মাওলানা আবদুল মতিন ফাউন্ডেশন

মাওলানা আবদুল মতিন ফাউন্ডেশন Non Proft Organigation

03/05/2026

✨ টেলিটকের বন্ধ সিম চালু করলেই পাচ্ছেন দারুন অফার!
✨ এই অফারটি পাচ্ছেন সীমিত সময়ের জন্য!
অফারের বিস্তারি: মাত্র ১৯ টাকায় ৯ জিবি + ১৯ মিনিট (মেয়াদ ৩০ দিন)। প্যাকেজটি উপভোগ করতে ডায়াল করুন *১১১*২০২৫ #
--মাত্র ৯৯ টাকায় ২৯ জিবি ইন্টারনেট + ৯৯ মিনিট (মেয়াদ ৩০ দিন)।প্যাকেজটি উপভোগ করতে ডায়াল করুন *১১১*৯৯ #
বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন https://www.teletalk.com.bd/bn/

03/05/2026

বিষয়টা প্রথম জেনেছিলাম শায়খ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরের (রাহিমাহুল্লাহ) লেকচারে। আফসোস করে বলছিলেন তার কাছে অনেকেই আসে একটা সমস্যা নিয়ে। স্বামী আসে স্ত্রীর প্রতি অভিযোগ নিয়ে৷ স্ত্রী আসে স্বামীর প্রতি অভিযোগ নিয়ে।

স্বামীর অভিযোগ, স্ত্রী চায় না সে বাবা মাকে টাকা দিক। স্বামীও তাই। ডাক্তার স্ত্রী। নিজের উপার্জন থেকে মা-বাবাকে দিতে চাইলে স্বামী আপত্তি করে।

শায়খ বলছিলেন, স্বামী যখন তার বাবা-মাকে টাকা দিতে চায় তখন আপনি বাধা দেন? আপনার স্বামীর রিযিক ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তার আয়ু কমে যাবে। ক্ষতিটা আপনার।

আত্মীয়তার হক্ব নষ্ট করলে তা সরাসরি রিযিকে প্রভাব ফেলে। ভাইয়েরা বোনদের ন্যায্য সম্পত্তি দেয় না। খোঁজ নিয়ে দেখেন, বোনের দিন হয়তো দিব্যি কেটে যাচ্ছে। কিন্তু অনেক সম্পদের মধ্যে থেকেও ভাইয়ের রিযিকে বরকত নেই।
আপনি স্ত্রী। স্বামী যখনই বাবা মাকে টাকা দিতে চায় তখনই আপনার মনে পড়ে ঘরের জরুরী কিছু কেনা বাকি। কাজের লোকটাকে কয়েক মাসের এডভান্স দিলে তার উপকার হয়। তাকে হাতে রাখা দরকার। অথচ কাজের লোক আপনার আত্মীয় নন। স্বামীর সবচেয়ে কাছের মানুষদের জন্য বরাদ্দ অর্থ তাকে দিতে চাচ্ছেন। আপনার রিযিকে বরকত থাকবে না।
আপনি শাশুড়ি। ছেলে যখন বৌমার পেছনে প্রয়োজনীয় খরচ করতে চাইছে, তখন আপনার মনে পড়ে গেছে আপনার মেয়েটার জন্য কিছু কেনাকাটা দরকার। এবং সেই খরচ দিবে আপনার ছেলে, অতি অবশ্যই বৌমাকে বঞ্চিত করে। রিযিকে বরকত থাকবে না। আপনার ছেলের উপর আপনার বৌমার হক্ব আগে।
আপনি স্বামী। আপনার স্ত্রী তার উপার্জনের টাকাটা নিজের বাবা-মাকে দিচ্ছে, তা আপনার পছন্দ না। অথচ কোনো মেয়ের যদি ইনকাম থাকে আর বাবা-মা অভাবী হয়, তাহলে মেয়েটার দায়িত্ব তার বাবা-মায়ের অভাব পূরণ করা। আপনার টাকা থেকে না, নিজের টাকা থেকেই সে দিতে চাইছে। আপনি বাধা দিচ্ছেন। রিযিকে বরকত থাকবে না।
কেউ কাউকে বঞ্চিত করে হাতে দুটো টাকা বেশি রাখতে পারবে। কিন্তু বরকত হবে না। লিখে রাখেন, বরকত হবে না।

লেখিকা: আফিফা আবেদীন সাওদা (আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন)
শেয়ার করুন আপনজনদের সাথে 🌻

#তালিমুন_নিসা

Check Mate Solutions by Biva
An online Marriage Media

18/04/2026

ভুলভাল নিয়্যাতে টাকা-সম্পদ জমানোর মতো ভয়ংকর ভুল করবেন না।

আমার আত্মীয়া আছেন একজন। খুব কাছের। ওনার স্বামী দেশের বাইরে ছিলেন একসময়। আল্লাহ ওনাকে দু-হাত ভরে দিয়েছেন। স্বামী ওনার জন্য প্রচুর টাকা,জিনিসপত্র পাঠাতেন সেই সময়। আমার আত্মীয়া কোনো জরুরতেও টাকা খরচ করতেন না। জমিয়ে রাখতেন। কেন জমাতেন জানেন?

