বিডি ট্যাক্স এন্ড “ল” এসোসিয়েটস্

বিডি ট্যাক্স এন্ড “ল” এসোসিয়েটস্ বিডি ট্যাক্স,ভ্যাট এন্ড ল এসোসিয়েটস্@০১৬১১?

🚨 আপনার আয়কর ফাইলে এই ভুল থাকলে ঝামেলায় পড়তে পারেন!অনেক করদাতা নিয়মিত রিটার্ন জমা দিলেও কিছু সাধারণ ভুলের কারণে ভবিষ্যতে...
31/05/2026

🚨 আপনার আয়কর ফাইলে এই ভুল থাকলে ঝামেলায় পড়তে পারেন!

অনেক করদাতা নিয়মিত রিটার্ন জমা দিলেও কিছু সাধারণ ভুলের কারণে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়েন।

❌ NID, TIN বা ব্যক্তিগত তথ্য ভুল থাকা
❌ ব্যাংক হিসাব বা সম্পদের তথ্য অসম্পূর্ণ দেওয়া
❌ আয়-ব্যয়ের তথ্যের অসঙ্গতি
❌ পূর্ববর্তী বছরের তথ্যের সাথে মিল না থাকা
❌ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ না করা

এ ধরনের ভুলের কারণে পরবর্তীতে তথ্য যাচাই, অডিট, ব্যাংকিং, ভিসা, ঋণ বা অন্যান্য আর্থিক কাজে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

কী করবেন?

✅ রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে তথ্যগুলো ভালোভাবে যাচাই করুন
✅ আয়, সম্পদ ও বিনিয়োগের তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করুন
✅ প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করুন
✅ অভিজ্ঞ ট্যাক্স পরামর্শকের মাধ্যমে ফাইল রিভিউ করিয়ে নিন

📌 মনে রাখবেন, অনেক সময় করের পরিমাণ নয়, বরং তথ্যের সঠিকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

💬 আপনার শেষ রিটার্ন নির্ভূল ভাবে জমা দিয়েছেন? কমেন্টে জানান Yes লিখে!

#আয়কর #করদাতা #অডিট #এনবিআর #বাংলাদেশ

TIN এর পূর্ণরূপ হলো Taxpayer Identification Number।এটি একটি বিশেষ নম্বর যা সরকার করদাতাদের (ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান) শনাক্...
29/05/2026

TIN এর পূর্ণরূপ হলো Taxpayer Identification Number।

এটি একটি বিশেষ নম্বর যা সরকার করদাতাদের (ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান) শনাক্ত করার জন্য ব্যবহার করে। বিভিন্ন দেশে এর নাম ও ব্যবহার একটু ভিন্ন হতে পারে।

বাংলাদেশে সাধারণত TIN ব্যবহার করা হয়:

আয়কর রিটার্ন জমা দিতে

ব্যাংকিং ও আর্থিক কাজে

ব্যবসা নিবন্ধনে

গাড়ি বা সম্পত্তি কেনাবেচায়

ট্রেড লাইসেন্স বা টেন্ডারে

বাংলাদেশে বর্তমানে অনলাইন e-TIN সিস্টেমের মাধ্যমে TIN নেওয়া যায়।

আয়কর আইন ২০২৩ | অংশ ২০ | ২য় অধ্যায় | ইনফোগ্রাফিক**ধারা ২৮৬: আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল**(১) কোনো করদাতা আয়কর কর্ত...
29/05/2026

আয়কর আইন ২০২৩ | অংশ ২০ | ২য় অধ্যায় | ইনফোগ্রাফিক

**ধারা ২৮৬: আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল**
(১) কোনো করদাতা আয়কর কর্তৃপক্ষের আদেশে সংক্ষুব্ধ হইলে সংশ্লিষ্ট আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট নিম্নলিখিত বিষয়ে আপিল করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) আয় নির্ধারণ; [২]
(খ) পরিশোধীয় করদায় নিরূপণ; [২]
(গ) ক্ষতির সমন্বয় বা জের টানা; [১০]
(ঘ) দণ্ড বা সুদ আরোপ; [১০]
(ঙ) চার্জ এবং সারচার্জ বা অন্য কোনো অর্থ হিসাব; [১০]
(চ) প্রত্যার্পণের পরিমাণ নিরূপণ; [১০]
(ছ) করের ক্রেডিট; এবং [১০]
(জ) কোনো প্রতারণা সংক্রান্ত। [১০]

(২) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে কেবল কমিশনার (আপিল) বরাবর আপিল করা যাইবে, যথা:-
(ক) কোম্পানি কর্তৃক আপিল;
(খ) ধারা ২২৩ এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল; এবং
(গ) আন্তর্জাতিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট সমন্বয় বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল। [১০]

(৩) **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ** (২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী 'বোর্ড' শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত): [১১]
(ক) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের উপর কোনো আপিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে; এবং
(খ) এক আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে অন্য আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব হস্তান্তর করিতে পারিবে। [১০]

(৪) করারোপিত শেয়ার আয় হিসাবে পরিগণিত কোনো আয়ের ক্ষেত্রে আপিল করা যাইবে না। [১০]

(৫) নিম্নবর্ণিত সারণীতে উল্লিখিত ক্ষেত্রে, কর নিরূপণ আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, যথা:- [১০]
**সারণী**
| রিটার্ন দাখিলের পরিস্থিতি | শর্ত |
| :--- | :--- |
| যেইক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করা হইয়াছে | ধারা ১৭৩ এর অধীন কোনো কর পরিশোধ করা হয় নাই |
| যেইক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল করা হয় নাই | উপকর কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত করের ন্যূনতম ১০% (দশ শতাংশ) কর পরিশোধ করা হয় নাই |

**ধারা ২৮৭: আপিল দায়েরের ফরম, পদ্ধতি এবং সময়সীমা**
(১) উপ-ধারা (২) এর বিধান সাপেক্ষে, ধারা ২৮৬ এর অধীন প্রত্যেক আপিল নির্ধারিত ফরমে এবং পদ্ধতিতে করিতে হইবে। [৯]

