সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফ, কুমিল্লা

  • Home
  • Bangladesh
  • Cumilla
  • সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফ, কুমিল্লা

সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফ, কুমিল্লা লা'ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

আলহামদুলিল্লাহ। সোনাকান্দা  দরবার শরীফের পীর সাহেব   আল্লামা মাহমুদুর রহমান (দাঃ বা) মানিকপুর গ্রামের মাহফিলে এসে উপস্থি...
24/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ। সোনাকান্দা দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা মাহমুদুর রহমান (দাঃ বা) মানিকপুর গ্রামের মাহফিলে এসে উপস্থিত হয়েছেন।

বাদ এশা আলোচনায় করবেন ইনশাআল্লাহ। উক্ত মাহফিলে দলে দলে যোগ দিন।

২৪ শে এপ্রিল ২০২৬ ইং শুক্রবার সোনাকান্দা দরবার শরীফের  পীর সাহেব (মাহমুদুর রহমান)  হুজুরের শুভাগমন উপলক্ষে (মানিকপুর) এক...
16/04/2026

২৪ শে এপ্রিল ২০২৬ ইং শুক্রবার সোনাকান্দা দরবার শরীফের পীর সাহেব (মাহমুদুর রহমান) হুজুরের শুভাগমন উপলক্ষে (মানিকপুর) এক বিরাট ওয়াজ ও ঈছালে সাওয়াব মাহফিল।উক্ত মাহফিলে আপনারা সকলে আমন্ত্রিত।

24/02/2026

কছিম উদ্দীন, মোহাম্মদ আলী

আজিজুর রহমান মুনিরী

~~~~~~~~~~~~~~~~~

বটতলী গ্রাম তারানগর

কেরানিগজ্ঞ ঢাকা

তালিম দিতে গেলেন একজন

সোনাকান্দার খলিফা।

তালিম শুনে সবার মনে

পরিবর্তন আনে

কছিম উদ্দীন, মোহাম্মদ আলী

ছিলেন সেখানে।

সোনাকান্দার সন্ধান পেয়ে

তারা সেখানে যান

পীর হানাফির জবান থেকে

শোনার পর বয়ান।

মুরিদ হয়ে নিতে থাকেন

তালিম তরবিয়ত

মোরাকাবায় কাটান তিনি

চৌদ্দটি দিন রাত।

ফেরার পরে একজন লোককে

হুক্কা খাইতে দেখে

কছিম উদ্দিন বলতে লাগলেন

হুক্কা দিতে রেখে।

লোকটা বললো ছেড়ে দেবো

শর্ত একটি আছে

তোমার পীর হানাফি যদি

বলে এসে কাছে।

লোকটা হুক্কা হাতে নিলো

এইটুকু বলার পর

তাকিয়ে দেখে হানাফিকে

হুক্কার ছিদ্রের ভিতর।

তখন থেকে জনমের তরে

হুক্কা টানা ছাড়ে

প্রতি বছর লোকটা আসে

সোনাকান্দা দরবারে।

ওয়াইসি সাহেবআজিজুর রহমান মুনিরী ~~~~~~~~~~ ওয়াইসি সাহেব ছিলেন হানাফির চারখলিফার একজন যাদের নিয়ে করতেন হানাফি মাহফিলে ভ্র...
23/02/2026

ওয়াইসি সাহেব

আজিজুর রহমান মুনিরী

~~~~~~~~~~

ওয়াইসি সাহেব ছিলেন হানাফির

চারখলিফার একজন

যাদের নিয়ে করতেন হানাফি

মাহফিলে ভ্রমণ।

হানাফির সোহবতে থেকে

হাসিল করতেন জ্ঞান

মাহফিলে মাহফিলে গিয়ে

করতেন তা বয়ান।

প্রায় সময় তাঁর পাশে বসে

শুনতাম ফারসি শের

হানাফির জীবনকাহিনী

আমল আখলাকের।

মাথায় হাত বুলিয়ে মোদের

বলতেন কোমল স্বরে

সকাল সন্ধ্যা যিয়ারত করবে

হানাফির মাজারে।

লেখা পড়ার বাহিরেও

ইলমে লাদুন্নী আছে

তা সহজে লাভ করা যায়

পীর অলিদের কাছে।

“দোয়া কবুলের এক জীবন্ত সাক্ষ্য”আজিজুর রহমান মুনিরী ~~~~~~~~~~~~~~~~ হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান হানাফি রহঃ–এর ছোট ছেলে আব...
20/02/2026

“দোয়া কবুলের এক জীবন্ত সাক্ষ্য”

আজিজুর রহমান মুনিরী

~~~~~~~~~~~~~~~~

হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান হানাফি রহঃ–এর ছোট ছেলে আব্দুল কুদ্দুস পীর সাহেব পবিত্র মক্কা শরীফের মিসফালাহ এলাকার বাসিন্দা। বহু বছর পর তিনি মক্কা থেকে মাতৃভূমি বাংলাদেশে আগমন করেন। তখন আমি সোনাকান্দা দারুল হুদা কামিল মাদরাসায় অধ্যয়নরত। আমি তাঁকে একটি নজর দেখার জন্য অধির আগ্রহে ছিলাম।

তিনি আল্লাহর ঘরের পরশী—বাইতুল্লাহর সান্নিধ্যে যাঁর জীবন অতিবাহিত। এক জুমার দিনে, নামাজের পূর্বে তিনি দাঁড়িয়ে মক্কা-মদিনার বহু বরকতময় স্থানের ইতিহাস ও স্মৃতিচারণ করলেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল পবিত্রতার সুর, কথায় ছিল মদিনার সুবাস।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন আবু বকর মুহাম্মদ শামসুল হুদা রহঃ। তিনি দাঁড়িয়ে বললেন, হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান হানাফি রহঃ–এর একটি মহান আকাঙ্ক্ষা ছিল—তাঁর সন্তানদের মধ্য থেকে কেউ যেন বাইতুল্লাহর পরশী হয়। সেই উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর দুই কন্যাকেও মক্কায় বিবাহ দিয়েছেন, যেন তাঁদের ভাষা হয় আরবি, তাঁদের জীবন গড়ে ওঠে হারামাইনের পরিবেশে। আল্লাহ তাঁর সে বাসনা কবুল করেছেন—সন্তানরা আজ আরবি ভাষায় কথা বলেন, নাতি-নাতনিরাও আরবির সুমধুর উচ্চারণে বড় হচ্ছে। তারা প্রতিদিন বাইতুল্লাহ শরীফে গিয়ে নামাজ আদায় করে, পবিত্র কাবা ঘর তাওয়াফ করে।

ঘোষণা হলো—আজ পবিত্র কাবা ঘরের মেহমান, ছোট পীর সাহেব, মুনাজাত করবেন। নামাজ শেষে আমরাও মুনাজাতে শরিক হলাম। তিনি প্রাঞ্জল আরবি ভাষায় গভীর দরদভরা মুনাজাত করলেন। তাঁর শব্দচয়ন ছিল হৃদয়গ্রাহী, বিনয় ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরবর্তীতে ঘোষণা এলো—তিনি মাজার শরীফ জিয়ারত করবেন। সেখানেও আমরা শরিক হলাম। তখন আবারও আবু বকর মুহাম্মদ শামসুল হুদা রহঃ মুনাজাতের জন্য দাঁড়ালেন। মুনাজাতে তিনি এক কথা অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বললেন—

“হে আল্লাহ পাক! ছোট ভাইয়ের জন্য তোমার কাছে কখনো কিছু চাইনি। আজ চাই—তুমি তাঁকে তোমার খুশিতে দশটি কন্যাসন্তান দান করেছো, এবার তাঁকে একটি পুত্রসন্তান দান করো।”

সেই মুহূর্তে আমার হৃদয় সাক্ষ্য দিল—দোয়া কবুল হয়েছে। তখন থেকেই অধীর অপেক্ষায় রইলাম, কবে শুনবো সেই সুসংবাদ।

প্রায় এক বছর পর একদিন মরহুমে সানি রহঃ মসজিদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করলেন—ছোট পীর সাহেব হুজুরের পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করেছে।

সেদিন থেকে আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করলাম—আল্লাহর ওলিগণের মাজার শরীফ জিয়ারতের ফায়দা কত মহান! এবং নতুন করে চিনতে পারলাম আবু বকর মুহাম্মদ শামসুল হুদা রহঃ–কে—তিনি সত্যিই আল্লাহ পাকের একজন খাঁটি ওলি ছিলেন।

জবান পবিত্র ছিলো, আল্লাহর কাছে যখন যা চাইতেন, আল্লাহ পাক কবুল করতেন।

শতভাগ কমনের রহস্যআজিজুর রহমান মুনিরী ~~~~~~~~~~~~~~~মরহুমে সানি শাহ সূফী আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু বকর শামসুল হুদা (রহঃ)–...
19/02/2026

শতভাগ কমনের রহস্য

আজিজুর রহমান মুনিরী

