জাগৃতি

জাগৃতি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান।
রেজিঃ চি-৩৯৭/৭৩ইং, স্থাপিতঃ ৬ সেপ্টেম্বর'১৯৬৮ইং

যাঁদের কাছ থেকে সংগৃহীত ও সংরক্ষিত
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••
১) প্রয়াত এডভোকেট মোহাম্মদ মুসা। প্রতিষ্ঠাতা।
২) জনাব এডভোকেট মোঃ নুরুল আমিন। প্রতিষ্ঠাতা।
৩) বাবু গোবিন্দ প্রসাদ মহাজন। প্রতিষ্ঠাতা।
৪) জনাব, আহমদ ইউসুফ হারুন। প্রতিষ্ঠাতা।
৫) জনাব নূর মোহাম্মদ। প্রতিষ্ঠাতা।
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
অনুলিপিকরঃ গাজী জয়নাল চৌধুরী
••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••

•••••
১৯৬৮ র ৬ সেপ্টেম্বর রোজ শুক্রবার হাটহাজারী'র প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান জাগৃতি।

তৎকালীন আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে প্রতিষ্ঠাতারা মনে করেছেন। সমাজকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সমূহের ভূমিকা অপরিহার্য।

তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছিল অশিক্ষা-কুশিক্ষা দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির, বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা, সামাজিক পশ্চাৎপদতা, রাজনৈতিক হতাশাজনিত সন্ত্রাস, বেকারত্ব, যুব সমাজের অবক্ষয়, মাদকদ্রব্যের ব্যবহার ও সাম্প্রদায়িক গোঁড়ামি, সর্বোপরি কিছু আমলাদের স্বার্থন্বেষী মনোভাবের কারণে সৃষ্ট সমস্যায় জর্জরিত এই নড়বড়ে সমাজকে ভেঙ্গে নতুন সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সততা এবং আন্তরিকতায় যদি দেশ, মাটি ও মানুষের মঙ্গলে এগিয়ে আসেন। আমাদের দেশ ও একদিন বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মতো ধাপে ধাপে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছবে। এই সত্য উপলব্ধি কে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জাগৃতি।

১৯৬৮ র হাটহাজারী কলেজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জাগৃতির প্রতিষ্ঠাতারা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৬৯ এর পাকিস্তানি একনায়ক আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে জাগৃতির প্রতিষ্ঠাতারা অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

১৯৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭০ সালে জাগৃতির উদ্যোগে হাটহাজারীতে জাগৃতি ঠিক সামনে একটি শহীদ মিনার স্থাপিত হয়। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল হাটহাজারীতে পাকহানাদার হানা দেয় এবং সর্বপ্রথম তারা জাগৃতি নির্মিত শহীদ মিনার গুঁড়িয়ে দেয় এবং জাগৃতি কে পুড়ে ছাই করে দেয়।

১৯৭০ সালে জাগৃতি নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন থানা শিক্ষা অফিসার জনাব মোঃ ইব্রাহিম ও আ.ম.ম সাদেক সাহেবের অনুপ্রেরণায় বয়স্কদের ও শ্রমজীবীদের জন্য এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

তৎকালীন প্রতিষ্ঠাতারা এবং নতুন সদস্যরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

৭২ সালে এসে জাগৃতি কার্যালয় পুননির্মাণ করেন আমাদের পূর্বপুরুষেরা।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পরবর্তীকালে অর্থাৎ ১৯৭২ সালে জাগৃতি পুনর্গঠনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল শেখ মফজল আহমদ (প্রকাশ বি. এ. মফজল) সাহেবের। জাগৃতি ওনার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও ওনার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা সহ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।

