SUN AID

Directions Website

SUN AID SUN AID is a non-governmental organization(NGO) that has been working for the trend-setter of innovation and change for sustainable human development.

SUN AID is a non-governmental organization dedicated to assisting disadvantaged populations, with a particular emphasis on the development of women and children, humanitarian assistance, and climate resilience. The organization operates within Bangladesh, specifically in the Barisal Division, providing continuous support across various sectors, including education, health, agroforestry, climate adaptation, organizational capacity building, skill development, information technology innovation and growth, gender equality, training, and rights-based development. Additionally, SUN AID has incorporated ICT training, freelancing development, and digital skill enhancement programs to support the national objective of creating a Smart Bangladesh. These initiatives are designed to uplift the socio-economic conditions of underserved communities. Objectives of the Organization
• Poverty alleviation and Socio-economic development
• Empowerment of Youth, Women, Children, and Marginalized groups
• Ensuring access to Nutrition and Healthcare
• Safeguarding rights and promoting Gender equality
• Building ICT literacy and Youth leadership
• Skill development and Capacity building
• Supporting vulnerable communities through structured development frameworks

Key Program Areas
• Skill Development and Capacity Building
• ICT Training and Digital Development
• Youth Empowerment and Leadership Development
• Education & Child Development
• Public Health, Nutrition & WASH
• Women’s Empowerment & Gender Equality
• Livelihood & Income-Generating Activities
• Climate Change Adaptation & Mitigation
• Eco-Agriculture & Fisheries Development
• Disaster Risk Reduction & Emergency Response
• Humanitarian Relief


Vision of SUN AID

Our Vision is to be the Trend-setter of innovation and change for Sustainable Human Development.

পুষ্টিসংবেদনশীল খাদ্যনিরাপত্তায় করণীয় দেশে সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও সবার জন্য নিরাপদ,পুষ্টিকর ও সাশ্রয়ী খাদ্য ...
08/10/2026

পুষ্টিসংবেদনশীল খাদ্যনিরাপত্তায় করণীয়
দেশে সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও সবার জন্য নিরাপদ,পুষ্টিকর ও সাশ্রয়ী খাদ্য নিশ্চিত কার এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে পুষ্টিকর খাদ্য এখনো অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাবের প্রতিফলন।কিন্তু খাদ্যনিরাপত্তা কেবল পর্যাপ্ত খাদ্যপ্রাপ্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; খাদ্যের পুষ্টিমানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে পুষ্টিকর খাদ্য এখনো অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নিন্ম ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে কম পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্যের ওপর নির্ভর করছে। এই বাস্তবতার প্রতিফলন দেখা যায় শিশু ও নারীদের পুষ্টি পরিস্থিতিতে। এই অবস্থায় প্রয়োজন এমন একটি খাদ্যব্যবস্থা, যা সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, বৈচিত্রময় ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করবে। খাদ্য নিরাপত্তার পরবর্তী ধাপ হলো পুষ্টিনিরাপত্তা। তাই এখন সময় এসেছে কৃষি,খাদ্য,ও পুষ্টিকে একটি সমন্বিত নীতিকাঠামোর আওতায় এনে পুষ্টিসংবেদনশীল খাদ্যনিরাপত্তা ধারণাকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রস্থলে স্থান দেওয়ার। কারণ একটি সুপুষ্ট জনগোষ্ঠীই হতে পারে উৎপাদনশীল, দক্ষ ও টেকসই উন্নয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।

সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
#সানএইড #এনজিও #পুষ্টিসংবেদনশীলখাদ্যনিরাপত্তায়

এসডিজি অর্জনে তামাক ও নিকোটিনের ব্যবহার বড় বাধা দৈনিক ইত্তেফাকদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ ঘটে হৃদরোগ,স্ট্রোক,ক্যানসা...
06/10/2026

এসডিজি অর্জনে তামাক ও নিকোটিনের ব্যবহার বড় বাধা
দৈনিক ইত্তেফাক
দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ ঘটে হৃদরোগ,স্ট্রোক,ক্যানসারসহ বিভিন্ন অসংক্রমক রোগে। এসব রোগের অন্যতম প্রধান কারণ তামাক ও নিকোটিন পণ্য বলে জানিয়েছেন প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা) ও আ্যন্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা) আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনেও তামাক ও নিকোটিন পণ্যের ব্যবহার বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বছরে প্রায় ২ লাখ মানুষ মারা যায়। দারিদ্র নির্মূল, খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষি, মানসম্মত শিক্ষা,লিঙ্গ সমতা,পরিবেশ,জলবায়ু ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণসহ এসডিজির প্রায় সবগুলো লক্ষ্য অর্জনে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে তামাক। তামাকের ছোবল থেকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরো জোরদার করতে হব

সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
#সানএইড #এনজিও #তামাকনিকোটিনেরবড়বাধা

পরিবেশের যত চ্যালেঞ্জঅসচেতনতা, লোভ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এর অভাবে বিপর্যস্ত দেশের পরিবেশ। নদনদী, খাল-জলাশয়, বনভূমি জীববৈচিত...
04/10/2026

পরিবেশের যত চ্যালেঞ্জ
অসচেতনতা, লোভ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন এর অভাবে বিপর্যস্ত দেশের পরিবেশ। নদনদী, খাল-জলাশয়, বনভূমি জীববৈচিত্র সবই চরম ঝুঁকিতে। তাপমাত্রা বাড়ছে হু হু করে। উন্নয়নের নামে কেটে ফেলা হচ্ছে পুরনো গাছ। মরুকরণের পথে যাচ্ছে দেশ। বায়ু, পানি,মাটি ও শব্দদূষণ কমানো যাচ্ছে না। দুই যুগ আগে নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বাড়ছে ক্ষতিকর পলিথিনের রাজত্ব। পরিবেশের এই নাজুক পরিস্তিতি বাড়াচ্ছে জীবনের ঝুঁকি। শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বেড়ে উঠেছে মেধাহীন অসুস্থ প্রজন্ম। দখল ও দূষণমুক্ত হয়নি একটা নদীও কমেনি শব্দদূষণ। বায়ুদূষনে এখনও শীর্ষে বাংলাদেশ। দের বছরে বাজার থেকে সড়াতে পারিনি পলিথিন। দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধীমালায় যা যা নিষিদ্ধ করা আছে, তার কোন কিছুই থেমে নেই। দেশের কৃষি ও পরিবেশ বাঁচাতে নদীগুলো বাঁচানো সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করেণ পরিবেশবিদরা।
সুত্রঃ দৈনিক যুগান্তর
#সানএইড #এনজিও #পরিবেশেরযতচ্যালেঞ্জ

01/10/2026

জলবায়ু পরিবর্তনের চাপে কৃষক অভিযোজনের অর্থায়নের বড় ঘাটতি
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়লেও এর প্রভাব মোকাবিলায় ক্ষুদ্র কৃষকের অভিযোজন সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও সেবার সুযোগ এখনো সীমিত। কৃষি সম্প্রসারণসেবা, ঋণ ও বিমায় প্রবেশাধিকারের ঘাটতির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অর্থায়ন পৌঁছানোর সীমাবদ্ধতা কৃষকের অভিযোজনকে কঠিন করে তুলছে। ক্ষুদ্র কৃষকেরা ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা,অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘস্থায়ী খরা, আকস্মিক বন্যা ও মাটির অবক্ষয়ের মতো ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।একই সময়ে খন্ডিত জমি,সীমিত অর্থায়ন,অবকাঠামোগত ঘাটতি এবং বিমা ও ঋণে সীমিত প্রবেশাধিকার জলবায়ু অভিযোজনের পথে বাধা তৈরি করছে। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু অর্থায়নের ১০ শতাংশেরও কম স্থানীয় পর্যায়ে পৌঁছায় । ফলে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা স্থানীয় কৃষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পৌঁছানো এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি পুরুষের কৃষি থেকে অভিবাসনের কারণে অনেক এলাকায় কৃষিকাজের দায়িত্ব আরো বেশি নারীর হাতে যাচ্ছে।কিন্তু দায়িত্ব বাড়লেও জমির মালিকানা,ঋণ,কৃষি সম্প্রসারণসেবা ও জলবায়ু তথ্যের ক্ষেত্রে নারীরা সমান সুযোগ পাচ্ছেন না।
সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
#সানএইড #এনজিও #জলবায়ুপরিবর্তনেরচাপেকৃষক

Mounting E-Waste Piles Create Health Risks The volume of electronic waste (e-waste) in the country is rising at an alarm...
29/09/2026

Mounting E-Waste Piles Create Health Risks
The volume of electronic waste (e-waste) in the country is rising at an alarming rate; every day, vast numbers of electronic devices—including mobile phones, computers, televisions, refrigerators, and air conditioners—become obsolete. There is virtually no formal or environmentally sound management system for these electronic devices. They contain various chemicals and substances such as lead, silicon, tin, cadmium, mercury, zinc, chromium, and nitrous oxide. E-waste in the country is increasing at an annual rate of 20 percent. By 2035, the annual volume of e-waste is projected to reach 4.6 million tonnes. A 2018 report had previously noted that the country was generating 400,000 tonnes of e-waste annually. E-waste poses serious health risks, particularly to pregnant women and newborns. Exposure to e-waste leads to the toxicity of various human tissues, organs, and bodily systems, impairing the respiratory, immune, nervous, urinary, and reproductive systems. Currently, approximately 97 percent of e-waste in Bangladesh is processed within the informal sector.
Collected: Daily Ittefaq
#সানএইড #এনজিও

কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাঃ নীতি ও বাস্তবতার ব্যবধান খাদ্য,পানি,বাসস্থান,স্বাস্থ্য,শিক্ষা ও কাজ- মানুষের মৌলিক অধিকার। ...
27/09/2026

কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাঃ নীতি ও বাস্তবতার ব্যবধান
খাদ্য,পানি,বাসস্থান,স্বাস্থ্য,শিক্ষা ও কাজ- মানুষের মৌলিক অধিকার। মানসম্মত শিক্ষা শুধু জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়ায় না-এটি কর্মসংস্থান সৃস্টি, দারিদ্র হ্রাস,উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করে। বাংলাদেশের মতো জনবহুল ও উন্নয়নশীল দেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সাধারণ, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক, মাদ্রাসা এবং বিশেষায়িত-বিভিন্ন ধারা রয়েছে। শিল্প, কৃষি, নির্মাণ, তথ্যপ্রযুক্তি, সেবা খাত কিংবা বিদেশের শ্রমবাজার – সব ক্ষেত্রেই দক্ষ মানবসম্পদের প্রয়োজন বাড়ছে। বর্তমানে শিক্ষার মান ও শ্রমবাজারের চাহিদার মধ্যে অসামঞ্জস্য এবং মূল্যায়ন-ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে। এখানেই নীতি ও বাস্তবতার ব্যবধানটি স্পস্ট হয়। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা জরুরি –‘কারিগরি শিক্ষা যেন কম মেধাবীদের শিক্ষা’ এমন ধারনা থেকে বেরিয়ে এসে দক্ষতা, মর্যাদা ও কর্মসংস্থানের শক্তিশালী পথ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। যাতে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও মর্যাদার সঙ্গে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
#কারিগরিওবৃত্তিমূলকশিক্ষা #সানএইড #এনজিও

বরিশালে বর্ষাকালীন তরমুজে সম্ভাবনার নতুন দুয়ারকৃষি সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, রবি মৌসুমে সারা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ তরমুজ...
24/09/2026

বরিশালে বর্ষাকালীন তরমুজে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার
কৃষি সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, রবি মৌসুমে সারা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ তরমুজের আবাদ হয় বরিশাল কৃষি অঞ্চলে। গত রবি মৌসুমে দেশে উৎপাদিত প্রায় ৫০ লাখ টন তরমুজের মধ্যে প্রায় ৩৫ লাখ টনই বরিশাল অঞ্চলে উৎপাদিত হয়েছে। এর পাশাপাশি বর্ষাকালীন তরমুজের আবাদ সম্প্রসারিত হলে তা বরিশালের কৃষক ও কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে মনে করছেন কৃষিবিদরা। তরমুজ খরা সহনশীল ফসল হলেও অপেক্ষাকৃত শুষ্ক পরিবেশে ভালো বেড়ে ওঠে। বরিশাল অঞ্চলে বর্ষাকালে মাটিতে লবণাক্ততা তুলনামূলক কম থাকায় তরমুজ চাষের জন্য তা কিছুটা সহায়ক। তবে গাছের গোড়ায় কোনো অবস্থাতেই পানি জমতে দেওয়া যায় না। এ কারণে বর্ষাকালীন তরমুজ চাষে কৃষকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। কৃষি ও পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে,তরমুজে ভিটিামিন এ,রিবোফ্লাভিন , থায়ামিনসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
সূত্রঃদৈনিক ইত্তেফাক
#সানএইড #এনজিও #বর্ষাকালীনতরমুজ

