Save The Nature Of Bangladesh - বরিশাল জেলা শাখা

Save The Nature Of Bangladesh - বরিশাল জেলা শাখা এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈ?

Our Nature Our Right - Save The Nature Join The fight স্লোগানকে ধারন করে এদেশের পরিবেশ প্রকৃতি জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার মহান শপথে যখন দেশে পরিবেশ রক্ষায় সমৃদ্ধ পরিবেশ আইন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষন আইন ছিলনা তখনই এদেশের সবুজ সারথী দেশপ্রেমিক সেচ্ছাসেবী তরুণদের নিয়ে ২০০৫ সালের ৫ ই জুন প্রকৃতির বন্ধু আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে Save The Nature Of Bangladesh নামের দেশের সর্ববৃ

হৎ পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রাতিষ্টানিক ভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রমের সূচনা হয়। সারাদেশের স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি প্রেমী ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে নিয়ে স্রোতের বিপরীতে পরিবেশ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সারাদেশে শুরু হয় সম্মিলিত প্রতিরোধ, আজ হাজারো দেশপ্রেমিক স্বপ্নবাজ তরুণ্যের একটাই লক্ষ্য We are fighting for the bright tomorrow.....

এদেশের সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা প্রকৃতির সবুজ ছায়ায় জন্ম নিয়েছে নজরুল, সুকান্ত, পল্লী কবি জসীম উদ্দিন ও বনলতা সেনের মত প্রকৃতি প্রেমী কবিরা । ভাবতেও খারাপ লাগে ভূমিদস্যু হায়েনাদের লুলুপ দৃষ্টি আজ প্রকৃতির অন্যতম প্রধান উপাদান গাছ-পালা, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত সহ সবখানে। তারা তাদের ক্ষুদ্র ব্যাক্তি-স্বার্থকে চরিতার্থ করার কু-মানসে পাহাড় কেটে ডেকে আনছে পরিবেশের বিপর্যয়।

অন্যদিকে দেশের বন ও বন্যপ্রাণী নিধনের মহোৎসব যেন সমগ্র মানচিত্র জুড়ে, যেখানে একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা সেখানে নেমে আসে সেখানে অঞ্চলভেদে ১০-১৫ ভাগে তাও প্রাকৃতিক বনভূমিকে ধ্বংস করে এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ বিনাশী যে গাছে ফুল হয়না, ফল হয়না, পাখি বসেনা, প্রকৃতি পরিবেশের কোন উপকারে আসেনা, বনের ইকোসিস্টেম ধ্বংস করে এমন প্রেসক্রিপশন নির্ভর আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস বা সেগুনের মত ক্ষতিকর বৃক্ষের মুনাফালোভী সামাজিক বনায়ন প্রকল্প ।
এতে বিপন্ন ও বিলুপ্তির হুমকির মুখে পড়ে দেশের হাজারো বন্যপ্রাণী, যারা এদেশের প্রকৃতি পরিবেশ ও ইকোসিস্টেম সমৃদ্ধ করে। দেশের বর্ধিত জনসংখ্যার চাপে মানুষ বনের জমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং কেটে সাফ করেছে প্রাকৃতিক পাহাড় ও বনভূমিকে, বনের মাঝেই আজ শত শত ইটভাটা ও করাত কল, প্রতিনিয়ত ইটভাটায় পুড়ছে বনের কাঠ ও কৃষি জমির উর্বর টপ সয়েল, যেন সর্বত্র প্রকৃতি বিনাশী এক যুদ্ধ প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্টপোকতায়। বনের বিপন্ন আশ্রয়হীন অসহায় বন্যপ্রাণী ধরে এনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনোদনের নামে গড়ে তোলা হয় চিড়িয়াখানা বা মিনি চিড়িয়াখানা। তারই একটি অংশ দেশের বিভিন্ন সিমান্ত অঞ্চল হয়ে নিয়মিত পাচার হয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। সেই সাথে দেশীয় ও অতিথি পাখি, বন মোরগ, হরিণ হয়ে উটে পচন্দের মুখরোচক সুস্বাদু খাবারে।

নদী- নালা, খাল-বিল, বনভূমি ধ্বংস করে ভূমিদস্যুরা স্বপ্ন দেখে বরং এখানে কুড়ে ঘর নয়, হবে প্রাসাদোপম অট্টালিকা। উপকূলীয় অঞ্চলের সবুজ বেষ্টনী ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট ও প্যারাবন নিধন করে গড়ে উটে লক্ষ লক্ষ একর চিংড়ি ঘের ও লবন মাঠ । ফলে ইকোসিস্টেম নষ্ট হবার ফলে পর্যটন নগরী ককসবাজার , কুতুবদিয়া উপজেলা বা সাতক্ষীরা সহ দেশের উপকূলীয় এলাকার অধিকাংশ নলকূপ দিয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানির বদলে আসছে লবনাক্ত পানি ।
ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের নিঃসৃত বর্জ্য সরাসরি গিয়ে পড়ছে নদী ও সাগরে ফলে , ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য , ধ্বংস হচ্ছে দেশীয় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সমূহ ।
অন্যদিকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পেলেও দেশের অধিকাংশ ইট পোড়ান হয় বনভূমি উজাড় করে । চলমান পাহাড় কাটার ফলে দেশের অধিকাংশ নদী নাব্যতা হারিয়েছে ।
সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর নামক একটি প্রতিষ্টান থাকলেও জনবল সংকট ও আইনী জটিলতার কারনে তারা পরিবেশ রক্ষায় ফলপ্রসু কোন ভূমিকা রাখতে পারছেনা । পরিবেশ আদালতে মামলা হয় ঠিকই কিন্তু রাজনৈতিক আশ্রয় ও প্রভাবের কারনে ভূমিদস্যুরা উপযুক্ত সাক্ষি প্রমানের অভাবে বেখসুর খালাস পেয়ে দ্বীগুন উৎসাহে পরিবেশ নষ্ট করছে , যার অহ রহ প্রমান রয়েছে ।
অন্যদিকে অব্যাহত পাহাড় কাটা ও বন ভূমি উজাড় করার ফলে বায়ুমন্ডলে র্কাবনডাইঅক্সাইডের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে মরূ অঞ্চলের বরফ গলতে শরু করেছে ফলে সাগরে পানির উচ্ছতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এতে করে সাগর উপকূলের দ্বীপ ও দেশ সমূহের ভূভাগ আস্তে আস্তে পানির নীছে তলিয়ে যাচ্ছে এবং বায়ুমন্ডলের উজন স্তর ভেধ করে র্সূযের অতি বেগুনী রশ্ণী সরাসরি পৃথিবীতে এসে পড়ছে ফলে পৃথিবীতে নতুন নতুন রোগ ব্যাধি সৃষ্টি হচ্ছে ।
তাই দেশ বাচাঁতে , প্রকৃতি বাচাঁতে ও পরিবেশ বাঁচাতে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে Save The Nature Of Bangladesh হয়ে উটে এদেশের মানুষের বিশ্বাস ও আস্তার ঠিকানা তাই আজ এদেশের জনসাধারনের পরিবেশ আইন সর্ম্পকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষার র্স্বাথে সচেতন দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহবান জানাচ্ছি ।

শুভেচ্ছান্তে
আ.ন.ম.মোয়াজ্জেম হোসেন
চেয়ারম্যান
Save The Nature Of Bangladesh

 #বরিশাল_বিভাগের_বনভূমি_১০_ভাগে_উন্নীত_করুন একটি দেশের জাতীয় আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি পরিবেশ ...
03/07/2026

#বরিশাল_বিভাগের_বনভূমি_১০_ভাগে_উন্নীত_করুন
একটি দেশের জাতীয় আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে, সেই তুলনায় আমাদের বনভূমি রয়েছে ১১ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বনভূমি রয়েছে রাজশাহী বিভাগে ২% ও বরিশাল বিভাগে ৩%।
অথচ সরকারি হিসেবে বরিশাল বিভাগের মোট আয়তনের ৩% বনভূমি বলা হলেও উপকূলীয় প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন এবং সুন্দরবন অংশ বাদ দিলে বরিশাল বিভাগের মোট আয়তনের তুলনায় ১ ভাগ বনভূমিও অবশিষ্ট আছে কিনা সন্দেহ যেভাবে ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংস করে চিংড়ী ঘের নির্মান করেছে প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায়।

তাই বরিশাল বিভাগের প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে উপকূলীয় বনভূমি সহ বনভূমির পরিমান জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলে জানান Save The Nature of Bangladesh কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান A N M Moazzem Hossain

 #বরিশাল_বিভাগের_বনভূমি_১০_ভাগে_উন্নীত_করুনএকটি দেশের জাতীয় আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি পরিবেশ জ...
03/07/2026

#বরিশাল_বিভাগের_বনভূমি_১০_ভাগে_উন্নীত_করুন
একটি দেশের জাতীয় আয়তনের ২৫ ভাগ বনভূমি রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে, সেই তুলনায় আমাদের বনভূমি রয়েছে ১১ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বনভূমি রয়েছে রাজশাহী বিভাগে ২% ও বরিশাল বিভাগে ৩%।
অথচ সরকারি হিসেবে বরিশাল বিভাগের মোট আয়তনের ৩% বনভূমি বলা হলেও উপকূলীয় প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন এবং সুন্দরবন অংশ বাদ দিলে বরিশাল বিভাগের মোট আয়তনের তুলনায় ১ ভাগ বনভূমিও অবশিষ্ট আছে কিনা সন্দেহ যেভাবে ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংস করে চিংড়ী ঘের নির্মান করেছে প্রশাসন ও রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায়।

তাই বরিশাল বিভাগের প্রকৃতি পরিবেশ জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে উপকূলীয় বনভূমি সহ বনভূমির পরিমান জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধির বিকল্প নেই বলে জানান Save The Nature of Bangladesh কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান A N M Moazzem Hossain

03/07/2026

ন্যাচার কনভেনশন থেকে অন্ততঃ একটি পলিথিন মুক্ত বাজার, ৩/৫ টি জলাধার দখল দূষণ মুক্ত করা, ফয়স লেক উন্মুক্ত করা ও নগরীর ৫/৭ টি ঝুকিপূর্ণ পাহাড়কে চিরস্থায়ী ভাবে সুরক্ষার দাবী জানান Save The Nature Of Bangladesh এর চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন।


চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবি শিরীষতলায় Save The Nature Of Bangladesh- চট্টগ্রাম মহানগর শাখা আয়োজিত জমকালো এর Save The Nature of Bangladesh এর চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ড. শাহাদাত হোসেন ও উদ্ভোধক (চট্টগ্রাম -৯) আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমরা বক্তব্য ছিল -

"চট্টগ্রাম শহরের অন্তত একটি বাজারকে পলিথিন মুক্ত বাজার ঘোষণা করুন। অন্তত তিনটি পুকুরকে দখল ও দূষণ মুক্ত করে দৃষ্টিনন্দন করুন। ফয়'স লেক ডাকাতের কবল থেকে উদ্ধার করে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের বিনোদন ও মানসিক বিকাশের জন্য উন্মুক্ত করেদিন এবং নগরীতে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ২৬ টি পাহাড়ের ৩-৫টি পাহাড় কে চিরস্থায়ী ভাবে সুরক্ষার উদ্যোগ নিন।

সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখা সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম- ০৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. এম এ গফুর এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মোস্ততাকিম মাহমুদ।

উক্ত ন্যাচার কনভেনশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও হালদা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া, কর্ণফুলী নদী গবেষক ও অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী। সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান আ.ন.ম. মোয়াজ্জেম হোসেন, পরিবেশ সংগঠক ও চ্যানেল আই চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিদ, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন জামান ও ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, সেভ দ্যা ন্যাচার অব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন, কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের জোনাল ম্যানেজার প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর বাবুল, পরিবেশ সংগঠক সেলিম খান, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ও ইয়াকুব হোসেন শাকিল, আহসান খালেদ সহ স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

A N M Moazzem Hossain
Moazzem Riad

 #চট্টগ্রামে_৫টি_জীবিতসহ_৬৩_রাজ_কাঁকড়া_উদ্ধার  #সামুদ্রিক_জীববৈচিত্র্য_রক্ষায়_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহ...
03/07/2026

#চট্টগ্রামে_৫টি_জীবিতসহ_৬৩_রাজ_কাঁকড়া_উদ্ধার
#সামুদ্রিক_জীববৈচিত্র্য_রক্ষায়_ব্যার্থতার_দ্বায়_কার
চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশন এলাকা থেকে এদেশে বিলুপ্ত ৬৩টি রাজ কাঁকড়া উদ্ধার করা হয়েছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুসারে।

'জীবন্ত জীবাশ্ম' নামে পরিচিত সামুদ্রিক প্রাণী রাজ কাঁকড়ার রক্ত নিয়ে 'ব্যথা উপশমের’ ওষুধ তৈরি ও বিক্রি করছিল দুজন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া রাজ কাঁকড়ার মধ্যে মাত্র ৫টি জীবিত আছে। বাকিগুলোর রক্ত বের করে নেওয়ায় সেগুলো মারা গেছে।

বুধবার বিকালে নগরীর শোলশহর রেল স্টেশনের ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে পরিবেশ ও প্রাণী সংরক্ষণে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেভ দ্যা নেচারের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মুস্তাকিম মাহমুদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ উল ইসলাম এসব কাঁকড়া তেল বিক্রির বিষয়টি সরকারি কর্মকর্তাদের নজরে আনেন।

পরে তাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য ঘটনাস্থলে আসেন। জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে রাজ কাঁকড়াগুলো উদ্ধার করা হয়।

বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য বলেন, "যারা এগুলো থেকে রক্ত নিয়ে 'ওষুধ বানিয়ে' বিক্রি করছিল, সেই দুজন জানিয়েছে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকা থেকে তারা এগুলো সংগ্রহ করেছে।

"বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের তফসিল-২ ভুক্ত হওয়ায় রাজ কাঁকড়া আহরণ, সংরক্ষণ ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ। কিন্তু আমরা এখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট পাইনি। আর আমল অযোগ্য অপরাধ হওয়ায় এবং আইন সম্পর্কে তারা জানত না বলে স্বীকার করায় এ কাজে জড়িত দুজনকে পুলিশের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।" জীবিত রাজ কাঁকড়া ৫টি পরে সাগরে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সেভ দ্যা নেচারের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের চেয়ারম্যান আ ন ম মোয়াজ্জেম হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "রাজ কাঁকড়ার নীল রক্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানে গবেষণার কাজে ব্যবহার হয়। প্রাণিটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাঝে মাঝেই রাস্তায় ওষুধ বিক্রির নামে এসব প্রাণি প্রদর্শন ও হত্যা করা হয়।
"আজ এরকম একটি ঘটনা দেখতে পেয়ে আমাদের সংগঠনের সদস্যরা উদ্যোগ নিয়ে তা প্রতিহত করে। বিশ্ব বাজারে রাজ কাঁকড়ার রক্ত অতি উচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়।"

Save The Nature Of Bangladesh- চট্টগ্রাম মহানগর শাখা


উদ্ধার হওয়া রাজ কাঁকড়ার মধ্যে ৫টি জীবিত আছে।

03/07/2026
03/07/2026

Address

Barisal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Save The Nature Of Bangladesh - বরিশাল জেলা শাখা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Save The Nature Of Bangladesh - বরিশাল জেলা শাখা:

Shortcuts

Share