বলাবাহুল্য জাগৃতি প্রতিষ্ঠার (১৯৬৮ খ্রিস্টাব্দ ৬ সেপ্টেম্বর) প্রথম কার্যনির্বাহী পরিষদের সভাপতি নিযুক্ত হন সভাপতি নিযুক্ত হন, ফটিকা গ্রামের জনাব সিরাজদৌলা চিশতি (বর্তমানে প্রয়াত) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন কাজী মফিজুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ ছিলেন ফরিদ আহমদ চৌধুরী(বর্তমানে প্রয়াত) যিনি জাগৃতির হিসাব-নিকাশ ইংরেজিতেই লিপিবদ্ধ করতেন। এ বিষয়ে জাগৃতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক দীপক দাশ গুপ্ত বলেন, উনি বাংলার চেয়ে ইংরেজিতে ভালো জ্ঞান রাখতেন।

এডভোকেট মুসা ভাই ১৯৯০-১৯৯১ সালে প্রকাশিত ২২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী স্মারক গ্রন্থ লিখেছেনঃ
"১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর দেশ হানাদার শত্রু মুক্ত হওয়ার পর আমরা সকলেই ফিরে আসি। তখন জাগৃতির শুন্য ভিটাতে কয়েকটি পোড়া বাঁশের খুঁটির অংশ ছাড়া আর কিছুই ছিল না।
১৯৭২ সালের প্রথম দিকে প্রবীণ জাগৃতি কর্মী শেখ মফজল আহমদ এর সভাপতিত্বে হাটহাজারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণি কক্ষে সবাই মিলিত হলেন। সবাই একযোগে জাগৃতি ঘর পুনঃনির্মাণের অঙ্গীকার করলেন।

তৎকালীন সার্কেল অফিসার (উন্নয়ন) মরহুম সৈয়দ ফজলে আলী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, ফজল আহমদ, সি.ও অফিসের কর্মচারী আলী হায়দার এবং তৎকালীন বন বিভাগের রেঞ্জার, কাঠ ব্যবসায়ী আবুল বশর সহ অন্যান্য শুভাকাঙ্খীদের সক্রিয় সহযোগিতা জাগৃতির বর্তমান (১৯৭২ সাল বেড়া এবং টিন দ্বারা নির্মিত) ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ছাউনির টিম সংগ্রহের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের থানা কমান্ডার এবং চাকসুর প্রাক্তন সহ-সভাপতি এস. এম ফজলুল হক সহযোগিতা করেন। তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান বাবু সত্যরঞ্জন মহাজন'ও কিছু টিন দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে তৎকালীন হাটহাজারী ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল হাই চৌধুরী, ভবানীপুরের আব্দুল হক এবং বাবু গোবিন্দ প্রসাদ মহাজন কিছু আসবাবপত্র প্রদান করেন।

১৯৭৩ সালে জাগৃতি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রেজিস্ট্রেশন এর জন্য সমাজ কল্যাণ বিভাগের দরখাস্ত জমা দেয়। কিন্তু দীর্ঘকাল ধরে তদন্তসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেও রেজিস্ট্রেশন পেতে বিলম্ব হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব এবি চৌধুরী জাগৃতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ফুটবল টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে এসে জানতে পারেন যে, জাগৃতির রেজিস্ট্রেশন নাই। তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সুপারিশ করে রেজিস্ট্রেশনের ব্যাপারে সহযোগিতা করেন। ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে 'জাগৃতি' সমাজ কল্যাণ বিভাগের রেজিস্ট্রেশন নিবন্ধন সনদ লাভ করে"।

16/05/2026

সেমি-ফাইনাল ম্যাচ।

চিটাগং কিংস বনাম গোমতি ফুটবল একাডেমি (খাগড়াছড়ি)
আপনি কোন দলকে সাপোর্ট করছেন�

জাগৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬

14/05/2026
জমজমাট সেমিফাইনালে সবাইকে আমন্ত্রণ।
13/05/2026

জমজমাট সেমিফাইনালে সবাইকে আমন্ত্রণ।

11/05/2026
10/05/2026
09/05/2026

Address

College Gate, Fatika, Hathazari
Chittagong
4330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জাগৃতি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to জাগৃতি:

Share