Blood Friend Society Bangladesh / ব্লাড ফ্রেন্ড সোসাইটি বাংলাদেশ

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • Blood Friend Society Bangladesh / ব্লাড ফ্রেন্ড সোসাইটি বাংলাদেশ

Blood Friend Society Bangladesh / ব্লাড ফ্রেন্ড সোসাইটি বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় রক্তদান কারি ও মূমূর্ষ রক্ত গ্রহীতাদের সাথে যোগাযোগ তৈরী করে দেওয়া ।

স্বেচ্ছায় রক্তদান কারি ও মূমূর্ষ রক্ত গ্রহীতাদের সাথে যোগাযোগ সমন্বয় সাধন এবং সবার মাঝে স্বেচ্

13/06/2026

🚨 জরুরি রক্তের আবেদন 🚨
একজন মুমূর্ষু রোগীর হার্টের ভালভ অপারেশনের জন্য ও+ (O Positive) রক্ত অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন।
🩸 রক্তের গ্রুপ: O+ (ও পজিটিভ)
🩺 চিকিৎসা: হার্টের ভালভ অপারেশন
🏥 হাসপাতাল: জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হসপিটাল, কলেজ গেট, ঢাকা
📅 তারিখ: ১৭ জুন ২০২৬
🩸 মোট প্রয়োজন: ২৫ ব্যাগ রক্ত

📞 যোগাযোগ: 01883-507246
আপনার একটি রক্তদান একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। সামর্থ্য থাকলে নিজে রক্ত দিন অথবা পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন।
সবাই একটু এগিয়ে আসুন, একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর এই মহৎ কাজে অংশ নিন। 🙏❤️

12/06/2026
🚨 পায়ের তলায় এমন অস্বাভাবিক ক্ষত দেখলে অবহেলা করবেন না❗ছবিতে দেখা যাচ্ছে পায়ের তলাজুড়ে অসংখ্য খসখসে, ফুলকপির মতো উঁচ...
09/06/2026

🚨 পায়ের তলায় এমন অস্বাভাবিক ক্ষত দেখলে অবহেলা করবেন না❗

ছবিতে দেখা যাচ্ছে পায়ের তলাজুড়ে অসংখ্য খসখসে, ফুলকপির মতো উঁচু বৃদ্ধি (verrucous lesions) এবং কিছু স্থানে শিংয়ের মতো কেরাটিন জমে আছে। এ ধরনের অবস্থা শুধু সাধারণ "কড়া" বা "গুটি" নাও হতে পারে।

সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—

🔹 Extensive Plantar Warts (HPV সংক্রমণ)
🔹 Epidermodysplasia Verruciformis
🔹 Palmoplantar Keratoderma
🔹 Chromoblastomycosis (ফাঙ্গাল সংক্রমণ)
🔹 Hypertrophic Lichen Planus
🔹 Verrucous Carcinoma (বিরল ত্বকের ক্যান্সার)

⚠️ শুধুমাত্র ছবি দেখে নিশ্চিত রোগ নির্ণয় সম্ভব নয়। এ ধরনের রোগের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে—

✅ চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরীক্ষা
✅ ডার্মোস্কোপি
✅ বায়োপসি (Histopathology)
✅ প্রয়োজনে HPV বা অন্যান্য ল্যাব পরীক্ষা

❌ দীর্ঘদিনের এমন ক্ষত, ব্যথা, রক্তপাত বা দ্রুত বৃদ্ধি পেলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

📚 চিকিৎসাবিজ্ঞানে সঠিক রোগ নির্ণয়ই সঠিক চিকিৎসার প্রথম ধাপ।

👨‍⚕️🦶🔬

দ্রষ্টব্য: এটি শিক্ষামূলক আলোচনা। রোগ নির্ণয়ের জন্য সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

মাত্র ২ ইঞ্চি পানিও একটি শিশুর জীবন কেড়ে নিতে পারে!ধরুন, বাচ্চাটা খেলছে, আপনি একটু অন্যমনস্ক, ফোনে ব্যাস্ত বা হাতের কাজ...
09/06/2026

মাত্র ২ ইঞ্চি পানিও একটি শিশুর জীবন কেড়ে নিতে পারে!
ধরুন, বাচ্চাটা খেলছে, আপনি একটু অন্যমনস্ক, ফোনে ব্যাস্ত বা হাতের কাজ করছেন, ভাবছেন ওয়াশরুমে তো মাত্র একটা বালতি এতটুকু পানি নিয়ে খেলতেছে কি আর হবে!!!

কিন্তু এ বাচ্চাটিকে দেখুন,
খেলতে খেলতে, অজান্তে, পানিভর্তি একটি বালতির কাছে চলে গিয়েছিল সে।এরপর মাত্র কয়েক মিনিটই একটি পরিবারের হাসি চিরতরে কেড়ে নিয়েছে।

ছোট শিশুদের জন্য কয়েক ইঞ্চি পানিও প্রাণঘাতী হতে পারে। তারা ভারসাম্য হারিয়ে মাথা নিচের দিকে পড়ে গেলে নিজেরা উঠে দাঁড়াতে পারে না।

আমার ভাতিজা ইমরানকেও আমরা এভাবে হারায়ছি, ওকে মা বালতির পানিতে বসিয়ে ঘরে গিয়েছিল! অল্প পানি ছিল যা গোসল করানোর জন্য নেওয়া, এরপর ৩-৪ মিনিট পর এসে দেখে বাচ্চাটা মারা গেছে! 💔

এই ঈদে আমার এলাকাতেও এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, কালকেও দেখলাম দুইটা বাচ্চা গফরগাঁওয়ে খেলতে খেলতে রাস্তার পাশের নালা তে পড়ে মারা গেছে!!
আপনার এত কষ্টের সন্তান, যার জন্য শত শত নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন, তাঁকে এভাবে একটু খামখেয়ালিতে হারিয়ে যেতে দিবেন না প্লিজ!!

১/ শিশুদের কখনো পানির কাছে একা রাখবেন না।

২/বালতি, টব, ড্রাম ব্যবহার শেষে খালি করুন অথবা ঢেকে রাখুন।

৩/বাথরুমের দরজা সবসময় বন্ধ রাখুন।

৪/ "এক মিনিটের জন্য" বলেও শিশুকে নজরের বাইরে রাখবেন না।

তার এই মৃত্যু হয়তো অন্য কোনো শিশুর জীবন বাঁচানোর কারণ হতে পারে।

এক মুহূর্তের অসাবধানতা, সারাজীবনের অনুশোচনা।

পোস্টটি শেয়ার করুন। হয়তো আপনার একটি শেয়ার কোনো পরিবারের কান্না থামিয়ে দিতে পারে।

Dr-Abdur Rahman

২০১৮ সালে, ১৭ বছর বয়সী এক ছেলে।নাম মানিক।ডান পায়ের হাঁটুর উপর ফোলা আর ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল...
08/06/2026

২০১৮ সালে, ১৭ বছর বয়সী এক ছেলে।
নাম মানিক।
ডান পায়ের হাঁটুর উপর ফোলা আর ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কি মায়াবী চেহারা ছিল! একদম ছোট্ট একটা ছেলে, চোখে ভয়, মুখে কষ্ট চেপে রাখার চেষ্টা।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ধরা পড়লো Osteosarcoma। আর দুঃখজনকভাবে তখনই বোঝা গেল, রোগটা অনেক দূর ছড়িয়ে গেছে।
মানিক ছিল একেবারে গরিব ঘরের সন্তান। চিকিৎসার খরচ, রক্ত, সবকিছুই তখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
সেদিন দুই ব্যাগ রক্ত দরকার ছিল। যা দিলেন ডা: মেহেদীনুল ইসলাম সেতু ভাই আর তার কলিগরা। আর পুরো অর্থোপেডিক্সের স্যাররা সব খরচ নিজেরা বহন করেছিলেন।
ওয়ার্ডের নার্স, ওয়ার্ড বয়, ডাক্তার সবাই সেদিন যে মানবিকতা দেখিয়েছিলেন, সেটা সত্যিই অবর্ণনীয়।
মানিক অল্প কিছুদিন ভর্তি ছিল। কিন্তু এই অল্প কয়েকদিনেই সে পুরো ওয়ার্ডের প্রাণ হয়ে গিয়েছিল।
তারপর তাকে ছুটি দেওয়া হলো।
মাঝে মাঝে ফোন দিতো। তার মা আমাকে ভাই বানিয়েছে।
একদিন হঠাৎ মানিক ফোন করে বলল, “মামা, খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।”
আমি বুঝলাম, ফোনের ওপাশে মানিক কাঁদছে। কণ্ঠটা ভাঙা ভাঙা, শুধু বারবার বলছিল, “মামা, খুব কষ্ট হচ্ছে… আমি বাঁচব তো?”
এরপর প্রফেশনাল চাপ, জীবনের ব্যস্ততা… অনেকদিন খেয়াল করিনি মানিকের ফোন আসছে না।
হঠাৎ একদিন সেই নাম্বার থেকে কল আসে।
ফোন ধরতেই ওপাশে হানিফের কণ্ঠ। মানিকের ছোট ভাই।
সে বলল, “মামা… হানিফ ভাই আর নাই।”
আমার কণ্ঠ আটকে গেল।
বুকটা হুট করে মুচড়ে উঠলো।
মানিক নেই।
Osteosarcoma সত্যিই মরনঘাতী।
কিন্তু ভালোবাসাও যে সংক্রামক।
মানিক নেই… কিন্তু ও রয়ে গেছে স্মৃতিতে, রয়ে গেছে অনুভবে, রয়ে গেছে মননে।
মানিক যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক। 💔
ক্যান্সার হায়রে ক্যান্সার 💔
লেখা:
Dr-Abdur Rahman

মামা নামক সেই ডাক্তার,
ডা: মেহেদীনুল ইসলাম সেতু ভাই 🖤🖤

ছবিটা দেখুন, এই কোলনটা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত দেখাচ্ছে। স্বাভাবিক কোলন এমন ভাঁজ, ফোলা অংশ বা অস্বাভাবিক থলির মতো গঠন নিয়ে থাকে...
05/06/2026

ছবিটা দেখুন, এই কোলনটা কতটা ক্ষতিগ্রস্ত দেখাচ্ছে। স্বাভাবিক কোলন এমন ভাঁজ, ফোলা অংশ বা অস্বাভাবিক থলির মতো গঠন নিয়ে থাকে না। ভেতরের দেয়ালটা সাধারণত মসৃণ ও নিয়মিত কাজ করার মতো অবস্থায় থাকে।
কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে, আর দীর্ঘদিনের ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে কোলনের দেয়ালে ছোট ছোট দুর্বল জায়গা তৈরি হতে পারে। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে গঠিত হয় ক্ষুদ্র থলি, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলা হয় ডাইভার্টিকুলা।
অনেক মানুষ এই অবস্থায় বছরের পর বছর কোনো সমস্যা ছাড়াই থাকেন। বাইরে থেকে একদম স্বাভাবিক, কোনো অস্বস্তিও নেই।
সমস্যা শুরু হয় তখনই, যখন এসব থলির ভেতরে ময়লা বা খাদ্যকণা আটকে গিয়ে প্রদাহ তৈরি করে। তখন হঠাৎ করে পেটের বাঁ পাশের নিচে তীব্র ব্যথা দেখা দেয়, সাথে জ্বর, বমিভাব, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা কখনও ডায়রিয়া। অনেক সময় পেট চাপ দিলে ব্যথা অসহনীয় হয়ে যায়।
এটাকে বলা হয় ডাইভার্টিকুলাইটিস। আর এটা কখনও কখনও হঠাৎ করেই জটিল আকার নিতে পারে, যদি সময়মতো চিকিৎসা না নেওয়া হয়।

ঝুঁকি বাড়ায় কিছু সাধারণ অভ্যাস—কম আঁশযুক্ত খাবার, পানি কম পান করা, ধূমপান, ব্যায়ামের অভাব এবং দীর্ঘদিন বসে থাকা জীবনধারা। এগুলো ধীরে ধীরে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে দুর্বল করে দেয়।

দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত অন্ত্রের সমস্যা, ক্রনিক প্রদাহ এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ইতিহাস কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। এটা সরাসরি একদিনে হয় না, বরং বছরের পর বছর ধরে পরিবর্তনের মাধ্যমে তৈরি হয়।

ভালো খবর হলো, কোলনকে সুস্থ রাখা খুব কঠিন না। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা, শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া, আঁশযুক্ত খাবার রাখা, নিয়মিত হাঁটা বা ব্যায়াম করা এবং ধূমপান এড়িয়ে চলা
এই ছোট অভ্যাসগুলোই বড় সুরক্ষা দিতে পারে।
পেটের যেকোনো সমস্যা যদি বারবার হয় বা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে সেটাকে সাধারণ ভেবে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক না।

Dr-Abdur Rahman

আলহামদুলিল্লাহ!!!‘পুরু'ষাঙ্গ’ এর গোড়ায় ‘রিং’ আটকে যাওয়া এক রোগীর অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করলাম, ‘পুরু'ষাঙ্গ’ অক্ষত রেখেই...
01/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ!!!

‘পুরু'ষাঙ্গ’ এর গোড়ায় ‘রিং’ আটকে যাওয়া এক রোগীর অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করলাম, ‘পুরু'ষাঙ্গ’ অক্ষত রেখেই। রোগী অপারেশনের পর ভালো আছে, হাসিখুশি আছে।

রোগী কবিরাজের প্ররোচনা বা বাজি ধরে—যে কোনো কারণেই হোক—এমনভাবে ‘রিং’ ‘পুরু'ষাঙ্গ’ এর গোড়ায় প্রবেশ করান, যা পরবর্তীতে বরফ, স্থানীয় হাসপাতাল এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইমার্জেন্সিতে ইলেকট্রিক স দিয়ে কেটেও বের করা সম্ভব হয়নি। কারণ ‘রিং’টি এতটাই ছোট এবং শক্তিশালী ছিল যে এটি স দিয়ে কাটা যাচ্ছিল না, এমনকি হাতের ছোট আঙুলেও ঢোকানো কষ্টকর।

যাহোক, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল যে রোগী ভেবে নিয়েছিল—‘পুরু'ষাঙ্গ’ গোড়া থেকে কেটে ফেলতে হতে পারে। কারণ গোড়ার তুলনায় অংশটি ৫/৬ গুণ মোটা হয়ে গিয়েছিল।

শেষ পর্যন্ত পরিকল্পিত সূক্ষ্ম সার্জারির মাধ্যমে ‘পুরু'ষাঙ্গে’ সামান্য ফুটো করে, ‘পুরুষাঙ্গ’ অক্ষত রেখেই যখন ‘রিং’টি বের করা হলো—রোগী তখন অবাক হয়ে বলল—

“স্যার, কি ম্যাজিক করলেন?”

আমি বললাম—না, সার্জারি কোনো ম্যাজিক নয়। সার্জারি হলো পরিকল্পিত কাটাছেঁড়া।

এই ঘটনাটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা—

উত্তেজনা, কৌতূহল বা ভুল পরামর্শে শরীরের এমন সংবেদনশীল স্থানে(পুরুষাঙ্গ বা পায়ুপথ) কখনোই কোনো বস্তু প্রবেশ করাবেন না কারন কখন তা গুলিস্তান পার হয়ে পাকিস্তান চলে যাবে তা টের পাবেন না। একবার আটকে গেলে সেটি বের করা অত্যন্ত জটিল হয়ে যায়, অনেক সময় বড় অপারেশন ছাড়া সম্ভব হয় না।এরপর চিকিৎসা নিতে পদে পদে আপনি অসম্মানিত হবেন।যদিও আমরা ঢাকা মেডিকেলে এই রোগিকে যথেষ্ট সম্মান পুর্বক দ্রুত অপারেশন করে দেই।কিন্তু সবসময়ই আমরা থাকবনা।

আজ রোগী রক্ষা পেলেও, এমন ঘটনা সবসময় এত সহজে সমাধান নাও হতে পারে।

সবাইকে অনুরোধ করছি—সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন।

পোস্টটি শেয়ার করে সচেতন করুন সবাইকে।

Dr.Aminul Islam

"ভাত খেতে বসলে মনে হয় খাবারটা গলার মাঝখানে আটকে আছে..."প্রথমে বিষয়টাকে গুরুত্ব দেননি,ভাবলেন, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।কিছুদি...
31/05/2026

"ভাত খেতে বসলে মনে হয় খাবারটা গলার মাঝখানে আটকে আছে..."
প্রথমে বিষয়টাকে গুরুত্ব দেননি,
ভাবলেন, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা।
কিছুদিন পর দেখলেন শুধু ভাত বা মাংস নয়, পানিও ঠিকমতো নামতে চায় না।
খাওয়ার পর মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়।
মুখভর্তি হয়ে বেরিয়ে আসে কয়েক ঘণ্টা আগে খাওয়া খাবার,বমি নয়,
পাকস্থলী থেকেও নয়।
প্রায় হজম না হওয়া অবস্থাতেই।
সাথে শুরু হলো ওজন কমা, দুর্বলতা।
এবং খাবারের প্রতি এক ধরনের ভয়।

অনেক সময় এটি বিরল রোগ Achalasia Cardia...

