Chittagong Autistic Society

Chittagong Autistic Society Autism, Down Sindrom, Intelligent Learning, Hearing Disability, Speech Therapy

আমাদের সন্তানরা যারা প্রবাসী আছে তাদের জন্যে সরকারি এই প্রজ্ঞাপণ।আশা করি সবাই শেয়ার করুন। আমাদের সন্তানদের উপকারে আসবে। ...
11/02/2026

আমাদের সন্তানরা যারা প্রবাসী আছে তাদের জন্যে সরকারি এই প্রজ্ঞাপণ।
আশা করি সবাই শেয়ার করুন। আমাদের সন্তানদের উপকারে আসবে। ইনশাআল্লাহ্

নিচে বিশেষ (Special Needs) শিশুর সুবর্ণ কার্ড করানোর সবচেয়ে সহজ ও পূর্ণ নির্দেশনা ধাপে ধাপে সাজিয়ে দেয়া হলো—যে কোনো অভি...
06/12/2025

নিচে বিশেষ (Special Needs) শিশুর সুবর্ণ কার্ড করানোর সবচেয়ে সহজ ও পূর্ণ নির্দেশনা ধাপে ধাপে সাজিয়ে দেয়া হলো—যে কোনো অভিভাবক এটি অনুসরণ করলেই কার্ড বানাতে পারবেন।।

🟧 বিশেষ শিশুর সুবর্ণ কার্ড কিভাবে করাতে হবে — সম্পূর্ণ গাইড

✅ ১. কোথায় আবেদন করবেনঃ
👉 উপজেলা সমাজসেবা অফিস / সিটি কর্পোরেশন সমাজসেবা অফিস
(শিশুর স্থায়ী ঠিকানা অনুযায়ী)

🟧 ২. কোন কোন শিশুকে সুবর্ণ কার্ড দেওয়া হয়?
যে শিশুদের রয়েছে—

* অটিজম / ASD
* ADHD
* CP (Cerebral Palsy)
* Down Syndrome
* Global Developmental Delay
* Speech Delay
* Intellectual Disability
* Hearing / Visual Impairment
* Other Neuro-developmental Disorders

যেকোনো বিশেষ চাহিদা বা প্রতিবন্ধকতা থাকলে কার্ড পাওয়া যায়।

🟧 ৩. কোন কোন কাগজপত্র লাগবে?

শিশুর জন্য-
* জন্ম নিবন্ধন
* পাসপোর্ট সাইজ ছবি ২ কপি
* চিকিৎসক বা মনোবিজ্ঞানীর রিপোর্ট
* অটিজম/ADHD/CP/ID ইত্যাদির মূল্যায়ন রিপোর্ট
*NDD assessment বা Diagnosis report

অভিভাবকের জন্য-
* অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
* ঠিকানার প্রমাণ (প্রয়োজনে)

🟧 ৪. ধাপে ধাপে আবেদন করার নিয়ম

ধাপ ১: সমাজসেবা অফিসে যান এবং বলবেন:
“আমার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর সুবর্ণ কার্ড করতে চাই।”

তারা আপনাকে Disability Certificate-এর আবেদন ফরম দেবে।

ধাপ ২: ফরম পূরণ করুন

ফরমে লিখতে হবে:
শিশুর নাম
জন্ম তারিখ
ঠিকানা
অভিভাবকের তথ্য
শিশুর প্রতিবন্ধিতার ধরণ
আচরণ/লক্ষণ সংক্ষেপে

ধাপ ৩: সব কাগজপত্র জমা দিন
ছবি
জন্ম নিবন্ধন
NID
ডাক্তারের রিপোর্ট
স্টাফ চেক করে নেবে।

ধাপ ৪: মেডিকেল বোর্ডে উপস্থিত হন
সমাজসেবা অফিস আপনাকে বোর্ড মূল্যায়ন-এর একটি তারিখ দেবে।

বোর্ডে থাকেন—
সিভিল সার্জন বা প্রতিনিধি
শিশু বিশেষজ্ঞ/মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
সমাজসেবা কর্মকর্তা
কখনও মনোবিজ্ঞানী
তারা শিশুকে দেখে, রিপোর্ট দেখে নিশ্চিত করেন শিশুর প্রতিবন্ধিতা ক্যাটাগরি।

ধাপ ৫: প্রতিবন্ধিতা সনদ অনুমোদন
বোর্ড যদি প্রতিবন্ধিতা নিশ্চিত করে, তারা অনুমোদন পাঠায় সমাজসেবা অফিসে।

ধাপ ৬: সুবর্ণ কার্ড ইস্যু
সাধারণত ৭–১৫ দিনের মধ্যে কার্ড প্রস্তুত হয়।
ফলোআপ করে অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হয়।

কার্ডটি এখন প্লাস্টিক স্মার্টকার্ড ফরম্যাট, যেখানে—
শিশুর নাম
বয়স
প্রতিবন্ধিতার ধরণ
আইডি নম্বর
QR কোড থাকে।

🟧 সুবর্ণ কার্ড করলে যে সুবিধাগুলো মিলবে

🎉 শিশু ও পরিবারের জন্য:
থেরাপি/চিকিৎসায় সরকারি সহায়তা বা ছাড়
বিশেষ শিক্ষায় অগ্রাধিকার
IEP / স্কুল সাপোর্ট সহজ
পরীক্ষা সুবিধা (extra time, special sitting)
প্রতিবন্ধী ভাতা (জায়গাভেদে)
ট্রেন/বাস ভাড়া ছাড়
সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে সহায়তা
ইনকাম ট্যাক্স (বাবা/মা একজন)
ফ্রি বা স্বল্পমূল্যের হুইলচেয়ার/এডুকেশনাল ডিভাইস (যেখানে প্রযোজ্য)

🟧 কত বয়স থেকে করানো যায়?
👉 যেকোনো বয়সে, এমনকি ২–৩ বছর বয়সেও আবেদন করা যায়।
©

 # শিশুর নখ কাটার সমস্যা !!!   # আপনার শিশু কি নখ কাটতে দেয় না বা খুবই বিরক্তি বোধ করে? # আপনার শিশু  কি নখ কাটার সময় স্...
13/07/2025

# শিশুর নখ কাটার সমস্যা !!!



# আপনার শিশু কি নখ কাটতে দেয় না বা খুবই বিরক্তি বোধ করে?

# আপনার শিশু কি নখ কাটার সময় স্থির হয়ে বসে না অনেক নাড়াচড়া করে? তাই আঙ্গুল কেটে যাবে এই ভয়ে বাধ্য হয়ে ঘুমের মধ্যে নখ কাটেন।



কি কি কারণে অটিস্টিক শিশুরা এ সমস্যার সম্মুখিন হয় ?



উত্তর:

বিভিন্ন কারণে একটি শিশু নখ কাটতে দিতে না চাইতে পারে: যেমন



১. Tactile Hyper responsiveness :

এটি মূলত একটি সেন্সরি সমস্যা। শিশুর হাতে যখন nail cutter এর স্পর্শ লাগে তখন তার মস্তিষ্কে যে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয় তার কারণে সে নখ কাটা থেকে হাত সরিয়ে নেয়।



2. Vestbular Under responsiveness :

এটিও মূলত একটি সেন্সরি সমস্যা। এর কারণে শিশু নিজেকে একজায়গায় বেশিক্ষণ স্থীর রাখতে পারে না। সে সবসময় নিজেকে চলাফেরা বা নাড়াচাড়ার মধ্যে ব্যস্ত রাখে। তাই অভিভাবকরা নখ কাটার সময় অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হন।



3. Bitter experience in earlier age: অভিভাবকের অসতর্কতার কার পূর্বে শিশু নখ কাটার সময় ব্যাথা পেলে বা কেটে গেলে শিশুর মধ্যে ঐ স্মৃতি সম্পর্কে একটি আতঙ্ককারী উদ্রেক তৈরি হতে পারে। তাই nail cutter দেখেই সে ভাবতে পারে এই বুঝি সে আবার ব্যাথা পাবে। এই ভীতি এর করণেএমন আচরণ করতে পারে।



সমাধান :

একজন দক্ষ অকুপেশনাল থেরাপিস্ট এর কাছ থেকে নিয়মিত সেন্সরি ইন্টিগ্রেসন থেরাপি গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া আকুপেশনাল থেরাপিস্ট এর পরামর্শক্রমে নিন্মোক্ত উপদেশ গুলো একটু মেনে চলতে পারেন (তবে এই উপদেশগুলো শিশুর সমস্যা অনুযায়ী একটু সংযোজন বা ভিন্নতর হতে পারে)



১. নখের মাথায় নিয়মিতভাবে একটু চাপ দিয়ে ম্যাসেজ করুন (প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের স্পর্শের টাওয়াল, ফোম, পশমি কাপড়, সুতি কাপড়, মোটা জিন্সের কাপড় দিয়ে দিবেন)।



২. হাতের আঙুল দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মেসি গেইম বা সেন্সরী প্লে করাবেন যেমন: শেভিং ফোম,সাবানের ফেনা, বালু, চাল, ডাল, আটা, ময়দা, সরিষা, তিল,ছোলা,নুনি পাথর,কাদা মাটি, ছোট টুকরো ফোম, তুলা,আলূ ভর্তা, ভাত, ডাল ইত্যাদি!



৩. হাতের আঙুলের টিপ দ্বারা চাপ দিয়ে সাবানের ফেনা, শেভিং ফোম, বালু, চাল, ডাল, সরিষা,আটাতে বিভিন্ন অক্ষর লিখতে ও দাগ টানতে দিবেন, এর মধ্যে ছোট ছোট খেলনা লুকিয়ে রেখে বের করতে বলবেন ( লক্ষ্য রাখবেন আঙুলের টিপ যেন বেশি বেশি ঐ বস্তুর সংস্পর্শে যায়) !!!!



৪. নখ কাটার বিভিন্ন ছবি বা ভিডিও দেখানো। (যাতে নখ কাটার সাথে সহজে পরিচিত লাভ করতে পারে)!



৫. খেলার মাধ্যমে নখ কাটার সহিত পরিচিত করা যেমন :মডেলিং করে দেখানো (পুতুলের বা ক্যন্ডির নখ কাটা)।



৬. চেষ্টা করুন বাসায় বসে অন্যান্য শিশুদের সাথে একত্রে গল্প করে নখ কাটতে।



৭. নখ কাটার পূর্বে নখ সাবানের পানিতে অথবা গ্লিসারিন দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে, নখ নরম করার পর কাটতে পারেন ।



৮. বার বার নেইল কাটার শব্দ শুনানো যাতে শব্দের সহিত ও নেইল কাটার সহিত পরিচিত এবং কাটায় অভ্যস্ত হয়!



৯. ক্ষুধার্ত অবস্থায় নখ কাটা পরিহার করা, নখ কাটার পূর্বে খাবার খেলে শারিরীক ও মানসিক ভাবে শিশু প্রফুল্ল থাকবে!



১০.প্রতিবার নখ কাটার পর রিইনফোর্সমেন্ট বা শিশুর পছন্দের জিনিস পুরুস্কার হিসেবে ব্যবহার করা খুবই জরুরি!!!!



১১. বেশি বেশি সামাজিক গল্প বলা এতে অনেক সুবিধা হবে। যেমনঃ

নখ কাটলে তোমার হাত দেখতে খুব সুন্দর লাগবে, তোমাকে সবাই ভাল বলবে, লক্ষি সোনা বলবে। সব বন্ধুরা তোমার সাথে খেলা করবে। বাবা মা, শিক্ষক ও বন্ধুরা তোমাকে ভাল বলবে, আদর করবে! তোমাকে দেখতে খুবই সুন্দর লাগবে যাকে বলে স্মাট বাবু। নখ কাটলে শরীর সুস্থ থাকবে, মন ভাল থাকবে, পেটের কোন অসুখ হবে না। নখ বড় থাকলে নখে ময়লা ও জীবানু থাকবে,, এই জীবানু পেটে গেলে পেটের পীড়া হবে।



১২. হঠাৎ বা আকস্মিকভাবে নখ কাটা শুরু না করে পূর্ব থেকে বলে বা ছবি দেখিয়ে তাকে মানসিকভাবে প্রস্থুত করে নিতে হবে।



উপরুক্ত কার্যপ্রণালী গ্রহণ করে খুব দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
©

অটিজম শিশুদের চুল কাটতে সমস্যা!!!! #অটিজম শিশুদের চুল কাটতে সমস্যা!!!! #চুল ছোট করতে খুব সমস্যা বা খুবই বিরক্ত করে???!!!...
11/07/2025

অটিজম শিশুদের চুল কাটতে সমস্যা!!!!
#অটিজম শিশুদের চুল কাটতে সমস্যা!!!!
#চুল ছোট করতে খুব সমস্যা বা খুবই বিরক্ত করে???!!!!

আপনার শিশু কি চুল আচড়াতে দেয় না বা খুবই বিরক্তি বোধ করে?
আপনার শিশুকি সেলুন বা ট্রিমার দেখলে অসম্ভব রকম অস্তির হয়ে যায়?

কি কারণে শিশুরা এ সমস্যায় পড়ে?

উত্তর: এটি মূলত একটি সেন্সরি সমস্যা। শিশু Tactile Hyper responsive হলে এমন আচরণ করে। তাছাড়া Fobia বা ভীতি এর করণেও এমন আচরণ করতে পারে। একটি শিশুকে তার সেন্সরি সমস্যার সমাধান না করেই জোর করে বা অনেক জড়াজড়ি করে চুল কাটা হয় তখন তার মধ্যে এমন Fobia দেখা দিতে পারে।

সমাধান :
একজন দক্ষ অকুপেশনাল থেরাপিস্ট এর কাছ থেকে নিয়মিত সেন্সরি ইন্টিগ্রেসন থেরাপি গ্রহণ করতে হবে। তাছাড়া আকুপেশনাল থেরাপিস্ট এর পরামর্শক্রমে নিন্মোক্ত উপদেশ গুলো একটু মেনে চলতে পারেন (তবে এই উপদেশগুলো শিশুর সমস্যা অনুযায়ী একটু সংযোজন বা ভিন্নতর হতে পারে)

১. মাথায় নিয়মিতভাবে একটু চাপ দিয়ে ম্যাসেজ করুন (প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের স্পর্শের টাওয়াল বা সুতি মোটা কিপড় দিয়ে)।

২. মোটা দাতওয়ালা চিরুনি বা ব্যাক ব্রাশ দিয়ে মাথা সামনে থেকে পিছনের দিকে আচড়ানো।

৩. হাতের আংগুলের টিপ দ্বারা চাপ দিয়ে ম্যাসেজ করাবেন!!!!

৪. চুল ছোট করার ছবি বা ভিডিও দেখাবেন

৫. খেলার মাধ্যমে চুল কাটার সাথে পরিচিত করা যেমন :মডেলিং করে দেখানো (পুতুলের বা ক্যন্ডির চুল কাটা)।

৬. চেষ্টা করুন বাসায় বসে চুল ছোট করা।

৭. চুল ছোট করার পর সাথে সাথে কাপড় বদলে দিতে হবে যাতে শরীরের মধ্যে অসহ্যবোধ বা চুলকানি বোধ না হয় ।

৮. বার বার কাচির শব্দ শুনানো যাতে শব্দের সহিত পরিচিত এবং অভ্যস্ত করানো!

৯. শিশুদের নিয়মিত সেলুনে নিয়ে যাওয়া।

১০. আয়নার সামনে চুল ছোট বা কাটা পরিহার করা।

১১.ক্ষুধার্ত অবস্থায় চুল ছোট বা চুল কাটা পরিহার করা!

১২. প্রতিবার চুল কাটার পর রিইনফোর্সমেন্ট বা শিশুর পছন্দের জিনিস পুরুস্কার হিসেবে ব্যবহার করা খুবই জরুরি!!!!

১৩. বেশি বেশি সামাজিক গল্প বলা এতে অনেক সুবিধা হবে। যেমনঃ
চুল ছোট করলে বাবু তোমাকে দেখতে খুব সুন্দর লাগবে, বাবুকে সবাই ভাল বলবে, লক্ষি বলবে। সবাই তোমার সাথে খেলা করবে। বাবা মা, শিক্ষক ও বন্ধুরা ভাল বলবে, আদর করবে!তোমাকে দেখতে খুবই সুন্দর লাগবে যাকে বলে স্মাট। চুল ছোট থাকলে শরীর সুস্থ থাকবে,মন ভাল থাকবে, খুবই ভাল ঘুম হবে। চুল ছোট থাকলে মাথায় গরম লাগবেনা ও ঘাম বের হবেনা, বিরক্ত লাগবে না।
©

25/04/2025

✏️অটিজমের বিষয়ে কথা বলতে গেলে, কোনো একক ধরণের ব্যাখ্যা যথেষ্ট নয়।

একজন অটিস্টিকের কণ্ঠস্বর মানেই সব অটিস্টিকের কণ্ঠস্বর নয়।
এখানে আছে লাখ লাখ ভিন্ন ভিন্ন অভিজ্ঞতা।

কিছু অটিস্টিক মানুষ কথা বলেন।
কিছু কখনোই বলবেন না।
কিছু মানুষ অনেক কথা বলেন, কিছু চুপচাপ থাকতে ভালোবাসেন।
কেউ Spoken words ব্যবহার করেন, কেউ AAC, কেউবা ইশারা—আবার কেউ কিছুই ব্যবহার করেন না।

কেউ গর্ব করে বলেন “Autistic”,
আবার কেউ বলেন “Person with autism”।
কারো কাছে Puzzle piece 🧩পরিচয়ের প্রতীক,
আবার কারো কাছে সেটা অপমানজনক।

কেউ স্বাধীনভাবে জীবন কাটান,
আবার কারো সারাজীবন ২৪/৭ সহায়তা দরকার হয়।
কেউ কেউ অসাধারণ প্রতিভা বা Splinter skills রাখেন,
তবে বেশিরভাগেরই থাকে না।

Autism একটা spectrum—কোনো নির্দিষ্ট personality type নয়।
আর অটিস্টিক ব্যক্তিরা একে অপরের চেয়েও ঠিক ততটাই আলাদা, যতটা অন্য কেউ কারো থেকে।

তাই যদি আপনি সত্যিই Autism বোঝার চেষ্টা করেন,
তাহলে একজন অটিস্টিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলুন।
তারপর আরেকজনের সঙ্গে। তারপর আরেকজনের সঙ্গে।

আর ভুলবেন না—কিছু মানুষ কথা বলতে পারে না।
না শব্দে, না AAC-তে।
তাদের বোঝার জন্য আপনাকে শুনতে হতে পারে তাদের caregivers-দের—
যারা তাদের দেখেন, বোঝেন, ভালোবাসেন।

“If you’ve met one person with autism, you’ve met one person with autism.” – Dr. Stephen Shore

প্লিজ লাইক/কমেন্ট/শেয়ার।

আমাদের শিশুদের জন্যে খুবই জরুরি। মন দিয়ে একটু পড়ার অনুরোধ করছি
20/04/2025

আমাদের শিশুদের জন্যে খুবই জরুরি। মন দিয়ে একটু পড়ার অনুরোধ করছি

17/04/2025

জানা খুবই জরুরি আমাদের বাচ্চাদের জন্যে।
প্লিজ লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন।

শিশুর দেরিতে কথা বলা, কারণ ও করণীয়আগেই বলে নিই আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে-১. সব শিশুর বিকাশ এক রকম নয়।২. শিশুর বিকাশ যদ...
15/04/2025

শিশুর দেরিতে কথা বলা, কারণ ও করণীয়

আগেই বলে নিই আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে-
১. সব শিশুর বিকাশ এক রকম নয়।
২. শিশুর বিকাশ যদি বয়স অনুযায়ী না হয়ে অনেক বেশি পিছিয়ে থাকে তা স্বাভাবিক নয়।
৩. স্পিচ ডেভেলপমেন্ট আর ল্যাংগুয়েজ ডেভেলপমেন্ট এক জিনিস নয়।

📍জন্ম থেকে তিন মাস বয়সি শিশুর ভাষার বিকাশ
জন্ম থেকে তিন মাস, এসময় শিশু আপনার কণ্ঠ বা শব্দ বা সাউন্ড শুনতে পারে। শিশুরা যেহেতু সবকিছু অনুকরণ করে তাই আপনার সন্তানও এ বয়সে আপনাকে অনুকরণ করে শব্দ করার চেষ্টা করবে। এ শব্দ করাকে বলা হয় ‘কু- coo’। শিশু এসময় মা বা তার যত্নকারীর কণ্ঠ চিনতে পারে। শিশু কথা শুনে পরিচিত মানুষদের দিকে তাকায়।
শিশু যেন আপনাকে অনুকরণ করার সুযোগ পায় এজন্য আপনাকে যা করতে হবে-
১. শিশুকে ছড়া বা সুর করে গান শোনানো।
২. আপনার শিশুর সঙ্গে কথা বলুন। শিশুর মুখ-চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন। স্বরের উঠানামা বজায় রাখবেন৷ শিশু আপনার কথার মানে বুঝবে না, কিন্তু আপনার কণ্ঠ শিশুকে শান্ত রাখবে।
৩. শিশুর সামনে অন্যদের সঙ্গে কথা বলুন। অন্যদের সঙ্গে কথা বলে যে যোগাযোগ করতে হয়, শিশু সময়ের সঙ্গে তা বোঝা শিখবে।
৪. শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে হাসি দিন।
৫. শিশুর সঙ্গে কথা বলার সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে শব্দ কম থাকা ভালো৷ টিভি, মোবাইলের শব্দে শিশুর মনোযোগ ব্যহত হয়।
📍তিন থেকে ছয় মাস বয়সি শিশুর ভাষার বিকাশ
এসময় শিশু মূলত বুঝতে শিখে কীভাবে একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের সঙ্গে কথা বলে৷
আপনি যা করতে পারেন:
১. শিশুকে যতটা সম্ভব নিজের কাছে রাখুন যেন শিশু আপনার চোখ দেখতে পারে।
২. আগের মতোই কথা বলুন ও হাসুন।
৩. এ বয়সের শিশুরা আ অ ও ই এই জাতীয় শব্দ করে। শিশুর শব্দকে আপনিও অনুকরণ করুন। এখানে শিশু যোগাযোগ শিখতে পারবে।
৪. আপনি যা বলেছেন শিশু তা অনুকরণ করা মাত্রই আপনি আবারও সঙ্গে সঙ্গে তা অনুকরণ করুন। সঙ্গে সঙ্গে না করলে শিশু বুঝবে না যে আপনি তার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
📍ছয় থেকে নয় মাসের শিশুর ভাষার বিকাশ
শিশুরা ৬ থেকে ৯ মাস সময়ে বিভিন্ন ধরনের শব্দ করবে। এ শব্দ করাটা শিশুর জন্য এক ধরনের খেলা। শিশু মুখ দিয়ে যে সব শব্দ করবে তা শুনতে অর্থবোধক শব্দের মতো হলেও এগুলোর কোন অর্থ নেই। যেমন- বা বা... দা... দা...। শিশু এসময় অন্যের কণ্ঠ থেকে অন্যের অনুভূতি বুঝতে শিখে, সেই অনুযায়ী আচরণ করে। যেমন- রাগী কণ্ঠে কথা বললে শিশু কান্না করে, আনন্দের স্বরে কথা বললে শিশু হাসি দেয়।
আপনি যা করতে পারেন-
১. শিশুর সঙ্গে পিকাবু খেলুন। শিশু শব্দ শুনে আপনাকে খুঁজবে, একই সঙ্গে নিজের হাতও নড়াচড়া করবে।
২. শিশুকে খেলনা দিয়ে, খেলনা সম্পর্কে কিছু বলুন। যেমন- বল, লাল বল।
৩. শিশুকে আয়নায় শিশুর চেহারা দেখান এবং প্রশ্ন করুন, কে? কে এটা? আবার একটু থেকে নিজেই উত্তর দিন, হুমায়রা, এটা হুমায়রা।
কেন থামবেন? শিশু নিজেকে দেখে কেমন রেসপন্স করে তা বোঝার জন্য। শিশুর নিজেকে চেনা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৪. শিশুকে বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকুন। প্রয়োজনে ইশারা করে দেখান (পয়েন্টিং)। ফুল কোথায়? থেমে- এই যে ফুল!
📍নয় থেকে বারো মাস বয়সি শিশুর ভাষার বিকাশ
শিশুকে কিছু বললে শিশু মুখের দিকে তাকিয়ে কথা শুনে৷ শিশু এসময় সহজ শব্দ বোঝা শুরু করবে। শিশু এসময় ‘না’ শব্দটি বোঝা শিখে৷ শিশুকে ‘না’ বললে অনেক সময় শিশু আর মুখের দিকে তাকায় না। শিশুকে যদি বলা হয়, ‘মা কোথায়?’ শিশু মায়ের দিকে তাকাবে বা মাকে খুঁজবে৷
শিশু ছোট ছোট ইন্সট্রাকশন বুঝবে এবং তা শুনে করবে। যেমন, ‘দাও’ বললে শিশুর কাছে যা চাওয়া হয়েছে শিশু তা দেবে৷ শিশু যখন কিছু চাইবে, শিশু পয়েন্ট করে আঙুল ইশারা করে দেখাবে। শিশু কী চাইছে বা পয়েন্ট করছে তা খেয়াল করুন ও সঙ্গে সঙ্গে রেসপন্স করুন। শিশু এসময় ওয়েভিং বা টা টা দেওয়া শেখে। তাই ওয়েভ করার সময় বা হাত নাড়ানোর সময় বারবার টা টা বললে শিশু তা শিখে ফেলে৷ এ বয়সী শিশু কান্না না করে শব্দ করার মাধ্যমে কিছু চেয়ে থাকে। তাই শিশু কোন শব্দ করলে তার সঙ্গে শব্দ অনুকরণ করে বলুন।
