Meriyana Travels, Chittagong

Call Directions Website Contact the organization

Meriyana Travels, Chittagong Reserve Service

নিরাপদ যাত্রা, হাসি খুশি পরিবার।
05/08/2026

নিরাপদ যাত্রা, হাসি খুশি পরিবার।

রিজার্ভ গাড়ি সার্ভিস এর একটা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম শহর থেকে যেকোন জায়গায় রিজার্ভ গাড়ি এর সার্ভিস দেওয়া হয়...
05/08/2026

রিজার্ভ গাড়ি সার্ভিস এর একটা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
চট্টগ্রাম শহর থেকে যেকোন জায়গায় রিজার্ভ গাড়ি এর সার্ভিস দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম শহর ছাড়া রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও হাটহাজারী থেকে দেশের যে কোন প্রান্তে সার্ভিস দেওয়া হয়।
যোগাযোগ: মেরিয়ানা ট্রাভেলস, চট্টগ্রাম।

রিজার্ভ গাড়ি সার্ভিস এর একটা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রাম শহর থেকে যেকোন জায়গায় রিজার্ভ গাড়ি এর সার্ভিস দেওয়া হয়...
02/08/2026

রিজার্ভ গাড়ি সার্ভিস এর একটা বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।
চট্টগ্রাম শহর থেকে যেকোন জায়গায় রিজার্ভ গাড়ি এর সার্ভিস দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম শহর ছাড়া রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও হাটহাজারী থেকে দেশের যে কোন প্রান্তে সার্ভিস দেওয়া হয়।
যোগাযোগ: মেরিয়ানা ট্রাভেলস, চট্টগ্রাম।

14/02/2026

শুরু হল নতুন এক অধ্যায়। নতুন এক বাংলাদেশ। অনেক বছর পর ফিরে এল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ,
জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ।

Congratulations  for your new life
07/02/2026

Congratulations for your new life

26/01/2026

আমি স্বামীর অজান্তে আমার প্যা-রা*লাইজড শ্বশুরকে গোসল করাতাম—একদিন তার শরীরে দেখা সেই দা,গ আমার পুরো জীবন বদলে দিল

মিতু কখনো ভাবেনি, জীবনে এমন একটা দিন আসবে—যেদিন সে নিজের অতীতকে সামনে বসে নিঃশব্দে শ্বাস নিতে দেখবে।

মিতুর স্বামী রাহিব হোসেন। ঢাকার একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সমাজে পরিচিত নাম। আত্মীয়স্বজনের কাছে ভীষণ সম্মানিত। তারা থাকত ধানমন্ডির একটি বড় পুরোনো বাড়িতে। সঙ্গে থাকতেন রাহিবের বাবা—হাজী আবদুল করিম।

হাজী সাহেব একসময় ছিলেন শক্তপোক্ত মানুষ। এলাকার সালিশে কথা বলতেন। সবাই তাকে ভয়ও পেত, সম্মানও করত। কিন্তু পাঁচ বছর আগে হঠাৎ স্ট্রোক।

সেই স্ট্রোক যেন মানুষটাকে একেবারে থামিয়ে দিয়েছে।

তিনি কথা বলতে পারেন না। হাত-পা নড়াতে পারেন না। শুধু চোখ দিয়ে তাকান। আর ধীরে ধীরে শ্বাস নেন।

বিয়ের আগে রাহিব একদিন মিতুকে খুব গম্ভীরভাবে ডেকে বসিয়েছিল।

— মিতু, একটা কথা পরিষ্কার করে বলি। আব্বার ব্যাপারে একটা নিয়ম আছে।
— কী নিয়ম?

মিতু ভেবেছিল, হয়তো কোনো পারিবারিক ব্যাপার।

— আমি বাসায় না থাকলে তুমি কখনোই আব্বার ঘরে ঢুকবে না।
— কেন?
— ওনার দেখাশোনা করার জন্য লোক আছে। নার্স আছে। তুমি হাত দেবে না। গোসল করানো, কাপড় বদল—কিছুই না।

মিতু একটু অবাক হয়েছিল।

— আমি তো তার বউমা… সাহায্য করলেও তো দোষের কিছু নেই…

রাহিবের গলা হঠাৎ শক্ত হয়ে গিয়েছিল।

— না। আব্বা চান না কেউ তাকে এই অবস্থায় দেখুক। বিশেষ করে পরিবারের কেউ না। একটা কথা মনে রেখো—এই নিয়ম ভাঙলে সংসারে আগুন লাগবে।

ভালোবাসার খাতিরে মিতু চুপ করে গিয়েছিল।

দুই বছর। দুইটা পুরো বছর।

মিতু কখনো সেই ঘরের দরজায় পা রাখেনি।

দিনে দিনে হাজী সাহেবের দেখাশোনা করত একজন নার্স—শফিক। নির্ভরযোগ্য লোক। সকাল-বিকাল সব সামলাত।

সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল।

একদিন রাহিব তিন দিনের জন্য চট্টগ্রাম গেল কাজের কারণে।

দ্বিতীয় দিন দুপুরে মিতু একটা ফোন পেল।

— ভাবি… আমি শফিক বলছি… একটা বিপদ হয়ে গেছে।
— কী হয়েছে?
— সকালে বাইক থেকে পড়ে গেছি। এখন হাসপাতালে। আজ আর কাল আসতে পারব না।

মিতুর বুকটা হঠাৎ কেমন যেন ধক করে উঠল।

— তাহলে আব্বা?
— পাশের এক লোককে বলে রেখেছি… কিন্তু সে ঠিকমতো পারবে কিনা জানি না।

ফোন রেখে মিতু অনেকক্ষণ চুপ করে বসে ছিল।

তারপর ধীরে ধীরে সে হাজী সাহেবের ঘরের দিকে গেল।

দরজা খুলতেই একটা গন্ধ নাকে এসে লাগল। এমন গন্ধ, যেটা বোঝাতে শব্দ লাগে না। চোখে পানি চলে এলো।

হাজী আবদুল করিম বিছানায় পড়ে আছেন। কাপড় নোংরা। শরীর ঘেমে ভেজা। চোখ দুটো তাকিয়ে আছে দরজার দিকে—ভীষণ অসহায়।

মিতুর বুকটা ফেটে গেল।

— আল্লাহ… আমি কীভাবে আপনাকে এভাবে ফেলে রাখি…

সে জানত, রাহিব জানলে রাগে আগুন হয়ে যাবে।

তবু মিতু থামেনি।

সে পানি গরম করল। তোয়ালে আনল। পরিষ্কার কাপড়।

ধীরে ধীরে হাজী সাহেবের পাশে বসে বলল—

— ভয় পাবেন না আব্বা… আমি আছি। কেউ একা এমন কষ্ট পাবে না।

হাত কাঁপছিল তার।

কাপড় খুলিয়ে যখন সে পরিষ্কার করতে শুরু করল, তখন হঠাৎ—

মিতুর চোখ আটকে গেল।

হাজী সাহেবের বুকের পাশে, ডানদিকে—একটা পুরোনো দাগ।

খুব পুরোনো। গভীর। একটা অদ্ভুত আকৃতির।

মিতুর মাথা ঝাঁ ঝাঁ করতে লাগল।

কারণ সেই দাগটা সে চেনে।

ভীষণ ভালো করে চেনে।

ঠিক একই দাগ… তার নিজের শরীরেও আছে।

ছোটবেলার একটা রাত। আগুন। চিৎকার। হাসপাতাল। আর সেই দাগ।

মিতু মেঝেতে বসে পড়ল।

— না… এটা হতে পারে না…

হাজী সাহেবের চোখে জল চলে এলো।

অনেক কষ্টে, ভাঙা শক্তিতে—
তিনি মিতুর হাতটা চেপে ধরলেন।

একটুও কথা নেই।

কিন্তু সেই চাপে সব বলা ছিল।

“তুমিই সেই মেয়েটা।”

মিতু তখন বুঝে গেল—

যে মানুষটাকে সে এতদিন শুধু শ্বশুর ভেবে এসেছে, তিনি তার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন।

আর রাহিব যখন বাসায় ফিরবে—

---চলবে.....
মিতু
ইংলিশ স্টোরি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে লেখা।

সংগৃহীত পোস্ট

21/01/2026

এক অসাধারণ পরিবেশনা

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Meriyana Travels, Chittagong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Meriyana Travels, Chittagong:

Shortcuts

Share