The Voice of Dacope

The Voice of Dacope The Voice of Dacope is an unique community of Dacope. The Voice of Dacope

দক্ষিণ জনপদের আলোকিত পুরুষ, স্বর্গীয় সুরেন্দ্র নাথ রায়ের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি 💐💐বাজুয়া উচ্চ বিদ্যালয়,...
14/11/2025

দক্ষিণ জনপদের আলোকিত পুরুষ, স্বর্গীয় সুরেন্দ্র নাথ রায়ের ৫৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি 💐💐

বাজুয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা বিদ্যালয়, ডাকঘর, চিকিৎসা কেন্দ্র, ছাত্রাবাস, অন্নছত্র সহ- এই অঞ্চলের বহু জনহিতকর কাজ তাঁরই অবদান!!
১৯৭২ সালে বাজুয়াতে প্রতিষ্ঠিত সুরেন্দ্রনাথ কলেজ—দক্ষিণ জনপদের প্রথম উচ্চশিক্ষার দ্বার—যা আজ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পরিণত হয়ে হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্নপথ আলোকিত করছে। এই প্রতিষ্ঠানই গড়ে তুলছে শিক্ষিত, সচেতন ও প্রগতিশীল এক জনপদ।

মানবকল্যাণে তাঁর অসামান্য অবদান আমরা আজীবন স্মরণ করবো। তাঁর প্রতি আমরা দক্ষিণ জনপদ চিরকৃতজ্ঞ 🙏💐

আমাদের দাকোপের ২০২৫ এইচ.এস.সি. পরীক্ষার ফলাফল!!ফলাফল এতো খারাপ হওয়ার কারণ কি?
16/10/2025

আমাদের দাকোপের ২০২৫ এইচ.এস.সি. পরীক্ষার ফলাফল!!
ফলাফল এতো খারাপ হওয়ার কারণ কি?

বাজুয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য মন্ডল ঐশী মর্যাদাপূর্ণ প্রেসিডেন্ট স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে!! এটি...
21/09/2025

বাজুয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য মন্ডল ঐশী মর্যাদাপূর্ণ প্রেসিডেন্ট স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে!!
এটি একজন স্কাউট সদস্যের জীবনে সর্বোচ্চ সম্মান যা তার শৃঙ্খলা ,অধ্যবসায় ,সেবা ,মেধা ও নেতৃত্বের উজ্জ্বল প্রতিফলন। আমরা তার এই অনন্য সাধারণ কৃতিত্বের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং তার সুদীর্ঘ জীবন চলার পথ এই রূপ আরো সাফল্যের পরশে উদ্ভাসিত হোক, সেই কামনা করছি। ঐশ্বর্য যেন আগত দিনগুলোতে দেশ, সমাজ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিবেদিত করতে পারে, সেই প্রত্যাশা রাখছি। সেই সাথে এই সাফল্য অর্জনের পথ চলায় যারা ঐশ্বর্যের সাথে ছিল তাদের সকলকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

Courtesy: Biswajit Dey Sir

শুভ সকাল, দুপুর, রাত দেখতে দেখতে জীবন শেষ!   সাথে ভাইরাল  # ট্যাগ সহ কত কি যে ট্যাগ!! আবার অনেকে স্বামী স্ত্রী মিলে শুরু...
20/09/2025

শুভ সকাল, দুপুর, রাত দেখতে দেখতে জীবন শেষ!
সাথে ভাইরাল # ট্যাগ সহ কত কি যে ট্যাগ!! আবার অনেকে স্বামী স্ত্রী মিলে শুরু করেছে, সবাই অসুস্থ ভাইরাল হতে চায়, সবাই সেলিব্রেটি! কত কি যে দেখতে হবে.........

দাকোপের ইতিহাসঃ পর্ব- ৫দাকোপের খেয়াঘাট ও খেয়ানৌকা-ডক্টর প্রণব কুমার রায়খেয়াঘাটের প্রসঙ্গ হলেই খেয়ানৌকার চিত্র আমাদের সাম...
18/05/2025

দাকোপের ইতিহাসঃ পর্ব- ৫
দাকোপের খেয়াঘাট ও খেয়ানৌকা
-ডক্টর প্রণব কুমার রায়

খেয়াঘাটের প্রসঙ্গ হলেই খেয়ানৌকার চিত্র আমাদের সামনে ভেসে ওঠে। কবি-সাহিত্যিকদের নানান কাব্যে ও গল্পে খেয়া নৌকা বা খেয়া তরীর কথা বর্ণিত হয়েছে। বিশেষত কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'খেয়া' কাব্যগ্রন্থে তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত হয়েছে। খেয়া বা নৌকা শুধু মানুষের পারাপারের মাধ্যম নয় বরং এর তাৎপর্য সুগভীর। এপার-ওপার এ তো জীবন-মৃত্যুর দুটি কিনারা। জীবনের পার হতে পরপারে যেতে হলে তো 'খেয়া' দরকার। 'খেয়া'- এ তত্ত্বের প্রতিভূরূপে জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে সংযোগ সেতু রচনা করে। কবি জসীম উদ্দীন তাঁর 'নিমন্ত্রণ' কবিতায় 'খেয়া' নৌকার কথা ব্যক্ত করেছেন এভাবে-

'বাঁকা ফাঁদ পাতি টানিয়া আনিছে দুইটি তটের হিয়া'

দাকোপ থানায় যখন ১৩০১ বঙ্গাব্দে (১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দ) জঙ্গলাকীর্ণ ভূমির আবাদ শুরু হয় তখন পারস্পরিক যোগাযোগের প্রধান এবং প্রথম মাধ্যম ছিল খেয়ানৌকা। পশর, ভদ্রা, শিবসা, ঢাকী, চুনকুড়ি, ঢাংমারী ও পানখালী নদী বেষ্টিত তিনটি দ্বীপের সমাহার দাকোপ থানা। এছাড়া দ্বীপের অভ্যন্তরে ছোট-ছোট বেশ কয়েকটি খেয়া ছিল যা এখন নেই। প্রত্যেক দ্বীপে বেড়ি বাঁধ সৃষ্টি হওয়ায় এবং ভিতরে ব্রিজ নির্মিত হওয়ায় ছোট খেয়া আর নেই। শুধুমাত্র বড় নদীতে খেয়া আছে যা এখন ইঞ্জিন চালিত।

দাকোপের সবচেয়ে বড় দ্বীপ ৫ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। বাণীশান্তা, লাউডোব, কৈলাশগঞ্জ, দাকোপ ও বাজুয়া ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত দ্বীপটির পূর্বদিকে পশর নদী, উত্তরে চুনকুড়ি ও ভদ্রা, পশ্চিমে ভদ্রা এবং দক্ষিণে সুন্দরবনের প্রান্ত ঘেঁষে ঢাংমারী নদী রয়েছে। এ দ্বীপে রয়েছে বেশ কয়েকটি খেয়াঘাট। তা হলো পশর নদীতে বাণীশান্তা বাজার, ক্যাম্পের ঘাট, কাটাখালী, লাউডোব, বাজুয়া ও চালনা। চুনকুড়ি নদীতে পোদ্দারগঞ্জ, দাকোপ, ভদ্রা নদীতে কালীনগর, ধৌপাদী, রামনগর ঠাকুর রাড়ি এবং সর্বশেষ সুতারখালী ফরেস্ট অফিস খেয়াঘাট। এ খেয়াঘাট গুলির মধ্যে বাজুয়া ও পোদ্দারগঞ্জ খেয়াঘাট দিয়ে সবচেয়ে বেশি লোকজন পার হয়। সম্প্রতি লাউডোর খেয়াঘাটে ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে। পোদ্দারগঞ্জ খেয়াঘাটে ফেরি সার্ভিস চালু হয়েছে অনেক আগে। খেয়াঘাট গুলি 'ডাক' এর মাধ্যমে বছরের নিদিষ্ট সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের দপ্তরে রাজস্ব জমা দিয়ে বন্দোবস্ত হয়। এ দ্বীপের অভ্যন্তরে বড় বড় খাল ছিল যা পারাপার হতে ছোট ছোট খেয়া ঘাট ছিল। সর্বশেষ খেয়াঘাট ছিল হরিণ টানা, ধোপাদী ও বাজুয়ার মিলনস্থল ত্রিমোহনী নামক স্থানে। বেশ কয়েক বছর পূর্বে বাজুয়া ও হরিণটানা ঋষি পাড়ার মধ্যে সেতু নির্মিত হওয়ায় নৌকা পারাপার চিরতরে লুপ্ত হয়েছে।

ঢাকী নদীতে খেয়া ঘাটগুলি হচ্ছে- দাকোপ, বটবুনিয়া, কালীবাড়ি ও জয়নগর। শিবসা নদীর খেয়াঘাট হলো শান্তা, গুনারী ও নলীয়ান খেয়াঘাট।

দুটি ইউনিয়ন বেষ্টিত তিলডাঙ্গা ও পানখালি ইউনিয়নে শিবসা ও পানখালি নদীতে বিদ্যমান খেয়া ঘাটগুলির নাম:- পান খালি ও মোজামনগর।

হাটবারে এবং বিশেষ পর্ব উপলক্ষে খেয়াঘাট গুলিতে বেশি লোক নৌকায় পারাপার হয়। নৌকায় উপচে পড়া ভিড়ে ভদ্রা ও পশর নদীতে বেশ কয়েকবার নৌকা ডুবি হয়েছে। মোংলা পোর্টে কাজ করার সুযোগ থাকায় দ্রুততম সময়ে পার হওয়ার কারনে এবং নৌকায় যাত্রী পারাপারের নিদিষ্ট নিয়ম না থাকায় পশর নদীতে নৌকা ডুবি হয়।
সম্প্রতি দিগরাজ কোস্টগার্ড কর্তৃক বাজুয়া দিগরাজ খেয়ায় নিদিষ্ট সংখ্যার বাইরে কোনো যাত্রী তোলা যাবে না এমন কঠোর নিয়ম আরোপিত হয়েছে। বাজুয়া খেয়াঘাটে দৃষ্টিনন্দন যাত্রী ছাউনী নির্মিত হয়েছে। সেখানে শৌচাগার এবং পুরুষ ও মহিলার জন্য পৃথক বসার ব্যবস্থা রয়েছে। বাজুয়া খেয়াঘাটটি লোকমুখে 'বাজুয়া খেয়াঘাট নামে বহুল পরিচিত। খুটাখালী বাজারে অবস্থিত কিন্তু

সম্প্রতি কালিনগর দাকোপ পারের সংযোগকারী ভদ্রা নদীতে সেতু নির্মিত হয়েছে। খেয়া নৌকা হয়তো একদিন লুপ্ত হয়ে যাবে। নতুন প্রজন্মের সন্তানরা আর কালীনগর খেয়াঘাট দেখতে পাবে না। নৌকা ওপারে থাকলে এপারে প্রতীক্ষা করতে হয়। বসে গল্প করা, পারস্পরিক পরিচয় হওয়া, পার হওয়ার আগে বা পরে খেয়া পারের কড়ি পরিশোধ করার পালা আর থাকবে না। গ্রাম্য বয়স্ক মহিলারা অনেক সময় খেয়া নৌকা পার হওয়ার সময় নদীতে দুধ, জল বা মিষ্টি অর্পণ করে নদীরূপ মা গঙ্গা দেবীকে। সকলে বলে' পারের কড়ি মাঝিকে দিতে কার্পণ্য করো না।' আগে নৌকায় বৈঠা ও দাঁড় থাকতো। এখন সব নৌকা- ইঞ্জিন চালিত। এখন আর দাঁড়-বৈঠার বালাই নেই। শুধু থাকে একটি বাঁশের লগি।

