Shilkup Dhammakirty Smrity Sangha (SDSS)

Shilkup Dhammakirty Smrity Sangha (SDSS) Shilkup Dhammakirty Smrity Sangha is A Buddhist Religious, Social, Cultural, and Non-Profit Organization. Established in 2005, Feb 7.

'শীলকূপ ধর্ম্মকীর্ত্তি স্মৃতি সংঘ' একটি ধর্মীয়, অরাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামুলক সংগঠন । সমাজের শান্তি, শৃংখলা, সংহতি, ঐক্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, সভ্যতার শ্রীবৃদ্ধি সাধন ও সচেতন মানুষ গঠনই এর মুল লক্ষ্য । বাঁশখালী উপজেলার শীলকুপ গ্রামের বুদ্ধ সাধক, বিনয়াচার্য ভদন্ত ধর্ম্মকীর্ত্তি মহাস্থবিরের (১৮৯৫-১৯৬৪) আদর্শ প্রতিপালনের লক্ষ্যেই এই সংগঠনের উদ্ভব । ঠিকানা- প্রযত্নে শীলকূপ জ্ঞানোদয় বিহার । গ্রাম- শীলকূপ, ডাকঘর- মনকিচর, উপজেলা- বাঁশখালী, জেলা- চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ ।

08/07/2025
07/07/2025

Celebrating my 14th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

13/07/2022

বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধের সময়ে আষাঢ়ী পূর্ণিমা তিথিকে কেন্দ্র করে তিনটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটে। এক আষাঢ়ে পূর্ণিমায় গৌতম বুদ্ধ সিদ্ধার্থরূপে মাতৃগর্ভে প্রবিষ্ট হয়েছিলেন। আরেক পূর্ণিমায় তিনি গৃহত্যাগ করে সন্নাসব্রত ধারণ করেন। এবং ছয় বছর কঠোর সাধনা করে মোক্ষ লাভ করেন। আর শেষে আরেক পূর্ণিমায় তিনি মহাঅনির্বাণ লাভ করেন।

জনশ্রুতি আছে, এক আষাঢ়ী পূর্ণিমায় রাজা শুদ্ধোধনের মহিষী রাণী মহামায়া উপোসথ ব্রত গ্রহণ করলেন। সে রাত্রে রাণী মহামায়া স্বপ্নমগ্না হয়ে দেখলেন যে চার দিক থেকে পাল দেবগণ এসে পালঙ্কসহ তাকে নিয়ে গেল হিমালয়ের পর্বতোপরি এক সমতল ভূমির ওপর। সেখানে মহামায়াকে সুউচ্চ এক মহাশাল বৃক্ষতলে রেখে দেবগণ সশ্রদ্ধ ভঙ্গিমায় এক পাশে অবস্থান দাঁড়িয়ে পড়ল। পরে দেবগণের মহিষীরা এসে মায়াদেবীকে হিমালয়ের মানস সরোবরে স্নান করিয়ে দিব্য বসন-ভূষণ ও মাল্যগন্ধে সাজিয়ে দিলেন। অনতিদূরে একটি শুভ্র রজতপর্বতে ছিল একটি সুবর্ণ প্রাসাদ। চারিদিক থেকে পাল দেবগণ মহারাজা পুনঃপালঙ্কসহ দেবীকে সেই প্রাসাদে নিয়ে গিয়ে দিব্যশয্যায় শুইয়ে দিল। তখন অদূরবর্তী সুবর্ণ পর্বত থেকে এক শ্বেতহসত্মী নেমে এসে উত্তরদিক থেকে অগ্রসর হয়ে রজতপর্বতে আরোহণ করলেন। রজত শুভ্রশু একটি শ্বেতপদ্মের রূপ পরিগ্রহ করে কবীবর মহাক্রোষ্ণনাদে সুবর্ণ প্রাসাদে প্রবেশ করলেন।

