আলহামদুলিল্লাহ ওয়াসসালাতু ওয়াসসালামু আলা রাসুলিল্লাহি আম্মা বা'দ :
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
★তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি যার সৃষ্টি কেবল মানুষের উপকারের তরে।
(আল কুরআন - সূরা আলে ইমরান ঃ ১১০)।
★ মানুষের মাঝে সেই সর্বোত্তম, যে মানুষের উপকার করে। (আল হাদিস)
#"তোহফা" কি? "তোহফা" একটি সামাজিক ঔচিত্যবোধ জাগ্রতকারী সংস্থা। মনুষ্যত্ব ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অকম্প দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সমাজের বহুবিধ সমস
্যার সমাধানে "তোহফা "র আহবান চির মুধুসখ। অন্যায় অনৌচিত্যের প্রতিঘাতী প্রচেষ্টায় অটুট "তোহফা "। "তোহফা "পীড়ন ক্ষমতা, বাহুবলে নয়, বরং প্রশান্ত আদর্শে বিশ্বাসী।
*"তোহফা "র আদর্শ ও কর্মপদ্ধতি :
"তোহফা"র সমস্ত মননশীল কর্মপ্রণালী মহান আল্লাহ তা'আলার হাবীব, সমগ্র সৃষ্টির জন্য যিনি রহমত, হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামার অনুসরণে চলে।
কেননা তিনিই একমাত্র সত্তা, যিনি সৃষ্টিতে অতুলনীয়, অপ্রতিদ্বন্দ্বী সুমহান চরিত্রের অধিকারী, অধিকারী, যাঁর মহৎ চরিত্রের প্রশংসা স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তা'আলা করেন "নিশ্চয় তোমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ উপমা রয়েছে, যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রত্যাশী।
(আল কুরআন : ৩৩ নং সূরা আহযাব-আয়াত : ২১)।
প্রতিবাদ নীতি :
* শোরগোল, ভাংচুর, আঘাত, সংঘাত নয় ।
বরং
*নীরবে ন্যায্য কাজ সম্পাদনই " তোহফা " র প্রতিবাদী আওয়াজ।
উদ্দেশ্য :
১ ) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
২ ) মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামার আদর্শ আলোকে সমাজ কে সাজানো।
৩) মানুষের স্বার্থে কাজ করা।
৪ ) বেকারত্ব রোগের চিকিৎসা।
৫ ) সুশিক্ষিত মার্জিত জাতি গঠন ।।
৬) শান্তি প্রতিষ্ঠা।
স্লোগান : "তোহফা আছে, অসহায়ের আর্তনাদে, দুখীর বেদনায়, মার্জিত জাতি গঠনে,সুশিক্ষার অনুপ্রেরণায়।
* শান্তনা নয়, শান্তি চাই।
সংগঠনের মূল :
"তোহফা "একটি সামাজিক অরাজনৈতিক সংগঠন, যা " মুহিব্বানে রাহমাতুল্লিল আলামিন গাউছিয়া জিলানী কমিটি'র শাখা বিশেষ।
যার বদান্যতায় আমরা আছি : " মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা বারী "
সাজ্জাদা নশীন - দরবারে বারীয়া শরীফ, বাহির সিগন্যাল, চান্দগাঁও, চট্রগ্রাম।
শিক্ষাগত যোগ্যতায় তিনি ৪ টি ভিন্ন বিষয়ে কামিল (মাস্টার্স) । তাফসীর, হাদিস, ফিকহ (ILLB) , আদব ( সাহিত্য)।
তিনি ইসলামকে বই ও মঞ্চে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়নে রূপান্তর করতে সচেষ্ট ।
তোহফার রূপকার :
সৈয়দ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বারী।
কেন্দ্র : দরবারে বারীয়া শরীফ, চান্দগাঁও, চট্রগ্রাম।
ডাকঘর - আল আমিন বারীয়া, ৪২২১।
প্রতিষ্ঠাকাল :সোমবার, ১৬ ই শাবান ১৪৪২ হিজরী /১৫ চৈত্র ১৪২৭ / ২৯ মার্চ, ২০২১ ।
নামকরণ :
তোহফা শব্দের অর্থ উপহার।
* অনুদান সাহায্য এ জাতীয় শব্দাঘাতে অনেক মানুষ সম্মান রক্ষার্থে অনুৎসুক হয়।
* আমাদের কার্যকরী তহবিল সদকা, যাকাত থেকে নয় বরং তোহফার সদস্যবৃন্দ এবং মঙ্গলকামী ব্যক্তিবর্গের মাসিক / এককালীন / ঐচ্ছিক অংশীদারিত্ব হতে সংগৃহীত।
* প্রয়োগ খাত : প্রয়োজনীয় স্থানে গ্রহীতার সম্মানার্থে আমাদের সামান্য প্রচেষ্টা। যাতে সহযোগীতার পাশাপাশি সম্মানও বহাল থাকে।
*****----**-**-********
* মূল তহবিলে যাকাত না নেওয়ার কারণ :
★রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামার পবিত্র বংশধরের উপর সদকা/যাকাত হারাম। সুতরাং তাঁদের সেবা করার সুযোগ আমরা হারাতে চাই না।
★ বিধর্মীদের যাকাত দেওয়া যায় না। যেহেতু তোহফা হতে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত।
★ যাকাতের নির্দিষ্ট খাত আছে, তোহফার খাত অনির্দিষ্ট।
************
বি দ্র : যাকাত বা সদকা দিতে পারবেন কয়েক শর্তে :
★ আপনার নিকটবর্তী (হকদার) কেউ না থাকলে বা তাদের হক আদায় করার পরেও আপনার অঢেল থাকলে।
★ তোহফাতে প্রদানের পূর্বে উল্লেখ করতে হবে আপনার দেয়া অংশটি উপহার /সদকা /যাকাত।
যেহেতু আপনার সহযোগীতা আমাদের আমানাত।
শাখা :
১) দরবার (মূল)।
২ ) "পশ্চিম মোহরা"। যা অন্য শাখা হতে অধিকতর প্রাধান্য যোগ্য।' পশ্চিম মোহরা"তে মাসব্যাপী সাহরীর আয়োজনের মাধ্যমে তোহফার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
এ আয়োজনে যাদের অবদান , "তোহফা" আজীবন তাঁদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।
৩)কুমিল্লা।
৪) বাকলিয়া।
৫)চররাঙ্গামাটিয়া।
৬) চকবাজার।
৭)আনোয়ারা
৮) কুরবানিগঞ্জ
৯) রাঙ্গুনিয়া।
১০) কর্ণফুলী।
১১) বোয়ালখালি।
১২) পাহাড়তলী।
১৩) সিলেট।
বি দ্র : ইতিপূর্বেও দেশজুড়ে অতি গোপনে মুহিব্বানে রহমতুল্লিল আলামিন এর কার্যক্রম অব্যাহত ছিল, আছে ও থাকবে ইনশাআল্লাহ।