একসময় বিপদে জমানো টাকা কাজে আসে তাই! স্বামী নাকি ভবিষ্যতে টাকা না-ও দিতে পারেন, ইনকাম না-ও করতে পারেন,তাই তিনি প্রয়োজনীয় চাহিদাও মেটাতেন না। দান-খয়রাত তো বহুত দূর!

আল্লাহ তো নিয়্যাত অনুযায়ী মানুষকে প্রতিদান দেন। সত্যি সত্যি ওনার স্বামী দেশে ফিরে এলেন। যা কাজ করেন,তাতেই লস। তারচে বড় ব্যাপার ওনি(আমার আত্মীয়া) এই বয়সেও মারাত্মক রোগে আক্রান্ত(বয়স ৩৫+)। ওনার স্বামী আর খরচও দেন না। স্ত্রীর অসুস্থতার পরোয়া করেন না। ঠিক যেই নিয়্যাতে টাকা জমাতেন,সেই উপায়ে টাকা খরচের পথ আল্লাহ উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

নিয়্যাত অনেক বড় ব্যাপার বলবো না। বরং বলবো,নিয়্যাতই সব। নিয়্যাতই মূল। কখনোই ভবিষ্যতের রোগ-বালাই,বিপদের চিন্তা করে টাকা,সম্পদ জমিয়ে জমিয়ে রাখবেন ন৷ একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য খরচ করবেন সঠিক খাতে। একমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য দান-সদকাহ্ করবেন। বায়তুল্লাহ সফরের নিয়্যাতে,সদকাহ্ করার নিয়্যাতে সম্পদ জমাবেন। মানুষকে কর্যে হাসানা দেওয়ার নিয়্যাতে টাকা জমাবেন। ব্যবসার জন্য টাকা জমাবেন,তাও নিয়্যাত রাখবেন যে ব্যবসার লাভে আপনি আল্লাহর জন্য কিছু করবেন।

আপনাকে ভবিষ্যতের কষ্ট নিয়ে ভাবতে হবে না। আল্লাহ আছে না তাঁর বান্দার জন্য? আল্লাহ কি কখনোই তাঁর বান্দাকে একা ফেলে রাখেন? তিনিই আমাদের রব্ব। আমাদের ভালো, খারাপ সমস্ত কিছু তাঁরই পক্ষ থেকে আসে। তিনিই ভালোটা দেন,খারাপটা দূর করেন। ভবিষ্যতের ভয় দেখায় তো শায়ত্বান!

সবকিছু যখন এক আল্লাহর জন্য হয়ে যায়, তখন তাতে রহমত ও বরকতের বৃষ্টি নামে। দুনিয়া ও আখিরাত সমৃদ্ধ হয়ে উঠে।

01/04/2026

সহশিক্ষা ছেড়ে দিয়ে দুনিয়ায় যদি তার প্রতিদান পেতে চান তবে আপনি হতাশ হবেনই। আল্লাহর জন্য ছেড়েছি কারণ এটা আল্লাহর আদেশ হারামে থাকা যাবেনা। আমি শুধু বান্দা হিসেবে আমার প্রতিপালকের হুকুম পালন করেছি। এখন আমার সুমহান রব্বুল আলামীন খুশি হয়ে আমাকে যদি আমার অতীত গুনাহসমূহ মাফ করে দেন তবে সেটা আমার রবের দয়া।
একটা কিতাব পড়তে গিয়ে সেদিন এই লেখাটা পেয়েছিলাম যে-
আল্লাহ বলেন, “তো তুমি যদি আমার ইচ্ছা ও চাহিদার কাছে আত্মসমর্পণ কর, তাহলে আমি তা করব যা তুমি চাইবে।”
আপনার ইবাদতের রুটিন ;
-সবসময় ওজুরত অবস্থায় থাকবেন
-পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আউয়াল ওয়াক্তে আদায় করবেন, দীর্ঘ করে সিজদাহ্ দিবেন।
-জিকিরের হালতে থাকবেন। সর্বাস্থায় জিকির করবেন। রুটিন করে নিবেন তাহাজ্জুদ থেকে রাতের ঘুমানোর আগ পর্যন্ত কখন কোন জিকির করবেন।
-দৈনিক চার বা পাঁচ পারা কুরআন তিলাওয়াত করবেন। বিশেষ করে সূরা বাকারা সম্পূর্ণ তিলাওয়াত করবেন, কমপক্ষে এক পারা কুরআন অর্থ বুঝে তিলাওয়াত করবেন
-এক দুই আয়াত করে হিফয করা
- তাহাজ্জুদ ও অন্যান্য নফল সালাত পড়বেন।
- সকাল সন্ধ্যার মাসনুন দু'আ এবং কুরআনের কিছু আয়াত আছে সেগুলো তিলাওয়াত করবেন।
- মিসওয়াক করবেন নিয়মিত
- কুরআন তিলাওয়াত করে পানিতে, অলিব ওয়েল তেলে ফুক দিয়ে রাখবেন, কালোজিরা মধুতেও দিতে পারেন। সেগুলো মিক্সড করে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।
- তারপর আপনার দুনিয়াবি কোনো কাজ থাকলে করবেন৷
-মোবাইল থেকে নিজেকে দূরে রাখবেন যতটা সম্ভব। আর অধিক কথা বলা পরিহার করবেন। যত কম কথা তত গুনাহ কম হয়।
- পরিবারে তালিম দিতে পারেন বা আপনি শায়েখদের লেকচার শুনতে পারেন, বই পড়তে পারেন এটা অবসর সময়ের কাজ৷
-দু'আয় লেগে থাকা৷
-দ্বীনি শিক্ষায় লেগে থাকুন
- আল্লাহর আনুগত্যশীল বান্দা হতে হবে। সর্বাস্থায় আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকা৷ কারণ মুমিনের হৃদয় স্থির থাকে। সে কিছু পেয়ে গেলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পরেনা বরং শুকরিয়া আদায় করে এবং কিছু হারিয়ে গেলে হাহুতাশ করেনা বরং সবরধারণ করে।
তারপর বলুন এই কাজগুলো করলে আপনার ব্রেনে হতাশা ঢুকার মতো কোনো ফাঁকফুকর আছে? আমল বললে শেষ নেই। তবে যতটুকু করবেন সেটা যেন নিয়মিত হয়।
~শ্যামলতা

