Munir Foundation

Call Directions Website Contact the organization

Munir Foundation Munir foundation is a non-profit organization based in Bangladesh. This was when he was diagnosed with cancer and given only 2 years to live after that.
(3)

Munir foundation is named after Mujahidul Islam Munir, He was just an ordinary man, born and raised in Sitakund, Chittagong, Bangladesh. He was a kind, hard worker and a self-made successful person.

“Providing for children, orphans & helpless patients was particularly close to Munir’s heart…”

At the age of 29, he was tested. It was easy to fall into despair. And this is very common when people find out they’ve got cancer. But Munir had complete belief in his Taqdeer & satisfaction with Allah’s decision. A short Description of Munir’s Treatment:

In 2017, Munir was Diagnosed with Diffused Large B-Cell Non-Hodgkins Lymphoma (Cancer). This time he had to go through chemotherapies & Autologous bone marrow transplants. To maintain the costs of these his family had to take loans and sell the home they owned. Munir was clear from cancer this time. In 2018, He lived a healthy life. In 2019, cancer relapsed, Munir had to take chemotherapies, Radiotherapies & Allogeneic bone marrow transplants. During his second BMT Munir’s family had to do crowdfunding to bear the unbelievable cost. And Munir was overwhelmed to see People’s support for his treatment. This is when he expressed his wish to help other patients & Helpless peoples who need help, After completing his treatment. But this time the transplant was not successful. Munir started his journey from Duniya to Akhira the ultimate destiny on 29th July 2019. Innlillahi Wa inna ilahi Rajiun. On the same day, Munir Foundation started its journey to fulfill Munir’s wish and as an initiative for Sadakah-E-Zariah for Munir. Our activities:
1. Patient Crowdfunding
2. Health Awareness programs
3. Zakat Management
4. A hospital for All


Donate for A hospital:
Munir Foundation Hospital
2050 2210 1001 64003
Islami Bank bangladesh Limited
Sitakundo Branch, Chittagong. Solving problems through Zakat:
Munir Foundation Zakat Fund
2050 2210 1001 64104
Islami Bank bangladesh Limited
Sitakundo Branch, Chittagong. For Common donations:
Munir Foundation
2050 2210 2036 78017
Islami Bank bangladesh Limited
Sitakundo Branch, Chittagong. Bkash\Nagad\rocket Personal:
01853 325153

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত আবির কি আবারও স্কুলে যেতে পারবে? সুস্থ হওয়ার জন্য প্রয়োজন বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, আপনার সহয...
24/09/2026

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত আবির কি আবারও স্কুলে যেতে পারবে? সুস্থ হওয়ার জন্য প্রয়োজন বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট, আপনার সহযোগিতা প্রয়োজন!

Te**is-এর অপারেশনের মাধ্যমে আবিরের চিকিৎসাজীবনের নতুন প্রটোকল শুরু হতে যাচ্ছে।

আবিরকে শিডিউল চেক-আপের জন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সবকিছু শোনার পর ডাক্তার দ্রুত সার্জারিটি করে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করা যায়, এর মাধ্যমে আবিরের পায়ের যন্ত্রণা ও শারীরিক সমস্যাগুলো অনেকটাই কমে যাবে। যেহেতু সার্জারি বিভাগের প্রধান দেশের বাইরে আছেন, তাই আগামী ২৫ বা ২৬/০৯/২০২৬ তারিখে যেতে বলা হয়েছে।

এখন আবিরের New Protocol (নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি) নিম্নরূপ:
১. Surgery: চামড়াসহ ডান পাশের অণ্ডকোষ, নার্ভসহ পুরোটা কেটে ফেলে দিতে হবে।
২. Bone Marrow Test: MRD করে দেখতে হবে কোথায় এবং কী পরিমাণ জীবাণু আছে।
৩. Remission: রিপোর্ট অনুযায়ী হাই-ডোজের কেমো দিয়ে জীবাণু জিরো করা।
৪. Bone Marrow Test: MRD রিপোর্টে জীবাণু জিরো হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা।
৫. Bone Marrow Transplant (BMT): এরপর Bone Marrow Transplant (BMT) করা হবে।
এই প্রটোকল অনুযায়ী, প্রথমে Te**is-এর সার্জারি করতে হবে এবং তার এক সপ্তাহ পর Bone Marrow Test (MRD) করতে হবে। অসুস্থতার কারণে আবিরের সুন্নতে খতনা না হওয়ায়, একইসঙ্গে সুন্নতে খতনাও করে ফেলা হবে।

এখানে সবমিলিয়ে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা প্রয়োজন। এরপর Bone Marrow Transplant করার জন্য প্রায় ৩০ (ত্রিশ) লক্ষ টাকা প্রয়োজন হবে।

