিধা দেয়।

20/01/2026

আওয়ামী শাসনামলে তামাশার নির্বাচনের আগে স্বৈরাচারের মন্ত্রীরা দিল্লিতে ছুটে যেত। এখন একই প্রবণতা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনৈতিকদের মাঝে।

গতরাতে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, তাঁর হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও আরো একজন কূটনীতিক এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট এআই ২৩৮ এ দিল্লির উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন (রাত ২১৫০ ঘন্টায়)।

আসন্ন জাতীয় নিবার্চনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে কোন প্রয়োজনে তাঁদের ভারত যেতে হলো এবং সেখানে তাঁরা কাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন, স্বচ্ছতার কারণে সেসব প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি তাঁরা নিজ উদ্যোগেই তা করবেন।

#ভারত
#আমেরিকা
#নির্বাচন

ট্রাম্প 😜  #ট্রাম্প  #আমেরিকা
19/01/2026

ট্রাম্প 😜

#ট্রাম্প
#আমেরিকা

19/01/2026

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহত মোতালেব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) হতে প্রেষণে র‍্যাবে ডিএডি (ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর) হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূল এলাকায় অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আরও কয়েকজন র‍্যাব সদস্য আহত হয়েছেন এবং অন্তত তিনজন সদস্যকে সন্ত্রাসীরা জিম্মি করে রেখেছে বলে নিরাপত্তা বাহিনীর বরাতে জানা গেছে।

তাঁদের উদ্ধারে অত্র এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।


মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে এরদোয়ানের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।সিরিয়ায় কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী এসডিএফ এর প্রভাবমু...
19/01/2026

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে এরদোয়ানের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

সিরিয়ায় কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী এসডিএফ এর প্রভাবমুক্ত করা ছিল তুরস্কের দীর্ঘ দিনের প্ল্যান, কিন্তু ইসরাইল আমেরিকার কারণে সেটা হয়ে উঠছিল না। যখন পুরো বিশ্ব ইরানের ভেতরের অস্থিরতা নিয়েই ব্যস্ত, তখন তিনি সবচেয়ে বড় দান মারলেন ।

এটা ছিল সঠিক সময় বেছে নেওয়ার রাজনীতি। বিশ্বের দৃষ্টি যখন তেহরানের দিকে, তখন এরদোয়ানের সহায়তায় আশ শারা একদিকে আলোচনার দরজা খোলা রাখেন, আবার অন্যদিকে প্রয়োজনীয় সামরিক অভিযান চালান। আমেরিকা তার পরবর্তী রাজ ধরে রাখার জন্য এক প্রকার বাধ্য হয়েই আশ শারার ডিপ্লোম্যাসিতে ধরা দেয় ।

একদিকে ডিগ্রি জারি করে কুর্দি সাধারণ মানুষের জন্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা দেওয়া হয়, অপরদিকে এসডিএফ নেতৃত্বকে ছাড় না দিয়ে এটাকিং শুরু করে মাত্র ২৪ ঘন্টায় ৮০ পার্সেন্ট এলাকা এসডিএফ মুক্ত করে ।

ফলে বড় কোনো আন্তর্জাতিক বাধা তৈরি হওয়ার আগেই পুরো চিত্র পাল্টে যায়। এর ফলাফল—গত ১২ বছর ধরে যে আলাদা রাষ্ট্র বা স্বায়ত্তশাসনের স্বপ্ন দেখানো হচ্ছিল মার্কিন ইসরাইল অক্ষ থেকে, তা মাত্র একদিনেই ভেঙে পড়ে।

এই ঘটনা মনে করিয়ে দেয়—
রাজনীতিতে সবসময় শক্তি বড় বিষয় না,
অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময় ও সঠিক কূটনৈতিক তৎপরতা সবচেয়ে বড় শক্তি।
নীরবে হলেও এরদোয়ান ও আশ শারা এখানে বড় একটি রাজনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছেন।


#মধ্যপ্রাচ্য
#ক্ষমতা

18/01/2026

❗ **আপনি কি আরেকটা ১৪/২৪ মার্কা “সমঝোতার নির্বাচন” দেখার জন্য প্রস্তুত?**

খুব নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে—প্রশাসন ও জামায়াত মরিয়া হয়ে উঠেছে আরেকটি পূর্বনির্ধারিত নির্বাচনের পথে হাঁটতে। সংশ্লিষ্ট মহলে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে, সরকার চাইছে **বিএনপি–জামায়াত সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন** আয়োজন করতে।