📍বারো থেকে পনের মাসের শিশুর ভাষার বিকাশ
এ সময় মূলত শিশুরা শব্দ বা ওয়ার্ড বলা শুরু করে৷ এর পাশাপাশি শিশু যে সব জিনিসের নাম বলতে পারে না তার জন্য কোন একটি অর্থহীন শব্দ ব্যবহার করে থাকে। যেমন, অনেক শিশু কলাকে লালা বলে।
এ বয়সের শিশুরা সাধারণত ২/৩ টি শব্দ বলতে পারে। ২৫টি বা তার বেশি শব্দ বুঝতে পারে। শিশু ইন্সট্রাকশন ফলো করে। এর মানে হলো শিশুকে কিছু বললে শিশু তা বুঝে, করে থাকে। কথা না বলেও শিশু কমিউনিকেশন কর‍তে পারে। যেমন হাতের ইশারা করে কিছু চাওয়া, কোন জিনিসের দিকে তাকানোর মাধ্যমে তা চাওয়া বা ব্যাবেল করা।
আপনি শিশুর জন্য যা করতে পারেন-
১. শিশুর প্রতিদিনের যেসব জিনিস ব্যবহার তার নামগুলো শিশুকে বারবার বলতে থাকুন। যেমন কাপ, প্লেট, বাটি, চিরুনি ইত্যাদি। বলার পর শিশুকে সময় দিন যেন সে আপনাকে অনুকরণ করে।
২. শিশুকে বইয়ে ছবি দেখিয়ে জানতে চান কিসের ছবি৷ ছবির বই পাওয়া যায় যেখানে এক পেইজে একটি ছবি থাকে। শিশুকে উত্তর দেওয়ার জন্য অবশ্যই সময় দেবেন৷ তাড়াহুড়ো করবেন না।
৩. শিশু যখন কোন জিনিস দেখে জিনিসটির নাম বলতে পারবে তখন শিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে হাসি দিন বা হাততালি দিন। পাশাপাশি জিনিসটি সম্পর্কে শিশুকে আরও কিছু বলুন, ‘বল। লাল বল। গোল বল। কি সুন্দর বল।’
৪. শিশু যে শব্দগুলো বেশি বলে তা নিয়ে শিশুর সঙ্গে কথা বলুন। শিশুকে সময় দিন যেন সে তার কথা শেষ করতে পারে পুরোপুরি।
৫. শিশুর প্রতিদিনের কাজগুলো নিয়ে তাকে প্রশ্ন করুন৷ যে কোন কাজ করার সময়ও তাকে প্রশ্ন করতে থাকুন বা বিষয়টি নিয়ে বলতে থাকুন। যেমন ‘তুমি এখন ভাত খাবে না নুডলস খাবে?’, ‘আমরা খাওয়া শেষ করেছি এখন বসে থাকবো’।
৬. এ লেভেলের শেষের দিকে শিশুকে ‘প্রিটেন্ড প্লে’ এর সঙ্গে পরিচয় করান। এ বয়সের শিশুরা লাঠিকে তরবারি মনে করে খেলা করে বা হাতকে প্লেন বানিয়ে উড়িয়ে নেয়। আপনি খেলনা পুতুল দিয়ে শিশুর সঙ্গে খেলুন। শিশুকে বলুন পুতুলটিও আপনাদের সঙ্গে খেলবে এখন। শিশু তার খেলার সাথি মনে করে পুতুলের সঙ্গে খেলাধুলা করবে, কথা বলবে।
৭. শিশুকে এক শব্দে ইন্সট্রাকশন দিন। শিশু সহজে বুঝতে পারবে, বলতে পারবে।
📍পনের থেকে আঠারো মাসের শিশুর ভাষার বিকাশ
এ বয়সের শিশুরা ১০-২০টি শব্দ বলতে পারে। এ শব্দগুলোর বেশির ভাগই নাম। শিশু এসময় পুরোপুরি সঠিকভাবে শব্দ বলতে পারে। অনেক সময় ছোট ছোট দুটি শব্দ দিয়ে বাক্যের মতো শিশু কথা বলে। এসময় অনেক শিশুর মাঝে ইকোলেলিয়া দেখা যায়। এর মানে হলো শিশু যা শুনে তা বারবার অনুকরণ করে বলতে থাকে।
শিশু উপরে, নিচে, গরম, ঠান্ডা এগুলো বুঝতে পারে। এ বয়সী শিশুদের ২০-২৫% কথায় ঘরের বাইরের মানুষেরা বুঝতে পারে। এ বয়সের শিশুরা বেশ কিছু কঠিন (বয়স অনুযায়ী) আচরণ করা শিখে। যেমন আপনার সন্তান আপনাকে হাত ধরে তার খেলনার কাছে নিয়ে যাবে এবং খেলনার দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করে আপনাকে বলবে, ‘পুতুল’। এর মানে হলো আমি পুতুল দিয়ে খেলবো। আমাকে পুতুলটি দাও।
আপনি যা করতে পারেন-
১. শিশুকে শরীরের অঙ্গগুলো শেখান। কীভাবে? শিশুকে বলুন, ‘তোমার নাক দেখাও।’ আপনার নাকের দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করে বলুন ‘নাক’। এভাবে অনেকবার করলে শিশুও নিজের নাক ইশারা করা শিখবে। প্রয়োজনে আপনিও মাঝে মাঝে শিশুর নাকে আঙুল দিয়ে ইশারা করে বলুন, ‘হুমায়রার নাক’। এভাবে শিশুকে অন্য অঙ্গগুলোও শেখান।
২. শিশুর সামনে খেলনা লুকিয়ে শিশুকে বলুন খুঁজে বের করতে। খুঁজে পেলে হাততালি দিন হাসিমুখে।
৩. আর আগের মতোই শিশু যখন কোন জিনিস দেখাবে শিশুর সঙ্গে ওই বিষয় নিয়ে কথা বলুন। ‘তুমি আমাকে গাড়ি দিয়েছো। ধন্যবাদ তোমাকে। কি সুন্দর লাল গাড়ি। আসো আমরা খেলি।’ শিশুও যদি কিছু বলে তা শুনুন। তাড়াহুড়ো করবেন না।
📍আঠারো থেকে চব্বিশ মাসের বা ২ বছরের শিশুর ভাষার বিকাশ
শিশুকে ইন্সট্রাকশন দিলে শিশু তা বুঝবে এবং কাজটি করার সময় কথা বলবে। যেমন, ‘গাড়ি দাও’। শিশু এ বয়সে নিজে থেকে প্রিটেন্ড প্লে বা অভিনয় করে খেলতে পারবে। এ খেলা শিশুকে নতুন শব্দ শিখতে সহযোগিতা করবে। শিশু পরিবারের অনেকের নাম বা সম্পর্কগুলোর নাম বলতে পারবে। শিশু ছোট ছোট গল্প, গান, ছড়া শুনতে পছন্দ করে। অনেক শিশুরা এ বয়সে বাইরের মানুষ দেখলে ‘সালাম’ বলতে পারে।
শিশু আনুমানিক ২০-৫০টি শব্দ বলে। শিশু ২ শব্দের প্রশ্ন করতে পারে। শিশু অনেক সময় ৩ শব্দের বাক্য বলতে পারে। শিশুর ৫০-৭০ ভাগ কথা বাইরের মানুষ বুঝতে পারে। শিশু ২ লাইনের (২ স্টেপ) ইন্সট্রাকশন বুঝতে পারে। শিশু ব্যথা পেলে তা মুখে বলতে পারে। শিশু শরীরের অঙ্গের নাম বললে ইশারা বা পয়েন্ট করে দেখাতে পারে।
আপনি যা করতে পারেন-
১. শিশুকে ঘরের কাজে সাহায্য করতে বলুন। যেমন শিশুকে বলুন তার জুতো আনতে বা শিশুর বই আনতে।
২. শিশুকে সহজ ছড়া শেখানো শুরু করুন। যেমন আতা গাছে তোতা পাখি।
৩. শিশুকে গল্পের বই পড়ে শোনান। যেমন খরগোশ কচ্ছপের গল্প। যদি সম্ভব হয় পুতুল দিয়ে অভিনয় করে দেখান।
৪. শিশুর সঙ্গে গান করুন৷ যেমন আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরি...।
৫. শিশুকে বলুন কোন কিছু পয়েন্ট করে ওই জিনিসের নাম বলতে৷ বা ‘আমি যা দেখি তুমি কি তা দেখো’ খেলাটি খেলতে পারেন। এর মানে হলো শিশুকে বলুন আপনি একটি জিনিসের নাম বলবেন। শিশু তা আপনাকে হাতের আঙুল দিয়ে ইশারা করে দেখাবে ও তার নাম বলবে৷
৬. শিশুকে অন্য শিশুদের বা বড়দের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ করে দিন৷ শিশুকে বিভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে নিয়ে যাবেন।
৭. প্রিটেন্ড প্লে বা অভিনয় খেলাতে শিশুকে ব্যস্ত রাখুন৷ যেমন পুতুলকে খাওয়ানো, টেলিফোনে কথা বলা, খেলনা পুতুলের জন্মদিন ইত্যাদি।
যা করবেন না
শিশুকে সমবয়সীদের সঙ্গে বেশি বেশি খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। কারণ শিশুর ভাষার বিকাশের সঙ্গে শিশুর সামাজিকতা, অন্যের অনুভুতি বোঝা ও তা অনুযায়ী আচরণ করা ইত্যাদি সম্পর্কিত। অনেক সময় আমরা ইংরেজি বা বিদেশি ভাষায় অনেক শব্দ শেখাই, তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা বা যে পরিবেশে আছি সেখানে বেশিরভাগ মানুষ স্থানীয় ভাষায় কথা বললে তা শিশুর জন্য বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে। শিশুকে তার নাম ধরে ডাকতে হবে আর বাবু, সোনা, চাদের কনা ডাকা থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশুর সঙ্গে স্পষ্ট উচ্চারণে কথা বলতে হবে, আধো-আধো ভাষায় কথা বলা থেকেও বিরত থাকতে হবে।
শিশুর ভাষাগত বিকাশ বয়স অনুযায়ী না হলে কী করবেন?
শারীরিক সমস্যায় আমরা যেমন ডাক্তারের কাছে যাই ঠিক তেমনি ভাষার বিকাশগত সমস্যায় অবশ্যই আপনাকে একজন অভিজ্ঞ মনোবিজ্ঞানীর (শিশু মনোবিজ্ঞানী বা শিক্ষা মনোবিজ্ঞানী) সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারা এসেসমেন্ট করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বা ইন্টারভেনশন নিতে আপনাকে সহায়তা করবে। যদি শিশুর স্পিচ ডিলে হয় তাহলে আপনাকে যেতে হবে স্পিচ থেরাপিস্টের কাছে। সবার জন্য শুভকামনা।

লেখক:
সূরাইয়া ইসলাম মুন্নি,
অ্যাসিস্ট্যান্ট এডুকেশনাল সাইকোলজিস্ট, ডিপার্টমেন্ট অব এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সিলিং সাইকোলজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্লিজ লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন।

15/04/2025
পড়ুন  ~ জানুন ~ ভাবুনঅটিস্টিক ব্রেইন বিশ্রামের সময় neurotypical মানুষের তুলনায় ৪২% বেশি information process করে। অটিস্টি...
14/04/2025

পড়ুন ~ জানুন ~ ভাবুন

অটিস্টিক ব্রেইন বিশ্রামের সময় neurotypical মানুষের তুলনায় ৪২% বেশি information process করে। অটিস্টিকদের ব্রেইনে অনেক বেশি neurons থাকে — SEE IMAGE।

যখন একজন অটিস্টিক বলেন, আমরা see more, hear more, smell more, taste more, feel more, এটা কোনো অতিরঞ্জন না, বা figure of speech না!

অটিস্টিকরা সত্যি সত্যিই সব sense-এ বেশি অনুভব করেন — আর এই কারণেই overload হয়ে যায়। এই কারণেই meltdown হয়।

আপনার কাছে যেটা just একটা grocery store, অটিস্টিকদের জন্য সেটা:
• Visual Overload – চারপাশের সব পণ্যের sheer সংখ্যা একসাথে চোখে পড়ে;
• Color Overload – পণ্যের লেবেল, মানুষের পোশাক — সব রঙ মিলে যায় একসাথে;
• Movement Overload – মানুষ চলছে, trolley যাচ্ছে, forklift চলছে — সবকিছু একসাথে, প্রতিটি second-এ

Sound Overload – কথাবার্তা, trolley-এর শব্দ, বাচ্চার কান্না, বাক্স কাটার আওয়াজ, scanner-এর beep
অটিস্টিক ব্যক্তি সব শোনেন, একসাথে, এবং অনেক বেশি জোরে শুনতে পান অন্যদের তুলনায়।

Smell Overload – প্রতিটি shampoo, conditioner, lotion, soap, deodorant, spice, fruit, detergent, cleaning supply-এর গন্ধ,
এবং প্রতিটি মানুষের শরীরের আলাদা গন্ধ,অটিস্টিক ব্যক্তি সব গন্ধ আরও গভীরভাবে অনুভব করেন।

Light Overload (Photosensitivity) – grocery store এর tube lights তাদের কাছে অনেক বেশি তীব্র ও কষ্টদায়ক মনে হয়।
এই আলো sensory overload trigger হতে পারে।

Decision Paralysis / কোথা থেকে শুরু করব? কী নিতে এসেছিলাম? কোন aisle-এ ছিল? কত টাকা খরচ করা যাবে? ঐ মানুষটা আমার দিকে আসছে, আমি কি থামব না সরব? আমি কি blocking করছি? আমি কি chips নিতে চেয়েছিলাম? ওহ, আমার কি আমার list ছিল না? কোথায় গেল list?

এই চিন্তাগুলোর ভিড়ে, সাথে সাথে যখন sensory overload হয়, তখন brain freeze করে —
ঠিক যেমন computer lag করে, যখন খুব বেশি কিছু একসাথে করতে হয়।

এই সময় Executive Function বন্ধ হয়ে যায় — মানে, প্রয়োজনীয় কাজ (যেমন গাড়ি চালানো, রান্না, বাজার করা) করার mental ability নষ্ট হয়ে যায়।
Task Paralysis দেখা দেয় — কিছু শুরু করাই অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এই সময় একজন অটিস্টিক ব্যক্তি চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন, যেন কিছুই করছেন না। এই সময়টা দিতে হবে।
তখন যদি একা থাকতে দেওয়া হয়, তাহলে তারা mentalভাবে catch up করতে পারেন, এবং তারপর আবার চলতে পারেন।

তাদের অনেক সময় stim করতে হতে পারে — দুলতে পারে, হাত নাড়াতে পারে, চুলে আঙুল চালাতে পারে।
এগুলো তাদের self-regulation এর অংশ, যেটা তাদের calm করতে সাহায্য করে।

এই সময়ে তাদের একা থাকতে দিন। কথা বলবেন না, তাড়া দেবেন না। সময় দিন। এটা তাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা।
প্লিজ লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন।

[ সংগৃহীত ]

আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা  দিবস।কিন্তু ঈদের ছুটির কারনে আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে এই এত সুন্দর আরেকটা অটিজম ঈদ পালন করতে প...
02/04/2025

আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।
কিন্তু ঈদের ছুটির কারনে আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে এই এত সুন্দর আরেকটা অটিজম ঈদ পালন করতে পারলাম না, আজকের ২রা এপ্রিলটাও আমাদের অটিজম বাচ্চাদের পরিবারের জন্যে ঈদের মতই আনন্দে কাটে 💙
যাই হতো, আনন্দ না করতে পারলেও একটু স্মৃতি চারণ করি 🙂
ভাল থাকুক সূস্হ্য থাকুক আমাদের এই বিশেষ সন্তারা।
আল্লাহ্'র রহমতের ছায়ায় থাকুক যতদিন ওদের হায়াত থাকে ❤🥰

Address

Batali Road, Enayet Bazar
Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chittagong Autistic Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share