নাম: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন
সংক্ষেপে: ইশা ছাত্র আন্দোলন (ইশা)
প্রতিষ্ঠা সন: ১৯৯১ ঈসায়ি-২৩ আগষ্ট
মূল সংগঠন: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
নিবন্ধন নং: (৩৪)
দলীয় প্রতীক: (হাতপাখা)
প্রতিষ্ঠাতা:
কুতুবুল আলম আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম পীর সাহেব চরমোনাই (রহ.)
আমীর:
আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম [ পীর সাহেব চরমোনাই ]
কর্মপদ্ধতি:
ক. গণদাওয়াত
খ.গণসচেতনতা
গ. গণদাবী
ঘ. গণঅভ্যুত্থ
ান তথা গণবিপ্লব
কর্মনীতি:
ইসলামের মানদণ্ডে আধুনিকতা গ্রহণ,
মৌলিক আক্বিদায় দৃঢ়তা ও মতভিন্নতায় উদারতা এবং কৌশলে সমকাল ধারণ।
লক্ষ্য: জাহিলিয়াতের সকল প্রকার আধিপত্যের অবসান ঘটিয়ে কোরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী খোলাফায়ে রাশেদার নমুনায় সাহাবায়ে কেরামের অনুসৃত পথে মানবজীবন গঠন ও সমাজের সর্বস্তরে পূর্ণ বাস্তবায়ন।
উদ্দেশ্য: আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন।
এই লক্ষ্য হাসিলের জন্য ইশা ছাত্র আন্দোলন প্রণয়ন করেছে সুচিন্তিত ৫ দফা কর্মসূচি।
কর্মসূচি:
১. এলেম ও তারবিয়াত (জ্ঞানার্জন ও প্রশিক্ষণ)
২. আমল ও তাযকিয়া ( আমল ও আত্মশুদ্ধির)
৩. তাবলীগ ( দাওয়াত)
৪. তানজিম (সংগঠন)
৫. ইনকিলাব (বিপ্লব)
★ এলেম ও তারবিয়াত (জ্ঞানার্জন ও প্রশিক্ষণ)
১.১ তরুণ ছাত্র সমাজকে ইসলামী আদর্শে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইসলামের সঠিক জ্ঞান অর্জনে উদ্বুদ্ধ করা।
১.২ জাহিলিয়াতের সকল প্রকার চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা ইসলামী সমাজ বিপ্লবের যোগ্য কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার সার্বিক প্রচেষ্টা চালানো।
★ আমল ও তাযকিয়া (আমল ও আত্মশুদ্ধি)
২.১ ব্যক্তিজীবনকে ইসলামী শরীয়তের আলোকে সুন্নত তরিকায় গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালানো।
২.২ সর্বাবস্থায় সকল কাজে আল্লাহ তাআলার জিকির জারি রাখা।
২.৩ আল্লাওয়ালা ব্যক্তিদের সোহবত লাভের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির প্রচেষ্টা চালানো।
★ তাবলীগ (দাওয়াত)
৩.১ সকল প্রকার তাগুতি মত ও পথ অস্বীকার করে জীবনের সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার সার্বভৌমত্ব ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান করা।
★ তানজিন ( সংগঠন )
৪.১ এই সকল তরুণ শিক্ষার্থী আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সাথে একমত হয়ে জীবনের সর্বস্তরে কোরআন সুন্নাহর আইন তথা ইসলামী শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শরিক হতে আগ্রহী তাদেরকে সংগঠনের অধীনে সংঘবদ্ধ করা।
৪.২ ক্যাম্পাসসহ সর্বত্র ছাত্র সমাজের মাঝে সংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে আন্দোলনের সম্প্রসারণ ঘটানো।
★ ইনকিলাব ( বিপ্লব)
৫.১ শিক্ষাঙ্গনে সমস্যাবলী চিহ্নিত করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে তা দূরীকরণের জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালানো।
৫.২ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নির্দেশিত ও অনুমোদিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।
৫.৩ সকল প্রকার ইসলামবিরোধী কার্যকলাপের অবসান ঘটিয়ে সমাজ ও রাষ্ট্রের স্থায়ী শান্তি এবং মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে ইসলামী বিপ্লব সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।
বৈশিষ্ট্যঃ
১. ইসলামী আদর্শ বিভাজিত জাহিলি সমাজব্যবস্থার পরিবর্তনে নবী-রাসূলগণের (স.) উত্তরসূরি ওলামা কেরামের অনুপ্রেরণা, দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি ছাত্র কাফেলা।
২. আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে ইসলামী সমাজ গঠনের সার্বক্ষণিক জেহাদে একটি পরিপূরক শক্তি।
৩. রূহানিয়াত ও জিহাদের একটি সমন্বিত প্রয়াস।
৪. প্রচলিত দল কেন্দ্রিক মানসিকতা নয় বরং একটি ঐক্যপ্রয়াসী আন্দোলনকামী শক্তি।
৫. প্রচলিত ছাত্র রাজনীতি নয় বরং আমল আমর বিল মা'রূফ ও নাহি আনিল মুনকারের ঈমানী দায়িত্ব পালনে একটি প্রক্রিয়া।
সাংগঠনিক কাঠামো :
কেন্দ্রীয় সংগঠন, জেলা শাখা, মহানগর শাখা, প্রতিষ্ঠান শাখা, থানা শাখা, শহর শাখা, পৌর শাখা, ইউনিয়ন শাখা ও ওয়ার্ড শাখা সমূহের সমন্বয় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক কাঠামো গঠিত হবে।
যোগদানের নিয়ম:
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কাজের মানোন্নয়নের জন্য আমলের চারটি স্তর থাকবে:
১.সদস্য ২. কর্মী ৩. মুবাল্লিগ প্রত্যাশী ৪. মুবাল্লিগ
যদি কোনো শিক্ষার্থী ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে একমত হয়ে কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতি উপর আস্থাবান হয় এবং সঠিক ইসলামিক জীবন-যাপন ও আন্দোলনের সামগ্রিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি দেয় তাহলে নির্ধারিত ফরম পূরণের মাধ্যমে তিনি সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন।
সংগঠন সম্পর্কে জানতে বইগুলো পড়ুনঃ
★ এসো মুক্তির মোহনায়
★ এসো মুক্তির রাজপথে
★ কালিমায়ে তাইয়্যেবার দাবি
★ আমাদের লক্ষ্য ও পথ চলার নীতি
★ পাঁচ দফা কর্মসূচি যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ
★ নীতির পরিবর্তন চাই
★ আল্লাহর পথের সংগ্রাম
★ নীতিমালা
★ কর্মকৌশল