নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন - Narottampur Kalyan Foundation - NKF

  • Home
  • Bangladesh
  • Comilla
  • নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন - Narottampur Kalyan Foundation - NKF

নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন - Narottampur Kalyan Foundation - NKF "আসুন, একসাথে গড়ি ভেদাভেদহীন, সুন্দর ও মানবিক ১০ নং নরোত্তমপুর—একটি নিরাপদ ও সম্প্রীতির সমাজ, আগামী প্রজন্মের জন্য।"

13/07/2026

যেকোনো মাধ্যমে মাদক কেনাবেচায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড;
সংসদে বিল পাস।

কন্যাদায়গ্রস্ত এক পিতার পাশে দাঁড়িয়েছে নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন (NKF)। 🤝মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে, সামাজিক দায়ব...
07/07/2026

কন্যাদায়গ্রস্ত এক পিতার পাশে দাঁড়িয়েছে নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন (NKF)। 🤝
মানবিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও আমাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন (NKF) সবসময়ই অসহায় ও প্রয়োজনমতো মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।
সেই ধারাবাহিকতায়, কন্যাদায়গ্রস্ত একটি পরিবারের বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করতে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
এই মহৎ উদ্যোগ সফল করতে যাঁরা আন্তরিকভাবে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। আল্লাহ তাআলা আপনাদের দানকে কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন।
পরিবারটির সম্মান ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্বার্থে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হলো না।

মানুষ মানুষের জন্য—এই বিশ্বাস নিয়েই এগিয়ে চলুক আমাদের মানবিক পথচলা। ❤️
— নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন (NKF)
বিঃ দ্রঃ ছবিটি AI কতৃক প্রতীকী হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে।

আগামী ২৭ জুন ২০২৬ ইং সারা দেশে ১ দিন ব্যাপি "জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন" পালিত হবে।উক্ত ক্যাম্পেইনে  ৬ মাস থেকে ৫...
16/06/2026

আগামী ২৭ জুন ২০২৬ ইং সারা দেশে ১ দিন ব্যাপি "জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন" পালিত হবে।

উক্ত ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে বিনামূল্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

গবেষণায় ভয়ঙ্কর তথ্যশিশুদের শরীরে ২টি ছাড়া সব অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর!চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে মানবজাতির সবচেয়ে বড় আবি...
14/06/2026

গবেষণায় ভয়ঙ্কর তথ্য
শিশুদের শরীরে ২টি ছাড়া সব অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর!

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে মানবজাতির সবচেয়ে বড় আবিষ্কারগুলোর একটি ছিল অ্যান্টিবায়োটিক। কিন্তু ভাবুন তো, যে ওষুধ একসময় কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে, তা যদি হঠাৎ করেই শরীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়? আরও ভয়ের ব্যাপার হলো, এই মরণফাঁদের মুখোমুখি এখন আমাদের দেশের ছোট শিশুরা! রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করা সাম্প্রতিক একটি গবেষণা চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, শিশুদের শরীরে প্রথম সারির প্রায় সব অ্যান্টিবায়োটিকই সম্পূর্ণ অকার্যকর। কিন্তু কীভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হলো? আজ আমরা সে বিষয়টিই জানব।

চলুন একটু গভীরে যাওয়া যাক। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (পিকু/পিআইসিইউ) এ বছরের প্রথম ৪ মাসে একটি গবেষণা চালানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন ৪৯টি শিশুর শরীর থেকে জীবাণুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ফলাফল কী এল জানেন? চিকিৎসাধীন শিশুদের শরীরে ৯৬ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিকই আর কোনো কাজ করছে না! সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো, প্রতিটি গ্রাম-নেগেটিভ জীবাণু প্রধান ৬টি অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে শতভাগ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। অর্থাৎ, ওষুধগুলো এখন স্রেফ পানি বা চকের গুঁড়োর মতো কাজ করছে, জীবাণুর কিচ্ছু হচ্ছে না! এই মুহূর্তে চিকিৎসকদের সামনে কেবল টাইজেসাইক্লিন ও কলিস্টিন নামের দুটি ওষুধ কার্যকর রয়েছে। কিন্তু গবেষকদের আশঙ্কা, যেভাবে জীবাণু শক্তিশালী হচ্ছে, তাতে খুব দ্রুতই শেষ অস্ত্র কলিস্টিনও কার্যকারিতা হারাতে পারে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে একদল গবেষক এই গবেষণাটি চালান। তাঁরা দেখতে পান, পিআইসিইউতে শিশুদের সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত করছে জটিল জীবাণু, যা মোট সংক্রমণের প্রায় ২৪.৫ শতাংশ। শুধু তাই নয়, বহুল ব্যবহৃত ইমিপেনেমের ওপর জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা ৯৬.৭ শতাংশ এবং মেরোপেনেমের ক্ষেত্রে ৯৬.৪ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে! লেভোফ্লক্সাসিনের মতো ওষুধও ৮৪.২ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি টেইকোপ্লানিন নামের আরেকটি জীবনরক্ষাকারী ওষুধের বিরুদ্ধেও ১৫.৮ শতাংশ জীবাণু এরই মধ্যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।

খেয়াল করুন, জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত প্রথম সারির ৬টি ওষুধের গড় রেজিস্ট্যান্সের হার যেখানে ছিল ৮৩.৮ শতাংশ, এপ্রিল মাসে সেটি এক লাফে পুরো ১০০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে! এই পরিসংখ্যানটি হাসপাতালজুড়ে একটি বড় ধরনের বিপদের সংকেত।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু আগেও কোনো না কোনো কারণে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করেছিল, তাদের শরীরে একাধিক ওষুধ-প্রতিরোধী জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি সাধারণ শিশুদের চেয়ে প্রায় ৭ গুণ বেশি! এর পরিণতি কতটা মারাত্মক তা চিকিৎসার সময় দেখলেই বোঝা যায়। সাধারণ জীবাণুর সংক্রমণে একটি শিশু যেখানে গড় ৬ দিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে পারে, সেখানে এই সুপারবাগে আক্রান্ত শিশুদের সুস্থ হতে লাগছে দ্বিগুণ সময়। যেসব শিশু ৪৮ ঘণ্টার বেশি ভেন্টিলেশনে থাকে কিংবা দীর্ঘ সময় পিআইসিইউতে অবস্থান করে, তারাও এই মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ছে।

এখন বড় প্রশ্ন হচ্ছে, এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে? গবেষকদের মতে, এর প্রধান কারণ হচ্ছে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যখন-তখন অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার। একটু জ্বর বা ঠান্ডা-কাশি হলেই আমরা ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে ফার্মেসি থেকে অ্যান্টিবায়োটিক কিনে শিশুদের খাইয়ে দিই। আবার অনেক সময় কোর্সও সম্পূর্ণ করি না। আমাদের এই অসচেতনতাই জীবাণুগুলোকে আরও শক্তিশালী ও সুপারবাগে পরিণত করছে।

সমাধানের পথ তবে কী?

এই গবেষণার পরিধি হয়তো একটি হাসপাতাল এবং ৪৯ জন শিশুর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু এটি পুরো দেশের জন্য একটি চরম সতর্কবার্তা। এই ভয়াবহ সংকট থেকে বাঁচার উপায় কী?

