Bogura Local Guides

Bogura Local Guides Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bogura Local Guides, Community Organization, satmatha, Bogura.

Through Local Guides, an official Google program, you can share your firsthand local experiences, celebrate places near and far from home, connect with a global community of explorers like you, and help local businesses improve their products and services.

বিস্ময়কর তথ্য: এই নামের নদীগুলো বাংলাদেশে আছে,,,,🤔চাঁপাইনবাবগঞ্জে আছে ‘পাগলা’ নদী আর কুমিল্লায় আছে ‘পাগলি’। 'সতা’ নদ আছে...
18/02/2025

বিস্ময়কর তথ্য: এই নামের নদীগুলো বাংলাদেশে আছে,,,,🤔

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আছে ‘পাগলা’ নদী আর কুমিল্লায় আছে ‘পাগলি’। 'সতা’ নদ আছে নেত্রকোনায়, ‘সতি’ আছে লালমনিরহাটে, 'মহিলা' নদী দিনাজপুরে, পুরুষালি’ নদী ফরিদপুরে, ‘মাকুন্দা’ আবার সিলেটে।

সিলেটে আছে ‘ধলা’ নদী আর দিনাজপুরে আছে ‘কালা’ নদী, হবিগঞ্জে আছে ‘শুঁটকি’ নদী, পঞ্চগড়ে আছে ‘পেটকি’, আবার পাবনায় আছে ‘চিকনাই’ নদী। ‘বামনী’ নদী আছে নোয়াখালীতে, ‘ফকিরনি’ আছে নওগাঁয়।

চুয়াডাংগায় ‘মাথাভাঙ্গা’, নীলফামারীতে ‘চুঙ্গাভাঙ্গা’, হবিগঞ্জে ‘হাওরভাঙ্গা’, সাতক্ষীরায় ‘হাঁড়িয়াভাঙ্গা’, পটুয়াখালীতে ‘খাপড়াভাঙ্গা’, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘নাওভাঙ্গা’, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আছে ‘ছিটিভাঙ্গা’।

বাগেরহাটে ‘পুঁটিমারা’ লালমনিরহাটে ‘সিঙ্গীমারা’, খুলনায় ‘শোলমারা, খাগড়াছড়ির ‘গুইমারা’, সাতক্ষীরায় ‘সাপমারা’, পঞ্চগড়ে ‘ঘোড়ামারা’, হবিগঞ্জে ‘হাতিমারা', চুয়াডাঙ্গায় ‘ভাইমারা’ ও সুনামগঞ্জে ‘খাসিয়ামারা’ নামে নদী আছে।

ফরিদপুরে আছে ‘কুমার’, চট্টগ্রামে আছে ‘ধোপা’, নওগাঁয় আছে ‘গোয়ালা’, আর সিরাজগঞ্জে আছে ‘গোহালা’। ঢাকী’ আছে খুলনায় আর ‘বংশী’ নদী আছে সাভারে।

'লুলা’ নদী সিলেটে, ‘খোড়া’ নদী নীলফামারী, ‘বোকা’ নদী ছাতক আর ‘খ্যাপা’ নদী সিলেটে। আবার মগরা’ নদী নেত্রকোনা, ‘ফটকি’ নদী মাগুরা, মঘা’ নদী ময়মনসিংহ, ‘ল্যাঙ্গা’ নদী গাইবান্ধা, ‘হাবড়া’ নদী সাতক্ষীরা, এবং ‘হোজা’ নদী রাজশাহী।

লঙ্কা’ নদী বরিশালে, ‘গুড়’ নদী নাটোরে। ‘ক্ষীর’ নদী ময়মনসিংহে, ‘লোনা’ নদী ঠাকুরগাঁওয়ে। ‘নুনছড়া’ আছে সিলেটে, ‘কালিজিরা’ বরিশালে, সুনামগঞ্জে আছে ‘লাউগাঙ’ আর ‘লাচ্ছি’ নদী আছে ঠাকুরগাঁওয়ে।