অনন্তকাল ধরে বয়ে চলেছে এ নদীগুলি। আর নদীর খেয়া ঘাটগুলি প্রভাত হওয়ার সাথে সাথে জীবন্ত হয়ে ওঠে। উৎসব বা হাটবারের দিনে খেয়াঘাট জনতার ভিড়ে হয়ে ওঠে কলমুখর। সন্ধ্যা নামে। নীরব হয়ে যায় খেয়াঘাট। খেয়াঘাট পার হয়ে সেই অনাদিকাল হতে এসেছে মানুষ। যমুনা নদীতে ধীবর কন্যা মৎস্যগন্ধাও পার করেছিলেন পরাশর মুনিকে এই খেয়া নৌকায় করে। তাঁদের মিলনে জন্ম হয়েছিল মহর্ষি বেদব্যাসের। নদী, খেয়াঘাট ও খেয়া নৌকাকে কেন্দ্র করেই তো এ মহর্ষির জন্ম যিনি রচনা করেছিলেন মহাকাব্য মহাভারত এবং তার ফলে সৃষ্টি হয়েছিল এক মহাকাব্যিক সভ্যতা। মধ্যযুগে ঈশ্বরী পাটুনীও খেয়া নৌকায় পার করেছিলেন দেবী অন্নদাকে। ঈশ্বরী পাটুনী বর প্রার্থনা করেছিলেন আর দেবী তাঁর মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেছিলেন। মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র তাঁর বিখ্যাত 'অন্নদা মঙ্গল' কাব্যে বিষয়টি বর্ণনা করেছেন এভাবে-

প্রণমিয়া পাটুনী কহিছে যোড় হাতে

আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।

তথ্যস্তু বলিয়া দেবী দিলা বরদান

দুধে-ভাতে থাকিবেক তোমার সন্তান।

সুতরাং খেয়াপারকে কেন্দ্র করেই তো পয়ার ছন্দে রচিত হয়েছে এমন পঙতিমালা।

তাই খেয়া নৌকায় যে শুধু সাধারণ লোকজন পার হয় তা নয়। মনুষ্যরূপী দেবীও পার হন। ধনী-গরীব, ছোট-বড়, সাদা-কালো সকলের আগমন ঘটে এ খেয়া ঘাটে। পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক সাথে দ্রুত উঠে পড়ে খেয়া নৌকায়। কারো যেন তর সয় না। নদীতে তুফান উঠলে মায়েরা নিচু হয়ে গঙ্গা নাম স্মরণ করে। সন্তানদের জোরে বুকে জড়িয়ে ধরে। নৌকা তীরে এলে স্বস্তি পায়, মহাতৃপ্তি অনুভব করে। অসহায়-দুর্বল যাত্রীকে হাত ধরে নৌকা থেকে নামিয়ে আনে। নিশ্চিন্ত মনে যে যার মতো চলে যায়। মাঝি প্রতীক্ষা করে নতুন যাত্রীর অপেক্ষায়। ধীরে ধীরে আবার খেয়া নৌকা যাত্রীতে ভরে যায়। বাজুয়া, কালীনগর, দাকোপের খেয়াঘাটের মাঝিরা নৌকা ছেড়ে দেয় পরপারের উদ্দেশ্যে। এ খেয়া নৌকাই তো তাদের জীবন জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, প্রেম-ভালবাসা, মিলন-বিরহের বহু স্মৃতি জড়িয়ে আছে এ খেয়াঘাট ও খেয়া নৌকা ঘিরে।

Courtesy: DrPronab Kumar Roy

মঙ্গল- অমঙ্গলের নদী ভদ্রা!-ডক্টর প্রণব কুমার রায়দাকোপ উপজেলার পূর্ব সীমানার নদী পশর আর পশ্চিম সীমানায় শিবসা নদী। পূর্ব প...
14/05/2025

মঙ্গল- অমঙ্গলের নদী ভদ্রা!
-ডক্টর প্রণব কুমার রায়
দাকোপ উপজেলার পূর্ব সীমানার নদী পশর আর পশ্চিম সীমানায় শিবসা নদী। পূর্ব পারে মোংলা আর পশ্চিম পারে পাইকগাছা উপজেলা। তিনটি দ্বীপের সমষ্টি দাকোপ। পশর নদীর সন্নিকটস্থ চালনার দক্ষিণ পাশ দিয়ে কূল কূল রবে পশ্চিম দিকে বয়ে চলেছে চুনকুড়ি নদী। দাকোপ ওয়াপদা অফিসের পূর্বে 'খনা' নামক স্থানে চুনকুড়ি নদী মিলিত হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে বয়ে আসা ঢাকী ও ভদ্রা নদীর সাথে। বস্তুত ভদ্রা-ঢাকী ও চুনকুড়ি নদীর সঙ্গমস্থল হচ্ছে দাকোপের 'খনা' নামক স্থান। পূর্বে এখানে ছিল দাকোপ থানা বা প্রশাসনিক দপ্তর। নদী গর্ভে বিলীন প্রাচীন দাকোপ থানা। আজ শুধু তিন নদীর কল কল ধ্বনি। স্থাপত্যের কোন নিদর্শন নেই এখানে। প্রবীণ ব্যক্তিরা নদী পথে চলার সময় স্মৃতি রোমন্থন করে বলেন, "ঐ খনার পারে একদিন থানা ছিল, হাসপাতাল ছিল। আজ নদী গর্ভে সব বিলীন।"

