ছাগলনাইয়া উপজেলা,ফেনী

ছাগলনাইয়া উপজেলা,ফেনী Chhagalnaiya is an upozilla in the Feni District in Bangladesh.This is a Non-Government site.

ছাগলনাইয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন ফেনী জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।এর আয়তন ১৩৩.৩৯ বর্গকিলোমিটার বা ৫১.৫৪ মাইল।

নামকরণ-

ছাগলনাইয়া নামকরণ সম্পর্কে কেউ কেউ বলেন যে ইংরেজ আমলের শুরুতে সাগর (Sagor) শব্দটি ভুল ক্রমে সাগল (Sagol) নামে লিপিবদ্ধ হয়েছিল। তাই ছাগলনাইয়া শব্দটি প্রচলিত হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য ইংরেজ আমলের পূর্বে কোন পুথি পত্রে ছাগলনাইয়া নামের কোন স্থানের নাম পাওয়া যায় না।
ধারণা

করা হয়, ইংরেজ শাসনামলে দাপ্তরিক নথিতে R এর স্থলে ভুলবশত L লেখার ফলে এ এলাকার নাম সাগরনাইয়া (সাগর যাকে নাইয়ে বা স্নান করিয়ে দেয়) থেকে ছাগলনাইয়া' হয়ে যায়। সুবিধাজনক ভৌগোলিক অবস্থান এবং সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় ঐতিহাসিকভাবে - বিশেষত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ছাগলনাইয়া উপজেলার অবস্থান ২৩.০৩৬১° উত্তর ৯১.৫১৯৪° পূর্ব। এ উপজেলার উত্তরে ফুলগাজী উপজেলা, পশ্চিমে ফেনী সদর উপজেলা, দক্ষিণে ফেনী সদর উপজেলা ও চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই উপজেলা এবং পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ অবস্থিত।

প্রাচীন ইতিহাস-

কিছু প্রসিদ্ধ মতানুযায়ী বর্তমান ছাগলনাইয়া কোন এক সময়ে বৌদ্ধ সভ্যতার অন্তর্গত ছিল। পরে উত্তরের পাহাড়ী স্রোতে, প্রাকৃতিক কারণে বা নদী ভাঙ্গনে সাগরে বিলীন হয়ে কালের বিবর্তনে আবার ধীরে ধীরে ভূমি খন্ড খন্ড রুপে জেগে উঠে। ছাগলনাইয়া ভেঙ্গে জেঠে ওঠা ভূমির কারণেই এখানে কুমিল্লা বা ত্রিপুরা কিংবা নোয়াখালী বা চট্রগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চলের মতো প্রাচীন কোনো স্থাপনার নিদর্শন নেই।
মাত্র কয়েকশ বছর আগেও পুরান রাণীর হাট (আসলে ঘাট) থেকে পশ্চিম ছাগলনাইয়া পর্যন্ত প্রায় ১৪/১৫ মাইল ব্যাপী প্রশস্ত নদী ছিল এবং এ অংশে পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম ছিল খেয়া নৌকা। ছাগলনাইয়া কিছু অংশ অনেক পূর্বেই জেগে উঠে বনজঙ্গলে ভরে যায়। পাহাড়ের নিকট খন্ড স্থান বলে তখন এলাকার নাম হয় খন্ডল। ব্রিটিশ আমলের প্রথম দিকে ছাগল নাইয়ার নামকরণ করা হয়।। সে নামকরণ সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য বিস্তারিত জানা যায়না। অনেকের মতে আবার সাগর থেকে ছাগল হবার কথা ভুল। নোয়াখালীর উপভাষায় এরকম প্রয়োগ নেই। বগুড়ার রামচন্দ্র চৌধুরী নবাব সরকারের কার্য উপলক্ষে বঙ্গীয় একাদশ শতাব্দীর (খ্রিষ্ঠীয় পঞ্চদশ শতাব্দী) প্রথম ভাগে ভুলুয়ায় (বর্তমানে নোয়াখালী) এসে বদল কোন নামক স্থানে বাস করতে থাকেন। তিনি পরে ত্রিপুরা মহারাজের উচ্চ রাজ কর্মচারী নিযুক্ত হন। কোনো এক সময়ে তাকে নিয়ে মহারাজ চন্দ্রনাথ তীর্থে যান। পথিমধ্যে খন্ডলের জঙ্গলপূর্ণ সমতল ভূমি দেখে মহারাজ তা আবাদ করে প্রজাপত্তনের জন্য রামচন্দ্রকে নির্দেশ দেন। তিনি অনেক এলাকার বনজঙ্গল পরিষ্কার করে কিছু এলাকা বিশেষ করে ভুলুয়া থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্রাহ্মণ ও কায়স্থ শ্রেণির মানুষদের নিয়ে এসে বসতি পত্তন করেন। পরে তিনি তাঁর আবাদ এলাকা বিস্তৃত করেন। তাঁর তিনপুত্র গজেন্দ্র নারায়ন, প্রেম নারায়ন ও শুভেন্দ্র নারায়ন পিতার পদাস্ক অনুসরণ করে প্রায় পুরো খন্ডলে বসতি গড়ে তোলেন ও বিভিন্ন এলাকায় ব্রাহ্মণ ও কায়স্থ শ্রেণির মানুষদের নিয়ে আবার বসতি স্থাপন করেন। রামচন্দ্র ও তার পুত্রাদি কর্তৃক খন্ডলের অনেক জায়গা প্রজাপত্তন ও আবাদি হলে ত্রিপুরা মহারাজ তাদেরকে খন্ডলের ইজারাদার নিযুক্ত করেন। এভাবে খন্ডল তথা বর্তমান ছাগলনাইয়ায় মনুষ্য বসতি ও আবাদ শুরু হয়। শমসের গাজীর আবির্ভাবে এসব জমিদার ইজারাদারদের অবস্থান সস্কুচিত হয় ও ক্ষমতা হ্রাস পায়। ঠিক কোন সময় থেকে কি কারণে এ খন্ডল অঞ্চলে মুসলমানের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে সে সম্পর্কে ইতিহাসে বিস্তারিত পাওয়া যায় না। এখনকার চাঁদগাজী মসজিদ প্রাচীন ১৭১২-১৩ সালের। অথচ মুর্শিদাবাদের মুর্শিদকুখী খাঁ ১৭১৭ সালে বাংলার নবাব নিক্তুক্ত হন। সেই থেকে ১৭৫৭ পর্যন্ত বাংলার নবাবী আমল। তাই অনেকে ধারণা করেন, এ সময়েই এখানে মুসলমানদের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। নোয়াখালীর অন্যান্য এলাকার মতো কয়েক শ’ বছর আগেই খন্ডল মুসলমান প্রধান এলাকায় পরিণত হয়। উল্লেখ্য, শিলুয়ার শিল সংলগ্ন চৌধুরী বাড়ীর জামে মসজিদটি ১৮৩৪ সালের। ভুমির ভাঙ্গা-গড়ার সাথে মিল রেখে খন্ডলে জনমানুষের ও নানা উত্থান-পতন ঘটেছে। ধারণা করা হয় যে, প্রাচীন কালে পার্শ্ববর্তী কুমিল্লার ত্রিপুরা চট্টগ্রামের মতো খন্ডল তথা ছাগলনাইয়ায়ও (তখন ত্রিপুরার অন্তর্গত) বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী লোকের বসবাস ছিল। প্রধানত শিলুয়ার শিলের আবিষ্কার এই ধারণা প্রতিষ্ঠার প্রধান যুক্তি হিসেবে দাঁড় করানো হয়। তবে একটি মাত্র নিদর্শন প্রাপ্তি দিয়ে কোন যুক্তি দাঁড় করানোও বিপজ্জনক বলে গবেষকরা সেই যুক্তিতে স্থির থাকতে পারেননি। তাঁরা এমনটাও বলে থাকেন, স্থানান্তরের সময় এ শিলটি বা অন্য দু’ একটি নিদর্শন তৎকালীন নদীতে পড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়, যা পরবর্তী কালে মাটির সঙ্গে উপরে উঠে আসে। নোয়াখালীর চরাঞ্চলে অবশ্য এরকম কিছু ‘বয়া’ মাটির ওপরে দাঁড়িয়ে বা কাত হয়ে থাকতে দেখা যায়। আবার, এ শিলা ও আরো দু’ একটি নিদর্শন উজান কে স্রোতের বেগে ভাটির দিকে গড়িয়ে এসেছে - সে সম্ভাবনার কথাও গবেষকেরা বলে থাকেন। ‘নোয়াখালীর ইতিহাস’ অনুযায়ী,

খন্ডল পরগনার অন্তর্গত চম্পকনগর গ্রামে অতি প্রাচীন কালে মগ বা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী রাজার আবাস বাটী ছিল এরুপ প্রবাদ। এই অঞ্চলের মটুয়া, মোটবী, শিলুয়া, মোট বাদীয়া, মঘুয়া, রাজনগর প্রভূতি গ্রামে প্রাচীন বৌদ্ধ কীর্তির ভগ্নাবশেষ দেখিলে বৌদ্ধ প্রভাবের পরিচয় প্রাপ্ত হওয়া যায়।
সম্প্রতি ছাগলনাইয়া সীমান্ত সংলগ্ন মিরসরাই উপজেলার জোরালগঞ্জের ভগবতীপুর গ্রামে পুকুর খননের সময় চার ফুট মার্টির নিচে ৭০০ বছরের প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরের সন্ধান পাওয়া গেছে। ধারণা করা হয় পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া, মিরসরাই, সীতাকুন্ড এলাকা প্রাচীন কাল হতে অন্তত দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অধীনে ছিল। ১১০০-১২০০ সালের দিকে বৌদ্ধ রাজারা দুর্বল হয়ে পড়লে ভুলুয়া (বর্তমান নোয়াখালী) ও ত্রিপুরার হিন্দু রাজারা মাথা তুলে দাঁড়ান ও হিন্দু রাজ্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ পান এবং পরবর্তী কালে মুসলমানরা আধিপত্য বিস্তার করেন।[২]
১৯৬৩ সালে পুকুর খননকালে নব্য প্রস্তর যুগে ব্যবহার্য হাতকুড়াল পাওয়া যায়, যা পাঁচ হাজার বছর আগের পুরনো বলে ধারণা করা হয়। বর্তমানে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরে এটি সংরক্ষণ করে রাখা আছে। অনুরূপ নিদর্শন ময়নামতি, রাঙ্গামাটি, সীতাকুন্ডেও আবিষ্কার করা হয়েছে।

প্রশাসনিক এলাকা--

ছাগলনাইয়া উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম ছাগলনাইয়া থানার আওতাধীন।

পৌরসভা:
ছাগলনাইয়া

ইউনিয়নসমূহ:

৫নং মহামায়া
৬নং পাঠাননগর
৭নং ছাগলনাইয়া (ছাগলনাইয়া ইউনিয়নের সম্পূর্ণ অংশ ছাগলনাইয়া পৌরসভার আওতাধীন হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যক্রম বর্তমানে বিলুপ্ত)
৮নং রাধানগর
৯নং শুভপুর
১০নং ঘোপাল

জনসংখ্যা

সর্বমোট -১৭০৫২৪;
পুরুষ -৮৫২৮৪,
মহিলা -৮৫২৪০।

ধর্মীয় হিসেবে-
মুসলিম ১৬৫৪৬৩, হিন্দু ৪৯৯৫, খ্রিস্টান ২১ এবং অন্যান্য ৪৫।

ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন ধর্মমতাবলম্বী মানুষের সংখ্যা শতকরা হিসেবে-

ইসলাম ধর্ম (৯৭.০৩%)
হিন্দু ধর্ম (২.৯৩%)
খ্রিস্ট ধর্ম (০.০১২%)
অন্যান্য (০.০২৬%)

অর্থনীতি -

কৃষিজীবী-৩৮.১৪%, প্রবাসী: ৭.১৯%,

কৃষি শ্রমিক-৩.৬০%, শিল্প-১.৫৫% , চাকুরিজীবী-১৭.৮৬%

ঐতিহাসিক/দর্শনীয় স্থান-

মোকামিয়া সীমান্তবাজার
শিলুয়ার শিল
শুভপুর ব্রিজ
বাঁশপাড়া জমিদার বাড়ি
সাত মঠ বা সাত মন্দির
চাদগাজী ভূইয়া মসজিদ
শমশের গাজীর দীঘি ও সুড়ঙ্গ
কৈয়ারা দীঘি
শমসের গাজীর কেল্লা
পশ্চিম ছাগলনাইয়া আব্দুর রাজ্জাক দীঘি
আদালত পুকুর
দক্ষিণ সতর'র শতবর্ষী পাটোয়ারী দীঘি
রেজুমিয়া সেতু
ভারত-বাংলাদেশ প্রীতি সীমান্ত হাট

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব-

ভাষাসৈনিক গাজীউল হক
আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী
এ বি এম মূসা
শিরীন আখতার (রাজনীতিবিদ)
আওরঙ্গজেব চৌধুরী
কৌতুকাভিনেতা আনিসুর রহমান
আবদুস সালাম (সাংবাদিক)
ইনামুল হক
লাকী ইনাম
চাঁদগাজী ভূঁঞা
কৈয়ারা বিবি
শমসের গাজী
মোঃ নুরুল ইসলাম সরকার
বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম আব্দুল কাদের মজুমদার (উপজেলা আওয়ামীলীগ সংগঠক)
বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফয়েজ আহাম্মদ (রাজনীতিবিদ)
বশির আহমেদ (বীর প্রতীক)

সংসদীয় আসন-
ফেনী-০১

শিক্ষা পরিস্থিতি
সম্পাদনা
শিক্ষার হার গড়ে ৬৩.১%, পুরুষ ৫১.৩% মহিলা ৩৬.৬%।

কলেজ-৬টি।

ছাগলনাইয়া সরকারি কলেজ
আলহাজ্ব আব্দুল হক চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ
মৌলভী সামছুল করিম কলেজ
চাঁদগাজী স্কুল এন্ড কলেজ
বল্লভপুর কলেজ
ছাগলনাইয়া মহিলা কলেজ
উচ্চ বিদ্যালয়-২৭টি, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-৬১টি, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়-৯টি, মাদ্রাসা-২৯টি, টেকনিক্যাল স্কুল-৩টি,পলিটেকনিক ইনিস্টিউট-১টি।

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম ঘোষণা করা হবে সোমবারবিস্তারিত নিউজ লিংকে....https://www.ittefaq.com.bd/698...
01/09/2024

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম ঘোষণা করা হবে সোমবার

বিস্তারিত নিউজ লিংকে....

https://www.ittefaq.com.bd/698580/%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0

সকলের সহযোগিতায় ফুলগাজীতে ৫টি, পরশুরামে ১২টি, সোনাগাজীতে ৩৮টি,  ছাগলনাইয়াতে ১৬টি, ফেনী সদরে ৮৪টি ও দাগনভূঞাতে ২৭টি টাওয়া...
01/09/2024

সকলের সহযোগিতায় ফুলগাজীতে ৫টি, পরশুরামে ১২টি, সোনাগাজীতে ৩৮টি, ছাগলনাইয়াতে ১৬টি, ফেনী সদরে ৮৪টি ও দাগনভূঞাতে ২৭টি টাওয়ার সহ ফেনীতে মোট ১৮২টি টাওয়ার সচল করেছে রবি।

এই লিংকটিতে দেখে নিন সচল হয়ে যাওয়া টাওয়ারগুলোর সম্পূর্ণ তালিকা:
https://www.robi.com.bd/en/personal/brand/flood2024robilivesites

বন্যাকবলিত এলাকায় আপনার রবি সিম হারিয়ে গিয়ে থাকলে অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে নিকটস্থ রবি সেবা কেন্দ্রে আসুন আর সিম রিপ্ল...
01/09/2024

বন্যাকবলিত এলাকায় আপনার রবি সিম হারিয়ে গিয়ে থাকলে অথবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকলে নিকটস্থ রবি সেবা কেন্দ্রে আসুন আর সিম রিপ্লেসমেন্ট করে নতুন সিম নিয়ে নিন একদম ফ্রি'তে।
বিস্তারিত জানতে ভিজিট -

বন্যাকবলিত ফেনীতে গ্রামীণফোন-এর সব নেটওয়ার্ক টাওয়ার সচল করতে নিরলস কাজ করে গিয়েছেন আমাদের নেটওয়ার্ক টিমের এক স্পেশাল ইউন...
01/09/2024

বন্যাকবলিত ফেনীতে গ্রামীণফোন-এর সব নেটওয়ার্ক টাওয়ার সচল করতে নিরলস কাজ করে গিয়েছেন আমাদের নেটওয়ার্ক টিমের এক স্পেশাল ইউনিট। একসাথে কাজ করলে এমন পরিস্থিতিও মোকাবেলা করা সম্ভব।

Address

Chhagalnaiya
3910

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ছাগলনাইয়া উপজেলা,ফেনী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share