পটুয়াখালীতে আছে ‘পায়রা’, খুলনায় আছে ‘ময়ূর’, দিনাজপুরে আছে ‘শুক’ (টিয়া), সিলেটে ‘সারি’ (শালিক), বাগেরহাটে আছে ‘বগী’, সিলেটে ‘কুড়া’, রাজশাহীতে আছে ‘কোয়েল’, রাজবাড়ীতে ‘চন্দনা’, পঞ্চগড়ে আছে ‘ডাহুক’, সুনামগঞ্জে ‘ডাহুকা’, মৌলভীবাজারে আছে ‘মুনিয়া’।

পাবনায় আছে ‘কমলা’, সুনামগঞ্জে ‘খুরমা’, কুমিল্লায় ‘কালাডুমুর’ নদী। সিলেটের জকিগঞ্জে আছে ‘তাল’ ও ‘কুল’ নামে দুই গাং।

ফেনীতে আছে ‘মুহুরী’, মৌলভীবাজারে ‘জুড়ী’, রংপুরে আছে ‘কাঠগড়া’ নদী। আর যশোরে আছে ‘টেকা’, বরিশালে ‘পয়সা’, সিরাজগঞ্জে ‘দশসিকা’, জামালগঞ্জে আছে ‘দশানী’ নদী।

বিষখালী নদী ঝালকাঠি/বরগুনায় আর নির্বিষখালী’ নদী মাগুরায়। বালু নদী গাজীপুরে, বালিখাল হবিগঞ্জে, বালুখালী চট্টগ্রামে আর বালুভরা নওগাঁ,,,,🙂
(সংগ্রহিত)

27/02/2024

★বগুড়া নামকরণের ইতিহাস ও ঐতিহ্য★

উত্তরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত পুণ্ড্রনগর খ্যাত বগুড়ার নামকরণের ইতিহাস নিয়ে নানান কাহিনী প্রচলিত রয়েছে । বঙ্গদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের স্থানিক নাম ছিল 'বগ্ড়ী'। সেটা রাজা বল্লাল সেনের আমল। সেই আমলে বঙ্গদেশকে পাঁচ ভাগে বিভক্ত করা হয়েছিল। বঙ্গ, বরেন্দ্র, মিথিলা, বাঢ় ও বগ্ড়ী। শেষোক্ত 'বগ্ড়ী' অংশে নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠী 'বাগিদ'দের সংখ্যা গুরুত্ব ও অধিক শক্তিমত্তা ছিল। এই বাগদি শব্দটিই অপভ্রংশ 'বগ্ড়ী' রূপ ধারণ করতে পারে। কালে রূপান্তরিত এই 'বগ্ড়ী'ই 'বগুড়া' উচ্চারণে স্থির হয়েছে বলে একটি ধারণা রয়েছে। তবে এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারণ বগুড়ার অবস্থান বঙ্গদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে নয়।

বগুড়ার প্রাচীন নাম বরেন্দ্রভূমি ও পৌণ্ড্রবর্ধন। আজকের রাজশাহীও এই অঞ্চলভুক্ত ছিল। অঞ্চলটি ৯ থেকে ১২ শতক সেন রাজাদের দ্বারা শাসিত হয়। পরে ১৩শ শতকের শুরুতে তা মুসলিম শাসকদের অধীনে আসে। ১৩শ শতকের শুরুতে এই এলাকা মুসলিম শাসকদের হাতে যায়। তারপরও সেন বংশের নৃপতিরা সামন্তপ্রধান হিসাবে প্রায় ১০০ বছর শাসনকার্য চালায়। এরপর অচ্যুত সেনের আচরণে রাগান্বিত হয়ে গৌড়ের বাহাদুর শাহ (?-১৫৩৭) সেনদের বিতাড়িত করেন।

