Ghashful bd

Ghashful bd GHASHFUL has begun its development journey with the relief works during the year 1972. GHASHFUL is a Non Governmental Voluntary Organization.
(1)

GHASHFUL work with as partner organization (Present & Previous) of Action Aid Bangladesh, BLAST, USAID (BCCP), JICA which has been working with integrated urban development activities major in Micro-Finance, Community Development, good Governance, Agriculture, Environment, Renewable Energy, Information Technology, Education, Health & Awareness and Human Rights.

নওগাঁর জাতীয় ফল মেলায় ঘাসফুল স্মার্ট প্রকল্প।। গত ১৮ জুন অনুষ্ঠিত ফল মেলাটি ছিলো বাংলাদেশে বদলে যাওয়া কৃষির এক গল্পের দৃ...
22/06/2026

নওগাঁর জাতীয় ফল মেলায় ঘাসফুল স্মার্ট প্রকল্প।। গত ১৮ জুন অনুষ্ঠিত ফল মেলাটি ছিলো বাংলাদেশে বদলে যাওয়া কৃষির এক গল্পের দৃশ্যপট।। এদেশের কৃষি বহুদিন ধরে শুধু উৎপাদনের গল্প বলে এসেছে। কিন্তু নওগাঁয় এসে সেই গল্পের ভাষা কিছুটা বদলে যায়। এখানে ফল কেবল ক্ষেতের উৎপাদন নয়, বরং প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা তৈরি এবং বাজার সম্ভাবনারও ভাষা হয়ে উঠেছে।

কৃষি বিভাগ, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, ফলচাষি ও ফুড প্রসেসিং উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এবারের মেলায় যেন কৃষি-সংস্কৃতির এক মিলনমেলা তৈরি হয়। প্রদর্শিত হয়েছে অর্ধশতাধিক আমের জাত। দর্শকদের ভিড় সবচেয়ে বেশি ছিল ঘাসফুল SMART প্রকল্পের স্টলের সামনে। সেখানে দেশি-বিদেশি ১৪টি আমের জাত পাশাপাশি সাজানো—আম্রপালী, বারী-৪, গৌরমতি, আশ্বিনা, বারী-১১, ঊষা অরনিসা, থ্রি টেস্ট, অস্টিন, কিং অব চাকাপাত, বারী-৭, বারী-১৪, ব্যানানা, কাটিমন, চিয়াংমাই ও ফজলী। প্রকল্পটি পিকেএসএফ-এর সহযোগিতায় ঘাসফুল বাস্তবায়ন করছে নওগাঁয়।

মেলায় প্রদর্শিত একেকটি আম যেন একেকটি অঞ্চলের গল্প বহন করছে। কিছু জাত এসেছে গবেষণাগার থেকে, কিছু এসেছে কৃষকের দীর্ঘ পরীক্ষার অভিজ্ঞতা থেকে, কিছু আবার বহন করছে আন্তর্জাতিক সংযোগের ছাপ।

নওগাঁর সঙ্গে আমের সম্পর্ক নতুন নয়। তবে গত দুই দশকে জেলার কৃষি অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। একসময় যেখানে প্রচলিত জাতের ওপর নির্ভরতা বেশি ছিল, এখন সেখানে আম্রপালী, গৌরমতি, বারী-৪ কিংবা ব্যানানা ম্যাঙ্গোর মতো নতুন জাত কৃষকদের আয়ের সময়কাল বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে মৌসুম আর শুধু কয়েক সপ্তাহের নয়, বরং কয়েক মাস ধরে বিস্তৃত হচ্ছে।

মেলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল প্রক্রিয়াজাত ফলপণ্য। আচার, জ্যাম, জেলী, আমসত্ত্বসহ নানা পণ্য সাজানো ছিল বিভিন্ন স্টলে। ফল শুধু গাছ থেকে বাজারে যাওয়ার পণ্য নয়—এই বার্তাটিই যেন সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এখানে।

এই ধারণার পেছনে বাস্তবতাও আছে। প্রতিবছর নওগাঁয় বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদিত হলেও সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সীমাবদ্ধতার কারণে বড় অংশ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে বলছেন, উৎপাদনের পাশাপাশি মূল্য সংযোজন শিল্প তৈরি করা গেলে কৃষকের আয় আরও বাড়বে।

ঘাসফুল SMART-ফল প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলছেন, নিরাপদ ফল উৎপাদন, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং বাজার-সংযোগ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকদের সঙ্গে কাজের মাধ্যমে একটি টেকসই ফলভিত্তিক অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করার চেষ্টা চলছে।

সন্ধ্যা নামার আগ মুহূর্তে মেলার ভিড় আরও ঘন হয়। কেউ ছবি তুলছে, কেউ স্বাদ নিয়ে বিচার করছে। তখন মনে হয়, এটি শুধু একটি ফলমেলা নয়।

এ যেন নওগাঁর মাটির ভেতর থেকে উঠে আসা ভবিষ্যতের এক দৃশ্য—যেখানে কৃষি আর শুধু ফসল ফলানোর কাজ নয়; এটি উদ্ভাবন, সংস্কৃতি এবং অর্থনীতির নতুন ভাষা।

Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF

Microcredit Regulatory Authority

International Fund for Agricultural Development (IFAD)

Global Environment Facility

FAOBangladesh

World Health Organization Bangladesh

Ministry of Agriculture, Bangladesh - কৃষি মন্ত্রণালয়

www.ghashful-bd.org

21/06/2026

ঘাসফুলের উদ্ভাবিত ম্যাঙ্গো পিকার।। ছোট্ট কিন্তু কার্যকর উদ্ভাবন।।

পিকেএসএফ-এর সহায়তায় বাস্তবায়িত এসইপি (SEP) প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে SMART প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এই প্রযুক্তি। ঘাসফুল সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি'র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ কেএমজি রববানী বসুনিয়া'র কারিগরি পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মোস্তাফা স্থানীয় ওয়ার্কশপে এটি তৈরি করেন।।

ম্যাঙ্গো পিকারের বিশেষত্ব হলো এর ‘V’ আকৃতির কাটিং ব্লেড ও নেটযুক্ত সংগ্রাহক ব্যবস্থা। যা আমের বোটা সামান্য ওপর থেকে নিখুঁতভাবে কাটতে পারে, ফলে বোটা অক্ষত থাকে এবং কষ ফলের গায়ে লাগতে পারে না। এতে ফলের সৌন্দর্য, গুণগত মান ও সংরক্ষণক্ষমতা বজায় থাকে।

মাঠ পর্যায়ে ম্যাঙ্গো পিকারের ব্যবহার ইতোমধ্যে কৃষকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছে। কম সময়, কম ঝুঁকি এবং অধিক দক্ষতায় আম সংগ্রহের পাশাপাশি সংগ্রহ-পরবর্তী ক্ষতিও কমছে।

কৃষিতে প্রযুক্তি তখনই সফল হয়, যখন তা গবেষণাগারের দেয়াল পেরিয়ে সরাসরি মানুষের হাতে পৌঁছায়। ঘাসফুলের এই উদ্ভাবনী ম্যাঙ্গো পিকারও তেমনই একটি প্রয়াস—যেখানে নিরাপদ সংগ্রহ মানে শুধু একটি ফল নয়, বরং কৃষকের শ্রম, সময় ও আয়কে আরও মূল্যবান করে তোলা।

একসময় আম পাড়ার দৃশ্য মানেই ছিল লম্বা বাঁশের ডগায় জাল, কখনো ঠুসি, কখনো গাছের ডালে ঝুঁকি নিয়ে মানুষের উঠানামা। মৌসুমজুড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নওগাঁর আমবাগানগুলোতে এ দৃশ্য খুবই পরিচিত। কিন্তু সেই পরিচিত পদ্ধতির আড়ালে ছিল একটি অদৃশ্য ক্ষতি—আমের বোটা ছিঁড়ে গিয়ে বের হওয়া কষ ফলের গায়ে লেগে কালো দাগ তৈরি করত, বাড়াতো ছত্রাকের আক্রমণ ও দ্রুত পচনের ঝুঁকি। কমে যেত ফলের গুণগত মান ও বাজারমূল্য। এ বাস্তবতার মধ্যেই এসেছে ম্যাঙ্গো পিকারের মতো ছোট্ট কিন্তু কার্যকর উদ্ভাবন।।

নিরাপদ সংগ্রহ, উন্নত সংরক্ষণ এবং অধিক লাভ—এই লক্ষ্য নিয়েই ঘাসফুলের উদ্ভাবনী ম্যাঙ্গো পিকার কৃষকের পাশে।।

Microcredit Regulatory Authority

Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF

United Nations Development Programme in Bangladesh

World Bank Bangladesh

GEF Small Grants Programme

পিকেএসএফ-এর কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কার্যক্রম। Agri. Mechanization Program,PKSF

Caritas Bangladesh

World Vision Bangladesh

FAOBangladesh

World Health Organization (WHO)

https://share.google/zKSAanSoaHyBWueg9সমাজবদ্ধ ছাড়া মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না। মানুষের কর্মদক্ষতা, কার্যাবলি সমাজকে প্রভ...
21/06/2026

https://share.google/zKSAanSoaHyBWueg9

সমাজবদ্ধ ছাড়া মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না। মানুষের কর্মদক্ষতা, কার্যাবলি সমাজকে প্রভাবিত করে। তবে সবার কার্যক্রম সমাজকে প্রভাবিত করে না। একটি দেশের উন্নয়নমূলক কাজ, সামাজিক সংস্কার, কর্মসংস্থানসহ সব ধরনের সমস্যার সমাধান করা এককভাবে সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজে বসবাসকারীদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সেই দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে আসেন শামসুন্নাহার রহমান পরাণ।

শামসুন্নাহার রহমান পরাণ ১৯৪০ সালে ১ জুন চট্টগ্রামের এনায়েতবাজারস্থ মাতুতালয় মায়া কুটিরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা মরহুমা সাজেদা খাতুন এবং বাবা মরহুম মৌলভী আমির হোসেন মজুমদার। কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথ দিঘি ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত সূফি পরিবারের সন্তান তিনি। বাবা ছিলেন তৎকালীন ঋণ সালিশী বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সম্মানিত জুরি বোর্ডের সদস্য। অপর্ণাচরণ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন। শামসুন্নাহার রহমান পরাণ চার সন্তান নিয়ে প্রাইভেটে ম্যাট্রিক পাশ করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। পরে ওয়াশিংটনের সেডপা (সিইডিপিএ) থেকে ব্যবস্থাপনায় ডিপ্লোমা ডিগ্রি গ্রহণ করেন। ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং ভাষা আন্দোলনে বড়দের সাথে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। শামসুন্নাহার রহমান পরাণ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিকালে চট্টগ্রামে বন্দুক চালনা ও ফাস্ট–এইড প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তাঁর দুই ভাই বীরপ্রতীক মেজর জেনারেল সায়ীদ আহমেদ, অপরজন যুদ্ধাহত আবুল কাশেম মজুমদার বীর মুক্তিযোদ্ধা।

শামসুন্নাহার রহমান পরাণ এনজিও সেক্টরের একজন পথিকৃৎ। তিনি সমাজ পরিবর্তনে বিশ্বাসী ছিলেন। সুবিধাবঞ্চিত নারী ও নিষ্পাপ শিশুরাই ছিল পরাণ রহমানের ঘাসফুল। তিনি তাদের কাছে টেনে নিলেন পরম মমতায়। ক্ষুধার্ত শিশু ও অসহায় মানুষের জন্য তিনি প্রতিদিন রুটি–সবজি নিয়ে হাজির হতেন। এই কাফেলায় অন্য মেয়েদের সঙ্গে বড় মেয়ে পারভীন মাহমুদও ছিলেন।

শামসুন্নাহার রহমান পরাণ নিজেই একটি সংগঠন। তাঁর বিচরণ ক্ষেত্র বহুমাত্রিক। ড. মনজুর–উল–আমিন চৌধুরী যিনি প্রাবন্ধিক ও গবেষক। তাঁর সম্পাদনায় চলতি বছর প্রকাশিত হয়েছে ‘শামসুন্নাহার রহমান পরাণ স্মারকগ্রন্থ।’ ৩৭৫ পৃষ্ঠার স্মারকগ্রন্থের দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদ এঁকেছেন মোহাম্মদ আরিফ। ঘাসফুল প্রকাশনার এই গ্রন্থের দাম রাখা হয়েছে ৭শ’ টাকা। স্মারকগ্রন্থে লিখেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্যার ফজলে হাসান আবেদ, ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, এম এ মালেক, ড. মনজুর–উল–আমিন চৌধুরী, এ এইচ এম নোমান, রফিক আহমেদ, খুশী কবির, শাহীন আনাম, মালেকা খান, ড. ওয়াহিদা বানু, অ্যাডভোকেট সালমা আলী, ড. মো. আরিফুর রহমান, জেসমিন প্রভা, সামছুল হক, রেহেনা পারভীন, অ্যাঞ্জেলা গোমেজ, শিহাব উদ্দিন আহমদ, মো. ফয়জুল কবীর, ফেরদৌস আরা বেগম, ডনাই প্রু নেলি, রুশো মাহমুদ, দিল মনোয়ারা মনু, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, সিরাজুল করিম মানিক, ডেইজী মউদুদ, সাইফ উল আলম, এ এইচ এম ফয়সাল, ছালেহা বেগম, চন্দন চক্রবর্তী, ড. এম এ সাত্তার মণ্ডল, ড. মো. আবদুল করিম, প্রফেসর মো. হাফিজুল ইসলাম, জওশন আরা রহমান, বেগম শামসুজ্জাহান নূর, ড. জয়নাব বেগম, প্রফেসর রীতা দত্ত, শীলা মোমেন, কবিতা বড়ুয়া, শাহানা মোজাম্মেল, রোকেয়া চৌধুরী, নেছার আহমদ, ডা. দেবলা মল্লিক, জিনাত আজম, লায়ন হাসিনা খান, রওশন আরা ইউসুফ, জাহান আখতার হোসাইন, জমির আহম্মদ সর্দার, রওশন আরা মোজাফফর (বুলবুল), আইভি হাসান, সাফিয়া রহমান স্বাতী, আবদুল কাদের, প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, পারভীন মাহমুদ, জেসমিন আক্তার বাপ্পী প্রমুখ।

ঘাসফুল নামের যথার্থতা নিয়ে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ‘এটা শুধু ঘাস নয় তার মধ্যে ফুল, সেটাতে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। ঘাসের মধ্যেও যে ফুল হতে পারে এটিই তাকে আকর্ষণ করেছিলো, তার কাছে মনে হলো ঘাসের মধ্যেও যে ফুল আছে সেগুলোকে আমি ফুটাবো। সেটিই সে করেছে একেবারে নিবেদিত প্রাণ হিসেবে করেছে।’(স্মারকগ্রন্থ পৃষ্ঠা –৩৫)। অর্থনীতিবিদ ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের মতে, ‘আমি যখন এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ছিলাম তখন ঘাসফুল নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী প্রধান হিসেবে আমি তার কার্যক্রম অবলোকন করি।’ (স্মারকগ্রন্থ : পৃষ্ঠা –৩৮)। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী ছিলেন পরাণ। নারীনেত্রী খুশী কবির লেখেন, ‘কখনোই নিজেকে বড় করে দেখানোর চেষ্টা তাঁর ভিতরে দেখিনি। কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, যে কাজটি তিনি করছেন নিজের ব্যক্তি ইমেজের থেকে সেটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’ (স্মারকগ্রন্থ : পৃষ্ঠা –৪৫)। তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক গুণের অধিকারী, ক্লান্তিহীন ছিল তাঁর পথচলা। দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক লিখেন ‘শামসুন্নাহার রহমান পরাণ একজন বহুমাত্রিক মানুষ। তিনি জীবনের হীরন্ময় সময়গুলো কাটিয়েছেন মানুষের কল্যাণে। নারীর সামাজিক মর্যাদা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার সর্বোপরি মানুষ হিসেবে নারীর পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি সারাজীবন কাজ করেছেন।’(স্মারকগ্রন্থ : পৃষ্ঠা –৭৯)।

যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ। রাস্তা নেই, ঘাট নেই। শুধু নেই আর নেই। রাষ্ট্রের একার পক্ষে দেশ পুনর্গঠন সম্ভব নয়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ নামক স্বাধীন ভূখণ্ড পৃথিবীর মানচিত্রে ঠাঁই করে নেয়। এমন এক অবর্ণনীয় বেদনাদায়ক পরিস্থিতিতে পরাণ রহমান ঝাঁপিয়ে পড়লেন রিলিফ–ওয়ার্কে। তিনি পাড়া–পড়শি, আত্মীয়–স্বজনদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ শুরু করে অসহায় দুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসনকল্পে কাজ শুরু করেন। যাত্রা শুরু হয় তার প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের। পরাণ রহমান তাদের নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখান। পরাণ রহমান বিভাজন থেকে বন্ধনকে আবিষ্কার করতেন বেশি এবং বন্ধুত্বের সেতুবন্ধনে আবদ্ধ করেছেন অনেক মানুষকে। তিনি বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামালসহ নারী উন্নয়নযাত্রার মহীয়সী নারীদের এক সার্থক প্রতিনিধি। পরাণ রহমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সূচনা করেছিলেন চট্টগ্রামে, যা আজ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। উন্নয়নযাত্রার সহকর্মী হিসেবে তার স্মৃৃতি, উপদেশ, মমতা এখনো আমাদের হৃদয়ে অমলিন। অসামান্য কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার ২০২১ সালে শামসুন্নাহার রহমান পরাণকে বেগম রোকেয়া পদক পদক প্রদান করে। ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি এ মহিয়সী নারী মৃত্যুবরণ করেন। আমৃত্যু তিনি নারী উন্নয়ন ও মর্যাদা রক্ষায় ছিলেন সচেষ্ট। শুধু ঘাসফুল নিয়ে পড়ে থাকেননি, তাঁর সাহিত্যেরও ভাণ্ডার নেহায়েত কম নয়। অনেক অজানা তথ্য গ্রন্থভুক্ত হয়েছে। স্মারকগ্রন্থটি সুখপাঠ্য এবং পাঠকদের উজ্জীবিত করবে নিঃসন্দেহে।

লেখক : সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক

21/06/2026
19/06/2026

সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ঘাসফুল-এর উপ পরিচালক জনাব জয়ন্ত কুমার বসুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনতাই হয়েছে।

ফোনে ব্যবহৃত নম্বরসমূহ থেকে যদি কোনো কল, এসএমএস, WhatsApp বার্তা বা অন্য কোনো যোগাযোগ আসে, তাহলে অনুগ্রহ করে তা বিশ্বাস বা সাড়া প্রদান করবেন না এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

ধন্যবাদ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গতকাল (১৭ জুন) নওগাঁর নিয়ামতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ ক...
18/06/2026

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গতকাল (১৭ জুন) নওগাঁর নিয়ামতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পরিবেশ সচেতনতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরিবেশবিদদের মতে, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা, খরা, বন উজাড় ও জীববৈচিত্র্যের সংকট এখন শুধু ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, বর্তমান বাস্তবতা। তাই পরিবেশ সংরক্ষণে স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোগও দিন দিন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF ও GEF Small Grants Programme-এর কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ঘাসফুল বাস্তবায়নাধীন ECCCP–Drought Project-এর উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিয়ামতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ জনাব গোপাল চন্দ্র পাল। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাবা মোছাঃ মুর্শিদা খাতুন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাসফুলের উপ-পরিচালক জনাব জয়ন্ত কুমার বসু, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম, ঘাসফুলের সহকারী পরিচালক জনাব কে.এম.জি. রাব্বানী বসুনিয়া এবং ঘাসফুলের জোনাল ম্যানেজার জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন ECCCP–Drought প্রকল্পের সমন্বয়কারী মোঃ আব্দুল্লাহ। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঁচটি করে বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।

ঘাসফুল কর্মকর্তারা বলেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ ঘোষণা বাস্তবায়নে ঘাসফুল সকল প্রকল্প ও কর্মসূচী'র কার্যক্রমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কর্ম-এলাকায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমটি পরিচালনা করছে। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

একটি গাছ শুধু ছায়া দেয় না; একটি গাছ ভবিষ্যতের প্রতিও একটি প্রতিশ্রুতি হয়ে থাকে।

Microcredit Regulatory Authority

18/06/2026

GHASHFUL ECCCP- DROUGHT PROJECT.



Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF

Microcredit Regulatory Authority

UN Environment Programme

UNDP Bangladesh

United Nations Development Programme in Bangladesh
Environmental Defense Fund

Global Environment Facility

Ministry of Environment, Forest and Climate Change, Bangladesh

পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE

ব্র্যাকের সহযোগিতায় ঘাসফুল বাস্তবায়নাধীন প্রাইজ (PRISE) প্রকল্পের আওতায় গতকাল বুধবার (১৭ জুন) নওগাঁয় তৃতীয় দিনের মতো প্র...
18/06/2026

ব্র্যাকের সহযোগিতায় ঘাসফুল বাস্তবায়নাধীন প্রাইজ (PRISE) প্রকল্পের আওতায় গতকাল বুধবার (১৭ জুন) নওগাঁয় তৃতীয় দিনের মতো প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থী এবং মাস্টার ক্রাফটসপারসন (MCP)-দের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ তুলে দেওয়া হয়।

Microcredit Regulatory Authority

Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF

BRAC

নওগাঁয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন।। গরম যেন আগের চেয়ে বেশি। কখনো দীর্ঘ খরা, কখনো আকস্মিক বৃষ্টি, আবার কখনো অসহনীয় তাপ...
17/06/2026

নওগাঁয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন।। গরম যেন আগের চেয়ে বেশি। কখনো দীর্ঘ খরা, কখনো আকস্মিক বৃষ্টি, আবার কখনো অসহনীয় তাপদাহ। প্রকৃতি যেন নীরবে জানিয়ে দিচ্ছে, জলবায়ুর পরিবর্তন আর ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়; বর্তমান বাস্তবতা। সেই বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে নওগাঁর সাপাহারে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও স্থানীয় মানুষের কণ্ঠে উঠে এসেছে একটি বার্তা—“এখনই সময় জলবায়ুর জন্য কাজ করার।”

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় ঘাসফুল বাস্তবায়িত SMART (Sustainable Microenterprise and Resilient Transformation) প্রকল্পের উদ্যোগে সাপাহারে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এ বছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য ছিল Climate Action বা জলবায়ু পদক্ষেপ। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (UNEP) বৈশ্বিক প্রচারণার মূল বার্তা ছিল “Now For Climate” (এখনই জলবায়ুর জন্য)।

গতকাল মঙ্গলবার ১৬ জুন; সকাল ১০টায় সাপাহার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পরিবেশ সচেতনতার এই আয়োজন শুরু হয়। স্কুলের শতাধিক শিক্ষার্থী, পরিবেশ ক্লাবের সদস্য, শিক্ষক, স্থানীয় প্রতিনিধি ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এতে অংশ নেন।

