UCNA- Ukhia CBO NGO Alliance

UCNA- Ukhia CBO NGO Alliance Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from UCNA- Ukhia CBO NGO Alliance, Cox's Bazar.

21/04/2026

ভূমি অধিগ্রহণে ঘুষ দাবি—কক্সবাজারে দুই এডিসিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তের দাবি
নিউজ ডেস্ক
কক্সবাজারে ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় ঘুষ দাবির অভিযোগে দুইজন এডিসিসহ মোট ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও দালাল চক্রের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, ঘুষ ছাড়া ফাইল অগ্রসর করা হচ্ছিল না, ফলে ভুক্তভোগীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানা গেছে।
এদিকে কক্সবাজার ডেভেলপমেন্ট ফোরামের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, “ভূমি অধিগ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় যদি দুর্নীতি ও অনিয়মের আশ্রয় নেওয়া হয়, তবে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবে।”
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
কক্সবাজার ডেভেলপমেন্ট ফোরাম জোর দিয়ে জানিয়েছে, “তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে হবে।”

17/04/2026
25/07/2025

চট্টগ্রাম হতে কক্সবাজার রেলের রাস্তা মেরামত খুবই জরুরি

18/06/2025
11/06/2025

মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল এর কর্মকান্ডের প্রতিবাদ
----------------
রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৮ এবং ভারুয়া খালী ইউনিয়নের আশ্রয় কেন্দ্রে মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনালের কুরবানির মাংস বিতরণ।
উখিয়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কেন মাংস বিতরণ করলেন না। উখিয়া ডিএলডিসেন্টারে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কোন অনুদান পাওয়া যায় না। তাদের সহায়তা প্রদান করা উচিত।

05/06/2025

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CAB) - উখিয়া শাখা সভাপতি আবুল কাশেম বলেন,
🔷 CAB (Consumers Association of Bangladesh):
কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (CAB) একটি বেসরকারি ভোক্তা-সুরক্ষা সংস্থা। আমরা ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা-সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করি।
🔷 CAB উখিয়া শাখা – কার্যক্রম ও ভূমিকা:
উখিয়া একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা , যেখানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ নানা ধরনের স্থানীয়-আন্তর্জাতিক কার্যক্রম চলছে। এ কারণে এখানে বাজারব্যবস্থা, ন্যায্য মূল্য ও পরিষেবা নিশ্চিতকরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
CAB উখিয়া শাখা সাধারণত নিচের বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করি :
১. পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা:
বাজারে ভোগ্যপণ্যের মূল্য মনিটরিং, অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি।
২.ভোক্তা-অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া:
ভেজাল পণ্য, মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনিরাপদ খাদ্যবস্তু নিয়ে রিপোর্টিং ও প্রচার।
৩. ভোক্তা শিক্ষামূলক ক্যাম্পেইন
স্থানীয় জনগণের মধ্যে ভোক্তা-অধিকার বিষয়ে সেমিনার, ওয়ার্কশপ বা মতবিনিময় সভা।
৪.জনগণের অভিযোগ গ্রহণ ও কর্তৃপক্ষকে জানানো:
জেলা প্রশাসন বা জাতীয় পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ হস্তান্তর ও সমাধানের চেষ্টা।
৫. স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়:
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সহায়তা, যৌথ পরিদর্শন ইত্যাদি।

🔷 CAB উখিয়ার কিছু দাবি
ন্যায্য দামে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা
মোবাইল কোর্ট বাড়ানো
নকল ও ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার করা
বাজারে স্বচ্ছতা আনা
রোহিঙ্গা বাজার ব্যবস্থাপনার প্রভাব নিরসন।

