08/10/2026
পুষ্টিসংবেদনশীল খাদ্যনিরাপত্তায় করণীয়
দেশে সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও সবার জন্য নিরাপদ,পুষ্টিকর ও সাশ্রয়ী খাদ্য নিশ্চিত কার এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে পুষ্টিকর খাদ্য এখনো অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিবাচক প্রভাবের প্রতিফলন।কিন্তু খাদ্যনিরাপত্তা কেবল পর্যাপ্ত খাদ্যপ্রাপ্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; খাদ্যের পুষ্টিমানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে পুষ্টিকর খাদ্য এখনো অনেক পরিবারের নাগালের বাইরে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে নিন্ম ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলো বাধ্য হয়ে কম পুষ্টিমানসম্পন্ন খাদ্যের ওপর নির্ভর করছে। এই বাস্তবতার প্রতিফলন দেখা যায় শিশু ও নারীদের পুষ্টি পরিস্থিতিতে। এই অবস্থায় প্রয়োজন এমন একটি খাদ্যব্যবস্থা, যা সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, বৈচিত্রময় ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করবে। খাদ্য নিরাপত্তার পরবর্তী ধাপ হলো পুষ্টিনিরাপত্তা। তাই এখন সময় এসেছে কৃষি,খাদ্য,ও পুষ্টিকে একটি সমন্বিত নীতিকাঠামোর আওতায় এনে পুষ্টিসংবেদনশীল খাদ্যনিরাপত্তা ধারণাকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রস্থলে স্থান দেওয়ার। কারণ একটি সুপুষ্ট জনগোষ্ঠীই হতে পারে উৎপাদনশীল, দক্ষ ও টেকসই উন্নয়নের সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।
সুত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
#সানএইড #এনজিও #পুষ্টিসংবেদনশীলখাদ্যনিরাপত্তায়