29/11/2025
এই দেশের রাজনীতির কেমন তা প্রায় সকল জনগণের জানা। তাই এই বিষয়ে বলা বা না বলার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই কারণ, কোন পরিবর্তন আসবে নাহ।
যাই হউক, নিজের মতামত টা না বলে পারলাম নাহ। কারণ কিছু গর্দভ আছে যা পাই তাই গিলে আর ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মত লাফায়।
ছবি - ১
একটা রাজনৈতিক দল কতৃক তৈরিকৃত সাধরণ একটি মঞ্চ। সাধরণ বলার কারণ হলো, লাল সবুজ রঙের কম্বিনেশে প্রায় সব রাজনৈতিক দলের মঞ্চ সাজিয়ে ছিল। কিন্তু এটা নিয়ে শুরু হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার এবং এটাকে সফল ভাবে জাতীয় পতাকার অবমাননা বলে চালিয়ে দিল। যদিও লজিক্যালি এটা জাতীয় পতাকার অবমাননা নয় বরং অন্যান্য মঞ্চের মতো এটাও একটি সাধরণ মঞ্চ। যাইহোক, দলটি সবুজের মধ্যখানের লাল গালিচা উঠিয়ে ফেলে এবং সেটাকে ব্যক্তিগত ভাবে আমি এপ্রিশিয়েট করি। কারণ, 'জন্মভূমির পতাকা হলো আমাদের আবেগ, আমাদের সম্মান, আমাদের গর্ব ' এই জন্য এটাকে নিয়ে অযুক্তিক বা যুক্তিক অথবা অন্য কোন ভাবেই মানহানি হয় এমন ধরনের ইস্যুতে জড়ানোর সুযোগ না পাই।
ছবি - ২
দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কি বুঝাতে চাইছে।
এভাবে চলছে এই দেশের বর্তমান রাজনৈতিক চর্চা।
তাছাড়া গর্দভদের রাজনীতির ডিকশিনারিতে এই গুলা নিয়ম, রীতিনীতি। এছাড়াও নিজদের দলের সুবিধার জন্য অন্যায় অত্যাচার করে অবৈধ ভাবে স্বার্থ হাসিল করে। কিন্তু তাদের নিষ্ঠাবান(পাঁ চাটা,বিবেকহীন) কর্মীরা গবেষণা করে প্রমাণ পায় সবকিছু দেশ ও জাতির কল্যাণে।
তারা নতুন করে পতাকা আবিষ্কার করল সেই পতাকার অবমাননা কারী সনাক্ত করল। শুধু তাই নয়, সেই দেশ দ্রোহী থেকে আমাদের জাতীয় পতাকা উদ্ধার করল।
সেই নিষ্ঠাবান কর্মীর জনগনকে সর্তক ও দেশদ্রোহী, স্বাধীনতা বিরোধীদের এড়িয়ে চলার জন্য চিহ্নিত করে দিচ্ছিল সেই সাথে জাতীয় পতাকা অবমাননাকারী প্রমাণ উপস্থাপন করল।
কিন্তু, জনগণ পতাকা অবমাননার ছবি দেখে বলে এটা জাতীয় পতাকা নাহ, তার আবেগ দিয়ে তাৎক্ষণিক প্রমাণ তৈরি করল আর জনগনকে প্রমাণ হিসাবে দিল:
ওটা জাতীয় পতাকা না হয় তাহলে লাল গালিচা উঠিয়ে ফেলল কেন🙂