১০০ টি হৃদয় নিঙ্গড়ানো দোয়া 🤲১. হে আল্লাহ, আমার মৃত্যু যেন শাহাদাতের (কালিমা শাহাদাত পাঠরত অবস্থায়) সাথে হয়।২. হে আল্লাহ,...
15/03/2026

১০০ টি হৃদয় নিঙ্গড়ানো দোয়া 🤲

১. হে আল্লাহ, আমার মৃত্যু যেন শাহাদাতের (কালিমা শাহাদাত পাঠরত অবস্থায়) সাথে হয়।
২. হে আল্লাহ, মদিনায় আমার মৃত্যু দান করুন এবং মৃত্যুর সময় আমার মুখে কালিমা জারি রাখুন।
৩. হে আল্লাহ, আমার কবরকে প্রশস্ত ও নূর (আলো) দিয়ে পূর্ণ করে দিন।
৪. হে আল্লাহ, আমার আমলনামা 'ইল্লিয়িন'-এ সংরক্ষণ করুন।
৫. হে আল্লাহ, কবরের সওয়াল-জওয়াব আমার জন্য সহজ করে দিন।
৬. হে আল্লাহ, ইবাদতরত অবস্থায় আমাকে মৃত্যু দান করুন এবং সেই অবস্থাতেই হাশরে আমাকে উঠান।
৭. হে আল্লাহ, কিয়ামত দিবসের ভয়, দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক থেকে আমাকে মুক্ত রাখুন।
৮. হে আল্লাহ, আমার আমলনামা আমার ডান হাতে দান করুন।
৯. হে আল্লাহ, আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা খুশিতে তাদের আমলনামা অন্যদের দেখাবে।
১০. হে আল্লাহ, আমাকে মিজানের পাল্লায় (নেক আমলের ওজনে) সফলতা দান করুন।
১১. হে আল্লাহ, আমাকে বিদ্যুতের গতিতে পুলসিরাত পার করিয়ে দিন।
১২. হে আল্লাহ, আমার নেক আমলগুলো যেন অন্যদের দিয়ে দিতে না হয়, সে তৌফিক দিন।
১৩. হে আল্লাহ, জান্নাতে আমার পরিবারের সাথে আমাকে পুনর্মিলিত করুন।
১৪. হে আল্লাহ, হাশরের দিন সবার সামনে আমার দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করবেন না।
১৫. হে আল্লাহ, আমার যে গুনাহগুলো মনে নেই এবং যেগুলো আমি গুনাহ মনে করি না, সেগুলোও ক্ষমা করে দিন।
১৬. হে আল্লাহ, আমাকে একটি 'ক্বলবে সালিম' (প্রশান্ত ও সুস্থ অন্তর) দান করুন।
১৭. হে আল্লাহ, আমার অন্তরকে বিদ্বেষ, হিংসা, ঘৃণা, আত্ম-অহংকার, লোক দেখানো মনোভাব এবং পরশ্রীকাতরতা থেকে পবিত্র করুন।
১৮. হে আল্লাহ, আমাকে অন্যদের ক্ষমা করার তৌফিক দিন এবং অন্যদের আমার প্রতি ক্ষমাশীল করে দিন।
১৯. হে আল্লাহ, আমার কথায় নম্রতা দিন এবং আমার জিহ্বাকে মিথ্যা, গীবত ও অন্যকে আঘাত করা থেকে রক্ষা করুন।
২০. হে আল্লাহ, আমাকে 'সবরে জামিল' (উত্তম ধৈর্য) দান করুন।
২১. হে আল্লাহ, আমাকে সঠিক আকিদা, ভালো স্মৃতিশক্তি এবং দলিলের সাথে দ্বীনের বুঝ দান করুন।
২২. হে আল্লাহ, আমার পিতা-মাতাকে বরকত দিন, তাদের ক্ষমা করুন, সুস্থতা দান করুন এবং আমাকে তাদের জন্য 'সদকায়ে জারিয়া' হিসেবে কবুল করুন।
২৩. হে আল্লাহ, আমার ভাই-বোনদের ও তাদের বিবাহিত জীবনে বরকত দিন। আমাদের ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ রাখুন। শয়তানকে আমাদের সম্পর্ক নষ্ট করতে দেবেন না।
২৪. হে আল্লাহ, অবিবাহিত মুসলিমদের চোখের শীতলকারী জীবনসঙ্গী দান করুন।
২৫. হে আল্লাহ, আমাদের নেক সন্তান দান করুন এবং তাদের আমাদের জন্য 'সদকায়ে জারিয়া' বানিয়ে দিন।
২৬. হে আল্লাহ, আমাকে আরবি ভাষা বুঝতে, লিখতে এবং বলতে সাহায্য করুন।
২৭. হে আল্লাহ, আত্মীয়দের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আমাকে সাহায্য করুন।
২৮. হে আল্লাহ, আমাকে নিজের দোষ দেখার তৌফিক দিন এবং অন্যদের কাছে তা গোপন রাখুন।
২৯. হে আল্লাহ, আমাকে সম্পদ দান করুন যাতে তা আপনার পথে ব্যয় করতে পারি।
৩০. হে আল্লাহ, আমাদের উপার্জনে বরকত দান করুন।
৩১. হে আল্লাহ, আমাকে অন্যদের দ্বারা অপমানিত, নির্যাতিত, উপহাস বা শোষিত হওয়া থেকে রক্ষা করুন।
৩২. হে আল্লাহ, আমাকে সাহসী হতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করুন।
৩৩. হে আল্লাহ, গায়রে-মাহরামদের সামনে আমার পোশাকে ও কথাবার্তায় শালীনতা ও পর্দা বজায় রাখার তৌফিক দিন।
৩৪. হে আল্লাহ, আমাকে বিনয়ের সাথে একটি সুন্দর স্মৃতি (লিগ্যাসি) রেখে যাওয়ার তৌফিক দিন।
৩৫. হে আল্লাহ, মুসলিম উম্মাহর জীবিত ও মৃত সবাইকে ক্ষমা করুন। মুসলিমদের বরকত দিন। মজলুমদের বিজয় দান করুন এবং তাদের অন্তরকে ঈমান দিয়ে ভরে দিন।
৩৬. হে আল্লাহ, আমার আমলগুলো কবুল করুন।
৩৭. হে আল্লাহ, আমার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিন।
৩৮. হে আল্লাহ! হে রহমান, হে রহিম, হে কারিম, হে সাত্তার, হে গাফফার, হে কাদির, হে সামি, হে আলিম, হে জুলজালালি ওয়াল ইকরাম—আপনার রহমতের উসিলায় আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
৩৯. হে আল্লাহ, আমি অনুতপ্ত হয়ে আপনার কাছে ফিরে আসছি, আপনার কাছে আত্মসমর্পণ করছি। আমি ভিক্ষা চাইছি, দয়া করে আমার দোয়াগুলো কবুল করুন।
৪০. হে আল্লাহ, আমার পাপগুলো এমনভাবে ক্ষমা করুন যেন তার কোনো চিহ্নই অবশিষ্ট না থাকে।
৪১. হে আল্লাহ, আপনার আদেশের লঙ্ঘন এবং মানুষের হক নষ্ট করার অপরাধগুলো ক্ষমা করে দিন।
৪২. হে আল্লাহ, আমার নিজের দুর্বলতাগুলোর ওপর আমাকে জয়ী করুন।
৪৩. হে আল্লাহ, আমাকে সংশোধন করুন এবং উন্নত করুন।
৪৪. হে আল্লাহ, আমার দোয়া, ইবাদত এবং আমলগুলো কবুল করুন।
৪৫. হে আল্লাহ, আমাকে একনিষ্ঠভাবে শুধু আপনার সন্তুষ্টির জন্য নেক আমল করার তৌফিক দিন।
৪৬. হে আল্লাহ, আমার ইবাদতে খুশু (মনোযোগ) ও ইখলাস (একনিষ্ঠতা) অর্জনে সাহায্য করুন।
৪৭. হে আল্লাহ, আমার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আমাকে আপনার আরও নিকটবর্তী করে দিন।
৪৮. হে আল্লাহ, আমাকে আপনার প্রতি, আপনার রাসুল (সা.)-এর প্রতি, আপনার দ্বীন ও কুরআনের প্রতি সেরকম ভালোবাসা দান করুন যেমনটা তাদের প্রাপ্য।
৪৯. হে আল্লাহ, আমার ঈমান, তাওয়াক্কুল (ভরসা) এবং আপনার প্রতি ইয়াকিন (বিশ্বাস) বাড়িয়ে দিন।
৫০. হে আল্লাহ, আমার তাকওয়া বাড়িয়ে দিন এবং আমাকে আপনার কৃতজ্ঞ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন।
৫১. হে আল্লাহ, আমাকে সব পরীক্ষায় অটল ও দৃঢ় থাকার শক্তি দিন।
৫২. হে আল্লাহ, আমাকে নরম দিল দান করুন এবং আপনার বিধানে সন্তুষ্ট থাকার তৌফিক দিন।
৫৩. হে আল্লাহ, কুরআনকে উভয় জগতে আমার সঙ্গী বানিয়ে দিন।
৫৪. হে আল্লাহ, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আমাকে সিরাতুল মুস্তাকিমের ওপর পরিচালিত করুন এবং শিরক, কুফর ও বিদআত থেকে রক্ষা করুন।
৫৫. হে আল্লাহ, আমাকে মুহসিনীন, মুত্তাকীন, মুখলিসীন এবং সাবিকুনদের (জ্ঞানে অগ্রগামী) অন্তর্ভুক্ত করুন।
৫৬. হে আল্লাহ, আমার উপকারী জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।
৫৭. হে আল্লাহ, আমাকে অন্তরের রোগ (হিংসা, অহংকার, গর্ব, লোক দেখানো মনোভাব) থেকে রক্ষা করুন।
৫৮. হে আল্লাহ, আমাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সুখ দান করুন এবং দুঃখ ও বিষণ্নতা থেকে রক্ষা করুন।
৫৯. হে আল্লাহ, সারা জীবন আমাকে আত্মশুদ্ধি (তাজকিয়া) করার তৌফিক দান করুন।
৬০. হে আল্লাহ, আমার অন্তর থেকে দুনিয়ার প্রতি মোহ ও আসক্তি দূর করে দিন।
৬১. হে আল্লাহ, আপনার ইবাদতের জন্য আমাকে আপনার ঘরে (হজ্জ/ওমরায়) আমন্ত্রণ জানান।
৬২. হে আল্লাহ, আমাকে উত্তম সমাপ্তি (হুসনে খাতিমা) দান করুন এবং আপনার সাথে সাক্ষাতের ভালোবাসাকে আমার অন্তরে গেঁথে দিন।
৬৩. হে আল্লাহ, আমার কবর এবং বারজাখ জীবনকে শান্তিময় ও শীতল করুন।
৬৪. হে আল্লাহ, কিয়ামতের দিন আমাকে আপনার আরশের ছায়া দান করুন।
৬৫. হে আল্লাহ, আমার আমলনামা ডান হাতে দিন এবং নেক আমলের পাল্লা ভারী করে দিন।
৬৬. হে আল্লাহ, আমাদের প্রিয় নবী (সা.)-এর হাতে আমাকে হাউজে কাউসারের পানি পান করার সৌভাগ্য দান করুন।
৬৭. হে আল্লাহ, পুলসিরাত এবং কান্তারা (জান্নাতের আগের সেতু) পার হওয়া আমার জন্য সহজ করে দিন।
৬৮. হে আল্লাহ, পরকালে আপনার দিদার (দর্শন) লাভের চূড়ান্ত সুখ আমাকে দান করুন।
৬৯. হে আল্লাহ, যতদিন আমরা বেঁচে থাকি, আমার ও আমার জীবনসঙ্গীর মাঝে ভালোবাসা, দয়া ও বরকত বৃদ্ধি করুন ও রক্ষা করুন।
