C&F New Generation Ctg

C&F New Generation Ctg Welcome to C&F New Generation Ctg.

C&F NEW GENERATION Ctg. তে আপনাকে স্বাগতম।
সিএন্ডএফ এর কাজ সম্পর্কে কোন কিছু জানার থাকলে অথবা আপনি কিছু জেনে থাকলে সবার উদ্দেশ্যে শেয়ার করুণ এতে একে অপরের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান শেয়ারের মাধ্যমে সবাই উপকৃত হতে পারি।

�বিশেষ_ঘোষণা�

এই পেজ সকল ধরণের আক্রমণাত্মক, ব্যঙ্গাত্মক, উস্কানি ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরূপ সমালোচনামূলক পোস্ট বা কমেন্ট সম্পূর্ণ নিষেধ। যারা এধরণের পোস্ট বা কমেন্ট করবে তাদের পেজ থে

কে রিমুভ করে দেয়া হবে। আমাদের পোস্ট, কমেন্টের ভাষা ও মতামত এমন হওয়া উচিত নয় যেটা আমাদের শিক্ষা, রুচিবোধ সম্পর্কে বিরূপ ধারণা পোষণ করতে সাহায্য করে। পেজটা করা হয়েছে আমরা যাতে সহজেই সিএন্ডএফ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য পেতে পারি এবং একে অপরের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান শেয়ারের মাধ্যমে সবাই উপকৃত হতে পারি।

 #বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার ২০২৬ ইং মার্চ মাসে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য ও শুল্ককর নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশের সকল কাস্টমস হ...
01/03/2026

#বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার ২০২৬ ইং মার্চ মাসে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য ও শুল্ককর নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশের সকল কাস্টমস হাউস ও স্টেশনে প্রযোজ্য ।

31/12/2025

শুভ নববর্ষ ২০২৬! 🎊✨
প্রিয় C&F New Generation Ctg. এর সকল সম্মানিত সদস্যবৃন্দ আসসালামু আলাইকুম,

​পুরানো বছরের সকল গ্লানি আর পাওয়া-না পাওয়াকে পেছনে ফেলে আমরা পা রাখলাম আরও একটি নতুন বছরে। গত একটি বছর আপনারা যেভাবে এই গ্রুপের সাথে থেকেছেন, একে অপরের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন তার জন্য আপনাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
​নতুন এই বছরটি আপনাদের জীবনে নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি। বিশেষ করে আমাদের পেশাগত জীবনে আসুক নতুন গতি এবং ব্যবসায়িক সফলতা।
​আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, ২০২৬ সাল আমাদের সবার জন্য নিরাপদ ও আনন্দময় হোক।
​সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আবারো সবাইকে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা!
​হ্যাপি নিউ ইয়ার! 🎇🎆

 #লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে এপিএম টার্মিনালসের চুক্তি ।ঢাকা: ১৭ নভেম্বর ২০২৫...
19/11/2025

#লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে এপিএম টার্মিনালসের চুক্তি ।

ঢাকা: ১৭ নভেম্বর ২০২৫°

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এপিএম টার্মিনালস বিইভির সাথে লালদিয়া কনটেইনার নির্মাণ ও পরিচালনায় ৩০ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এপিএম টার্মিনালস বিইভি ডেনমার্কের এপি মোলার নিয়ন্ত্রিত বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ইন্টিগ্রেটেড লজিস্টিকস কোম্পানি মায়ের্স্কের একটি পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এই চুক্তির মাধ্যমে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কাঠামোর আওতায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল (এলসিটি) ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ঢাকাস্থ্ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে সোমবার অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

ডেনমার্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক স্টেট সেক্রেটারি লিনা গান্ডলোস হ্যানসেন ও ঢাকায় ডেনমার্ক দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পিপিপি অথোরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। নৌপরিবহন সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নৌ উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বলেন, এ বিনিয়োগ দেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে যুব সমাজের জন্য উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি বয়ে আনবে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে, দেশের অনেক তরুণ, বিশেষ করে শিক্ষিত যুবকরা চাকরির সুযোগ পাবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃসরকারি সহযোগিতা প্রকল্পটির জাতীয় স্বার্থ নিয়ে যে কোনো সংশয় দূর করবে।

রাষ্ট্রদূত ব্রিক্স মোলার বলেন, বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও শক্তিশালী হওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও টেকসই সহযোগিতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করছে।

তিনি বাংলাদেশ ও এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে যুক্ত সব ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে অভিনন্দন জানান।তিনি আরো বলেন, ডেনমার্কের বৈশ্বিক দক্ষতা, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে এ বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন, এই নির্দিষ্ট প্রকল্পটি প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক এখন টেকসই প্রবৃদ্ধির শক্তিশালী অংশীদার ঐতিহাসিকভাবে, ডেনমার্ক বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, যা বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

লিনা গান্ডলোস হ্যানসেন বলেন, এ প্রকল্পের সফলতা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অটল নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতির প্রমাণ।

তিনি এমন এক ভবিষ্যতের চিত্র তুলে ধরেন, যেখানে বন্দর কেবল অবকাঠামো নয়, বরং মানুষ ও উদ্দেশ্যের একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেম— যেখানে জাহাজ সহজে নোঙর করে, পণ্য দ্রুত স্থানান্তরিত হয় এবং কর্মীরা আরও নিরাপদ ও স্মার্ট পরিবেশে কাজ করবে।

লিনা জানান, ডেনমার্ক থেকে জাপান এবং কোপেনহেগেন থেকে চট্টগ্রাম— এই অংশীদারত্ব বাণিজ্য একই দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সংযুক্ত হয়েছে।

স্টেট সেক্রেটারি গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশের অসাধারণ উন্নয়নকে তুলে ধরে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির মধ্যে উঠে আসবে। এছাড়া দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি ইতোমধ্যেই বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং অন্যান্য খাতেও দেশটির বিপুল সম্ভাবনা দৃশ্যমান।

এপিএম টার্মিনালস বিইভি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ টার্মিনাল অপারেটর (৩৩টি দেশে ৬০টিরও বেশি টার্মিনাল) এবং বিশ্বব্যাংক ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্বের শীর্ষ ২০টি সেরা কনটেইনার বন্দরের মধ্যে ১০টি তারা পরিচালনা করে।

বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়ায় (যেমন- চীন, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া) তাদের বিস্তৃত অভিজ্ঞতার আলোকে লালদিয়া প্রকল্প বাংলাদেশে বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও অপারেশনাল দক্ষতা নিয়ে আসবে— যা দেশের লজিস্টিকস খাতকে এলডিসি-পরবর্তী যুগে ভবিষ্যত-প্রস্তুত করবে।

এই নতুন বন্দর বিদ্যমান ক্ষমতার দ্বিগুণ বড় কনটেইনার জাহাজ গ্রহণ করতে পারবে, প্রতি ইউনিট মালবাহী খরচ কমাবে এবং বিশ্বব্যাপী সরাসরি শিপিং সংযোগ সক্ষম করবে। রাজস্ব-ভাগাভাগি রেয়াত মডেলে নির্মিত এই প্রকল্পে বাংলাদেশ স্থিতিশীল বৈদেশিক মুদ্রা আয় করবে, পাশাপাশি সরকারি মূলধনী ব্যয়ও কমবে।

রেয়াত চুক্তির আওতায়, এপিএম টার্মিনালস বিইভি লালদিয়া, চট্টগ্রামে একটি গ্রিনফিল্ড বন্দর টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) নিয়ে আসবে। এটি হবে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এককভাবে সবচেয়ে বড় ইউরোপীয় ইকুইটি বিনিয়োগ।

এপিএম টার্মিনালসের মতো বৈশ্বিক মানের বিনিয়োগকারী বন্দর খাতে প্রবেশ করায় অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আস্থা আরও বাড়বে, ফলে লজিস্টিকস, উৎপাদন এবং সংশ্লিষ্ট খাতে অতিরিক্ত বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) আকৃষ্ট হবে।

15/11/2025

📌 ভারতে খেজুর আমদানিতে শুল্ক মাত্র ৬ টাকা
🇧🇩 আর আমাদের সোনার বাংলাদেশে সেই শুল্ক দাঁড়ায় ২০০–২৫০ টাকা


🙏 এসব বিষয়ে যৌক্তিক মতামত উপস্থাপনের জন্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ।

📢 বিভিন্ন ফল ও খেজুর আমদানির শুল্কায়িত মূল্য কমানো হোক,
যাতে সব শ্রেণির মানুষ স্বাভাবিক দামে এগুলো ক্রয় করতে পারেন।

Understanding Export Pricing is one of the most important parts of building a successful export business.Most people thi...
14/11/2025

Understanding Export Pricing is one of the most important parts of building a successful export business.

Most people think export pricing is just "factory price + shipping", but the truth is - each Incoterm completely changes your cost structure, margin, and responsibility between buyer and seller.

Here's a quick way to think about it

EXW (Ex Works) → You sell at the factory gate.

FOB (Free On Board) → You're responsible until the goods are on the ship.

CIF (Cost, Insurance & Freight) → You pay freight & insurance until the destination port.

DDP (Delivered Duty Paid) → You handle everything until the buyer's door.

Once you understand these differences, you start pricing smartly, protecting your profits, and building long-term partnerships not just one-time transactions.

Export is not just about moving goods, it's about managing value at every step.

Trade

এক সাংবাদিক আমাদের জেটি-সরকারদের পক্ষে কিছু লিখেছেন ভাল লাগলো। ❤️              সাংবাদিক:  এম,শফিউল আজম চৌধুরী। সাংবাদিক ...
10/11/2025

এক সাংবাদিক আমাদের জেটি-সরকারদের পক্ষে কিছু লিখেছেন ভাল লাগলো। ❤️
সাংবাদিক: এম,শফিউল আজম চৌধুরী।
সাংবাদিক ও লেখক,
চট্টগ্রাম বন্দর: রোদ-বৃষ্টিতে পণ্য খালাস যারা করে, রাষ্ট্র কি তাঁদের দিকে তাকাবে না?
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #
​এম,সফিউল আজম চৌধুরী : বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান ধমনী চট্টগ্রাম বন্দর। এই বন্দরের প্রতিটি স্পন্দন দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত। আমদানিকৃত কাঁচামাল থেকে শুরু করে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক—সবকিছুর গতি নির্ভর করে এই বন্দরের কর্মতৎপরতার ওপর। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেন চট্টগ্রাম কাষ্টম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়ার্ডিং (সিএন্ডএফ) এর কাষ্টম সরকার এবং জেটি সরকার। চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস্ কর্মচারী ইউনিয়ন ( সি, বি, এ) সুত্রে জানা যায়,এই সংগঠনের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৯৯৯৮ জন,এরা দিনের আলো থেকে গভীর রাত, শীত-গ্রীষ্মের বিভেদ ভুলে নিরলস পরিশ্রম করে তারা নিশ্চিত করেন পণ্য খালাস ও শুল্কায়নের দ্রুততা। কিন্তু, জাতীয় অর্থনীতিতে তাঁদের অপরিহার্য ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও, তাঁদের জীবন চরম অনিশ্চয়তা, ঝুঁকি ও বঞ্চনার ক্যানভাসে আঁকা এক দুর্লভ চিত্র।আজকের এই কলামে সেই নীরব নায়কদের জীবনের কঠিন বাস্তবতা, তাঁদের ন্যায্য দাবি এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আশু হস্তক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরব। তাঁদের অধিকারের প্রশ্নটি কেবল মানবিক নয়, বরং দেশের বাণিজ্য ও অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।
​(১): কর্মক্ষেত্র ও জীবনের ঝুঁকি:চট্টগ্রাম কাস্টমসে সিএন্ডএফ কর্মচারীদের কাষ্টম সরকার আর জেটি সরকার এই দুইটি পদবি কর্মপরিধি অনুসারে ভিন্ন। এই ভিন্নতা তাদের ঝুঁকির মাত্রাকেও নির্ধারণ করে দেয়।
​(ক). কাষ্টম সরকার: দাপ্তরিক জটিলতার নীরব শিকার।কাষ্টম সরকারগণ কাজ করেন কাস্টম হাউসের অভ্যন্তরে। তাঁদের মূল দায়িত্ব হলো আমদানি-রপ্তানি পণ্যের শুল্কায়ন প্রক্রিয়া, বিল অফ এন্ট্রি তৈরি, দাপ্তরিক নথিপত্র পরীক্ষা ও কাস্টমসের বিভিন্ন দপ্তরে সেগুলো উপস্থাপন করা। যদিও এদের কাজ শারীরিক পরিশ্রমের চেয়ে বেশি মানসিক শ্রমনির্ভর, তবে এর ঝুঁকিও কম নয়।সময়মতো পণ্য খালাসের জন্য আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্টের পক্ষ থেকে মানসিক চাপ ও হয়রানি থাকে। অন্যদিকে, কাস্টমস কর্মকর্তাদের সন্তুষ্টি বজায় রেখে কাজ করার কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়। কোনো নথিতে সামান্য ত্রুটি থাকলে বা প্রক্রিয়া বিলম্বিত হলে এদেরকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং অনেক সময় অসৎ চক্রের দ্বারা মানসিক ও ক্ষেত্রবিশেষে শারীরিক হয়রানির শিকার হতে হয়।শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো ভুল বা মিথ্যা ঘোষণার দায়ে অনেক সময় কাস্টম সরকারের পারমিট বাতিল বা আইনি জটিলতার সৃষ্টি হয়, যার দায়ভার বহুলাংশে তাদের ওপর বর্তায়, অথচ আসল অপরাধী থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
(খ). জেটি সরকার: রোদ-বৃষ্টিতে জীবন হাতে নিয়ে পন্য খালাসকারী জেটি সরকারগণের জীবন যেন এক নিরন্তর সংগ্রাম। তাঁরা কাজ করেন বন্দর অভ্যন্তরে—জেটি, ইয়ার্ড এবং বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলিতে। এদের কাজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং কষ্টসাধ্য। প্রাকৃতিক প্রতিকূলতায় জেটি সরকারগণকে ঝড়, বৃষ্টি, প্রখর রোদ বা কুয়াশার মধ্যে দাঁড়িয়ে পন্য খালাসের কাজ তদারকি করতে হয়। কনটেইনার ইয়ার্ডে বৃষ্টির মধ্যে ভিজে পণ্য পরীক্ষা করা বা ডিপোগুলিতে প্রচণ্ড গরমে নথিপত্র নিয়ে ছোটাছুটি করা তাঁদের দৈনন্দিন জীবন।বন্দর অভ্যন্তরে সারাক্ষণ ক্রেন, ফর্কলিফট, ট্রেইলার ও ট্রাকের মতো ভারী যানবাহনের চলাচল লেগেই থাকে। এই পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে প্রায়শই জেটি সরকারগণ ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হন। কনটেইনারের নিচে চাপা পড়া বা গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার মতো ঘটনা প্রায় নিয়মিত।এছাড়া বন্দরে খালাস হওয়া নানা ধরনের পণ্যের (যেমন – রাসায়নিক, বিষাক্ত পদার্থ বা ধুলো-বালি) সংস্পর্শে এসে এরা ফুসফুসের রোগ, চর্মরোগ এবং অন্যান্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। অথচ, এর জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম বা স্বাস্থ্য সুবিধা তাঁদের নেই।রাত-দিনের ক্লান্তিহীনতা: বন্দর যেহেতু ২৪ ঘণ্টা সচল থাকে, তাই জেটি সরকারগণকে রাতের বেলাও ডিউটি করতে হয়। গভীর রাতে পণ্য খালাসের সময়ে জীবনের নিরাপত্তা ও শীত-বৃষ্টির মোকাবিলা করতে হয় একাগ্রচিত্তে।(২): অধিকারের দাবি: সরকারি সুযোগ সুবিধার প্রয়োজনীয়তা:::জেটি সরকার ও কাষ্টম সরকারগণ সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারী হলেও, তাঁদের কর্মপরিধি ও কাজের স্থান সরাসরি সরকারি প্রতিষ্ঠান (কাস্টমস ও বন্দর) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ফলে, তাদের কাজের ধরণ ও গুরুত্ব বিবেচনায় সরকারি কর্মচারীদের অনুরূপ সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা এখন সময়ের দাবি।
​ক. চাকরির নিশ্চয়তা ও স্থায়ীকরণ:এই কর্মীদের প্রধান এবং মৌলিক দাবি হলো, চাকরির নিশ্চয়তা। বেসরকারি চাকরির মতো তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও স্থায়ীকরণের ব্যবস্থা নেই। এর ফলে তারা যেকোনো সময় চাকরি হারানোর ভয়ে থাকেন।সুপারিশ: সিএন্ডএফ লাইসেন্স নবায়নের মতো, কাস্টম সরকার ও জেটি সরকারদের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের পর তাঁদের কাজের পারমিট নবায়ন এবং চাকরির স্থায়ীকরণের জন্য একটি সরকারি নীতিমালা তৈরি করা জরুরি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে এই কাঠামো তৈরি হতে পারে।
​খ. সরকারি কর্মচারীদের অনুরূপ সুযোগ-সুবিধা প্রদান:তাঁদের কাজের গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকারি কর্মচারীদের মতো নিম্নলিখিত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা উচিত।সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল: প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি বাধ্যতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল (যেমন – প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি) গঠন করা, যেখানে এজেন্ট এবং সরকার উভয়ের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নিয়মিত জমা হবে।
​বার্ধক্য ভাতা/পেনশন স্কিম: কর্মজীবনের শেষে যাতে তাদের কোনো দুশ্চিন্তা না থাকে, সেজন্য সরকারি স্কিমের আদলে একটি পেনশন বা বার্ধক্য ভাতার ব্যবস্থা করা।ছুটি ও কর্মঘণ্টা নির্ধারণ: আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করা এবং সবেতন ছুটি, নৈমিত্তিক ছুটি ও অসুস্থতাজনিত ছুটির ব্যবস্থা রাখা।
গ. সুনির্দিষ্ট স্বাস্থ্যসেবা ও বীমা সুবিধা:জেটি সরকারদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাঁদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।স্বাস্থ্য বীমা: সকল সিএন্ডএফ কর্মীর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য বীমা (Health Insurance) চালু করা, যাতে তারা নিজেরা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা বিনা খরচে চিকিৎসা পেতে পারে।ঝুঁকি ভাতা (Risk Allowance): জেটি সরকারদের তাদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজের জন্য একটি অতিরিক্ত 'ঝুঁকি ভাতা' প্রদান করা উচিত, যা তাদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম কেনা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ব্যবহার হবে।বন্দর অভ্যন্তরে চিকিৎসা কেন্দ্র: বন্দর ও ডিপোগুলির আশেপাশে কর্মরত সিএন্ডএফ কর্মীদের জন্য সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আধুনিক প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা।
​ (৩): বিপদে রাষ্ট্রের সার্বিক সহায়তা: একটি মানবিক আবেদন::কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনা, শারীরিক অক্ষমতা বা মৃত্যু—এই কঠিন পরিস্থিতিগুলোতে জেটি সরকার ও কাষ্টম সরকারদের পরিবার চরম অসহায়ত্বের শিকার হয়। এই মানবিক দিকটিতে সরকারের আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
​(ক). দুর্ঘটনা ও সার্বিক চিকিৎসা:বন্দর অভ্যন্তরে দায়িত্বরত অবস্থায় দুর্ঘটনার শিকার হলে, আক্রান্ত কর্মীর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব হওয়া উচিত।
​বিনামূল্যে চিকিৎসা: দুর্ঘটনার শিকার সিএন্ডএফ কর্মীর সম্পূর্ণ চিকিৎসার ভার সরকার বা কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে, যা সরকারি হাসপাতালের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায়।
​ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন: গুরুতর আহত বা শারীরিক অক্ষমতার শিকার কর্মীদের জন্য তাৎক্ষণিক ও পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং তাদের দক্ষতা অনুযায়ী বিকল্প কর্মসংস্থানের (Rehabilitation) ব্যবস্থা করা।
​(খ). বেকারত্ব, রোগ ও মৃত্যুতে আর্থিক সাহায্য:
সদস্যদের বেকারত্ব, দীর্ঘস্থায়ী রোগ, শারীরিক অক্ষমতা, বার্ধক্য এবং মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
​মৃত্যুজনিত আর্থিক অনুদান: কর্মকালীন বা কর্মের কারণে মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারকে এককালীন মোটা অঙ্কের আর্থিক অনুদান দেওয়া, যাতে পরিবারটি প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠতে পারে।
​নিয়োগে অগ্রাধিকার: মৃত কর্মীর পরিবারের একজন যোগ্য সদস্যকে সিএন্ডএফ লাইসেন্সিং বিধিমালার আওতায় বা সরকারি অন্য কোনো দপ্তরে চাকরির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া।
​বেকারত্ব ভাতা: সিএন্ডএফ এজেন্টদের মাধ্যমে নিযুক্ত কর্মীদের জন্য কর্মহীন অবস্থায় (যেমন – লাইসেন্স বাতিল বা এজেন্টের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে) একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জীবনধারণের উপযোগী বেকারত্ব ভাতা নিশ্চিত করা।চট্টগ্রামের জেটি সরকার ও কাষ্টম সরকারগণ কেবল কর্মচারী নন, তাঁরা এই রাষ্ট্রের অর্থনীতির চালকশক্তির অন্যতম অংশ। তাঁরা তাঁদের জীবনের মূল্যবান সময় এবং কঠিন শ্রম বিনিয়োগ করছেন দেশের আমদানির চাকা সচল রাখতে। তাঁদের বঞ্চনা ও অনিশ্চিত জীবনযাত্রা আজ কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি জাতীয় অর্থনীতির একটি দুর্বলতা।
​যদি এই কর্মীদের জীবন ও জীবিকার কোনো নিশ্চয়তা না থাকে, যদি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে সরকার না দাঁড়ায়, তবে স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের কর্মস্পৃহা কমবে। এর ফলস্বরূপ পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা দেখা দেবে, যা আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়াকে মন্থর করে দেবে এবং ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণ হবে। অতীতে বিভিন্ন সময় সিএন্ডএফ কর্মচারীদের কর্মবিরতি বা আন্দোলন বন্দরকে অচল করে দিয়েছে, যা প্রমাণ করে তাঁদের সন্তুষ্টি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
​তাই, এই নীরব নায়কদের প্রতি সুবিচার করা, তাঁদেরকে সরকারি কর্মচারীদের মতো সুযোগ-সুবিধা দেওয়া এবং জীবনের সকল প্রতিকূলতায় পাশে থাকার ব্যবস্থা করা — এটি মানবিক দায়িত্ব, অর্থনৈতিক প্রজ্ঞা এবং রাষ্ট্রীয় দূরদর্শিতার পরিচায়ক।
​সরকারের কাছে আজ জেটি সরকার ও কাষ্টম সরকারদের পক্ষ থেকে উদাত্ত আহ্বান: তাঁদের দাবিগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হোক। একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল এবং মানবিক অর্থনীতির জন্য, বন্দর-বার্তার এই নীরব নায়কদের জীবনকে সুরক্ষা দিন। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেই বাংলাদেশ বাণিজ্যের পথে আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে পারবে। দেশের অর্থনীতির স্বার্থে তাঁদের প্রতি আশু হস্তক্ষেপ আজ সময়ের দাবি। #লেখক:- সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।

⚠️ গুরুত্‍পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি ⚠️প্রিয় গ্রাহকবৃন্দ,আগামী শুক্রবার, ৭ই নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আমাদের সিস্টেম আপডেট কার্যক্রম চলম...
06/11/2025

⚠️ গুরুত্‍পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি ⚠️

প্রিয় গ্রাহকবৃন্দ,

আগামী শুক্রবার, ৭ই নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আমাদের সিস্টেম আপডেট কার্যক্রম চলমান থাকবে।
এই কারণে কাউন্টার অপারেশন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে এবং ডেলিভারি অর্ডার (DO) ইস্যু স্থগিত থাকবে।

আমরা এই সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত এবং আপনার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞ।

ধন্যবাদ।

Maersk Bangladesh Limited

Understanding Export Pricing is one of the most important parts of building a successful export business.Most people thi...
17/10/2025

Understanding Export Pricing is one of the most important parts of building a successful export business.

Most people think export pricing is just "factory price + shipping," but the truth is each Incoterm completely changes the cost structure, margin, and responsibility between buyer and seller.

Here's a quick way to think about it:

EXW → You sell at the factory gate.

FOB → You're responsible until the goods are on the ship.

CIF → You pay freight & insurance until the destination port.

DDP → You handle everything until the buyer's door.

Once you understand these differences, you start pricing smartly, protecting your profit, and building long-term partnerships - not just transactions.

Export is not about moving goods; it's about managing value at every step.

Transport owners halt export container entry thru 2 gates of Ctg port for 7 hrsTransport of export containers to Chattog...
16/10/2025

Transport owners halt export container entry thru 2 gates of Ctg port for 7 hrs

Transport of export containers to Chattogram port from several inland container depots (ICDs) has remained halted since this afternoon due to a strike enforced by a section of transport owners protesting the hike in port entry fees.

Some 100 TEUs export containers are feared to miss shipments through four ships that are scheduled to leave the port early tomorrow morning due to such disruption.

Transport owners were resisting vehicular entry to the port through the two gates -- CPAR and CCT-2 gates -- since 3:00pm.

Chittagong Port Authority (CPA) Secretary Md Omar Faruk informed The Daily Star the agitating owners started allowing vehicles through the CCT-2 Gate around 10:00pm while CPA security officials were trying to negotiate with them regarding entry through the other gate (CPAR).

CPA increased all types of vehicle and individual entry fees as per the revised tariff schedule that came into effect at 12:01am on Wednesday (October 15).

The entry fee for heavy vehicles like trucks, covered vans, and prime mover trailers has been raised to Tk 230 per vehicle from the previous rate of Tk 57.50, a 300 percent rise.

Mohammad Hossain, general secretary of Chattogram Prime Mover Owners Association, told The Daily Star on Wednesday that the rise is very high and they will not operate vehicles if the hike is not revoked.

A group of owners started resisting prime movers coming from different depots with export containers near CPAR and CCT-2 gates of the port creating a long queue.

Export containers carrying vehicles coming from 14 out of 20 private ICDs are permitted to get entry through these two gates.

Meanwhile, Chattogram Prime Mover Workers Union Joint Secretary Hasan Mahmud said they are not with the strike.

He further said these owners do not own the prime mover trailers coming from the ICDs.

ICD owners said they sent their vehicles with extra fees but those were barred by some transport owner leaders.

AKM Abdul Hadi, operation manager of an ICD -- Nemson Container Ltd -- located at Sitakunda, said at least 30 TEUs of export containers from their depot were waiting in queue till 10:30pm.

Address

Chattogram
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when C&F New Generation Ctg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to C&F New Generation Ctg:

Share