(২) **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ** (২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী 'বোর্ড' শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত), সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা,- [৯, ১১]
(ক) ইলেক্ট্রনিক্যালি বা অন্য কোনো যন্ত্রে পাঠযোগ্য বা কম্পিউটারে পাঠযোগ্য মাধ্যমে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রসমূহ নির্ধারণ করিতে পারিবে; এবং
(খ) উক্ত আপিল দায়েরের ফরম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে। [৯]

(৩) আপিলকারীকে আপিল দায়েরের তারিখে বা উহার পূর্বে ২০০ (দুইশত) টাকা ফি পরিশোধ করিতে হইবে। [৯]

(৪) আপিলকারীকে উপ-ধারা (৫) এর বিধান সাপেক্ষে, ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে, যদি-
(ক) কর নির্ধারণ বা দণ্ড সংক্রান্ত হইলে, উক্তরূপ কর নির্ধারণ বা, ক্ষেত্রমত, দণ্ড সংশ্লিষ্ট করদাবি নোটিশ জারির তারিখ হইতে; এবং
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়, তাহা জারির তারিখ হইতে। [৯]

(৫) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ উপ-ধারা (৪) এ বর্ণিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরও আপিল গ্রহণ করিতে পারিবেন, যদি উহার নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট আপিলকারীর আপিল দায়েরকরণে ব্যর্থ হইবার পর্যাপ্ত কারণ বিদ্যমান ছিল। [৯]

**ধারা ২৮৮: আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনুসরণীয় পদ্ধতি**
(১) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ আপিল শুনানির জন্য তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করিবেন, এবং তৎসম্পর্কিত একটি নোটিশ আপিলকারী ও সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে প্রদান করিবেন। [৯]
(২) আপিলকারী এবং উপকর কমিশনার ব্যক্তিগতভাবে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আপিল শুনানিতে অংশগ্রহণের অধিকার সংরক্ষণ করিবেন। [৯]
(৩) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন বিবেচনা করিলে, সময় সময়, আপিল শুনানি মুলতবি রাখিতে পারিবেন। [৮]
(৪) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ শুনানিকালে বা তৎপূর্বে আবেদনে উপস্থাপিত কারণ ছাড়াও আপিলের অন্যান্য কারণ অন্তর্ভুক্ত করিবার অনুমতি প্রদান করিতে পারিবে, যদি কর্তৃপক্ষ এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, আপিল আবেদন ফরমে ইচ্ছাকৃতভাবে ওইরূপ কারণসমূহ বাদ দেওয়া হয় নাই এবং উক্তরূপ বাদ পড়া অযৌক্তিক ছিল না। [৮]
(৫) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ আপিল নিষ্পত্তির পূর্বে যেইরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবে সেইরূপ তদন্ত সম্পাদন করিতে পারিবে অথবা প্রয়োজন বিবেচনা করিলে আপিলের কারণ সম্পর্কিত তথ্যাদি তলব করিতে পারিবে অথবা উপকর কমিশনার কর্তৃক বিষয়টি সম্পর্কে অধিকতর তদন্ত সম্পাদনের ব্যবস্থা করিতে পারিবে। [৮]
(৬) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ আপিল শুনানি চলাকালে এইরূপ কোনো দলিলাদি বা সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করিতে পারিবে না, যাহা উপকর কমিশনারের নিকট সময়মত উপস্থাপন করা হয় নাই, যদি না তাহার নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এইরূপ দলিলাদি বা সাক্ষ্য প্রমাণ যুক্তিসঙ্গত কারণে উপকর কমিশনারের নিকট উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল না। [৮]

**ধারা ২৮৯: আপিলের সিদ্ধান্ত**
(১) কোনো আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ-
(ক) কর নির্ধারণী আদেশের ক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট কর নির্ধারণ চূড়ান্তকরণ, হ্রাস, বর্ধিত, নাকচ বা রদ করিতে পারিবে;
(খ) জরিমানা আরোপের আদেশ সংক্রান্ত মামলায়, এইরূপ আদেশ চূড়ান্তকরণ, নাকচ বা বাতিল অথবা ভিন্ন পন্থায় জরিমানা বৃদ্ধি বা হ্রাস করিতে পারিবে; এবং
(গ) অন্য যেকোনো মামলায়, কর্তৃপক্ষ যেরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবে, সেইরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে। [৮]

(২) ধারা ৩৩৫ এর বিধানাবলি অনুসারে করদাতার উপর নোটিশ জারি করা হয় নাই মর্মে অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) বা কমিশনার (আপিল) এর নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান না হইলে, কোনো কর নির্ধারণী বা জরিমানা আরোপের আদেশ নাকচ করা যাইবে না। [৮]

(৩) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ কোনো কর নির্ধারণীতে করের পরিমাণ বা আরোপিত জরিমানার অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি অথবা কর প্রত্যার্পণের ক্ষেত্রে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস করিতে পারিবেন না, যদি না আপিলকারীকে এইরূপ বৃদ্ধি বা হ্রাসের কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান না করা হয়। [৮]

(৪) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত আপিলের রায় লিখিতভাবে প্রদান করিতে হইবে এবং নিষ্পত্তির বিষয়বস্তু, তৎসম্পর্কিত সিদ্ধান্ত ও সিদ্ধান্তের সমর্থনে যথাযথ কারণসমূহের উল্লেখ করিতে হইবে। [৭]

(৫) যেইক্ষেত্রে কোনো আপিল মামলার ফলে কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কর নির্ধারণী আদেশে কোনো পরিবর্তন আনীত হয়, সেইক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সদস্যদের আয়কর নির্ধারণীতে সেই অনুযায়ী সংশোধনী আনয়নের জন্য উপকর কমিশনারকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে। [৭]

(৬) কোনো আপিল মামলা নিষ্পত্তির পর আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারীকৃত আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত আদেশ জারির বিষয়টি আপিলকারী, উপকর কমিশনার এবং কমিশনারকে অবহিত করিবে। [৭]

(৭) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো আপিল যেই তারিখে আপিল দায়ের করা হইয়াছিল, সেই তারিখের সংশ্লিষ্ট মাস সমাপ্তির পরবর্তী ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) দিনের মধ্যে যদি আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ সেটির উপর কোনো আদেশ প্রদানে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে আপিলটি অনুমোদিত হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে। [৭]

**ধারা ২৯০: ট্যাক্স রিকভারি অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল**
ধারা ২১৭ এর অধীন ট্যাক্স রিকভারি অফিসারের জারীকৃত আদেশে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আদেশটি জারির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে এই মর্মে কর কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনারের নিকট আপিল করিতে পারিবেন, এবং এইরূপ আপিলের ক্ষেত্রে, পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে। [৭]

**ধারা ২৯১: আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল**
(১) যদি কোনো করদাতা ধারা ২৭২ অথবা ২৮৯ এর অধীন, অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) বা, ক্ষেত্রমত, কমিশনার (আপিল) কর্তৃক জারীকৃত আদেশে সংক্ষুব্ধ হন, তাহা হইলে তিনি আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন। [৭]

(২) করদাতা, অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) বা, ক্ষেত্রমত, কমিশনার (আপিল) এর আদেশের ভিত্তিতে ধার্যকৃত কর, এবং ধারা ১৭৩ অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের মধ্যকার যে পার্থক্য হইবে, তাহার ১০% (দশ শতাংশ) কর পরিশোধ না করিয়া থাকিলে, অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) বা, ক্ষেত্রমত, কমিশনার (আপিল) কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো আপিল দায়ের করিতে পারিবেন না। [৭]

(৩) আপিলকারীর আবেদনের প্রেক্ষিতে কর কমিশনার, আবেদনে উল্লিখিত কারণ তাহার নিকট সন্তোষজনক প্রতীয়মান হইলে, উপ-ধারা (২) এর অধীন পরিশোধের বাধ্যবাধকতা শিথিল করিতে পারিবেন এবং আবেদন প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে তিনি সেইরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করিবেন সেইরূপ আদেশ প্রদান করিবেন। [৬]

(৪) উপকর কমিশনার কর কমিশনারের পূর্বানুমোদন গ্রহণপূর্বক ধারা ২৮৯ এর অধীন অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) বা, ক্ষেত্রমত, কমিশনার (আপিল) কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করিতে পারিবেন। [৬]

(৫) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইবে সেই আদেশ সম্পর্কে করদাতা অথবা, ক্ষেত্রমত, কমিশনারকে অবহিত করিবার পরবর্তী ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উপ-ধারা (১) অথবা উপ-ধারা (৩) এর অধীন প্রত্যেক আপিল দাখিল করিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, নির্ধারিত ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে ব্যর্থ হইলেও, যদি আপিল ট্রাইব্যুনাল এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, উক্ত ব্যর্থতার জন্য পর্যাপ্ত কারণ বিদ্যমান ছিল, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদপূর্তির পরও উক্ত আপিল গৃহীত হইবে। [৬]

(৬) নির্ধারিত ফরমে এবং পদ্ধতিতে প্রতিপাদনপূর্বক আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করিতে হইবে এবং উপ-ধারা (২) এর ক্ষেত্র ব্যতীত, অন্যান্য ক্ষেত্রে উত্থাপিত আপিল আবেদনের সহিত ১ (এক) হাজার টাকা ফি প্রদান করিতে হইবে। [৬]

(৭) **রাজস্ব নীতি বিভাগ** (২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী 'বোর্ড' শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত), সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা,- [৬, ১২]
(ক) ইলেক্ট্রনিক্যালি বা অন্য কোনো যন্ত্রে পাঠযোগ্য বা কম্পিউটারে পাঠযোগ্য মাধ্যমে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রসমূহ নির্ধারণ করিতে পারিবে; এবং
(খ) উক্ত আপিল দায়েরের ফরম ও পদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে। [৬]

**ধারা ২৯২: আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আপিল নিষ্পত্তি**
(১) আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল মামলার উভয় পক্ষকে শুনানির সুযোগ প্রদানের পর আপিলটির ক্ষেত্রে সেইরূপ যথাযথ বিবেচনা করিবে সেইরূপ আদেশ প্রদান করিবে। [৬]
(২) কোনো আপিল নিষ্পত্তির প্রাক্কালে আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিল সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য তলব করিতে পারিবে অথবা উপকর কমিশনার কর্তৃক এতদ্বিষয়ে অধিকতর তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে। [৬]
(৩) যেইক্ষেত্রে আপিল মামলার কারণে কোনো ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কর নির্ধারণী আদেশে কোনো পরিবর্তন আনীত হয়, অথবা ফার্ম বা ব্যক্তিসংঘের কর নির্ধারণী আদেশ নূতনভাবে করিতে হয়, সেইক্ষেত্রে আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক আনীত উক্ত পরিবর্তন মোতাবেক উপকর কমিশনারকে উক্ত ফার্মের অংশীদার বা ব্যক্তিসংঘের সংশ্লিষ্ট কর নির্ধারণী সংশোধনের নির্দেশ প্রদান করিবে। [৫]
(৪) কোনো আপিল মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারীকৃত আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উক্ত আদেশটি আপিলকারীকে এবং কমিশনারকে অবহিত করিবেন। [৫]
(৫) **অন্যান্য বিধান ক্ষুণ্ণ না করিয়া** (২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী "ক্ষেত্র ব্যতীত" শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত) আপিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক কোনো আপিলের বিষয়ে প্রদত্ত আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে। [৫, ১১]
(৬) এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো করদাতা কর্তৃক আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল আবেদন দাখিল করা হইলে, যে মাসে উহা দাখিল করা হইয়াছে, তৎপরবর্তী ১৮০ (একশত আশি) দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে আপিল ট্রাইব্যুনাল উক্ত আপিলের উপর কোনো আদেশ প্রদানে ব্যর্থ হইলে, আপিলটি অনুমোদিত হইয়াছে মর্মে গণ্য করা হইবে এবং যেইক্ষেত্রে ২ (দুই) সদস্য বিশিষ্ট আপিল ট্রাইব্যুনাল মামলা শুনানি করেন এবং সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দ্বিমত পোষণের কারণে একজন অতিরিক্ত সদস্য নিয়োগ করা হইলে, উক্ত মেয়াদ হইবে যেই মাসে আপিল দাখিল করা হইয়াছে, তৎপরবর্তী ২৪০ (দুইশত চল্লিশ) দিন। [৫]

**ধারা ২৯৩: হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স**
(১) ধারা ২৯২ এর অধীন করদাতা অথবা কমিশনার কর্তৃক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ প্রাপ্ত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে কমিশনার বা করদাতা এইরূপ আদেশ হইতে উদ্ভূত কোনো আইন প্রশ্নে বিষয়টি হাইকোর্ট বিভাগের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করিতে চাহিলে এই উদ্দেশ্যে নির্ধারিত ফরমে হাইকোর্ট বিভাগ বরাবর আবেদন করিতে পারিবেন: [৫]
তবে শর্ত থাকে যে, কর আপিল ট্রাইব্যুনালের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো রেফারেন্স মামলা দায়ের করা যাইবে না, যদি না করদাতা নিম্নবর্ণিত হারে ফি এবং কর পরিশোধ করেন, যথা:- [৫]
(ক) করদাতার ক্ষেত্রে আবেদনের সহিত ২ (দুই) হাজার টাকা ফি সংযুক্ত করা না হয়; এবং [৫]
(খ) যেইক্ষেত্রে করদাবি ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অতিক্রম না করে, সেইক্ষেত্রে যদি আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের ভিত্তিতে নির্ধারিত কর এবং ধারা ১৭৩ এর অধীন পরিশোধযোগ্য করের মধ্যকার পার্থক্যের সমপরিমাণ অর্থের ১৫% (পনের শতাংশ) করদাতা কর্তৃক পরিশোধ না করা হয়; [৫, ৪]
(গ) যেইক্ষেত্রে করদাবি ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অতিক্রম করে, সেইক্ষেত্রে যদি আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের ভিত্তিতে নির্ধারিত কর এবং ধারা ১৭৩ এর অধীন পরিশোধযোগ্য করের মধ্যকার পার্থক্যের সমপরিমাণ অর্থের ২৫% (পঁচিশ শতাংশ) করদাতা কর্তৃক পরিশোধ না করা হয়। [৪]

(২) **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ** (২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী 'বোর্ড' শব্দের পরিবর্তে প্রতিস্থাপিত), করদাতার আবেদনের প্রেক্ষিতে, উপ-ধারা (১) এর অধীন ফি ব্যতীত এইরূপ পরিশোধের পরিমাণ হ্রাস বা মওকুফ করিতে পারিবে। [৪, ১২]

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন ৩ (তিন) প্রস্থে করিতে হইবে এবং এর সহিত নিম্নবর্ণিত দলিলাদি সংযোজন করিতে হইবে, যথা:-
(ক) আপিল ট্রাইব্যুনালের যে আদেশে আইনগত প্রশ্নের উদ্ভব হইয়াছে, সেই আদেশের সত্যায়িত ৩ (তিন) টি অনুলিপি;
(খ) উপকর কমিশনার, পরিদর্শী অতিরিক্ত কর কমিশনার অথবা আপিল অতিরিক্ত বা যুগ্ম কমিশনার অথবা, ক্ষেত্রমত, কর কমিশনার (আপিল), এর যে আদেশ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিলের বিষয়বস্তু ছিল উহার সত্যায়িত ৩ (তিন) টি অনুলিপি; এবং
(গ) আবেদনপত্রের বিষয়বস্তু অনুসারে উদ্ভূত আইনগত প্রশ্ন সম্পর্কিত অন্য যেকোনো দলিলের ৩ (তিন) টি সত্যায়িত অনুলিপি... [৪]

(৪) যেইক্ষেত্রে করদাতা বাদী, সেইক্ষেত্রে কমিশনার বিবাদী এবং যেইক্ষেত্রে কমিশনার বাদী সেইক্ষেত্রে করদাতা বিবাদী হিসাবে গণ্য হইবেন: তবে শর্ত থাকে যে, করদাতার মৃত্যু ঘটিলে... আবেদন বাতিলযোগ্য হইবে না... [৪]

(৫) আবেদনটির শুনানির তারিখ ধার্য সংক্রান্ত নোটিশ প্রাপ্তির পর বিবাদী কর্তৃক শুনানির অন্যূন ৭ (সাত) দিন পূর্বে উক্ত আবেদন সংক্রান্ত একটি লিখিত জবাব দাখিল করিতে হইবে... [৩]

(৬) বাদী কর্তৃক উত্থাপিত প্রশ্নটি বিবাদীর মতানুসারে ত্রুটিপূর্ণ মর্মে গণ্য হইলে... তাহা উপর্যুক্ত জবাবে বর্ণনা করিতে হইবে... [৩]

(৭) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদনের ক্ষেত্রে Limitation Act, 1908 (Act No. IX of 1908) এর section 5 প্রযোজ্য হইবে। [৩]

**ধারা ২৯৪: হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত**
(১) যেইক্ষেত্রে ধারা ২৯৩ এর অধীন কোনো রেফারেন্স মামলা হাইকোর্ট বিভাগে আনীত হয়, সেইক্ষেত্রে অন্তত ২ (দুই) জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ইহার উপর শুনানি করিবে এবং এক্ষেত্রে যতদূর সম্ভব Code of Civil Procedure 1908 এর section 94 এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে। [৩]
(২) হাইকোর্ট বিভাগ... সিদ্ধান্ত প্রদান করিবে এবং উক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রেক্ষাপট বর্ণনাক্রমে রায় প্রদান করিবে এবং আদালতের সীলমোহরাঙ্কন করিয়া রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরযোগে এইরূপ রায়ের একটি অনুলিপি আপিল ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবে... [৩]
(৩) ধারা ২৯৩ এর অধীন হাইকোর্ট বিভাগের রেফারেন্স মামলার ব্যয়সমূহ আদালতের স্ববিবেচনা সাপেক্ষে নির্ধারিত হইবে। [৩]
(৪) ধারা ২৯৩ এর অধীন হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স মামলা যেভাবে গৃহীত বা দায়েরকৃত হউক না কেন... কর নির্ধারণীর ভিত্তিতে কর পরিশোধযোগ্য হইবে। [৩]