ঢাকী নদীর সহোদরা ভদ্রা নদী পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দাকোপ হাই স্কুল বামে রেখে এগিয়ে চলেছে কামারখোলা ইউনিয়নের থান্দারের ভাঙ্গন নামক স্থানে। এরপর সোজা দক্ষিণে বাঁক নিয়ে কালীনগর বাজার ডানে রেখে রামনগর, শ্রীনগর অতিক্রম করে একপারে সুন্দরবন, অপর পারে সুতারখালী ইউনিয়নের পাশ ঘেঁষে এঁকে বেঁকে বিচিত্র ভঙ্গিমায় কালাবগী নামক স্থান অতিক্রম করার পর শিবসা নদীতে মিলিত হয়ে ভয়াল রূপ ধারন করেছে।

ভদ্রা নদী পারের মানুষ মনের দুঃখে বলে, "ভদ্রা গাঙ যতটা ভদ্র ততটা অভদ্র।" কেন যে দুপারের লোক এমন কথা বলে তার নিশ্চয়ই কারন আছে। যে নদী দিয়ে তারা শহর-বন্দরে যাওয়া আসা করে, যে নদীর জল দিয়ে ফসল ফলায়, যে নদীতে মাছ ধরে, চৈত্র সংক্রান্তির দিন কুলার স্নান পালন উপলক্ষে আবাল বৃদ্ধ বনিতা জলে নেমে সাঁতার কাটে, গঙ্গাদেবীর পূজা করে সিদুর ভাসিয়ে দেয়-সে নদীর নামে কেন তারা দীর্ঘশ্বাস ফেলে-সে ইতিহাস বড়ই মর্মন্তুদ, হৃদয় বিদারক। কিন্তু কিছুই যখন বলার থাকে না, করার যখন কিছুই থাকে না তখন বুকে পাষাণ বেঁধে থাকা ছাড়া গত্যন্তর থাকে না। এ ভদ্রা নদী যে কত পল্লী বধূর সিঁথির সিঁদুর মুছে দিয়েছে-কত শিশুকে করেছে পিতৃ-মাতৃহারা তার ইয়ত্বা নেই। তার বক্ষের কামোট, কুমির অসহায় মানুষজনকে ভক্ষণ করে উদর পূর্তি করেছে। বৃদ্ধ-পিতা-মাতা বোবা কান্না অথবা চীৎকার করে আর্তনাদ জানিয়েছে-কিন্তু কোন কান্নায় সাড়া দেয়নি সর্বনাশী ভদ্রা নদী। অনাদি কাল ধরে যেন 'কিছুই বোঝে না' এমনি ভাবে সে বয়ে চলেছে আপনগতিতে। অসহায় মানুষ আপনজনকে হারিয়ে শুধু বুক চাপড়াতে চাপড়াতে নিয়তিকে দোষারোপ করে বাড়ি ফিরেছে শূন্য হাতে, শূন্য কোলে। মৃত লাশটিকেও ফিরিয়ে দেয়নি ভদ্রা। এমনি নিষ্ঠুরা অমঙ্গলের প্রতিভূ এ রাক্ষুসী ভদ্রা নদী।
পঞ্চাশের দশকে কালীনগর গ্রামের সনাতন মোড়ল তার ভাইপো মথুর ও পুত্র শিরিষকে নিয়ে গেলেন চালনা হাটে বর্ষাকালে ধান রোয়ার কিষান আনতে। সনাতন মোড়লদের ৪০০ বিঘা সম্পত্তি। অবস্থাপন্ন পরিবার। সুতরাং বড় নৌকা করে চালনা হাট থেকে ১৫-২০ জন জোন নিয়ে ভদ্রা নদী দিয়ে সন্ধ্যার সময় কালীনগর ঘাটে পৌঁছালেন। নদীতে তখন ভাটার স্রোত তীব্র। নৌকা ঘাটে ভিড়তেই জোনরা একসাথে নৌকার গলুইয়ে এসে তীরে নামা শুরু করল। আর এখানেই ঘটলো বিপত্তি। নৌকার মাথা জলের নিচে চলে গেল। তরতর করে জল উঠলো নৌকায়। অকস্মাৎ ডুবে গেল নৌকা। 'বাঁচাও' 'বাঁচাও' আর্তনাদ। শিরিষ, মথুর ডুবন্ত প্রায়। ভাইপো ও পুত্রের এ মুমূর্ষু অবস্থা দেখে এগিয়ে এলেন সনাতন মোড়ল। দু ছেলেকে দু হাত দিয়ে ঠেলে দিলেন ডাঙার দিকে। শিরিষ মথুর মাটি আকড়ে ধরলো। আস্তে আস্তে হামাগুড়ি দিয়ে উপরে উঠল। কিন্তু তাদের পিতা ও কাকা সনাতন! তার কি অবস্থা? তখন অন্ধকার। সবাই উঠলেও সনাতনকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। 'সনাতন' 'সনাতন' আর্তনাদে বাতাস ভারী হয়ে উঠল। ছুটে এলেন বাড়ির সবাই। হ্যাঁচাক লাইট জ্বালা হলো কয়েকটা। নৌকা করে ভদ্রা নদীর এপার ওপার চললো তল্লাশী। সনাতনকে আর পাওয়া গেল না। পরদিন চললো অপেক্ষার পালা। অন্তত লাশটা যদি পাওয়া যায়। কিন্তু সব আশা বৃথা। রাক্ষুসী ভদ্রার বুকে লালিত কামোটের পেটে চলে গিয়েছে সনাতনের সুঠাম দেহ। সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল সনাতনের স্ত্রীর। দু পুত্র মাণিক আর শিরিষ হারালো পিতাকে। পূর্ব গতিতে বয়ে চলেছে ভদ্রা। যেন কিছুই সে জানে না।

'৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে সকলে ভারত থেকে বাড়ি ফিরেছে। সর্বসান্ত মানুষ। কিছু নেই। সব শেষ। শ্রীনগর গ্রামের রতন বড়ই গরীব। খ্রিস্টান মিশন থেকে সাহায্য পেল ঘর বাঁধার জন্য বেশ কয়েকটা বাঁশ। শ্রীনগর নিজ বাড়িতে নিয়ে যেতে হবে। নৌকা করে নিয়ে যাবার পয়সা নেই। ঘাড়ে করে কালীনগর মিশন বাড়ি থেকে শ্রীনগর পরান রায়ের বাড়ি পর্যন্ত বহন করা আদৌ সম্ভব নয়। অগত্যা মাথায় একটা বুদ্ধি এলো রতনের। সমস্ত বাঁশ নদীতে একত্রে বেঁধে ভাটার সময় বাঁশের ভেলায় উঠে পড়লো রতন। স্ত্রী বিন্দেকে বলে এসেছিল দুপুরের মধ্যে বাড়ি ফিরে আসবে। কালীনগর বাজারের অনেকে দেখেছিল রতনকে বাঁশের ভেলায়। ঐ তো দেখা যাচ্ছে বাঁশের ভেলা। কিন্তু কই! বাঁশের উপর তো কেই নেই। মহা দুশ্চিন্তায় পড়ল বিন্দে। বাড়ির লোক এগিয়ে এলো। বেলা গড়িয়ে বিকাল হলো। রতন আর ফিরে এলো না। সকলের ধারনা, বাঁশের ভেলার উপর থেকে কুমিরে নিয়ে গেছে রতনকে। ভদ্রা নদীর সন্তান কুমিরের উদর পূর্তি হয়েছে রতনের তাজা দেহ দিয়ে।

ঘর নেই, স্বামী নেই। দিশেহারা বিন্দে। কোথাও ঠাঁই নেই। বাড়ির কর্তা পরান রায় এলাকার সর্বজন পরিচিত দোকানদার। তিনি বিন্দেকে নিয়ে কালীনগর বাজারের প্রথিতযশা ঠাকুর ডাক্তার শ্রী নারায়ণ চক্রবর্তীর বাসায় এলেন। সব ঘটনা শোনার পর ঠাকুর ডাক্তার বিন্দেকে বাড়িতে পরিচারিকা রূপে কাজ করতে স্থান দিলেন। সিঁথির সিদুর চিরতরে মুছে গেল বিন্দের। বৈধব্যের সাদা শাড়ি তুলে নিল সে। ভদ্রা নদীর দিকে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে চোখের জল ফেলে আজীবন বিন্দে। কিন্তু ভদ্রা

দুহিতা কামোট, কুমির নিশ্চিন্তমনে খেলা করছে মাতৃউদরে।
কামারখোলা গ্রামের পুরোহিত বিজয় ব্যানার্জী। পৌরহিত্য কাজে তার বেশ সুনাম। কি যেন এক বিশেষ কাজে বাড়ির সামনে থান্দারের ভাঙ্গনের কাছে জোয়ারের সময় ভদ্রা নদীতে নেমেছেন। পিছনে তাকিয়ে দেখেন নদীর জল লাল। লাফ মেরে ডাঙ্গায় উঠলেন বিজয়। হাঁটু ও গোড়ালির মাঝের নরম মাংসের কিছুটা নেই অর্থাৎ কামোট এক খাবলা মাংস শানিত দাঁত দিয়ে কেটে নিয়ে গেছে। আর কিছুক্ষণ থাকলে ভদ্রার সন্তান কামোটকূল বিজয় ব্যানার্জীর পুরো দেহটা গ্রাস করতো।

কৈলাশগঞ্জ মুচিরাম মণ্ডলের বাড়ির দেবেন রায়ের ছেলে অচিন্ত্যর বিয়ের আশীর্বাদ শ্রীনগর গ্রামে। দেবেন রায়ের সঙ্গে এসেছে ভাইপো সন্তোষ। বাড়িতে তার শিশু পুত্র মধু। আশীর্বাদ কার্য সম্পন্ন করে রামনগর ঠাকুর বাড়ির খেয়া নৌকায় উঠেছেন সবাই। লোকজন একটু বেশি উঠেছেন নৌকায়। খরস্রোতা ভদ্রা নদী। নৌকা কূলের কাছে ভিড়ালো। সবাই একসাথে নামতে যেয়ে নৌকা গেল ডুবে। দেবেন রায়ের ভারী শরীর। সন্তোষ দেখলো কাকা ডুবে যাচ্ছে। মুহূর্তে ঝাঁপ দিয়ে কাকা দেবেন রায়কে পিঠে করে তীরে ঠেলে দিল। দেবেন রায় মাটি হাতড়ে ধরল। আর সন্তোষ? সে তলিয়ে গেল জলের তলায়। সন্ধ্যা সমাগত। 'সন্তোষ', 'সন্তোষ' আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠলো ঠাকুর বাড়ির খেয়া ঘাট।