18/05/2025

উখিয়া সিবিও এনজিও এ্যালায়েন্স - UCNA এর এগারো দফা দাবি নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত
---------------
রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মানবিক বিপর্যয় গুলোর একটি। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান ২০১৭ সালে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের আশ্রয় দেয়, বিশেষ করে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় । এই সংকটে হোস্ট কমিউনিটি অর্থাৎ স্থানীয় জনগণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
প্রায় দশ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছে। এ পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশ সরকারের জন্য নয় , বরং হোস্ট কমিউনিটি বা স্থানীয় জনগণের জন্যও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
তাদের এই আগমন স্থানীয় পরিবেশ, অর্থনীতি ও সামাজিক কাঠামোর উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে।
হোস্ট কমিউনিটির জনগণ শরণার্থীদের প্রতি সহানুভূতি ও মানবিক সহায়তা প্রদর্শন করে। তারা নিজেদের সীমিত সম্পদের মধ্যেও খাদ্য, পানি, আশ্রয় এবং সহযোগিতা প্রদান করেছে। শুরুতে এই মানবিক সহায়তা ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ও আন্তরিক।
রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি হোস্ট কমিউনিটির জীবিকা, জমি, বনজ সম্পদ এবং পরিবেশের উপর চাপ সৃষ্টি করে। স্থানীয় জনগণের জন্য শ্রম বাজার সংকুচিত হয়, কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বন উজাড়ের হার বৃদ্ধি পায়।
স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংস্কৃতি, ভাষা ও জীবনধারার পার্থক্য থাকায় মাঝে মাঝে সামাজিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং অপরাধ প্রবণতা বাড়ার আশঙ্কাও দেখা গেছে।
তবে হোস্ট কমিউনিটি সাধারণভাবে সহনশীলতা ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে চলেছে।
হোস্ট কমিউনিটির অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের জন্য বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবিকা উন্নয়নে হোস্ট কমিউনিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া দরকার। একইসঙ্গে, আন্তর্জাতিক সহায়তা আরও জোরদার হওয়া উচিত।
রোহিঙ্গা সংকটে হোস্ট কমিউনিটির মানবিক অবদান অবিস্মরণীয়। এই বিপর্যয়ের মোকাবেলায় স্থানীয় জনগণের সহানুভূতি, ত্যাগ ও ধৈর্য গোটা বিশ্বের কাছে একটি মানবিক উদাহরণ। তবে এই অবদান টেকসই রাখতে হলে তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট সহায়তা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অপরিহার্য।
এ লক্ষ্যে ইউসিএনএ র পক্ষ থেকে এগারো দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়।
১/রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বরাদ্দের ৩০% হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
২/হোষ্ট কমিউনিটির প্রকল্প গুলো হোষ্ট কমিউনিটির এজেন্সির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩/হোষ্ট কমিউনিটির কে জিআরপি তে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং হোষ্ট কমিউনিটি উখিয়া টেকনাফে র বাহিরে ৩০% বরাদ্দ থেকে কোন প্রকল্প নেওয়া যাবে না।
৪/কোন দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান সরাসরি ক্যাম্পে কাজ করতে পারবে না । রোহিঙ্গাদের কোন সংস্থা র মাধ্যমে হুন্ডির মাধ্যমে ক্যাম্পে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
৫/অধিকার ভিত্তিক প্রকল্পগুলো, যেমন মানব পাচার প্রতিরোধ, সহিংসতা প্রতিরোধ , জিবিভি ইত্যাদি স্হানীয় এনজিও ও সিবিও দের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে
৬/ আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংঘের সংস্থাগুলোর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে ইউসিএনএ র প্রতিনিধি বা হোষ্ট কমিউনিটির প্রতিনিধি র উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
৭/ উখিয়া টেকনাফে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৮/যানজট নিরসনে বাইপাস সড়ক তৈরি করতে হবে এবং একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।
৯/ হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের জন্য মানবিক প্রকল্প গুলো চলমান রাখতে হবে এবং কোন অজুহাতে বন্ধ করা যাবে না ।
১০/ UCNA এর সাথে RRRC, DC ও UN এজেন্সিগুলো র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে।
উখিয়া তে আইনপ্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট করতে হবে।
১১/ সম্প্রীতি রক্ষায় সম্প্রীতি পরিষদের কর্মকাণ্ডে
স্বীকৃতি প্রদান করে রোহিঙ্গা ও হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
সংলাপ এ এগারো দফা দাবি উপস্থাপন করেন হেলপ এর নির্বাহী পরিচালক UCNA এর সভাপতি আবুল কাশেম
বাংলাদেশ জামাত ইসলামী র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমির মাওলানা আবুল ফজল
উপজেলার সেক্রেটারি মাওলানা সুলতান আহমদ
মাওলানা আবদুর রহিম, মাওলানা আবুল হোসেন মাস্টার মুহাম্মদ হাশেম,মোহাম্মদ ইউনুছ, মনজুর আলম
উখিয়া সিবিও এনজিও এ্যালায়েন্স -UCNA এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন , মোহাম্মদ শাহ আলম, রাকিব আল হাসান, রাশেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ জুয়েল মারজুদুর রহমান আয়াত,নুর মোহাম্মদ, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ,মনজুর আলম, খোরশেদ আলম বাবু , আব্দুর রহমান প্রমুখ।

এগারো দফা দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে উখিয়া সিবিও এনজিও এ্যালায়েন্স এর সংলাপ --------------১/রোহিঙ্গা শরণার...
17/05/2025

এগারো দফা দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে উখিয়া সিবিও এনজিও এ্যালায়েন্স এর সংলাপ
--------------
১/রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে বরাদ্দের ৩০% হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
২/বরাদ্দের ৩০% হোষ্ট কমিউনিটির এজেন্সির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩/হোষ্ট কমিউনিটির বরাদ্দ হোষ্ট কমিউনিটির বাহিরে অন্যান্য জেলা বা উপজেলা তে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, তা বাস্তবায়ন করা যাবে না ।
৪/সরকারের রেজিস্ট্রেশন বিহীন কোন দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পে কাজ করতে পারবে না । এক কথায় রেজিস্ট্রেশন বিহীন সংস্থা ক্যাম্পে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
৫/অধিকার ভিত্তিক প্রকল্পগুলো, যেমন মানব পাচার প্রতিরোধ, সহিংসতা প্রতিরোধ , জিবিভি ইত্যাদি স্হানীয় এনজিও ও সিবিও দের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে
৬/ আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংঘের সংস্থাগুলোর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে ইউসিএনএ র প্রতিনিধি বা হোষ্ট কমিউনিটির প্রতিনিধি র উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
৭/ এনজিও ব্যুরোর অনুমোদন ছাড়া কোন কর্মসূচী ক্যাম্পে বাস্তবায়ন করা হবে না শুধু UN ছাড়া।
৮/যানজট নিরসনে বাইপাস সড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
৯/ হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের জন্য বাস্তবায়ন যোগ্য প্রকল্প গুলো চলমান রাখতে হবে এবং সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে ।
# উখিয়া তে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে ।
১০/ UCNA ও RRRC DC UN এজেন্সিগুলো র সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে।
উখিয়া তে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
১১/ সম্প্রীতি রক্ষায় সম্প্রীতি পরিষদের কর্মকাণ্ডে
স্বীকৃতি প্রদান করে রোহিঙ্গা ও হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।১/রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে বরাদ্দের ৩০% হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
২/বরাদ্দের ৩০% হোষ্ট কমিউনিটির এজেন্সির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩/হোষ্ট কমিউনিটির বরাদ্দ হোষ্ট কমিউনিটির বাহিরে অন্যান্য জেলা বা উপজেলা তে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, তা বাস্তবায়ন করা যাবে না ।
৪/সরকারের রেজিস্ট্রেশন বিহীন কোন দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পে কাজ করতে পারবে না । এক কথায় রেজিস্ট্রেশন বিহীন সংস্থা ক্যাম্পে কোন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
৫/অধিকার ভিত্তিক প্রকল্পগুলো, যেমন মানব পাচার প্রতিরোধ, সহিংসতা প্রতিরোধ , জিবিভি ইত্যাদি স্হানীয় এনজিও ও সিবিও দের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে
৬/ আন্তর্জাতিক ও জাতীয় সংঘের সংস্থাগুলোর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে ইউসিএনএ র প্রতিনিধি বা হোষ্ট কমিউনিটির প্রতিনিধি র উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
৭/ এনজিও ব্যুরোর অনুমোদন ছাড়া কোন কর্মসূচী ক্যাম্পে বাস্তবায়ন করা হবে না শুধু UN ছাড়া।
৮/যানজট নিরসনে বাইপাস সড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া উচিত।
৯/ হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের জন্য বাস্তবায়ন যোগ্য প্রকল্প গুলো চলমান রাখতে হবে এবং সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে ।
# উখিয়া তে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে ।
১০/ UCNA ও RRRC DC UN এজেন্সিগুলো র সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে।
উখিয়া তে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
১১/ সম্প্রীতি রক্ষায় সম্প্রীতি পরিষদের কর্মকাণ্ডে
স্বীকৃতি প্রদান করে রোহিঙ্গা ও হোষ্ট কমিউনিটির মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

10/05/2025

Decision to hold a meeting to do to increase social, political harmony and tolerance. The decision was taken at a meeting held at the Family Violence Prevention Center at the Help's Family Violence Center last Saturday. It was decided to meet with public representatives and political leaders to organize the Cox's Bazar Development Forum and implement the help Cox's Bazar.

Cox's Bazar Development Forum (CDF) convenor Abul Kashem confirmed the matter. It will invite BNP, Jamaat, CPB, Public Rights Council, Jasad, National Democratic Front, Bar Council, John Party, AB Party, NCP, NAP, Imam Samiti, NGO platform, Press Club, Jatiya Party

Address

Cox's Bazar

Telephone

+8801734086366

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UCNA- Ukhia CBO NGO Alliance posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share