� গঠনতন্ত্র �
INDIGENOUSE STUDENTS WELFARE ORGANIZATION
�(ধারা-১) - প্রতিষ্ঠা :
আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যান সংস্থা এটি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ।এলাকায় সামাজিক অবস্থান কাঙ্খিত পরিবর্তন সাধনে শিক্ষার উন্নয়ন সচেতন বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে সমাজে পিছিয়ে পড়ে থাকা গরীব,মেধাবী শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীলতা জাগিয়ে শারীরিক, মানসিক, এবং আর্থিকভাবে বিভিন্ন উৎসাহ ও উদ্দীপনায় সামনে অগ্রসর করা। সদস্যদের নিজস্ব অর
্থে পরিচালিত এই সংগঠনটি বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় অন্তর্গত। কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গগণ সম্মিলিতভাবে নিম্নলিখিত গঠনতন্ত্রের নিয়মাবলী প্রণয়ন করেছেন। সংগঠনের সু কার্যক্রমের লক্ষ্যে এই নীতি অনুসরন বাধ্যতামূলক।
�(ধারা-২) সংগঠনের নামকরণ :
ইংরেজিতে "Indigestion Students Welfare Organization " ও বাংলায় " আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা " এবং সংক্ষেপে (ISWO) আই,এস,ডাব্লিউ,ও নামে অভিহিত হবে ।
�(ধারা-৩) সংগঠনের স্লোগান :
★ সুশিক্ষায় গড়বো জাতি,এসো সবাই আলোকিত সমাজ গড়ি★
�(ধারা-৪) সংগঠনের লোগোর বিবরণঃ
আমাদের রয়েছে একটি বই প্রতীক লোগো। যেখানে আলো যেমন জাগতিক নিয়মে অন্ধকার দূর করে সবকিছু রূপায়িত করে, তেমনি বই মানুষের মনের ভেতরে জ্ঞানের আলো এনে যাবতীয় অন্ধকারকে দূর করে মানুষত্ব চেতনার আলোকে সবকিছু উদ্ভাসিত করে দেখায় এমন প্রয়াস পেয়েছে। এবং বৃত্তাকারের চারপাশে "INDIGENOUSE STUDENTS WELFARE ORGANIZATION" ও বাংলায় "আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা" সংগঠনের নাম বিদ্যমান রয়েছে।
� (ধারা-৫) সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
�গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর জরীপের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রী দিয়ে তাদের সহযোগীতা করা।
�প্রতিটি উপজেলায় প্রতিটি স্কুলের সেরা শিক্ষার্থী বাছাই করে তাদের সহযোগীতা করা।
�এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরণ করা।
�ক্লাস ফাইভ এবং ক্লাস এইটে বোর্ড পরীক্ষা কর্তৃক বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের পুরষ্কার বিতরণ করা।
�এই শিক্ষা ফান্ডের মাধ্যমে প্রতি তিনমাস পর পর উপজেলাভিত্তিক চক্রাকারে ( প্রথম তিনমাস এক উপজেলায় এরপর তিনমাস অন্যান্য উপজেলায়।) এভাবে গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জরীপের মাধ্যমে সহযোগীতা করা হবে। এক্ষেত্রে উক্ত উপজেলার আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থার সদস্যবৃন্দ জরীপে অংশগ্রহন করবে। (ফান্ডের উপর নির্ভর করে সময়টি পরিবর্তনীয় হতে পারে )
�বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য নানাবিধ শিক্ষামূলক প্রোগ্রাম আয়োজন করা।
�সকল মানবিক কাজে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগীতা করা।
�বয়োজ্যেষ্ঠ লোকদের বাৎসরিক এককালীন বয়োস্ক ভাতা হিসেবে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী দিয়ে সহযোগীতা করা।
�গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থী,এতিম শিশু,প্রতিবন্ধী, বয়োজ্যেষ্ঠ লোক,দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের ইমার্জেন্সী সহযোগীতার প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তমোতাবেক তাদের যেকোন সময় সহযোগীতা করা হবে।অন্যথায় উপজেলাভিত্তিক চলমান থাকবে।
�এলাকায় সামাজিক অবস্থান কাঙ্খিত পরিবর্তন সাধনে শিক্ষার উন্নয়নে সচেতন বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীলতা জাগিয়ে বিভিন্ন উৎসাহ ও উদ্দীপনার সহিত সামনে অগ্রসর করা।
� (ধারা-৬) সংগঠনের তহবিল (ফান্ড) সংক্রান্ত বিষয়াবলী
১ অত্র সংগঠনের সদস্যদের মাসিক ফি সংগঠনের তহবিলের প্রধান উৎস হিসেবে গণ্য হবে। তবে শুভাকাংখীদের নিঃস্বার্থ এককালীন দান, অনুদান বা সাহায্যও তহবিলের উৎস হিসেবে বিবেচিত হবে।
২। যথাযোগ্য রশিদ ছাড়া এবং কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত ব্যতিত অত্র সংগঠনের নামে কোন অর্থ গ্রহন করা যাবে না।
৩। সদস্যদের মাসিক ফি কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত বিকাশ নাম্বারে প্রেরণ করবে।
৪। সংগঠনের মাধ্যমে কোন মানবিক কাজে সহায়তা প্রদান করা হলে কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত টাকা ক্যাশআউট করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে যথাযথ সম্মানের সহিত ভিক্তিমের কাছে টাকা হস্তান্তর করতে হবে।
৫।এই সংগঠনের সকল সদস্যরা পর্যায়ক্রমে তাদের নির্বাচন করা বা মনোনীত ব্যক্তিকে (যেমন-গরীব অসহায়দের জন্য,বিভিন্ন রোগীর জন্য,দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য,টাকার অভাবে পড়তে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য,কোন বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষের জন্য)ইত্যাদি সকল মানবিক কাজে এই সংগঠনের নিজস্ব ফান্ড থেকে সহযোগিতা করার সুযোগ পাবে।সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় কমিটিকে যথাযথ প্রমানস্বরুপ ডকুমেন্টস দাখিল করতে হবে।
৬। এই সংগঠনের আর্থিক ফান্ড থেকে সংগঠনের কোন সদস্য কোন প্রকার আর্থিক সুবিধা পাবেনা।সংগঠনে জমাকৃত সমস্ত মাসিক ফি বিভিন্ন গরীব ও অসহায় পরিবার এবং গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তথাপি নানাবিধ মানবিক কাজে দান করা হবে।
৭। এই ফান্ডে একটি ডকুমেন্টারি খাতা থাকবে,যেখানে সংগঠনের সমস্ত লেনদেন সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকবে।
�(ধারা-৭) সদস্য হওয়ার শর্ত :
১। আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থায় সদস্য হতে হলে নূন্যতম বয়স ১৮ বছর হইতে হবে।
২। আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা কর্তৃক নির্ধারিত অনলাইন আবেদন ফরমের মাধ্যমে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে যেসকল সদস্য ভর্তি ইচ্ছুক তারা অবশ্যই "indigenous students welfare organization" বা " আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা" পেইজে মেজেস অথাবা কমেন্ট করে জানাতে হবে।
৩। সদস্য অবশ্যই ভদ্র, উদ্যোগী,রুচিশীল,সদাচারী, মননশীল হতে হবে।
৪। প্রত্যেক সদস্যকে প্রতি মাসে কার্যনির্বাহী কমিটি সিধান্ত অনুযায়ী অবশ্যই মাসিক ফিস দিতে হবে। সেক্ষেত্রে দাতা সদস্য হিসেবে বাৎসরিক ১২০০ টাকা অর্থাৎ প্রতি মাসে ১০০ টাকা। এবং সাধারণ সদস্য হিসেবে বাৎসরিক ৩৬০ টাকা অর্থাৎ প্রতি মাসে ৩০ টাকা। এছাড়াও সদস্যগন তাদের একাগ্রতাচিত্তে এবং ইচ্ছাপোষণে অতিরিক্ত ডোনেশন করতে পারবে।
৫। উভয় ক্যাটাগরি সদস্যদের প্রতিমাসে ১৫ তারিখের ভিতর তাদের মাসিক ফি জমা দিতে হবে।
৬. সাংগঠনিক আয়োজিত যেকোন কর্মসূচি ও আলোচনাসভায় অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে।
৭।সদস্যদের মাঝে একে-অপরের ভাই-বোন সমতুল্য, নিজেদের ভিতর একাত্মতা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে, আচার-আচারণ মার্জিত ও বিনয়ীশীল হতে হবে।
৮। আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যান সংস্থা একটি অরাজনৈতিক মানবিক সংগঠন তাই কোন ব্যক্তি রাজনৈতিক সম্পৃক্ত থাকলে সদস্যপদ গ্রহনযোগ্য নহে।
৯। কোন প্রকার রাজনৈতিক প্রভাব ও সংগঠন এর কাজে বাধা সৃষ্টি করে এমন কর্মকান্ড ঘটানো যাবে না।
১০। কার্যনির্বাহী পরিষদ যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তা সকল সদস্যকে অবশ্যই মানতে হবে। তবে ঐ সিদ্ধান্তের বিপরীত যদি কোন সদস্যর কোন অভিমত কিংবা জিজ্ঞাসাবাদ থাকে, তাহলে সে তার অভিমত প্রকাশ করতে পারবে। যৌক্তিক হলে তা অবশ্যই বিবেচনা করা যেতে পারে।
১১। নিজ দায়িত্বের প্রতি সচেতন হতে হবে। এবং অন্যকেও উৎসাহিত করতে হবে।
১২। যেহেতু আমরা সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করব নিজ স্বার্থ হাসিল করার জন্যে আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যান সংস্থা এর সাথে যুক্ত হওয়া যাবে না।
�(ধারা ৮) সদস্য পদ বাতিলের/ স্থগিতের নিয়মাবলীঃ
১।যদি কোন সদস্য সেচ্ছায় সঠিক ও উপযুক্ত কারন উল্লেখ করে পদত্যাগ করেন।
২। যদি মানসিক ভারসাম্য হারান।
৩। যদি সংগঠনের স্বার্থের পরিপন্থি কোন কাজ করেন। বা তার আচার-আচরণ স্বভাব সংগঠনের পরিপন্থির হয়।
৪। দাতা সদস্য ক্ষেত্রে পর পর তিন মাস মাসিক ফিস চলমান না রাখলে তবে তাকে এই সংগঠনের সাবেক সদস্য হিসেবে গন্য করা হবে।
�(ধারা-৯) সাংগঠনিক কাঠামো :
সংগঠনের তিন স্তর বিশিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো নিম্নরুপঃ
ক) উপদেষ্টা পরিষদ
খ) কার্যকরী পরিষদ
গ) সদস্য
উপদেষ্টা পরিষদের গঠন কাঠামো : নিবার্হী পরিষদ প্রয়োজনবোধে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এক বা একাধিক বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠনমূলক পরামর্শ গ্রহণের জন্য তিন থেকে পনের সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করতে পারবেন। উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাহী পরিষদের আমন্ত্রণক্রমে সংগঠনের সুনির্দিষ্ট বিষয়ে উপদেশ বা পরামর্শ প্রদান করবেন। নির্বাহী পরিষদ উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত করতে পারবেন।
কার্যকরী পরিষদের গঠন কাঠামো
১। সভাপতি ১ জন
২। সহ-সভাপতি ১ জন
৩। সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৪। সহ-সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৫। সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৬। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৭। প্রচার সম্পাদক ১ জন
৮। সহ-প্রচার সম্পাদক ১ জন
৯। অর্থ সম্পাদক ১ জন
১০। সহ-অর্থ সম্পাদক ১ জন
১১। শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১২। সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ১ জন
১৩। নির্বাহী সদস্য
� (ধারা-১০) কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব, কার্যাবলী এবং যোগ্যতা :
★সভাপতি
১। সংগঠনের প্রধান হবে বিবেচিত হবেন।
২। সংগঠনের সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
৩। সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
৪। সভাপতির স্বাক্ষর ব্যতীত কোন আবেদন অনুমোদিত হবে না।
৫। সভাপতি সভা পরিচালনার পূর্ণ দায়িত্বে থাকবেন।
৬। সংগঠনের স্বার্থে ও কল্যাণে যে কোন প্রকার দায়িত্ব পালন করবেন।
৭। কোন সভায় যে কোন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে সম-সংখ্যক ভোট পরলে সভাপতি একটি কাষ্টিং ভোট প্রদান করবেন।
৮। বিশেষ প্রয়োজনে জরুরী সভা আহ্বান করবেন।
৯। নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সংগঠনের করণীয় ও কার্যাবলী নির্ধারণ করবেন।
১০। উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শক্রমে ও সহ-সভাপতিদের সহযোগিতায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর ক্ষমতা বহন করেন।
★সহ-সভাপতি
১। সংগঠনের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন।
২। সভাপতির সকল কাজে সহযোগিতা করবেন।
৩। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
৪। সংগঠনের উপ-নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।
৫। সভাপতির মতই গঠনতন্ত্র অনুসারে সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন।
৬। সংগঠনের গঠনতন্ত্র সংশোধন,পরিবর্তন ও পরিমার্জনে সহায়তা করবেন।
★সাধারণ সম্পাদক
১। অফিস নির্বাহী হবেন ও থাকবেন। নির্বাহী পরিষদের নিকট সংগঠনের কার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়ী থাকবেন।
২। সকল প্রকার যোগাযোগ, চিঠি লেখা ও চিঠিপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে তিনি স্বাক্ষর প্রদান করবেন।
৩। সংগঠনের কার্যক্রম, কর্মসূচি ও প্রকল্প প্রস্তাবনা ও বাস্তবায়ন এবং নির্বাহী পরিষদের সদস্য/ সদস্যাদের সাথে সমন্বয় সাধন করবেন।
৪। সংগঠনের সকল প্রকার চিঠিপত্র,কাগজপত্র, তথ্য ও দলিল রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।
৫। প্রশাসন ,প্রকল্প তৈরি,বাজেট তৈরির কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নে সহযোগীতা করবেন।
৬। সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থার স্বার্থে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খন্ডকালীন কর্মচারী নিয়োগ,কর্মচুক্তি ও ছাটাইয়ের চুড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী হবেন।তবে কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৭। সকল ধরণের সভার কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ রাখার ব্যবস্থা করবেন।
৮। সংগঠনের সার্বিক সকল নির্বাহী ও সাধারণ সদস্যদের সাথে যোগাযোগ আলাপ-আলোচনা এবং পরামর্শ বজায় রাখবেন। সংগঠনের বার্ষিক রিপোর্ট ও বাজেট পেশ করবেন।
৯। সভাপতির সাথে আলোচনা করে সভা আহ্বানের দিন ,তারিখ,সময় ও স্থান নির্ধারণসহ আলোচ্যসূচী উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি বিতরণের ব্যবস্থা করবেন।
১০। অর্থ সম্পাদক কর্তৃক মাসিক,ত্রৈমাসিক,বার্ষিক জমা খরচের হিসাব প্রস্তুত করিয়ে নিবেন এবং যথাযথ সভায় অনুমোদন ও পেশ করার ব্যবস্থা নিবেন।
১১। নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করবেন।
★সহ-সাধারণ সম্পাদক
১। সাধারণ সম্পাদকের সকল কাজে সহায়তা প্রদান করবেন।
২। সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
৩। নির্বাহী পরিষদ প্রদত্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করবেন।
★সাংগঠনিক সম্পাদক
১। সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
২। সংগঠনের কার্যক্রমে স্থীরতা প্রকাশ পেলে এর কারণ নির্ণয় করে তা দূরীকরণের জন্য সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদকের সাথে আলোচনাপূর্বক করণীয় নির্ধারণ করবেন।
৩। সংগঠনের কোন সদস্যের অনুপস্থিতি বা সংগঠনের স্বার্থ বিরোধী কোন কাজ নির্ণয় এবং সমস্যাসমূহ দেখে সংগঠনের স্বার্থে সবাইকে তা অবহিত করবেন।
৪। সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বদা নিয়োজিত থাকবেন।
৫। সংগঠন কোন হুমকির শিকার হলে সেটি সভাপতিকে অবগত করবেন।
৬। সংগঠনের শৃঙ্খলা এবং ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাজ করাই তার প্রধান কাজ।
★সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক
১। সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজে সহযোগিতা করাই সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের কাজ।
২। সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
★প্রচার সম্পাদক
১। সংগঠনের বিকাশ সাধনের জন্য সংগঠন হতে ঘোষিত প্রচারপত্র , পোস্টার এবং বক্তব্য অত্র সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পৌছে দেয়া প্রচার সম্পাদকের কাজ।
২। সংগঠনের বাহ্যিক প্রচারে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব নির্বাহী সভায় উপস্থাপন করবেন।
৩। প্রয়োজন অনুযায়ী গোলটেবিল আলোচনার ব্যবস্থা করবেন।
৪। বিভিন্ন সামাজিক গণমাধ্যমে সংগঠনের প্রচারণার দায়িত্ব রাখবেন।
৭। সংগঠনের বিভিন্ন খবর পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করা তার দায়িত্ব।
★ সহ প্রচার সম্পাদক
১। সংগঠনের প্রচার সম্পাদককে সহযোগিতা করবেন
২।। প্রচার সম্পাদক অনুপস্থিতিতে তিনি সংগঠনের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
★অর্থ সম্পাদক
১। সংগঠনের অর্থসম্পাদক প্রতিমাসে শেষের দিনে সংগঠনের সদস্যদের প্রদানকৃত মাসিক ফি(নাম,টাকার পরিমান,কোন মাসের টাকা,)সমস্ত ডিটেইলস সকলের জ্ঞাতার্থে মেসেজিং গ্রুপে প্রকাশ করবে এবং সেই সাথে সংগঠনের মোট উত্তোলিত টাকা,মোট ব্যয়,বর্তমান স্থিতির পরিমানসহ অবশ্যই প্রকাশ করবে।
২। সংগঠনের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা, সংগৃহীত অর্থ যাতে সংগঠনের স্বার্থে ব্যয় হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা অর্থ সম্পাদকের মূল কাজ।
৩। সংগঠনের সদস্যদের হতে মাসিক ফি সংগ্রহ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিবর্গ হতে অনুদান গ্রহণ তার দায়িত্ব।
৪। তিনি সংগঠনের অর্থের ভবিষ্যৎ উৎস চিহ্নিত করে নির্বাহী পরিষদের সভায় পেশ করবেন।
৫। সংগঠনের সকল প্রকার আর্থিক বিষয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
৬। সংগঠনের তহবিল বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন। যেমনঃ সদস্যদের মাসিক ফি চলমান রাখতে তাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যোগাবেন।
৭। সংগঠনের জমা খরচের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপারে অর্থ সম্পাদক সাধারণভাবে দায়ী থাকবেন।
৮। বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ যেহেতু সংগঠনের সদস্যদের মাসিক ফি বিকাশের মাধ্যমে সংগৃহীত হবে তাই এই সংগৃহীত টাকা কোন মানবিক কাজে ব্যবহার ব্যতিত সংগঠনের বিকাশ নাম্বার থেকে ব্যক্তিগত কিংবা উভয় কাজে কোন প্রকার টাকা ক্যাশআউট কিংবা সেন্ডমানি করা যাবে না।
★শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক
১। শিক্ষাসংক্রান্ত যেকোন কাজে পরিচালনার দায়িত্ব নিবেন।
২। শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা পালন করবেন।
★ সহ শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক
১।সংগঠনের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক-কে সহযোগিতা করবেন
২।। শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অনুপস্থিতিতে তিনি সংগঠনের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
★নির্বাহী সদস্য
১। সাংগঠনিক যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
২। কার্যনির্বাহী কমিটির সকল কাজে অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা করা সদস্যদের প্রধান কাজ।
৩। যে কোন সদস্য সংগঠনের স্বার্থে তার মতামত নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থাপন করতে পারবে।
৪। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটিতে থাকা ও কাজ করা।
৫। মাসিক সভায় উপস্থিত থাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সহায়তা করা।
অন্যান্য:
১। সংগঠন যে কোন সদস্যের বিপদে আপদে এগিয়ে আসবে।
২। কোন অভিযোগ, কোন অনুযোগ, পরামর্শের জন্য নির্বাহী পরিষদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
� (ধারা-১১) অনুষ্ঠান উদযাপন
১.বার্ষিক সকল অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সংগঠন নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিবে।
২.সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত সকল অনুষ্ঠানে প্রত্যেক সদস্যের উপস্থিতি কাম্য।
� সংশোধনঃ
কঃ নতুন স্থায়ী সদস্যের পদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বর্তমান স্থায়ী কমিটি অনুমোদন দিবে।
খঃ স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ও প্রধানের স্বাক্ষর ব্যাতীত কোন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গন্য হবে না।
� সংযোজনঃ
ক.যেহেতু আদিবাসী শিক্ষার্থী কল্যাণ সংস্থা একটি অরাজনৈতিক সংগঠন তাই কোন সদস্য সংগঠন বিবর্জিত কোন কারনে রাজনৈতিক ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লে সংগঠন তার ব্যাপারে কোন মন্তব্য করবে না এবং এই ব্যাপারে তার সাথে থাকবে না। এবং এই ক্ষেত্রে সংগঠনের সকল কার্যক্রম চলমান থাকবে।
খ.নতুন সদস্য ১ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোন দায়িত্ব পাবে না।