গবেষক দল জরুরি ভিত্তিতে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার জোর আহ্বান জানিয়েছেন:
১. অকারণে এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
২. হাসপাতালে কঠোরভাবে হাত ধোয়া এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করার নিয়ম চালু করতে হবে।
৩. শেষ ধাপের ওষুধগুলোর ব্যবহার কঠোরভাবে সীমিত করতে হবে।
৪. দেশব্যাপী এই সংকটের গভীরতা মাপতে একটি জাতীয় তদারকি ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

গবেষক দলের প্রধান ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্পষ্ট করেই বলেছেন— সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে শিশুদের এমন স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিচর্যার মধ্যে রাখা, যাতে তারা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের মতো জটিল অসুস্থতাতেই না পড়ে। মনে রাখবেন, আজ আমাদের একটি ছোট ভুল আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সুতরাং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনোই আপনার শিশুকে অ্যান্টিবায়োটিক দেবেন না।
Independent Television

09/06/2026

১০নং নরোত্তমপুরের সম্মানিত নাগরিকগণ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রুখে দিতে পারে মাদক ও কিশোর গ্যাং কে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ নরোত্তমপুর হোক আমাদের অঙ্গিকার।

07/06/2026

"আসুন, একসাথে গড়ি ভেদাভেদহীন, সুন্দর ও মানবিক ১০ নং নরোত্তমপুর—একটি নিরাপদ ও সম্প্রীতির সমাজ, আগামী প্রজন্মের জন্য।"

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হলেও গাছ লাগাই।  পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করি।
05/06/2026

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হলেও গাছ লাগাই। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করি।

আজ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে।

এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে–‘প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা: জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’। প্রতিপাদ্যের মূল বার্তা হলো প্রকৃতিকে উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানকে গুরুত্ব দেওয়া।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতিবছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করে আসছে। ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানবিক পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় দিবসটির সূচনা হয়। দিবসটি উপলক্ষে দেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, র‌্যালি, আলোচনা সভা এবং সচেতনতামূলক নানা আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে। কোথাও দাবানল, কোথাও ভয়াবহ বন্যা, দীর্ঘস্থায়ী খরা কিংবা তীব্র তাপপ্রবাহ মানুষের জীবন ও জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলছে। পরিবেশবিদরা বলছেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন, বন উজাড়, জলাভূমি ভরাট এবং জীবাশ্ম জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এই সংকট আরও গভীর হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলোচ্ছ্বাস, আকস্মিক বন্যা, তাপপ্রবাহ এবং নগরাঞ্চলে পরিবেশ দূষণ দেশের মানুষের জীবনযাত্রাকে ক্রমেই কঠিন করে তুলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী।

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সংশ্লিষ্টরা পরিবেশ সংরক্ষণে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

এতদিন মাইক্রোপ্লাস্টিককে শুধু সমুদ্র ও মানবদেহের দূষণ সমস্যা হিসেবে দেখা হতো। এবার বিজ্ঞানীদের দাবি, বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ...
14/05/2026

এতদিন মাইক্রোপ্লাস্টিককে শুধু সমুদ্র ও মানবদেহের দূষণ সমস্যা হিসেবে দেখা হতো। এবার বিজ্ঞানীদের দাবি, বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণাও জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, বায়ুমণ্ডলে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক সূর্যের তাপ শোষণ করে বাতাসকে উষ্ণ করছে।

বিশেষ করে কালো ও রঙিন প্লাস্টিক কণা বেশি তাপ ধরে রাখতে পারে। গবেষকদের মতে, এই প্রভাব কিছু ক্ষেত্রে ব্ল্যাক কার্বন দূষণের উষ্ণায়ন ক্ষমতার প্রায় ১৬ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ, প্লাস্টিক দূষণ শুধু পরিবেশ নষ্ট করছে না, জলবায়ু সংকটেও নতুন চাপ যোগ করছে।

গবেষণায় আরও জানা যায়, সমুদ্রের উপর ভাসমান প্লাস্টিক কণা সামুদ্রিক জীব ও কার্বন শোষণ প্রক্রিয়ায়ও বাধা সৃষ্টি করতে পারে। ফলে পৃথিবীর প্রাকৃতিক কুলিং সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

20/04/2026

অর্থ আর স্বার্থ কোনোটাই স্থায়ী নয়..!
মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকাটাই স্থায়ী..

Address

Comilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নরোত্তমপুর কল্যাণ ফাউন্ডেশন - Narottampur Kalyan Foundation - NKF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share