রাত ঘনিয়ে এলো। মুচিরাম মণ্ডলের বাড়ির ও গ্রামের লোকজন বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ারের ন্যায় এগিয়ে এলো সকাল বেলায়। তন্ন তন্ন করে খুঁজলো সন্তোষের দেহ। অবশেষে তেলির কোনার বিপরীতে জঙ্গলের তীরে সন্তোষের মৃতদেহ পাওয়া গেল। শরীরের অনেকাংশ কামোটে খেয়ে ফেলেছে। সন্তোষের স্ত্রী দেহে তুলে নিল শ্বেত বস্ত্র। আজীবন বৈধব্যের যন্ত্রণায় ছটফট করতে হলো তাকে। মধু হারালো তার বাবাকে চিরতরে। কিছুই এসে যায় না ভদ্রার। সে নির্বিকার। আপন গতিতে চিরচঞ্চলা নারীর মতো নৃত্যরতা সে। কল-কল ছল-ছল রবে বয়ে চলেছে চিরলাস্যময়ী ভদ্রা।

ভদ্রা অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিষ্ঠুরা হলেও কোন কোন ক্ষেত্রে সামান্যতম হলেও সদয়া হয়। কালীনগরের বনমালী মোড়লের কনিষ্ঠপুত্র বিজয়ের সাথে সুতারখালী ফরেস্ট অফিসারের ছিল বন্ধুত্ব। একদিন কার্যোপলক্ষে ফরেস্ট অফিসার এবং বিজয় যান জঙ্গলে। সুতারখালী অফিসের পাশে ভদ্রা নদীতে অসাবধানতাবশত ফরেস্টারের বন্দুক জলে পড়ে যায়। সরকারী সম্পদ। বিজয় বিষয়টি তার বড়দা লক্ষ্মণবাবুকে বলেন। লক্ষ্মণবাবু তখন কালীনগর গ্রামের ডুবুরী শীতলকে ডেকে বন্দুকটি উদ্ধার করতে বলেন। শীতল ছিলেন দক্ষ ডুবুরী। জলে ডুবতে ডুবতে তার কানের পর্দা ফেটে যায়। কানে কম শুনতো-এজন্য এলাকায় সে 'কালাশীতল' নামে সমধিক পরিচিত। যাহোক ফরেস্টার নদীতে নির্দিষ্ট স্থান দেখালে পর শীতল ডুব দিয়ে বন্দুক তুলে আনে। কামোট-কুমির কোন ক্ষতি করেনি শীতলের। ভদ্রা নদী এক্ষেত্রে সামান্যতম হলেও দয়াপরবশ হয়েছিল। 'পুরস্কার হিসেবে ফরেস্টার প্রতিবছর শীতলকে একভরা করে জ্বালানী কাঠ দিতেন।দাকোপের ওয়াপদা অফিস থেকে কালাবগী পর্যন্ত প্রবহমান ভদ্রা নদীর দু'তীরের অসংখ্য মানুষের বেদনার্ত হৃদয়ের হাহাকার ধ্বনিত হচ্ছে চিরকাল ধরে। ভদ্রা আগের মত বইছে কিন্তু সেই মানুষগুলি তো আর নেই। তাই ভদ্রা নদীর কাছে প্রশ্ন:-

বিস্তীর্ণ দুপারের অসংখ্য মানুষের হাহাকার শুনে ভদ্রা বইছো কেন?
রামনগর বীণাপাণি হাইস্কুলের পাশের বাড়ির দুই ভাই ভদ্রা নদীতে মাছ ধরছে। বড় ভাই খ্যাপলা জালের দড়ি ধরে আছে হাঁটু জলে আর ছোট ভাই চরে খারা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হঠাৎ কুমির এসে বড় ভাইকে ধরে নিয়ে জলের মধ্যে চলে গেল। ছোট ভাই অসহায়ের মত দাঁড়িয়ে রইল।

বাজুয়া সুরেন্দ্র নাথ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক এবং পরবর্তীতে সাব রেজিস্ট্রার বাবু নিরঞ্জন রায়ের বাড়ি কালাবগী গ্রামে। তাঁর বাবা ১৯৯০ সালের ৩রা ভাদ্র নৌকা করে বাড়ি থেকে বাজুয়া আসছিলেন। সুতারখালি ফরেস্ট অফিসের বাঁক ঘুরতেই তীব্র স্রোতে নৌকা গেল উল্টে। সলিল সমাধি হলো তার। বহু খোঁজাখুঁজির পর তার লাশ পরদিন পাওয়া গেল ভদ্রার চরে। ভদ্রার বড় বৈশিষ্ট্য-চলার পথে হঠাৎ বাঁক নেয়া। বলতে গেলে ৯০° কোণে অর্থাৎ সমকোণে বাঁক নেয়া। বড় বড় নদী থেকে ভদ্রার এ আলাদা বৈশিষ্ট্য। যেমন থান্দারের ভাঙনের নিকট, আবার সুতারখালি ফরেস্ট অফিসের এবং তেলির কোনায় মোটকথা কয়েক মাইল পর পর হঠাৎ বাঁক নেয়া। আর হঠাৎ বাঁক নিলে স্রোতের তীব্রতাও বাড়ে। সেই সাথে শুরু হয় ভাঙ্গন। যেমন থান্দারের ভাঙ্গন, রামনগর বৃহস্পতিবার হাটের কাছের ভাঙ্গন। তাহলে ছোট নদীর গতিবিধি, চালচলন কি হঠাৎই হয়? ভদ্রার সহোদরা ঢাকী নদীরও ঠিক একই বৈশিষ্ট্য। এ দুই-নদী চলার পথে বহু ঘর-বাড়ি জনপদ আপনগর্ভে বিলীন করেছে। বহু পরিবারকে করেছে গৃহহীন। বহু মায়ের বুক করেছে খালি। কামোটে যাদের শরীরের মাংসপিণ্ড খেয়েছে তারা 'কামোটে কাটা' এ অভিধায় ভূষিত হয়ে কালাতিপাত করছে। তবু ভদ্রা আপন মহিমায় সমুজ্জ্বল। ভদ্রাকে নিয়ে কত গান, কত কবিতা রচিত হয়েছে। লোককবি ও শিল্পী মনোরঞ্জন সরকারের কবিতায় ফুটে উঠেছে তার চিত্র। ভদ্রা গাঙে চলমান নৌকা দেখে একজন বালিকা বধূ তার মনের কথা প্রকাশ করেছে। কথিত আছে, ভদ্রা গাঙে নৌকা ডুবলে রক্ষা পায় না। উপরন্তু ভদ্রা গাঙ কুমিরের জন্য বিখ্যাত। নিচের গানে ভদ্রা নদীর প্রতি ব্যক্তিত্ব আরোপ করা হয়েছে:-

