19/03/2026
পবিত্র কুরআন মাজীদে আল্লাহ তাআলা বলেন,
فَبِظُلْمٍ مِّنَ الَّذِیْنَ هَادُوْا حَرَّمْنَا عَلَیْهِمْ طَیِّبٰتٍ اُحِلَّتْ لَهُمْ وَ بِصَدِّهِمْ عَنْ سَبِیْلِ اللّٰهِ كَثِیْرًاۙ۱۶۰ وَّ اَخْذِهِمُ الرِّبٰوا وَ قَدْ نُهُوْا عَنْهُ وَ اَكْلِهِمْ اَمْوَالَ النَّاسِ بِالْبَاطِلِ ؕ وَ اَعْتَدْنَا لِلْكٰفِرِیْنَ مِنْهُمْ عَذَابًا اَلِیْمًا۱۶۱
ইয়াহুদিদের গুরুতর সীমালঙ্ঘনের কারণে আমি তাদের প্রতি এমন কিছু উৎকৃষ্ট বস্তু হারাম করে দিই, যা (পূর্বে) তাদের পক্ষে হালাল করা হয়েছিল এবং আল্লাহর পথে তাদের অত্যধিক বাধাদানের কারণে, এবং তাদের সুদখোরির কারণে, অথচ তা খেতে তাদেরকে নিষেধ করা হয়েছিল। এবং তাদের কর্তৃক মানুষের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করার কারণে। তাদের মধ্যে যারা কাফির, আমি তাদের জন্যে যন্ত্রণাময় শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।
সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৬০, ১৬১
সূত্র : তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন
ইয়াহুদিরা দীন পালনে যথেষ্ট সীমালঙ্ঘন করত। এর পাশাপাশি তারা অন্যদেরকে আল্লাহর পথে চলতে বাধা দিত। সুদ খেত। অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ গ্রাস করত। এসব অন্যায়ের শাস্তিস্বরূপ তাদের জন্যে উৎকৃষ্ট কিছু খাবার হারাম করে দেয়া হয়। লক্ষণীয় বিষয় হলো, যেসব অন্যায়ের কারণে তারা দুনিয়াতে সে শাস্তি ভোগ করেছিল সেগুলো আমাদের শরিয়তেও অন্যায়, হারাম। এ ধরনের অন্যায় থেকে আমাদেরও বেঁচে থাকা জরুরি। না হয় পরকালে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে।