দ্য কমিউনিটি অব জোডডা

দ্য কমিউনিটি অব জোডডা আগামীর সুন্দর একটি সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আমরা সদা জাগ্রত।।

12/02/2026

কুমিল্লা-১: বিএনপির মোশাররফ হোসেন জিতবেন।

কুমিল্লা-২: বিএনপির ভোট বিভক্ত। ত্রিমুখী সংঘর্ষ হবে। ক্লোজ কল আসতে পারে। বিএনপির সেলিম ভূঁইয়া ও জামাতের নাজিম উদ্দীনকে টপকে স্বতন্ত্র আব্দুল মতিন জিততে পারেন।

কুমিল্লা-৩: বিএনপির মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও জামাতের ইউসূফ হাকিম সোহেলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে চলেছে। রাজনীতির মাঠের পোর খাওয়া খেলোয়ার কায়কোবাদ জিতবেন।

কুমিল্লা-৪: এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ দেশের সব থেকে বড় জয় পেতে পারেন। মঞ্জু মুন্সী নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সাথে এই আসনে বিএনপির রাজনীতি হুমকির মুখে ফেলে দিলেন।

কুমিল্লা-৫: ওভার কনফিডেন্স বিএনপি প্রার্থী জসিম উদ্দিনকে হারাবে জামাতের মোবারক হোসেন।

কুমিল্লা-৬: জামাতের দ্বীন মোহাম্মদের সাথে বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরীর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এইখানে চান্স ৫০/৫০। যে কেউ শেষ হাসি হাসতে পারে। তবে আমার বাজী জামাতের পক্ষে কারণ হিসেবে আছে এই আসনে অসাভাবিক ভোটার ট্রান্সফার।

কুমিল্লা-৭: বিদ্রোহী প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন জিতবেন বিএনপির রেদোয়ান আহমদকে হারিয়ে। তবে ফলাফল ক্লোজ হবে।

কুমিল্লা-৮: জামাতের শফিকুল আলম হেলালকে হারিয়ে জিতবেন বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন।

কুমিল্লা-৯: জামাতের সরওয়ার সিদ্দিকীকে হারিয়ে জিতবেন বিএনপির আবুল কালাম।

কুমিল্লা-১০: এখানে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন গফুর ভূঁইয়া। বাতিল হয়েছে। পরে পেয়েছেন মোবাশ্বের আলম। উনি হারবেন। জিতবেন জামাতের ইয়াসিন আরাফাত।

কুমিল্লা-১১: জামাতের আবদুল্লাহ আবু তাহের জিতবেন।

জেলার ফলাফল: বিএনপি ৪, জামাত জোট ৫, স্বতন্ত্র ২

09/02/2026

প্রার্থী জামিনে...
কেন নষ্ট করবেন ভোট….?
++++++++++++++++
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসন নিয়ে আপিল বিভাগ এক অদ্ভুত রায় দিয়েছেন যা বাপের জীবনেও দেখিনি। কেন অদ্ভুত বলছি সেটা একটু মনযোগ দিয়ে শুনুন। এ আসনের বিএনপির বর্তমান প্রার্থী মোবাশ্বের আলম মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ঋণ খেলাপি এবং স্বতন্ত্র হিসেবে কাগজ পত্র দাখিল করলেও দলীয় প্রার্থীর ঘরে বিএনপি বলে উল্লেখ করেন। সেজন্য রির্টানিং অফিসার তার মনোনয়ন বাতিল করেন। কারণ এর আগে আব্দুল গফুর ভুইয়াকেই দল থেকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়। কিন্তু গফুর ভুইয়া যখন দ্বৈত নাগরিকের মামলায় পড়ে মনোনয়ন বাতিল মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যায়, এ সময় মোবাশ্বের আলম বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে ব্যাক ডেট দেখিয়ে তাকে ধানের শীষ দিয়েছে বলে দলের কাগজ নিয়ে কোটে জমা দেন। কোর্ট সরাসরি এটা গ্রহন না করে পাঠিয়ে দেন সংশ্লিষ্ট রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে। এখানেও মোবাশ্বের আলম মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে দূর্নীতি করে তা লিখিয়ে নেন এবং সেটা হাইকোর্টে সাবমিট করেন। হাইকোর্ট যাচাই বাছাই করে এটা বাতিল করে দিলে মোবাশ্বের আলম আপিল বিভাগে যান। পরবর্তীতে আপিল বিভাগ মোবাশ্বের আলমকে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে একটি বিভক্ত রায় দেন…

কারণ এখানে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন গফুর ভূঁইয়া। নিজেকে দলীয় প্রার্থী দাবি করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন মোবাশ্বের আলম। কিন্তু সঙ্গে দলীয় মনোনয়ন দিতে পারেননি। এই কাগজ ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু গফুর ভুইয়ার প্রার্থিতা বাতিলের পর হাইকোর্ট তাঁকে নির্বাচন করার সুযোগ দেননি। তিনি (মোবাশ্বের আলম) দলীয় মনোনয়ন নিয়েছে ২৩ বা ২৪ জানুয়ারি। এই সুযোগ আইনে নেই। এখন আবার এটার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল গ্রহণ করেছেন। ফলে মোবাশ্বের জিতলেও এমপি হতে পারবেন কিনা- নির্ভর করবে আপিলের সিদ্ধান্তের ওপর।
আবারও বলছি, মোবাশ্বের আলম নির্বাচিত হলেও তার ফল ঘোষনা হবে আপিল বিভাগের পূর্ন রায় প্রকাশের পর। তখন সে এমপি নির্বাচিত হলেও রায়ে হেরে গেলে এমপি পদ বাতিল হয়ে যাবে। কারণ আপিল বিভাগ এই মামলায় লিভ টু আপিল করার অনুমতি দিয়েছেন।
আপিলে যদি প্রমাণ হয়, তাঁর নমিনেশন বৈধ ছিল না, তা হলে জয়ী হলেও এমপি হতে পারবেন না। আর যদি প্রমাণ হয়, নমিনেশন বৈধ ছিলো, তাহলে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। অর্থ্যাৎ জামিনের আসামীর মতই। সাময়িক মুক্ত থাকলেও মাসে মাসে কোর্টে হাজিরা দিতে হয় যেমন। অন্যভাবে বললে বলা যায় 'লাইফ সাপোর্টের রোগীর মত অবস্থা…

এখন ভোটারদের কাছে প্রশ্ন, এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগেই যে ব্যাক্তি এত ঘুষ ও দূর্নীর আশ্রয় নিতে পারে তাহলে এমপি হলে সে কি করবে- একবার ভাবুন তো? তাছাড়া এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি
অনিয়ম দূর্নীতির দায়ে যে লোকের এমপি পদ চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাকে কেন আপনি ভোট দিতে যাবেন? আপনার মূল্যবান ভোটটা কেন নষ্ট করবেন? সবশেষ কথা হল, অনিয়ম, দূর্নীতির দায় নিয়ে যে লোক নির্বাচন করছে এমন একটা পাপের ভার কেন আমি আপনি বহন করবো? আল্লাহর কাছে কী জবাব দিবো আপনি আমি?
ভোট একটি পবিত্র আমানত। সুতরাং আপনার এ পবিত্র আমানত জিনিসটা দেখে শুনে একজন সৎ ও যোগ্য লোককে দিন….

21/01/2026

উচ্চ আদালতে চলছে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের গুন্ডামি

আপনারা দেখেছেন, হাইকোর্টে কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মুন্সী গতকাল থেকে কী ধরনের আচরণ করেছেন। শেষ পর্যন্ত আজ তার শেষ রক্ষা হয়নি।

এদিকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী গফুর ভুঁইয়ার পক্ষে রীতিমতো গুন্ডামি শুরু করেছেন বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম।

আজ শুনানি শুরুর পর কাজলের উদ্ধতপূর্ণ আচরণে আদালত বিব্রত বোধ করে। এমনকি গতকাল ও আজ বেশ কয়েকবার বিচারকের চেম্বারে ঢুকে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে রায় দিতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়। এ সময় আরেক বিএনপি নেতা, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনকেও এই অবৈধ কাজে সহায়তা করতে দেখা যায়।

গফুর ভুঁইয়ার পক্ষে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা নাগরিকত্ব ত্যাগের কোনো চিঠি এবং মার্কিন দূতাবাসের কোনো নথি দাখিল করতে পারেননি। ইউআরএল ছাড়া কিছু ভুয়া ই-মেইল জমা দেওয়া হয়। যেগুলোর সবই দুই মিনিটেই বাতিল হয়ে যাওয়ার মতো। তার বিরুদ্ধে মামলার তথ্য গোপনেরও সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

বিএনপি নেতা ও আইনজীবী কাজলের গুন্ডামিতে আজ আদালত হতবাক হয়ে যায়। আগামীকাল এ সংক্রান্ত রায় দেওয়ার কথা রয়েছে।

দেখা যাক, বিএনপির গুন্ডামি নাকি ন্যায়বিচার কোনটি নিশ্চিত হয় আগামীকাল!

14/01/2026

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী উপ-উপাচার্যের মেয়েকে কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যেহেতু নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির বাবার সূত্রে ক্ষমতা প্রয়োগের সম্ভাবনা আছে এইখানে, স্বভাবতই এইটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেছে। আরেকটা কারনে এই প্রশ্নটা বেশী করে উঠতেছে, যিনি নিয়োগ পেয়েছেন তিনি অনার্সে অষ্টম (আরো তিনজন যুগ্মভাবে অষ্টম ছিল) এবং মাস্টার্সে দ্বিতীয় ছিলেন (সিরিয়ালে ৩য়, দুইজন যুগ্মভাবে ফার্স্ট ছিল)। যেহেতু তার সাথে কম্পিটিশানে তার সমান এবং আরো ভাল স্টুডেন্টরা ছিল, কাজেই নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে কিনা - এইটা একটা ভ্যালিড প্রশ্ন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত পরীক্ষা ছিল, ভাইভা ছিল, আর প্রেজেন্টেশান ছিল। এই তিন পরীক্ষার নম্বর এক সাথে যোগ করে ফাইনাল মেধা তালিকা করা হইছে। স্বচ্ছতার জন্য ক্যান্ডিডেটদের নাম প্রকাশ না করে যাদের নিয়োগ দেয়া হইছে, আর যাদের দেয়া হয় নাই, তাদের এই টোটাল নম্বর তালিকা পাবলিকলি প্রকাশ করার দাবী জানাইতেছি। এই নম্বর তালিকা দেখলে আমাদের একটা ভাল আইডিয়া হবে যে নিয়োগ কতটুকু স্বচ্ছ হইছে।

এই নিয়োগ নিয়ে পাবলিক পরিসরে এখন যে আলাপ আলোচনা হচ্ছে - এইটা উন্নতির লক্ষণ। এইভাবে আলাপ আলোচনা হইলেই আমরা ধীরে ধীরে একটা স্বচ্ছ এবং মেরিট ভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতিতে যাইতে পারব। মেরিটোক্রাসি ছাড়া আমাদের উন্নতির আর কোন পথ নাই।

05/01/2026
প্রতিহিংসার  অনন্য উদাহরন ====================ছবির ফুলটির নাম কাঁঠালীচাপা ফুল। এই ফুলটি খালেদা জিয়ার খুব পছন্দের ফুল ছিল...
31/12/2025

প্রতিহিংসার অনন্য উদাহরন
====================
ছবির ফুলটির নাম কাঁঠালীচাপা ফুল। এই ফুলটি খালেদা জিয়ার খুব পছন্দের ফুল ছিল। তাই তো ৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকা কালে কার্য্যালয়ের সামনে একটি কাঁঠালীচাপা ফুল গাছ নিজ হাতে লাগিয়েছিলেন। সময়ের পরিক্রমায় ঐ গাছ বড় হলো, খালেদা জিয়ারও পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হলো, তারপর প্রধানমন্ত্রী হয়ে এলো শেখ হাসিনা। এসেই ঐ ফুল গাছের দিকে নজর গেল, এবং স্বাভাবিক ভাবে ভালোও লাগলো, কিন্তু বিপত্তি বাঁধলো তখন, যখন জানতে পারলেন ঐ গাছটি খালেদা জিয়া নিজ হাতে লাগিয়ে ছিলেন। তখনই সেই গাছটি শেখ হাসিনা নিজ হাতে কেঁটে ফেললেন।

19/12/2025

https://www.facebook.com/share/v/1AGm3sQMsW/
চান্দাবাজ কে চিনে রাখুন।
তারুণ্যের প্রথম ভোট হউক চান্দাবাজ দের বিরুদ্ধে

14/12/2025

গফুর ভুইয়া আমাদের সন্তান, আমাদের গ্রামের, আমাদের ইউনিয়নের! বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির দুলাল উরপে মিঠা মামুর এই বক্তব্য কি ঠিক?

এক, গফুর ভুইয়া আমাদের ইউনিয়নের নয় তিনি বিভাজিত জোড্ডা পশ্বিম ইউনিয়নের।
দুই. তিনি জোড্ডা গ্রামের নয় তার গ্রামের নাম গোহারুয়া।
তিন. তিনি আমাদের সন্তানও নয় তার মূল বাড়ি নোয়াখালী।

14/12/2025

শরীফ ওসমান হাদি - ওর সম্পূর্ণ নাম। মা বাবা আদর করে কি সুন্দর একটা নাম রেখেছে। যাকে আমরাও আদর করে ডাকি হাদি। আমাদের কলিজার হাদি।

একটু আগে শুনলাম তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগামী কাল সিঙ্গাপুর নেয়া হবে আর তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যায় বহন করবে বাংলাদেশ সরকার। অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দুইটাই ভালো খবর।

এখন দ্রুত পৌঁছানো যায় এমন জায়গায় হাদিকে নেয়াই যুক্তিসঙ্গত।

হাদি বর্তমানে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে ভেন্টিলেটরে আছে এবং অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। চিকিৎসকরা বলছেন, প্রথম ৭২ ঘণ্টা (যা ১৫ ডিসেম্বর রাতে শেষ হবে) সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

সিঙ্গাপুরে হাদির অবস্থা স্থিতিশীল হলে আমার উপদেশ হবে তাঁকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামের কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে স্থানান্তর করা। Queen Elizabeth Hospital Birmingham হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সেরা নিউরোট্রমা সেন্টার, যেখানে মাথায় গুলিবিদ্ধ রোগীদের বিশেষ চিকিৎসা হয়।

এখানেই ২০১২ সালে মালালা ইউসুফজাই মাথায় গুলি লাগার পর উন্নত চিকিৎসা পেয়ে অলৌকিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠেছিল । মালালার বুলেটও মাথা দিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ব্রেনস্টেম পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি – তবু তারা দারুণ সাফল্য দেখিয়েছে।

এই হাসপাতালটি যুদ্ধের আহত সৈনিকদের (গানশট ইনজুরি) চিকিৎসায় বিশ্বের সেরা। মাথার গুরুতর আঘাত, ব্রেনস্টেমের সমস্যা, পুনর্বাসন – সবকিছুতে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক।

এখানে আধুনিক নিউরোক্রিটিক্যাল কেয়ার, অস্ত্রোপচার ও লং-টার্ম রিহ্যাবিলিটেশন সুবিধা আছে।

অন্যান্য ভালো জায়গা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিক বা শেফার্ড সেন্টার, কিন্তু লন্ডন/বার্মিংহাম কাছাকাছি এবং মালালার সাফল্যের কারণে এটি সবচেয়ে উপযুক্ত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, এখনো কোনো স্থানান্তরের তাড়াহুড়া করা যাবে না। অবস্থা স্থিতিশীল না হলে দূরের যাত্রা প্রাণঘাতী হতে পারে। চিকিৎসকদের পরামর্শই চূড়ান্ত।

সবাই হাদির সুস্থতার জন্য দোয়া করি।

Address

৭নং জোডডা
Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দ্য কমিউনিটি অব জোডডা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share