The Step to humanity Bangladesh

The Step to humanity Bangladesh Step to Humanity Bangladesh, a charitable organization dedicated to supporting coastal communities

হামের সংক্র.মণ বাড়ছে, ২৫১ শিশুর মৃ.ত্যু—কি বলছে বিশেষজ্ঞরা
28/04/2026

হামের সংক্র.মণ বাড়ছে, ২৫১ শিশুর মৃ.ত্যু—কি বলছে বিশেষজ্ঞরা

হামের সংক্র.মণ বাড়ছে, ২৫১ শিশুর মৃ.ত্যু—কি বলছে বিশেষজ্ঞরা

21/04/2026

বাংলাদেশে হামে শিশু মৃত্যু: জরুরি স্বাস্থ্যঘোষণা, নাকি নীতিগত ব্যর্থতার নির্মম প্রতিফলন?
দেলোয়ার জাহিদ
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে Measles (হাম)-এ শিশু মৃত্যুর পুনরুত্থান কেবল একটি জনস্বাস্থ্য সংকট নয়—এটি রাষ্ট্রীয় নীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং টিকাদান কর্মসূচির কাঠামোগত দুর্বলতার স্পষ্ট প্রতিফলন। দীর্ঘদিনের সাফল্যে প্রায় নিয়ন্ত্রিত একটি রোগ আবার প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে—এটি নিছক পরিসংখ্যান নয়, বরং একটি গভীর সতর্কবার্তা।
চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত শতাধিক শিশু মৃত্যুর খবর এবং হাজারো সংক্রমণ একটি কঠিন বাস্তবতা সামনে এনেছে: প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগ আবার জনজীবনে ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। বিভিন্ন তথ্যসূত্রে ২৪৮ শিশুমৃত্যু এবং ৭,৫০০-এর বেশি সংক্রমণের কথা উঠে এসেছে—যার বড় অংশই শিশু। প্রতিদিন হাসপাতালে নতুন রোগীর চাপ বাড়ছে, বিশেষ করে ঢাকা বিভাগে পরিস্থিতি বেশি উদ্বেগজনক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদান কভারেজের ঘাটতি, অপুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতা এবং টিকা-সংক্রান্ত ভুল তথ্য—এই সংকটকে তীব্রতর করেছে।
সরকার ইতোমধ্যে ৬–৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা ও তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়ে গেছে। নাগরিক সমাজের একটি অংশ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মহামারী ঘোষণা দাবি করছে—যা পরিস্থিতির গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে, কিন্তু সমাধানের একমাত্র পথ নয়।

*সংকটের প্রকৃতি: অবহেলা থেকে বিস্তৃত ঝুঁকি
হামের বিস্তার এখন বিচ্ছিন্ন নয়; এটি নির্দিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক ক্লাস্টার আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রধান কারণগুলো হলো—

টিকাদান কভারেজ ৯৫% এর নিচে নেমে যাওয়া

শহরের বস্তি ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি

অপুষ্টির উচ্চ হার

টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি ও ভীতি

এই সমন্বিত ঝুঁকি একটি “নীরব স্বাস্থ্যবিপর্যয়” তৈরি করছে, যার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী শিশুরা।

* “মহামারী ঘোষণা” বিতর্ক: প্রতীকী পদক্ষেপ বনাম বাস্তব সমাধান
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মহামারী ঘোষণা জনমত ও প্রশাসনিক মনোযোগ আকর্ষণে সহায়ক হতে পারে। তবে—
* ঘোষণা নিজে কোনো সমাধান নয়; কার্যকর প্রতিরোধই মূল।
সুতরাং প্রয়োজন টার্গেটেড পাবলিক হেলথ ইমার্জেন্সি, যেখানে নির্দিষ্ট জেলা/উপজেলাকে দ্রুত “জরুরি প্রতিক্রিয়া অঞ্চল” হিসেবে চিহ্নিত করে সমন্বিত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

* আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা: সমন্বিত শিক্ষাই পথ দেখায়
একটি দেশের মডেল হুবহু অনুসরণ না করে, বিভিন্ন দেশের সফল কৌশল থেকে বাস্তবসম্মত উপাদান গ্রহণই যুক্তিযুক্ত—

সাউথ কোরিয়া : প্রযুক্তিনির্ভর শনাক্তকরণ ও ট্র্যাকিং
সিঙ্গাপুর : কঠোর প্রশাসন ও জনসচেতনতা
জার্মানি : বিকেন্দ্রীকৃত স্বাস্থ্যব্যবস্থা
নিউজিল্যান্ড : আগাম সতর্কতা ও দ্রুত নিয়ন্ত্রণ

