RuposiBangla.net

RuposiBangla.net (A.T.C) news,videos&entertainments

সালমান হত্যায় মৌসুমী -সোহান চক্রের যোগসূত্র: -----------------------------------------------কী শিরোনাম দেখে অবাক লাগছে ত...
02/11/2025

সালমান হত্যায় মৌসুমী -সোহান চক্রের যোগসূত্র:
-----------------------------------------------
কী শিরোনাম দেখে অবাক লাগছে তাইনা? হ্যাঁ এমনই। এরজন্যে কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি বা সুটিংয়ের সময় থেকে শুরু করা,যাক। পরিচালক সোহান এবং আনন্দ মেলা সিনেমার প্রযোজক সুকুমার রঞ্জন ছিলেন মৌসুমীর বাহুলগ্না যা তখনকার সবাই জানতেন। কারন মিডিয়ায় আসার আগে বিয়ে হওয়া এবং ডিভোর্সী মৌসুমী জানতো কীভাবে নিজের সুবিধার জন্যে পুরুষদের হাত করতে হয়। মৌসুমী যে বিবাহিত এবং ডিভোর্সী এটা কেয়সমত থেকে কেয়ামতের ইউনিটের সবাই জানতে।

তো স্যুটিংয়ের সময় মৌসুমীকে বেশী গুরুত্ব দেয়া এবং কেয়ামতের প্রমোশানে মৌসুমীকে বেশীগুরুত্ব দেয়ায় সালমানের সাথে মৌসুমী এবং সোহানের মানুষিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়। সেটা আরো প্রকট হয় কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তির পর সালমানের সমবয়সী বা বয়সে বড়( সালমানের মা নীলা চৌধুরীর ভাষ্য মতে) নায়িকা মৌসুমী দাবী করেই বসেন কেয়ামত থেকে কেয়ামত চলেছে তার কারনে, সালমানের কারনে নয়। এই বিষয় সালমানের নজরে আসার পর সালমান সিদ্ধান্ত নেন মৌসুমীর সাথে কাজ করবেননা। এছাড়া মৌসুমীর পুরুষদের উপর গায়ে পড়া স্বভাব থাকায় সামিরাও নাখোশ হন ( সালমানের পিএসের সাম্প্রতিক ভাষ্যমতে).সো এসবগুলো কারনে সালমান মৌসুমীর উপড় বেজায় নাখোশ হন এবং একসাথে আর মুভি না করার সিদ্ধান্ত নেন।সালমানের এই সিদ্বান্তে মৌসুমী এবং সোহান চক্র প্রতিশোধ পরারয়ন হয়ে সুযোগ খুঁজতে থাকেন।

এরপর মৌসুমী সানীর সাথে আর সালমান পেয়ে যান তারসাথে সবথেকে মানানসই এবং কিশোরী নায়িকা শাবনুরকে। মুক্তি পায় "তুমি আমার" যা সুপার বাম্পার হিট ব্যাবসা করে এবং একের পর এক সালমান শাবনুর সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হতে থাকে। অন্যদিকে সানীর সাথে মৌসুমী জুটি করলেও সালমান -শাবনুরের কেমিস্ট্রির কাছে পাত্তা পায় না। এরপর থেকে সাহান -মৌসুমী চক্র সালমানের পিঁছন পিঁছন ঘুরতে থাকে একটা মুভি মৌসুমীর সাথে করবার জন্যে কিন্ত সালমান, মৌসুমী এবং সোহানকে সরাসরি না বলে দেন। যার কারন মৌসুমী-সোহান চক্র আরো ফুঁষতে থাকে আর ভাবতে থাকে কীভাবে সালমানের সাথে শাবনুরের জুটি ভেঙে দিয়ে সালমানকে বিপদে ফেলা যায়! এরপরথেকে এক কুচক্রী সাংবাদিক মহল দিয়ে সোহান -মৌসুমী চক্র তথা সিন্ডিকেট পরিচিত সাংবাদিকদের দিয়ে পত্রিকাতে নিউজ করাতে থাকে সালমান-শাবনুর প্রেম করছে, এই করছে, সেই করছে.....রকমের হাজারো মিথ্যা নিউজ। কারন একটাই সালমানের জীবন বিষিয়ে দিয়ে শাবনুরের সাথে জুটি ভেঙে দেয়া এবং সালমানকে বিপদে ফেলা যাতে আবার সালমান তাদের কাছে ফিরে যায়। কিন্তুু কাজে সততা নিয়ে এবং ডেডিকেশান নিয়ে সালমান আর মৌসুমীর দিকে ফিরেও তাকায়নি।

এভাবেই দিন যেতে থাকে জুলাই '১৯৯৬ সালে সালমান শাবনুরের স্বপ্নের পৃথীবি এবং সানী -মৌসুমীর গরীবের রানী একইদিনে রিলিজের দিন ঠিক হয় এবং মুক্তি পেয়ে স্বপ্নের পৃথিবী বাম্পার হিট ব্যাবসা করতে থাকে এবং গরীবের রানী সুপার ফ্লপ হতে থাকে। এই সময়ই চিত্রালী পত্রিকায় নিউজ হয় সালমান-শাবনুর বিয়ে করে ফেলেছে তাও আবার স্বপ্নের পৃথিবীরই তকই স্টীল দিয়ে। এর কারন ছিলো একটাই সালমানকে শাবনুরকে সামিরার চোখে প্রশ্নবিদ্ধ করে সালমানের জীবন বিষিয়ে দেয়া।

এখন সালমান ভক্ত, শাহরান এবং নীলা আন্টির কাছে প্রশ্ন সানী-মৌসুমী'র গরীবের রানী সিনেমার সাথে স্বপ্নের পৃথিবী মুক্তি পাবার সময় সালমান-শাবনুরের নামে মিথ্যা নিউজ কারা ছড়াতে পারে এবং ছড়ালে লাভ কার এটা বুঝতে কী খুব বেশী সাইন্স জানা দরকার আছে। উত্তর টা হলো গরীবের রানীর নায়িকা এবং তাদের টীমের কাজ এবং তাদেরই লাভ কারন মৌসুমী চক্র চায়নি সালমানের ছবি ভালো যাক।আর এভাবে সোহান-মৌসুমী চক্ত সামিরা-সালমানের সংসারে আগুন লাগিয়ে দেয়!

এই পটভুমির সাথে নিচের যৌক্তিক পয়েন্টগুলোর যৌক্তিকতা সালমান ভক্তরা এবং সালমান পরিবার ভেবে দেখেছেন?
-------------------------------------------
১. মৌসুমী এতো মায়াকান্না করে সালমানের জন্মদিন আর মৃত্যুদিন আসলে কিন্তু সালমানকে কেনো তার বিয়েতে (প্রেগন্যান্ট অবস্হায় বিয়েতে)??? কারন কী জানেন জুটি ভাঙার পর মৌসুমীর ঘোরতর শত্রু ছিলো সালমান ইভেন শাবনুরকেও দাওয়াত দেয়নি।

২.মৌসুমী মায়াকান্না করে কিন্তু মৌসুমী কী আজও পর্যন্ত সালমান হত্যার বিচার চেয়েছে বা নীলা আন্টির কাছে গিয়েছে? যায়নি কারন নীলা আন্টি জানের সালমান হত্যাশ সোহন-মৌসুমী চক্র সালমানের শত্রু ছিলো মৌসুমীর সাথে সিনেমা না করায়!

৩. মৌসুমী সবসময় বলে সালমান তার ছোট বেলার ফ্রেন্ড ছিলো। এরা বলে সালমান ভক্তদের সিমপ্যাথি নিতে চায় যাতে তার সাথে সালমানের শত্রুতার বিষয়টা সামনে না আসে। সম্পরতি নীলা আন্টি বলেছেন সালমান কখনোই মৌসুমীর বন্ধু ছিলোনা।এবং মৌসুমী সালমানের থেকে বয়সে বড়।

৪. জুটি ভাঙার পর থেকে সালমান মৌসুমীর মুখ দেখাদেখি বন্ধ ছিলো কিন্তু সালমান মৃত্যুর আগের দিনই কেনো হঠাৎ করে সালমাননের সাথে দেখা করতে প্রেম পিয়াসীর ডাবিং এ হাজির হলো। কিন্ত কী এমন রহস্য যে বিরোধী শত্রু হয়েও নৌসুমী সালমানের মৃত্যুর আগের দিনই সন্ধ্যায় সালমান-শাবনুরের ডাবিং দেখতে গেলো। সাথে ছিলে শয়তান সোহানও য কিনা সালমানের শত্রুও।

৫. সোহান এবং মৌসুমী চক্র বলে বেড়া প্রেম পিয়াসীর ডাবিং এ শাবনুর-সালমান ঘনিষ্ট হয়ে কানে কানে কথা বলছে। অথচ সালমান -শাবনুরের কোন কথাই হয়নি ঐদিন সামিরা আসার পর। কারন সামিরা আসার পররই পরিচালক রেজা হাসমত শাবনুরকে ছুটি দিয়ে দেন এবং শাবনুর সবাইকে সালাম দিয়ে বাসায় চলে যায়! এটা প্রেম পিয়াসীর ওরিচালক রেজাহাসমত ইন্টারভিউতে বারবার বলেছেন।

৬.সালমান-শাবনুর জুটির নামে মিথ্যা প্রেমের গুজব ছড়িয়ে জুটি ভাঙলে লাভ কার? নিশ্চয়ই মৌসুমী সানীর।

৭.সালমান মারা যাওয়াশ লাভবান হয়েছে কে বা কারা? নিশ্চয়ই মৌসুমী -সামীরা কারন সালমান মরার পর শাবনুরের জুটি ভেঙে যাওয়ায় সালমানের ম্যাক্সিমাম সিনেমা করে ওমর সানী।এবং শাবনুর তার জুটি হারানোতে লাভবান কে হয় নিশ্চয়ই মৌসুমী!

৮.মৌসুমী কী সামিরার বিরুদ্ধে বলেছে কখনো উত্তর করেনি।কারন ফিল্মের যে ডিন্ডিকেট সালমান হত্যায় জড়িত ছিলো তার মাঝে মৌসুমী-সানী-সোহানও ছিলো যাদের সবারই সামিরার সাথে যোগসূত্র ছিলো।

৯. যে লেডিকিলার আজিজ মোহাম্মদকে নিয়ে সামিরার পরকীয়ার গুঞ্জন সালমান মারা যাবার পর সেই আজিজের সিনেমায় মৌসুমী প্রায় পুরো নগ্ন হয়ে তার প্রযোজিত সিনেমা( মাতৃত্ব এবং আমার প্রতিজ্ঞা) করলেন কী এবং বাধ্যবাধকতা বা কী এমন রহস্যজনক কারন। যেখানে সালমানের হত্যার আসামী আজিজ সুতরাং সালমানের মৃত্যুর পর তারই হতযাকারীর সিনেমা মৌসুমী করলেন????

১০.মৌসুমী সালমানের মৃত্যুর পর সালমানের বিষয় নিয়ে এতো বন্ধুত্বের মিথ্যা গল্প করে কিন্ত সালমান বেঁচে থাকতে কোন একটা সাক্ষাতকার দেখাতে পারবেননা যেখানে সালমান বলেছে নৌসুমী তার ভালো বন্ধু বা কলিগ। সত্যি হলো সালমান বলেনি কারন সালমান জানতো নৌসুমীর তার বন্ধু নয় বরং সবথেকে বড় শত্রু!

নব্বই দশকে আশা তারকাদের মাঝে সবথেকে পলিটিশিয়ান ছিলো এই নটোরিয়াস মহিলা মৌসুমী যে কিনা বিয়ে ডিভোর্স খেয়ে চলচ্চিত্রে এসে আবার ২য় বিয়ের আগে অবৈধভসবে প্রেগন্যান্ট হওয়া এই নায়িকা। সালমান হত্যায় তার যোগ সাজেগ আছে বলে সালমানকে নিয়ে মায়া কান্না করে দৃশ্যপটের বাইরে থাকতে চায়। সময় এসেছে প্রাশাসনের তাকে ডেকেও জিজ্ঞাসাবাদ করবার।

゚viralシfypシ゚viralシ

বিটিআরসি চাচ্ছে, এক এনআইডি দিয়ে ২টার বেশী সিম রাখা যাবে না। তারা প্রথমে ১০টিতে আনলো, তারপর এখন ৫টিতে যেতে চাচ্ছে।এরপর ২ট...
01/11/2025

বিটিআরসি চাচ্ছে, এক এনআইডি দিয়ে ২টার বেশী সিম রাখা যাবে না।
তারা প্রথমে ১০টিতে আনলো, তারপর এখন ৫টিতে যেতে চাচ্ছে।
এরপর ২টিতে তারপর ১টিতে আনবে।

আপনার মনে হতে পারে, এটা খুবই ভালো কাজ।
আসলে এইটা একটা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত।

মোবাইল ফোন অপারেটর গুলাই টাকা পয়সা দিয়ে এই কাজ করাতে চাচ্ছে।

এতে আপনি এক দুইটি সিমের বেশী ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে আপনি কোনো না কোনো অপারেটরের কাছে আটকে যাচ্ছেন।
একই নাম্বার দিয়ে বারবার অপারেটর চেঞ্জ করার ঝামেলাতেও যেতে চাচ্ছেন না।
অপারেটর গুলোর নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছেনা।

তারা তখন নিজেদের গ্রাহকের সাথে যাতা অফার দিয়ে, যাতা রেইট দিয়ে চলতে পারবে। কারণ, আপনার হাতে অনেকগুলো অপশন নাই।

এটাকেই বলে সিন্ডিকেট। সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে রাখা। সিন্ডিকেট করে গ্রাহককে তাদের হাতে বন্দী করে ফেলা।

একটা ঘটনা শুনেন।
মহেশখালী হাসপাতালের সামনে অনেকগুলো ফার্মেসী আছে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল, রাত ১২টার পর মাত্র একটা করে ফার্মেসী খোলা থাকবে।
একটা শনিবারে, একটা রবিবারে এভাবে একেকদিন পালা অনুযায়ী একেকজন খোলা রাখবে।

প্রাথমিকভাবে আপনার মনে হতে পারে যে, রাত ১২টার পর একটা ফার্মেসী খোলা আছে, এটা তো ভালো ব্যাপার।

আসলে হচ্ছে, উল্টো।
সিন্ডিকেট না থাকলে রাতে অনেকগুলো ফার্মেসী খোলা থাকতো। এখন নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় এসে সিন্ডিকেট করায় খোলা থাকছে মাত্র একটা।
আপনার হাতে কোনো দ্বিতীয় অপশন নাই।

তার কাছে থাকা অষুধই আপনাকে কিনতে হচ্ছে। আপনার হাতে কোনো বিকল্প নাই।

ঠিক এই কাজটাই মোবাইল অপারেটর গুলো বিটিআরসিকে দিয়ে করাতে চাচ্ছে।

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত সবচেয়ে করাপ্টেড খাতগুলোর একটি।
টেলিটকের সেবা যাতে উন্নত না হয়, সে জন্য গ্রামীন এবং রবি বিটিআরসির চেয়ারম্যান সহ এই খাতে আগে বছরে কয়েকশ কোটি টাকা ঘুষ দিত।

আমরা জানতে চাই, এভাবে সিন্ডিকেট করার জন্য কত টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে?

দেখেন, আমরা আমাদের এনআইডি এবং বায়োমেট্রিক দিয়ে সিম কিনছি।
আমরা যদি প্রত্যেকটা অপারেটরের কয়েকটা করে সিম কিনে ইউজ করি, তাতে বিটিআরসির সমস্যা কোথায়?

আমরা তো চুরি করে সিম চালাচ্ছি না। আমাদের সিমের বিপরীতে আমাদের হাতের ছাপ, এনআইডি আছে।
আমরা কোনো অপরাধ করলে সেটা দিয়ে খুঁজে বের করতে পারবে।

একেকজন পুরুষ তার এনআইডি দিয়ে তার ফ্যামিলীর সবার সিম কিনে। বাবার এনআইডি দিয়ে মা, ভাই, বোনদের সিম কেনা থাকে।

একসাথে সব সিম বাতিল করে এক দুইটাতে নামিয়ে আনলে মানুষ প্রতিবাদ করবে। তাই তারা আস্তে আস্তে করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কৌশল নেয়।
প্রথমে দশে, তারপর পাঁচে, এরপর দুইয়ে। এভাবে।

১০টার বেশী সিম রাখা যাবেনা বলায়, কেউ কিছু বলেনি। এখন তারা চাচ্ছে, ৫টাতে আনতে। ক্রমান্বয়ে এভাবেই তারা নামাবে। আমাদেরকে বন্দী করবে সিন্ডিকেটের হাতে।
অথচ আপনার সিম কোনো বেনামী সিম না, এনআইডি আছে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে।
চাইলেই খুঁজে পাচ্ছে।

বিটিআরসি কোন যুক্তিতে আমাদের সিম ব্যবহারের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে সিন্ডিকেটের কাছে বন্দী করাতে চায়?

এই সিন্ডিকেট করতে ফোন অপারেটর গুলো কত কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে, আমরা জানতে চাই।

(এই পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাই জানুক বিটিআরসি আমাদেরকে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দী করতে চায়।)

“আমরা মানুষ হবো কবে?”এই প্রশ্নটাই যেন আজ বুকের ভেতর ঝড় তোলে…ছেলেটার নাম তাছিন — বয়স খুব বেশি না, কিন্তু কষ্টের ভার যেন প...
31/10/2025

“আমরা মানুষ হবো কবে?”
এই প্রশ্নটাই যেন আজ বুকের ভেতর ঝড় তোলে…
ছেলেটার নাম তাছিন — বয়স খুব বেশি না, কিন্তু কষ্টের ভার যেন পাহাড়ের চেয়েও ভারী।

দৃশ্যটা সহ্য করা যায় না…
দুই হাত-পা বাঁধা ছোট্ট শিশু তাছিন, নিজের শরীরেই নিজের আঘাতের দাগ।
ক্ষত, নীল দাগ, ফোলা চামড়া — এই ছোট্ট দেহটাই তার যুদ্ধক্ষেত্র।
জন্মের পর থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীনতার যন্ত্রণায় জর্জরিত সে।

আর তার বাবা-মা?
তারা তো দানব নয়, তারা অসহায় মানুষ।
রিকশাচালক বাবা সুজন মিয়া আর গার্মেন্টস কর্মী মা তাসলিমা —
দিনরাত পরিশ্রম করে বাঁচিয়ে রাখতে চান তাদের সন্তানের জীবন,
কিন্তু চিকিৎসার টাকার অভাবে,
ভালোবাসার হাতটাই আজ শিকলে বাঁধা পড়েছে।

ভাবুন তো, এক মা প্রতিদিন নিজের সন্তানের হাত-পা বেঁধে রাখে…
কেন?
নিজের সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখতে, তার নিজের হাত থেকেই!
যেন সে নিজেকে আঘাত না করে, যেন সে অন্তত বেঁচে থাকে—এই ছোট্ট আশাতেই মায়ের প্রতিটি সকাল শুরু হয়।

তাছিন কখনো কাঁদে, কখনো নিজের গায়ে আঘাত করে…
আর তার মা চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে—চোখে পানি, বুকভরা কষ্ট, তবুও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ।
কারণ এই সন্তানই তার পৃথিবী, তার জীবনের একমাত্র আলো।

এই সমাজ, এই দেশ যদি একটু পাশে দাঁড়ায়—
তাহলেই হয়তো তাছিনের শিকল একদিন খুলে যাবে।
হয়তো মা তাসলিমা আবার বুকভরা ভালোবাসায় সন্তানের শরীরটা জড়িয়ে ধরতে পারবে,
শিকলের বদলে তার হাতে থাকবে আদর আর মমতা।

আমরা মানুষ হবো কবে?
যেদিন এমন এক শিশুর কান্নায় আমাদের হৃদয় কেঁপে উঠবে—
সেদিনই হয়তো সত্যি মানুষ হবো আমরা…

#মানবতারডাকে #তাছিনেরগল্প #অসহায়শিশু #আমরামানুষহবোকবে #জীবনেরযুদ্ধ #মায়েরকান্না #মানবিকগল্প

বারইয়ার হাট নুর ফ্যাশন এর মালিক সুমন গতকাল কাচপুর থেকে নরসিংদি বাবুর হাট যাবার পথ থেকে নিখোঁজ । সে কাপড়ের জন্য বাবুর হাট...
31/10/2025

বারইয়ার হাট নুর ফ্যাশন এর মালিক সুমন গতকাল কাচপুর থেকে নরসিংদি বাবুর হাট যাবার পথ থেকে নিখোঁজ । সে কাপড়ের জন্য বাবুর হাট যাওয়ার কথা। বাবুরহাট অথবা কাজপুর সিলেট লাইনে কেউ খোঁজ পান নিচের এই নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। 01757557766

বিঃ দ্রঃ সবাই শেয়ার দিন, আল্লাহ কোন উছিলায় ব্যবস্থা করে দিবেন।

এই গাড়ী যারা চিনেন, তারা দ্রুতই মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট কমফোর্ট হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। এই বাইকে আরোহনকারী ৩ জন গুরুতর ভা...
30/10/2025

এই গাড়ী যারা চিনেন, তারা দ্রুতই মিরসরাইয়ের বারইয়ারহাট কমফোর্ট হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। এই বাইকে আরোহনকারী ৩ জন গুরুতর ভাবে আহত। ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ধুমঘাট এলাকায় দূর্ঘটনা ঘটে।

29/10/2025
27/10/2025

উনার স্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে আজ কাদঁতে কাদঁতে বলেছে, “আজ আমার ওকে বিদায় দিতে মন চাচ্ছিলো না। আমার হাসবেন্ড ছাড়া তো আমাদের সংসার কে চালাইবো?আমার হাজবেন্ড ছাড়া তো আমাদের তিনজনের কেউ নাই এই পৃথিবীতে।কেউ নাই আপন...😭

আমার বাচ্চাদের এখন কি হবে?”

আবুল কালাম তার স্ত্রী ও দুইটা বাচ্চা ছেলে নিয়ে থাকতেন নারায়নগঞ্জে। গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুরে।

কাজ করতেন একটা ট্রাভেল এজেন্সিতে। বেতন হয়তো খুব বেশী না।

কোনো একটা জরুরী কাজে ফার্মগেট এসেছিলেন।

সেখান থেকে অন দা স্পট তার মৃত্যু ঘটে, রক্তাক্ত দেহটা অনেকক্ষন পরে থাকে ফুটপাতের উপরে।

এরপর পুলিশ এসে তার লাশ নেয়া হয় নিকটস্থ সোহরাওয়ার্দি হাসপাতালে।

পত্রিকায় আবুল কালামের একটা ছবি ছাপা হয়েছে, তার মৃত্যু সংবাদের সাথে।

আমি দেখলাম আবুল কালাম বেশ সুদর্শন এক যুবক ছিলেন।

তার ছোট ছেলেটা হয়তো তার মতোই হয়েছে দেখতে, কি মিষ্টি বাচ্চা! ছবিটা দেখেই আমার ইচ্ছে করছিলো মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে!

গতকাল বিকেলে আবুল কালাম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলো যে জীবন থেকে পালিয়ে যেতে তার ইচ্ছে করছে...

স্রষ্টা মাত্র ১৬ ঘন্টার মধ্যে তার এই ইচ্ছে পূরণ করেছেন।

আবুল কালাম আজীবনের জন্য তার জীবন থেকে পালিয়ে গেছেন, আর কোনোদিন ফিরবেন না!

আমাদের দাবীঃ আবুল কালামের পরিবারকে কমপক্ষে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়া হোক। সেই সাথে তার স্ত্রীকে সরকারী চাকুরী এবং তার বাচ্চা দুটোকে ১৮ বছর পযন্ত ভরণ পোষনের দায়িত্ব নেয়া হোক।

26/10/2025
আমাদের জীবন কতোটা অনিশ্চিত!মেট্রোরেলের বিয়ারিং প‍্যাড খুলে পড়ে ফার্মগেটে একজন পথচারী নিহত।মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ।
26/10/2025

আমাদের জীবন কতোটা অনিশ্চিত!

মেট্রোরেলের বিয়ারিং প‍্যাড খুলে পড়ে ফার্মগেটে একজন পথচারী নিহত।
মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ।

Address

মীরসরাই
Chittagong
4326

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RuposiBangla.net posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to RuposiBangla.net:

Share