Initiatives for Alternative Income for Fishermen FamiliesImpoverished fishermen have been encouraged to refrain from fis...
22/09/2026

Initiatives for Alternative Income for Fishermen Families
Impoverished fishermen have been encouraged to refrain from fishing during the fish breeding season. By halting fishing activities, they are generating alternative income through calf and goat rearing and operating transport vans. This has provided their households with additional earnings, bringing a measure of financial stability to these families. Simultaneously, the suspension of fishing has led to increased fish production in the water bodies. Efforts were made to motivate these fishermen to abstain from fishing during the breeding season to boost production and conserve fishery resources. To facilitate alternative income, the project distributed calves, goats, and vans to approximately 16,000 families across various sub-districts over the past five years, thereby providing them with a means of livelihood. As a result, fish production has increased across the ten districts covered by the project.
Collected: Daily Ittefaq
#সানএইড #এনজিও

ভয়ানকরুপে ডেঙ্গু ভয়ানক হয়ে উঠেছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দেশে আরো  ৯ জনের মৃত্যু হয়...
20/09/2026

ভয়ানকরুপে ডেঙ্গু
ভয়ানক হয়ে উঠেছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি। মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দেশে আরো ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে । যা চলতি বছরের সবথেকে মৃত্যুর রেকর্ড। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে শুধু মশক নিধনে কাজের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বছরে অক্টোবর -নভেম্বর মাসে দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এর পিছনে তারা একাধিক কারণ দায়ী করেছেন । আবহাওয়া পরিবর্তন ,মশার অতিরিক্ত ঘনত্ব এবং মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক ঘাটতি ডেঙ্গু ভয়ানক হয়ে ওঠার পেছনে কাজ করছে। আগস্ট থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। এই ধাক্কা সামলাতে এখনই কাজে নামতে হবে। এই মহামারি ঠেকাতে এখন থেকেই সবাইকে নিজ নিজ কর্মস্থল ও বাসাবাড়ি পরিস্কার পরিচ্ছন্নরাখার পাশাপাশি দেশ জুরে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। কাজেই আমরা যদি মশা নিয়ন্ত্রণ ও রোগী ব্যবস্থাপনার কোরো ধরনের পরিবর্তন করতে না পারি তাহলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে যাবে।
সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
#সানএইড #এনজিও #ভয়ানকরুপডেঙ্গু

পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হোক গাছ পরিচর্যাবৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নাই। জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল এখন পৃথি...
17/09/2026

পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত হোক গাছ পরিচর্যা
বৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নাই। জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল এখন পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষই ভোগ করছে। প্রকৃতিকে ধ্বংস করলে প্রকৃতিও তার প্রতিক্রিয়া দেখায়। উন্নয়নের নামে বন উজার হচ্ছে, অথচ নতুন বন সৃষ্টির উদ্যোগ নানা জটিলতায় আটকে থাকে। গাছকে শিশুর মতো যত্ন করতে হয়। টেকসই হয়ে বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিমিত খাদ্য। তাই একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কতগুলো গাছ লাগানো হলো তার উপর নির্ভর করা উচিত নয় কতোটি গাছ টিকে আছে সেটিই হওয়া উচিত সাফল্যের মাপকাঠি উন্নয়নের জন্য বৃক্ষনিধন নতুন কিছু না।এই দেশে নতুন করে বন সৃস্টি তাই দুশ্চিন্তার বিষয়।অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্নের কারণে বাংলাদেশের নিন্মাঞ্চল,বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে।বিজ্ঞানীদের মতে, কার্বন অক্সাইডের কারণে পৃথিবীর উষ্ণতা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে মানুষ ও কলকারখানা থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গত হলেও গাছ তা শোষণ করে এবং অক্সিজেন সরবরাহ করে। অক্সিজেন প্রতিটি প্রাণীর জীবনশক্তি। তাই গাছ শুধু মানুষকে ফল , ছায়া ও জ্বালানি দেয় না, প্রতিটি প্রাণীর জীবনধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় গাছের গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
#সানএইড #এনজিও #পাঠ্যসূচিরঅন্তর্ভুক্তহোকগাছপরিচর্যা

Address

Chowdhury Bari, C&B Road, 23 No Ward, Barishal City Corporation
Barisal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SUN AID posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share