Save The Nature Of Bangladesh ককসবাজার শহর শাখা

Call Directions Website Contact the organization

Save The Nature Of Bangladesh ককসবাজার শহর শাখা এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈ?

Our Nature Our Right - Save The Nature Join The fight স্লোগানকে ধারন করে এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মহান শপথে যখন দেশে পরিবেশ রক্ষায় সমৃদ্ধ পরিবেশ আইন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষন আইন ছিলনা তখনই এদেশের সবুজ সারথী দেশপ্রেমিক সেচ্ছাসেবী তরুণদের নিয়ে ২০০৫ সালের ৫ ই জুন প্রকৃতির বন্ধু আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে Save The Nature Of Bangladesh নামের দেশের সর্ববৃহৎ পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রাতিষ্টানিক ভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। সারাদেশের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি প্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়ে স্রোতের বিপরীতে পরিবেশ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সারাদেশে শুরু হয় সম্মিলিত প্রতিরোধ, আজ হাজারো দেশপ্রেমিক স্বপ্নবাজ তরুণ্যের একটাই লক্ষ্য We are fighting for the bright tomorrow.....

এদেশের সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা প্রকৃতির সবুজ ছায়ায় জন্ম নিয়েছে নজরুল, সুকান্ত, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ও বনলতা সেনের মত প্রকৃতি প্রেমী কবিরা । ভাবতেও খারাপ লাগে ভূমিদস্যু হায়েনাদের লুলুপ দৃষ্টি আজ প্রকৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান গাছ-পালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত সহ সবখানে। তারা তাদের ক্ষুদ্র ব্যাক্তি-স্বার্থকে চরিতার্থ করার কু-মানসে পাহাড় কেটে ডেকে আনছে পরিবেশের বিপর্যয়।

অন্যদিকে দেশের বন ও বন্যপ্রাণী নিধনের মহোৎসব যেন সমগ্র মানচিত্র জুড়ে, যেখানে একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা সেখানে নেমে আসে সেখানে অঞ্চলভেদে ১০-১৫ ভাগে তাও প্রাকৃতিক বনভূমিকে ধ্বংস করে এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ বিনাশী যে গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, প্রকৃতি পরিবেশের কোন উপকারে আসেনা, বনের ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে এমন প্রেসক্রিপশন নির্ভর আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস বা সেগুনের মত ক্ষতিকর বৃক্ষের মুনাফালোভী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প ।
এতে বিপন্ন ও বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়ে দেশের হাজারো বন্যপ্রাণী, যারা এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ ও ইকোসিস্টেম সমৃদ্ধ করে। দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে মানুষ বনের জমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং কেটে সাফ করেছে প্রাকৃতিক পাহাড় ও বনভূমিকে, বনের মাঝেই আজ শত শত ইটভাটা ও করাত কল, প্রতিনিয়ত ইটভাটায় পুড়ছে বনের কাঠ ও কৃষি জমির উর্বর টপ সয়েল, যেন সর্বত্র প্রকৃতি বিনাশী এক যুদ্ধ প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্টপোকতায়। বনের বিপন্ন আশ্রয়হীন অসহায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা হয় চিড়িয়াখানা বা মিনি চিড়িয়াখানা। তারই একটি অংশ দেশের বিভিন্ন সিমান্ত অঞ্চল হয়ে নিয়মিত পাচার হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। সেই সাথে দেশীয় ও অতিথি পাখি, বন মোরগ, হরিণ হয়ে উটে পচন্দের মুখরোচক সুস্বাদু খাবারে।

নদী- নালা, খাল-বিল, বনভূমি ধ্বংস করে ভূমিদস্যুরা স্বপ্ন দেখে বরং এখানে কুড়ে ঘর নয়, হবে প্রাসাদোপম অট্টালিকা। উপকূলীয় অঞ্চলের সবুজ বেষ্টনী ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও প্যারাবন নিধন করে গড়ে উটে লক্ষ লক্ষ একর চিংড়ি ঘের ও লবন মাঠ । ফলে ইকোসিস্টেম নষ্ট হবার ফলে পর্যটন নগরী ককসবাজার , কুতুবদিয়া উপজেলা বা সাতক্ষীরা সহ দেশের উপকূলীয় এলাকার অধিকাংশ নলকূপ দিয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির বদলে আসছে লবনাক্ত পানি ।
ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিঃসৃত বর্জ্য সরাসরি গিয়ে পড়ছে নদী ও সাগরে ফলে , ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য , ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সমূহ ।
অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলেও দেশের অধিকাংশ ইট পোড়ান হয় বনভূমি উজাড় করে । চলমান পাহাড় কাটার ফলে দেশের অধিকাংশ নদী নাব্যতা হারিয়েছে ।
সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর নামক একটি প্রতিষ্টান থাকলেও জনবল সংকট ও আইনী জটিলতার কারনে তারা পরিবেশ রক্ষায় ফলপ্রসু কোন ভূমিকা রাখতে পারছেনা । পরিবেশ আদালতে মামলা হয় ঠিকই কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রভাবের কারনে ভূমিদস্যুরা উপযুক্ত সাক্ষি প্রমানের অভাবে বেখসুর খালাস পেয়ে দ্বীগুন উৎসাহে পরিবেশ নষ্ট করছে , যার অহ রহ প্রমান রয়েছে ।
অন্যদিকে অব্যাহত পাহাড় কাটা ও বন ভূমি উজাড় করার ফলে বায়ুমন্ডলে র্কাবনডাইঅক্সাইডের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে মরূ অঞ্চলের বরফ গলতে শরু করেছে ফলে সাগরে পানির উচ্ছতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে করে সাগর উপকূলের দ্বীপ ও দেশ সমূহের ভূভাগ আস্তে আস্তে পানির নীছে তলিয়ে যাচ্ছে এবং বায়ুমন্ডলের উজন স্তর ভেধ করে র্সূযের অতি বেগুনী রশ্ণী সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে ফলে পৃথিবীতে নতুন নতুন রোগ ব্যাধি সৃষ্টি হচ্ছে ।
তাই দেশ বাচাঁতে , প্রকৃতি বাচাঁতে ও পরিবেশ বাঁচাতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে Save The Nature Of Bangladesh হয়ে উটে এদেশের মানুষের বিশ্বাস ও আস্তার ঠিকানা তাই আজ এদেশের জনসাধারনের পরিবেশ আইন সর্ম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষার র্স্বাথে সচেতন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহবান জানাচ্ছি ।

শুভেচ্ছান্তে
আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেন
চেয়ারম্যান
Save The Nature Of Bangladesh

02/09/2026

মহামান্য হাইকোর্টকে ECA আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কক্সবাজার সুগন্ধা বীচে দেড় যুগ ধরে আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত করে রাখা স্থানটিতে সড়ক নির্মানের কাজ যারা বন্ধ করে দিল তথাকথিত পরিবেশবাদীরা।
যেখানে গরু আর পর্যটক আর আবর্জনা ছাড়া কোন শামুক ঝিনুক কাঁকড়া কাছিম কেয়াবন বা ম্যানগ্রোভ বন বা ঝাউবন কিছুই নাই তাকে ECA আখ্যা দিয়ে মহামান্য হাইকোর্ট কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সড়ক নির্মান কাজ বন্ধ করে দিল ⁉️

এরাই গত দুই বছর আগে হাতি সহ হাজারো বন্যপ্রাণীর বাসস্থান আনোয়ার কোরিয়ান ইপিজেড কে ২৪০০ একর প্রটেক্টেড ফরেষ্ট বন্ধোবস্তী প্রদান করে ভূমি বন্ধোবস্তীর সকল নীতিমালা লঙ্ঘন করে। বনভূমি ধ্বংস করে আজ সেখানে হচ্ছে শিল্পায়ন, যা গত ২৪ বছর কোন সরকার তাদের বন্ধোবস্তী দেয়নি! এদের আসল উদ্দেশ্য কি পরিবেশ রক্ষা না অন্যকিছু তা ভেবে দেখার সময় হয়েছে !
ভুক্তভোগী পর্যটকদের অনূভুতি টুকু দেখুন এই স্থানে !

পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা বা ECA বলে যেখানে সামুদ্রিক কাছিম, সামুদ্রিক কাঁকড়া, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য প্রজনন করে, যেখানে প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন রয়েছে, কিন্তু এখানে তো ম্যানগ্রোভ বন বা কেয়া বনও নেই, আছে ভাঙ্গা রাস্তা ও আবর্জনার ভাগাড় ! যা গত দেড়যুগ ধরে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে একটি প্রভাবশালী মহল করতে দিচ্ছে না ! আর এসব পরিবেশবাদীরা সেই সব প্রভাবশালীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে আদালত কে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সড়ক নির্মানকে প্রতিহত করছে !

জনস্বার্থ'ই জাতীয় স্বার্থ, পরিবেশ জাতীয় স্বার্থের অংশ মাত্র ! কিন্তু যারা পরিবেশ ধ্বংসের মিথ্যা দোহাই দিয়ে জনস্বার্থকে পদদলিত করে তাদের নির্মূল করার এখনই সময়।
কক্সবাজার টু টেকনাফ ৮০ কিমি মেরিন ড্রাইভ সড়ক সমুদ্র সৈকতে নির্মিত, কিন্তু কক্সবাজারের দেড় কি:মি: সড়ক নির্মানে উদ্দেশ্য মূলক প্রতিবন্ধকতা কেন ?
#জাইকা_অর্থায়নে_এ_সড়ক_নির্মান_ব্যার্থ_হলে_কক্সবাজারবাসী_সেচ্ছাশ্রমে_এ_সড়ক_নির্মান_করবে_নিশ্চিত
বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ স্থাপন হয়েছে ১ যুগ আগেই, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সামনে দিয়ে রাস্তা হতে দেবে না, তাই ১৮ লক্ষ মানুষ জিম্মি দেড় যুগ ধরে ⁉️
ছলে বলে কৌশলে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ECA ও পরিবেশ আইনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে 📌
ুন_বোতলে_সেই_পুরনো_মদ
#সড়কটির_বর্তমান_পরিবেশগত_অবস্থা
1️⃣📌যেখানে গত দুই যুগেও কোন সামুদ্রিক কাছিম ডিম পাড়তে আসেনি!
2️⃣📌যেখান থেকে সমুদ্রের জোয়ার ভাটার দূরত্ব ১হাজার মিটার যেখানে ECA আইনে ৩০০ মিটারের মধ্যে কোন ধরনের স্থাপনা করতে নিষেধ করা হয়েছে !
3️⃣📌যেখানে ২০১৬ সালে আমাদের সংগঠন Save The Nature of Bangladesh এর আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার সমুদ্র সৈকতে পরীক্ষামূলক নারিকেল বাগান সৃজন করলেও ঘূর্নিঝড় আমফানের কবলে পড়ে নারিকেল বাগনটি বালি চাপা পড়ে বালির ডিভিতে পরিনত হয়, যাতে নেই কোন ম্যানগ্রোভ বা ঝাউবন বা কেয়া বনের অস্তিত্ব, আছে আমাদের পরিচর্যায় বেঁচে যাওয়া কিছু নারিকেল গাছ।
4️⃣📌যেখানে হোটেল মোটেলের অপরিশোধিত দূষিত পানিসহ সুয়ারেজ বর্জ্য কয়েকটি ড্রেন হয়ে সরাসরি উন্মুক্ত ভাবে সাগরে পড়ার ফলে বেলেভূমির পরিবেশ দূষিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
5️⃣📌যেখানে পার্শ্ববর্তী তারকা মানের হোটেল রেস্তোরাঁর আবর্জনার ভাগাড় বানানো হয়েছে এক যুগ ধরে, ফলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ফুড চেইন ধ্বংস হয়ে গেছে !
6️⃣📌যেখানে একান্ন একর সহ পাহাড়ি বেষ্টনী ধ্বংস ও মাঝে হোটেল মোটেল জোন সৃষ্টির ফলে পাহাড়ের বিশুদ্ধ পানির ধারা সাগরে আসতে না পারায় সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে
7️⃣📌যেখানে হাজার হাজার মানুষের পদচারণা, শত শত ছাতা চেয়ার কয়েকশ বীচ বাইক চলাচলের স্থান!
8️⃣📌যেখানে নেই কোন সমুদ্র সৈকতের ওয়াচ-টাওয়ার!
তাকেই তারা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের অন্যতম হটস্পট হিসেবে প্রচার করছে ECA এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ! তাই ECA আইন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার বদলে পর্যটন শিল্পের গলার ফাঁস হিসেবে দেখা দিয়েছে।

A N M Moazzem Hossain

#সামুদ্রিক_জীববৈচিত্র্য_রক্ষায়_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার

02/09/2026

কক্সবাজার টু টেকনাফ ৮০ কিমি মেরিন ড্রাইভ সড়ক সমুদ্র সৈকতে নির্মিত, কিন্তু কক্সবাজারের দেড় কি:মি: সড়ক নির্মানে উদ্দেশ্য মূলক প্রতিবন্ধকতা কেন ?
#জাইকা_অর্থায়নে_এ_সড়ক_নির্মান_ব্যার্থ_হলে_কক্সবাজারবাসী_সেচ্ছাশ্রমে_এ_সড়ক_নির্মান_করবে_নিশ্চিত
বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ স্থাপন হয়েছে ১ যুগ আগেই, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সামনে দিয়ে রাস্তা হতে দেবে না, তাই ১৮ লক্ষ মানুষ জিম্মি দেড় যুগ ধরে ⁉️
ছলে বলে কৌশলে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ECA ও পরিবেশ আইনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে 📌
ুন_বোতলে_সেই_পুরনো_মদ
#সড়কটির_বর্তমান_পরিবেশগত_অবস্থা
1️⃣📌যেখানে গত দুই যুগেও কোন সামুদ্রিক কাছিম ডিম পাড়তে আসেনি!
2️⃣📌যেখান থেকে সমুদ্রের জোয়ার ভাটার দূরত্ব ১হাজার মিটার যেখানে ECA আইনে ৩০০ মিটারের মধ্যে কোন ধরনের স্থাপনা করতে নিষেধ করা হয়েছে !
3️⃣📌যেখানে ২০১৬ সালে আমাদের সংগঠন Save The Nature Of Bangladesh (SNB) এর আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার সমুদ্র সৈকতে পরীক্ষামূলক নারিকেল বাগান সৃজন করলেও ঘূর্নিঝড় আমফানের কবলে পড়ে নারিকেল বাগনটি বালি চাপা পড়ে বালির ডিভিতে পরিনত হয়, যাতে নেই কোন ম্যানগ্রোভ বা ঝাউ বাগানের অস্তিত্ব, আছে আমাদের পরিচর্যায় বেঁচে যাওয়া কিছু নারিকেল গাছ।
4️⃣📌যেখানে হোটেল মোটেলের অপরিশোধিত দূষিত পানিসহ সুয়ারেজ বর্জ্য কয়েকটি ড্রেন হয়ে সরাসরি উন্মুক্ত ভাবে সাগরে পড়ার ফলে বেলেভূমির পরিবেশ দূষিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
5️⃣📌যেখানে পার্শ্ববর্তী তারকা মানের হোটেল রেস্তোরাঁর আবর্জনার ভাগাড় বানানো হয়েছে এক যুগ ধরে, ফলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ফুড চেইন ধ্বংস হয়ে গেছে !
6️⃣📌যেখানে একান্ন একর সহ পাহাড়ি বেষ্টনী ধ্বংস ও মাঝে হোটেল মোটেল জোন সৃষ্টির ফলে পাহাড়ের বিশুদ্ধ পানির ধারা সাগরে আসতে না পারায় সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে
7️⃣📌যেখানে হাজার হাজার মানুষের পদচারণা, শত শত ছাতা চেয়ার কয়েকশ বীচ বাইক চলাচলের স্থান!
8️⃣📌যেখানে নেই কোন সমুদ্র সৈকতের ওয়াচ-টাওয়ার!
তাকেই তারা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের অন্যতম হটস্পট হিসেবে প্রচার করছে ECA এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ! তাই ECA আইন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার বদলে পর্যটন শিল্পের গলার ফাঁস হিসেবে দেখা দিয়েছে।

Save The Nature of Bangladesh
A N M Moazzem Hossain

#সামুদ্রিক_জীববৈচিত্র্য_রক্ষায়_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার

স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, অর্থনীতি এবং পর্যটন শিল্পের চাহিদাকে পাশ কাটিয়ে শুধুমাত্র কঠোর আইনি বিধিনিষেধ পরিবেশ আইন ও...
02/09/2026

স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, অর্থনীতি এবং পর্যটন শিল্পের চাহিদাকে পাশ কাটিয়ে শুধুমাত্র কঠোর আইনি বিধিনিষেধ পরিবেশ আইন ও ECA বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করছে। সড়ক বাঁকা করতে হবে কেন প্রয়োজনে জমি অধিগ্রহণ করে সড়ক সোজা করবে!
#জাইকা_অর্থায়নে_এ_সড়ক_নির্মান_ব্যার্থ_হলে_কক্সবাজারবাসী_সেচ্ছাশ্রমে_এ_সড়ক_নির্মান_করবে_নিশ্চিত
কক্সবাজারের সুগন্ধা থেকে কলাতলী পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ এবং পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA - Ecologically Critical Area) সংক্রান্ত বিতর্কটি পরিবেশ সুরক্ষা এবং জনকল্যাণমুখী অবকাঠামোগত উন্নয়নের মধ্যকার একটি চিরাচরিত দ্বন্দ্ব। সমুদ্র সৈকতে ৮০ কি:মি: মেরিন ড্রাইভ সড়ক হতে পারলে এই দেড় কিলোমিটারে সমস্যা কোথায় ?

নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম সমুদ্র সৈকতে নির্মিত
(Multifunctional Road cm Dyke)-এর আদলে ৩১৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে জাপানি উন্নয়ন সংস্থা জাইকা (JICA) এবং সরকারের যৌথ অর্থায়নে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী থেকে নাজিরারটেক পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার এলাকায় সমুদ্রের ভাঙ্গন ঠেকাতে প্রতিরক্ষা বাঁধ ও বহুমুখী সড়ক নির্মাণের জন্য বিগত সরকার ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছিল। কিন্তু সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন অংশে ভাঙ্গনের কবলে পড়ে কয়েক লক্ষ ঝাউগাছসহ সৈকতের বিশাল অংশ সাগরে বিলীন হয়ে যায়। তাই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি, যার অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে ২০২৫ সালের জুন মাসে দরপত্র আহ্বান করা হয় এবং টেন্ডার পরবর্তী টিকাদার কক্সবাজার পৌরসভার তত্ত্বাবধানে কাজ আরম্ভ করে।

এই সড়ক নির্মানে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ:
১। এনভায়রনমেন্টাল ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট (EIA) এবং পরিবেশবান্ধব নকশা অনুসরণ।
২। Coastal Ecosystem সুরক্ষা ও উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষনের ভারসাম্য (Sustainable Development).
৩। যেখানে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্র সৈকতের ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ নির্মিত হতে পারে, সেখানে পরিবেশগত প্রশমন ব্যবস্থা (Mitigation Measures) গ্রহণ করে ছোট সংযোগ সড়ক কেন টেকসই উপায়ে নির্মাণ করা যাবে না ?
৪। আধুনিক বিজ্ঞান ও নগর পরিকল্পনা বলে, " উন্নয়ন ও পরিবেশ একে অপরের পরিপূরক হতে হবে"। আর একেই বলা হয় 'টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা' (SDG).
৫। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, অর্থনীতি এবং পর্যটন শিল্পের চাহিদাকে পাশ কাটিয়ে শুধুমাত্র কঠোর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক কাজ ব্যাহত করলে পরিবেশ আইন ও ECA বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
৬। লাবনী থেকে কলাতলীর মধ্যকার এই সংক্ষিপ্ত সড়কটি দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকায় পর্যটক ও স্থানীয়দের সমুদ্র সৈকতে যাতায়াত মূলত লাবণী ও সুগন্ধা সমুদ্র সৈকতের দেড় কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে পর্যটন শিল্প মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৭। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, সড়ক বিভাগ ও পৌরসভার মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী এক যুগ আগেই সেখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করা হলেও বিভিন্ন অজুহাতে সড়কটি চালু না করে হাজার কোটি টাকার পর্যটন সম্ভাবনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
৮। মীরশ্বরায় থেকে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পরিবেশগত সমীক্ষা সহ কাজের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল বিগত সরকার সেই ডুমেইন অনলাইনে সার্চ করে দেখুন সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলীর অংশে কি ছিল আর এখন কি হচ্ছে !

#সড়কটির_বর্তমান_পরিবেশগত_অবস্থা
কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের কলঙ্ক এ সড়কের পাশে নোংরা আবর্জনার ভাগাড় গত একযুগ ধরে, সড়কের উপর নোংরা পানি এবং খানাখন্দের ইটের কাঁচা রাস্তা যার কারনে এই সড়কের ভেতরে অবস্তিত হোটেলগুলো বছরের পর বছর লোকসান দিচ্ছে !!
📍সুগন্ধা থেকে কলাতলী নির্মাণাধীন সড়কটি বহু বছর ধরে অবস্তিত, যে স্থানে কোন ম্যানগ্রোভ বা ঝাউবন বা কেয়াবন নেই। যা ECA আইনের বাইরে।
📍নাজিরারটেক থেকে বেলী হ্যাচারী পয়েন্ট কোথাও গত ১৫ বছরে বালিয়াড়ি সৃষ্টির সুযোগও হয়নি অপরিকল্পিত উন্নয়নের ফলে ভয়াবহ ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। তাই সাগরের বালুচরকে বালিয়াড়ি বললে কি রাতারাতি ইকোসিস্টেম পাল্টে যাবে বরং আগামীতে এই সড়ক বাস্তবায়ন হলেই ইকোসিস্টেম সমৃদ্ধ হবে।
📍যেখানে গত দুই যুগেও কোনো সামুদ্রিক কাছিম ডিম পাড়তে আসেনি, বরং হাজার হাজার পর্যটকের উপস্থিতি, শত শত ছাতা, চেয়ার, বীচ বাইক, জেটস্কীর অবাধ চলাচল সেখানে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার অজুহাত আকাশকুসুম কল্পনা!

📍লাইট হাউজ, কলাতলী ও একান্ন একর পাহাড়ের ইকোসিস্টেম ধ্বংস এবং পাহাড় ও সমুদ্র সৈকতের মাঝে হোটেল-মোটেল জোন তৈরি, বীচে হাজার হাজার মানুষের পদচারণা, ছাতা-চেয়ার ও বিচ বাইক চলাচলের পরেও একে ECA এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে পরিবেশ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের হটস্পট হিসেবে প্রচার করে সড়ক নির্মানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি কতটা যৌক্তিক ?

#সমস্যার_সূত্রপাত
কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মানে উন্নিত করতে ঠিকাদার প্রতিষ্টান মীর আক্তার ও ম্যাক্সগ্রুপ কোন ধরনের পরিবেশগত সমীক্ষা ও পরিবেশ ছাড়পত্র না নিয়ে বাঁকখলী নদীর মোহনা থেকে নির্বিচারে কোটি কোটি ঘনফুট বালু উত্তোলন করেছিল তখন দুর্বীণ দিয়ে খুজে পাওয়া যায়নি এসব পরিবেশবাদী! একদম চুপচাপ, বাঁকখালী নদীর মোহনা থেকে বালি তুলতে তুলতে ভূগর্ভস্থ পাথরের স্থর সহ তুলে তাদের নাকের ডগার সামনে যখন টনকে টন পাথর বিক্রি করছিল তখনও তারা চুপচাপ সুবিধা নিয়েছে। ফলে নদীর মোহনায় ভূগর্ভে সৃষ্টি খাদ প্রাকৃতিক ভাবে ভরাট হতে শুরু করলে নাজিরার টেক থেকে ডায়বেটিক পয়েন্ট, ডায়বেটিক পয়েন্ট থেকে শৈবাল পয়েন্ট এবং শৈবাল পয়েন্ট থেকে কবিতা চত্বর আর কবিতা চত্বর থেকে লাবণী পয়েন্ট সমুদ্র সৈকত সাগর গর্ভে তলিয়ে যায় হাজার হাজার ঝাউবাগানসহ, তখনও তারা পরিবেশ বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি। এই প্রতিটি ভাঙ্গেনর সকল ছবি ভিডিও আমার তৎকালীন সময়ের ফেসবুক টাইমলাইন হয়ত দেখেছেন বা প্রয়োজন হলে এখনো দেখে নিতে পারেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে ভাঙ্গন ঠেকাতে অসংখ্য বার জেলা প্রশাসক ও সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের লিখিত অভিযোগ করি। যার ফলস্রুতিতে ভাঙ্গনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় সরকার শহর রক্ষা বাঁধ সহ বহুমুখী সড়ক নির্মান প্রকল্প গ্রহন করে। এক যুগ আগে তৎকালীন সময়ে নাজিরারটেক থেকে কলাতলী পর্যন্ত এই সড়ক নির্মিত হলে লাখ লাখ ঝাউগাছ সহ বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা পেত !