তাই আপনাদের নিকট আকুল আবেদন, আপনারা সবাই দয়া করে ছেলেটার Te**is (অণ্ডকোষ) অপারেশন এবং Bone Marrow Transplant করার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করুন।

📌 অনুদান পাঠানোর তথ্য:
অনুদান পাঠানোর সময় অবশ্যই রেফারেন্স হিসেবে লিখুন: 209 অথবা Abir
📌 bKash, Nagad, Rocket:
01853 32 51 53 (Personal)
bKash Account Name: Shanaj Begum

📌 Bank Transfer:
Bank: 01
Munir Foundation
Account No: 41979 010 17143
Pubali Bank PLC, Sitakund Branch, Chittagong

Bank: 02
Munir Foundation
Account No: 2050 2210 2036 78017
Islami Bank Bangladesh PLC, Sitakund Branch, Chittagong

ভেরিফিকেশন আপডেট:৪০ বছর বয়সী নুর বানু, স্বামী শিপিং ইয়ার্ডে চাকরি করেন তাঁদের তিন সন্তান, দুই মেয়ে ও এক ছেলে!সম্প্রতি নু...
24/09/2026

ভেরিফিকেশন আপডেট:
৪০ বছর বয়সী নুর বানু, স্বামী শিপিং ইয়ার্ডে চাকরি করেন তাঁদের তিন সন্তান, দুই মেয়ে ও এক ছেলে!

সম্প্রতি নুর বানুর স্তনে গুরুতর সমস্যা দেখা দিলে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, তাঁর রোগটি জটিল পর্যায়ে চলে গেছে এবং দ্রুত অপারেশন করানো প্রয়োজন। অপারেশনের জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ৮০,০০০ টাকা। কিন্তু পরিবারের সীমিত আয়ের কারণে এত বড় অঙ্কের টাকা জোগাড় করা তাঁদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। নুর বানু নিজে অনেক কষ্ট করে একটি গাভী লালন-পালন করতেন। চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে শেষ সম্বল সেই গাভীটিও বিক্রি করে দিতে হয়।

অবশেষে অপারেশন সম্পন্ন হলেও নুর বানুর শারীরিক সমস্যা পুরোপুরি শেষ হয়নি। অপারেশনের পরও বিভিন্ন সময়ে তিনি নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিয়মিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ না পেলে তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একজন মা, একজন স্ত্রী এবং তিন সন্তানের অভিভাবক হিসেবে নুর বানু আজ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

মুনির ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সরেজমিনে তাঁর পারিবারিক ও চিকিৎসাসংক্রান্ত পরিস্থিতি যাচাই করা হয়েছে। বর্তমানে নুর বানুর পরিবারের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের মানবিক সহযোগিতা। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট একটি সহযোগিতাও নুর বানুর চিকিৎসার জন্য বড় সহায়তা হতে পারে।
আসুন, আমরা সবাই মিলে অসহায় এই পরিবারের পাশে দাঁড়াই। মানুষ মানুষের জন্য। আপনার সহযোগিতায় বাঁচুক একটি জীবন, হাসুক একটি পরিবার।

ভেরিফিকেশন করেছেন:
মোঃ আজিজুল হাকিম জুবায়ের
আল শাহরিয়ার আদনান আরমান
স্বেচ্ছাসেবক, মুনির ফাউন্ডেশন

23/09/2026

ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত ছোট্ট আবিরের চিকিৎসার বর্তমান আপডেট!

Te**is-এর অপারেশনের মাধ্যমে আবিরের চিকিৎসাজীবনের নতুন প্রটোকল শুরু হতে যাচ্ছে।
আবিরকে শিডিউল চেক-আপের জন্য ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সবকিছু শোনার পর ডাক্তার দ্রুত সার্জারিটি করে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন। আশা করা যায়, এর মাধ্যমে আবিরের পায়ের যন্ত্রণা ও শারীরিক সমস্যাগুলো অনেকটাই কমে যাবে। যেহেতু সার্জারি বিভাগের প্রধান দেশের বাইরে আছেন, তাই আগামী ২৫ বা ২৬/০৯/২০২৬ তারিখে যেতে বলা হয়েছে।

এখন আবিরের New Protocol (নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি) নিম্নরূপ:
১. Surgery: চামড়াসহ ডান পাশের অণ্ডকোষ, নার্ভসহ পুরোটা কেটে ফেলে দিতে হবে।
২. Bone Marrow Test: MRD করে দেখতে হবে কোথায় এবং কী পরিমাণ জীবাণু আছে।
৩. Remission: রিপোর্ট অনুযায়ী হাই-ডোজের কেমো দিয়ে জীবাণু জিরো করা।
৪. Bone Marrow Test: MRD রিপোর্টে জীবাণু জিরো হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা।
৫. Bone Marrow Transplant (BMT): এরপর Bone Marrow Transplant (BMT) করা হবে।

এই প্রটোকল অনুযায়ী, প্রথমে Te**is-এর সার্জারি করতে হবে এবং তার এক সপ্তাহ পর Bone Marrow Test (MRD) করতে হবে। অসুস্থতার কারণে আবিরের সুন্নতে খতনা না হওয়ায়, একইসঙ্গে সুন্নতে খতনাও করে ফেলা হবে।
এখানে সবমিলিয়ে প্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা প্রয়োজন। এরপর Bone Marrow Transplant করার জন্য প্রায় ৩০ (ত্রিশ) লক্ষ টাকা প্রয়োজন হবে।

তাই আপনাদের নিকট আকুল আবেদন, আপনারা সবাই দয়া করে ছেলেটার Te**is (অণ্ডকোষ) অপারেশন এবং Bone Marrow Transplant করার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করুন।

📌 অনুদান পাঠানোর তথ্য:
অনুদান পাঠানোর সময় অবশ্যই রেফারেন্স হিসেবে লিখুন: 209 অথবা Abir
📌 bKash, Nagad, Rocket:
01853 32 51 53 (Personal)
bKash Account Name: Shanaj Begum

📌 Bank Transfer:
Bank: 01
Munir Foundation
Account No: 41979 010 17143
Pubali Bank PLC, Sitakund Branch, Chittagong

Bank: 02
Munir Foundation
Account No: 2050 2210 2036 78017
Islami Bank Bangladesh PLC, Sitakund Branch, Chittagong

জন্ম থেকেই যুদ্ধ করছে দুই বছরের তানবীর, বাঁচার জন্য প্রয়োজন আপনার সহযোগিতা!আতাহার ভুঁইয়া তানবীর বয়স মাত্র দুই বছর। সী...
21/09/2026

জন্ম থেকেই যুদ্ধ করছে দুই বছরের তানবীর, বাঁচার জন্য প্রয়োজন আপনার সহযোগিতা!

আতাহার ভুঁইয়া তানবীর বয়স মাত্র দুই বছর। সীতাকুণ্ড উপজেলার ৫নং ইউনিয়নের তেলিবাজার এলাকার এই ছোট্ট শিশুটির জীবন শুরু হয়েছিল কষ্ট আর অনিশ্চয়তা দিয়ে। ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর সীতাকুণ্ড সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়ার পরপরই তানবীর কাঁদেনি আর এই একটি নীরবতাই বদলে দেয় তার পরিবারের গোটা জীবন। চিকিৎসকরা জানান, জন্মের সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে তার ব্রেইন ড্যামেজ হয়ে থাকতে পারে।

যে মুহূর্তে একটি পরিবারের ঘরে নতুন প্রাণের আগমনে আনন্দে ভরে ওঠার কথা, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হয় তানবীরের বাবা-মায়ের এক অন্তহীন লড়াই।

অবস্থার অবনতি দেখে তাকে দ্রুত এশিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে মাত্র তিন দিনের চিকিৎসাতেই খরচ হয়ে যায় প্রায় এক লাখ টাকা। এই বিপুল ব্যয় বহন করা যখন পরিবারের সাধ্যের বাইরে চলে যায়, তখন তানবীরকে স্থানান্তর করা হয় আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে। সেখানে প্রায় ২৪ দিন তাকে থাকতে হয় NICU-তে শুধু হাসপাতাল খরচই দিনে প্রায় ১২ হাজার টাকা, ওষুধের খরচ তার বাইরে।

সন্তানকে বাঁচানোর তাগিদে তানবীরের মা বিক্রি করে দেন নিজের সোনার গয়না। যা কিছু সঞ্চয় ছিল, সবকিছু একে একে নিঃশেষ হয়ে যায় চিকিৎসার পেছনে। এত ত্যাগের পরও তানবীরকে এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা যায়নি।

গত বছর থেকে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছিল প্রতি মাসে অন্তত একবার নিয়মিত চেকআপ করানোর, কিন্তু আর্থিক সংকটে তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। একটি অসুস্থ শিশুর নিয়মিত চিকিৎসা যখন শুধু টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে যায়, তখন বাবা-মায়ের অসহায়ত্ব ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

তানবীরের বাবা একসময় ব্যবসা আর চাকরি দুটোই সামলানোর চেষ্টা করেছিলেন, যাতে সংসার আর চিকিৎসা দুই-ই চলতে পারে। কিন্তু আজ তিনি দুটোই হারিয়ে একেবারে নিঃস্ব। দীর্ঘদিনের চিকিৎসা ব্যয়, ধারদেনা আর সংসারের নিত্য খরচ মিলিয়ে পরিবারটি এখন সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে। দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে তানবীরের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাদের একার পক্ষে প্রায় অসম্ভব।

মাত্র দুই বছর বয়সী তানবীর এখনও জানে না তার জন্য তার বাবা-মা কতটা যুদ্ধ করছেন। সে শুধু চায় অন্য সব শিশুর মতো স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে, হাসতে, খেলতে। কিন্তু তার এই সাধারণ চাওয়ার সামনে দাঁড়িয়ে আছে অর্থের অভাব আর দীর্ঘ চিকিৎসার পথ।

তানবীরের চিকিৎসা যেন টাকার অভাবে আবার থমকে না যায়, সেজন্যই আজ আমরা আপনাদের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি। আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দেওয়া ছোট একটি অনুদানও এই শিশুর জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। একটি মানুষের অনুদান হয়তো সামান্য, কিন্তু অনেকের ছোট ছোট সহযোগিতা মিলে একটি শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের পথ খুলে দিতে পারে।

আসুন, আমরা সবাই মিলে ছোট্ট তানবীরের পাশে দাঁড়াই। এই কঠিন সময়ে তার পরিবারকে একা না রেখে, তার চিকিৎসা আর নিয়মিত চেকআপ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিই। তানবীরের সুস্থতার জন্য আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

অনুদান পাঠানোর তথ্য:
Bkash, Nagad, Rocket:
01853 32 51 53 (Personal)
Bkash Account Name: Shanaj Begum
অনুদান পাঠানোর সময় অবশ্যই রেফারেন্স হিসেবে লিখুন: 288 অথবা Tanvir.

Bank Transfer:
Account Name: Munir Foundation
A/C No: 41979 010 17143
Bank: Pubali Bank PLC
Branch: Sitakund Branch, Chittagong

Account Name: Munir Foundation
A/C No: 2050 2210 2036 78017
Bank: Islami Bank Bangladesh PLC
Branch: Sitakund Branch, Chittagong

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন আবু সুফিয়ান চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রয়োজন আপনাদের সহযোগিতা!সীতাকুণ্ডের গোপ্তাখালী এলাকার বাসি...
17/09/2026

ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন আবু সুফিয়ান চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রয়োজন আপনাদের সহযোগিতা!

সীতাকুণ্ডের গোপ্তাখালী এলাকার বাসিন্দা আবু সুফিয়ান একজন দুই সন্তানের পিতা এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে স্বাভাবিকভাবে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। নিজের পরিশ্রমে পরিবারকে একটু ভালো রাখার স্বপ্ন ছিল তাঁর। কিন্তু সেই স্বাভাবিক জীবনে হঠাৎ করেই নেমে আসে কঠিন এক বাস্তবতা , মরণব্যাধি ক্যান্সার।

২০২২ সালে প্রথমবার আবু সুফিয়ানের শরীরে থাইরয়েড ক্যান্সার শনাক্ত হয়। ক্যান্সারের খবরটি তাঁর এবং তাঁর পরিবারের জন্য ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তারপরও হাল ছাড়েননি তিনি। পরিবারের সামর্থ্য অনুযায়ী যা কিছু ছিল, নিজের জমানো অর্থ এবং প্রয়োজনের সময় মানুষের সহযোগিতা সবকিছু মিলিয়ে শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসার পথ। অবশেষে ২০২৩ সালে তাঁর ক্যান্সারের অপারেশন করানো হয়। অপারেশনের পর ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। একসময় তিনি আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেন। পরিবারও আশায় বুক বাঁধে হয়তো এবার ক্যান্সারের সেই কঠিন অধ্যায় পেছনে ফেলে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবন কাটাতে পারবেন।

কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হলো না। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে আবারও তাঁর শরীরে ক্যান্সারের উপস্থিতি ধরা পড়ে। বহু কষ্টে চিকিৎসার পর যে মানুষটি স্বাভাবিক জীবনে ফেরার স্বপ্ন দেখছিলেন, তাঁকে আবারও ফিরে যেতে হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধের সেই কঠিন পথে। নতুন করে শুরু হয় ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই।

দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় আবু সুফিয়ানের পরিবারের জমানো অর্থ ও সামর্থ্যের প্রায় সবটুকুই ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। একের পর এক চিকিৎসা, অপারেশন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধের ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি এখন প্রায় নিঃস্ব। বর্তমানে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, ক্যান্সারের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচ বহন করাও তাঁর পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ চিকিৎসা থামিয়ে দেওয়ার সুযোগও নেই। কারণ সময়মতো প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আবু সুফিয়ানের সবচেয়ে বড় পরিচয় শুধু তিনি তিনি একজন বাবা, একজন স্বামী এবং একটি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ। তাঁর আয়ের ওপরই নির্ভর করে স্ত্রী ও দুই সন্তানের জীবনযাপন। কিন্তু আজ তিনিই যখন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন, তখন পরিবারের ভবিষ্যৎও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে। নিজের অসুস্থতার কষ্টের পাশাপাশি সন্তানদের কথা, সংসারের কথা এবং চিকিৎসার খরচ সবকিছু মিলিয়ে তাঁর পরিবারকে প্রতিনিয়ত কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

একবার ক্যান্সারকে পরাজিত করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পর আবারও সেই রোগের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে আবু সুফিয়ানকে। দীর্ঘ চিকিৎসায় যখন পরিবারের শেষ সম্বলটুকুও প্রায় শেষ, তখন অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা যেন থেমে না যায় এটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। এই মুহূর্তে তাঁর প্রয়োজন শুধু চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ এবং সেই সুযোগ তৈরি করতে আমাদের সম্মিলিত সহযোগিতা।

হয়তো আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী দেওয়া একটি ছোট অনুদান একা আবু সুফিয়ানের পুরো চিকিৎসার খরচ বহন করবে না। কিন্তু আপনার সঙ্গে আরও কয়েকজন মানুষের সহযোগিতা যুক্ত হলে সেটিই তাঁর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, ওষুধ কিংবা চিকিৎসার খরচের একটি অংশ মেটাতে পারে।

অনেক মানুষের ছোট ছোট সহযোগিতাই একজন অসহায় মানুষের জন্য বড় একটি আশার কারণ হয়ে উঠতে পারে। আবু সুফিয়ান আবারও তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। একজন বাবা হিসেবে তিনি তাঁর সন্তানদের জন্য বাঁচতে চান, একজন স্বামী হিসেবে পরিবারের পাশে থাকতে চান এবং একজন মানুষ হিসেবে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান। তাই তাঁর এই কঠিন সময়ে আমরা যেন তাঁকে একা না ছেড়ে দিই।

আবু সুফিয়ানের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে আপনাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট-বড় যেকোনো সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি। আপনাদের মানবিক সহযোগিতাই হতে পারে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার শক্তি ।

বিকাশ / নগদ / রকেট (Personal):
01853-325153
(Bkash Name: Shanaj Begum)

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (Bank Transfer):
Account Name: Munir Foundation
A/C No: 41979 010 17143
Bank: Pubali Bank PLC
Branch: Sitakund Branch, Chittagong

Account Name: Munir Foundation
A/C No: 2050 2210 2036 78017
Bank: Islami Bank Bangladesh PLC
Branch: Sitakund Branch, Chittagong

টাকা পাঠানোর সময় অবশ্যই রেফারেন্স (Reference) হিসেবে লিখুন 292 অথবা Sufiyan

তিন সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচতে চান কোহিনুর আক্তার, কিন্তু চিকিৎসার খরচ যেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় বাধা!কক্সবাজার স...
16/09/2026

তিন সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচতে চান কোহিনুর আক্তার, কিন্তু চিকিৎসার খরচ যেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় বাধা!

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুলের তেতুয়া এলাকার সওদাগর পাড়ার বাসিন্দা কোহিনুর আক্তার। বয়স মাত্র ৩৬ বছর। স্বামী বেদার মিয়া একজন কৃষক। তিন সন্তানকে নিয়ে তাঁদের ছোট সংসার। পরিবারের আর্থিক অবস্থা নিম্নবিত্ত হওয়ায় প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটাতেই যেখানে সংগ্রাম করতে হয়, সেখানে হঠাৎ করে ভয়াবহ এক অসুস্থতা তাঁদের পুরো পরিবারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

কোহিনুর আক্তার দীর্ঘদিন ধরে পাইলসের সমস্যায় ভুগছিলেন। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। গত জুন মাসে তাঁর শারীরিক সমস্যা আরও বেড়ে গেলে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। কক্সবাজারের ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর গত ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে তাঁর শরীরে ব্লাড ক্যান্সার শনাক্ত হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার আশায় তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চিকিৎসার অংশ হিসেবে গত জুলাই মাসে কোহিনুর আক্তারের একটি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আরও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসা সম্পন্ন করতে আনুমানিক ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে। পরিবারের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় সরকারি হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চললেও প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরীক্ষা, কেমোথেরাপি এবং অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাঁর পরিবারের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

কোহিনুর তিনি তিনটি সন্তানের মা। তাঁর ১৫ বছর বয়সী ছেলে ইশাত সপ্তম শ্রেণিতে পড়ছে। ১১ বছর বয়সী মেয়ে মরিয়ম জান্নাত চতুর্থ শ্রেণিতে এবং ৯ বছর বয়সী ছোট মেয়ে তাবাসসুম প্রথম শ্রেণিতে পড়ছে। মায়ের অসুস্থতার কারণে এই ছোট সন্তানগুলো আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। যে বয়সে সন্তানদের মায়ের ভালোবাসা, যত্ন ও আশ্রয়ে বেড়ে ওঠার কথা, সেই বয়সেই তারা মায়ের চিকিৎসা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

একজন কৃষক স্বামীর পক্ষে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকার মতো বিপুল চিকিৎসা ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব। আত্মীয়স্বজনের সীমিত সামর্থ্য দিয়েও এই দীর্ঘ চিকিৎসার ব্যয় চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই কোহিনুর আক্তারের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে এখন প্রয়োজন সমাজের সামর্থ্যবান মানুষদের সম্মিলিত সহযোগিতা। আপনাদের সামান্য একটি সহযোগিতাও তাঁর চিকিৎসার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং তাঁর তিন সন্তানের মায়ের পাশে থাকার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। হয়তো আপনার দেওয়া ছোট একটি অনুদান তাঁর পরবর্তী কেমোথেরাপির ব্যবস্থা করতে সাহায্য করবে, চিকিৎসার প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে সহায়তা করবে এবং সবচেয়ে বড় কথা, তাঁর তিন সন্তানকে তাদের মাকে ফিরে পাওয়ার আশাটি ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

বিকাশ / নগদ / রকেট (Personal):
01853-325153
(Bkash Name: Shanaj Begum)

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (Bank Transfer):
Account Name: Munir Foundation
A/C No: 41979 010 17143
Bank: Pubali Bank PLC
Branch: Sitakund Branch, Chittagong

Account Name: Munir Foundation
A/C No: 2050 2210 2036 78017
Bank: Islami Bank Bangladesh PLC
Branch: Sitakund Branch, Chittagong

টাকা পাঠানোর সময় অবশ্যই রেফারেন্স (Reference) হিসেবে লিখুন 291 অথবা Kohinur

15/09/2026

প্রথম আন্দোলন আমার ঘর থেকেই হোক,তারপর সমাজ,তারপর রাষ্ট্র!

লুৎফুন নেছা বেগম
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার, সীতাকুণ্ড

14/09/2026

বন্যা প্রজেক্ট ০২: মা-বাবা হারানো এতিম দুই বোনের ঘর নির্মাণে সহযোগিতা প্রয়োজন!

বাঁশখালীর ৪নং বাহারছড়া ইউনিয়নের চাপাছড়ি গ্রামে বসবাস করতেন আকলিমা আক্তার ও তার বোন। তারা ছয় বোন। তাদের মা-বাবা দুজনই মারা গেছেন। চার বোনের বিয়ে হয়ে গেলেও বাকি দুই বোন বর্তমানে অসহায় অবস্থায় জীবনযাপন করছেন।

গত বন্যায় এই দুই বোনের বসবাসের মাটির ঘরটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়। বর্তমানে ঘরটি একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং সেখানে বসবাস করার মতো কোনো পরিবেশ নেই। তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও বাইরে রাখতে হচ্ছে। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, এই দুই বোনের মাথা গোঁজার মতো নিরাপদ কোনো আশ্রয়স্থল নেই।
এ অবস্থায় তারা একটি ঘর নির্মাণের জন্য মুনির ফাউন্ডেশনের কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পর মুনির ফাউন্ডেশন টিম সরাসরি তাদের বাড়িতে গিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে। সরেজমিনে তাদের অসহায়ত্ব ও বসবাসের অনুপযোগী ঘরের অবস্থা দেখে তাদের জন্য একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

এই দুই এতিম বোনের জন্য একটি নিরাপদ ঘর এখন অত্যন্ত প্রয়োজন। আমরা সমাজের সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষদের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ জানাই আপনারা এগিয়ে আসুন এবং এই অসহায় দুই বোনের মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরি করতে সহযোগিতা করুন।

📌 বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য অনুদান পাঠানোর মাধ্যম:
বিকাশ | নগদ | রকেট (পার্সোনাল)
📱 01853-325153
Account Name: Sahanaj Begum
অনুদান পাঠানোর সময় Reference-এ লিখুন: Flood অথবা 26

🏦 Bank Transfer
Munir Foundation
Pubali Bank PLC, Sitakund Branch, Chattogram
A/C: 41979 010 17143

Munir Foundation
Islami Bank Bangladesh PLC, Sitakund Branch, Chattogram
A/C: 2050 2210 2036 78017

আল্লাহ তাআলা সকল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদ রাখুন, তাদের কষ্ট লাঘব করুন এবং আমাদেরকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দান করুন। আমীন।

আলহামদুলিল্লাহ!ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু আরিফুর রহমান আবির এর চিকিৎসা সহায়তা বাবদ দশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে- এ...
13/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ!
ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু আরিফুর রহমান আবির এর চিকিৎসা সহায়তা বাবদ দশ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে- এ পর্যন্ত সর্বমোট সহায়তার পরিমান দুই লক্ষ তিয়াত্তর হাজার নয়শত সত্তর টাকা।

সীতাকুণ্ডে কারো সামান্য কোনো অসুস্থতা হলেই প্রায়শই চট্টগ্রাম শহরে যেতে হয়, যেখানে সময়, খরচ, কষ্ট, আর ঝুঁকি সবই বেড়ে ...
13/09/2026

সীতাকুণ্ডে কারো সামান্য কোনো অসুস্থতা হলেই প্রায়শই চট্টগ্রাম শহরে যেতে হয়, যেখানে সময়, খরচ, কষ্ট, আর ঝুঁকি সবই বেড়ে যায়। আমরা বিশ্বাস করি, চিকিৎসা কোনো বিলাসিতা নয়, এটা মৌলিক অধিকার।

চট্টগ্রাম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সীতাকুণ্ড। শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে বিপুল সংখ্যক মানুষের বসবাস। কিন্তু জনসংখ্যা ও এলাকার গুরুত্বের তুলনায় এখানকার স্বাস্থ্যসেবা এখনো পর্যাপ্ত ও স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। সাধারণ অসুস্থতা থেকে শুরু করে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও অনেক মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম শহরের ওপর নির্ভর করতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা, উন্নত রোগ নির্ণয়, জটিল অস্ত্রোপচার কিংবা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে এই নির্ভরতা আরও বেড়ে যায়।

ক্যান্সার ও কিডনি রোগের মতো জটিল রোগের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কঠিন। একজন ক্যান্সার রোগীকে চিকিৎসার জন্য বারবার চট্টগ্রাম শহরে যেতে হয়। একজন কিডনি রোগীকে নিয়মিত ডায়ালাইসিসের জন্য দূরের হাসপাতালে যাতায়াত করতে হয়। একটি চিকিৎসার পেছনে শুধু হাসপাতালের খরচই নয়, যুক্ত হয় যাতায়াতের খরচ, সময়, রোগীর শারীরিক কষ্ট এবং পরিবারের সদস্যদের অতিরিক্ত মানসিক ও আর্থিক চাপ। অনেক পরিবারের জন্য এই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ব্যবস্থা একসময় অসহনীয় হয়ে ওঠে। আর্থিক সামর্থ্যের পাশাপাশি চিকিৎসার সহজলভ্যতাও তখন একটি বড় সংকট হয়ে দাঁড়ায়।

এই বাস্তবতা খুব কাছ থেকে দেখেছে মুনির ফাউন্ডেশন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার, কিডনি ও বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে আমরা উপলব্ধি করেছি, শুধু চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়াই যথেষ্ট নয়; মানুষের দোরগোড়ার কাছাকাছি মানসম্মত ও সহজলভ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও জরুরি। একটি রোগী যখন চিকিৎসার জন্য নিজের এলাকা থেকে বারবার দূরের শহরে যেতে বাধ্য হন, তখন তার চিকিৎসার পথ আরও কঠিন হয়ে যায়। তাই সীতাকুণ্ডের স্বাস্থ্যসেবার এই বাস্তব চিত্র পরিবর্তনের লক্ষ্যেই মুনির ফাউন্ডেশন দীর্ঘমেয়াদে একটি বৃহৎ স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছে।

সেই স্বপ্নের নাম “Munir Health City”। আমাদের পরিকল্পনা একটি সাধারণ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমরা সীতাকুণ্ডে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ভিলেজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা হবে। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো গড়ে তোলা, যেখানে একজন মানুষ তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার একটি বড় অংশ নিজ এলাকাতেই পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

Munir Health City-এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে ক্যান্সার চিকিৎসা ও গবেষণার জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা। ক্যান্সার রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সুবিধা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা-সংক্রান্ত সহায়তা এবং ভবিষ্যতে গবেষণার সুযোগ তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা চাই, ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সীতাকুণ্ডের মানুষ যেন ধীরে ধীরে একটি নির্ভরযোগ্য স্থানীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার সুবিধা পান এবং শুধুমাত্র চিকিৎসার জন্য দূরের শহরের ওপর নির্ভরশীল না থাকেন।

একইভাবে কিডনি রোগীদের জন্যও থাকবে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার পরিকল্পনা। কিডনি রোগের চিকিৎসা, ডায়ালাইসিস এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সেবার মাধ্যমে রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার সুযোগকে আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্য থাকবে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা, অবকাঠামো ও অনুমোদনের ভিত্তিতে কিডনি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিশেষায়িত চিকিৎসা ও সার্জারি সেবাও এই ব্যবস্থার অংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে আমাদের স্বপ্ন শুধু ক্যান্সার ও কিডনি চিকিৎসায় সীমাবদ্ধ নয়। Munir Health City-তে পর্যায়ক্রমে হৃদরোগ, চক্ষু, নাক-কান-গলা, শিশু, নারী ও মাতৃস্বাস্থ্য, মেডিসিন, সার্জারি, ডায়াগনস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের সাধারণ ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। অর্থাৎ আমরা এমন একটি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে একজন মানুষ তার বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত প্রয়োজনের জন্য একটি সমন্বিত চিকিৎসা অবকাঠামোর সুবিধা পেতে পারেন।

