Praner Bogra

Praner Bogra Bogra (Bengali: বগুড়া Bogura) is a northern district of Bangladesh, in the Rajshahi Division. It is called the gateway to the north Bengal.

২৯৯ আসন গগণা শেষে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল।
13/02/2026

২৯৯ আসন গগণা শেষে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল।

11/02/2026
২০২৫ প্রায় শেষ! এখন সময় আরও বুদ্ধিমানের মতো কাজ করার, AI দিয়ে! 🔥1. ChatGPT.com – যেকোনো প্রশ্ন করুন2. Busuu.com – ইংরেজি...
14/10/2025

২০২৫ প্রায় শেষ! এখন সময় আরও বুদ্ধিমানের মতো কাজ করার, AI দিয়ে! 🔥

1. ChatGPT.com – যেকোনো প্রশ্ন করুন
2. Busuu.com – ইংরেজি শিখুন
3. Krea.ai – লোগো তৈরি করুন
4. ElevenLabs.io – নিজের ভয়েস ক্লোন করুন
5. Gamma.app – সুন্দর ডকুমেন্ট ডিজাইন করুন
6. Suno.ai – গান বানান
7. Runway.ml – ভিডিও এডিট করুন
8. Relume.io – ওয়েবসাইট ডিজাইন করুন
9. Descript.com – অডিও এডিট করুন
10. Fliki.ai – ভয়েসওভার দিন
11. Tome.app – প্রেজেন্টেশন বানান
12. Perplexity.ai – রিসার্চ করুন
13. PicWish.com – ছবি এডিট করুন
14. RecCloud.com – ভয়েস পরিবর্তন করুন
15. Pika.art – AI দিয়ে ভিডিও তৈরি করুন

#সংগৃহীত

A conversational AI system that listens, learns, and challenges

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Arif Khan Ab, মোঃ এ বি সিদ্দিক, Rk Masud, Fardin Mirza, M...
04/10/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Arif Khan Ab, মোঃ এ বি সিদ্দিক, Rk Masud, Fardin Mirza, Md Sapi Islam, Shamim Rana, Md Tajul Islam, আমার স্বপ্ন, Raju Islam Raju

18/09/2025

বাংলাদেশে জমি নিয়ে সবচেয়ে বেশি ঝামেলা হয় মালিকানা নিয়ে বিভ্রান্তি থেকে।
কারও মুখের কথা শুনে জমি কিনে ঠকেছেন এমন মানুষ হাজার হাজার!
➡️ অথচ আপনি চাইলেই নিজের মোবাইল ফোন দিয়ে সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে জমির খতিয়ান দেখে নিতে পারেন, জানতে পারেন—
✅ জমির মালিক কে
✅ জমির আয়তন কত
✅ দাগ নম্বর
✅ কত শতাংশ জমি আছে
✅ তার নামে রেকর্ড আছে কি না
✅ জমি সরকারি না ব্যক্তি মালিকানা
✅ জমির উপর কোনো মামলা চলছে কি না (অনেক ক্ষেত্রেই)
✅ প্রয়োজনীয় সরকারি ওয়েবসাইট লিংকসমূহ:
🔗 ১. খতিয়ান ও দাগ তথ্য দেখুন 👉
https://khatian.land.gov.bd
🔗 ২. জমি সংক্রান্ত সকল সরকারি তথ্য 👉
https://land.gov.bd
🔗 ৩. ডিজিটাল খাজনা (ই-নামজারি/ই-খাজনা) 👉
https://etax.land.gov.bd
✅🔰🔴কিভাবে ব্যবহার করবেন?
🔴ধাপ–১:
ওয়েবসাইটে যান 👉 https://khatian.land.gov.bd
🔴ধাপ–২:
→ জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মৌজা নির্বাচন করুন
→ এরপর খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর দিন
→ অথবা নাম দিয়ে সার্চ দিন (যদি থাকে)
→ তারপর ‘খতিয়ান দেখুন’ চাপুন
🔴ধাপ–৩:
আপনার সামনে চলে আসবে:
✔️ মালিকের নাম
✔️ জমির পরিমাণ
✔️ মৌজা ও দাগ
✔️ মালিকানা হালনাগাদ (BRS)
✔️ জমির শ্রেণী (বসতভিটা/ফসলি/নিষ্কর প্রভৃতি)
🧠 বাস্তব অভিজ্ঞতা:
🔸 আমার এক আত্মীয় জমি কিনেছিলেন, কিন্তু পরে দেখা গেল রেকর্ডে তার নামে কিছুই নেই।
🔸 শুধু নাম বলেই ১০ লাখ টাকা দিয়ে জমি কিনেছিলেন, কিন্তু দলিল আর খতিয়ান মেলেনি।
🔸 যদি মোবাইল দিয়ে আগে দেখে নিতেন, এত বড় ক্ষতি হতো না!
⚠️ সতর্কতা:
✅ এই তথ্য শুধুমাত্র প্রাথমিক যাচাইয়ের জন্য, চূড়ান্ত নয়।
✅ জমি কেনার আগে দলিল, মিউটেশন, খতিয়ান, দাগ এবং খাজনা সব মিলিয়ে নিশ্চিত হতে হবে।
✅ অনেক সময় ওয়েবসাইটে আপডেটেড তথ্য নাও থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে ভূমি অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করুন।
🎯 শেয়ার করে দিন। অন্য কে জানার সুযোগ করে দিন।
#দলিল #খতিয়ান #দাগ #জমি #ভূমি

আমরা বগুড়াবাসী চাই বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্রুত পরিবর্তন আনবে । সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ...
10/09/2025

আমরা বগুড়াবাসী চাই বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্রুত পরিবর্তন আনবে । সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষিত ও স্মার্ট রাজনীতি পরিচালনা করবে, যা এখন সবচেয়ে জরুরি......

30/08/2025

"খারাপ ভিডিও দেখে বিরক্ত? মাত্র ২ মিনিটে সব বন্ধ করুন!"
Facebook, YouTube আর Google এ একবার সেটিংস করলেই খারাপ কনটেন্ট আর দেখাবে না।

Facebook এ খারাপ ভিডিও বন্ধ করার নিয়ম:

1. Facebook App খুলুন
(Menu) → Settings & Privacy → Settings এ যান
নিচে স্ক্রল করুন → Preferences সেকশনে যান
Content Preferences → Reduce Problematic Content এ গিয়ে ON করুন

YouTube এ খারাপ ভিডিও বন্ধ করার নিয়ম:
1. YouTube App খুলুন
2. ডানদিকে উপরে প্রোফাইল আইকনে চাপুন।
3. Settings → General এ যান।
4. Restricted Mode → ON করুন ।

Google Chrome এ খারাপ ভিডিও/সাইট বন্ধ করার নিয়ম:
1. Chrome খুলুন
2. উপরে তিন ডট (…) → Settings
3. Privacy & Security → Safe Browsing এ যান
4. Enhanced Protection বা Standard Protection চালু করুন ।

 #ফ্রান্সের এক ধনী পরিবারের জন্ম নিয়েছিল ছোট্ট এক মেয়ে। নাম তার "ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের"। জন্ম ১৮৪৯ সালের ১লা মার্চ। ফরাসি সমা...
28/08/2025

#ফ্রান্সের এক ধনী পরিবারের জন্ম নিয়েছিল ছোট্ট এক মেয়ে। নাম তার "ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের"। জন্ম ১৮৪৯ সালের ১লা মার্চ। ফরাসি সমাজে তখন মনিয়ের পরিবার ছিল বেশ প্রভাবশালী। মা ম্যাডাম মনিয়ের দানশীলতার জন্য এলাকায় নাম কুড়িয়েছিলেন, এমনকি কমিউনিটি অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছিলেন। এক ছেলে, এক মেয়ে— এভাবেই সুখের সংসার ছিল তাদের। ছেলে মার্সেল একজন উকিল, আর মেয়ে ব্ল্যাঞ্চ ছিল রূপের আধার।

শিশুকাল থেকেই ব্ল্যাঞ্চ ছিল সুন্দর, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে তার সৌন্দর্য যেন আরও বেড়ে উঠলো বহুগুণে। মায়ের গর্বের শেষ ছিল না মেয়েকে নিয়ে। কিন্তু গর্বই শেষ পর্যন্ত বিষ হয়ে দাঁড়ালো মেয়ের জীবনে।

২৫ বছরের তরুণী ব্ল্যাঞ্চকে মা বিয়ে দিতে চাইলেন এক অভিজাত পরিবারের ছেলের সাথে। কিন্তু ততদিনে ব্ল্যাঞ্চ মন দিয়ে বসেছে একজন সাধারণ উকিলকে— যার পরিবার ছিল একেবারেই সাদামাটা। মেয়ের ভালোবাসার মানুষকে মায়ের সামনে আনতেই অগ্নিশর্মা হয়ে উঠলো মা। বললেন, ওকে কখনো এই ঘরের বউ করব না। তোমার বিয়ে হবে আমার পছন্দের মানুষের সাথে। অন্যথায় নয়।

কিন্তু ব্ল্যাঞ্চও ছিল একরোখা। স্পষ্ট জানিয়ে দিল— বিয়ে যদি করতেই হয়, তবে আমি আমার ভালোবাসার মানুষকেই করব। অন্য কাউকে নয়।