👉 বাংলাদেশের জন্য কার্যকর পথ হবে—“সমন্বিত বাংলাদেশ মডেল”, যেখানে প্রযুক্তি, স্থানীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও জনসম্পৃক্ততা একসঙ্গে কাজ করবে।

নীতিগত করণীয় (Policy Actions)
১. জরুরি গণটিকাদান
৬ মাস–১৫ বছর বয়সী শিশুদের অন্তর্ভুক্তি
“Zero-dose” শিশুদের অগ্রাধিকার

২. রিয়েল-টাইম নজরদারি
দ্রুত রিপোর্টিং ও ডিজিটাল ডাটা ট্র্যাকিং
স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র সক্রিয়করণ

৩. জনসচেতনতা ও misinformation প্রতিরোধ

ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের সম্পৃক্ততা
টিকা-ভীতি দূরীকরণে প্রচার

৪. চিকিৎসা ও পুষ্টি সহায়তা

Rapid Response Team
ভিটামিন A ও পুষ্টি সহায়তা

৫. জবাবদিহি ও সংস্কার

টিকাদান কর্মসূচির ঘাটতি তদন্ত
বাজেট বৃদ্ধি ও প্রশাসনিক দক্ষতা উন্নয়ন

⚖️ নীতিগত উপসংহার
বাংলাদেশের জন্য কার্যকর মহামারী ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি হলো—
রাজনৈতিক সদিচ্ছা + বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত + প্রযুক্তির ব্যবহার + জনসম্পৃক্ততা
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মহামারী ঘোষণা আংশিকভাবে প্রয়োজনীয় হতে পারে, কিন্তু সেটি কখনোই চূড়ান্ত সমাধান নয়।

✍️ শেষ কথা
কেবল ঘোষণা নয়, কার্যকর প্রতিরোধই জীবন বাঁচাবে।
রাষ্ট্র যদি দ্রুত, সমন্বিত ও জবাবদিহিমূলক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে এই প্রতিরোধযোগ্য সংকট আরও গভীর মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে।

দেলোয়ার জাহিদ
মানবাধিকার কর্মী | রাজনৈতিক বিশ্লেষক | গবেষক

13/04/2026
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভার্চুয়াল সেমিনারনাগরিক চার্টার প্রণয়নের প্রস্তাব স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশেরবাঙালির সর্বজনীন ও...
12/04/2026

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভার্চুয়াল সেমিনার
নাগরিক চার্টার প্রণয়নের প্রস্তাব স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশের

বাঙালির সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক আনন্দোৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় ১১ এপ্রিল ২০২৬ সন্ধ্যায় স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সেমিনারে উন্নত বিশ্বের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশের জন্য একটি নাগরিক চার্টার প্রণয়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর নাগরিক চার্টার তৈরি করা যেতে পারে। প্রস্তাবিত নাগরিক চার্টারে বর্তমান সংবিধানের মূলনীতি, মানবাধিকার, আইনের শাসন, দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা, স্বাধীন বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ প্রবাসী সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ। কানাডার একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ গবেষণা অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ হাজার বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে আরও অর্থবহ করতে প্রচলিত সংবিধানের আলোকে একটি নাগরিক চার্টার প্রণয়নের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ কোনো ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক উৎসব নয়; এটি বাঙালির সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক আনন্দোৎসব। মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে ‘ফসলি সন’ প্রবর্তনের মাধ্যমে বাংলা সনের সূচনা হয়, যা পরে ‘বাংলা সন’ নামে পরিচিতি পায়। হিজরি সনের সঙ্গে কৃষিকাজের সময়সূচির অসামঞ্জস্য দূর করতে এই সনের প্রচলন করা হয়। সময়ের পরিক্রমায় পহেলা বৈশাখ বাঙালির ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশের সূচনা এবং নতুন বছরের শুভ সূচনার মাধ্যমে একটি সর্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে, যা আজ বাঙালির প্রাণের উৎসব হিসেবে পরিচিত।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যক্ষ সাদিকের পুত্র, লেখক ও সমাজতাত্ত্বিক ড. কামরুল হাসান, সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড), কুমিল্লা এবং সভাপতি, স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ।

সভাপতির বক্তব্যে ড. কামরুল হাসান বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে দেশে মানবাধিকার উন্নয়নকে আরও কার্যকর করতে প্রশাসনের সর্বস্তরে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার ইতোমধ্যে জনগণের কল্যাণে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং এসব উদ্যোগ আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার পুন্ড্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর সাবেক পরিচালক ড. আনোয়ার জাহিদ।

আলোচনায় অংশ নেন বার্ডের সাবেক পরিচালক নারী নেত্রী নাসিমা আক্তার; সাংবাদিক খায়রুল আহসান মানিক (ইউএনবি), ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ; সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন (বাসস); ফিরোজ মিয়া, সম্পাদক, দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়; সাংবাদিক শামসুল হাবিব (যুগান্তর); সাইফুর হাসান, সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তা; প্রবাসী ব্যবসায়ী শাওকাত ইকবাল; জাতীয় দাবাড়ু এসরার জাহিদ এবং প্রকৌশলী কোৱা হাসান ইভানা।

সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার নাগরিক অধিকার, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, সুশাসন ও জাতীয় ঐক্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সামনে রেখে পার্লামেন্টে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে এবং পরিবর্তনের একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

এদিকে প্রবীণ সাংবাদিক এ এস এম হাবিবুল্লাহর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধান অতিথি দেলোয়ার জাহিদ। সাংবাদিকতার অতীত স্মৃতি রোমন্থন করে তিনি বলেন, “তার মৃত্যুতে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ ও পেশাদার সাংবাদিককে হারালো।”

সভায় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী কোৱা হাসান ইভানা।

স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান
30/03/2026

স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান

ঢাকা, ৩০ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ আ...

স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপমহান স...
29/03/2026

স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ২৮ মার্চ শনিবার রাতে ঢাকায় স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার সমুন্নত রাখা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ প্রবাসী সাংবাদিক, লেখক ও মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ। তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সকল বীর সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথা জাতির ইতিহাসে চির অম্লান হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেলোয়ার জাহিদ বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং সহিংসতা, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ওপর অপ্রত্যাশিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার ঘাটতি দেশের ভাবমূর্তিকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ক্ষুণ্ন করছে। তিনি বলেন, মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, সমন্বিত কার্যক্রম এবং সচেতন নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ সরকারকে এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সহায়তা করতে পারে এবং দেশে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলোচনায় বগুড়ার পুন্ড্র ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর সাবেক পরিচালক ড. আনোয়ার জাহিদ স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশের কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তারের লক্ষ্যে বিভিন্ন সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেন। তিনি তরুণ প্রজন্মকে মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যক্ষ সাদিক পুত্র ড. কামরুল হাসান, সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এবং সভাপতি, স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাংবাদিক খায়রুল আহসান মানিক (ইউএনবি), ভাইস প্রেসিডেন্ট, স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশ; মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন (বাসস); ফিরোজ মিয়া, সম্পাদক, দৈনিক ভোরের সূর্যোদয়; নারী নেত্রী নাসিমা আক্তার, সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি; সাংবাদিক শামসুল হাবিব (যুগান্তর); সাইফুর হাসান, সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তা; প্রবাসী ব্যবসায়ী শাখাওয়াত ইকবাল এবং প্রকৌশলী ইভানা হোসাইন।

বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে মানবাধিকার, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং স্টেপ টু হিউম্যানিটি বাংলাদেশের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকৌশলী ইভানা হোসাইন।

https://www.facebook.com/share/p/1QCjqRXG7q/
24/03/2026

https://www.facebook.com/share/p/1QCjqRXG7q/

Announcement: Reorganization of Step to Humanity Bangladesh (STHB)

Step to Humanity Bangladesh (STHB) is pleased to announce that the organization is currently reorganizing and strengthening its programs with the valued support and encouragement of its members, volunteers, and well-wishers.

As part of this renewed initiative, STHB aims to expand its humanitarian activities, enhance community engagement, and build a stronger grassroots network to better serve people in need across Bangladesh.

To move this effort forward, Chief Advisor Delwar Jahid will convene a meeting shortly with members, supporters, and stakeholders. The meeting will focus on strengthening organizational structure, expanding grassroots initiatives, and developing a strategic roadmap for upcoming humanitarian programs.

STHB welcomes the continued cooperation, ideas, and participation of all members and followers in this important phase of growth and reorganization. Together, we aim to build a more compassionate, inclusive, and impactful humanitarian platform.

Address

Padur Bazar, Sadar Upozilla
Cumilla
3500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Step to humanity Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to The Step to humanity Bangladesh:

Share