16/06/2026
ফোন হাতে স্বেচ্ছাসেবী মেহেরাজ রাড়ী। আমাদের মনির স্যার এর ভাগিনা। কলেজে অধ্যয়নরত সময়ে আমার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি ব্লাড ম্যানেজ করেছে। রক্ত নিয়ে কাজ করাটা মেহেরাজ অনেক আগ থেকেই শুরু করেছিল। ২০২৪-এ দেশের ক্রান্তিলগ্নে একসাথে কাজ করার মতো সাফল্য রয়েছে তার। কখনো জরুরী মুহূর্তের রোগীর জন্য ব্লাড খুঁজে না পেলে নিজের লাস্ট ডোনেটের ২ মাস না হতেই আবার ডোনেট করেছিল।
২৪ এর শেষের দিকে প্রবাসে চলে যায় সে। ওর সাথে আমার কোনো যোগাযোগ না হলেও ওর বাবার ব্লাড এর জন্য মাসে ১ বার হলেও তার মেসেজ পেতাম। কারণ ছেলেটার বাবা ছিল ব্লাড ক্যান্সারের রোগী। এ পজিটিভ রক্ত নিজ শরীর থেকেও বাবাকে ডোনেট করার মতো রেকর্ড রয়েছে তার। আমার কাছেও অনেকবার চেয়েছিল কিন্তু আমি কিছু সংখ্যক ম্যানেজ করে দিতে পেরেছি তবে অধিকাংশই পারিনি।
আজ কিছুক্ষণ আগে খবর পেলাম তার বাবা আর নেই। শুনে কষ্ট পাওয়াটা আমাদের জন্য স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে বেশি কষ্ট হয় তার জন্য, কারণ একজন স্বেচ্ছাসেবী ও নিজের বাবার মৃত্যু টা দেখতে পারলো না।
প্রবাসীরা মনে হয় এমন-ই।
সকল প্রবাসী রক্তদাতা এবং সেচ্ছাসেবীদের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইল।
লিখা: জুবায়ের