02/09/2026
মহামান্য হাইকোর্টকে ECA আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কক্সবাজার সুগন্ধা বীচে দেড় যুগ ধরে আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত করে রাখা স্থানটিতে সড়ক নির্মানের কাজ যারা বন্ধ করে দিল তথাকথিত পরিবেশবাদীরা।
যেখানে গরু আর পর্যটক আর আবর্জনা ছাড়া কোন শামুক ঝিনুক কাঁকড়া কাছিম কেয়াবন বা ম্যানগ্রোভ বন বা ঝাউবন কিছুই নাই তাকে ECA আখ্যা দিয়ে মহামান্য হাইকোর্ট কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সড়ক নির্মান কাজ বন্ধ করে দিল ⁉️
এরাই গত দুই বছর আগে হাতি সহ হাজারো বন্যপ্রাণীর বাসস্থান আনোয়ার কোরিয়ান ইপিজেড কে ২৪০০ একর প্রটেক্টেড ফরেষ্ট বন্ধোবস্তী প্রদান করে ভূমি বন্ধোবস্তীর সকল নীতিমালা লঙ্ঘন করে। বনভূমি ধ্বংস করে আজ সেখানে হচ্ছে শিল্পায়ন, যা গত ২৪ বছর কোন সরকার তাদের বন্ধোবস্তী দেয়নি! এদের আসল উদ্দেশ্য কি পরিবেশ রক্ষা না অন্যকিছু তা ভেবে দেখার সময় হয়েছে !
ভুক্তভোগী পর্যটকদের অনূভুতি টুকু দেখুন এই স্থানে !
পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বা ECA বলে যেখানে সামুদ্রিক কাছিম, সামুদ্রিক কাঁকড়া, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য প্রজনন করে, যেখানে প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন রয়েছে, কিন্তু এখানে তো ম্যানগ্রোভ বন বা কেয়া বনও নেই, আছে ভাঙ্গা রাস্তা ও আবর্জনার ভাগাড় ! যা গত দেড়যুগ ধরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে একটি প্রভাবশালী মহল করতে দিচ্ছে না ! আর এসব পরিবেশবাদীরা সেই সব প্রভাবশালীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে আদালত কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সড়ক নির্মানকে প্রতিহত করছে !
জনস্বার্থ'ই জাতীয় স্বার্থ, পরিবেশ জাতীয় স্বার্থের অংশ মাত্র ! কিন্তু যারা পরিবেশ ধ্বংসের মিথ্যা দোহাই দিয়ে জনস্বার্থকে পদদলিত করে তাদের নির্মূল করার এখনই সময়।
কক্সবাজার টু টেকনাফ ৮০ কিমি মেরিন ড্রাইভ সড়ক সমুদ্র সৈকতে নির্মিত, কিন্তু কক্সবাজারের দেড় কি:মি: সড়ক নির্মানে উদ্দেশ্য মূলক প্রতিবন্ধকতা কেন ?
#জাইকা_অর্থায়নে_এ_সড়ক_নির্মান_ব্যার্থ_হলে_কক্সবাজারবাসী_সেচ্ছাশ্রমে_এ_সড়ক_নির্মান_করবে_নিশ্চিত
বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ স্থাপন হয়েছে ১ যুগ আগেই, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সামনে দিয়ে রাস্তা হতে দেবে না, তাই ১৮ লক্ষ মানুষ জিম্মি দেড় যুগ ধরে ⁉️
ছলে বলে কৌশলে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ECA ও পরিবেশ আইনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে 📌
ুন_বোতলে_সেই_পুরনো_মদ
#সড়কটির_বর্তমান_পরিবেশগত_অবস্থা
1️⃣📌যেখানে গত দুই যুগেও কোন সামুদ্রিক কাছিম ডিম পাড়তে আসেনি!
2️⃣📌যেখান থেকে সমুদ্রের জোয়ার ভাটার দূরত্ব ১হাজার মিটার যেখানে ECA আইনে ৩০০ মিটারের মধ্যে কোন ধরনের স্থাপনা করতে নিষেধ করা হয়েছে !
3️⃣📌যেখানে ২০১৬ সালে আমাদের সংগঠন Save The Nature of Bangladesh এর আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার সমুদ্র সৈকতে পরীক্ষামূলক নারিকেল বাগান সৃজন করলেও ঘূর্নিঝড় আমফানের কবলে পড়ে নারিকেল বাগনটি বালি চাপা পড়ে বালির ডিভিতে পরিনত হয়, যাতে নেই কোন ম্যানগ্রোভ বা ঝাউবন বা কেয়া বনের অস্তিত্ব, আছে আমাদের পরিচর্যায় বেঁচে যাওয়া কিছু নারিকেল গাছ।
4️⃣📌যেখানে হোটেল মোটেলের অপরিশোধিত দূষিত পানিসহ সুয়ারেজ বর্জ্য কয়েকটি ড্রেন হয়ে সরাসরি উন্মুক্ত ভাবে সাগরে পড়ার ফলে বেলেভূমির পরিবেশ দূষিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
5️⃣📌যেখানে পার্শ্ববর্তী তারকা মানের হোটেল রেস্তোরাঁর আবর্জনার ভাগাড় বানানো হয়েছে এক যুগ ধরে, ফলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ফুড চেইন ধ্বংস হয়ে গেছে !
6️⃣📌যেখানে একান্ন একর সহ পাহাড়ি বেষ্টনী ধ্বংস ও মাঝে হোটেল মোটেল জোন সৃষ্টির ফলে পাহাড়ের বিশুদ্ধ পানির ধারা সাগরে আসতে না পারায় সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে
7️⃣📌যেখানে হাজার হাজার মানুষের পদচারণা, শত শত ছাতা চেয়ার কয়েকশ বীচ বাইক চলাচলের স্থান!
8️⃣📌যেখানে নেই কোন সমুদ্র সৈকতের ওয়াচ-টাওয়ার!
তাকেই তারা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের অন্যতম হটস্পট হিসেবে প্রচার করছে ECA এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ! তাই ECA আইন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার বদলে পর্যটন শিল্পের গলার ফাঁস হিসেবে দেখা দিয়েছে।
A N M Moazzem Hossain
#সামুদ্রিক_জীববৈচিত্র্য_রক্ষায়_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার