*eimanee Andulon=ঈমানী আন্দোলন*

*eimanee Andulon=ঈমানী আন্দোলন* Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from *eimanee Andulon=ঈমানী আন্দোলন*, Community Organization, Chittagong.

27/09/2024

আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।

যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।

টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।

আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।

উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।

টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।

আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।

রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।

■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।

■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।

■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।

■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।

■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার ।

■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!

■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা।
,
সংগৃহীত

11/02/2024

আলেমের সংজ্ঞা

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন,
إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ
নিশ্চয়ই তাঁর বান্দাদের (মধ্যে) আলেমগণই আল্লাহকে সত্যিকার অর্থে ভয় করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ শক্তিশালী ও ক্ষমাশীল। [আল-ফাতিরঃ ২৮]

আল-রাবি’ বর্ণনা করেন যে ইবন আব্বাস বলেন, (مَنْ لَمْ يَخْشَ اللَّهَ تَعَالَى فَلَيْسَ بِعَالِمٍ) যে আল্লাহ (ও তার শাস্তি)-কে ভয় করেনা সে আলেমই নয়।

রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, হে ইলমের বাহকগণ! তোমরা আমল করো। কেননা প্রকৃত আলেম ঐ ব্যক্তি যে ইলম অনুযায়ী আমল করে। (সুনানে দারেমী-৩৯৪)

আশা করি এরপরে কে আলেম আর কে আলেম না সেটার ব্যাপারে কোনো দ্বিধাদন্দ থাকবে না -

স্কুল-কলেজে যারা পড়ে তাদের - ইংরেজি পড়ুয়া বলা হয় - আলেম না -
মাদ্রাসায় যারা পড়ে তাদের - আরবি পড়ুয়া বলা হয় - আলেম না -

আলেম তাদেরই বলা হয় যাদের মধ্যে উপরের আয়াত ও হাদিস অনুযায়ী বৈশিষ্ট পাওয়া যাবে -
১ - তাকওয়া -
২ - এলেম অনুযায়ী আমল -

এই ২ বিশিষ্ট না থাকলে কেউ আলেম না - তার সার্টিফিকেট যদি ১০ টাও থাকে -

08/02/2024
08/02/2024

প্রিয় সেন্ডিকেট;
আপনাদের মুরুব্বি কারা? কাকে আপনারা মেনে চলেন!

আরব বিশ্ব আর পাঁচ মহাদেশের কথা বাদই দিলাম, এটি একটি মোটা দাগের প্রশ্ন উপমহাদেশের কাকে আপনারা মানেন? কার রাহবারী গ্রহন করেন? কোন আলেম আপনাদের মুরুব্বি? আপনার চিন্তার খেলাফ হলে আপনারা তাকে কওমী থেকে বের করে দেন? তিনি পরিতেজ্য! আজীব ব্যাপারতো!!

এখন খোদ আওলাদে রাসুল সৈয়দ আরশাদ মাদানীর বিরোদ্ধে কলম ধরছেন আপনারা?

তাবলীগের মতানৈক্য শুরুর পর পাকিস্তানের ২৬ জন শীর্ষ আলেম আপনাদেরকে চিঠি দিলেন, কারো বদনাম না করার জন্য, বিরোধীতা না করতে, মন্দ নামে না ডাকতে? আপনারা কী শুনেছেন?

শায়খুল ইসলাম মুফতী তকী উসমানী আপনাদেরকে চিঠি দিলেন নিজ হাতে, নিচে নিজের ব্যাক্তিগত ফোন নাম্বার লিখে দিলেন, আমরা সে চিঠি হাতে হাতে দেশের সকল শীর্ষ আলেম ও মাদরাসায় পৌছে দিয়েছি? কই শায়খুল ইসলামকে কী আপনারা পাত্তা দিয়েছেন?

ভারতের সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য ফকীহ ও অল ইন্ডিয়া পারসোনাল ল বোর্ডের মূখপাত্র মুফতী খালেদ সাইফুল্লাহ রাহমানী ৪পৃষ্ঠার দীর্ঘ চিঠি লিখলেন বাংলাদেশের আলেমদের উদ্দেশ্যে। আমরা সেটিও পৌঁছে দিয়েছি। এগুলো নিয়ে বইও হয়েছে! আপনারা কোন কথাই শুনেন নি? কখনো বিষয়টি নিয়ে একটু পজিটিভ হওয়ার চেষ্টা করেন নি?

ইউরোপের সবচেয়ে প্রভাবশালী আলেম ও শায়খুল হাদীস জাকারিয়া রহ এর খলিফা মাওলানা ইউসুফ মোতালা তাবলীগের এই মতানৈক্যের শুরুতে আপনাদের উদ্দেশ্য একেরপর এক বার্তা দিয়েছেন। এর খারাপ পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়ে সর্তক করেছেন। আপনারা এতো বড় বিশ্বখ্যাত এই আলেমের কথাকে কী কোন গুরুত্ব দিয়েছেন?

পাকিস্তানের মুফতী জারওয়ালী খান রহ এর অসংখ্য ভিডিও এখনো অনলাইনে ছড়িয়ে আছে, পাকিস্তান বেফাকের সভাপতি মাওলানা সালিমুল্লাহ খান রহ শূরা ও ইমারত নিয়ে দীর্ঘ চিঠি লিখলেন। আপনারা কী কখনো বুঝার চেষ্টা করেছেন? বিন নূর টাউন করাচির মুফতী নাঈম রহ একের পর এক চিঠি দিলেন, ভিডিও ছাড়লেন, আপনারা কী কোন গুরুত্ব দিয়েছেন কারো কথা?

নদওয়াতুল উলামা ভারতের শায়খুল হাদীস, দাওয়াহ ও আ'লাম বিভাগের প্রধান, অল ইণ্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল 'বোর্ড, হাজারো আলেমের উস্তাদ মাওলানা খালেদ নদভী গাজিপুরী গত ৩বছর ধরে বাংলাদেশে নিয়মিত আসছেন। আমরা বিভিন্ন জামিয়ায় তাকে নিয়ে যাচ্ছি। তিনি কথা বলছেন। আপনারা কেউ কী কোন সদুত্তর বা সদউদ্যোগ নিয়েছেন? এখনো তিনি বাংলাদেশে আছেন। গতকাল কাকরাইল মসজিদে বয়ান করছেন। ইজতেমায় থাকবেন।

শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় আলেম যাকে ধরা হয়, শ্রীলংকা ফতোয়া বোর্ডের প্রধান, দারুল উলুম করাচির দীর্ঘদিনের ইফতা বিভাগের মুশরিক, অসংখ্য ইলমি কিতাবের লেখক মুফতী এহিয়া সাহেব এখন বাংলাদেশে আছেন। গত তিন বছরে ঢাকার এমন কোন আলেম নেই যার কাছে তিনি তাবলীগের মাসআলা নিয়ে যান নি।

গত ৫বছর ধরে দারুল উলুম দেওবন্দের ওয়েবসাইটে নিজামউদ্দীন মারকাজ, সাদ সাহেবের রুজু, মসজিদে তাবলীগের কাজে বাধা না দেয়া ইত্যাদি বিষয়ে অসংখ্য ফতোয়া প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা এনিয়ে বইও করেছি। আপনাদের নিকট সারাদেশে তা পৌছানো হয়েছে। দেওবন্দের অনেক আলেম পজিটিভ কথা বলেছেন। সাদ কান্ধলভীর মেঝ ছেলের বিয়েতে দারুল উলুম দেওবন্দ ২৬জন উস্তাদ শরীক হয়েছেন। গেল ৫বছরের এতো সব বিষয়ের কিছুই আপনাদের কর্ণকুহরে পৌছেনা! দীলে কেন ধাক্কা দেয় না?

সর্বশেষ মাওলানা সৈয়দ আরশাদ মাদানী যাকে সবোর্চ্চ ইলমি মুরিব্বি মনে করেন, তিনি গতকাল বিষয়টি সুন্দর করে স্পষ্ট করলেন। দেশের সকল মিডিয়াতেও এসেছে। তারপরেও আপনারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। হযরতের বিরুদ্ধে এখন কথা বলছেন!

মাওলানা আরশাদ মাদানী এমন বক্তব্য আগেও দিয়েছেন, খোদ নিজে নিজামুদ্দিন মারকাজে গিয়েছেন, বয়ান করেছেন, সাদ সাহেবকে দাওয়াত করে দুইবার নিয়ে গিয়েছেন।

কিন্তু আমাদের দেশের আলেমরা তা বিশ্বাস করতে চান না ও স্বীকার করেন না। গতকাল হাজারো আলেমের সামনে বাংলাদেশে দিয়েছেন৷ এখনো বাংলাদেশে আছেন৷ তার কথাকে ঘুরিয়ে প্যাচিয়ে অপব্যাখ্যা না করে তাকে উলামায়ে কেরাম আবার জিজ্ঞেস করতে পারেন। তাকে নিয়ে বসার ব্যাবস্থা করে ২য় পর্ব ইজতেমার আগে বিষয়টি সুস্পষ্ট খোলাসা করতে পারেন। সে সময় ও সুযোগ এখন আছে। কিন্তু করবেন না! বিভ্রান্ত ছড়াবেন।

আমাদের দেশের শীর্ষ আলেমরা এখন চুপ। বিষয়গুলো চিন্তা করছেন। তারা বুকে আগলে নেয়ার চেষ্টা করছেন উভয় পক্ষ থেকেই।

কিন্তু জুনিয়র বক্তা সেন্ডিকেট, উগ্র আলেম ও ফেসবুক মুজাহিদরা এখনো ক্লান্তিহীন অপপ্রচারেই লিপ্ত। আসলে আপনারা কাকে মানেন? কে আপনাদের মুরুব্বি? আপনারা কী চান? তাহলে কী এদেশকে সমরখন্দ বোখারায় রূপ দিয়ে ক্লান্ত হবেন প্রিয় সেন্ডিকেট উলামায়ে কেরাম?!