আমাদের কাছে একটি হাসপাতালের সফলতা শুধু তার ভবনের আকার, আধুনিক যন্ত্রপাতি কিংবা চিকিৎসা বিভাগের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। একজন অসহায় রোগী কতটা সহজে চিকিৎসা পাচ্ছেন, একজন দরিদ্র পরিবার কতটা স্বস্তির সঙ্গে চিকিৎসা নিতে পারছে এবং একজন রোগী কতটা মানবিক আচরণ পাচ্ছেন সেটিও আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই Munir Health City-এর মূল দর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে সাশ্রয়ী ও মানবিক চিকিৎসাসেবা। আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মানুষের আর্থিক সামর্থ্য চিকিৎসা পাওয়ার পথে বড় বাধা হয়ে না দাঁড়ায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা যায়।

আমরা জানি, একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল ভিলেজ প্রতিষ্ঠা করা কোনো ছোট উদ্যোগ নয়। এর জন্য প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বিশাল অবকাঠামো, দক্ষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, গবেষণার সুযোগ, প্রশিক্ষিত জনবল, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং সর্বোপরি একটি বড় পরিসরের সম্মিলিত সহযোগিতা। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ দীর্ঘ হতে পারে, কিন্তু কোনো বড় পরিবর্তনই একদিনে তৈরি হয় না। একটি স্বপ্ন প্রথমে ধারণা হিসেবে জন্ম নেয়, তারপর পরিকল্পনায় রূপ নেয় এবং মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একসময় বাস্তবতায় পরিণত হয়।

Munir Health City আমাদের কাছে শুধু মুনির ফাউন্ডেশনের একটি প্রকল্প নয়; এটি সীতাকুণ্ডের মানুষের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি স্বপ্ন। আমরা এমন একটি ভবিষ্যৎ দেখতে চাই, যেখানে সীতাকুণ্ডের একজন মানুষ অসুস্থ হলে শুধুমাত্র উন্নত চিকিৎসার আশায় তাকে দূরের শহরে ছুটতে হবে না। একজন কিডনি রোগী তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য নিজের এলাকার কাছাকাছি একটি নির্ভরযোগ্য ব্যবস্থা পাবেন। একজন ক্যান্সার রোগী চিকিৎসা ও সহায়তার জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোর ওপর নির্ভর করতে পারবেন। আর সাধারণ রোগে আক্রান্ত একজন মানুষও প্রাথমিক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য সহজে সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মুনির ফাউন্ডেশন একা এগিয়ে যেতে চায় না। আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের জন্য বড় কোনো পরিবর্তন আনতে হলে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, প্রকৌশলী, স্থপতি, গবেষক, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, প্রবাসী, দাতা, স্বেচ্ছাসেবক এবং সাধারণ মানুষ প্রত্যেকের নিজস্ব জ্ঞান, দক্ষতা, সময়, শ্রম কিংবা আর্থিক সহযোগিতা এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনি যদি মনে করেন সীতাকুণ্ডে একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন, আপনি যদি এই স্বপ্নের অংশীদার হতে চান, কিংবা আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ, মেধা, সময়, শ্রম, পেশাগত দক্ষতা অথবা পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে মুনির ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আসুন, আমাদের সঙ্গে কথা বলুন, আপনার মতামত ও সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আমাদের জানান। আমরা বিশ্বাস করি, একটি বড় স্বপ্ন তখনই বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যায়, যখন সেই স্বপ্নের সঙ্গে অনেক মানুষ নিজেদের যুক্ত করেন।
মুনির ফাউন্ডেশনের “Everyone Can Help Someone” বিশ্বাসকে সামনে রেখে আমরা এই স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে চাই।

আমরা আজ একটি স্বপ্নের কথা বলছি। আগামী দিনের সীতাকুণ্ডকে আরও সুস্থ, আরও মানবিক এবং চিকিৎসাসেবায় আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলার স্বপ্ন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ দীর্ঘ, কিন্তু পথ যতই দীর্ঘ হোক, শুরুটা আজ থেকেই হতে পারে। আর সেই শুরুতে আপনার অংশগ্রহণই হতে পারে আগামী দিনের একটি বড় পরিবর্তনের ভিত্তি।

আমাদের এই প্রজেক্ট এ যেকোনো ভাবে সহযোগিতা করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ।

Address

DOWAZI PARA, SITAKUNDA
Chittagong
4310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Munir Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Munir Foundation:

Shortcuts

Share