৭০. হে আল্লাহ, আমাদের একে অপরের প্রতি আচরণ সুন্দর করে দিন।
৭১. হে আল্লাহ, আমার পরিবারের জন্য আমার জীবনসঙ্গী যে চেষ্টা করেন, তার জন্য তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।
৭২. হে আল্লাহ, কুরআন এবং আপনার আদেশকে আমাদের সব বিষয়ের ফয়সালাকারী বানিয়ে দিন।
৭৩. হে আল্লাহ, আমাদের একসাথে দ্বীন পালনের শক্তি বাড়িয়ে দিন।
৭৪. হে আল্লাহ, আমাদের জান্নাতুল ফেরদৌসে একসাথে মিলিত করুন।
৭৫. হে আল্লাহ, আমাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি দিন যাতে আমরা ভালো বাবা-মা হতে পারি এবং সন্তানদের জন্য ভালো উদাহরণ হতে পারি।
৭৬. হে আল্লাহ, আমাদের সন্তানদের জীবনে আমাদের ভুলের প্রভাব পড়া থেকে তাদের রক্ষা করুন।
৭৭. হে আল্লাহ, আমাদের নেক সন্তান দান করুন।
৭৮. হে আল্লাহ, আমাদের সন্তানদের আমাদের চোখের শীতলতা বানান এবং আমার ও আমার সঙ্গীর জন্য 'সদকায়ে জারিয়া' বানান।
৭৯. হে আল্লাহ, তাদের এমন বানান যারা নামাজ কায়েম করে এবং শুধু আপনাকেই সিজদা করে।
৮০. হে আল্লাহ, আমার পরিবারকে সব ধরনের অনিষ্ট, বিপদ, হিংসুক এবং মানুষ ও জিনের শয়তানি থেকে রক্ষা করুন।
৮১. হে আল্লাহ, আমাদের সন্তানদের সব ধরনের ক্ষতি, অসুস্থতা, অবিশ্বাস, হারাম কাজ এবং ধ্বংস থেকে রক্ষা করুন।
৮২. হে আল্লাহ, আমাদের সন্তানদের দ্বীন, দুনিয়া এবং আখেরাতে সফলতা দান করুন। কেয়ামত পর্যন্ত আমাদের বংশধরদের নেককার হিসেবে কবুল করুন।
৮৩. হে আল্লাহ, আমাদের পুরো বংশধরকে জান্নাতুল ফেরদৌসে একত্রিত করুন।
৮৪. হে আল্লাহ, আমাদের সন্তানদের আপনার দ্বীনের খাদেম, হাফেজ, দায়ী, ইমাম, আলেম এবং শহীদ হিসেবে কবুল করুন।
৮৫. হে আল্লাহ, তাদের এমন বানান যেন তারা আমাদের জান্নাতে যাওয়ার এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হয়।
৮৬. হে আল্লাহ, আমাকে এবং আমার পুরো পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করুন এবং বিনা হিসাবে জান্নাতুল ফেরদৌসে প্রবেশ করান।
৮৭. হে আল্লাহ, আপনি তো আল-গাফফার (মহা ক্ষমাশীল), আমার পিতা-মাতাকে ক্ষমা করে দিন।
৮৮. হে আল্লাহ, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।
৮৯. হে আল্লাহ, তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।
৯০. হে আল্লাহ, বৃদ্ধ বয়সে আমাকে তাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন।
৯১. হে আল্লাহ, আমার ভাই-বোনদের দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা দান করুন।
৯২. হে আল্লাহ, আমার পিতা-মাতা, শ্বশুর-শাশুড়ি, ভাই-বোন, মুরুব্বি এবং সমগ্র উম্মাহর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন।
৯৩. হে আল্লাহ, তাদের বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও কষ্ট থেকে রক্ষা করুন।
৯৪. হে আল্লাহ, আমার পরিবার ও উম্মাহর মধ্যে যারা মারা গেছেন, ছোট বা বড়, তাদের গুনাহ মাফ করে দিন।
৯৫. হে আল্লাহ, আপনার সাথে সাক্ষাতের আগ পর্যন্ত তাদের বারজাখের জীবন শান্তিময় করে দিন।
৯৬. হে আল্লাহ, আমাদের দাজ্জাল, ইয়াজুজ ও মাজুজ এবং শেষ দিবসের ফিতনা থেকে রক্ষা করুন।
৯৭. হে আল্লাহ, আমার যে বন্ধু ও আত্মীয়রা সন্তানের অপেক্ষায় আছে, তাদের নেক সন্তান দান করুন।
৯৮. হে আল্লাহ, আমার জাগতিক সাথী যারা আপনার জন্য কাজ করে, তাদের অন্তরের মিল বাড়িয়ে দিন এবং আমাদের ভ্রাতৃত্ব মজবুত করুন।
৯৯. হে আল্লাহ, যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় আমার ভাই-বোনদের রক্ষা করুন এবং তাদের নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যা ও অপমান থেকে বাঁচান।
১০০. হে আল্লাহ, যারা জালেম (আধুনিক যুগের ফেরাউন) ও অত্যাচারী, তাদের পতন ত্বরান্বিত করুন এবং যারা বঞ্চিত, বোঝাগ্রস্ত, নির্যাতিত ও ঋণী, তাদের স্বস্তি দান করুন।

আল্লাহ যেনো আমাদের এই দোয়া গুলো কবুল করে নেনে, আমিন 🤲

06/03/2026

রমাদানের এই পবিত্র দিনগুলোয় আপনার সন্তানদের জন্য দুআ করুন এবং এটি অন্য বাবা-মাদের কাছে পৌঁছে দিন যেন তারাও তাদের সন্তানদের জন্য দুআ করতে পারেন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! আমি আপনাকে আপনার পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত নাম 'সামাদ', দিয়ে ডাকছি, হে আমার কারিম রাব্ব, আমার কল্যাণকর রক্ষাকারী, আমাকে একটি বিশেষ অনুগ্রহ করুন, একটি আহসান করুন, আমার বাচ্চাদের সাথে সম্পর্কিত সমস্ত বিষয়কে সংশোধন করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! তাদের জীবনে, তাদের স্বাস্থ্য এবং ধন-সম্পদে এবং তারা নিজ সম্মতিতে আপনার প্রতি যে আনুগত্য প্রকাশ করে তাতে বারাকাহ এবং আ’ফিয়াহ দান করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! তাদের দুর্বলতা এবং অসুস্থতাকে শক্তিতে রূপান্তর করুন এবং ওয়াসওয়াসা থেকে তাদের রক্ষা করুন ... তাদের দেহ, কান ও চোখ, প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এবং পেশীগুলিকে আ’ফিয়াহ, সম্পূর্ণ সুরক্ষা এবং বারাকাহ দান করুন।

🤲 এবং আপনার রহমতের সাথে, তাদেরকে সমস্ত বিপর্যয়, পাপ, বিভ্রান্তি ও ত্রুটি থেকে রক্ষা করুন। হে আল্লাহ! তাদেরকে আপনার আনুগত্যকারী করুন, তাদেরকে আপনার বাধ্যগত করুন, তাদেরকে আপনার বাধ্যগত করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে ধর্মপরায়ণ, শ্রদ্ধাশীল এবং ভাল আচরণের সাথে গড়ে তুলতে আমাকে সহায়তা করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! তারা যেন দুনিয়া এবং আখিরাতে আমার জন্য খাইর এবং মঙ্গলের উৎস হতে পারে সেই তৌফিক দান করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! আমি আমার সন্তানদের আপনার সুরক্ষা, আপনার আস্থা এবং আমানতে তুলে দিচ্ছি।

🤲 তাদেরকে প্রতিটি বিপর্যয়, প্রতিটি মন্দ রোগ থেকে রক্ষা করুন।

🤲 ইয়া রব! আমার সন্তানদেরকে উত্তম চক্ষুশীতলকারী জীবনসঙ্গী দান করো, দান কর অঢেল বারাকাহর সাথে, কল্যানের সাথে, সহজতার সাথে।

🤲 ইয়া আল্লাহ! তাদের সামনে থেকে, পিছন থেকে, ডান থেকে এবং বাম থেকে এবং উপরে এবং নীচে থেকে সুরক্ষিত করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! আমার সন্তানদের হৃদয়ে আপনার প্রতি ভালবাসা দিন এবং আমার বাচ্চাদের আপনার এবং আপনার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাধ্যগত করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! আপনার সকল বান্দাদের অন্তরে আমার সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা রাখুন। যেন তাদের হৃদয় সর্বদা আমার সন্তানের সমর্থনে থাকে।

🤲 ইয়া আল্লাহ! আমার বাচ্চাদের দ্বীনী জ্ঞান প্রদান করুন যা তাদের এই দুনিয়া এবং আখিরাতে উপকৃত করবে।

🤲 ইয়া আল্লাহ! আমার সন্তানদের দুনিয়া এবং আখিরাতে সাফল্য এবং একটি উচ্চ মাকাম দান করুন।

🤲 ইয়া আল্লাহ! তাদেরকে মুত্তাকী, সর্বাধিক আল্লাহ্‌ সচেতন, সর্বাধিক উদার, সর্বাধিক দানশীল, সর্বাধিক সম্মানিত, সবচেয়ে জ্ঞানী ও সর্বাধিক আন্তরিক পরামর্শদাতা হতে সক্ষম করুন।

আমীন, ইয়া রাব্বুল আ’লামীন!!
সংগৃহীত

04/03/2026

ডাক্তার নিশ্চিত করলেন, রোগী ক্যান্সারে আক্রান্ত। স্টেজ ৩। পাকস্থলির ক্যান্সার। সিম্পটম কী ছিল? এক সপ্তাহ ধরে পেটের ভেতর জ্বালাপোড়া। আর কিছু না। এই এক সপ্তাহ আগেও তিনি সুস্থ একজন মানুষ। মাঝে মাঝে টুকটাক গ্যাস্ট্রিকের প্রবলেম ছাড়া আর কোন সমস্যা নেই, কোন লক্ষন নেই।
আরেক ব্যবসায়ী। ছয় তালা বাড়ির কাজ ধরেছেন। দোতালা হওয়ার পর তার ব্যবসায়িক জাহাজটি ডুবে যাওয়ার খবর আসে। এত অধিক পরিমানে লস হয়, বাড়ি করা তো দুরের কথা, ভাড়া বাসায় থাকার মত অবস্থা তার এই মুহুর্তে নেই। পাওনাদাররা তাকে খুজছে। তিনি আত্মগোপনে।
——————
আজকে আমরা যে অনেকটা ভালো অবস্থায় স্বাভাবিক জীবন যাপন করছি, তিন বেলা খেতে পারি, রাতে বিছানায় ঘুমাতে পারি, সকালে উঠে কাজে যেতে পারি — এগুলো সব যে কোনো মুহূর্তে ভেঙ্গে গুড়িয়ে যেতে পারে। সম্মান সুস্থতা প্রভাব প্রতিপত্তি- যা দিয়ে মানুষ অহংকার করে, ধুলিস্যাত হয়ে যেতে পারে মুহুর্তেই।
আমাদের প্রতিপালক যদি আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে দয়া করে আমাদের অনুকূলে নিয়ন্ত্রণ না করেন, তাহলে একটি দিনও স্বাভাবিকভাবে পার করা সম্ভব না। তিনি যদি বিপদে ফেলতে চান, যতই সুরক্ষা ব্যবস্থা আপনি গ্রহন করেন না কেন, নিস্তার পাওয়া যাবে না কোনভাবেই। তাই একজন প্রকৃত ঈমানদারকে এ সমস্ত নিয়ামতগুলো কখনোই অহংকারে লিপ্ত করে না। বরং তাকে করে আরও নত, বিনম্র।
রাসুল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর শেখানো সুন্দর একটি দুআ, যা মুলত এরকম আকস্মিক পরিক্ষা ও বিপদ থেকে হিফাযতের উদ্দেশ্যে পড়া হয়। মুখস্থ করে নিতে পারেন।
‎اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ
উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন যাওয়ালি নি’মাতিকা, ওয়া তাহাওউলি আফিয়াতিকা, ওয়া ফুজাআতি নিক্বমাতিকা, ওয়া জামিয়ি সাখাত্বিকা।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নেয়ামত দূর হয়ে যাওয়া থেকে, তোমার দেয়া সুস্থতা পরিবর্তন হয়ে যাওয়া থেকে। আশ্রয় চাই তোমার কাছ থেকে হঠাৎ আসা শাস্তি থেকে। তোমার সব ধরণের অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাই, ইয়া আল্লাহ। (সহিহ মুসলিম)

07/02/2026

আপনি দুআ করলেন,"ইয়া আল্লাহ, এই বছরেই আমার বিয়ে দাও।" আল্লাহ আপনার ডাকে সাড়া দিলেন, তবে বিয়ের ব্যবস্থা করলেন না। বিনিময়ে এই বছরের বড় বড় রোগগুলো আপনার তাকদির থেকে মুছে দিলেন। যে রোগগুলো নিয়ে বিয়ে হলে হয়তো আপনার জীবন ন"রক হতো৷

আপনি দুআ করলেন, "ইয়া আল্লাহ, আমাকে সন্তান দাও।" আল্লাহ আপনার ডাকে সাড়া দিলেন,কিন্তু সন্তান দিলেন না। হয়তোবা এখন আপনি সন্তান পালনে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। বা ওই সন্তান আপাতত আপনার কল্যাণে আসতো না। বিনিময়ে, আল্লাহ আপনার উপর মা-বাবার ছায়াকে দীর্ঘ করলেন৷