ভদ্রা গাঙে কেডা তুমি যাচ্ছ রে গান গাইয়ে ও খিলে ডিঙ্গির নাইয়ে, (ওরে) এটা কথা শুনে যাও নৌকা চাপায়ে!!
এই না গাঙ্গের আগের বাঁয়ে আমার বাপের ঘর হ্যাঁদে মাথার কিরে দিয়ে তাগে কইও এই খবর
আমার বাপ ভাই গো নেই কি কারো মনে?
এওনা না নিতি আ'লো সারান্দির গোনে, ওরে অ্যাদ্দিন তো নাইয়ের গেছে সকল বাড়ীর মাইয়ে।
নিইনি নায়েব আশায় আশায় গেছে জষ্টিমাস ওরে হ্যাও বেরাও কি ওরা আমারে করবে রে নিরাশ? এই দিনি তো থাকপে ঘরে কত রওমের মিটে মা গড়বে কাঁচি ফোড়া আরো তেলের পিটে।
উগে ক্যামনে পিটে উঠপে গালেরে-উগে ক্যামনে পিটে ওঠপে গালে আমারে ফেলায়ে।
ভদ্রা নদীর তীরে বাড়ি থাকায় একজন মৎস্যজীবীর গর্ব-ভদ্রার চরে ঘর আমার; আমি সুন্দরবনের জেলে, নিত্য নতুন পয়সা কামাই, আমি নদীতে জাল ফেলে!! জাল নৌকো সাথী আমার কারো আমি ধরিনে ধার, চিন্তে নেই রে খাওয়া পরার জাল ধরলে মেলে মাছ।
নানা রকম জ্যান্ত মাছ হাপোর বোঝাই দিয়ে, নগত টাকায় দেই যে বেচে চালনার হাটে গিয়ে।
রেখা রুচ্চে দাঁতনে কাইন গললা চিংড়ে ভেটকী বাইন, চিতরে পাঙ্গাস পার্শে ভাঙ্গান খুশী সবাই পেলে।'
ভদ্রা নদী মানুষকে এত দুঃখ-কষ্ট-যন্ত্রণা দেয়। তবু তাকে নিয়ে কত মধুর সঙ্গীত রচনা করে দুপারের মানুষ। কালিনগরের নারীরা কুলার স্নানের দিন কোমর জলে নেমে মধুর সুরে গান গায়। ইংরেজ কবি শেলীর Skylark কবিতার সুরধ্বনি যেন অনুরণিত হয় "Our sweetest songs are those that tell of saddest thought- করুণতম কাহিনীতে মধুরতম সঙ্গীত বাজিয়া ওঠে-"এ যেন
তারই সুরধ্বনি। মানুষ চেয়ে থাকে ভদ্রা পানে, তার তীরে ওড়া, বাইন, কেওড়া, পিঠেকড়া, গোল গাছের দিকে, ছেলে মেয়েরা চরের বন থেকে আহরণ করে কাউফল, বাউলেফল, গোলফল, ওড়া, কেওড়া। ভদ্রার চরে ঘুরে বেড়ায় বাটাং, বক, হালতি, ডাহুক, গালচারা প্রভৃতি পাখি। পূজার পর বিভিন্ন প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয় ভদ্রা নদীতে। মরা গরু, পশু পাখি, আবর্জনা সবকিছু বুকে ধারন করে এ পতিত পাবনী ভদ্রা। সব মিলিয়ে অনাদি কালের ভাঙ্গা-গড়ার জীবন স্মৃতি এ ভদ্রা নদী। তাকে ভাল না বেসে উপায় নেই। কারন সকলের রক্ষয়িত্রী দেবী মা দুর্গার বা মহামায়ার আরেক নামই তো ভদ্রা।

গোলক মন্ডলকে সুন্দরবনের ভিতরে বিষধর সাপে কেটেছে ভোর ছয়টায়। সেখান থেকে নৌকা, ট্রলার আর মটরসাইকেলে করে দাকোপ উপজেলা স্বাস্...
30/11/2023

গোলক মন্ডলকে সুন্দরবনের ভিতরে বিষধর সাপে কেটেছে ভোর ছয়টায়। সেখান থেকে নৌকা, ট্রলার আর মটরসাইকেলে করে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত আনতে দুপুর হয়ে যায়। সেখানে অ্যান্টিভেনম নাই। খুলনা নিতে হবে। ৯৯৯ এ কল করে অ্যাম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা হয়েছে। আবারও মটরসাইকেলে বসিয়ে তাকে নেওয়া হচ্ছে বাজুয়ায়।

মটরসাইকেলে বসে কাতরাচ্ছেন কালাবগীর গোলক মন্ডল। কালাবগী যুব ফাউন্ডেশনের যুবকরা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

সুন্দরবনের মানুষদের কথা কেউ ভাবে না রে ভাই। কষ্টের কোনো শেষ নাই😥

Courtesy: Mohsin ul Hakim

Institution: Bajua Surendra Nath College (EIIN: 116923)No. of Students: { Examinee: 394, Appeared: 382, Passed: 269, Per...
08/02/2023

Institution: Bajua Surendra Nath College (EIIN: 116923)
No. of Students: { Examinee: 394, Appeared: 382, Passed: 269, Percentage of Pass: 70.42, GPA 5: 45 }
BUSINESS STUDIES: PASSED=70; NOT PASSED=15; GPA5=11;
HUMANITIES: PASSED=143; NOT PASSED=109; GPA5=9;
SCIENCE: PASSED=56; NOT PASSED=1; GPA5=25

Institution: Govt. L. B. K. Degree Mahila College (EIIN: 116925)
No. of Students: { Examinee: 123, Appeared: 119, Passed: 101, Percentage of Pass: 84.87, GPA 5: 11 }
BUSINESS STUDIES: PASSED=13; NOT PASSED=1;
HUMANITIES: PASSED=80; NOT PASSED=21; GPA5=8;
SCIENCE: PASSED=8; GPA5=3


Institution: Chalna M. M. College (EIIN: 116924)
No. of Students: { Examinee: 66, Appeared: 64, Passed: 30, Percentage of Pass: 46.88, GPA 5: 2 }
BUSINESS STUDIES: PASSED=8; NOT PASSED=4; GPA5=2;
HUMANITIES: PASSED=21; NOT PASSED=30;
SCIENCE: PASSED=1; NOT PASSED=2


Institution: Chalna Mohila College (EIIN: 116922)
No. of Students: { Examinee: 70, Appeared: 68, Passed: 50, Percentage of Pass: 73.53, GPA 5: 2 }
BUSINESS STUDIES: PASSED=10; NOT PASSED=1;
HUMANITIES: PASSED=25; NOT PASSED=19;
SCIENCE: PASSED=15; GPA5=2

Institution: Chalna College (EIIN: 116928)
No. of Students: { Examinee: 77, Appeared: 74, Passed: 33, Percentage of Pass: 44.59, GPA 5: 5 }
BUSINESS STUDIES: PASSED=4; NOT PASSED=6; GPA5=1;
HUMANITIES: PASSED=22; NOT PASSED=33;
SCIENCE: PASSED=7; NOT PASSED=5; GPA5=4

আপনারা যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম খাবেন,খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে ধুয়ে শ...
19/06/2022

আপনারা যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম খাবেন,
খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন বা বাড়ির পাশে ছড়িয়ে/ছিটিয়ে দিন--...

যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন।

বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার।

ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে।

আসুন আমরা সবাই মিলে প্রকৃতিকে তার স্বমহিমায় ফিরে যেতে সহযোগিতা করি।

©Collected

মাধ্যমিক পর্যায়ে আগামী ১৯ জুন থেকে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। ১০০ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষা  হবে ৪৫, ৫৫ এবং ৫০ ...
13/06/2022

মাধ্যমিক পর্যায়ে আগামী ১৯ জুন থেকে ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। ১০০ নম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষা হবে ৪৫, ৫৫ এবং ৫০ নম্বরে।

পরীক্ষা হবে না যে বিষয়গুলো-
★তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
বিজ্ঞান
★বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
★ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা

৪৫ নম্বরে যে সকল বিষয়ে পরীক্ষা হবে-
★পদার্থবিজ্ঞান
★রসায়ন
★জীববিজ্ঞান
★উচ্চতর গণিত
★কৃষিশিক্ষা
★গার্হস্থ্য অর্থনীতি

৫৫ নম্বরে যে সকল বিষয়ে পরীক্ষা হবে-
★বাংলা প্রথম পত্র
★বাংলা দ্বিতীয় পত্র
★গণিত
★পৌরনীতি
★অর্থনীতি
★ইতিহাস
★ভূগোল
★হিসাব বিজ্ঞান
★ব্যবসায় উদ্যোগ
★ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং

৫০ নম্বরের যে সকল বিষয়ে পরীক্ষা হবে-
★ইংরেজি প্রথম পত্র
★ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র

৪৫ নম্বরের মধ্যে কত নম্বর পেলে কোন গ্রেড-
A+ ৩৬ নম্বর,
A ৩১.৫ নম্বর,
A- ২৭ নম্বর,
B ২২.৫ নম্বর,
C ১৮ নম্বর,
D ১৫ নম্বর পেতে হবে

৫০ নম্বরের মধ্যে কত নম্বর পেলে কোন গ্রেড-
A+ ৪০ নম্বর,
A ৩৫ নম্বর,
A- ৩০ নম্বর,
B ২৫ নম্বর,
C ২০ নম্বর,
D ১৬ নম্বর পেতে হবে।

৫৫ নম্বরের মধ্যে কত নম্বর পেলে কোন গ্রেড-
A+ ৪৪ নম্বর,
A ৩৮.৫ নম্বর,
A- ৩৩ নম্বর,
B ২৭.৫ নম্বর,
C ২২ নম্বর,
D ১৯ নম্বর পেতে হবে।

ফুটবল বিশ্বকাপ (কাতার) ২০২২ এর পূর্নাঙ্গ সূচিঃ
08/06/2022

ফুটবল বিশ্বকাপ (কাতার) ২০২২ এর পূর্নাঙ্গ সূচিঃ

Address

Dacope
9272

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Voice of Dacope posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to The Voice of Dacope:

Share