~~~~~~~~~~~~~~~

মরহুমে সানি শাহ সূফী আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু বকর শামসুল হুদা (রহঃ)–এর দ্বিতীয় ও তৃতীয় সাহেবজাদা, মাওলানা মাকসুদুর রহমান ও মরহুম মাওলানা সাঈদ আহমদ, তখন ফাজিল পরীক্ষার্থী। ফাইনাল পরীক্ষার অল্প কিছুদিন বাকি। এমন সময় একদিন পীর সাহেব কেবলা তাদেরকে স্নেহভরে ডেকে বললেন—

“তোমরা দ্বিতীয় মুফাসসির মাওলানা জহুরুল হক হুজুরের কাছে যাও। গিয়ে বলো, তিনি যেন তোমাদের পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো কিতাবে দাগিয়ে দেন।”

পিতার আদেশ পালন করতে তারা দু’জন বিনয়ের সাথে মুফাসসির হুজুরের দরবারে উপস্থিত হলো এবং অনুরোধ জানালো। হুজুর মুচকি হেসে বললেন—

“মাদরাসায় এত শিক্ষক থাকতে আমার কাছেই কেন এসেছো? আমি তো প্রশ্ন নিয়ে তেমন ঘাঁটাঘাঁটি করি না। তোমরা সিলেবাস সম্পর্কে অভিজ্ঞ কোনো শিক্ষকের কাছে যাও।”

কিছুক্ষণ পর পীর সাহেব কেবলা মসজিদে মুফাসসির হুজুরের সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি সস্নেহে জিজ্ঞাসা করলেন—

“মুফাসসির হুজুর, ছেলেদেরকে বলেছিলাম আপনার নিকট থেকে কিতাবগুলো দাগিয়ে নিতে। তারা কি আপনার সাথে দেখা করেছে?”

হুজুর মৃদু হাসি দিয়ে বললেন—

“জ্বি, দেখা করেছে। তবে আমি বলেছি, তারা যেন অভিজ্ঞ কোনো শিক্ষকের কাছ থেকে দাগিয়ে নেয়। কারণ আমার নিজের আলিম–ফাজিলের ফলাফল তেমন ভালো ছিল না।”

তখন পীর সাহেব কেবলা দৃঢ় অথচ স্নেহপূর্ণ কণ্ঠে বললেন—

“আমি অনুমতি দিয়েছি। আপনি দাগিয়ে দিন।”

পীর সাহেবের নির্দেশে এবার হুজুর আর না করতে পারলেন না। সেই রাতেই তিনি তাদেরকে সব বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করে সংক্ষিপ্ত সাজেশন প্রস্তুত করে দিলেন। আল্লাহর অশেষ রহমত ও হুজুরের দূরদর্শিতার বরকতে দেখা গেল, প্রত্যেক বিষয়ে শতভাগ প্রশ্ন সেই দাগানো অংশ থেকেই এসেছে।

এরপর থেকে প্রত্যেক পরীক্ষার পূর্বে ছাত্ররা আগ্রহভরে হুজুরের কাছে যেত, কিতাব দাগিয়ে আনতো, এবং আশ্চর্যজনকভাবে প্রায় শতভাগ প্রশ্ন কমন পড়তো। পরবর্তীতে হুজুর এই মাদরাসা ছেড়ে মুন্সিগঞ্জের একটি মাদরাসায় উপাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু ছাত্রদের ভালোবাসা ও আস্থার বন্ধন ছিন্ন হয়নি। তারা দূর-দূরান্ত পাড়ি দিয়ে সেখানেও হুজুরের নিকট যেত এবং তাঁর দিকনির্দেশনা গ্রহণ করতো।

আমি নিজেও দাখিল পরীক্ষার পূর্বে ফোনে হুজুরের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম। তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কিছু মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করে বললেন—

“আমি এখন বেশ ব্যস্ত। কষ্ট করে এখানে আসার প্রয়োজন নেই। আমার পরামর্শ অনুযায়ী মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করো, ইনশাআল্লাহ উপকৃত হবে।”

আলহামদুলিল্লাহ, তাঁর সেই আন্তরিক পরামর্শ আমার জন্য অত্যন্ত উপকারী হয়েছিল।

আমার সুদৃঢ় বিশ্বাস যে, এটি মরহুমে সানি শাহ সূফী আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু বকর শামসুল হুদা (রহঃ)–এর একটি অন্যতম কারামত। আল্লাহ পাক সোনাকান্দার মাজার শরীফের ফুল বাগানকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, আমিন। যারা আমিন বলবে আল্লাহ পাক সবার জন্য তাঁদের নেক তাওয়াজ্জুহ ও ফায়েজ নছিব করুন, আমিন।

মায়ের প্রতি ভালোবাসা আজিজুর রহমান মুনিরী ~~~~~~~~~~~~~~~ গল্প শুনতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আর প্রিয় মানুষের মুখ থেকে শুনতে...
17/02/2026

মায়ের প্রতি ভালোবাসা

আজিজুর রহমান মুনিরী

~~~~~~~~~~~~~~~

গল্প শুনতে আমার ভীষণ ভালো লাগে। আর প্রিয় মানুষের মুখ থেকে শুনতে পারলে সে ভালো লাগা আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। প্রিয়জনদের জীবনের গল্প হলে তো কথাই নেই—সেটা আলাদা এক আনন্দ।

আমার একজনই খালাম্মা। তিনি আমাকে খুব আদর করেন। তাই খালাম্মাকে কাছে পেলেই গল্প শোনানোর আবদার করি, আর তিনি প্রতিবারই আমার সেই আবদার রাখেন। একদিন তাঁর পাশেই গিয়ে বসলাম। আগের মতোই গল্প শোনানোর অনুরোধ করলাম। খালাম্মা মুচকি হেসে বললেন,

—আজ তোমাকে পীর সাহেব হুজুরের বাড়ির একটা ঘটনা শোনাবো। শুনবে?

আমি তো খুশিতে কথা হারিয়ে ফেললাম। শুধু মাথা কাত করে সম্মতি জানালাম।

খালাম্মা বলতে শুরু করলেন—

একবার পীর সাহেব হুজুরের বাড়িতে হঠাৎ আগুন লেগে যায়; কেউ কেউ বলেন, শত্রুরা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। তখন পীর সাহেব কেবলা (আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবু বকর মুহাম্মদ শামসুল হুদা রহঃ) বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন। আগুন দেখে প্রথমে নিজ হাতে নেভানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু আগুন ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিতে থাকে।

আগুনের খবর পেয়ে গ্রামের মানুষজন, মাদরাসার ছাত্র ও শিক্ষকরা দৌড়ে এসে জড়ো হন। সেই সময় হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান হানাফি রহঃ–এর স্ত্রী, অর্থাৎ পীর সাহেব কেবলার আম্মাজান, পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে নীরবে ঘর থেকে বের হয়ে পুকুরপাড়ের ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকেন—যেন কোনো পরপুরুষের নজরে না পড়েন।

অন্যদিকে মরহুম সানি রহঃ ব্যাকুল হয়ে মাকে খুঁজতে থাকেন—বাহির থেকে ভেতরে, এক ঘর থেকে আরেক ঘরে ছুটে বেড়ান। আগুন নেভাতে বহু লোক জড়ো হয়। কিছুক্ষণ পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, আর লোকজন ধীরে ধীরে চলে যায়।

সবাই চলে যাওয়ার পর হুজুরের মা ও স্ত্রী ঘরে ফিরে আসেন। ফিরে এসে দেখেন—গোলার ধানসহ ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। হাল চাষের কয়েকটি গরুও আগুনে পুড়ে মারা গেছে।

সব দেখে হুজুরের আম্মাজান গভীর আফসোস করতে লাগলেন। তখন পীর সাহেব কেবলা শান্ত কণ্ঠে বললেন,

—আম্মাজান, এসবের জন্য আমার কোনো দুঃখ নেই। এতটুকু সুযোগ ছিল যে গরুগুলো বের করে নিতে পারতাম। কিন্তু মা, আমি তখন শুধু আপনার চিন্তাতেই বিভোর ছিলাম। আপনাকে খুঁজতেই ব্যস্ত ছিলাম। আমার গাফলতিতে আপনার যদি কিছু হয়ে যেত, তাহলে নিজেকে কোনোদিন ক্ষমা করতে পারতাম না। তাই অন্য কিছুর দিকে ভ্রুক্ষেপ করিনি।

একটু থেমে তিনি বললেন,

—আলহামদুলিল্লাহ, মা আপনি সুস্থ ও নিরাপদে আছেন—এইটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমার আর কোনো দুঃখ নেই।

16/02/2026

সফিউল্লাহ মোল্লা

আজিজুর রহমান মুনিরী

~~~~~~~~~~~~

সফিউল্লাহ মোল্লা ছিলেন

খলিফা হানাফির

কৃতিসন্তান ছিলেন তিনি

দীঘিরপাড় গ্রামটির।



পীরের ভালোবাসা পেয়ে

এমন ভক্ত হন

হঠাৎ করেই চলে যেতেন

যখন চাইতো মন।

জিকির ফিকির মোরাকাবায়

এমন হালত হতো

সোনাকান্দার সমস্ত মাঠে

গড়াগড়ি খেতো।

ক্বলবের জিকিরের ধ্বনি

নিজেই শুনতে পান

সেই সাথে তার হৃদয়ে ছিলো

অন্তর চোখের জ্ঞান।

শিক্ষা দিতেন কুরআন কারিম

মসজিদে মসজিদে

কারু কাছে খুঁজতেন না খাবার

যতই লাগতো ক্ষিধে।

সারা বছর রাখতেন রোজা

পড়তেন নফল সালাত

শেষ সময়টা পাড় করছেন

প্রায় মজ্জুব হালাত।

মৃত্যুর পর এক বুজুর্গ দেখেন

কোনো এক রাতে

একটি নূরের প্রদীপ জ্বলছে

তাঁর কবর হতে।

24/01/2026

এই অংশটুকুই দুই দিনের ওয়াজের সারনির্জাস। এই সময়ে আপনার অনুভূতি কেমন ছিলো?

24/01/2026

এই কান্না হৃদয় থেকে শুধুই আল্লাহর জন্য

Address

Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফ, কুমিল্লা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share