Ypsa-Rhl Project, Ramu

Ypsa-Rhl Project, Ramu Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ypsa-Rhl Project, Ramu, Non-Governmental Organization (NGO), Ramu, Cox's Bazar.

GCF & PKSF Supported "Resilient Homestead and Livelihood support to the vulnerable coastal people of Bangladesh (RHL) Project", Implemented by: Young Power in Social Action (YPSA)

তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৬কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের পশ্চিম নোনাছড়ি এলাকায় অবস্থিত উপকারভোগী কা...
04/05/2026

তারিখ: ০২ এপ্রিল, ২০২৬
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের পশ্চিম নোনাছড়ি এলাকায় অবস্থিত উপকারভোগী কাঁকড়া চাষী হাবিবুর রহমান (ইনডেক্স নং: ৩২৮৬৯ ইপসা আরএইচএল প্রকল্প, এর ৫ শতক আয়তনের একটি কাঁকড়া ঘের হতে ৩ ধাপে আংশিক আহরণের মাধ্যমে মোট প্রায় ৩৪ কেজি কাঁকড়া পাওয়া গেছে। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি কেজি গড়ে ৪৫০ টাকা) উক্ত উৎপাদনের সম্ভাব্য মোট বিক্রয়মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৫,৩০০ টাকা।
উল্লেখ্য যে, কাঁকড়াগুলো প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করে লালনপালন করা হয়েছে, ফলে মজুদ সংক্রান্ত কোনো খরচ বহন করতে হয়নি। প্রায় ১ মাসের চাষকালীন সময়ে খাদ্য বাবদ আনুমানিক ৩,০০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। সে হিসেবে সীমিত ব্যয়ে সম্ভাব্য নিট মুনাফা দাঁড়ায় প্রায় ১২,৩০০ টাকা, যা স্বল্প সময়ে একটি সন্তোষজনক অর্থনৈতিক ফলাফল নির্দেশ করে।
এখানে উপকারভোগী তার দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি নিয়মিত ঘেরে সময় প্রদান করেছেন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে চাষ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত শ্রম ব্যয় ছাড়াই পারিবারিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রমটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা বাড়তি আয়ের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
উপকারভোগী জানান, *"আগে আমরা কাঁকড়া ধরতাম না, কাঁকড়া চাষ করা যায় সেটাও জানা ছিল না। ইপসার মাধ্যমে আমরা কাঁকড়া চাষের প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা পেয়েছি। এখন আলহামদুলিল্লাহ আমরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছি। এ ধরনের কার্যক্রমের জন্য ইপসাকে ধন্যবাদ জানাই।"*
এছাড়া, যেহেতু কাঁকড়া চাষে ধাপে ধাপে আহরণযোগ্য (Partial Harvesting) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, তাই ভবিষ্যতেও একই ঘের থেকে অতিরিক্ত উৎপাদন পাওয়ার সম্ভাবনা বিদ্যমান রয়েছে, যা চাষীর মোট আয় আরও বৃদ্ধি করবে। সার্বিকভাবে এ কার্যক্রমটি প্রকল্প এলাকায় একটি লাভজনক, টেকসই ও সম্ভাবনাময় জীবিকাভিত্তিক মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে হচ্ছে।

বেবি আক্তার রামু উপজেলার পাহাড় ঘেড়া মধ্যম খুনিয়াপালং গ্রামের একজন সংগ্রামী নারী। ৫ সদস্যের পরিবার নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে...
15/04/2026

বেবি আক্তার রামু উপজেলার পাহাড় ঘেড়া মধ্যম খুনিয়াপালং গ্রামের একজন সংগ্রামী নারী। ৫ সদস্যের পরিবার নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্যের মধ্যে জীবনযাপন করছিলেন। তার স্বামী, দুদু মিয়া দিনমজুর হওয়ায় পরিবারের আয় ছিল অনিয়মিত ও সীমিত, যা দিয়ে সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করা অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। তাদের বসবাসের ঘর ছিল কাঁচা এবং এলাকায় কর্মসংস্থানের অভাব থাকায় জীবন ছিল অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ।
এমনি এক আশাহত সময়ে আশার আলো হয়ে ইপসা-আরএইচএল প্রকল্প হাজির হয়। প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনুসারে সকল তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর তারা ইপসা- আরএইচএল প্রকল্পের উপকারভোগী হিসাবে নির্বাচিত হয়। যা ছিল তাদের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট, স্বপ্ন পূরণের আলোক বর্তিকা। বেবি আক্তার ইপসা আরএইচএল প্রকল্পের উপকারভোগী হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি প্রকল্প হতে মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালনের উপর প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় কারিগড়ি সহায়তা লাভ করেন। প্রশিক্ষনের পর তিনি ২টি ছাগল দিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন, কিন্তু তখন ছাগল রাখার উপযুক্ত ঘর না থাকায় সেগুলো মাটিতে রাখতে হতো। ফলে প্রায়ই রোগব্যাধি দেখা দিত এবং ছাগলের মলমূত্র ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ নোংরা হয়ে যেত, এমনকি প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও অভিযোগ শুনতে হতো।
পরবর্তীতে RHL প্রকল্পের সহায়তায় তিনি মাচা পদ্ধতিতে একটি উন্নত ছাগলের ঘর নির্মাণের জন্য ১২,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পান এবং নিজেও প্রায় ৮,০০০ টাকা ও শ্রম দিয়ে ঘর নির্মাণ সম্পন্ন করেন। এর ফলে তার খামারের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে এবং ছাগলগুলো সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে শুরু করে। বর্তমানে তার খামারে মোট ৬টি ছাগল রয়েছে (মাদী ২টি, পাঠা ২টি, বাচ্চা ২টি) এবং তাছাড়া,তিনি প্রকল্পের সহায়তায় নিয়মিত টিকাদান ও কৃমিনাশক ব্যবহার করছেন।
তিনি ইতোমধ্যে ৪টি ছাগল বিক্রি করে ৩২,০০০ টাকা আয় করেছেন। পাশাপাশি ছাগলের মল ব্যবহার করে জৈব সার তৈরি করে অতিরিক্ত ২,১০০ টাকা আয় করেছেন। তার পরিবারের পুষ্টি চাহিদাও কিছুটা পূরণ হয়েছে (আনুমানিক ৫,০০০ টাকার সমপরিমাণ)। বর্তমানে তার খামারে থাকা ছাগলগুলোর বাজার মূল্য প্রায় ৪২,০০০ টাকা, যা তার সম্পদ বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
এই আয় থেকে তিনি সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা খরচ এবং সঞ্চয়ে বিনিয়োগ করতে পারছেন। পাশাপাশি তিনি ছাগল বিক্রির টাকা দিয়ে মাশরুম চাষে বিনিয়োগ করেছেন এবং এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে নতুন একটি আয়ের উৎস তৈরি করেছেন, যা তাকে আরও স্বাবলম্বী করে তুলেছে।
বর্তমানে বেবি আক্তার নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে সক্ষম এবং তার আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক মর্যাদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি এখন একজন সফল ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ভবিষ্যতে তিনি তার খামার আরও বড় করতে চান এবং একজন প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে আগ্রহী। বেবি আক্তারের এই সাফল্যের গল্প প্রমাণ করে যে, সঠিক প্রশিক্ষণ ও সহায়তা পেলে একজন সাধারণ নারীও প্রতিকূল পরিবেশে নিজের জীবন পরিবর্তন করতে পারেন।
উপকারভোগীর উদ্ধৃতি (Quotation): (উল্লেখ করার মতো কোন উক্তি যদি থাকে)
“RHL প্রকল্পের মাধ্যমেই আমি ছাগল পালন শুরু করি। আগে বুঝতেই পারিনি যে ছাগল পালন থেকে এত লাভ করা সম্ভব। এখন আমি নিজে আয় করতে পারছি, সংসারে সহযোগিতা করতে পারছি। আমি এই প্রকল্পের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করি।” সার্বিক সহযোগিতায় জন্য পিকেএসএফ-এর সহায়তায় ও ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত আরএইচএল প্রকল্পের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

নিরাপদ আশ্রয়ে নতুন জীবন, নতুন আশায় স্বপ্নীল ভবিষৎ: মিনু আরা আক্তার ও রহিমা খাতুনের পরিবারের ঈদ আনন্দের গল্প : কক্সবাজার ...
06/04/2026

নিরাপদ আশ্রয়ে নতুন জীবন, নতুন আশায় স্বপ্নীল ভবিষৎ: মিনু আরা আক্তার ও রহিমা খাতুনের পরিবারের ঈদ আনন্দের গল্প :
কক্সবাজার জেলার বঙ্গোপসাগরের কূল ঘেঁষা রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের সাগড়ের তীরবর্তী ছোট্রগ্রাম যাদুঘর পাড়া। যার পূর্ব পাশ দিয়ে পাহাড়ে ঘেড়া এবং পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগর। সে গ্রামেই পলিথিনে মোড়ানো জীর্ণ-শীর্ণ ঘরে বসবাস করতেন অসহায় মিনু আরা আক্তার (ইনডেক্স-১৮৯৮৯) ও বিধবা রহিমা খাতুনের (ইনডেক্স-৫৩৯১৩) পরিবার। সাগরের তীরবর্তী হওয়ায় প্রতিবছরই মৌসুমী ঝড় ও নিম্নচাপে সৃষ্ট দূর্যোগের কারণে তাদের ঘর-বাড়ী ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়ে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হতো এবং সীমাহীন কষ্টে দিনাতিপাত করতে হতো। কারণ তাদের একমাত্র আয়ের উৎস ছিল সমূদ্রের তীর হতে ঝিনুক ‍কুড়িয়ে মালা গেঁথে বিক্রি। সেখান থেকে যে যতসামান্য আয় হতো তাতে “নুঁন আনতে পানতা ফোড়ায়” মত করে জীবন অতিবাহিত করতে হতো। যার কারণে নিভৃতে কান্না করতাে আর ভবিষৎ এর স্বপ্ন বুনতো কিন্ত কোন ভাবেই ঘর ঠিক করার মত উপায় বের করতে পাচ্ছিলো না। এমনি এক আশাহত সময়ে আশার আলো হয়ে ইপসা-আরএইচএল প্রকল্প হাজির হয়। প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অনুসারে সকল তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর তারা ইপসা- আরএইচএল প্রকল্পের উপকারভোগী হিসাবে নির্বাচিত হয়। যা ছিল তাদের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট, স্বপ্ন পূরণের আলোক বর্তিকা।
উপকারভোগী হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মিনু আরা আক্তার ও রহিমা খাতুনের পলিথিনে মোড়ানো জীর্ণ-শীর্ণ ঘরের স্থলে পিকেএসএফ-এর সহায়তায় ও ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয় একটি দূর্যোগ সহনশীল ঘর। এই ছোট্ট পরিবর্তনই তাদের জীবনে নিয়ে এসেছে বিশাল এক আশার আলো। বহুদিনের কষ্ট, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার জীবন পেরিয়ে এবারের ঈদ তারা উদযাপন করেছেন নিজেদের নতুন ঘরে, যা তাদের জন্য শুধু একটি ঘর নয়, বরং একটি নতুন জীবনের সূচনা।
মিনু আরা আক্তার ও রহিমা খাতুনের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছিলেন। ঝড়-বৃষ্টি এলেই তাদের মনে ভয় ঢুকে যেত। এই বুঝি ঘর ভেঙে পড়বে, এই বুঝি সবকিছু হারিয়ে যাবে। সন্তানদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব তাদের প্রতিদিনের জীবনে তৈরি করেছিল এক অজানা উদ্বেগ ও মানসিক চাপ।
কিন্তু পিকেএসএফ-এর সহায়তায় ইপসা আরএইচএল প্রকল্প কর্তৃক নির্মিত নতুন দূর্যোগ সহনশীল ঘর তাদের সেই ভয় ও অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি দিয়েছে। এখন তারা নিশ্চিন্তে রাত কাটাতে পারেন, নিশ্চিন্তে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে পারেন।
এই দূর্যোগ সহনশীল নতুন ঘরেই তারা উদযাপন করেছেন এবারের ঈদ।যা তাদের জীবনের সবচেয়ে বিশেষ ঈদগুলোর একটি হয়ে থাকবে। ঈদের সকাল শুরু হয়েছে নতুন ঘরের উঠানে শিশুদের হাসি-খুশির কোলাহলে। নতুন পোশাক পরে, নিজের ঘরে ঈদের নামাজের প্রস্তুতি, সবকিছুতেই ছিল এক অন্যরকম অনুভূতি।
মিনু আরা আক্তার ও রহিমা খাতুনের চোখে তখন আনন্দের অশ্রু, যেন দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্টের পর এই ছোট্ট সুখটুকুই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সন্তানদের উচ্ছ্বাস আর নিরাপদ পরিবেশে তাদের হাসিমুখ দেখে তারা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।
মিনু আরা আক্তার ও রহিমা খাতুনের ভাষ্যমতে, এই সহায়তা শুধু একটি বসবাসের জায়গা তৈরি করেনি, বরং তাদের জীবনে এনে দিয়েছে আত্মমর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা। এখন তারা নিজের ঘরকে কেন্দ্র করে নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। সন্তানদের পড়াশোনা, পরিবারের সুস্থতা, সবকিছুই এখন অনেক বেশি বাস্তবসম্মত ও সম্ভব মনে হচ্ছে। তারা আরো বলেন-বর্তমানে তাদের সংসারে বইছে শান্তি ও স্বস্তির হাওয়া। যেখানে আগে ছিল অনিশ্চয়তা, এখন সেখানে জায়গা করে নিয়েছে আশাবাদ ও আত্মবিশ্বাস। তারা বিশ্বাস করেন, এই সহায়তা তাদের ভবিষ্যৎকে আরও সুন্দর ও নিরাপদ করে তুলবে।
মিনু আরা আক্তার ও রহিমা খাতুন এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা পিকেএসএফ-সহায়তায় ও ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত আরএইচএল প্রকল্পের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তাদের ভাষায়—“এই ঘর আমাদের জন্য শুধু একটি আশ্রয় নয়, এটি আমাদের নতুন জীবনের শুরু, আমাদের সন্তানদের নিরাপদ ভবিষ্যতের ভিত্তি।”

*বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রোফেশনাল' স এর ফ্যাকাল্টি অফ মেডিকেল স্টাডিজ- এর টীম কর্তৃক ইপসা-আরএইচএল প্রকল্পের ফিল্ড ভিজ...
07/03/2026

*বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রোফেশনাল' স এর ফ্যাকাল্টি অফ মেডিকেল স্টাডিজ- এর টীম কর্তৃক ইপসা-আরএইচএল প্রকল্পের ফিল্ড ভিজিট*
অদ্য ০৭ মার্চ, ২০২৬, শনিবার
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জনাব রিফফাত জামান, এমপিএইচ, ডীন, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রোফেশনাল এর নেতৃত্বে উক্ত ইউনিভার্সিটির ফ্যাকাল্টি অফ মেডিকেল স্টাডিজ এর একটি টীম কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF)-এর আর্থিক এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (PKSF) এর কারিগড়ি সহায়তায় ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (YPSA) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “Resilient Homestead & Livelihood Support to the vulnerable coastal people of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। উক্ত মাঠ পরিদর্শনে ইপসা’র পক্ষ হতে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ হারুন, ফোকাল পারসন, ইপসা কক্সবাজার, জনাব মোঃ আমিনুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী, YPSA-RHL প্রকল্প এবং YPSA-RHL প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বৃন্দ।
ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত RHL প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সম্মানিত পরিদর্শকগণ রামু উপজেলার, ফতেখারকুল ইউনিয়নের, ৮ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম মেরুংলোয়া ( উত্তর পাড়া) গ্রামের অতি দরিদ্র উপকারভোগীদের জন্য নির্মিত দূর্যোগ সহনশীল ঘর, আধুনিক পদ্ধতিতে (মাঁচা পদ্ধতিতে) ছাগল/ভেড়া পালন, উপকারভোগীদের বিকল্প জীবিকায়ন এবং পারিবারিক আয় বৃদ্ধির জন্য প্রকল্পের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় আধুনিক উপায়ে কাঁকড়া চাষ/মোটাতাজাকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। মাঠ পরিদর্শনকালে সম্মানিত পরিদর্শকগণ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রকল্পের সহায়তা পাওয়া উপকারভোগী এবং সম্প্রদায়ের অংশীদারদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের কথা শোনেন। মতবিনিময়কালে তারা বলেন যে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জনগণের জন্য নিরাপদ আবাসন, জীবিকা নির্বাহ এবং আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পের কার্যক্রম সমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
YPSA-RHL প্রকল্প কর্তৃক বাস্তবায়িত কার্যক্রম র্পরিদর্শণের সময় সম্মানিত পরিদর্শকগণ YPSA, YPSA-RHL প্রকল্প টীম, ইপসা ম্যানেজমেন্ট টীম ও ইপসা কর্তৃক মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত কার্যক্রম এর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সম্মানিত পরিদর্শকগণ বলেন, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রোফেশনাল'স টীম বিশ্বাস করে যে, YPSA-RHL প্রকল্প কর্তৃক বাস্তবায়িত কার্যক্রমের মাধ্যমে, জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবিকা এবং আবাসন আরোও অধিক টেকসই ও জীবিকার উন্নয়ন আরও স্থায়ীত্বশীল এবং নিরাপদ করা সম্ভব হবে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, মঙ্গলবারকক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF)-এর আর্থিক এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউ...
03/02/2026

