02/11/2025
সালমান হত্যায় মৌসুমী -সোহান চক্রের যোগসূত্র:
-----------------------------------------------
কী শিরোনাম দেখে অবাক লাগছে তাইনা? হ্যাঁ এমনই। এরজন্যে কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি বা সুটিংয়ের সময় থেকে শুরু করা,যাক। পরিচালক সোহান এবং আনন্দ মেলা সিনেমার প্রযোজক সুকুমার রঞ্জন ছিলেন মৌসুমীর বাহুলগ্না যা তখনকার সবাই জানতেন। কারন মিডিয়ায় আসার আগে বিয়ে হওয়া এবং ডিভোর্সী মৌসুমী জানতো কীভাবে নিজের সুবিধার জন্যে পুরুষদের হাত করতে হয়। মৌসুমী যে বিবাহিত এবং ডিভোর্সী এটা কেয়সমত থেকে কেয়ামতের ইউনিটের সবাই জানতে।
তো স্যুটিংয়ের সময় মৌসুমীকে বেশী গুরুত্ব দেয়া এবং কেয়ামতের প্রমোশানে মৌসুমীকে বেশীগুরুত্ব দেয়ায় সালমানের সাথে মৌসুমী এবং সোহানের মানুষিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়। সেটা আরো প্রকট হয় কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তির পর সালমানের সমবয়সী বা বয়সে বড়( সালমানের মা নীলা চৌধুরীর ভাষ্য মতে) নায়িকা মৌসুমী দাবী করেই বসেন কেয়ামত থেকে কেয়ামত চলেছে তার কারনে, সালমানের কারনে নয়। এই বিষয় সালমানের নজরে আসার পর সালমান সিদ্ধান্ত নেন মৌসুমীর সাথে কাজ করবেননা। এছাড়া মৌসুমীর পুরুষদের উপর গায়ে পড়া স্বভাব থাকায় সামিরাও নাখোশ হন ( সালমানের পিএসের সাম্প্রতিক ভাষ্যমতে).সো এসবগুলো কারনে সালমান মৌসুমীর উপড় বেজায় নাখোশ হন এবং একসাথে আর মুভি না করার সিদ্ধান্ত নেন।সালমানের এই সিদ্বান্তে মৌসুমী এবং সোহান চক্র প্রতিশোধ পরারয়ন হয়ে সুযোগ খুঁজতে থাকেন।
এরপর মৌসুমী সানীর সাথে আর সালমান পেয়ে যান তারসাথে সবথেকে মানানসই এবং কিশোরী নায়িকা শাবনুরকে। মুক্তি পায় "তুমি আমার" যা সুপার বাম্পার হিট ব্যাবসা করে এবং একের পর এক সালমান শাবনুর সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হতে থাকে। অন্যদিকে সানীর সাথে মৌসুমী জুটি করলেও সালমান -শাবনুরের কেমিস্ট্রির কাছে পাত্তা পায় না। এরপর থেকে সাহান -মৌসুমী চক্র সালমানের পিঁছন পিঁছন ঘুরতে থাকে একটা মুভি মৌসুমীর সাথে করবার জন্যে কিন্ত সালমান, মৌসুমী এবং সোহানকে সরাসরি না বলে দেন। যার কারন মৌসুমী-সোহান চক্র আরো ফুঁষতে থাকে আর ভাবতে থাকে কীভাবে সালমানের সাথে শাবনুরের জুটি ভেঙে দিয়ে সালমানকে বিপদে ফেলা যায়! এরপরথেকে এক কুচক্রী সাংবাদিক মহল দিয়ে সোহান -মৌসুমী চক্র তথা সিন্ডিকেট পরিচিত সাংবাদিকদের দিয়ে পত্রিকাতে নিউজ করাতে থাকে সালমান-শাবনুর প্রেম করছে, এই করছে, সেই করছে.....রকমের হাজারো মিথ্যা নিউজ। কারন একটাই সালমানের জীবন বিষিয়ে দিয়ে শাবনুরের সাথে জুটি ভেঙে দেয়া এবং সালমানকে বিপদে ফেলা যাতে আবার সালমান তাদের কাছে ফিরে যায়। কিন্তুু কাজে সততা নিয়ে এবং ডেডিকেশান নিয়ে সালমান আর মৌসুমীর দিকে ফিরেও তাকায়নি।
এভাবেই দিন যেতে থাকে জুলাই '১৯৯৬ সালে সালমান শাবনুরের স্বপ্নের পৃথীবি এবং সানী -মৌসুমীর গরীবের রানী একইদিনে রিলিজের দিন ঠিক হয় এবং মুক্তি পেয়ে স্বপ্নের পৃথিবী বাম্পার হিট ব্যাবসা করতে থাকে এবং গরীবের রানী সুপার ফ্লপ হতে থাকে। এই সময়ই চিত্রালী পত্রিকায় নিউজ হয় সালমান-শাবনুর বিয়ে করে ফেলেছে তাও আবার স্বপ্নের পৃথিবীরই তকই স্টীল দিয়ে। এর কারন ছিলো একটাই সালমানকে শাবনুরকে সামিরার চোখে প্রশ্নবিদ্ধ করে সালমানের জীবন বিষিয়ে দেয়া।
এখন সালমান ভক্ত, শাহরান এবং নীলা আন্টির কাছে প্রশ্ন সানী-মৌসুমী'র গরীবের রানী সিনেমার সাথে স্বপ্নের পৃথিবী মুক্তি পাবার সময় সালমান-শাবনুরের নামে মিথ্যা নিউজ কারা ছড়াতে পারে এবং ছড়ালে লাভ কার এটা বুঝতে কী খুব বেশী সাইন্স জানা দরকার আছে। উত্তর টা হলো গরীবের রানীর নায়িকা এবং তাদের টীমের কাজ এবং তাদেরই লাভ কারন মৌসুমী চক্র চায়নি সালমানের ছবি ভালো যাক।আর এভাবে সোহান-মৌসুমী চক্ত সামিরা-সালমানের সংসারে আগুন লাগিয়ে দেয়!
এই পটভুমির সাথে নিচের যৌক্তিক পয়েন্টগুলোর যৌক্তিকতা সালমান ভক্তরা এবং সালমান পরিবার ভেবে দেখেছেন?
-------------------------------------------
১. মৌসুমী এতো মায়াকান্না করে সালমানের জন্মদিন আর মৃত্যুদিন আসলে কিন্তু সালমানকে কেনো তার বিয়েতে (প্রেগন্যান্ট অবস্হায় বিয়েতে)??? কারন কী জানেন জুটি ভাঙার পর মৌসুমীর ঘোরতর শত্রু ছিলো সালমান ইভেন শাবনুরকেও দাওয়াত দেয়নি।
২.মৌসুমী মায়াকান্না করে কিন্তু মৌসুমী কী আজও পর্যন্ত সালমান হত্যার বিচার চেয়েছে বা নীলা আন্টির কাছে গিয়েছে? যায়নি কারন নীলা আন্টি জানের সালমান হত্যাশ সোহন-মৌসুমী চক্র সালমানের শত্রু ছিলো মৌসুমীর সাথে সিনেমা না করায়!
৩. মৌসুমী সবসময় বলে সালমান তার ছোট বেলার ফ্রেন্ড ছিলো। এরা বলে সালমান ভক্তদের সিমপ্যাথি নিতে চায় যাতে তার সাথে সালমানের শত্রুতার বিষয়টা সামনে না আসে। সম্পরতি নীলা আন্টি বলেছেন সালমান কখনোই মৌসুমীর বন্ধু ছিলোনা।এবং মৌসুমী সালমানের থেকে বয়সে বড়।
৪. জুটি ভাঙার পর থেকে সালমান মৌসুমীর মুখ দেখাদেখি বন্ধ ছিলো কিন্তু সালমান মৃত্যুর আগের দিনই কেনো হঠাৎ করে সালমাননের সাথে দেখা করতে প্রেম পিয়াসীর ডাবিং এ হাজির হলো। কিন্ত কী এমন রহস্য যে বিরোধী শত্রু হয়েও নৌসুমী সালমানের মৃত্যুর আগের দিনই সন্ধ্যায় সালমান-শাবনুরের ডাবিং দেখতে গেলো। সাথে ছিলে শয়তান সোহানও য কিনা সালমানের শত্রুও।
৫. সোহান এবং মৌসুমী চক্র বলে বেড়া প্রেম পিয়াসীর ডাবিং এ শাবনুর-সালমান ঘনিষ্ট হয়ে কানে কানে কথা বলছে। অথচ সালমান -শাবনুরের কোন কথাই হয়নি ঐদিন সামিরা আসার পর। কারন সামিরা আসার পররই পরিচালক রেজা হাসমত শাবনুরকে ছুটি দিয়ে দেন এবং শাবনুর সবাইকে সালাম দিয়ে বাসায় চলে যায়! এটা প্রেম পিয়াসীর ওরিচালক রেজাহাসমত ইন্টারভিউতে বারবার বলেছেন।
৬.সালমান-শাবনুর জুটির নামে মিথ্যা প্রেমের গুজব ছড়িয়ে জুটি ভাঙলে লাভ কার? নিশ্চয়ই মৌসুমী সানীর।
৭.সালমান মারা যাওয়াশ লাভবান হয়েছে কে বা কারা? নিশ্চয়ই মৌসুমী -সামীরা কারন সালমান মরার পর শাবনুরের জুটি ভেঙে যাওয়ায় সালমানের ম্যাক্সিমাম সিনেমা করে ওমর সানী।এবং শাবনুর তার জুটি হারানোতে লাভবান কে হয় নিশ্চয়ই মৌসুমী!
৮.মৌসুমী কী সামিরার বিরুদ্ধে বলেছে কখনো উত্তর করেনি।কারন ফিল্মের যে ডিন্ডিকেট সালমান হত্যায় জড়িত ছিলো তার মাঝে মৌসুমী-সানী-সোহানও ছিলো যাদের সবারই সামিরার সাথে যোগসূত্র ছিলো।
৯. যে লেডিকিলার আজিজ মোহাম্মদকে নিয়ে সামিরার পরকীয়ার গুঞ্জন সালমান মারা যাবার পর সেই আজিজের সিনেমায় মৌসুমী প্রায় পুরো নগ্ন হয়ে তার প্রযোজিত সিনেমা( মাতৃত্ব এবং আমার প্রতিজ্ঞা) করলেন কী এবং বাধ্যবাধকতা বা কী এমন রহস্যজনক কারন। যেখানে সালমানের হত্যার আসামী আজিজ সুতরাং সালমানের মৃত্যুর পর তারই হতযাকারীর সিনেমা মৌসুমী করলেন????
১০.মৌসুমী সালমানের মৃত্যুর পর সালমানের বিষয় নিয়ে এতো বন্ধুত্বের মিথ্যা গল্প করে কিন্ত সালমান বেঁচে থাকতে কোন একটা সাক্ষাতকার দেখাতে পারবেননা যেখানে সালমান বলেছে নৌসুমী তার ভালো বন্ধু বা কলিগ। সত্যি হলো সালমান বলেনি কারন সালমান জানতো নৌসুমীর তার বন্ধু নয় বরং সবথেকে বড় শত্রু!
নব্বই দশকে আশা তারকাদের মাঝে সবথেকে পলিটিশিয়ান ছিলো এই নটোরিয়াস মহিলা মৌসুমী যে কিনা বিয়ে ডিভোর্স খেয়ে চলচ্চিত্রে এসে আবার ২য় বিয়ের আগে অবৈধভসবে প্রেগন্যান্ট হওয়া এই নায়িকা। সালমান হত্যায় তার যোগ সাজেগ আছে বলে সালমানকে নিয়ে মায়া কান্না করে দৃশ্যপটের বাইরে থাকতে চায়। সময় এসেছে প্রাশাসনের তাকে ডেকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবার।
゚viralシfypシ゚viralシ