আপনি দুআ করলেন,"ইয়া রাজ্জাক, আমার রিজিকে বারাকাহ্ দাও। ইনকাম বাড়িয়ে দাও।" আল্লাহ আপনার ডাকে সাড়া দিলেন, কিন্তু ইনকাম বাড়লো না। হয়তোবা, যেটুকু ইনকাম বাড়ার দুআ করেছিলেন, ওটুকু আপনার কোনো অসুস্থতায় খরচ হতো। কিন্তু আল্লাহ ইনকাম না বাড়িয়ে আপনাকে সুস্থতার জীবন দিলেন।

উপরের প্রতিটা কথা উদাহরণস্বরূপ বলেছি। আসলে,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বান্দার প্রতিটা দুআ কবুল করেন। বান্দার ডাকে সাড়া দেন। কুরআনে তিনি দুআ কবুলের ওয়াদা দিয়েছেন। ওয়াদা রক্ষার্থে আল্লাহর চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কে-ই বা আছে!

প্রতিটা দুআ কবুল হয়। কখনো কখনো আল্লাহ দুআর বিনিময়ে বান্দার চাওয়াটাই দিয়ে দেন। কখনো বা দুআর বিনিময়ে বান্দার এমন বিপদ দূর করে দেন,যা বান্দার চাওয়া জিনিসটার চেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিলো।

আল্লাহ আল-হাকিম। তিনি যা করেন,তা কখনোই উদ্দেশ্যহীন নয়৷ একমাত্র তিনিই জানেন,কোন জিনিস, কিভাবে বান্দাকে দিলে তা বান্দার জন্য কল্যাণ আনবে।

আমরা রব্বের গোলাম,অধম বান্দা। রব্বের উপর ভরসা রেখে তাঁর ইবাদাত করে যাওয়া এবং দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে তাঁর কাছে চেয়ে যাওয়াই আমাদের কাজ.!'🤍

Tahia_Islam

20/01/2026
19/01/2026

আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা, আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা। আমরা চাইতেও জানিনা, গাড়ি চাই, বাড়ি চাই,টাকা চাই অথচ সুন্দর ভাষায় দুনিয়া আর আখিরাতের কল্যাণ চাইলে কিন্তু সব cover হয়! সুন্দর একটা মোনাজাত সংগ্রহ করেছি আজকে। কথাগুলো বেশিরভাগই জানা,চেষ্টা করি এভাবেই আল্লাহপাকের কাছে চাইতে।ফেসবুক ওয়ালে দিয়ে দিলাম আমার মতন আরো অনেকেই যাতে শিখতে পারে।
"আলহামদুলিল্লাহ রব্বিল আলামিন ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা সায়্যিদিল মুরসালিন।
ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, ইয়া যাল যালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া মালিক, ইয়া খালিক, ইয়া রব।
রব্বুল আলামীন আপনার ঐ মহান নামের উছিলায় আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দিন।
আমাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দিন, আমাদের কে ঋনমুক্ত, অভাব মুক্ত, চিন্তা মুক্ত রাখুন মাবুদ। রব্বুল আলামীন আমাদের কে নেক হায়াত দান করুন, আমাদের পিতা মাতার মঙ্গল করুন।
যেসব আত্নীয় স্বজন কবরবাসি হয়েছে তাদের কবর গুলো আপনি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, তাদের কবরের আজাব মাফ করে দিন।
রব্বুল আলামীন আপনার তাওহীদ -
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর উছিলায়,আপনার হাবীব প্রিয় বন্ধু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হওয়ার উছিলায়
আমাদের মনের নেক ইচ্ছে গুলো কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লাহ।
রব্বুল আলামীন মা বাবার সন্তানদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন, প্রত্যেকটি পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন, আমাদের মানসিক দুশ্চিন্তা, দুঃখ কষ্ট দূর করে দিন।
আমি জানিনা কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন..আমি জানিনা কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ করবেন...আমি জানিনা কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত ভরে দিবেন আমি জানিনা কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া কবুল করবেন..কিন্তু আপনি তো আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন.,ইয়া রব! আপনি তো অন্তরটাই দেখেন এবং আপনিই তো বলেছেন,,তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো-তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করব।
আপনিই তো বলেছেন খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আপনি লজ্জা বোধ করেন।
আমি অযোগ্য আমার যোগ্যতার বাহিরে আপনি অনেক কিছুই দান করেছেন।
আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না..
আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উওম বান্দা আছে কিন্তু আমার আপনি ছাড়া কেউ নেই ইয়া রব!
আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো, চাওয়ার মতো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।
ইয়া রব! আমি দুর্বল আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না! আমি তার উপযুক্ত নই, আমার জন্য পরীক্ষা সহজ করে দিন।
আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন, আমার চাওয়া পূরণ করুন, ইয়া মালিক,
আমার খালি হাত আপনার রহমত দিয়ে পরিপূর্ণ করে দিন..
পড়া শেষ হলে একবার (আমিন)লিখুন ..!'🤍

Address

Atashpur, 03 No Noanni Union, Noakhali Sadar , Noakhali
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাওলানা আবদুল মতিন ফাউন্ডেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share