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, মঙ্গলবার
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF)-এর আর্থিক এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (PKSF) এর কারিগড়ি সহায়তায় ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (YPSA) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “Resilient Homestead & Livelihood Support to the vulnerable coastal people of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং ফাইন্যান্স (বিল- ভাউচার) অডিট করেন জনাব আল-ইমরান, সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী (ভ্যালু চেইন স্পেশিয়ালিস্ট), RHL, প্রকল্প, পিকেএসএফ। উক্ত মাঠ পরিদর্শনে ইপসা’র পক্ষ হতে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ হারুন, ফোকাল পারসন, ইপসা কক্সবাজার, জনাব মোঃ আমিনুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী, YPSA-RHL প্রকল্প এবং YPSA-RHL প্রকল্পের কর্মকর্তা বৃন্দ।
ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত RHL প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সম্মানিত পরিদর্শক রামু উপজেলার, খুনিয়াপালং ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম/পাড়ায় অতি দরিদ্র উপকারভোগীদের জন্য নির্মিত দূর্যোগ সহনশীল ঘর, আধুনিক পদ্ধতিতে (মাঁচা পদ্ধতিতে) ছাগল/ভেড়া পালনের জন্য নির্মিত ছাগলের ঘর, উপকারভোগীদের বিকল্প জীবিকায়ন এবং পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের জন্য বসতভিটায় শাক-সবজি চাষ ও মাশরুম চাষ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। মাঠ পরিদর্শনে সম্মানিত পরিদর্শক প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রকল্পের সহায়তা পাওয়া উপকারভোগী এবং সম্প্রদায়ের অংশীদারদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের কথা শোনেন। মতবিনিময়কালে তারা বলেন যে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জনগণের জন্য নিরাপদ আবাসন, জীবিকা নির্বাহ এবং আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পের কার্যক্রম সমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শনের পর সম্মানিত পরিদর্শক Project Office, YPSA-HRDC, Cox’s Bazar- এ প্রকল্পের জুলাই ২০২৫ হতে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বিল- ভাউচার অডিট ( চেক) করেন। YPSA-RHL প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং অডিটের সময় সম্মানিত পরিদর্শক YPSA-RHL প্রকল্প টীম, ম্যানেজমেন্ট টীম ও ইপসা এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসময় তারা মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের অধিকতর সফল বাস্তবায়নের বিভিন্ন আধুনিক কলা-কৌশল এবং চলমান প্রকল্পের আওতায় ভবিষতে বাস্তবায়ন যোগ্য সম্ভাব্য কার্যক্রমের পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আন্তরিকতা এবং উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কার্যক্রমগুলিকে আরও টেকসই এবং উপকারভোগী-বান্ধব করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

জীবিকায়নের নতুন সম্ভাবনা: মাশরুম চাষ কার্যক্রম পিকেএসএফ-এর আর্থিক ও কারিগড়ি সহায়তায় এবং ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত RHL প্রকল...
26/01/2026

জীবিকায়নের নতুন সম্ভাবনা: মাশরুম চাষ কার্যক্রম
পিকেএসএফ-এর আর্থিক ও কারিগড়ি সহায়তায় এবং ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত RHL প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় মাশরুম চাষের কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
আশা করা হচ্ছে এই কার্যক্রম/উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকল্পের উপকারভোগীরা স্বল্প পুঁজিতে সম্ভাবনাময় আয়ের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে পরিবার ও সমাজের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা ও নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে মাশরুম চাষ কার্যক্রমকে আরও টেকসই ও কার্যকর করে তোলার জন্য ইপসা’র RHL প্রকল্পের কর্মীগণ নিরলস প্রচেষ্টা অব্যহত রাখছে।
কার্যক্রমের বর্তমান অগ্রগতি উপকারভোগীদের আগ্রহ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি বাস্তব প্রতিফলন।