এদিকে ১৭৬৫ সালে মোঘল সম্রাটের নিকট হতে ব্রিটিশ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার (এই অঞ্চল) দিওয়ানি গ্রহণ করে। হযরত সুলতান বলখী মহিউদ্দিন মাহীসওয়ার এই এলাকায় ধর্ম প্রচার করেন।

করতোয়া নদীর তীরে ইংরেজরা ১৮২১ সালে বগুড়া জেলার পত্তন ঘটিয়েছিল, এই জনশ্রুতি এবং অনুমান দ্বিধামুক্ত না হলেও উপাত্তটি একেবারে আমলের বাইরে রাখা যায় না। মূলত এই অনুমানের ২৮ বছর পরে, ১৮৫৯ সালে বগুড়া জেলা গঠিত হয়। যদিও ১৮২১ সালে ব্রিটিশদের দ্বারা বগুড়া শহরের গোড়পত্তন ঘটেছিল।

দিল্লীর সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন (১২৬৫-৮৭) এর সেনানায়ক। এই সেনানায়কই বাংলাকে দেখাশোনার জন্য সুলতান গিয়াস উদ্দিন কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে এসেই তুঘরিল খাঁ বিদ্রোহ করেন এবং নিজেকে বাংলার শাসক ঘোষণা করেন। গিয়াস উদ্দিন তখন তার কনিষ্ঠ পুত্র বগ্রা খাঁ-কে দিয়ে ঐ বিদ্রোহ দমনার্থে অভিযান পরিচালনা করেন। বগ্রা খাঁ সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করে তুঘরিলকে পরাজিত ও হত্যা করেন। এই অভিযানে বিজয় অর্জনের পর সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন লক্ষণাবতী, বাংলা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার শাসনাধিপতি সরূপে বিজেতা শাহজাদা বগ্রা খাঁকে নিযুক্ত করেন। এই বগ্রা খাঁ-র মূল নাম ছিল নাসির উদ্দিন মাহমুদ শাহ (?-১৪১১)। ইনি ছিলেন বড় প্রমোদন্মত্ত, জলসাপ্রিয় এবং পানাসক্ত। পিতা গিয়াস উদ্দিন বলবন শাহ শাসনকার্যে নিযুক্তি দিয়ে পুত্রকে সত্যনামা ও শপথ পাঠ করান যে, বাংলার সমগ্র অঞ্চলে বলয় বিস্তারের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি নাচ-গানের জলসায় যাবেন না। এই সময় আলোচ্য বগ্রা খাঁ-র নামানুসাওে প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের পাশে একটি শহর গড়ে তোলা হয়। ষোড়শ শতাব্দীর ৪ এর দশকে করতোয়া নদীর তীরে গড়ে তোলা এই শহরেরই নাম বগুড়া।

মোঘল আমলে পূর্বে কিছুকাল এবং সুলতানি আমলের পর, এই করতোয়াবর্তী শহরের বিস্তার-প্রসার স্তিমিত হয়ে পড়ে। উক্ত জমিদারদের সময়ে নতুন করে পুনরায় নগররূপে তা উদ্ভাসিত হতে থাকে। ব্রিটিশ আমলে মহকুমা এবং ১৮২১ সালে এই মহকুমাকে 'বগুড়া জেলা' হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়। উল্লেখ করা প্রয়োজন, পূর্ব পাকিস্তানের শেষ দিকেও বগুড়ার বানান 'বগ্রা' লেখা হতো। বলা যায় পাকিস্তানের শেষে এসে 'বগ্রা' 'বগুড়া' হয়ে যায়। লক্ষণীয়, 'বগুড়া'র ইংরেজি বানান এখনও অবিকল 'বগ্রা'ই (Bogra) রয়ে গেছে।