🔴 মূল শর্ত একটাই—
**বিএনপি যেন কোনোভাবেই ২০০+ আসনে জয়ী হতে না পারে।**

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রশাসন, সরকার এবং বিদেশি মহলের চাওয়া একসুরে মিলেছে বলেই জানা যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আজও প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল। সূত্র বলছে, ইউনুসের মাধ্যমে তারা বিএনপির কাছে **ন্যূনতম ১২০টি আসনের নিশ্চয়তা** দাবি করেছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও বিএনপির হাই-কমান্ডের কাছে এমন একাধিক বার্তা পৌঁছালেও বিএনপি এখনো কোনো আপসের অবস্থান স্পষ্ট করেনি।

⚠️ অন্যদিকে,
১২০ আসনের নিশ্চয়তা না পেলে **নির্বাচন বর্জনসহ কঠোর পদক্ষেপে যেতে জামায়াতকে চাপ দিচ্ছে নাগরিক পার্টি**।
তবে জামায়াত এই মুহূর্তে নির্বাচন বর্জনে রাজি নয়—এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা।

🩸 **হাজারো শহীদের রক্তে অর্জিত গণতন্ত্র নিয়ে এভাবেই কি ছক কষা হবে?**
🗳️ এটা কি নির্বাচন, নাকি আরেকটা সাজানো নাটক?

👉 আপনার মতামত কী?
কমেন্টে লিখুন। চুপ থাকলে সিদ্ধান্ত অন্যরাই নেবে।

#নির্বাচন
#প্রহসন

রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের আভাস: জামায়াত–এনসিপি সম্পর্কে টানাপোড়েনহাসনাত–সারজিস বাদে এনসিপির নেতাদের জামায়াত ছাড়ার ...
18/01/2026

রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের আভাস: জামায়াত–এনসিপি সম্পর্কে টানাপোড়েন
হাসনাত–সারজিস বাদে এনসিপির নেতাদের জামায়াত ছাড়ার আলোচনা জোরালো





ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ইসরায়েলি গণহত্যার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প প্রশাসনের তথাকথিত **২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা** সামনে আসে, যা...
18/01/2026

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ইসরায়েলি গণহত্যার প্রেক্ষিতে ট্রাম্প প্রশাসনের তথাকথিত **২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা** সামনে আসে, যার আগের সংস্করণ ছিল ব্যর্থ **“ডিল অফ দ্য সেঞ্চুরি”**। এই ২০ দফার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো **Gaza Stabilization Force**—বিভিন্ন দেশের সেনা নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী। সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এই বাহিনীতে সেনা পাঠানোর বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন, যা গভীর উদ্বেগজনক।

ব্রিটিশ পত্রিকা *দ্য গার্ডিয়ান*–এর হাতে আসা লিক ডকুমেন্ট অনুযায়ী, গাজাকে **রেড জোন** ও **গ্রীন জোন**—এই দুই ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গ্রীন জোন থাকবে ইসরায়েল ও আন্তর্জাতিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে; কেবল ইসরায়েল অনুমোদিত ফিলিস্তিনিরাই সেখানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বসবাস করতে পারবে এবং সীমিত পুনর্গঠন হবে।
অন্যদিকে অধিকাংশ গাজাবাসী থাকবে রেড জোনে, যেখানে কোনো পুনর্গঠনের পরিকল্পনাই নেই।

এই পরিকল্পনায় গাজার নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিনি অথোরিটির হাতে থাকবে না; বরং কিছু পরিবার ও লোকাল অ্যাক্টরের মাধ্যমে শাসন চলবে। কোনো প্রতিরক্ষা বাহিনী থাকবে না—শুধু সীমিত একটি পুলিশ ইউনিট।

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার ABC নিউজ ফাঁস করা আরেকটি লিক ডকুমেন্টে (Tony Blair Institute প্রস্তুতকৃত) **GAIA (Gaza International Transitional Authority)**–র কথা বলা হয়েছে। এখানে একটি আন্তর্জাতিক বোর্ড গাজা শাসন করবে, যেখানে বিলিয়নিয়ারদের আধিপত্য থাকবে, অথচ ফিলিস্তিনিদের ভূমিকা থাকবে প্রায় নামমাত্র।

সব মিলিয়ে এই ২০ দফার মূল উদ্দেশ্য স্পষ্ট—
১) ফিলিস্তিনিদের বিভক্ত করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
২) ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার পুরোপুরি উপেক্ষা করা
৩) আন্তর্জাতিক বাহিনীর মাধ্যমে ইসরায়েলি দমন-পীড়নকে বৈধতা দেওয়া

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে এই প্রকল্পে জড়ানোর চেষ্টা **অত্যন্ত বিপজ্জনক**। বর্তমান সরকার এই ধরনের দূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত নেওয়ার নৈতিক ও রাজনৈতিক অধিকার রাখে কি না, সেটাও বড় প্রশ্ন।

ফিলিস্তিনিদের শোষণের যেকোনো মেকানিজমে বাংলাদেশকে যুক্ত করার এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানাই




Address

Dhaka
1218

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Insight Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share