দুনিয়াতে কী হবে জানিনা,তবে ময়দানে হাশরে পাই পাই করে এসবের হিসাব দিতে হবে মহান রবের সামনে ইনশাআল্লাহ।

সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ

তাবলীগ জামাত নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ফাতওয়া সমূহঃ-( দারুল উলূম দেওবন্দেের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট http://www.darulifta-deoba...
07/02/2024

তাবলীগ জামাত নিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের ফাতওয়া সমূহঃ-

( দারুল উলূম দেওবন্দেের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট http://www.darulifta-deoband.com য়ে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে আপনি চাইলে দেখতে পারেন)

১/ নিজামুদ্দিন মারকাজওয়ালাদের যে গোমরাহ বলবে সে নিজেই গোমরাহ।( ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ- জওয়াব নম্বর ৬৯৫১৮)

২/ দাওয়াত ও তাবলীগের মারকাজ নিজামুদ্দিনের ব্যক্তিবর্গরা সামগ্রিকভাবে আহলে হক্ব এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের উলামাদের সাথে সম্পৃক্ত ও তাঁদের মতাদর্শে বিশ্বাসী। তাই এই জামাতকে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের বহির্ভূত মনে করাও গোমরাহি। তবে হ্যাঁ যদি তাবলীগের সাথে সম্পৃক্ত কোন ব্যাক্তি ব্যক্তিগতভাবে ভুল চিন্তা ও মত লালন করে তাহলে সেটা ভিন্ন কথা। এজন্য পুরো জামাতকে ভুল আখ্যা দেওয়া যাবে না। ( ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ- জওয়াব নম্বর ৬৯১৫৮)

৩/ তাবলীগের জামাতের বর্তমান আভ্যন্তরিণ মতানৈক্যের সাথে দারুল উলূম দেওবন্দের নূন্যতম কোন সম্পর্ক নেই।( ‘এক জরুরী ওয়াজাহাত’ দারুল উলূম দেওবন্দ)

৪/ এ মতানৈক্য যেহুতু জামাতের আভ্যন্তরিণ বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত, দ্বীনি ইলম ও আহকাম এবং ফিকহী বিষয়ের সাথে নয় তাই তাদের এই মতানৈক্যপূর্ণ বিষয়ে উলূম দেওবন্দ উভয় দলের সাথে সমান সমান দূরত্ব বজায় রেখেছে ( এক জরুরী ওয়াজাহাত’ ও জওয়াব নম্বর ১৫৬১৩১)

৫/ তাই এই মতানৈক্যের সাথে দারুল উলূম দেওবন্দের কোন সম্পৃক্ততা নেই।( এক জরুরী ওয়াজাহাত’ দারুল উলূম দেওবন্দ)

৬/ দারুল উলূম দেওবন্দতাবলীগের মতবিরোধের ক্ষেত্রে কোন একপক্ষের পক্ষাবলম্বন পছন্দ করে না।( ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ-ফতোয়া নম্বর ১৫৬১৩১)

৭/ কেননা সে কোন এক নির্দিষ্ট পক্ষের নয় ( ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ-ফতোয়া নম্বর১৬৫৩৯৫)

৮/ দারুল উলূম দেওবন্দের এই নিরপেক্ষ অবস্থান ঘোষণা করা সত্ত্বেও এক দলের পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে এ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যে,দারুল উলূম দেওবন্দ এ সময়ে এক বিশেষ পক্ষের পক্ষপাতিত্ব করছে। এই ভুল ধারনার ভিত্তিতে দারুল উলূম ঘোষণা দিচ্ছে যে, তাবলীগ জামাতের বর্তমানের আভ্যন্তরিণ মতানৈক্যের সাথে দারুল উলূম দেওবন্দের কোন দূরতম সম্পর্কও নেই(“এক জরুরী ওয়াজাহাত” দারুল উলূম দেওবন্দ)

৯/ তাই দাওয়াত ও তাবলীগের এই মতানৈক্যের কারণে দারুল উলূম দেওবন্দ শুরু থেকেই চাচ্ছে যে, জামাতের বড়রা( দায়িত্বশীলগণ) পরস্পর আলোচনার মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব এটা দূর করবেন। এটা শুধু জামাতের জন্য নয় বরং সমগ্র জাতীর জন্য কল্যাণকর প্রমানিত হবে(“এক জরুরী ওয়াজাহাত” দারুল উলূম দেওবন্দ)

১০/ এক পক্ষ অপর পক্ষের দোষত্রুটি বয়ান না করলে এই দূরত্ব এমনিতেই ঘুচিয়ে যাবে।
( ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ- জওয়াব নম্বর
১৬৫৩৯৫)

১১/ কোন জামাআতকে নিজামুদ্দিন মারকাজের সাথে সম্পর্ক রাখার
কারণে মসজিদে ঢুকতে বাঁধা দেওয়া ঠিক নয়।যারা এমনটা করে তাদের এ কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। এমনটা করা ঠিক নয়।( ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ- জওয়াব নম্বর ১৫২৬৮৭)

১২/ মাওলানা সা’দ সাহেব ও নিজামুদ্দিন মারকাজের অন্যান্য বড় আকাবিরগণের মাধ্যমে ফুয়ুজ ও বরকত ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর হবে ইনশাআল্লাহ ( এক ব্যক্তির স্বপ্নের ব্যাখ্যা) ( ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ- জওয়াব নম্বর৫২৯৮৯)

১৩/ যারা কোন মুসলমানের উপর অপবাদ আরোপ করে ও দোষী সাব্যস্ত করতে উঠেপড়ে লাগে ঐ সমস্ত লোকদের দুনিয়া ও আখিরাতে পাকড়াও হওয়ার বিষয় সুস্পষ্ট। কুরআন হাদিস দ্বারা বিষয়টি প্রমাণিত। (ফতোয়ায়ে দারুল উলূম দেওবন্দ- জওয়াব নম্বর১৭০৪৯১)

ভাষান্তরঃ মুফতি আইয়ুব কাসেমী
প্রিন্সিপালঃ খাদিজাতুল কুবরা রাঃ আদর্শ মহিলা মাদ্রাসা গোপালগঞ্জ।

دارالافتاء، دارالعلوم دیوبند، انڈیا

এই মুহূর্তে সমস্ত নফল ইবাদতের চেয়ে গাজার মুজাহিদ ও সেখানকার বাসিন্দাদের আর্থিকভাবে সাহায্য করা উত্তম বলে মন্তব্য করেছেন ...
16/01/2024

এই মুহূর্তে সমস্ত নফল ইবাদতের চেয়ে গাজার মুজাহিদ ও সেখানকার বাসিন্দাদের আর্থিকভাবে সাহায্য করা উত্তম বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বনন্দিত ইসলামী স্কলার ও পাকিস্তানের বিশিষ্ট আলেম মুফতি তাকি উসমানি।

মঙ্গলবার জিও নিউজের উর্দু ভার্সনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি করাচিতে অনুষ্ঠিত ‘হুরমতে আকসা কনভেনশনে’ বক্তৃতাকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমার অভিমত হলো- যারা নফল ওমরাহ আদায়ের নিয়ত করেছেন, তারা ওই অর্থ ফিলিস্তিনের জিহাদে দান করুন।’

মুফতি তাকি উসমানির দাবি- নফল ওমরাহর বদলে গাজার মুজাহিদদের আর্থিক সাহায্য করলে আরো বেশি সওয়াব অর্জিত হবে। এর পাশাপাশি বরেণ্য এ আলেম আলেমদেরকে ফজরের নামাজে কুনুতে নাজেলা পড়ারও বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

মুফতি তাকি উসমানি বলেন, ‘আজকের অনুষ্ঠানের পটভূমি হচ্ছে যে- হামাসের তরফ থেকে জিহাদ শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে প্রিয় মাতৃভূমিতে (পাকিস্তান) অনেক সভা-সেমিনার ও মিটিং মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে আমি দেখছি যে ইস্যুটি ধীরে ধীরে আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাই আমরা চিন্তা করলাম- সবার আগে আলেমদের একত্র করে এই আহ্বান জানানো যে- আপনারা এই ইস্যুটি বাঁচিয়ে রাখুন।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইসলামী বিশ্বের অনেক ভূমির ওপর বিধর্মীদের দখল রয়েছে। কিন্তু এখানে ভূমির সমস্যা নয়, এমনকি সমস্যা এটিও নয় যে- সেগুলো বিধর্মীরা দখল করে রেখেছে; বরং মূল সমস্যা হলো- আল আকসা দখলের সমস্যা। ফিলিস্তিনের সমস্যা আল আকসার সমস্যা। মুসলিম উম্মাহর ওপর ফরজ হচ্ছে- এটিকে ইহুদিদের কবজা থেকে স্বাধীন করা। কারণ, সমস্যাটি আমাদের প্রথম কেবলাকে ঘিরে।’

-জিও নিউজ অবলম্বনে বেলায়েত হুসাইন

15/01/2024

#তোমাদের মধ্যে কি কারো নাম ওয়াইস??প্রশ্নটি করে ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে আছেন। ইয়েমেন থেকে আগত দলটির সামনে। এই দলটি ইয়েমেন থেকে মদিনা হয়ে যাবে ইরাক ও আস-সাম এর দিকে।এই ভদ্রলোকটি আর কেউ নন আমিরুল মুমিনীন হজরত ওমর (রাঃ)।প্রশ্নটি করে ওমর (রাঃ) অপেক্ষা করছেন:-

#অনেকদিন থেকেই ইয়েমেনের এই ব্যক্তিটিকে খুজছেন ওমর(রাঃ), প্রতিবারই ইয়েমেন থেকে কোন কাফেলা আসলে ওমর (রাঃ) তাদেরকে ওয়াইস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। কিন্তু এই ব্যক্তি সম্পর্কে কেউ কোন তথ্য দিতে পারে না। প্রতিবারই তাকে হতাশ হতে হয়। আজকে অবশ্য খালিফা ওমর (রাঃ) এর প্রশ্ন শুনে একজন দাড়ালেন। বয়সে বৃদ্ধ , বিশাল দাড়ি। তিনি ওমর (রাঃ) কে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ “আপনি কোন ওয়াইস এর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছেন সেটা তো জানি না তবে আমার ভাই এর ছেলের নাম ওয়াইস। কিন্তু তার ব্যপারে তো জিজ্ঞেস করার প্রশ্নই আসে না , সে তো এমন কেউ না।বরং সে এতই গরিব এবং এতই নতমস্তক যে আপনার পরিচিত হওয়ার প্রশ্নই আসে না। সে আমাদের উট গুলোর দেখা শোনা করে। এমনকি আমাদের মধ্যেও তার কোন বিশেষ স্থান নেই।
বৃদ্ধের কাছে ওমর (রাঃ) ওয়াইস সম্পর্কে আরও জানতে চাইলেন। বৃদ্ধ বললঃ ইয়া আমিরুল মুমিনিন কেন আপনি তার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? আল্লাহর কসম তার মত এত বোকা আর এত হতদরিদ্র আমাদের মধ্যে আর কেউ নেই। বৃদ্ধের এই কথা শুনে ওমর (রাঃ) তার চোখের পানি আটকাতে পারলেন না।অঝোরে কেদে দিলেন। তার কান্না গোপন রইল না। তিনি কাদতে কাদতে বললেনঃ “ তুমি হত দরিদ্র – সে না ।কারন আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি যে রাবিইয়া আর মুজার গত্রের লোক সংখ্যার ন্যায় মানুষকে আল্লাহ ওয়াইস এর সুপারিশের উসিলায় মাফ করে দেবেন এবং জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

এখন আমাকে বল কোথায় সে?” বৃদ্ধ বললঃ আরাফা’র চুড়ায় আছে সে। ওমর (রাঃ) আলী (রাঃ) কে নিয়ে দ্রুত আরাফায় গেলেন। ঐ তো একটা গাছের নিচে বসে ইবাদত করছেন ওয়াইস, তার চারিপাশের অনেক উঠ, ওমর (রাঃ) এবং আলী (রাঃ) তার সামনে গেলেন , তাকে উদ্দেশ্য করে বললেনঃ আসসালামু ওয়ালাইকুম।
ওয়াইস তার ইবাদত শেষ করে তাদের দিকে ফিরে সালামের উত্তর দিলেন। তারা তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ কে তুমি? সে বললঃ আমি উট দেখাশোনা করি এবং একটি গোত্রের কাজের লোক। তারা বললঃ আমরা তোমাকে তোমার পশু পালনের ব্যপারে জিজ্ঞেস করিনি এমনকি তুমি কোন গোত্রের কাজের লোক কিনা সেটাও জানতে চাইনি আমরা জানতে চাচ্ছি তোমার নাম কি? সে বললঃ আব্দুল্লাহ (আল্লাহর বান্দা)তারা বললঃ এই আসমান এবং জমিনে যত আল্লাহর সৃষ্টি আছে সবই আল্লাহর বান্দা কিন্তু তোমার
নাম কি যেটা দিয়ে তোমার মা তোমাকে সম্বধন করেন? সে বললঃ তোমরা আমার কাছে কি চাও? তারা বললঃ “ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) একবার আমাদেরকে ওয়াইস আল কারানি নামে এক ব্যক্তির কথা বলেছিলেন। তার বর্ননা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির থাকবে নিলাভ কালো চোখ। এবং তার বাম কাধের নিচে এক দিরহামের মত একটা সাদা দাগ থাকবে। তাই দয়া করে আমাদেরকে দেখতে দাও যে তোমার ঐ সাদা দাগটা আছে কিনা। তাহলেই আমরা বুঝবো আমরা যাকে খুজছি সে তুমি কি না? ওয়াইস তখন তার বাম কাধ উন্মুক্ত করে দেখালেন, দিরহামের ন্যায় সেই সাদা দাগটা স্পষ্ট ফুটে আছে তার বাম কাধের নিচে। ওমর (রাঃ) এবং আলী (রাঃ) এর বুঝতে অসুবিধা হল না যে এই সেই ওয়াইস আল কারনি যার কথা অনেক অনেক বছর আগে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাদেরকে বলেছিলেন।

তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) জীবিত। তিনি একটি হাদিসে কুদসি বর্ননা করেছিলেন (আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্নিত হয়েছে হাসিদটি) যেখানে তিনি বলেন,
যে আল্লাহ বলেনঃ“আল্লাহ সুবহানাওয়াতালা ভালো বাসেন তার সৃষ্টিকে যে আল্লাহ ভীরু, যার অন্তর পরিসুদ্ধ, তাদেরকে যারা নিজেদেরকে গোপন রাখে, এবং তাদেরকে যারা নিরপরাধ, যার মুখ মন্ডল ধুল মলিন, যার চুল এলোমেলো , যার পেট খালি, এবং সে যদি শাসকের সাথে দেখা করার অনুমতি চায় তাহলে তাকে তা দেয়া হয় না। এবং সে যদি একটু সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়ে বিয়ে করতে চায় তাহলে তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়,এবং সে যদি দুনিয়ার কিছু ত্যাগ করে সেটা কখনওই তার অভাব বোধ করে না। এবং সে যদি কোথাও থেকে বের হয়ে যায়তাহলে তার বের হয়ে যাওয়াও কেউ লক্ষ করে না। সে যদি অসুস্থ হয়, তাহলে তাকে দেখতে কেউআসে না এবং সে যদি মারা যায় তাহলে তাকে কবর পর্যন্ত পৌছে দিতেও কেউ আসে না।

এই হাদিস শুনে সাহাবারা তখন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে জিজ্ঞেস করেছিলেনঃ “ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এরকম একজনব্যক্তিকে আমরা কিভাবে খুজে পাব? রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছিলেনঃ ওয়াইস আল কারনি হচ্ছে এমনই একজন ব্যক্তি।তখন সাহাবারা জিজ্ঞেস করেছিলেনঃ কে এই ওয়াইস আল কারনি? নবীজি (সাঃ) বলেছিলেনঃ তার গাত্র বর্ন কালো,কাধ প্রশস্থ, উচ্চতা মাঝারি, তার দাড়ি তার বুক পর্যন্ত লম্বা, তার চোখ সবসময় অবনমিত থাকে সেজদার স্থানে। তার ডান হাত থাকে তার বাম হাতের ওপর। সে একান্তে এমনভাবেই কাদে যে তার ঠোট স্ফীত হয়ে যায়। সে একটা উলের পোশাক পরে এবং আসমানের সবাই তাকে চেনে। যদি সে আল্লাহর নামে কোন শপথ করে , সে তা পালন করে। তার ডান কাধের নিচে একটা সাদা দাগ রয়েছে। যখন আখেরাতের দিন আসবে এবং আল্লাহর বান্দাদের কে বলা হবে জান্নাতে প্রবেশ কর তখন ওয়াইসকে বলা হবে ‘দাঁড়াও এবং সুপারিশ কর’ আল্লাহ সুবহানাওয়াতালা তখন তার সুপারিশ অনুযায়ী মুজির এবং রাবিয়া (ওয়াইসের দুই গোত্রের নাম) গোত্রের লোক সংখ্যার সমান লোককে ক্ষমা করে দেবেন ।

সুতরাং হে ওমর এবং আলী তোমরা যদি কখনও তার দেখা পাও তাহলে তাকে বল তোমাদের জন্যে আল্লাহর কাছে সুপারিশ করতে, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করবেন।” রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ওয়াইস সম্পর্কে আরো বলেছিলেন যে তার ঘরে বৃদ্ধা মা আছে। যার পুরো দেখা শোনা ওয়াইস করেন এবং বৃদ্ধা মা কে দেখা শোনার জন্যে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহনের পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সাথে দেখা হওয়ার যে সুবর্ন সুযোগ ছিল তা গ্রহন করতে পারে নি। (ওয়াইস আল কারনি তার মায়ের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে রাসুলুল্লাহ(সাঃ) এর সাহাবী হওয়ার মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হন। তাই রাসুলুল্লাহ
(সাঃ) এর জীবদ্দশায় ইসলাম কবুল করলেও তিনি তাবেই রয়ে যান। )

এই ঘটনার পর প্রায় দশ বছর কেটে গেছে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আর তাদের মাঝে নেই। আবু বকর (রাঃ) ও দুনিয়া ছেরেছেন। এর মধ্যে শত খোজার পরও ওয়াইস আল কারনিকে খুজে পান নি তারা। আর আজকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর বর্ননা কৃত সেই ওয়াইস আল কারনি তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ওমর (রাঃ) এবং আলী (রাঃ) ওয়াইস আল কারনি কে জরিয়ে ধরে বললঃ “আমরা সাক্ষ দিচ্ছি যে তুমিই সেই ওয়াইস আল কারনি। সুতরাং আল্লাহর কাছে আমাদের জন্যে ক্ষমার সুপারিশ কর এবং আল্লাহ তোমাকেও ক্ষমা করুক।” উত্তরে ওয়াইস বললেনঃ কোন আদম সন্তান বা নিজেকে আমি ক্ষমা করানোর ক্ষমতা রাখি না , তবে এই জমিনে ইমানদার পুরুষ এবং ইয়ামানদার নারি রয়েছে, মুসলিম নারী মুসলিম পুরুষ রয়েছে যাদের দোয়া আল্লাহর দরবারে কবুল হয়। তারা বললেনঃ সত্যিই তাই। তখন তিনি বললেনঃ আপনারা দুজন আমার সম্পর্কে জানেন এবং আমি আমার অবস্থান সম্পর্কে জানি কিন্তু আপনারা কারা? আলী (রাঃ) তখন ওমর (রাঃ) কে দেখিয়ে বললেনঃ ইনি হচ্ছেন আমীরুল মুমিনিন ওমর বিন খাত্তাব (রাঃ) এবং আমি হচ্ছি আলী বিন আবু তালিব (রাঃ)ওয়াইস তাদের পরিচয় শুনে সোজা হয়ে দাঁড়ালেন এবং তাদের উদ্দেশ্য করে বললেনঃ আসসালামু ওয়ালাইকুম ইয়া আমি রুল মুমিনিন এবং আলী আপনাকেও। আল্লাহ আপনাদেরকে এই উম্মাহর জন্যে উত্তম প্রতিদান দান করুক।তারাও বললঃ আল্লাহ তোমাকেও উত্তম প্রতিদান দেক। এর পর ওয়াইস আল কারনি তাদের জন্যে দোয়া করলেন।

ওমর (রাঃ) ওয়াইস আল কারনি কে বললেনঃ “ তুমি এখন ইহকাল এবং পরকালে আমার বন্ধু।” ওয়াইস আল কারনি জানেন ইহজীবনে ওমরের বন্ধু হওয়া মানে সুনাম এবং একটি সচ্ছল জীবন, তাই তিনি ওমর (রাঃ) এর বন্ধুত্ব তো গ্রহন করলেন কিন্তু খুব বিনয়ের সাথে তার সাথের সচ্ছলতা এবং সুনাম যা ওমর (রাঃ) এর মাধ্যমে সে পেতে পারত সেটাকে প্রত্যাখ্যান করলেন। সে যেমন আছেন ঠিক তেমনই থাকার ইচ্ছে পোষণ করলেন। ওমর (রাঃ) বলেনঃ তুমি কোথায় যেতে চাও এখন? ওয়াইস আল কারনি বলেনঃ ইরাকের কুফায়।ওমর (রাঃ) ঠিক আছে আমি একটা চিঠি লেখে দেই কুফার গভর্নরকে যাতে সে তোমার ভালো দেখা শোনা করতে পারে। ওয়াইস বললেনঃ দয়া করে এই কাজ করবেন না।কারন আমি নিজেকে এইভাবে অচেনা রাখতেই পছন্দ করি। আমি আল্লাহর রাস্তায় এভাবেই অপরিচিত হয়েই থাকতে চাই।এরপর সে কুফায় চলে যায়। সেখানেই বসতি স্থাপন করে। এইভাবে কেটে যায় আরও কিছু বছর , একবার কুফা থেকে ওয়াইস আল কারনির গোত্রের এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি মদিনায় আসেন। তার কাছে ওমর(রাঃ) ওয়াইস আল কারনি কেমন আছেন তা জানতে চান। খালিফা ওয়াইস আল কারনির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করছে দেখে সেই ব্যক্তি খুব অবাক হয় , সে খালিফা ওমর (রাঃ) কে উদ্দেশ্য করে বলেঃ আমি তাকে দারিদ্রতায় নিমজ্জিত দেখে এসেছি্ ,তার ঘরে কোন আসবাব নেই, কেন আপনি এই ব্যক্তির কথা জিজ্ঞেসকরছেন ।

ওমর (রাঃ) এই ব্যক্তিকে বললেনঃ যদি তুমি তার দেখা পাও , তাকে বলো তোমার জন্যে দোয়া করতে কারন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তার কথা বলেছিলেন। সেই ব্যক্তি কুফায় ফিরে ওয়াইসের সাথে দেখা করে। তাকে বলে ঃ ওয়াইস আমার জন্যে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর।ওয়াইস বললেনঃ তুমি নিজে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। কারন তুমি মাত্র সফর করে আসলে। আর মুসাফিরের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। সে বললঃ না না। আমি চাই তুমি আমার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা কর। ওয়াইস আল কারনি একটু চুপ থাকলেন তারপর বললেনঃ “তোমার কি ওমরের সাথে দেখা হয়ে ছিল?” সে বললঃ হ্যা । ওয়াইস আল কারনি বুঝতে পারল কি হয়েছে ব্যপারটা ।

তিনি কিছু বললেন না।ঐ ব্যক্তির জন্যে দোয়া করলেন। এই ঘটনা পুরো কুফায় আগুনের মত ছরিয়ে পড়ল ,সবাই জেনে গেল ওয়াইস আল কারনি সম্পর্কে । নিজেদের আল্লাহর দরবারে মাফ করিয়ে নিতে মানুষ জন যখন ওয়াইসের খোজে তার বাড়ি গেল , দেখলো বাড়ি খালি পরে আছে ওয়াইস নেই। নাম , যশ , খ্যাতি সব কিছুকে দু হাত দিয়ে ছুরে ফেলে একমাত্র আল্লাহর জন্যে বেচেছেন তিনি। তার তাকওয়া , তার মর্যাদা তিনি কারো কাছে প্রকাশ করতে চান নি।।

কালেক্টেড

06/01/2024

➤সহজ ৬ টি আমল...প্রতিদিন পালন করুন ইনশাআল্লাহ 🖊️

➤১.বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করবেন। আল্লাহ নিজ জিম্মায় আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
-(সহি ফাযায়েলে আমল ১৪১,সহি তারগিব ৩১৬)

➤২.মনোযোগী হয়ে আযানের উওর দিবেন। যে ব্যক্তি মনোযোগী হয়ে আযানের উওর দিবে জান্নাত তার জন্য ওয়াজিব হয়ে যাবে।
-(আবু দাউদ ৫২৭)

➤৩.নিজে সঠিক হওয়া সত্বেও ঝগড়া পরিহার করবেন। রাসুল (সাঃ) আপনার জন্য জান্নাতে একটি ঘরের জিম্মাদার হবেন।
-(আবু দাউদ ৪৮০০)

➤৪.আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'পড়লে তার জন্য জাহান্নাম হারাম।
-(সহি বুখারী ৬৪২৩)

➤৫.অযুর পর কালিমা শাহাদাত পাঠ করবেন।তাহলে আপনি যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন।
-(সুনানে ইবনে মাজাহ ৪৭০)

➤৬.প্রতিদিন অন্তত কয়েকবার হলেও 'সূরা ইখলাস'পাঠ করবেন। যে ব্যক্তি সূরা ইখলাস পাঠ করবে তার জন্য জান্নাত সুনিশ্চিত।
-(মিশকাতুল মাসাবিহ ২১৬০)

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার

➤তৌফিক দান করুক।
আমিন।

24/12/2023

আবদুর রহমান ইবনে আবু নুম রাহিমাহুল্লাহর মাথায় প্রচুর উকুন ছিলো। উকুনের কারণে তিনি অতিষ্ঠ ছিলেন। উকুন নিধনের জন্য অনেককিছু করলেন, কোনো লাভ হলো না।

একদিন তিনি আল্লাহর কাছে দু’আ করলেন- “হে আল্লাহ! আমার মাথায় অনেক উকুন। উকুন থেকে আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই।”

আল্লাহ তার দু’আ কবুল করলেন। দু’আ শেষ করতে না করতেই তার মাথা থেকে বলের মতো উকুনগুলো ঝরে পড়লো।

আমরা ছোটোখাটো বিষয়ে কি আল্লাহর কাছে দু’আ করি? মাথায় খুশকি আছে, স্যাম্পু ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে না। আল্লাহর কাছে কি দু’আ করি- “আল্লাহ! আমার মাথার খুশকি দূর করে দিন?”

ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই না কেনো? আমাদের কি মনে হয় ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহ সাহায্য করেন না? কিংবা এসব ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে চেয়ে কী হবে?

সালাফগণ ‘ছোটোখাটো’ ব্যাপারেও আল্লাহর কাছে সাহায্যপ্রার্থনা করতেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:

“তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকটে প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।” [জামে আত-তিরমিজি: ৩৬০৪]

Address

Chittagong
4330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when *eimanee Andulon=ঈমানী আন্দোলন* posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share