বগ্রা খাঁ কেবল প্রমোদবিলাসী এবং ভোজনবিলাসীই ছিলেন না, তার চারিত্র্য বিস্ময় আরও আছে। তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দিল্লীতে। ফলে দিল্লীর প্রতি বেশি মায়া থাকাটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু যৌবনে বাংলায় এসে তিনি অধিক মায়ায় পড়ে যান এই অঞ্চলের। পিতা দিল্লীর সুলতান গিয়াস উদ্দিন বলবন আপন জীবনাসান আসন্ন অনুধাবন করে পুত্র বগ্রা খাঁকে দিল্লীর সিংহাসনে বসতে অনুরোধ এবং আহ্বান করেন। বগ্রা খাঁ তখন দিল্লী গিয়ে পিতার অনুরোধ বিনীতভাবে প্রত্যাখান করে বাংলায় ফিরে আসেন। গিয়াস উদ্দিন বলবনের মৃত্যুর পর বগ্রা খাঁ তার ১৭ বছর বয়সের পুত্র কায়কোবাদকে (১২৭০-১২৯০) দিল্লীর সিংহাসনে বসিয়ে দেন। অর্থাত্ পুত্র দিল্লী বা কেন্দ্রের শাসনকর্তা, আর পিতা তারই অধীনে বাংলার শাসনকর্তা। কিন্তু পুত্র কায়কোবাদ পিতার ন্যায় আমোদাসক্ত জলসাপ্রিয় হয়ে নিজেকে আনন্দব্যসনে ভাসিয়ে দেন। পিতা উপদেশ পাঠালেন তাকে। কোন কাজ হলো না। উজিরদের কুমন্ত্রণায় শেষে দিল্লী ও বাংলার মধ্যে, অর্থাৎ পিতা-পুত্রের মধ্যে যুদ্ধ আসন্ন হয়। এদিকে পুত্র হলেন কেন্দ্র দিল্লীর শাসক, ওদিকে অধীনস্ত বাংলার শাসক হলেন পিতা।

প্রাসাদষড়যন্ত্র বাধিয়ে দিতে উজিররা কোনরূপ কুণ্ঠাবোধ করলেন না। পিতা বগ্রা খাঁ হাতিবাহিনী নিয়ে দিল্লীর দিকে অগ্রসর হলেন। তারা পৌঁছলেন অযোদ্ধার সুরোয নদীর তীরে। বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে পুত্র কায়কোবাদও এগিয়ে এলেন। মাঝে সুরোয নদী। যুদ্ধ আসন্ন, চলতে থাকলো দুই অধিপতি পিতা ও পুত্রের দূতমারফত চিঠি চালাচালি। কুচক্রী উজিররা উস্কে দিলেন পুত্রকে। হোক পিতা, তবুও অধীনস্ত বাংলার অধিপতি হিসাবে পিতাকে মাটিচুম্বন করে পুত্রের প্রতি মাথা নত করেই তার সাথে সাক্ষাৎ করতে হবে। সব শর্ত মেনেই পিতা রাজি হলেন পুত্রের সাথে দেখা করতে। পিতা মাথা নত করেই গিয়ে দাঁড়ালেন পুত্রের সামনে। পুত্র কায়কোবাদের ক্রোধ নিভে গেল পিতার সন্মান চেতনার কাছে। তিনি সিংহাসন থেকে নেমে দৌড়ে গিয়ে পিতাকে আলিঙ্গন করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেন। পিতাও কাঁদতে লাগলেন। অবসান হলো পিতা-পুত্রের যুদ্ধসম্ভাবনার। একসঙ্গে তারা বসলেন সিংহাসনে। দিল্লী ও বাংলার প্রশাসনিক মর্যাদা হলো সমান-সমান। এই সমান মর্যাদা ও তার পূর্ববর্তী সময় মিলিয়ে বগ্রা খাঁ দীর্ঘ ৪০ বছর বাংলা শাসন করেন।

মোহাইমিনুল ইসলাম প্রিন্স
মডারেটর
"বগুড়া লোকাল গাইডস"

Address

Satmatha
Bogura
5800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bogura Local Guides posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bogura Local Guides:

Share