সকালেই বের হয় একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি। হাতে পরিবেশ রক্ষার বার্তাসংবলিত প্ল্যাকার্ড, কণ্ঠে জলবায়ু সচেতনতার স্লোগান। সাপাহার উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‍্যালিটি আবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পথের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষেরাও আগ্রহ নিয়ে দেখেছেন ব্যতিক্রমী এই আয়োজন।

র‍্যালিশেষে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি উপজেলা স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, "২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি। আমাদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করতে পরিবেশবান্ধব জীবনধারা ও টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।" তিনি আরও বলেন, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলার উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে শুধু আলোচনা নয়, শিশুদের সম্পৃক্ত করতেও নেওয়া হয় বিশেষ উদ্যোগ। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশবিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১০ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়।

দিনের সবচেয়ে প্রতীকী আয়োজন ছিল “পুষ্পকানন” নামে একটি বাগানের উদ্বোধন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর বার্তা নিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফুল ও ফলজ গাছের চারা রোপণ করেন উপস্থিত অতিথি, শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

সভায় SMART প্রকল্পের সমন্বয়কারী মো. মোস্তফা কামাল বলেন, "প্রকৃতি থেকেই আমাদের অনুপ্রেরণা নিতে হবে। আমরা যদি প্রত্যেকে পরিবেশবান্ধব চর্চা গড়ে তুলি এবং অন্তত একটি করে গাছ লাগাই, তাহলে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়া সম্ভব হবে।"

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বড় কোনো যুদ্ধ হয়তো এক দিনে জেতা যায় না। কিন্তু সচেতনতার ছোট ছোট বীজ একদিন বড় পরিবর্তনের গাছ হয়ে উঠতে পারে। সাপাহারের এই আয়োজন যেন সেই আশার কথাই নতুন করে মনে করিয়ে দিল।

Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF

Microcredit Regulatory Authority

UN Environment Programme

UNDP Bangladesh

United Nations Development Programme in Bangladesh

Environmental Defense Fund

Global Environment Facility

Ministry of Environment, Forest and Climate Change, Bangladesh

পরিবেশ অধিদপ্তর-Department of Environment-DOE

www.ghashful-bd.org

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঘাসফুলের রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ।। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষতা ও সঠিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব আরোপ।।প্রাতিষ...
17/06/2026

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঘাসফুলের রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ।। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষতা ও সঠিক ঋণ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব আরোপ।।

প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি, সঠিক ঋণ ব্যবস্থাপনা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের আরও সক্ষম করে তুলতে ঘাসফুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়ার উদ্যোগে রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল মঙ্গলবার ১৬ জুন আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘাসফুলের উপ-পরিচালক জনাব জয়ন্ত কুমার বসু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতপুর জোনের জোনাল ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসেন, সংশ্লিষ্ট এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার মো. শরিফ আহমেদ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ এরিয়ার আওতাধীন ছয়টি শাখার শাখা ব্যবস্থাপক, শাখা হিসাবরক্ষক, সহকারী ও জুনিয়র কর্মকর্তারা।

প্রশিক্ষণের শুরুতে সভাপতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনায় বাজার জরিপের মাধ্যমে সঠিক আয়বর্ধক কার্যক্রম (IGA) যাচাই করে অগ্রসর ঋণ প্রদানের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গ্রাহকের বাস্তব প্রয়োজন, বাজারের চাহিদা এবং সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো বিবেচনায় নিয়ে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এছাড়াও ঘাসফুলের চলমান বিভিন্ন প্রকল্প ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজ নিজ ডায়েরির শেষ ১০ পৃষ্ঠায় প্রকল্পগুলোর মূল বিষয়বস্তু লিপিবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে প্রয়োজনের সময় সহজেই তথ্য ও নির্দেশনা অনুসরণ করা যায়।

অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, কাজের গুণগত মান উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Microcredit Regulatory Authority

Palli Karma-Sahayak Foundation - PKSF

www.ghashful-bd.org

Address

House # 62, Road # 3, Block # B, Chandgaon R/A, Chattogram
Chittagong
4212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghashful bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ghashful bd:

Share