অদ্য ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫, মঙ্গলবার জনাব এনায়েত মওলা, ফাইন্যান্স ম্যানেজার, ইপসা, কক্সবাজার,  পিকেএসএফ এর সহযোগিতায় ইপসা কর...
02/12/2025

অদ্য ০২ ডিসেম্বর, ২০২৫, মঙ্গলবার জনাব এনায়েত মওলা, ফাইন্যান্স ম্যানেজার, ইপসা, কক্সবাজার, পিকেএসএফ এর সহযোগিতায় ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় নির্মানাধীন দূর্যোগ সহনশীল ঘরের চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। নিয়মিত ফাইন্যান্স মনিটরিং এর অংশ হিসেবে তিনি এ ভিজিট করেন। দূর্যোগ সহনশীল ঘরের চলমান কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি উপকারভোগী এবং মিস্ত্রীদের সাথে চলমান কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। দূর্যোগ সহনশীল ঘরের চলমান কার্যক্রম পিকেএসএফ এবং ইপসা কর্তৃক প্রদত্ত নকশা অনুযায়ী যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নের পরামর্শ প্রদান করেন।

অদ্য ১৫ অক্টোম্বর, ২০২৫, বুধবারকক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF)-এর আর্থিক এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফ...
15/10/2025

অদ্য ১৫ অক্টোম্বর, ২০২৫, বুধবার
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF)-এর আর্থিক এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (PKSF) এর কারিগড়ি সহায়তায় ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (YPSA) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “Resilient Homestead & Livelihood Support to the vulnerable coastal people of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন জনাব ড. ফজলে রাব্বি সাদেক আহমাদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পিকেএসএফ, জনাব আল-ইমরান, সহকারী প্রকল্প সমন্বয়কারী (ভ্যালু চেইন স্পেশিয়ালিস্ট), RHL, প্রকল্প, পিকেএসএফ। উক্ত মাঠ পরিদর্শনে ইপসা’র পক্ষ হতে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, উপ-পরিচালক এবং রোহিঙ্গা রেসপন্স প্রধান, ইপসা, জনাব মোহাম্মদ হারুন, ফোকাল পারসন, ইপসা কক্সবাজার, জনাব পম্পু বড়ুয়া, এরিয়া ম্যানেজার, EDP, ইপসা, কক্সবাজার, জনাব মোঃ আমিনুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী, YPSA-RHL প্রকল্প এবং YPSA-RHL প্রকল্পের সকল কর্মকর্তা বৃন্দ।
ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত RHL প্রকল্পের আওতায় মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে সম্মানিত পরিদর্শকগণ রামু উপজেলার, ফতেখারকুল ও দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম/পাড়ায় অতি দরিদ্র উপকারভোগীদের জন্য নির্মিত দূর্যোগ সহনশীল ঘর, আধুনিক পদ্ধতিতে (মাঁচা পদ্ধতিতে) ছাগল/ভেড়া পালনের জন্য নির্মিত ছাগলের ঘর, উপকারভোগীদের বিকল্প জীবিকায়ন এবং পারিবারিক আয় বৃদ্ধির জন্য প্রকল্পের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় আধুনিক উপায়ে কাঁকড়া চাষ/মোটাতাজাকরণ, পারিবারিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ের জন্য বস্তায় আদা ও বসতভিটায় শাক-সবজি চাষ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে ঘর-বাড়ী ও পরিবেশ রক্ষার জন্য বসতবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে বায়ুরোধী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং Climate Change Adaptation Group (সিসিএজি) মিটিং-এ অংশ গ্রহণ করেন। মাঠ পরিদর্শন ও সিসিএজি মিটিং-এ সম্মানিত পরিদর্শকগণ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে প্রকল্পের সহায়তা পাওয়া উপকারভোগী এবং সম্প্রদায়ের অংশীদারদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যের কথা শোনেন। মতবিনিময়কালে তারা বলেন যে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জনগণের জন্য নিরাপদ আবাসন, জীবিকা নির্বাহ এবং আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্পের কার্যক্রম সমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শনের পর সম্মানিত পরিদর্শকগণ YPSA-HRDC, Cox’s Bazar পরিদর্শণ করেন। YPSA-HRDC, Cox’s Bazar পরিদর্শণকালে তারা YPSA-HRDC এর সকল অংশ ঘুরে দেখেন। YPSA-RHL প্রকল্প এবং YPSA-HRDC র্পরিদর্শণের সময় সম্মানিত পরিদর্শকগণ YPSA-RHL প্রকল্প টীম, ম্যানেজমেন্ট টীম ও ইপসা কর্তৃক মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত কার্যক্রম এবং YPSA-HRDC-এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। এসময় তারা মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের অধিকতর সফল বাস্তবায়নের বিভিন্ন আধুনিক কলা-কৌশল এবং চলমান প্রকল্পের আওতায় ভবিষতে বাস্তবায়ন যোগ্য সম্ভাব্য কার্যক্রমের পরিকল্পনা সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মীদের আন্তরিকতা এবং উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কার্যক্রমগুলিকে আরও টেকসই এবং উপকারভোগী-বান্ধব করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

সম্মানিত পরিদর্শকগণ আরো বলেন পিকেএসএফ বিশ্বাস করে যে, RHL প্রকল্পের মাধ্যমে, জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবিকা এবং আবাসনকে সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ এবং টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে আরও স্থায়ীত্বশীল এবং নিরাপদ করা সম্ভব হবে।

বসতভিটায় গাছ লাগান, জলবায়ু ঝুঁকি প্রতিরোধ করুনকক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার উপকূলবর্তী ইউনিয়নসমূহে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁক...
14/09/2025

বসতভিটায় গাছ লাগান, জলবায়ু ঝুঁকি প্রতিরোধ করুন

কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার উপকূলবর্তী ইউনিয়নসমূহে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি প্রতিরোধ ও পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে “Resilient Homestead and Livelihood support to the vulnerable coastal people of Bangladesh (RHL)” প্রকল্পের আওতায় মোট ৯,৭৪৯টি চারা বিতরণ করা হয়েছে। পিকেএসএফ-এর সহযোগিতায় এবং ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত এ কর্মসূচি ২ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

এর মধ্যে ০১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ০২টি উচ্চ বিদ্যালয় ও ০৭টি মসজিদ প্রাঙ্গণে ১,৩৯৯টি এবং প্রকল্পের ৫৩৪ জন উপকারভোগীর বসতভিটায় ৮,৩৫০টি চারা রোপণের জন্য বিতরণ করা হয়। চারা বিতরণের সময় প্রতিটি চারার সাথে সমসংখ্যক নেটও সরবরাহ করা হয়।

বিতরণকৃত ১১ প্রজাতির গাছের মধ্যে রয়েছে—নারিকেল ৭৩৩টি, সুপারি ২,০০০টি, নিম ৭৭৫টি, সফেদা ৭৭৬টি, পেয়ারা ৭৭৬টি, আম ৭৭৬টি, গর্জন ৭৭৪টি, আমলকি ৭৭৪টি, কাঠবাদাম ৭৭৩টি, মেহগনি ৭৭৩টি ও কদবেল ৭৭৯টি।

কার্যক্রমে স্থানীয় বনবিভাগের বীট কর্মকর্তা, ইপসা কক্সবাজার ও RHL প্রকল্পের ফোকাল পারসন জনাব মোহাম্মদ হারুন, প্রকল্প সমন্বয়কারী এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অতিথিবৃন্দ উপকারভোগীদের উদ্দেশ্যে গাছ লাগানোর গুরুত্ব, পরিচর্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গাছের ভূমিকা বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।

অদ্য ২৭ আগস্ট, ২০২৫ইং, রোজ-বুধবারকক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় পিকেএসএফ-এর সহায়তায় এবং ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত Resilient H...
27/08/2025

অদ্য ২৭ আগস্ট, ২০২৫ইং, রোজ-বুধবার
কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলায় পিকেএসএফ-এর সহায়তায় এবং ইপসা কর্তৃক বাস্তবায়িত Resilient Homestead & Livelihood Support to the vulnerable coastal people of Bangladesh (RHL) প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান, Director, KM4D, YPSA এবং জনাব মোহাম্মদ হারুন, ফোকাল পারস, ইপসা কক্সবাজার।
RHL প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তাঁরা প্রকল্পের সহায়তায় হতদরিদ্র উপকারভোগীদের জন্য নির্মিত দূর্যোগ সহনশীল ঘর, আধুনিক পদ্ধতিতে ছাগল পালনের জন্য নির্মিত ছাগলের স্লাটেড ঘর, উপকারভোগীদের বিকল্প জীবিকায়ন এবং পারিবারিক আয় বৃদ্ধির জন্য প্রকল্পের কাড়িগড়ি ও আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁকড়া চাষ/মোটাতাজকরণ, বস্তা পদ্ধতিতে আদা চাষ এবং বসতভিটায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। উক্ত মাঠ পরিদর্শনকালে তাঁরা প্রকল্প হতে সহায়তা প্রাপ্ত উপকারভোগী ও কমিউনিটির স্টকহোল্ডারদের সাথে প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে মতবিনিময় করেন এবং তাদের অভিজ্ঞতা ও সাফল্য শোনেন। মতবিনিময়কালে তাঁরা বলেন- এসব কার্যক্রম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় মানুষের নিশ্চিত আবাসন, জীবিকা ও আয়বর্ধনের মাধ্যমে স্থায়ী উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে/রাখবে।
মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তারা YPSA-HL প্রকল্প স্টাফদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রকল্পের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাস্তবায়িত কার্যক্রমের অগ্রগতি,চ্যালেঞ্জ, লার্নিং এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। Director, KM4D, YPSA মহোদয় মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট স্টাফদের আন্তরিকতা ও উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং কার্যক্রমগুলোকে আরও টেকসই ও উপকারভোগীবান্ধব করার জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
তিনি বলেন- ইপসা বিশ্বাস করে— YPSA-HL প্রকল্প-এর মাধ্যমে কমিউনিটি অংশগ্রহণ ও টেকসই উন্নয়নমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে মানুষের জীবিকা ও আবাসনকে আরও সহনশীল ও নিরাপদ করে গড়ে তোলা সম্ভব। উক্ত ভিজিট ও মিটিং-এ YPSA-HL প্রকল্পের সকল স্টাফ ও EDP-এর এরিয়া ম্যানেজার জনাব পম্পু বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায়, সমূদ্র উপকূলবর্তী কমিউনিটির বিকল্প জীবিকায়ন সৃষ্টির মাধ্যমে পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং...
29/06/2025

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায়, সমূদ্র উপকূলবর্তী কমিউনিটির বিকল্প জীবিকায়ন সৃষ্টির মাধ্যমে পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ইপসা-আরএইচএল প্রকল্পের আওতায় রামু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁকড়া চাষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উক্ত কার্যক্রমের আওতায় নির্বাচিত উপকারভোগীদের নিম্নোক্ত সহায়তা সমূহ প্রদান করা হচ্ছে।
০১) আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁকড়া চাষ ও মোটাতাজাকরণ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য অফিসার ও বিষয় বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান।
০২) সাতক্ষিরায় আধুনিক প্রযুক্তিতে স্থাপিত ও পরিচালিত কাঁকড়া চাষ ও মোটাতাজাকরণ খামার পরিদর্শন এর ব্যবস্থা (এক্সপোজার ভিজিট আয়োজন)।
০৩) কাঁকড়া চাষ ও মোটাতাজাকরণ এর জন্য পুকুর প্রস্তুতি, ক্রাবলেট (কাঁকড়ার পোনা) সংগ্রহ ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা বাবদ আর্থিক সহায়তা প্রদান।
০৪) খামারীদের জন্য প্রয়োজনীয় ও গুনগতমান সম্পন্ন ক্রাবলেট (কাঁকড়ার পোনা) নিশ্চিত করার জন্য কাঁকড়ার নার্সারী স্থাপনে কারিগড়ি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান।
০৫) আধুনিক পদ্ধতিতে ও অধিক চাহিদার ক্রাবলেট সরবারহ নিশ্চিত করার জন্য কাঁকড়ার হ্যাচারী স্থাপনে কারিগড়ি ও আর্থিক সহায়তা প্রদান।

সহায়তায়: গ্রীন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)
বাসবতবায়নে: ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন (ইপসা)

Address

Ramu
Cox's Bazar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ypsa-Rhl Project, Ramu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share