এই অবাধ্যতার শাস্তি দিতে মায়ের মনে হলো এক শয়তানি চিন্তা। একদিন মেয়েকে ডেকে নিয়ে তালা মেরে দিলেন বাড়ির এক ছোট্ট অন্ধকার রুমে। কঠিন গলায় বললেন— সেদিনই এই ঘর থেকে মুক্তি পাবে, যেদিন আমার সিদ্ধান্ত মেনে নেবে।

কিন্তু মা যেমন জেদী, মেয়ে তেমনই একগুঁয়ে। দিন যায়, মাস যায়, বছর যায়—কেউ কাউকে হার মানায় না। ব্ল্যাঞ্চ ঠিক করলো, ভালোবাসার সঙ্গে প্রতারণা করবে না সে। আর মা-ও ঠিক করলেন, মেয়ের জীবন ভেঙে হলেও নিজের ইচ্ছাই চাপাবেন।

সময়ের সাথে একসময় ব্ল্যাঞ্চের ভালোবাসার মানুষ মারা গেল। তবুও মুক্তি মিললো না তার। বরং মা-ভাই বাইরে সমাজের চোখে ভান করে চলতে লাগলো—মেয়েকে নাকি হারিয়েছে, তাই শোকে কাতর তারা। অথচ সেই একই সময়ে চিলেকোঠার অন্ধকার ঘরে, আলো-বাতাস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছিল ব্ল্যাঞ্চ। ২৫ বছর— হ্যাঁ, টানা ২৫ বছর ধরে শেকলাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রইলো সে।

এই দীর্ঘ সময়ে চাকর-বাকররা অনেক কিছু জানতো, কিন্তু মনিয়ের পরিবারের প্রভাবের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। চারদিকে হাসি-আনন্দ, অথচ একটি জানালাবদ্ধ ঘরে ক্ষুধা, পচা খাবার আর কীটপতঙ্গের সাথে সংগ্রাম করছিল এক নারী— শুধু ভালোবাসার অপরাধে।

অবশেষে, ১৯০১ সালে, ভাগ্য নরম হলো। এক অজ্ঞাতনামা চিঠি গিয়ে পৌঁছালো প্যারিসের এটর্নি জেনারেলের কাছে। সেখানে লেখা—মনিয়ের পরিবার তাদের বাড়িতে বহু বছর ধরে এক নারীকে বন্দি করে রেখেছে।

প্রথমে বিশ্বাস করতে চায়নি কেউ। কারণ পরিবারটি ছিল সমাজে দানশীল আর সম্মানিত। তবে তদন্ত শুরু হলো। সৈন্যরা পুরো বাড়ি তল্লাশি চালিয়েও কিছু পেল না। ফেরার আগে হঠাৎ এক সৈন্যের নাকে এলো এক অদ্ভুত পঁচা গন্ধ। সেই গন্ধ অনুসরণ করে তারা পৌঁছালো চিলেকোঠায়। তালাবদ্ধ একটি দরজা। জানালায় মোটা পর্দা। সন্দেহ হওয়ায় কাচ ভেঙে ভেতরে তাকাতেই গা শিউরে উঠলো সবার।

ভেতরে এক নারীর কঙ্কালসার দেহ, শেকলে বাঁধা। চারপাশে পচা খাবার, কীটপতঙ্গ। ময়লার স্তূপে পড়ে আছে বিছানা। অচেনা, বিকৃত চেহারার দিকে তাকিয়ে হঠাৎ কেউ বলে উঠলো— এ যে ব্ল্যাঞ্চ মনিয়ের!

তৎক্ষণাৎ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকলো সৈন্যরা। অসহায়, কঙ্কালসার ব্ল্যাঞ্চকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হলো হাসপাতালে। তখন তার ওজন ছিল মাত্র ২২ কেজি। শারীরিক কষ্টের চেয়েও ভয়াবহ ছিল মানসিক ক্ষত। আলো-বাতাসহীন ২৫ বছরের সেই নরকযন্ত্রণা মুছে ফেলা অসম্ভব হয়ে উঠলো তার কাছে। তাকে ভর্তি করা হলো মানসিক হাসপাতালে, যেখানে ১৯১৩ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জীবনের শেষদিনগুলো কাটাতে হয় তাকে।

আর ব্ল্যাঞ্চের মা ও ভাই? তাদের গ্রেপ্তার করা হলো। মা জামিনে ছাড়া পেলেও সত্যিটা ফাঁস হয়ে গিয়েছিল সবার কাছে। সমাজের মানুষ ক্ষেপে উঠলো। ব্ল্যাঞ্চ উদ্ধার হওয়ার মাত্র ১৫ দিন পর ক্ষুব্ধ জনতা ভিড় জমালো তাদের বাড়ির সামনে। ভয়ে, আতঙ্কে সেদিন হার্ট অ্যাটাকে মারা গেল ম্যাডাম মনিয়ের।

অহংকার, জেদ আর সমাজের ভুয়া সম্মান রক্ষার খেলায় এক মায়ের হাতে ধ্বংস হয়ে গেলো তার নিজের সন্তানের জীবন। ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে চাওয়াটা অপরাধ ছিল না—কিন্তু ব্ল্যাঞ্চ মনিয়েরকে এই অপরাধের শাস্তি পেতে হলো টানা ২৫ বছরের অন্ধকার বন্দিদশায়।

#যদি আপনি সত্যিকারের ভয়ঙ্কর ও মর্মস্পর্শী গল্প সবার আগে পেতে চান, তাহলে আমার পেজটি ফলো করে সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ।
Collected

12/08/2025

পদ্মা নদী,রাজশাহী।

নাম ছিল বিল হাস্ট। মানুষ তাঁকে চিনত “স্নেক ম্যান” নামে। সারা জীবন বিষধর সাপ নিয়ে কাটিয়েছেন তিনি—তবে শুধু বিনোদনের জন্য...
10/08/2025

নাম ছিল বিল হাস্ট। মানুষ তাঁকে চিনত “স্নেক ম্যান” নামে। সারা জীবন বিষধর সাপ নিয়ে কাটিয়েছেন তিনি—তবে শুধু বিনোদনের জন্য নয়, বরং এক বিস্ময়কর বিশ্বাস থেকে। তাঁর মতে, সাপের বিষেই লুকিয়ে আছে বহু রোগের ওষুধ, এমনকি সুস্থতার চাবিকাঠিও।

শুরুর গল্পটা একটু অন্যরকম। ১৯১৭ সালে, মাত্র সাত বছর বয়সে খেলতে খেলতে প্রথমবার সাপ ধরেন হাস্ট। তখন থেকেই শুরু হয় সাপের প্রতি এক অদ্ভুত টান। ধীরে ধীরে পড়াশোনার গণ্ডি ছেড়ে পা রাখেন সাপের জগতে। নিজেই একটা ভ্রাম্যমাণ সাপ প্রদর্শনী দল গড়ে তোলেন এবং দেশজুড়ে ঘুরে ঘুরে মানুষের সামনে বিষধর সাপ নিয়ে দেখাতে থাকেন নানা কৌশল।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। ১৯৪৭ সালে মিয়ামিতে গড়ে তোলেন “Miami Serpentarium”—একটা অভিনব সাপঘর, যেখানে প্রতিদিন দর্শকদের সামনে সাপের বিষ সংগ্রহ করতেন তিনি নিজে। আর তার পাশাপাশি শুরু করেন আরও এক অভূতপূর্ব কাজ—নিজের শরীরে অল্প মাত্রায় সাপের বিষ ইনজেকশন নেওয়া।

প্রথমে অল্প করে, পরে রীতিমতো নিয়ম করে নানা বিষধর সাপের বিষ নিতে শুরু করেন—কোবরা, মাম্বা, র‍্যাটল স্নেক, আরও কত কী! উদ্দেশ্য একটাই—শরীরে এমন প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলা, যাতে সাপের কামড়েও প্রাণ না যায়।

এই অদ্ভুত পদ্ধতিই পরে তাঁকে অন্তত ২০ বার বাঁচিয়ে দিয়েছিল—যেখানে অন্য কেউ হলে নিশ্চিত মৃত্যু হতো। শুধু তাই নয়—তাঁর শরীরে গঠিত অ্যান্টিবডি কখনো কখনো অন্যের শরীরেও ব্যবহার করা হয়েছে। জানা যায়, এভাবে অন্তত ২১ জন মানুষের প্রাণ বাঁচানো গিয়েছে।

মজার বিষয়, তিনি ছিলেন না কোনো ডাক্তার কিংবা বৈজ্ঞানিক। তবুও অভিজ্ঞতা, সাহস আর নিষ্ঠার কারণে বহু চিকিৎসক ও গবেষক তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চাইতেন। সাপের বিষ দিয়ে আর্থরাইটিস, এমনকি মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের চিকিৎসা নিয়েও তিনি নানা পরীক্ষা চালান।

আর অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি—এই ‘বিষ-পুরুষ’ বেঁচে ছিলেন একশো এক বছর। ২০১১ সালে মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি বিশ্বাস করতেন, সাপের বিষই তাঁকে সুস্থ রেখেছে এত বছর।

।। সংগৃহীত।।
কপি- মোঃ জিয়াউর রহমান

゚viralfbreelsfypシ゚viral ゚

Address

Bogura
5800

Telephone

+8801722844559

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Praner Bogra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Praner Bogra:

Share