কী হয় এই রোগে?
আমাদের খাদ্যনালীর নিচের অংশে একটি ভালভের মতো পেশি থাকে।
স্বাভাবিক অবস্থায় খাবার নিচে নামলে এটি খুলে যায়।
Achalasia রোগে এই পেশিটি ঠিকমতো শিথিল হতে পারে না।
ফলে খাবার খাদ্যনালীতে জমতে থাকে।
ধীরে ধীরে খাদ্যনালী ফুলে যায়।
এবং রোগীর মনে হয় খাবার আটকে যাচ্ছে।

***যেসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়:
খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া, প্রথমে শক্ত খাবার, পরে তরল খাবারও নামতে সমস্যা
খাওয়ার পর খাবার মুখে উঠে আসা, রাতে কাশি হওয়া, বুকের মাঝখানে চাপ বা ব্যথা, অকারণে ওজন কমে যাওয়া।
অনেক রোগী বছরের পর বছর গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে যান।
কিন্তু আসল রোগ ধরা পড়ে না।

সাধারণত Barium Swallow পরীক্ষায় খাদ্যনালীর নিচের অংশে একটি বিশেষ আকৃতি দেখা যায় "Bird-Beak Appearance"

খাবার বা পানি গিলতে নিয়মিত কষ্ট হওয়া কখনোই স্বাভাবিক নয়।
যদি আপনার বাবা, মা, স্বামী, স্ত্রী বা পরিবারের কেউ বলে,
"খাবারটা ঠিকমতো নিচে নামছে না..."
তাহলে হালকাভাবে নেবেন না।

নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যান,
চলুন সচেতন হই

Dr-Abdur Rahman

এই প্রথম পুরোপুরিভাবে দেহ থেকে এইডস সরাতে সক্ষম হয়েছে জীবপ্রযুক্তি।এইডস হয় এইচআইভির (ভাইরাস) সংক্রমণে। এর কোনো প্রচলিত চ...
25/05/2026

এই প্রথম পুরোপুরিভাবে দেহ থেকে এইডস সরাতে সক্ষম হয়েছে জীবপ্রযুক্তি।

এইডস হয় এইচআইভির (ভাইরাস) সংক্রমণে। এর কোনো প্রচলিত চিকিৎসা নেই। এইচআইভি নিজস্ব ডিএনএর উপাদানগুলো মানুষের ডিএনএর ভেতর সহজেই একীভূত করতে পারে। ফলে এদেরকে সমূলে দেহ থেকে বিতাড়িত করা কঠিন। তাছাড়া আমাদের দেহের টি-সেল, ম্যাক্রোফেজের মতো 'নিরাপত্তা কোষ' ইউনিটকে সরাসরি অ্যাটাক করতে পারে এইচআইভি, যার ফলে দেহেরও নিজে থেকে কিছু করার থাকে না।

কিছু বছর আগে এমানুয়েল কারপেন্টার এবং জেনিফার ডুডনা নামের দুজন বিজ্ঞানী 'CRISPR/Cas9' নামে একটা জীবপ্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। 'জিনের কেচি' নামে পরিচিত এই আবিষ্কারের জন্য তারা ২০২০ সালে নোবেল পেয়েছিলেন। সম্প্রতি বারসেলোনার আরেক বিজ্ঞানী ড. এলিনা হেরেরা এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এইচআইভির মতো ধূর্ত ভাইরাসকে খুঁজে খুঁজে দেহ থেকে সরাতে সক্ষম হয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালেও বিশ্বে ৬ লাখ মানুষ মারা গেছে এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে। নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে ১৩ লাখেরও বেশি (WHO)। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।

Address

প্রযত্মে, বর্ণরেখা প্রেস, চন্দপুরা জামে মসজিদ সংলগ্ন, নবাব সিরাজদ্দোলা রোড, চট্টগ্রাম
Chittagong
4203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Blood Friend Society Bangladesh / ব্লাড ফ্রেন্ড সোসাইটি বাংলাদেশ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Blood Friend Society Bangladesh / ব্লাড ফ্রেন্ড সোসাইটি বাংলাদেশ:

Share