তারপর ধীরে ধীরে তিনবার মাতৃশয্যা প্রদক্ষিণপূর্বক মায়ের শরীরের দক্ষিণ পার্শ্বভেদ করে মাতৃজঠরে প্রবেশ করলেন। পর দিন প্রত্যুষে রাণী মহামায়া রাজা শুদ্ধোধনকে স্বপ্ন বৃত্তান্ত অবহিত করলেন। কালবিলম্ব না-করে রাজা শুদ্ধোধনকে চৌষট্টিজন জ্যোতির্বিদ এনে স্বপ্নের ফল জানতে চাইলেন। তারা বললেন, "মহারাজ চিন্তা করবেন না, আপনার মহিষী সন্তানসম্ভবা। তিনি এমন এক পুত্ররত্ন লাভ করবেন যার ফলে বসুন্ধরা ধন্য হবে।"

আরেক আষাঢ় মাসের পূর্ণিমা রাতে মাত্র ২৯ বৎসর বয়সে তিনি স্ত্রী-পুত্র-রাজ্য সব মায়া ছেড়ে গৃহত্যাগ করেন। গয়ার বোধিদ্রুম মূলে একাধারে ছয় বছর কঠোর তপস্যার পর পরম জ্ঞান "মহাবোধি" লাভ করেন। নবলব্ধ ধর্ম প্রকাশের উদ্দেশ্যে তিনি আরেক আষাঢ়ী পূর্ণিমাতে সারানাথের ঈষিপত্তন মৃগদাবে আগমন করেন। বুদ্ধ এক আষাঢ়ী পূর্ণিমার রাতে ঈষিপত্তন মৃগদাবে সেই পঞ্চবর্গীয় শিষ্যদেরকে প্রথম ধর্মদেশনা "ধর্মচক্র প্রবর্তন সূত্র" দেশনা করলেন। কৌণ্ডণ্য, বপ্প, ভদ্দীয়, মহানাম ও অশ্বজিত্—এ পঞ্চবর্গীয় শিষ্যদের কাছে তার নবলব্ধ সদ্ধর্মকে প্রকাশ করেন।

পরে আরো এক পূর্ণিমা তিথিতে তিনি মাতৃদেবীকে সদ্ধর্ম দেশনার জন্য তাবৎিংস স্বর্গে গমন করেন। অনুরূপ পূর্ণিমার তিথিতেই বৌদ্ধ ভিক্ষুসংঘ ত্রৈমাসিক বর্ষাব্রত অধিষ্ঠান গ্রহণ করে।

ভিক্ষুদের অন্যতম বাৎসরিক আচার বর্ষাবাস শুরু হয় আষাঢ়ী পূর্ণিমাতে; শেষ হয় আশ্বিনী পূর্ণিমাতে। বর্ষাকালে সিক্ত বসনে এদিক-ওদিক ঘোরা-ফেরা করা, বস্ত্র তুলে চলা-ফেরা করা মানায় না বিধায় যেখানে-সেখানে ভিক্ষুদের বাস না করে গৌতম বুদ্ধ বর্ষাবাস গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। বৌদ্ধ বিনয় মতে যে ভিক্ষু বর্ষাবাস যাপন করেন তিনিই কঠিন চীবর লাভের যোগ্য হন।

বর্ষাবাস যাপন ব্যতিরেকে চীবর লাভ করা যায় না। যে বিহারের ভিক্ষু বর্ষাবাস যাপন করবে না, সেই বিহারে কঠিন চীবর দানানুষ্ঠানও করা যাবে না। বর্ষাবাসের জন্য ভিক্ষুরা সংঘারাম, বিহার ও সাধনাকেন্দ্র বেছে নেয়।

বাঁশখালী বৌদ্ধ সমিতি 'র সুযোগ্য সভাপতি,বাঁশখালী বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র  শিক্ষক,৮২ নং শীলকূপ সরকারী প্রাথমিক বি...
12/06/2022

বাঁশখালী বৌদ্ধ সমিতি 'র সুযোগ্য সভাপতি,
বাঁশখালী বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক,
৮২ নং শীলকূপ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি,
শীলকূপ ধর্মকীর্তি স্মৃতি সংঘের সম্মানিত প্রধান উপদেষ্টা,
শীলকূপ বৌদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি,
শীলকূপ জ্ঞানোদয় বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি,

ঐতিহ্যবাহী শীলকূপ জ্ঞানোদয় বিহারের বিহারাধিপতি
বহু সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা,কর্মধ্যক্ষ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ভদন্ত রাহুলপ্রিয় মহাস্থবিরের শুভ জন্মদিনে আমাদের মৈত্রীময় শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধাভিনন্দন💐🎂

পরম পূজনীয় ভান্তের নিরোগ দীর্ঘায়ু জীবন কামনায় পূণ্যদান করছি🙏🙏🙏🌼💞

শ্রদ্ধানিবেদনে - ধর্মকীর্তি স্মৃতি সংঘ পরিবার 🌼💐🙏

বুদ্ধ, বুদ্ধ পূর্ণিমা ও ভেসাক ডেড. আনন্দ বিকাশ চাকমাকলামঃ বোধিধারা ত্রৈমাসিক স্যার এডউইন আর্নল্ড তাঁর ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত...
05/05/2020

বুদ্ধ, বুদ্ধ পূর্ণিমা ও ভেসাক ডে
ড. আনন্দ বিকাশ চাকমা

কলামঃ বোধিধারা ত্রৈমাসিক

স্যার এডউইন আর্নল্ড তাঁর ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থে বুদ্ধকে লাইট অব এশিয়া বা ‘এশিয়ার আলো’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। গ্রন্থটি গৌতম বুদ্ধের জীবন ও শিক্ষা নিয়ে রচিত উচ্চ মার্গের কাব্যগ্রন্থ। সেই এশিয়ার আলো-খ্যাত-মানবপুত্র মহামানব গৌতম বুদ্ধ এখন সমগ্র বিশ্বের আলো, শান্তির নন্দিত প্রতিক।

১৯৯৯ সালে বিশ্বের তাবৎ রাষ্ট্রের মিলনসভা জাতিসংঘ বুদ্ধের জন্মজয়ন্তীকে পবিত্র ভেসাক ডে হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তদনুসারে প্রতিবছর যথাযথ মর্যাদা সহকারে উদ্‌যাপন ও পালনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বৌদ্ধপ্রধান রাষ্ট্রসমূহে বিপুলকার আয়োজনের মধ্য দিয়ে বুদ্ধের জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য তৎপূর্বে ইউনেস্কো ১৯৯৭ নেপালস্থ লুম্বিনীর বুদ্ধের মহাপবিত্র জন্মস্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করেছে। এভাবে উনিশ শতকে আর্নলেন্ডের এশিয়ার আলো খ্যাত মহামানব বুদ্ধ বিশ শতকের শেষে সমগ্র বিশ্বের আলো হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী হিসেবে এটি জগতের সকল বৌদ্ধদের জন্য অত্যন্ত আনন্দময় ঘটনা। এ বছর দেশে ৬মে দিবসটি পবিত্র বুদ্ধপূর্ণিমা হিসেবে পালিত হবে। কিন্ত জাতিসংঘে ও পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও ইউরোপজুরে পালিত হবে ভেসাক ডে বা বৈশাখী দিবস হিসেবে। জগতে মহাপুরুষের আবির্ভাব অত্যন্ত দুর্লভ।

কিন্ত তার চেয়ে বেশি বিরলতম ঘটনা হলো একই দিনে জন্ম, বুদ্ধত্ব(মহাসত্যজ্ঞান) লাভ এবং পরিনির্বাণ তথা দেহত্যাগ। বুদ্ধের জীবনে এই বিরলতম ঘটনাত্রয় সংঘটিত হয়েছে বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে। তাইতো দিবসটি বৌদ্ধদের নিকট এত গভীর তাৎপর্যবহ। কিন্ত অন্যদের কাছে কেন? কারণ বুদ্ধ ছিলেন একাধারে বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক, সমাজসংস্কারক, মানবতার ধর্মশিক্ষকার সূচনাকারী, ধর্মগুরু, শিক্ষাগুরু, অহিংসা ও মৈত্রীতত্বের আবিস্কারক, নির্বাণমার্গের প্রতিষ্ঠাতা, জীব ও প্রকৃতিপ্রেমী, ধ্বজাধারী দার্শনিক, সংঘ বা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, বিহারকেন্দ্রিক কর্মবাদী, কার্যকারণ ও প্রতিত্যসমুৎপাদ নীতি এবং আসবক্ষয় জ্ঞানের মতো উচ্চতর দর্শনের দিশারী। বুদ্ধের দেশিত বোধিজ্ঞান বা চারি আর্য সত্য ও আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ একটি ক্রুটিমুক্ত সহজ সরল পূণ্যময় উত্তম জীবনবিধান যা পৃথিবীর সকল মানুষ সহজেই অনুধাবন, অনুধ্যান ও অনুশীলন করতে পারে।

