০১।এই প্রতিষ্ঠানটি একটি সুন্নাহ্ ভিত্তিক অরাজনৈতিক ও সামাজিক সেচ্ছাসেবী এবং মানবকল্যাণ মূলক প্রতিষ্ঠান!
০২।এই প্রতিষ্ঠান এ দেশ ও জাতির কল্যানে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ কাজ করতে পারবে।
০৩।দেশ ও জাতির কল্যাণে সকলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার একটি উদিয় মান প্রতিষ্ঠান এটি
০৪।আপনি চাইলে সেচ্ছায় আমাদের সাথে কাজ করতে পারেন।
০৫।কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সমাজসেবা ও মানবসেবা করার চেষ্টা করবে এই প্রতিষ্ঠান
০৬।
যেমন মানবতার মুক্তি দ্রুত নবীজী-(ﷺ) বলেছেন সব থেকে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি যে,মানুষের বেশি উপকার করে
(সহীহ বুখারি-৩২৮৯)
অন্য এক হাদিসে আল্লাহর হাবীব নবীজী-(ﷺ) বলছেন দুনিয়ার প্রতিটি জীবিত প্রাণীর সেবার জন্য সওয়াব আছে
(সুনান আবু দাউদ-২৫৫০)
নবীজী-(ﷺ) বলেছেন যে, মানুষের প্রত্যেক জোড়ার প্রতি সদাকাহ রয়েছে, প্রতি দিন যাতে সূর্য উদিত হয় দু’জন লোকের মধ্যে সুবিচার করাও সদাকাহ, কাউকে সাহায্য করে সাওয়ারীতে আরোহণ করিয়ে দেয়া বা তার উপরে তার মালপত্র তুলে দেয়াও সদাকাহ, ভাল কথাও সদাকাহ, সালাত আদায়ের উদ্দেশে পথ চলায় প্রতিটি কদমেও সদাকাহ, রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ করাও সদাকাহ।
(সহীহ বুখারী-২৯৮৯)
এক সাহাবী-[রা:] নবীজী-(ﷺ) কে জিঙ্গাস করলেন ইসলামে কোন কাজটি উত্তম তার প্রতি উত্তরে নবীজী হযরত মুহাম্মদ মোস্তাফা-(ﷺ) বলেছেন লোকদের খাদ্য খাওয়ানো এবং পরিচিত অপরিচিত সবাইকে সালাম দেওয়া।এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো এখানে দুইটি বিষয়ই মানবসেবা মূলক কথা যেমন মানুষকে সালাম দেওয়া অর্থ হলো মানুষের জন্য আল্লাহর কাজে দু’আ করা এবং মানুষের জন্য কল্যাণ কামনা করা আর মানুষের কল্যাণ কামনা করা এটি সবচেয়ে বড় সেবা নই কি
(গ্রন্থ:সহিহ মুসলিম/হা.নং-৬৫)
০৭। অন্য এক হাদিসে নবীজী হযরত মুহাম্মদ-(ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা ক্ষুধার্তকে অন্ন দাও, রোগীর সেবা কর এবং কষ্টে পতিতকে উদ্ধার কর।
(গ্রন্থ:সহিহ বুখারী/হা.নং-৫৬৪৯)
০৮। এবং কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে কাজ করাত আমাদের প্রধান লক্ষ্য
০৯। মহানবী হযরত মুহাম্মদ-(ﷺ)এর সুন্নাহ এবং নির্দেশিত বাণী সমূহের পরিকল্পনাতে পরিচালিত হবে এই সংগঠন এবং এর লক্ষ্যে কাজ করায় আমাদের উদ্দেশ্য
১০। দেশের হতদরিদ্র মানুষের কাছে সেবা পৌছেঁ দেওয়া ও তাদের মূখে হাসি ফুটানোই আমাদের একমাত্র কাজ
১১। দেশ ও জাতির কল্যাণে একসাথে কাজ করার নিবেদিত প্রাণ এই প্রতিষ্ঠান
১২। ইসলাম তো এমন একটি ধর্ম যেটা সকল জাতি ও ধর্ম বর্ণের মানুষকে কল্যাণের পথ দেখায় এই ধর্মে ছোট কোনো কাজে ও তুচ্ছ করে দেখা হয় না
একদিন বেজায় তৃষ্ণার্ত একটি কুকুরকে পানি পান করানোয় জনৈকা ব্যক্তি ক্ষমা পেয়েছিল তাহলে যে মুসলমান
পিপাসিতদের পানি দিল
ক্ষুধার্তদের খাদ্য দিল
বস্ত্রহীনদের বস্ত্রদিল
সে তো আরো ক্ষমা লাভের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত