আলোর পথিক সমাজ সংঘ

Directions Website

আলোর পথিক সমাজ সংঘ "পরিবর্তন শুরু হয় তোমার থেকেই—
এসো সমাজের জন্য কিছু করি, একসাথে, একহয়ে!"

✅ আল্লাহর নাম নিয়ে প্রচারনায় বের হচ্ছি, সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।
03/09/2026

✅ আল্লাহর নাম নিয়ে প্রচারনায় বের হচ্ছি, সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।

APSSMAH
02/09/2026

APSSMAH

31/08/2026

''পিতা-মাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহ্ সন্তুষ্ট আর পিতা- মাতার অসন্তুষ্টে আল্লাহ্ অসন্তুষ্ট।'' (মিশকাত, ৪৭১০)

✅ আলহামদুলিল্লাহ্; চলছে মাদ্রাসায় মাদ্রাসায় ফরম বিতরণ কার্যক্রম। মতলব উত্তর ও দক্ষিণের অনেক জায়গায় পৌঁছে গেছে আমাদের রেজ...
31/08/2026

✅ আলহামদুলিল্লাহ্; চলছে মাদ্রাসায় মাদ্রাসায় ফরম বিতরণ কার্যক্রম। মতলব উত্তর ও দক্ষিণের অনেক জায়গায় পৌঁছে গেছে আমাদের রেজিষ্ট্রেশন ফরম। ইনশাআল্লাহ্ খুব দ্রুতই হাজীগঞ্জ, কচূয়া, শাহরাস্তি, চাদঁপুর, হাইমচর ও ফরিদগঞ্জে পৌঁছে যাবে আমাদের ৮ম হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের রেজিষ্ট্রেশন ফরম।

(আমাদের অফিস লোকেশন এবং গুগল রেজিষ্ট্রেশন ফরম নিচে দেয়া হলো) 📌

29/08/2026

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

إِنَّ اللَّهَ قَالَ مَنْ عَادَى لِي وَلِيًّا فَقَدْ آذَنْتُهُ بِالْحَرْبِ وَمَا تَقَرَّبَ إِلَيَّ عَبْدِي بِشَيْءٍ أَحَبَّ إِلَيَّ مِمَّا افْتَرَضْتُ عَلَيْهِ وَمَا يَزَالُ عَبْدِي يَتَقَرَّبُ إِلَيَّ بِالنَّوَافِلِ حَتَّى أُحِبَّهُ فَإِذَا أَحْبَبْتُهُ كُنْتُ سَمْعَهُ الَّذِي يَسْمَعُ بِهِ وَبَصَرَهُ الَّذِي يُبْصِرُ بِهِ وَيَدَهُ الَّتِي يَبْطُشُ بِهَا وَرِجْلَهُ الَّتِي يَمْشِي بِهَا وَإِنْ سَأَلَنِي لأُعْطِيَنَّهُ وَلَئِنِ اسْتَعَاذَنِي لأُعِيذَنَّهُ

আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন ওলির সাথে দুশমনি করে আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেই। আমি আমার বান্দার উপর যা ফরজ করেছি আমার কাছে তার চেয়ে বেশি প্রিয় এমন কোন কাজ নেই, যা দ্বারা বান্দা আমার নৈকট্য লাভ করতে পারে।বান্দা নফল আমল দ্বারা আমার নৈকট্য লাভ করতে থাকে। একপর্যায়ে আমি তাকে ভালোবেসে ফেলি। আর আমি যখন তাকে ভালোবেসে ফেলি, তখন আমি তার কান হয়ে যাই যা দিয়ে সে শোনে। তার চোখ হয়ে যাই যা দিয়ে সে দেখে। তার হাত হয়ে যাই যা দিয়ে সে ধরে এবং তার পা হয়ে যাই যা দিয়ে সে চলে।তখন সে যদি আমার কাছে কিছু চায় আমি তাকে দান করি এবং সে যদি আমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে তাকে অবশ্যই আশ্রয় দান করি।

সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৫০২ সূত্র : রিয়াযুস সালেহীন, ২য় খণ্ড, মাকতাবাতুল আশরাফ কর্তৃক প্রকাশিত, হাদীস নং ৯৫

পাদটীকা:

এ হাদীসে আল্লাহ তাআলা জানান যে, বান্দা যখন ফরয ইবাদতের পাশাপাশি নফল অমলে রত থাকে, তখন আল্লাহ তাআলা তাকে ভালোবেসে ফেলেন। এভাবে বান্দা আল্লাহর ওলী ও বন্ধুতে পরিণত হয়ে যায়। আর যখন সে তাঁর ওলী হয়ে যায় এবং তিনি তাকে ভালোবেসে ফেলেন, তখন তিনি তার কান, চোখ, হাত ও পায়ে পরিণত হয়ে যান।এর অর্থ আল্লাহ তাআলার মানবরূপ ধারণ করা নয়। তিনি মানুষে পরিণত হয়ে যান এমন নয়; বরং মানুষ যাতে এসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঠিক ব্যবহার করতে পারে সে ব্যাপারে তিনি তাকে সাহায্য করেন।মানুষ বেশিরভাগ গুনাহ এসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দ্বারাই করে থাকে। মানুষ যখন আল্লাহর ওলী ও বন্ধুতে পরিণত হয়ে যায়, তখন আল্লাহর সাহায্যে গুনাহ থেকে বাঁচতে সক্ষম হয় এবং এসব অঙ্গকে নেক কাজে ব্যবহার করার সুযোগ পায়। সে তার কান দিয়ে কোনও অবৈধ ও অহেতুক কথা শোনে না। এমন কথাই শোনে, যাতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন। সে তার চোখ দিয়ে কোনও অবৈধ বস্তু দেখে না। বরং এমন জিনিস দেখে, যাতে পুণ্য অর্জিত হয়। সে তার হাত দিয়ে কোনও হারাম বস্তু স্পর্শ করে না; বরং এমন কাজ করে, যাতে আখিরাতের সঞ্চয় হয়। এবং সে তার পা দিয়ে কোনও অবৈধ পথে চলে না; বরং এমন পথে চলে, যাতে দুনিয়া ও আখিরাতের প্রভৃত কল্যাণ সাধিত হয়।

আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের চাঁদপুর জেলাব্যাপী ৮ম বার্ষিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান–২০২৬ উপলক্ষে রেজিস্ট...
29/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের চাঁদপুর জেলাব্যাপী ৮ম বার্ষিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান–২০২৬ উপলক্ষে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থী ও সম্মানিত ওস্তাদদের কাছে পৌঁছানোর জন্য আমরা সাধ্যমতো বিভিন্ন মাদ্রাসায় সরাসরি গিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফর্ম বিতরণ করছি। তারই ধারাবাহিকতায় আরও কয়েকটি মাদ্রাসায় আমাদের ফর্ম পৌঁছে দিতে পেরেছি। 🤍

আমাদের আন্তরিক ইচ্ছা—চাঁদপুরের প্রতিটি মাদ্রাসা ও আগ্রহী শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো। কিন্তু সময় ও সুযোগের সীমাবদ্ধতার কারণে হয়তো সবার কাছে সরাসরি যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

👉 তবে এতে কারও অংশগ্রহণের সুযোগ যেন নষ্ট না হয়।
যেসব মাদ্রাসা বা শিক্ষার্থীর কাছে আমরা এখনো সরাসরি পৌঁছাতে পারিনি, তারা চাইলে অনলাইনেই খুব সহজে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন।

📌 অনলাইন রেজিস্ট্রেশন লিংক:
এই পোস্টের কমেন্ট বক্সে অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের লিংক/সিস্টেম দেওয়া থাকবে।
সেখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে ঘরে বসেই রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।

📖 প্রতিযোগিতার বিভাগ:
🔹 ৫ পারা, অনূর্ধ্ব ১২ বছর।
🔹 ১৫ পারা, অনূর্ধ্ব ১৪ বছর।
🔹 ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতা
🏆 থাকছে আকর্ষণীয় পুরস্কার, ক্রেস্ট ও সম্মাননা।
🍱 প্রতিযোগিতায় আগত ওস্তাদ ও ছাত্রদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে, ইনশাআল্লাহ।

আমরা চাই, কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন শুধু আমাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ না থাকার কারণে এই আয়োজন থেকে বাদ না পড়ে।

তাই আপনার মাদ্রাসায় যদি এখনো ফর্ম না পৌঁছে থাকে, অপেক্ষা না করে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন।
আপনার একটি রেজিস্ট্রেশন হয়তো একজন হাফেজে কুরআনের স্বপ্নকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দেবে। ❤️

📞 সার্বক্ষণিক যোগাযোগ:
01631813810
01872547010

📍 আয়োজনে: আলোর পথিক সমাজ সংঘ
২১ নভেম্বর ২০২৬ | সকাল ৮টা থেকে
আলোর পথিক সমাজ সংঘের অফিস সংলগ্ন মাঠ, সাহেব বাজার, কলেজ রোড, মতলব উত্তর, চাঁদপুর।

আপনার পরিচিত মাদ্রাসা, ওস্তাদ ও শিক্ষার্থীদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিন।
হয়তো আপনার একটি শেয়ারেই একজন যোগ্য প্রতিযোগী আমাদের এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
🤍📖

28/08/2026

আপনি যদি সেদিন মদিনায় থাকতেন!

দরজা খুলতেই হয়তো থমকে যেত আপনার চেনা পৃথিবী…

একবার ভাবুন তো—আপনার সামনে এমন একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছেন, যাঁকে আশ্রয় দিলে আপনার সাজানো সুখের সংসার, ধন-সম্পদ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এমনকি নিজের জন্মভূমি পর্যন্ত চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে। অথচ এতকিছু জানার পরেও আপনি যদি তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন—'আপনি আসুন, আমাদের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও আমরা আপনাকে আগলে রাখব'—তবে সেই অনুভূতির নাম কী?

তারা এসেছিল এমন এক শহর থেকে, যে শহর নিজেই ক্ষতবিক্ষত ছিল..

মদিনা তখন আজকের মতো শান্ত, স্নিগ্ধ কোনো শহর ছিল না। আওস আর খাযরাজের দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে জনপদটি তখন ক্ষতবিক্ষত, প্রতিটি ধূলিকণায় লেগে ছিল বংশপরম্পরার দীর্ঘশ্বাস আর প্রতিশোধের আগুন।

ঠিক এমন এক ক্রান্তিলগ্নে মক্কার গিরিপথে, আকাবার গভীর অন্ধকারে রচিত হলো এক ইতিহাস। ইয়াসরিবের কিছু ব্যাকুল হৃদয় প্রিয় নবীজি ﷺ-এর পবিত্র মুখ থেকে সত্যের বাণী শুনলেন। সেই ঘোর অমানিশায় তাঁরা এমন এক অঙ্গীকার করলেন, যার অপর পিঠে লেখা ছিল নিজেদের জীবনের ঝুঁকি; তারা অঙ্গীকার করেছিলেন নিজেদের পরিবার ও সন্তানের মতো করে নবীজিকে রক্ষা করবেন। সেই এক রাতের আত্মনিবেদনে বদলে গেল তাঁদের চিরচেনা পরিচয়—গোত্রীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তাঁরা হয়ে উঠলেন আসমানের অধিপতির নিকটজন। ইতিহাস তাঁদের স্মরণে রাখল 'আনসার' নামে।

উন্মুক্ত দুয়ার, হৃদয়ের অনন্ত আকাশ..

হিজরতের পর মক্কার মুহাজিররা যখন একে একে মদিনায় এলেন, তাঁদের সম্বল বলতে ছিল কেবল চোখের পানি আর বুকে জমা একরাশ ক্লান্তি। অর্থ-সম্পদ, ভিটেমাটি, ব্যবসা, চেনা পরিজন—সব পেছনে ফেলে জাগতিক ভাবে সম্পূর্ণ নিঃস অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরা।

কিন্তু মদিনা তাঁদের পরদেশি হতে দিল না। আনসাররা তাঁদের জন্য শুধু ঘরের দরজাই খোলেননি, উজার করে দিয়েছিলেন হৃদয়ের সবটুকু মায়া। সা‘দ ইবনে রাবী (রা.) যখন তাঁর মুহাজির ভাই আবদুর রহমান ইবনে আউফ (রা.)-কে বললেন, “আমার সমুদয় সম্পত্তির অর্ধেক আজই আপনি নিজের করে নিন। এমনকি আমার দুই স্ত্রীর মধ্যে যাঁকে আপনার পছন্দ হয় বলুন, আমি সানন্দে তাঁকে তালাক দিয়ে দেব—যেন ইদ্দত শেষে আপনি তাঁকে বিয়ে করে নতুন সংসার পাততে পারেন”—তখন মদিনার আকাশ এক অবিশ্বাস্য, অকল্পনীয় ত্যাগের সাক্ষী হয়েছিল।

একবার সা‘দ (রা.)-এর জায়গায় নিজেকে কল্পনা করুন—রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি কতখানি ভালোবাসা থাকলে একজন মানুষ সারাজীবনের অর্জিত সম্পদ এক নিমিষে এভাবে ভাগ করে দিতে পারে!

রক্ত আর ভালোবাসার চূড়ান্ত পরীক্ষা..

ভালোবাসার গভীরতা সুখের দিনে মাপা যায় না; তার আসল ওজন টের পাওয়া যায় কঠিনতম সংকটের মুহূর্তে। হুনাইনের প্রান্তরে যখন যুদ্ধের তীব্রতায় চারপাশ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, মুহূর্তেই আনসারদের বজ্রকঠিন ‘লাব্বাইক’ ধ্বনি আর অটল বীরত্বে রচিত হয় ঘুরে দাঁড়ানোর এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস।

যুদ্ধ শেষে যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ সদ্য ইসলাম গ্রহণকারী মক্কার নওমুসলিমদের মাঝে গনীমতের উট ও বকরির একটি বড় অংশ বণ্টন করলেন, তখন আনসার তরুণদের কারো কারো মনে নিঃশব্দে এক চিলতে কষ্টের ছায়া পড়ল। নবীজি ﷺ বিষয়টা বুঝতে পেরে পরম স্নেহে তাঁদের কাছে ডেকে মায়াভরা কণ্ঠে বললেন, “হে আনসাররা! সারা দুনিয়া যখন উট আর বকরির পাল নিয়ে ঘরে ফিরবে, তোমরা কি তখন আল্লাহর রাসূলকে সাথে নিয়ে ঘরে ফিরতে খুশি নও?”

সেদিন আনসারদের চোখের পানিতে দাড়ি ভিজে গিয়েছিল। ভালোবাসার চূড়ান্ত স্বীকৃতি দিয়ে নবীজি ﷺ ঘোষণা করলেন—“গোটা দুনিয়া যদি একদিকে যায় আর আনসাররা অন্য উপত্যকা বেছে নেয়, তবে আমি মুহাম্মাদ আনসারদের উপত্যকাতেই হাঁটব।”

বুকের গভীরে এক অচেনা হাহাকার

আনসারদের ত্যাগ আর আত্মনিবেদনের গল্পগুলো আসলে শুধুই ইতিহাসের পাঠ নয়; এগুলো আমাদের অন্তরে এক তীব্র আলোড়ন তোলে। হৃদয়ের কোনো এক নিভৃত কোণ থেকে হঠাৎ একটি আকুল প্রশ্ন ভেসে আসে—

আমি যদি সেদিন মদিনার ধূলিমাখা পথে দাঁড়িয়ে থাকতাম?

যদি প্রিয় নবীজি ﷺ ক্লান্ত পায়ে আমার মাটির দরজায় এসে করাঘাত করতেন?

আমি কি পারতাম আমার সমস্ত পার্থিব প্রাচুর্য, নিরাপত্তা আর সংসার এক নিমেষে তাঁর পায়ের নিচে সঁপে দিতে?

