04/09/2026
আল-উম্মাহ্ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শিশু সীরাত কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: পবিত্র মাহে রবিউল আওয়াল উপলক্ষে মানবজীবনের সর্বস্তরে মহানবী হযরত মুহাম্মদ ﷺ-এর সুন্নাহ ও আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আল-উম্মাহ্ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শিশু সীরাত কুইজ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) আল-উম্মাহ্ মহিলা মাদ্রাসা, ইত্যাদি চত্বর, সরফভাটা, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ
সীরাত কুইজ প্রতিযোগিতায় সরফভাটা ও আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল—
আল-উম্মাহ্ মহিলা মাদ্রাসা, রাইজিং ইসলামিক একাডেমি, ইমাম আজম আবু হানিফা স্কুল, এমদাদুল উলূম ক্বিরাতুল কোরআন, ছৈয়দুরখীল তা'লীমুল কোরআন, ছৈয়দুরখীল তাজভীদুল কোরআন, হযরত ওসমান বিন আফ্ফান মাদ্রাসা, আশরাফুল উলূম নূরানী মাদ্রাসা ও আল্লামা ইকবাল একাডেমি।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজয়ী ও কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন শিক্ষামূলক পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
আল-উম্মাহ্ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুফতী দিলদার বিন কাসেমের সভাপতিত্বে এবং ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক জনাব জসীম উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন— মাওলানা আবুল বয়ান, মাওলানা আবুল কাশেম, মাওলানা ওহিদুল্লাহ্ আমিরী, মাওলানা ছৈয়দুল আলম, জনাব জাকির স্যার, মাওলানা সালাহ্ উদ্দীন, জনাব ইসমাইল, মানিক, নাসের, আব্দুস শাকুর, মাওলানা মাহবুব, আলমগীর, হানিফ, সামিম, ইমনসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শিশুদের হৃদয়ে মহানবী ﷺ-এর ভালোবাসা সৃষ্টি এবং তাঁর পবিত্র জীবনাদর্শ ও সুন্নাহর আলোকে তাদের জীবন গড়ে তোলা সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সীরাত চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে নৈতিকতা, আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করা সম্ভব।
বক্তারা আরও বলেন, প্রতিযোগিতামূলক আয়োজনের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে ইসলামের ইতিহাস, মহানবী ﷺ-এর জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে তাদের মেধা বিকাশ ও নৈতিক শিক্ষায় উৎসাহিত করা সম্ভব।
আয়োজকরা জানান, শিশুদের মাঝে মহানবী ﷺ-এর জীবন, চরিত্র ও আদর্শ সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি এবং সুন্নাহভিত্তিক জীবন গঠনে উৎসাহিত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও শিশু-কিশোরদের নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।