23/07/2026
আমি শুধু একবার দুইবার নয় বিভিন্ন সভা সমাবেশে কয়েকশতবার বলেছি যে, "কাজ করা আর গল্প করা এক নয়" যা কোন কাজ করতে পারবেন না তা অন্য কাউকে করতে বাঁধা দিবেন না বা অসহযোগিতা করবেন না।
একটা সময় আসবে আপনার টাকা পয়সা বাড়ি গাড়ি সব কিছুই থাকবে কিন্তু আপনার কোন বন্ধু বান্ধব এমনকি কোন সহযোগীও থাকবেনা কারন আপনি শুধু নিজেকেই নিয়ে ব্যাস্ত ছিলেন। কখনোই কারো জন্য কোন ধরনের ভাতৃত্ববোধের লালন করেননি। যেহেতু বেঁচে আছেন এখনো সময় আছে নিজেক মানবিক এবং বন্ধুসুলভ আচরনে অব্যস্থ করুন। অন্যের সফলতায় কাপুরুষের মত নেতিবাচক আচরন বাদ দিয়ে একটু সামাজিক হওয়ার চেস্টা করুন। আপনার আত্মীয় স্বজন এবং প্রতিবেশির সম্পর্ককে মুল্যায়ন করার চেষ্টা করুন।
কি ভাবছেন একা একা অসামাজিক জীবন যাপন করে সফলতা অর্জন করে অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়ে পরবর্তীতে মসজিদ মাদ্রাসার দান করে আর এতিমখানায় খাবার দিয়ে আত্মীয়স্বজন আর প্রতিবেশিদের হক আদায় না করেই ঘরগোস্টি সবাইকে নিয়ে জান্নাতে চলে যাবেন???? না ভাই একদিন দেখবেন আপনার এই একাকী পরিশ্রমে অর্জিত সম্পদই হবে আপনার এবং আপনার পরিবারের সদস্যদের ধ্বংসের কারন। দেখবেন আপনি পূর্বে যারছিলেন এখনো তাই রয়ে গেছেন শুধু কয়েকটি বছর অযথাই একাকী কাটিয়েছেন আর পন্ডুশ্রম করেছেন। তাই কাউকে অবহেলা অবজ্ঞা না করে সবার সাথে কাধে কাঁধ মিলিয়ে সুন্দর জীবনটাকে উপভোগ করতে একটু সামজিক ও মানবিক হওয়ার চেষ্টা করুন।
আপনার মত ভালো রেজাল্ট হয়তো ছাত্র জীবনে অনেকেই করতে পারেনি কিন্তু আপনার থেকেও অনেক সফল এবং স্বার্থক হাজার হাজার ছাত্র আপনার আগে পরে পাশ করে গেছেন। যাদের মধ্যে অনেকেই এই লেখাটি পড়েছেন। বিশ্বাস না হলে কমেন্টে গিয়ে দেখুন.... তাঁদের অনেকেই আপনি চিনতেও পারেন। তাঁরা কেহই ছাত্রজীবনে বা কর্মজীবনে কারো ছাত্রত্বকে, কর্মকে বা পেশাকে ছোট করে দেখেননি। বরং সবাই সবাইকে সমহারে শ্রদ্ধা স্নেহ আর ভালোবাসা দিয়ে ভাতৃত্ববোধের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সমাজিক ও মানবিক ভাবে জীবন যাপন করছেন।
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের শিক্ষক মন্ডলীসহ প্রাক্তন সকল ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদেরকে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং সার্বিক সহায়তায় এখনো আমরা ভাতৃত্ববোধের লালন করতে শিখেছি।