হয়তো এই ভাবনাই বুকের ভেতর অদ্ভুত এক বেদনা জাগিয়ে তোলে। মনের অজান্তেই চোখ ভিজে ওঠে, আর দীর্ঘশ্বাস ফেলে হৃদয় বলে ওঠে— ইশ! আমিও যদি সেদিন মদিনায় থাকতাম, আমিও যদি থাকতাম আনসার সাহাবীগণের দলে!

তথ্যসূত্র:

সহিহ বুখারি: হাদিস ৩৭৮১ (মুওয়াখাত প্রসঙ্গ)

সহিহ বুখারি: হাদিস ৪৩৩০, ৪৩৩২ (হুনাইনের ঘটনা ও আনসারদের মর্যাদা)

সহিহ বুখারি: হাদিস ৩৭৮৫ (আনসারদের প্রতি ভালোবাসা)

সীরাত ইবনে হিশাম ও আর-রাহীকুল মাখতূম (হিজরত ও মদিনার সামাজিক প্রেক্ষাপট)

28/08/2026

হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

إِذَا انْتَهى أَحَدُكُمْ إِلَى المَجْلِسِ فَلْيُسَلِّمْ، فَإذَا أَرَادَ أَنْ يَقُومَ فَلْيُسَلِّمْ

তোমাদের কেউ যখন মজলিসে পৌঁছবে তখন সালাম দেবে। তারপর যখন মজলিস থেকে ওঠার ইচ্ছা করবে, তখনও সালাম দেবে।

সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৮; জামে’ তিরমিযী: ২৭০৭; নাসাঈ, আস সুনানুল কুবরা;১০১২৯

হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ

ক. সালাম দেওয়ার দ্বারা সালামদাতার পক্ষ থেকে কোনওরূপ ক্ষতি ও অনিষ্ট সাধিত না হওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। তাই সালামদাতার কর্তব্য সালামের এ অন্তর্নিহিত আবেদন সম্পর্কে সচেতন থাকা।

খ. মজলিসে উপস্থিত হওয়ার সময় বা কারও সঙ্গে সাক্ষাৎকালে যেমন সালাম দেওয়া হয়, তেমনি সালাম দিতে হবে বিদায়কালেও।

صَلِّ عَلَىٰ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ🫀🎀হৃদয়ের সুকুন যদি কোথাও লুকিয়ে থাকে, তবে তা নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)এর প্রতি দরুদে।  আল...
28/08/2026

صَلِّ عَلَىٰ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ🫀🎀
হৃদয়ের সুকুন যদি কোথাও লুকিয়ে থাকে, তবে তা নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)এর প্রতি দরুদে।

আল্লাহুমা সল্লী ওয়া'সাল্লীম আলা নাবিয়্যিনা মুহামাদ (ﷺ)🖤🫀

27/08/2026

ফিরে আসুন, আমাদের ফিরিয়ে নেওয়ার আগেই...

মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে আমাদের তৃষ্ণার্ত হাতটা অবচেতনেই পাশের টেবিলে রাখা পানির গ্লাস খোঁজে। একটু ঠান্ডা বাতাস লাগলেই পরম যত্নে চাদরটা টেনে নিই। ঘরের কোণে ডিম লাইটটা জ্বালিয়ে রাখি—পাছে হঠাৎ ঘুম ভাঙলে নিরেট অন্ধকারে বুকটা কেঁপে ওঠে!

অথচ একবার ভাবুন তো—আজকের রাতটাই যদি এই চেনা পৃথিবীর শেষ রাত হয়?
যেখানে নরম তুলোর বালিশের বদলে মাথার নিচে থাকবে একদলা শক্ত মাটি, আর চোখের সামনে প্রিয় ঘরের সিলিং নয়—চারপাশ থেকে চেপে বসবে সাড়ে তিন হাত মাটির নিশ্ছিদ্র অন্ধকার।

সেখানে আলো জ্বালানোর কোনো সুইচবোর্ড নেই। কোনো মুঠোফোন নেই, কাউকে আকুল হয়ে বার্তা পাঠিয়ে বলার সুযোগ নেই—
“আমার খুব ভয় করছে, কেউ একজন এসে শুধু দুটো কথা বলো...”

যার বুকে মাথা রেখে এক জীবনের ক্লান্তি ভুলে যেতেন, কিংবা যে সন্তানের সামান্য কাশিতেও রাতের ঘুম হারাম হয়ে যেত—তারাও আপনার সেই নিঃসঙ্গতা ভাগ করে নিতে মাটির নিচে নামবে না।
জীবনের সমস্ত দাপট, অর্থ-সম্পদ, বিলাসী জীবন আর সামাজিক অহংকার মাটির ওপরেই পড়ে থাকবে। কবরের সেই নিথর বিছানায় আপনার একমাত্র সঙ্গী হবে—আপনার আমল।

ফিরে আসার সেই আকুতি
যখন সওয়াল-জওয়াবের সেই গম্ভীর মুহূর্ত ঘনিয়ে আসবে, তখন ক্ষমতা, সম্পদ কিংবা ব্যাংক ব্যালেন্স কোনো কিছুই ঢাল হয়ে দাঁড়াবে না। তখন মানুষটির কেবলই মনে হবে—
“হায়! আর একবার যদি ফিরে যেতে পারতাম!”

আল্লাহ তাআলা বলেন—
“হে আমার রব! আমাকে পুনরায় (দুনিয়ায়) ফেরত পাঠান; যাতে আমি সৎকাজ করতে পারি যা আমি ফেলে এসেছি!”
—সূরা আল-মুমিনূন: ৯৯-১০০

কিন্তু আফসোস! তখন ফেরার পথ চিরতরে রুদ্ধ।
সেদিন পাশে থাকবে কেবল আপনার ফেলে আসা আমল। লোকচক্ষুর আড়ালে করা গোপন দান, নীরবে কোনো ভাঙা হৃদয়ের কষ্ট মুছে দেওয়া, কিংবা গভীর রাতে রবের ভয়ে ঝরে পড়া দু’ফোঁটা অশ্রু—হয়তো সেদিন এগুলোই আপনার কবরের অন্ধকারে আলো হয়ে থাকবে।
আর যদি থাকে অবহেলা, অহংকার ও গোপন পাপের স্তূপ—তবে সেই অন্ধকারই হবে আপনার সঙ্গী।

রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন—
“নিশ্চয়ই কবর হলো আখিরাতের প্রথম মঞ্জিল। যে ব্যক্তি এখান থেকে মুক্তি পাবে, তার জন্য পরবর্তী ধাপগুলো সহজ হবে। আর যে রেহাই পাবে না, তার জন্য পরের সবকিছুই হবে আরও কঠিন।”
—তিরমিজি: ২৩০৮

তার আগেই ফিরে আসুন
আজ রাতেও হয়তো আপনি নরম বিছানায় শরীর এলিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে চোখ বুজবেন। কিন্তু কে জানে—আগামী রাতটি এই নরম বিছানায় নয়, সাড়ে তিন হাত মাটির সেই শীতল গর্ভেই কাটানোর ফয়সালা হয়তো আসমানে হয়ে গেছে!
আমরা কেউ জানি না, দেহের এই খাঁচায় প্রাণের পাখিটি আর কতক্ষণ থাকবে।

তাই এখনো যখন বুকের ভেতর নিঃশ্বাস চলছে, এখনো যখন তওবার দরজা খোলা—তখনই ফিরে আসুন। মাটির দেয়াল চারপাশ থেকে চেপে বসার আগেই, একান্তে একটি সেজদায় লুটিয়ে পড়ে রবের কাছে ক্ষমা চান।
আজকের এই নিশুতি রাতের চেয়ে ফিরে আসার শ্রেষ্ঠ সময় আর কী হতে পারে?

চলুন না, তাঁর কাছে ফিরে যাই—
আমাদের ফিরিয়ে নেওয়ার আগেই। ❤️

Address

College Road, Saheb Bazar, Matlab Uttar
Chandpur
3640

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলোর পথিক সমাজ সংঘ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share