04/05/2026
তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৬
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের পশ্চিম নোনাছড়ি এলাকায় অবস্থিত উপকারভোগী কাঁকড়া চাষী হাবিবুর রহমান (ইনডেক্স নং: ৩২৮৬৯ ইপসা আরএইচএল প্রকল্প, এর ৫ শতক আয়তনের একটি কাঁকড়া ঘের হতে ৩ ধাপে আংশিক আহরণের মাধ্যমে মোট প্রায় ৩৪ কেজি কাঁকড়া পাওয়া গেছে। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি কেজি গড়ে ৪৫০ টাকা) উক্ত উৎপাদনের সম্ভাব্য মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৫,৩০০ টাকা।
উল্লেখ্য যে, কাঁকড়াগুলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করে লালনপালন করা হয়েছে, ফলে মজুদ সংক্রান্ত কোনো খরচ বহন করতে হয়নি। প্রায় ১ মাসের চাষকালীন সময়ে খাদ্য বাবদ আনুমানিক ৩,০০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। সে হিসেবে সীমিত ব্যয়ে সম্ভাব্য নিট মুনাফা দাঁড়ায় প্রায় ১২,৩০০ টাকা, যা স্বল্প সময়ে একটি সন্তোষজনক অর্থনৈতিক ফলাফল নির্দেশ করে।
এখানে উপকারভোগী তার দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি নিয়মিত ঘেরে সময় প্রদান করেছেন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে চাষ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত শ্রম ব্যয় ছাড়াই পারিবারিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রমটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা বাড়তি আয়ের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
উপকারভোগী জানান, *"আগে আমরা কাঁকড়া ধরতাম না, কাঁকড়া চাষ করা যায় সেটাও জানা ছিল না। ইপসার মাধ্যমে আমরা কাঁকড়া চাষের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা পেয়েছি। এখন আলহামদুলিল্লাহ আমরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছি। এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য ইপসাকে ধন্যবাদ জানাই।"*
এছাড়া, যেহেতু কাঁকড়া চাষে ধাপে ধাপে আহরণযোগ্য (Partial Harvesting) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, তাই ভবিষ্যতেও একই ঘের থেকে অতিরিক্ত উৎপাদন পাওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান রয়েছে, যা চাষীর মোট আয় আরও বৃদ্ধি করবে। সার্বিকভাবে এ কার্যক্রমটি প্রকল্প এলাকায় একটি লাভজনক, টেকসই ও সম্ভাবনাময় জীবিকাভিত্তিক মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে হচ্ছে।