A N M Moazzem Hossain
Chairman
Save The Nature of Bangladesh


ুন_বোতলে_সেই_পুরনো_মদ

বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সামনে দিয়ে রাস্তা হতে দেবে না, তাই ১৮ লক্ষ মানু...
24/08/2026

বিদ্যুতের খুঁটি দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সামনে দিয়ে রাস্তা হতে দেবে না, তাই ১৮ লক্ষ মানুষ জিম্মি দেড় যুগ ধরে!
ছলে বলে কৌশলে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ECA ও পরিবেশ আইনের ফাঁদ কতটা যৌক্তিক ?
ুন_বোতলে_সেই_পুরনো_মদ
যেখানে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা উচিত সেখানে তারা জীবনেও যায়নি, যাবেও না !
#ভাত_দেওয়ার_মুরোদ_নাই_কিল_মারার_গোঁসাই
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা থেকে কলাতলী দেড় কিলোমিটার এলাকায় যানযট নিরসনে সড়ক সম্প্রসারন ঠেকাতে ECA আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তথাকথিত পরিবেশবাদীরা ECA ও পরিবেশ আইনকে বিতর্কিত করে ফেলছে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে সমুদ্র সৈকতের পাশ দিয়ে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ জিরু পয়েন্ট পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মিত হলেও, অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে গত একযুগ ধরে সুগন্ধা বীচ হতে কলাতলী সমুদ্র সৈকতের এই সড়কটি সম্প্রসারন করেনি। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও গণপূর্ত অধিদপ্তর এবং সড়ক বিভাগ সহ কক্সবাজার পৌরসভার মাস্টার প্লান অনুসারে সড়কে বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন করেছে ১ যুগ আগেই। কিন্তু এই সড়কটি সম্প্রসারনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত করে অশুভ শক্তির ইশারায়। ফলে কক্সবাজার শহরের সাড়ে চারশতাধিক হোটেল মোটেলে অবস্থান করা পর্যটক ও স্থানীয়দের সমুদ্র সৈকত যাতায়াত ও বিনোদনের জন্য লাবণী ও সুগন্ধার তিন কিলোমিটারে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। যাতে কক্সবাজার শহরের পর্যটন শিল্প ৩০/৫০ বছর পিছিয়ে গেছে। শুধু ছুটির দিনে নয়, যে কোন সময়ে পর্যটক ও স্থানীয়দের বিনোদনের জন্য এসে ভোগান্তির শেষ থাকেনা। তাই দীর্ঘ অবহেলায় পড়ে থাকা সড়কটি কক্সবাজার পৌরসভা পর্যটকদের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাগব করতে জাইকার অর্থায়নে ১.৬ কিমি সড়ক সম্প্রসারনের উদ্যোগ নিতেই ECA এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সড়ক নির্মান কাজ বন্ধ করতে মরিয়া ওরা। যেন "নতুন বোতলে সেই পুরনো মদ "।

#পরিবেশগত_সংকটাপন্ন_এলাকা (ECA) কি
আইনগতভাবে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০ পর্যন্ত) এর ধারা ৫ অনুযায়ী সরকার যদি মনে করে যে, কোনো এলাকার পরিবেশগত অবস্থা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে বা অবনতি ঘটেছে যার ফলে সেখানকার প্রতিবেশ ব্যবস্থা (Ecosystem) মারাত্মক ভাবে হুমকির মুখে পড়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তবে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সেই এলাকাকে ☢️ 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' বা ECA (Ecologically Critical Area) ☢️ হিসেবে ঘোষণা করতে পারে। সহজ কথায়, দেশের যে সকল অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা বিরল প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংসের আশঙ্কায় রয়েছে এবং যেখানকার প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য বিশেষ আইনি সুরক্ষা ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন, তাকেই ECA বলে।

োষণার_লক্ষ্য_ও_উদ্দেশ্য :
✅ #জীববৈচিত্র্য_ও_প্রতিবেশ_রক্ষা:
এলাকার উদ্ভিদ, প্রাণী, সামুদ্রিক জীব এবং অনন্য প্রাকৃতিক প্রতিবেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা।
✅ #প্রাকৃতিক_সম্পদ_সংরক্ষণ:
পাহাড়, বন, ম্যানগ্রোভ, জলাভূমি, নদী বা সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়ির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর অবক্ষয় রোধ করা।
✅ #দূষণ_নিয়ন্ত্রণ:
নির্দিষ্ট এলাকায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর শিল্প-কারখানা স্থাপন, অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলা এবং পরিবেশ দূষণকারী কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ বা নিষিদ্ধ করা।
✅ #দুর্যোগ_ঝুঁকি_হ্রাস:
উপকূলীয় বা সংবেদনশীল এলাকায় প্রাকৃতিকভাবে সুরক্ষা বলয় (যেমন: ঝাউবন বা ম্যানগ্রোভ) তৈরি ও রক্ষা করে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো।
✅ #টেকসই_ব্যবস্থাপনা:
প্রাকৃতিক সম্পদের ভারসাম্য বজায় রেখে এবং পরিবেশের ক্ষতি না করে স্থানীয় পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ টেকসই কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করা

#সড়কটির_বর্তমান_পরিবেশগত_অবস্থা
1️⃣📌যেখানে গত দুই যুগেও কোন সামুদ্রিক কাছিম ডিম পাড়তে আসেনি!
2️⃣📌যেখান থেকে সমুদ্রের জোয়ার ভাটার দূরত্ব ১হাজার মিটার যেখানে ECA আইনে ৩০০ মিটারের মধ্যে কোন ধরনের স্থাপনা করতে নিষেধ করা হয়েছে !
3️⃣📌যেখানে ২০১৬ সালে আমাদের সংগঠন Save The Nature of Bangladesh এর আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার সমুদ্র সৈকতে পরীক্ষামূলক নারিকেল বাগান সৃজন করলেও ঘূর্নিঝড় আমফানের কবলে পড়ে নারিকেল বাগনটি বালি চাপা পড়ে বালির ডিভিতে পরিনত হয়, যাতে নেই কোন ম্যানগ্রোভ বা ঝাউ বাগানের অস্তিত্ব, আছে আমাদের পরিচর্যায় বেঁচে যাওয়া কিছু নারিকেল গাছ।
4️⃣📌যেখানে হোটেল মোটেলের অপরিশোধিত দূষিত পানিসহ সুয়ারেজ বর্জ্য কয়েকটি ড্রেন হয়ে সরাসরি উন্মুক্ত ভাবে সাগরে পড়ার ফলে বেলেভূমির পরিবেশ দূষিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
5️⃣📌যেখানে পার্শ্ববর্তী তারকা মানের হোটেল রেস্তোরাঁর আবর্জনার ভাগাড় বানানো হয়েছে এক যুগ ধরে, ফলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ফুড চেইন ধ্বংস হয়ে গেছে !
6️⃣📌যেখানে একান্ন একর সহ পাহাড়ি বেষ্টনী ধ্বংস ও মাঝে হোটেল মোটেল জোন সৃষ্টির ফলে পাহাড়ের বিশুদ্ধ পানির ধারা সাগরে আসতে না পারায় সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম ধ্বংস হয়ে গেছে
7️⃣📌যেখানে হাজার হাজার মানুষের পদচারণা, শত শত ছাতা চেয়ার কয়েকশ বীচ বাইক চলাচলের স্থান!
8️⃣📌যেখানে নেই কোন সমুদ্র সৈকতের ওয়াচ-টাওয়ার!
তাকেই তারা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের অন্যতম হটস্পট হিসেবে প্রচার করছে ECA এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ! তাই ECA আইন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার বদলে পর্যটন শিল্পের গলার ফাঁস হিসেবে দেখা দিয়েছে।

াস্তবায়নে_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার ?
১। কক্সবাজারের ৯৯ ভাগ হোটেল মোটেলের ড্রেনেজ ও সুয়ারেজ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ETP নেই তার তাদের দূষিত বর্জ্য সরাসরি সমুদ্র ও নদী সহ জলাশয় জলাধার সমূহের মারাত্মক দূষণ সৃষ্টি করেছে।

২। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার দোহাই দিলেও তিমি ডলফিন সামুদ্রিক কচ্ছপ সহ গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কোন আইন প্রনয়ন করে তাদের সুরক্ষার কোন দপ্তর সৃষ্টি করা হয়নি বরং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের মাধ্যমে বন বিভাগ কে দিয়ে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার মেকি নাটক মঞ্চস্থ করে দেশি-বিদেশি অনুদান হাতিয়ে নিয়েছে সুপরিকল্পিত ভাবে কতিপয় সংস্থা। Highlight ⊕

৩। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার নামে জলবায়ু তহবিলের হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশী অনুদান এনে নামে বেনামে প্রকল্প করে সমস্ত টাকা আত্নস্বাৎ করলেও কক্সবাজার থেকে টেকনাফ জিরু পয়েন্ট পর্যন্ত কোথাও ম্যানগ্রোভ বন সৃজন করেনি বরং পরিবেশের জন্য সহনশীল নয় এবং প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি বিদেশী উদ্ভিদ ঝাউগাছ ও আকাশমণি ইউক্যালিপটাস সৃজন করে পরিবেশের বারটা বাজিয়েছেন তারা। একই সাথে প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনীর অর্ধলক্ষ একর ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংস করে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় চিংড়ী ঘের ও লবন মাঠ সৃজন করে।

৪। সামুদ্রিক মাছের প্রজনন সমৃদ্ধ করার কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ গৃহীত হয়নি বরং বরং মহেশখালীর উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী নিশ্চিহ্ন করে দেড় ডজন কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মানের উদ্যোগ নেয় তৎকালীন সরকার, যার ২ টি প্রকল্প চালু হবার পর তাদের নির্গত বয়লারের গরম পানি ও বিষাক্ত বাতাস সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে ফলে উপকূলের কাছা কাছি পূর্বে যে পরিমান সমুদ্র থেকে মৎস্য আহরন হত তার সিকিভাগও এখন হয়না ফলে স্থানীয় ছোট ট্রলার গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

৫। ECA আইনকে বৃহৎ প্রতিষ্টান ও সরকারের বেশিরভাগ সংস্থা বৃধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজেদের সকল ভারী স্থাপনা ঠিকই করেছে পরিবেশ ছাড়পত্র নিয়ে, কিন্তু স্থানীয় মানুষ আইনের গ্যাড়াকলে পড়ে কোন ধরনের স্থাপনা করতে না পেরে জমি বিক্রি করে সর্বশান্ত হয়েছে।

A N M Moazzem Hossain
Chairman
Save The Nature Of Bangladesh

ECA ; লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরনে সম্পূর্ণ ব্যার্থ হয়েছে বিগত সরকারের অপরিকল্পিত সাংঘর্ষিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারনে, অথচ কতিপয় অসাধু চক্র ECA কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পর্যটনশিল্পকে গলাটিপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টা করেছে। যেন পর্যটন শিল্পের বিকাশের অন্তরায় হিসেবে স্থাপিত টাইম বোমা ECA !

#সামুদ্রিক_জীববৈচিত্র্য_রক্ষায়_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার

15/07/2026
গাছ লাগাও পরিবেশ বাঁচাও বলে যুগ যুগ ধরে বিদেশী প্রভূদের প্রেসক্রিপশনে পরিবেশ বিধ্বংসী বিদেশী গাছের পেছনে ছুটব আর কত কাল ...
15/07/2026

গাছ লাগাও পরিবেশ বাঁচাও বলে যুগ যুগ ধরে বিদেশী প্রভূদের প্রেসক্রিপশনে পরিবেশ বিধ্বংসী বিদেশী গাছের পেছনে ছুটব আর কত কাল ?

২০ টাকার ডাব ১৫০ টাকায় কিনব আর কত কাল ⁉️
ডাব নারিকেল ও ভোজ্য তেলের চাহিদা পূরন সহ সমুদ্র সৈকতের ভাঙ্গন ঠেকাতে নারিকেল গাছের বিকল্প নেই।
#মেরিন_ড্রাইভ_ও_সমুদ্র_সৈকতের_সৌন্দর্য_বর্ধন_এবং_ভাঙ্গন_ঠেকাতে_ঝাউগাছ_নয়_নারিকেল_গাছ_চাই
ঝাউ গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, শেখড় মাটির গভীরে পৌঁছাতে পারেনা বলে সামান্য ঢেউয়ের আঘাতে সাগরে তলিয়ে যায় ৷ অন্যদিকে নারিকেল গাছ লবনাক্ত পরিবেশের উপযোগী বলে সকল প্রতিকূল পরিবেশ নিজেকে ও বেলেভূমিকে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম, কারন তার শেখড় ৫০-১০০ মিটার মাটির গভীরে প্রবেশ করে মাটি ধরে রাখে।

সারা বছর ফলন হয়, ছায়া দানের পাশাপাশি মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে, ময়লা আবর্জনা বা পাতা ঝড়ে পড়ে আবর্জনা সৃষ্টি করেনা। পর্যটকদের চাহিদার শীর্ষে ডাবের অবস্থান, নারকেল আমাদের সুস্বাদু প্রতিটি খাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার হয়। নারকেল থেকে চাইলেই আমরা নিজেদের চাহিদার প্রয়োজনীয় ভোজ্য তেল সংগ্রহ করতে পারি, নির্ভরতা কাটাতে পারি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জীবাশ্ম তৈল থেকে। সৃষ্টি হতে পারে হাজার হাজার যুবকের কর্মসংস্থান। তাই আমার গত এক দেড়যুগ ধরে ককসবাজার সমুদ্র সৈকতে ঝাউ গাছের পরিবর্তে নারিকেল গাছ লাগানোর প্রস্তাব করে আসছি।
------------ আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেন

#সমুদ্র_সৈকতে_ঝাউগাছ_নয়_নারিকেল_গাছ_চাই
গত কয়েক বছর ধরে ককসবাজার সমুদ্র সৈকতের ডায়াবেটিক পয়েন্টে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে, তা এখন সম্প্রসারিত হয়ে কবিতা চত্বর ও শৈবাল পয়েন্ট ধ্বংস করে লাবনী পয়েন্টে এসে ঠেকেছে। ফলে হুমকির মুখে আজ হোটেল মোটেল সহ পর্যটন শিল্প । অথচ আজ এসব পয়েন্টে যদি নারিকেল গাছ থাকত তবে কখনো এভাবে সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন স্থাপনা ও অংশ ভেঙ্গে সাগরে তলিয়ে যেতনা। গত দশ বছর আগে থেকে তাই বার বার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর কে বার বার সতর্ক করেছিলাম যেন সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন অপরিকল্পিত স্থাপনা ও সমুদ্র সৈকতের কোন অংশ থেকে অপরিকল্পিত ভাবে বালি উত্তোলন না করতে।

সেদিন চুপ থাকার ফল এখন ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে, গায়ের জোরে পরিবেশ পরিস্থিতি না বুঝে ঢাকায় বসে প্রকল্প তৈরী করে প্রকল্প চাপিয়ে দিয়ে কাজ করা হয়েছে প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদনকে ঘিরে বার বার আর আজ হয়ত তার মূল্য দিতে হবে কক্সবাজারের মানুষকে।

প্রতি বছর সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে ককসবাজার ১২০ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন অংশে লাগানো হয় লক্ষ লক্ষ ঝাউ গাছ, যার বেশিরভাগ উকি দিয়ে উটে আসলেও সাগরের প্রবল স্রোতের কারনে তলিয়ে যায়। হারিয়ে যায় শেকড় সমেত সর্বোচ্চ বড় গাছের অস্তিত্ব। তবুও আমরা প্রতি বছর সেই ঝাউ গাছ বপন করি পুনরায়!

পৃথিবীর প্রায় সব সমদ্র সৈকতে নারিকেল গাছ দেখা যায় । যা শিখড় দিয়ে মাটির ৫০ থেকে ১৫০ মিটার গভীর পর্যন্ত মাটি ধরে রাখে ও মাটির ক্ষয় রোধ করে ।
তাছাড়া ডাব পুষ্টিকর পানিয় হিসেবে মানবদেহের ভিটামিন , মিনারেল , খনিজ উপাদানের চাহিদা পূরনের পাশাপাশি সুস্বাধু পানীয় হিসেবে তৃষ্ণা মেটায় এবং সমুদ্র সৈকতে উৎপাদিত নারিকেল থেকে দেশের ভোজ্য তেলের বিপুল চাহিদার যোগান সম্ভব হবে , এতে অর্থনৈতিক ভাবেও সরকার ও বিশাল জনগোষ্টির কর্মসংস্তান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের মানুষ উপকৃত হবে ।

তাছাড়া নারিকেল গাছ লবনাক্ত আবহাওয়ার উপযোগী যা সারা বছর ফল দেয় ও বর্জ্য বা ময়লা সৃষ্টি করে কম ও ডাল পালা উপরে থাকায় ঝোপ ঝাড়ের পরিমান একদম থাকেনা ভললেই চলে আর এতে পর্যটকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার সম্ভাবনা কম ।
অথচ সেই নারকেল গাছের বদলে ককসবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রতি বছর হাজার হাজার ঝাউ গাছ রোপন করা হয় , যার ফুল বা ফল হয় না , যে গাছে পাখি বসেনা ও কোন কাজে লাগেনা এবং যার অর্থকরী কোন সুফল আমরা পাইনা ।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এবং স্বাস্ত্যকর স্থান ককসবাজার। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ ককসবাজার সমুদ্র সৈকত ভ্রমনে আসে । আর সেই ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের জন্য রয়েছে আধুনিক যুগ উপযোগী মান সম্মত শত শত হোটেল মোটেল ও গেষ্ট হাউজ সহ ভ্রমনকে আনন্দদায়ক করতে বিভিন্ন পশরা ।
মানুষ এখন প্রকৃতিকে উপভোগ করার জন্য সুন্দর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ কে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আধুনিক প্রযুক্তির উৎকর্ষতার কারনে তারা যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল মুক্ত নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে ভাল লাগার সময় টুকু প্রিয় মানুষের সাথে শেয়ার করতে চায়।

কিন্তু ককসবাজারের শুধু বানিজ্যিক দৃষ্টিকোন থেকেই প্রতিযোগিতামূলক ভাবে গড়ে উটেছে একের পর এক হোটেল মোটেল গেস্ট হাইজ, যেখানে নেই প্রকৃতির চোয়া, নেই নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশ, নেই সুস্ত সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে বিনোদনের কোন আয়োজন। তাই যুগের প্রয়োজনীয়তায় মানুষ এখন খুজে ফিরে ইকো-ট্যুরিজম, চায় পরিবেশ বান্ধব পর্যটন পরিকল্পনা। আর তার জন্য সবচেয়ে প্রথমে প্রয়োজন ইকো-ট্যুরিজম গড়ে তোলার মত পরিবেশ বান্ধব মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের আবহ।

তবেই ধরী ধীরে গড়ে উটতে পারে মনোরম সুন্দর আন্তর্জাতিক মানের পরিবেশ সম্মত হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ। তাই এখনই তারই উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলতে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত কে সাজাতে হবে আন্তর্জাতিক আবেদন ও সৌন্দর্যের আদলে। তাই সেই মান্ধাতা চিন্তা ও পরিকল্পনা থেকে বেরিয়ে আসার প্রথম সোপান হল সমুদ্র সৈকতের সর্বত্র নারিকেল গাছ রোপনের মাধ্যমে কোকোনাট বিচ হিসেবে ককসবাজার সমুদ্র সৈকত কে গড়ে তোলা।

গত দেড় যুগ ধরে Save The Nature of Bangladesh সমুদ্র সৈকতে ঝাউ গাছের পরিবর্তে ককসবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকত ও মেরিন ড্রাইভ সড়কে নারিকেল গাছ লাগানোর প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ও বন বিভাগ এবং ককসবাজার বীচ মেনেজমেন্ট কমিটির নেতৃবিন্দকে ।

Moazzem Riad Highlight ⊕

শুভেচ্ছান্তে
A N M Moazzem Hossain
Chairman
Save The Nature of Bangladesh

09/06/2026

লোহাগড়ায় উদ্ধার হওয়া আহত ১ মাস বয়সী হাতি শাবকেরও ঠিকানা হল ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে।
#মায়ের_বুক_থেকে_হাতি_শাবক_চুরি_রুখো
গতকাল বুধবার (২৭ মে) ২০২৬ দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের জয়নগর বাগানপাড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা আহত হাতি শাবকটি বর্তমানে মায়ের বুকে ফিরিয়ে না দিয়ে পূর্বের প্রতিটি ঘটনার ন্যায় ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে ঠিকানা হল বন্য প্রাণী হাসপাতালে চিকিৎসার নামে। যেখান থেকে আজ অবধি কোন কোন বাচ্চা মায়ের বুকে ফিরিয়ে দিতে পারেনি বরং বিনোদনের নামে তাদের শিকলবন্দী করা হয়েছে। গত একযুগে এরকম কয়েক ডজন হাতির বাচ্চা চুরির ঘটনার সাক্ষী আমরা, যাদের মায়ের কাছে ফেরত না দিয়ে জোরপূর্বক চকরিয়া সাফারি পার্কে পাচার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে একের পর এক মায়ের কাছ থেকে বন্য হাতির বাচ্চা চুরির ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা চেয়েছিলাম গত বছরের ৬ ই জানুয়ারী চট্টগ্রামের বন সংরক্ষক CF #দুর্নীতির_বরপুত্র খ্যাত মোল্লা রেজাউল করিমের কাছে হাতির বাচ্চা চুরির ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়েছিলাম বলে উল্টো আমাদের আওয়ামীদোসর বা ছাত্রলীগের দোষর প্রমান করার চেষ্টা করেছিল লক্কড় ঝক্কড় সাংবাদ পত্র দিয়ে টাকার বিনিময়ে সংবাদ প্রচার করে !

অথচ যে সুন্দরবন থেকে বাঘের বাচ্চা চুরির ঘটনা সহ অসংখ্য হাতির বাচ্চা চুরি এবং পাচারের জন্য দ্বায়ী হিসেবে অভিযুক্ত সাবেক শীর্ষ বন কর্মকর্তা তপন বাবুর শিষ্য হিসেবে বেশি সমাদৃত। যে চট্টগ্রাম বিভাগে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ১৮ টির অধিক হাতি হত্যা করা হয়েছে নির্মম ভাবে, আনোয়ারা কুরিয়ান ইপিজেড থেকে হাতিদের বাসস্থান থেকে বাস্তুচ্যুত করে প্রায় আড়াই হাজার একর প্রটেক্টেড ফরেষ্ট বিনামূল্যে বন্ধোবস্তী দিতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছে বা যে ২০২১ সালে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তা থাকাকালীন দৈনিক হাতি হত্যার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছিল। অথচ এই দুর্নীতিবাজ নিজের গুরুকে বাঁচাতে
#হাতির_বানিজ্যিক_ব্যবহার_বন্ধ_করুন
#বনের_পশু_থাকুক_বনে_মানবিকতা_জাগুক_মনে
#বাঁচাও_বন_ও_বন্যপ্রাণী ্যপ্রাণী_বাঁচাও

#বন্যপ্রাণী_সংরক্ষণের_সকল_প্রকল্পে_হিসাব_চাই
A N M Moazzem Hossain Moazzem Riad

Address

Savethenatureofbangladesh@gmail. Com
Cox's Bazar
4700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save The Nature Of Bangladesh ককসবাজার শহর শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Save The Nature Of Bangladesh ককসবাজার শহর শাখা:

Shortcuts

Share