তাইতো তিনি আজ বিশ্বজয়ী। স্যার এডউইন আর্নল্ড লাইট অব এশিয়া বা বুদ্ধের জীবনী লেখার আগে ইউরোপে বুদ্ধ সম্পর্কে খুব কম লোকে জানত বা কিছুই জানত না। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে মিলিয়ন লোক বুদ্ধ সম্পর্কে অবহিত হয়। ঐ শতকে আর্নল্ডের দেশ যুক্তরাজ্য হয়ে ওঠে বুদ্ধের ভাষা পালি গবেষণা, অনুশীলন, প্রচার ও প্রকাশনার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র।থমাস উইলিয়াম রিস ডেভিডস ও তাঁর সহধর্মিণীর উদ্‌যোগে লন্ডনে স্থাপিত হয় পালি টেক্সট সোসাইটি।

সে-ই সংস্থা থেকে প্রকাশিত হতে থাকে বুদ্ধের নীতি শিক্ষা ও দর্শনের ওপর পালি থেকে ইংরেজি ভাষায় অনুদিত গ্রন্থাবলি। এক পর্যায়ে পূর্ব এশিয়া ছাড়িয়ে আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া ও কানাডায় পৌঁছে যায় বুদ্ধের ধর্ম ও দর্শন। আর একুশ শতকে এসে খোদ জাতিসংঘের মহাসচিব এস্তনিও গুতেরসকে বলতে শুনিঃ “In a time of growing intolerance and inequality, the Buddhas message of non-violence and service to others is more relevant than ever ”

আসলে বর্তমান জাতিবাদী, বর্ণবাদী, উগ্রধর্ম্বাদী, স্বার্থন্ধ বিবেকবর্জিত, মানুষের বিশ্বে বুদ্ধের শিক্ষার অনুশীলন খুবই প্রয়োজন। আসুন আমরা হিংসা বিভেদ ভুলে এই অনিত্য সংসারে বুদ্ধের শিক্ষায় জীবন গড়ি।

great 👍
17/11/2017

great 👍

in 1950, 15-year-old Lhamo Dondrub was officially named the 14th Dalai Lama.

Dalai Lamas are the head monks of the Gelug school, the newest of the schools of Tibetan Buddhism.

The 14th Dalai Lama was recognized at the age of two, in accordance with Tibetan tradition, as the reincarnation of his predecessor the 13th Dalai Lama. The Dalai Lamas are the manifestations of the Bodhisattva of Compassion, who chose to reincarnate to serve the people. Dalai Lama means Ocean of Wisdom. Tibetans normally refer to His Holiness as Yeshin Norbu, the Wish-fulfilling Gem, or simply, Kundun, meaning The Presence.

In 1950, at 16, His Holiness was called upon to assume full political power as Head of State and Government when Tibet was threatened by the might of China. In 1959 he was forced into exile in India after the Chinese military occupation of Tibet. Since 1960 he has resided in Dharamsala, aptly known as "Little Lhasa", the seat of the Tibetan Government-in-Exile.

Dalai Lama was awarded the 1989 Nobel Peace Prize for his consistent resistance to the use of violence in his people's struggle to regain their liberty.

03/11/2016
ধর্মকীর্তির বার্ষিক ধর্মীয় মেধাবৃত্তি, পুরস্কার বিতরনী অনুস্টান চলছে।স্থানঃ জ্ঞানোদয় বিহার!
03/11/2016

ধর্মকীর্তির বার্ষিক ধর্মীয় মেধাবৃত্তি, পুরস্কার বিতরনী অনুস্টান চলছে।
স্থানঃ জ্ঞানোদয় বিহার!

We are so pleased to come here and visit our different social works...His Excellence Ven. Kamolchai YannasoandDear Miss....
01/11/2016

We are so pleased to come here and visit our different social works...

His Excellence Ven. Kamolchai Yannaso
and
Dear Miss. Aphinita Chichana.

14/10/2016

Address

Chittagong
4390

Telephone

+8801923956357

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shilkup Dhammakirty Smrity Sangha (SDSS) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Shilkup Dhammakirty Smrity Sangha (SDSS):

Share