**ধারা ২৯৫: আপিল বিভাগে আপিল**
(১) ধারা ২৯৪ এর অধীন হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত কোনো রায়ের ক্ষেত্রে, হাইকোর্ট বিভাগ যদি উক্ত রায় আপিল বিভাগে আপিলযোগ্য মর্মে প্রত্যায়ন করে, তাহা হইলে সেইক্ষেত্রে আপিল করা যাইবে। [১]
(২) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক Code of Civil Procedure 1908 এর বিধানাবলি ডিক্রির ক্ষেত্রে যেইভাবে প্রয়োগ করা হয়... আপিল বিভাগে এই ধারার অধীন বর্ণিত আপিলের ক্ষেত্রে উক্ত বিধানাবলি যতদূর সম্ভব, সেইভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে... [১]
(৩) যেইক্ষেত্রে এই ধারার অধীন হাইকোর্ট বিভাগের প্রদত্ত রায় পরিবর্তিত হয়... আপিল বিভাগের আদেশের কার্যকারিতা প্রদান করিতে হইবে। [১]
(৪) ব্যয় এবং কর পরিশোধ সংক্রান্ত ধারা ২৯৪ এর উপ-ধারা (৩) ও (৪) এর বিধানাবলি... আপিল বিভাগে আপিলের ক্ষেত্রেও উক্ত বিধানসমূহ সমভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে। [১]

#ভাড়া #বেতন #চাকরি #বাড়িভাড়া #কৃষি

📢 আয়কর আইন, ২০২৩ এখন অনেক কঠোর!৬ বছর আগের গোপন সম্পদও যদি উদ্ঘাটিত হয়, দিতে হবে আয়কর! 😮এখন আর “নামে বেনামে” সম্পদ লুকিয়ে...
29/05/2026

📢 আয়কর আইন, ২০২৩ এখন অনেক কঠোর!
৬ বছর আগের গোপন সম্পদও যদি উদ্ঘাটিত হয়, দিতে হবে আয়কর! 😮
এখন আর “নামে বেনামে” সম্পদ লুকিয়ে পার পাওয়া এত সহজ নয়।

ব্যাংকে টাকা নেই…
কিন্তু বাড়ি, গাড়ি, প্লট সব আছে! 😅
এবার হিসাব চাইবে আয়কর বিভাগ!
৬ বছর আগের সম্পদও তদন্তের আওতায়। 🔍
সৎ করদাতা হাসবে 😊
নাকি দুর্নীতিবাজরা আবারও বাঁচবে? 👀
প্রফেশনাল সহায়তা ছাড়া ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করা মানে অজান্তেই নিজের জন্য ঝুঁকি তৈরি করা 🙄
বর্তমানে কর ব্যবস্থাপনা ধাপে ধাপে অটোমেটেড ও ক্যাশলেস সিস্টেমে রূপান্তরিত হচ্ছে। ফলে ট্যাক্স রিটার্নে সামান্য ভুল বা অসঙ্গতিও ভবিষ্যতে অডিট, নোটিশ কিংবা অপ্রয়োজনীয় জটিলতার কারণ হতে পারে।

তাই এখনই সঠিক সময়—
✅ আপনার ট্যাক্স রিটার্ন যোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রফেশনালদের মাধ্যমে পরীক্ষা করে সাবমিট করুন।
✅ অডিট বা ট্যাক্স ফাইল যাচাইয়ের সম্মুখীন হলে ভয় না পেয়ে প্রফেশনাল সহায়তা গ্রহণ করুন।

সঠিক পরামর্শই পারে আপনার কর সংক্রান্ত ঝুঁকি কমাতে এবং নিশ্চিন্ত থাকতে সাহায্য করতে।

📞 পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন:
01817710566,01611710566

゚viralシfypシ゚viralシalシ #বাড়িভাড়া

আয়কর আইন ২০২৩ | অংশ ২০ | ৩য় অধ্যায় | ইনফোগ্রাফিক**ধারা ২৯৬। সংজ্ঞা**এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, বিষয় বা প্রসঙ্গের প...
29/05/2026

আয়কর আইন ২০২৩ | অংশ ২০ | ৩য় অধ্যায় | ইনফোগ্রাফিক

**ধারা ২৯৬। সংজ্ঞা**
এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোনো কিছু না থাকিলে,—
(১) **“অনুমোদিত প্রতিনিধি”** অর্থ ধারা ৩২৭ এর উপ-ধারা (২)-এ উল্লিখিত অনুমোদিত প্রতিনিধি; [১] *(সংশোধনী: ‘ক্ষমতাপ্রাপ্ত’ শব্দের পরিবর্তে ‘অনুমোদিত’ শব্দ প্রতিস্থাপিত হয়েছে [৭])*
(২) **“বেঞ্চ”** অর্থ কর আপিল ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ; [১]
(৩) **“কমিশনারের প্রতিনিধি”** অর্থ এই অধ্যায়ের অধীন বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় প্রতিনিধিত্ব করিবার লক্ষ্যে ধারা ৪ এর অধীন আয়কর কর্তৃপক্ষসমূহের মধ্য হইতে কর কমিশনার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা; [১]
(৪) **“আদালত”** অর্থ সুপ্রীম কোর্ট; [৬]
(৫) **“বিরোধ”** অর্থ নিম্নবর্ণিত বিষয়ে কোনো করদাতার কোনো অভিযোগ— [৬]
(ক) রিটার্নে করদাতা কর্তৃক ঘোষিত আয়কর নিরূপণের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বৎসরের আয় হইতে অধিক হইলে; অথবা
(খ) অংশ ২০ এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের অধীন আপিল কর্তৃপক্ষের আদেশের ফলে আয়কর নিরূপণের পরিমাণ রিটার্নে করদাতা কর্তৃক ঘোষিত আয়কর নিরূপণের পরিমাণ হইতে অধিক হইলে।

Tax Touch

**ধারা ২৯৭। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি**
কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষ বা কর আপিল ট্রাইব্যুনাল বা আদালতে নিষ্পন্নাধীন কর নিরূপণ সংক্রান্ত বিরোধ এই অধ্যায়ে এবং এই অধ্যায়ের অধীন প্রণীত বিধিমালায় বর্ণিত পদ্ধতিতে, এবং **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ** কর্তৃক, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্ধারিত যোগ্যতা, শর্ত ও সীমা সাপেক্ষে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাইবে। [৬] *(সংশোধনী: ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ প্রতিস্থাপিত হয়েছে [৭])*

**ধারা ২৯৮। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রয়োগ**
(১) উপ-ধারা (৪) এর বিধান সাপেক্ষে, একজন করদাতা আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ বা কর আপিল ট্রাইব্যুনাল বা সুপ্রীম কোর্টের যেকোনো বিভাগে নিষ্পন্নাধীন বিরোধ, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করিতে পারিবেন। [৬]
(২) সুপ্রীম কোর্টের যেকোনো বিভাগে কোনো বিরোধ নিষ্পন্নাধীন থাকিলে, করদাতাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন দাখিলের পূর্বে আদালতের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, কোনো বিরোধ লইয়া রিট করা হইলে উক্ত বিরোধ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাইবে না। [৬]
(৩) বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন— [৬]
(ক) নির্ধারিত ফরমে, সময়ে এবং ফি প্রদানপূর্বক প্রত্যায়ন করিয়া দাখিল করিতে হইবে;
(খ) সংশ্লিষ্ট আয়কর কর্তৃপক্ষ বা কর আপিল ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার বরাবর দাখিল করিতে হইবে।
(৪) করদাতা আবেদনপত্রের সহিত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র, দলিলাদি এবং আইনগত ভিত্তি ও প্রকৃত ঘটনা সম্বলিত বিবৃতি দাখিল করিবেন। [৫]
(৫) কোনো করদাতা কোনো আয়বর্ষের রিটার্ন দাখিল করিয়া থাকিলে, তিনি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন দাখিলের যোগ্য হইবেন না যদি না উক্ত আয়বর্ষে ধারা ১৭৩ এর অধীন প্রদেয় কর পরিশোধ না করিয়া থাকেন। [৫]

**ধারা ২৯৯। কমিশনারের প্রতিনিধি**
(১) সংশ্লিষ্ট কর কমিশনার, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে আবেদনকারী করদাতার সহিত মধ্যস্থতা করিবার জন্য, উপকর কমিশনার পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এইরূপ কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষকে, অতঃপর আয়কর প্রতিনিধি বলিয়া উল্লিখিত, মনোনীত করিতে পারিবেন। [৫]
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন মনোনীত আয়কর প্রতিনিধি বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সকল মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করিবেন এবং মতৈক্যে উপনীত হইলে উক্ত মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর প্রদান করিবেন। [৫]

**ধারা ৩০০। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তাকারী**
(১) **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ** কর্তৃক নিযুক্ত একজন সহায়তাকারীর মধ্যস্থতায় করদাতা এবং কমিশনারের প্রতিনিধির মধ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পরিচালিত হইবে। [৫] *(সংশোধনী: ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ প্রতিস্থাপিত হয়েছে [৮])*
(২) সহায়তাকারী নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদন ও নির্ধারিত ফি গ্রহণ করিবেন। [৫]

**ধারা ৩০১। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য করদাতার অধিকার ও কর্তব্যসমূহ**
(১) বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করদাতা স্বয়ং বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে কমিশনারের প্রতিনিধির সহিত মধ্যস্থতায় অংশগ্রহণ করিবার অধিকার থাকিবে। [৫]
(২) বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মধ্যস্থতায় করদাতার সহিত সংশ্লিষ্ট বিতর্কিত বিষয়ে আইনগত ও তথ্যগত কাগজপত্র ও দলিল সহযোগে যুক্তি তর্ক উপস্থাপনে সীমাবদ্ধ থাকিবে। [৫]
(৩) যদি কোনো সমঝোতায় উপনীত হওয়া যায়, তাহা হইলে করদাতাকে, উক্ত সমঝোতার ভিত্তিতে কোনো করদায় আরোপিত হইলে, সম্মত সময়সীমার মধ্যে তাহা পরিশোধ করিতে হইবে। [৫]

**ধারা ৩০২। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে কর বিরোধ নিষ্পত্তির পদ্ধতি**
(১) বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন প্রাপ্তির পর, সহায়তাকারী আবেদনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের নিকট প্রেরণ করিবেন এবং উক্ত বিষয়ে এবং ধারা ২৯৮ এর শর্তাবলি প্রতিপালিত হইয়াছে কিনা তস্মর্মে সেই বিষয়ে তাহার মতামত তলব করিবেন। [৫]
(২) যদি উপকর কমিশনার ৫ (পাঁচ) কার্যদিবসের মধ্যে শর্তপূরণ সম্পর্কে তাহার মতামত প্রদানে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে সহায়তাকারী আবেদনে উল্লিখিত শর্তাদি প্রতিপালিত হইয়াছে মর্মে গণ্য করিতে পারিবেন। [৪]
(৩) সহায়তাকারী— [৪]
(ক) আবেদনকারী এবং কর কমিশনার বা কমিশনারের প্রতিনিধিকে নোটিশে উল্লিখিত তারিখে বিরোধ নিষ্পত্তির সভায় অংশগ্রহণের জন্য লিখিতভাবে অবহিত করিতে পারিবেন;
(খ) প্রয়োজন বিবেচনা করিলে, সময় সময়, সভা মুলতুবি করিতে পারিবেন;
(গ) বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে সভার পূর্বে বা সভায় উপকর কমিশনার বা আবেদনকারীর নিকট হইতে দলিল বা সাক্ষ্য-প্রমাণ তলব করিতে পারিবেন; এবং
(ঘ) উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, আবেদন নিষ্পত্তির পূর্বে কোনো আয়কর কর্তৃপক্ষ দ্বারা অনুসন্ধান করাইতে পারিবেন।
(৪) সহায়তাকারী আবেদনকারী করদাতাকে এবং কমিশনারের প্রতিনিধিকে আলোচনা এবং সভার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে সম্মত হইবার জন্য সহায়তা প্রদান করিবেন। [৪]

**ধারা ৩০৩। আপিল ট্রাইব্যুনাল বা হাইকোর্ট বিভাগে নিষ্পন্নাধীন আপিল বা রেফারেন্স সম্পর্কিত কার্যক্রম সাময়িক স্থগিতকরণ**
যেইক্ষেত্রে কোনো করদাতা কোনো আয়বর্ষে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করেন এবং উক্ত আয়বর্ষের জন্য উপকর কমিশনার আপিল ট্রাইব্যুনালে কোনো আপিল দায়ের করেন বা কর কমিশনার হাইকোর্ট বিভাগে কোনো রেফারেন্স প্রেরণ করেন, এবং আপিল ট্রাইব্যুনাল বা, ক্ষেত্রমত, হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে কোনো সিদ্ধান্ত প্রদান না করা হয়, সেইক্ষেত্রে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উক্ত আপিল বা রেফারেন্স সম্পর্কিত কার্যক্রম আপতত স্থগিত থাকিবে। [৪]

**ধারা ৩০৪। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত**
(১) যেইক্ষেত্রে উভয় পক্ষ এই আইনের আওতাধীন বিরোধ সংক্রান্ত কোনো ঘটনা বা আইনগতভাবে বিরোধপূর্ণ বিষয়ে ঐক্যমত্য পোষণ করেন, সেইক্ষেত্রে মতৈক্যের ভিত্তিতে বিরোধপূর্ণ বিষয়টি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যাইবে। [৪]
(২) যেইক্ষেত্রে করদাতা এবং কর কমিশনারের প্রতিনিধির মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির আংশিক বা সম্পূর্ণ মতৈক্য হয়, সেইক্ষেত্রে সহায়তাকারী, নির্ধারিত পদ্ধতিতে, মতৈক্যের বিস্তারিত লিপিবদ্ধ করিবেন। [৩]
(৩) উক্ত মতৈক্যের রেকর্ডে যেকোনো প্রদেয় বা প্রত্যর্পণযোগ্য কর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ও উপযুক্ত বিষয়াদিসহ মতৈক্যের শর্তাবলির বর্ণনা থাকিবে। [৩]
(৪) যদি পরবর্তীতে উদ্ঘাটিত হয় যে, প্রতারণা ও অসত্য তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে মতৈক্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হইয়াছে, তাহা হইলে তাহা বাতিল হইবে। [৩]
(৫) করদাতা, কমিশনারের প্রতিনিধি এবং সহায়তাকারী মতৈক্যে স্বাক্ষর প্রদান করিবেন। [৩]
(৬) যেইক্ষেত্রে অসহযোগিতার কারণে মতৈক্যে পৌঁছানো সম্ভবপর না হয়, সেইক্ষেত্রে সহায়তাকারী ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে আবেদনকারী, **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ**, সংশ্লিষ্ট আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা আপিল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করিবেন। [৩] *(সংশোধনী: ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ প্রতিস্থাপিত হয়েছে [৮])*
(৭) মতৈক্য হইলে সহায়তাকারী উহা করদাতা এবং সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারকে অবহিত করিবেন। [৩]
(৮) আবেদন করার মাস সমাপ্ত হইবার পরবর্তী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে মতৈক্যে উপনীত হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে কোনো মতৈক্য হয় নাই বলিয়া গণ্য হইবে। [৩]
(৯) সফল মতৈক্য হইলে সহায়তাকারী স্বাক্ষরের ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে অনুলিপি সকল পক্ষের নিকট প্রেরণ করিবেন। [৩]

**ধারা ৩০৫। মতৈক্যের ফলাফল**
(১) ধারা ৩০৪ এর উপ-ধারা (৯) এর অধীন সম্পাদিত সমঝোতা উভয় পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক হইবে এবং উহার বিরুদ্ধে কোনো আপত্তি উত্থাপন করা যাইবে না। [৩]
(২) মতৈক্যের ক্ষেত্রে উহাতে উল্লিখিত বিষয় চূড়ান্ত হইবে এবং মতৈক্য বহির্ভূত কোনো বিষয়ে এই আইনের অধীন কার্যধারা পুনঃউন্মোচন করা যাইবে। [২]

**ধারা ৩০৬। মতৈক্য না হইবার ক্ষেত্রে আপিলের সীমাবদ্ধতা**
(১) যে সকল বিরোধের ক্ষেত্রে মতৈক্য হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে করদাতা— [২]
(ক) যেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনারের আদেশ হইতে বিরোধ উদ্ভূত হয়, সেইক্ষেত্রে অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) বা কর কমিশনার (আপিল) এর নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবেন; *(সংশোধনী: ‘আপিল কর কমিশনার বা’ শব্দগুলি বিলুপ্ত হয়েছে [৭])*
(খ) ক্ষেত্রমত, কর আপিল ট্রাইব্যুনাল বা সংশ্লিষ্ট আপিল কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবেন।
(২) আপিল দাখিলের তামাদি মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় ব্যয়িত সময় অন্তর্ভুক্ত হইবে না। [২]

**ধারা ৩০৭। মতৈক্যের পর সততার প্রতিপাদন**
(১) **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ** বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির অগ্রগতি তদারক করিতে পারিবে। [২] *(সংশোধনী: ‘বোর্ড’ শব্দের পরিবর্তে ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ’ প্রতিস্থাপিত হয়েছে [৮])*
(২) মতৈক্য বা মতানৈক্য সম্পর্কিত সকল অনুলিপি **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের** নিকট প্রেরণ করিতে হইবে। [২] *(সংশোধনী: ‘বোর্ডের’ শব্দের পরিবর্তে ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের’ প্রতিস্থাপিত হয়েছে [৯])*
(৩) যদি **রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের** নিকট প্রতীয়মান হয় যে, মতৈক্যটি প্রতারণা বা তথ্য গোপনের মাধ্যমে রাজস্বের ক্ষতি করিবে, তবে উহা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে। [২] *(সংশোধনী: ‘বোর্ডের’ শব্দের পরিবর্তে ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের’ প্রতিস্থাপিত হয়েছে [৯])*

**ধারা ৩০৮। দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলায় বাধা**
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় জড়িত কোনো ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে গৃহীত ব্যবস্থা বা মতৈক্যের বিরুদ্ধে কোনো আদালতে দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা করা যাইবে না। [২]

#বেতন #বাড়িভাড়া #চাকরি #ভাড়া #কৃষি

28/05/2026

ঈদুল আযহার অগ্রিম শুভেচ্ছা…

পবিত্র ঈদুল আযহা আমাদের ত্যাগ, সংযম ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের শিক্ষা দেয়। কোরবানির এই মহিমা শুধু পশু কোরবানির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং আমাদের ভেতরের অহংকার, হিংসা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার এক মহান বার্তা বহন করে।

এই ঈদে আসুন,
সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই, সবার সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করি।
ন্যায়, মানবতা ও সাম্যের চেতনায় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করি।

রাজনৈতিক ভিন্নতা থাকলেও আমরা যেন সবাই দেশপ্রেম, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একসাথে কাজ করতে পারি, এই হোক ঈদের শিক্ষা।

সবার জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ বয়ে আনুক পবিত্র ঈদুল আযহা।

সকলকে অগ্রীম ঈদ মোবারক।🇧🇩💞🇧🇩
আপনাদেরই দিদারুল আলম আকাশ।💠
সকল প্রার্থনায় আমাকেও রাখার বিনীত অনুরোধ করছি 💞💞💞💞💠💠💠💠💞💞💞🌹🌹🌹🌹🌹

আয়কর অডিটে পড়ার প্রধান কারণগুলো -■ আয়-ব্যয়ে অসঙ্গতি রিটার্নে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তব হিসাবের অসামঞ্জস্য ধরা পড়লে কর কর...
28/05/2026

আয়কর অডিটে পড়ার প্রধান কারণগুলো -

■ আয়-ব্যয়ে অসঙ্গতি রিটার্নে দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তব হিসাবের অসামঞ্জস্য ধরা পড়লে কর কর্মকর্তাদের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। এতে প্রয়োজন হয় বিভিন্ন কাগজপত্র, প্রমাণ এবং একাধিকবার কর অফিসে উপস্থিতির। অর্থাৎ রিটার্নে কম আয় দেখিয়ে বেশি ব্যয় বা সম্পদ দেখালে ব্যাংক হিসাব, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার তথ্যের সাথে মিলিয়ে সহজেই ধরা পড়ে যায়।

■ হঠাৎ সম্পদ বৃদ্ধি আগের বছরের তুলনায়। হঠাৎ করে সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে সেটিও সন্দেহের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। করদাতাকে তখন সেই সম্পদ অর্জনের উৎস ব্যাখ্যা করতে হয়। উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দিতে পারলে সমস্যায় পড়তে হয়।

■ ব্যবসায় অতিরিক্ত খরচ দেখানো কোনো ব্যবসায়ী করদাতার ব্যবসায় ব্যয় অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হলেও নিরীক্ষায় আসবে।কারণ,খরচ অনেক বেশি দেখিয়ে লাভ কম দেখান অনেকে।

■ উৎসে করের গরমিল উৎসে কর কাটা থাকলেও রিটার্নে ভুল দাবি করলে নিরীক্ষার সময় তা দেখবেন কর কর্মকর্তারা। চাকরির বেতন, ব্যাংক সুদ বা ঠিকাদারি বিল যেকোনো খাতে উৎসে কর কাটা হলে সেটির সাথে রিটার্নের তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়।

■ অসম্পূর্ণ কাগজপত্র রিটার্ন দাখিলের কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকলেও বিপাকে পড়তে পারেন। যেমন আয়,বিনিয়োগ,ব্যয়,সম্পদের দলিল,প্রমাণপত্র না থাকা বা ভুল কাগজপত্র দেওয়া।

■ হাতে অস্বাভাবিক নগদ টাকা(ক্যাশ ইন হ্যান্ড) নগদ অর্থ বা 'ক্যাশ ইন হ্যান্ড' অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হলে সেটিও কর কর্মকর্তাদের সন্দেহের তালিকায় পড়ে। কারণ অতিরিক্ত নগদ অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

■ অস্বাভাবিক ঋণ বা দায় ঋণ বা দায় অস্বাভাবিক বেশি দেখানো হলেও তা নিরীক্ষার আওতায় আসে। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বড় অঙ্কের ঋণ দেখালে কর কর্মকর্তারা প্রশ্ন তোলেন।

■ সম্পদ গোপন করা সম্পদ ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা হয়। জমি, ফ্ল্যাট, গাড়ি বা অন্যান্য সম্পদের সঠিক তথ্য রিটার্নে উল্লেখ না করলে পরে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

■ ভুল বিনিয়োগ তথ্য বিনিয়োগের হিসাব ঠিক আছে কি না তা কর কর্মকর্তারা দেখেন।অতিরিক্ত বিনিয়োগ দেখানো বা ভুল বিনিয়োগ দেখিয়ে অনেকে বিভিন্ন সুবিধা নেন।

゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚ #আয়কর #করযোগ্য #ব্যক্তিকরদাতা

Address

আয়কর আইনজীবী দিদারুল আলম আকাশ, নঈমিয়া ভবন, ৮০৮, আরাকান রোড, বাদুরতলা, বহদ্দারহাট, চট্টগ্রাম।
Chittagong
4212

Telephone

+8801817710566

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিডি ট্যাক্স এন্ড “ল” এসোসিয়েটস্ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to বিডি ট্যাক্স এন্ড “ল” এসোসিয়েটস্:

Share